নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আল্লাহর নামে

ডাঃ আকন্দ

একজন চিকিৎসক ।

ডাঃ আকন্দ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ

০৭ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:২৩

কয়দিন পূর্বে গাজা ও ইসরায়েল যুদ্ধে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কেউ একটা ফুলও নিক্ষেপ করেনি, শুধুমাত্র ইরান এবং ইরানের সহযোগী হিজবুল্লাহ ও হুতি ছাড়া। পৃথিবীতে কতগুলি আরব ও মুসলিম রাষ্ট্র, কিন্তু কেউ একটা ফুল নিক্ষেপ করেনি, এমনকি ইউরোপ পর্যন্ত বড়ো ধরনের কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়নি। তবে ইউরোপের কিছু দেশ ও কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়া ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে, যা খুবই ভালো উদ্যোগ।



যাইহোক, যে হিজবুল্লাহ এবং হুতি ফিলিস্তিনের জন্য জান এবং মাল অকাতরে বিলিয়ে দিলো ইরানের নির্দেশে এবং সাহায্যে, সেই ইরানের বিপক্ষে মুসলমানরা ঘৃণা ছড়াচ্ছে, যা অনেক বড়ো জুলুম। শিয়ারা বর্তমানে সুন্নিদেরকে ভালবাসে, যার জন্য শিয়ারা এখন মুসলিম এবং খামেনিসহ যারা মারা যাচ্ছে, তারা ঈমানের সাথে মারা যাচ্ছে এবং তাদের মৃত্যুতে দোয়া পড়া ও দোয়া করা দুটোই জায়েজ। আর মুসলমানদেরকে অবশ্যই বর্তমান ইরান যুদ্ধে ইরানকে সমর্থন করতে হবে।



আসলে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে চীনের বিশ্ব মোড়ল হওয়া ত্বরান্বিত করছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বুদ্ধির বড়োই অভাব। তাদের ইতিহাস উপদেষ্টা খুবই খারাপ। ইসালামের শত্রুদের মহা দুঃসংবাদ হলো যারাই ইসলামকে ধ্বংস করতে চেয়েছে, তারাই বরং ধ্বংস হয়েছে। এটা নাস্তিকদের জন্যও মহা দুঃসংবাদ। ইসলাম ছিলো, ইসলাম আছে এবং ইসলাম পৃথিবীর শেষ দিন পর্যন্ত থাকবে, ইসলামকে ধ্বংস করা অসম্ভব। গাজা যুদ্ধে যারা মানবতাকে ধ্বংস করেছে, আসলে তারা আল্লাহকে চ্যালেঞ্জ করেছে ( নাউজুবিল্লাহ )। তাদের জন্য আরেকটি দুঃসংবাদ হলো, বর্তমান দুনিয়ায় আল্লাহ খারাপ কাজের পরিণাম এই নবীর ( সাঃ) আমলে সাথে সাথে দেন না বরং আস্তে আস্তে দেন । তাছাড়া গত ১৪০০ বছরের ইতিহাস ঘাঁটলেও দেখবে কোনো অত্যাচারী স্থায়ী হতে পারেনি। অতএব মানবতা ধ্বংস করে তোমরাও স্থায়ী হতে পারবে না।



এখন ইউরোপকে নিয়ে বলি, প্রিয় ইউরোপ, চীন হয়তো কয়েক দশকের মধ্যে বিশ্ব মোড়ল হবে, কিন্তু আপনাদের বিশ্ব ব্যালান্সার হতে হবে। এজন্য কারো সাথে অন্যায় করবেন না, কারণ সবাই জানে আল্লাহ একজন আছেন এবং তিনি সবকিছু দেখতেছেন এবং তিনি অবশ্যই অন্যায়ের বিচার করবেন। অনেকদিন ধরে ইসলামের ক্রান্তিকাল চলছে, আশা করা যায় খুব শীঘ্রই ইসলামের সময়োপযোগী সংস্কার আসবে এবং তিনি ইসলামের বিশ্বায়ন করবেন, যেখানে পৃথিবীর যেকেউ নিজ কমিউনিটিতে থেকে ইসলামকে ভালবাসতে পারবেন এবং সে পরকাল মুক্তি পাবে। তিনি প্রমাণ করবেন, মহান আল্লাহ সমস্ত সৃষ্টিকে মুক্ত করবেন এবং মহান আল্লাহ সমস্ত সৃষ্টিকে সর্বোচ্চ স্নেহ করেন। এটা কোরানেই আছে।



প্রিয় ইউরোপ, চীন বিশ্ব মোড়ল হচ্ছে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের জুলুমের কারণে, কারণ আপনারা দ্বৈত বিচার করেন, ইসরায়েলের জন্য এক বিচার এবং ইরানের জন্য আরেক বিচার, আর যুক্তরাষ্ট্র তো ইসরায়েলকে অন্যায়ের রাজা বানিয়েছে। প্রিয় ইউরোপ আল্লাহ একজন আছেন, ইতিহাস থেকে প্রমাণিত যে, অন্যায় করে স্থায়ী হওয়া যায় না। দয়া করে দ্বৈত বিচার করবেন না । আপনাদের পদক্ষেপ সত্যি সত্যিই প্রশংসনীয়। আপনারা অন্যায় করে আল্লাহর শাস্তির মুখে পড়লে গনতন্ত্র এবং বিশ্ব ব্যবস্থা চীন হয়তো ক্ষতিগ্রস্ত করে ফেলবে। আপনাদের শক্তিশালী হতে হবে এবং বিশ্ব ব্যবস্থায় অবদান রাখতে হবে ইনশাআল্লাহ।



( মোঃ জাহাঙ্গীর আলম আকন্দ ) ।




মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.