নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি নৃত্য-পাগল ছন্দ আমি আপনার তালে নেচে যাই, আমি মুক্ত জীবনানন্দ।

মোগল সম্রাট

মানুষ মানুষের জন্য , জীবন জীবনের জন্য একটু সহানুভুতি কি মানুষ পেতে পারেনা...ও বন্ধু...

মোগল সম্রাট › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাড়ি ভাড়ায় হয়রান নগরবাসি

২৪ শে জুলাই, ২০২২ বিকাল ৪:২৮



ঢাকার শহরের প্রায় নব্বই শতাংশ অধিবাসী ভাড়ায় থাকে। বাড়িওয়ালাদের কাছে প্রায় জিম্মি আমরা অনেকেই। ভাড়া বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে প্রায়ই মালিক ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে দন্ধ সংঘাতের খবর পত্র পত্রিকায় আমাদের চোখে পড়ে। তেমন কোন জবাবদিহিতা না থাকায় বছর বছর বাড়ির মালিক ইচ্ছে মত ভাড়া বৃদ্ধি করছেন। তার সাথে বাড়ছে সার্ভিস চার্জ (দারোয়ানের ভাড়া, পানির মটর বিল, ওয়াসা বিল, ভবনের বিদ্যুৎ বিল, দারোয়ারের রান্নার জন্য গ্যাসের চুলার বিল, ভবনের সিঁড়ি ঝাড়ুদারের বিল) ।
১৯৯১ সালে সরকার যে বাড়িভাড়ানিয়ন্ত্রন আইন জারি করেছিলো তা পুরোপুর কারা কোথায় কার্যকর করছে তা খোদায় মালুম ।
ঐ আইনের ১০ ধারায় বলা আছে-
“(ক) ভাড়ার অতিরিক্ত কোন প্রিমিয়াম, সালামী, জামানত বা অনুরূপ কোন অর্থ দাবী বা গ্রহণ করিতে বা প্রদানের জন্য বলিতে পারিবেন না, অথবা
(খ) নিয়ন্ত্রকের পূর্বানুমোদন ব্যতিরেকে, অগ্রীম ভাড়া হিসাবে এক মাসের ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা দাবী বা গ্রহণ করিতে পারিবেন না৷ ।’’

কিছু কিছু এলাকার বাড়িভাড়া নিতে হলে অগ্রীম হিসাবে দুই/তিন মাসের ভাড়া কোন কোন ক্ষেত্রে থোক টাকা এক লাখ/দুই লাখ নেবারও নজির আছে। অথচ আইনের ২৩ ধারা অনুযায়ি “মানসম্মত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায়কৃত টাকার দ্বিগুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হবে এবং পরবর্তী প্রত্যেকবারের অপরাধের জন্য উক্ত অতিরিক্ত টাকার তিনগুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় বিধান রয়েছে।

অধিকাংশ বাড়িওয়ালাই আইনকে তোয়াক্কা করেনা । আর কেজানে কেউ কোন দিন এজন্য কোন দণ্ড ভোগ করেছে কিনা।

বাড়ি ভাড়ার এই যন্ত্রনার নির্মম শিকার হচ্ছে গার্মেন্ট সহ বিভিন্ন শিল্প কারখানার শ্রমিক ও নিম্নবিত্ত নামের বিশাল জনগোষ্ঠি। বাড়ছে স্বল্প ও নিম্ন আয়ের অসহায় ভোক্তাদের নাভিশ্বাস।

নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের আয়ের প্রায় অর্ধেকেরও বেশি খরচ হয়ে যায় বাড়িভাড়া দিতে দিতে। তার সাথে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, সহ দৈন্দিন সব জিনিসের দাম বৃদ্ধিতে নাকাল নগরবাসি।

আমরা পেপার পত্রিকায় অনেক সময় মানববন্ধন, প্রতিবাদ সমাবেশের খবর দেখছি। কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছে বলে মনেহয় না।
বাড়িভাড়ার এই নৈরাজ্য কি কেয়ামত পর্যন্ত চলতে থাকবে?


মন্তব্য ৩৬ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৩৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে জুলাই, ২০২২ বিকাল ৪:৪৯

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: এই নৈরাজ্য কেয়ামত পর্যন্ত চলবে।

২৪ শে জুলাই, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:০৯

মোগল সম্রাট বলেছেন: ঢাকা কেন্দ্রিক রাষ্ট্র কাঠামোর কুফলের মধ্যে এটাও অন্যতম

২| ২৪ শে জুলাই, ২০২২ বিকাল ৪:৫৬

অজ্ঞাতকুলশীল বলেছেন: করোনাকালীন সময়ে যখন সাধারন মানুষ খাবার যোগানো নিয়েই উদ্বিগ্ন, তখনও কিছু বাড়ির মালিক বাসা ভাড়া না দিতে পারায় বাসা থেকে বেরকরে দেওয়ার মতো নিকৃষ্ট কাজটি করেছিল।
এ শহরে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে হলে এই নৈরাজ্য সহ্য করেই থাকতে হবে। নাহলে, শহরমুখী না হয়ে কিভাবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যায়, উপায় বের করতে হবে।

২৪ শে জুলাই, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:১৩

মোগল সম্রাট বলেছেন: সিটি করপোরেশন একসময় ১০টি অঞ্চলে ভাগ করে ছিলো। ১০ জন সহকারী জজ নিয়ন্ত্রক হিসাবে আছেন। অধিকাংশ ভুক্তভোগী ভাড়াটিয়াই তা জানেনা।

৩| ২৪ শে জুলাই, ২০২২ বিকাল ৫:০৩

শাহ আজিজ বলেছেন: সবচে আশ্চর্য হচ্ছে সরকারের মস্তক বিহীন অবস্থান ।

২৪ শে জুলাই, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:১৭

মোগল সম্রাট বলেছেন: কতোদিন আর মস্তকহীন থাকবে দেখা যাক। এতো এতো ক্ষোভের বিস্ফোরণ একদিন হবেই

৪| ২৪ শে জুলাই, ২০২২ বিকাল ৫:২৫

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:


আইন না মানার বিচার সরকার শুরু করলে, সবার পরে বাড়িওয়ালাদের বিচার শুরু করতে সহস্রবছর লেগে যেতে পারে।

২৪ শে জুলাই, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:২০

মোগল সম্রাট বলেছেন: কিন্তু কোন কিছুর দাম বাড়ানোর আলোচনা হলেই দফায় দফায় যখন দাম বাড়ানোর আইনটা ভালোভাবেই কার্যকর হয়।

৫| ২৪ শে জুলাই, ২০২২ বিকাল ৫:৪৫

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
বাড়ি বাড়ায় হয়রান নগরবাসি

সম্রাট সাহেব আমি আপনার লেখার শিরোনাম
দেখে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেছি।
নগরে বাড়ি বাড়লে নগরবাসির
চলাচলে সমস্যা হয় নাকি অন্য
কোন সমস্যায় পরতে হয়?
একটু খোলসা করে বললে
বুঝতে সুবিধা হতো!

২৪ শে জুলাই, ২০২২ বিকাল ৫:৫৮

মোগল সম্রাট বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ নুরু ভাই। এখন বানান ঠিক করে দিছি। খেয়াল করিনি।

৬| ২৪ শে জুলাই, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:১৯

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
মাইন্ড না খাওয়ার জন্য অনেক
অনেক ধন্যবাদ মোঘল সম্রাটকে।

২৪ শে জুলাই, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:২৫

মোগল সম্রাট বলেছেন: ভুল ধরিয়ে দেওয়া মানুষের উপ্রে যারা মাইন্ড খায় তারা বোকা। কিন্তু আমি তাদের ভালোবাসি সবসময় যারা ভুল ধরিয়ে দেয়।

৭| ২৪ শে জুলাই, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৪৮

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
চাদগাজী/সোনাগাজীর তাইলে
এত ঝাল ঝাড়ে কেনো মানুষ!
আমার উপরেও বেশ কয়েকজন
নাখোশ, আমি নাকি ক্যাচাল করি
তাই এখন নিজের খেয়ে বনের মোষ
তাড়ানো ক্ষ্যান্ত দিছি, গাজীসাবকেও
বারণ করেছি।
গাজীসাবকে দেখছিনা কেনো?

২৪ শে জুলাই, ২০২২ রাত ৯:০৮

মোগল সম্রাট বলেছেন: মানুষ কতো কিছুইতো বলে। সব কথা ধরতে নেই। এড়িয়ে যাবেন। গাজিসাবের খবর জানি না। মনে হয় কাজকামে ব্যাস্ত।
শুভকামনা নিরন্তর।

৮| ২৪ শে জুলাই, ২০২২ রাত ৮:৫১

বিষাদ সময় বলেছেন: বাড়ীওয়ালাদের বিচার কোন দিন হবে না। কারণ যে কোন জাগার বিচারক হলেন বাড়ীওয়ালারা । একটা মহল্লায় ভাড়টিয়ারা নিম্ন শ্রেণীর মানুষ হিসাবে পরিগণিত এমনকি যদি তিনি উচ্চ শিক্ষিত বা ভাল পদ মর্যাদার চাকুরে হন তাও। ভাড়াটিয়াদের অমর্যদাকর নাম হচ্ছে ভাড়াইট্টা। পোস্টে +

২৪ শে জুলাই, ২০২২ রাত ৯:১৩

মোগল সম্রাট বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন।

বাসা ভাড়া বাড়ানোর পর কমন কথা -পোষাইলে থাকেন না হলে বাসা ছেড়ে দেন"। বাসার স্থায়ী ফিটিংস বা দরজা জানালা, বেসিন, বিদ্যুৎ লাইন, পানির লাইন নষ্ট হলে কতো বার যে বলা লাগে তারপরও ঠিক করে দেয় না। অথচ পাঁচ তারিখের বাসায় হাজির ভাড়ার টাকা দাও।

আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৯| ২৪ শে জুলাই, ২০২২ রাত ৯:২৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



সম্রাট ভাই আলোচনা করা যাবে?
যদি প্রশ্ন তুলেন আলোচনা হাতে হবে প্রাসঙ্গিক তাহলে অবশ্যই প্রাসঙ্গিক, আর যদি প্রশ্ন তুলেন ভাড়াটিয়ার পক্ষ হয়ে লিখতে হবে তাহলে এখানেই সমাপ্ত।


২৪ শে জুলাই, ২০২২ রাত ১০:০৭

মোগল সম্রাট বলেছেন: ঠাকুর ভাই, আলোচনা সমালোচনা দু'টোই অবশ্যই করা যাবে।

এখনে তো পক্ষ দুইটা, ভাড়িওয়ালা আর ভাড়াটিয়া। সবাই তো ভাড়াটিয়া না। বাড়িওয়ালারাও ব্লগে আছে। আলোচনা চলুক।

ধন্যবাদ আপনাকে।

১০| ২৪ শে জুলাই, ২০২২ রাত ৯:৪৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আসলে বাড়িওয়ালা বলেন আর ভাড়াটিয়া বলেন ব্যক্তি বিশেষে আচরণ চরিত্র ভিন্ন হয়ে থাকে। তবে এটা সত্যি যে নগরীর অনেক জায়গায় টেকসই পরিকল্পনার অভাব পরিলক্ষিত হয়।

২৪ শে জুলাই, ২০২২ রাত ১০:২০

মোগল সম্রাট বলেছেন: যেহেতু ঢাকা শহরের বাসিন্দাদের ৮৫ থেকে ৯০% ভাড়াটিয়া তাই তাদের দুর্গতির চিত্রটাই সবার চোখে ধরা পড়ে।

বাড়িওয়ালারা বাড়ি তৈরি করে ঢাকা শহরে একদিকে যেমন আমাদের আবাসন সমস্যা দুর করেছে অন্যদিকে আইন না মেনে ইচ্ছা মাফিক ভাড়া আদায় করছে। প্রতিদিন বাড়িওয়ালা বনাম ভাড়াটিয়ার সংঘাত নিয়ে অনেক মামলা হয় ঢাকার আদালতে।

আর ঢাকার অনেক এলাকায়ই অপরিকল্পিত নগরায়ন হয়েছে। যেমনঃ হার্ট অব ঢাকা সিটির আরামবাগ ফকিরাপুল, নয়া পল্টন এলাকার চিত্র দেখলে মনে হয় কোথায় পরিকল্পনা?

১১| ২৪ শে জুলাই, ২০২২ রাত ১০:১৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



সম্রাট ভাই, প্রথমেই বলে নিচ্ছি খারাপ বাড়িওয়ালা আছে - এরা পানির কষ্ট দেয়, দিনের পর দিন। ছয়মাস পর পর অথবে প্রতি বছর ভাড়া বাড়িয়ে বাড়ি বাড়া, ফ্লাট ভাড়ার কষ্ট দেয়, মেইন গেইট বন্ধ করে কষ্ট দেয়। ভাড়াটিয়াদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে। আরো অসংখ্য সমস্যা যা বলে শেষ করা যাবে না।

আপনি জানেন কি একটি বাসায় পানির অপচয় কি পরিমান করতে পারে ভাড়াটিয়া? ভাড়াটিয়া বাসায় উঠার আগে থাকে অত্যন্ত নম্র ভদ্র! বাসায় উঠার পর জানা যায় সে অমুক রাজনৈতিক দলের সান্ডা পান্ডা ল্যান্ডা! এখন করণীয় কি?

২৪ শে জুলাই, ২০২২ রাত ১০:৩৭

মোগল সম্রাট বলেছেন: ভাই, দেশে রাজনৈতিক দলের পাতি নেতার সংখ্যা কি তাইলে উদ্বেগ জনক হারে বাড়ছে মনে হয়। এরকম সান্ডা-পান্ডাতো আছে অস্বীকার করবো না। তবে তারাতো মাইনরিটি সেটা অবশ্যই এক্সামপল হতে পারে না।

এরকম ঘটনার জন্যও ব্যবস্থা আছে, আপনি বাড়িওয়ালা হলে ধৈর্য ধরে মোকাবেলা করতে হবে। সমস্যা হলো বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যেও অনেকে তাদের অধিকার সম্পর্কে মোটেও সচেতন নন। বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রক কে আর আইনে কী কী বলা আছে তা আমাদের দেশে অধিকাংশ উচ্চশিক্ষিত লোকই জানেন না। বাড়িভাড়ার বিষয়ে সরাসরি সহকারী জজ আদালত যে নিয়ন্ত্রক হিসেবে রয়েছেন সেটি অন্য পেশার অধিকাংশ লোকজন নন এমনকি আইন পেশাজীবীদেরও অনেকে জানেন না। এমনকি জানেন না সাংসদ, সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী থেকে উচ্চপদস্থ আমলারাও।

১২| ২৪ শে জুলাই, ২০২২ রাত ১০:৫৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



মধ্যবিত্ত বাসাগুলো আরামের বলা যেতে পারে এখানে ঝামেলা অনেকটা কম। তারপরও বাড়িওয়ালা যদি অবসরপ্রাপ্ত হোন তার আর কোনো আয় রোজগার যদি না থাকে, তাহলে প্রতি ছয় মাস অন্তর অন্তর অথবা বছর বছর সে ভাড়া বাড়িয়ে ভাড়াটিয়াদের অবস্থা ক্লান্ত করে দিবে। এক সময় ভাড়াটিয়া বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে যান।

কিন্তু অ্যাপার্টমেন্ট বাসাতে ছয়মাসে বা বছরেও ভাড়া বাড়ানো হয় না, তারপরও যেই পরিমান অত্যাচার হয় তা বলা বাহুল্য। অ্যাপার্টমেন্ট বাসাগুলো হচ্ছে রাজনৈতিক ও আড্ডা পার্টির বাজার। দুই তিনটি অ্যাপার্টমেন্টের মেহমানের চাপে - আড্ডা পার্টির চাপে বাদবাকি ১২-১৫ টি অ্যাপার্টমেন্ট অস্থির। বাসায় উঠে প্রথমেই আব্দার হবে ছাদে যেতে হবে, ছাদে পার্টি দিতে হবে, ছাদে ডিজে করবে, ছাদে নাচবে কাঁদবে, বারবিকিউ করবে। ছাদে ছোঁয়াছুয়ি খেলবে, ছাদে হাডুডু খেলবে। ছাদে কবিতা লিখবে ছাদে সাহিত্য কর্ম করবে, ছাদে ইতিহাস গড়বে।

আমি বলবো ঢাকায় সাধারণ বাসা, ফ্লাট বাসা তারপরও কিছুটা হলেও ভালো আছে। অ্যাপার্টমেন্ট বাসা ভয়ানক অবস্থা। খালি পড়ে থাকে ছয় মাস কখনো কখনো বছর পেড়িয়ে যায় ভালো ভাড়াটিয়া পাওয়া যায় না।

শেষে বলতে চাই লাগামহীন ভাবে ভাড়া বাড়িয়ে ভাড়াটিয়াদের কষ্ট দিয়ে যেইসব বাড়িওয়ালা আছে, আমি জানিনা তারা কেমন আছে! তবে ভালো থাকার কথা নয়!

২৫ শে জুলাই, ২০২২ সকাল ১১:৪৪

মোগল সম্রাট বলেছেন:
ঠাকুর ভাই, ফ্ল্যাটের অথবা বাসার অভ্যান্তরিন পরিবেশ নিয়ন্ত্রনের কথা তো অন্য প্রসঙ্গ। অভ্যান্তরিন পরিবেশ নিয়ন্ত্রন করবে ফ্লাট ওনাররা বা বাড়ির মালিকরা। আর ঢাকার শহরের এলাকা ভেদে বাসা/ফ্লাট/এ্যপার্টমেন্টের পরিবেশ কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন চিত্র ।

আমাদের চাওয়া হলো সরকারী যতটুকু আইন বিদ্যমান আছে তার প্রয়োগ নিশ্চিত করা। প্রয়োজন হলে বিদ্যমান আইন এ্যমেন্ডমেন্ড করে উভয় পক্ষের স্বার্থ ব্যালেন্স করে নিতে হবে।

১৩| ২৪ শে জুলাই, ২০২২ রাত ১১:১২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



নুতন পুরাতন বাড়ির ভাড়া এলাকা ভিত্তিক সরকার তথা সিটি কর্পোরেশন হতে গাইডলাইন সহ আইন করে দিলে বাড়িওয়ালার অত্যাচার বন্ধ হতে বাধ্য। তাছাড়া মানুষকে এভাবে ঢাকামুখি করে গড়ে তুললে - ঢাকায় বাড়িভাড়া নিয়ে শুধু সমস্যা না ঢাকা বস্তিতে রূপান্তরিত হবে। - আর ঢাকা হবে রোগ অসুখের আখড়া। ইতিমধ্য ঢাকা বস্তি হয়ে গিয়েছে। এর থেকে মুক্তির ব্যবস্থা আগামীতে কিভাবে হবে কে জানে?

শাহজাহানপুর, খিলগাও, মগবাজার থেকে শুরু করে রামপুরা বাড্ডা এমনও বাড়ি আছে সেখানে মানুষ কিভাবে থাকে তা হয়তো ভুক্তভোগী মানুষই একমাত্র জানে। আর পুরান ঢাকার গল্লি মল্লির কথা বলা মনে হয় অনুচিত।

২৫ শে জুলাই, ২০২২ সকাল ১১:৪৬

মোগল সম্রাট বলেছেন:
নুতন পুরাতন বাড়ির ভাড়া এলাকা ভিত্তিক সরকার তথা সিটি কর্পোরেশন হতে গাইডলাইন সহ আইন করে দিলে বাড়িওয়ালার অত্যাচার বন্ধ হতে বাধ্য।

এই কথার সাথে আমি একমত পোষন করি।

১৪| ২৪ শে জুলাই, ২০২২ রাত ১১:১৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



বাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে কোর্টে ফাইল বন্দী আইন থাকলে চলবে না, দ্রুত বিচার আইনে তার প্রয়োগ থাকতে হবে।


২৫ শে জুলাই, ২০২২ সকাল ১১:৪৭

মোগল সম্রাট বলেছেন: ঘটনা সংঘর্ষে রুপ না নিলে অধিকাংশ ভুক্তভোগী মামলা মোকদ্দমা করতে যায়না্ ।

১৫| ২৪ শে জুলাই, ২০২২ রাত ১১:২৩

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: বাড়িওয়ালাদের বাড়ি থেকে বের করে দেয়া উচিৎ?

২৫ শে জুলাই, ২০২২ সকাল ১১:৪৯

মোগল সম্রাট বলেছেন: এরকম কথা পোষ্টের অথবা কমেন্টর কোথাও কেউ বলিনি ভাই।

ভালো থাকবেন।

১৬| ২৪ শে জুলাই, ২০২২ রাত ১১:৫৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




প্রধান কিছু সমস্যা: -

ঢাকাকে কেন্দ্র করে স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়, কোচিং সেন্টার, সরকারি বেসরকারি হাসপাতাল, সরকারি বেসরকারি দপ্তর, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বিপনি বিতান, মার্কেট, শপিং মল, ছোট বড় বাজার, অলিতে গলিতে কাাঁচা বাজার, অনলাইন শপ সহ সহ অনলাইন বিজনেস আর কন্সট্রাকশন বিল্ডার ডেভেলপার এভাবে ঢাকায় গড়তে দেওয়া উচিত হয়নি। - যার কারণে এভাবে বেড়েছে বাসা ভাড়া, বেড়েছে বাড়িওয়ালাদের তৈল চর্বি, সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ক্রাইম।

গলি তস্যগলি যেখানে যেভাবে পেয়েছে বিল্ডার ডেভেলপার কন্সট্রাকশন গড়ে উঠেছে তৈরি হয়েছে মুরগির খাাঁচা। মুরগির খাাঁচাতে মানুষ থেকে ভাড়া দিচ্ছে, আয়ের সিংহভাগ বাসা ভাড়ায় চলে যাচ্ছে - এটি মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য সত্যি সত্যি দুঃখজনক একটি বিষয়। যেই লোক তস্যগলিতে বসে ঝিমাতো, কেউ এক কাপ চা খাওয়াবে কিনা অপেক্ষা করতো - সে এখন বাড়িওয়ালা - সে এখন ভাড়াটিয়াদের অত্যাচার করে আনন্দ পায়। - হারামজাদা।

পড়ালেখা আর চাকরীর জন্য একমাত্র ঢাকাকে বেছে নেওয়া ভয়াবহ সমস্যা। ঢাকায় মানুষ বাড়ছে তার সাথে পাল্লা দিয়ে ভাড়া বাড়ছে। - বাসা ভাড়ার টাকার অংকে ঢাকা সিঙ্গাপুর সমমান হয়েছে।

ঢাকায় অফিস স্কুলগামী মানুষের স্রোত দেখে মনে হয় ঢাকায় খুব সম্ভব পাঁচ কোটি মানুষ আছে।

২৫ শে জুলাই, ২০২২ সকাল ১১:৫৯

মোগল সম্রাট বলেছেন: এই কথাই আমি সৈয়দ মশিউর বহমানের মন্তব্যের (এক নং মন্তব্য ব্লগার) উত্তরে সংক্ষেপে বলেছিলাম।

ঢাকা কেন্দ্রিক রাষ্ট্র কাঠামো হওয়ার ফলে এসব সমস্য আমাদের ভোগ করতে হচ্ছে দেখতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। গার্মেন্টের শ্রমিক, শিল্পকারখানার শ্রমিক সহ সকল কিছুর জন্য ঢাকামুখি মানুষের স্রোত ঠেকানো যাচ্চেনা।

ঢাকা দেশের সর্ববৃহৎ শিল্পাঞ্চল, তৈরি পোশাকশিল্পের ৭৫ শতাংশ ঢাকা ও এর আশপাশে। বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এই শহর। উন্নত চিকিৎসার স্থল ঢাকা। উচ্চশিক্ষার মূল কেন্দ্রও এই ঢাকা যেটা আপনি আপনার কমেন্টেও উল্লেখ করেছেন। পৃথিবীর মেগাসিটিগুলোর মধ্যে জনঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকায়।

অভিবাসনের বিকল্প ব্যবস্থা করা এখন সময়ের দাবি।

১৭| ২৫ শে জুলাই, ২০২২ সকাল ১০:৪০

জুল ভার্ন বলেছেন: বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে আমি ভিন্নমত পোষণ করছি। আমরা যে বিল্ডিং এ থাকি সেই বিল্ডিং এর প্রায় দুই হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাট ভাড়া তিন বছর আগে ছিলো ৫০,০০০/- বর্তমানে তিনটা ফ্ল্যাট খালি কয়েক মাস যাবত। অবশেষে সেই খালি ফ্ল্যাটের একটা ভাড়া হয়েছে ৪৪০০০/- টাকা, একটা ৪২০০০/- আর একটা এখনো ভাড়া পাওয়া যায়নি। অবশ্য এই আবাসিক ভবনের কোনো ফ্ল্যাট যদি মেস হিসেবে ভাড়া দেওয়া হয় তাহলে অনায়াসেই ৭০/৮০ হাজার টাকায় ভাড়া দেওয়া যায়।

বাস্তবতা হচ্ছে, ছোট ফ্ল্যাট(১০০০-১২০০ বর্গফুট) ভাড়া বেশী। মেস ভাড়া আরও বেশী।

২৫ শে জুলাই, ২০২২ দুপুর ১২:১৫

মোগল সম্রাট বলেছেন:
আপনি অবশ্য্ই ভিন্নমত প্রকাশ করতে পারেন। তবে ঢাকায় যারা দুই হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকার সামার্থ রাখে কিংবা যারা এরকম বাড়ির মালিক, তারা এসব নিয়ে মাথা ঘামায় কম । কারন তারা শহরের বিত্তবান মানুষ।

শুভ কামানা থাকলো।

১৮| ২৫ শে জুলাই, ২০২২ দুপুর ১:০৫

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: বাড়িওয়ালাদের বাড়ি থেকে বের করে দেয়া উচিৎ?
লেখক বলেছেন: এরকম কথা পোষ্টের অথবা কমেন্টর কোথাও কেউ বলিনি ভাই।

বুঝা গেলো বাড়িওয়ালাকে কেউই বাড়ি থেকে বের করে দিতে চাইছে না বা পারছে না।
তাহলে সমস্যার সমাধান কি?

এক নাম্বার সমাধান হচ্ছে। ভাড়া থাকা বাদ দিয়ে নিজের বাড়িতে থাকা।
- সম্ভব না সবার পক্ষে। গ্রামেরা বাড়ি থেকে এসে যেয়ে চাকরি বা ব্যবসা পরিচালনা সম্ভব না।

দুই নাম্বার সমাধান হচ্ছে ঢাকায় নিজের বাড়ি বা ফ্লাট কিনে ফেলা।
- এটাও সবার পক্ষে সম্ভব না।

ধরেন আপনার বাড়ির কাছে একটা বাজার আছে সেটাতে ভালো জিন পাওয়া গেলেও দাম বেশী, বিক্রেতাও ডাট নিয়ে বসে থাকে, কাষ্টমার ডাকে না।
আবার ৫০ টাকা ভাড়া দায়ে বাড়ি থেকে একটু দূরের বাজারে গেলেই সেই জিনিস কিছু কম দামে পাওয়া যায়, বিক্রেতাও স্যার স্যার বলে ব্যাগে তুলে দেয়।
এখন আপনার উপর নির্ভর করে আপনি কোন বাজার থেকে বাজার করবেন। বেশী দামে বাড়ির কাছের বাজার থেকে কেনাও আপনার হাতে আবার কিছু সময় নষ্ট করে কিছু দূরের বাজারে গিয়ে কমদামে বাজার করাও আপনার হাতে। যে আপনার জন্য ভাল হবে সেটি আপনিই সিদ্ধান্ত নিবেন। বিক্রেতা আপনাকে বাধ্য করছে না।

আমি কোথাও বাড়ি ভাড়া নেয়ার সময় বাড়িওয়ালা যাযা শর্ত দিচ্ছেন সেটা মেনেই বাড়ি ভাড়া নিচ্ছি। বাড়িতে উঠার পরে সেই শর্ত যখন আমার অপছন্দ হবে তখন আমি বাড়ি ছেড়ে দিবো।
এছাড়া অন্যকোনো সমাধান নেই।
বাড়িওয়ালা শর্তের বাইরে কিছু করলে অবশ্যই অভিযোগ করা যেতে পারে।

১৯| ২৬ শে জুলাই, ২০২২ দুপুর ১:০৮

লিংকন১১৫ বলেছেন: ভাই এই দুঃখ কোনদিন শেষ হবে না, যারা মিরপুরে থাকে তারা জানে |-)
করোনার ভিতর বেশি ভাড়া বাড়াতে পারেনি দেখে এবার ডাবল বাড়িয়েছে।
হুদা ভাড়া ভাই, জানলার কাঁচ ভেঙ্গে গেলে লাগায় না, পানির কল নষ্ট হওয়ার পর পরিবর্তন করে দিয়ে গেছিলো কম দামি প্লাস্টিক এর গুলা, পরে নিজেরা লাগিয়ে নিয়ে ছিলাম ।
ছাদে উঠা যাবেনা, সিঁড়ি দিয়ে উঠার সময় বিড়ালের মতো উঠতে হবে, পানি তিন বেলা পাবেন, কেয়ার টেকার ৩ জন থাকার পরও ১১ টার পর গেট বন্ধ , আরও কতো কি X((

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.