নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহিত্য, সংস্কৃতি, কবিতা এবং সমসাময়িক সামাজিক বিষয়াদি নিয়ে গঠনমুলক লেখা লেখি ও মুক্ত আলোচনা

ডঃ এম এ আলী

সাধারণ পাঠক ও লেখক

ডঃ এম এ আলী › বিস্তারিত পোস্টঃ

আজ ১লা অগ্রহায়ণ দেশ জুড়ে বর্ণাঢ্য নবান্ন উৎসব ১৪২৩ শুরু

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১২:০২


মরা কার্তিকের পর আজ এসেছে কিষান কিষানী আর সকলের মুখে হাসি ফোটানো অগ্রহায়ণ
অগ্রহায়ণের শুরু থেকেই সারা দেশে চলে নবান্নের উৎসবের নানা আয়োজন।
নবান্ন হল হেমন্তের অবগাহন যার সঙ্গে মিশে আছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিক প্রাণ
গ্রামবাংলায় শুরু হয়েছে আমন ধান কাটার উৎসবের আয়োজন।
বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ, এ যেন হৃদয়ের বন্ধনকেই আরও গাঢ় ভাবে করেছে ধারণ
দিগন্তজোড়া সবুজ প্রকৃতি সেজেছে কাঁচা পাকা হলুদ রঙে ভরা ধানের ক্ষেতে এখন।

এ শোভা দেখে কৃষকের মন আনন্দে আত্মহারা।
গোলা তার উঠবে ভরে নতুন ধানের ভারে ।
বাড়ির আঙিনা তার মৌ মৌ করবে নতুন ধানের গন্ধে
সোনালি ধানের আবির মিশানো বাঙালি সংস্কৃতির বিশেষ অংশ নবান্ন
প্রকৃতি প্রেমি কবি জীবনানন্দ দাশের কবিতায় হয়েছে অনন্ন।
লিখেছেন তিনি, ‘চারিদিকে ন্যুয়ে পড়ে ফলেছে ফসল
তাদের স্তনের থেকে ফোঁটা ফোঁটা পড়িতেছে শিশিরের জল,
প্রচুর শস্যের গন্ধ থেকে থেকে আসিতেছে ভেসে
পেঁচা আর ইঁদুরের ঘ্রাণে ভরা আমাদের ভাড়ারের দেশে।

পুনর্বার ফিরে আসার আকুতি ধ্বনিত হয়েছে জীবনানন্দ দাশের আরেক কবিতায়-
আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে
এই বাংলায় হয়তো মানুষ নয়- হয়তো শঙ্খচিল শালিকের বেশে;
হয়তো ভোরের কাক হয়ে-এই কার্তিকের নবান্নের দেশে।

প্রকৃতির বিচিত্র এ রূপের বর্ণনা দিয়েছেন এদেশের আরো সব কবি-সাহিত্যিকগনে
কবি আবু জাফর লিখেছেন:
সবুজ ঘাসে শিশির হাসে, মুক্তার সাজে,
মৌমাছি গায়ছে গান, গুনগুন সুর বাজে।
সোনালী ধান নবান্ন ঘ্রাণ ভরে যায় মন,
কৃষকের মন-প্রাণ, ধন-ধান্যে পরিপূরণ।

কুয়াশায় আচ্ছন্ন চারদিক আর দিগন্ত জোরা ধানের ক্ষেত হয়েছে চিরচেনা বাংলার রূপবতি
কৃষকের মাঠে এখন সোনা রঙা ধানের ছড়া ছড়ি, ধান কাটার উৎসবে কৃষক উঠেছে মাতি ।

কৃষক রাশি রাশি ভারা ভারা সোনার ধান কেটে নিয়ে আসছে নীজ নীজ ঘরে।

ধান মারাই এর মলনের গরুর পায়ের আওয়াজের সাথে
ধান ভাঙ্গার গান ভেসে বেড়ায় আকাশে আর বাতাসে ।

গরু দিয়ে ধান মারানো বলতে গেলে এখন যেন ধুসর অতীত, তথাপি
গায়ে খেটে ধান ভাঙ্গলেও কিষান কিষানীর মনে জ্বলে আশার প্রদিপ

নবান্নে কিষানীর কুলার বাতাশে ধানের চিটা উড়ানোর চিত্র এস এম সুলতান একেছেন দারুনভাবে

গ্রামের পরে গ্রাম গেরোলেও শিল্পী এস এস সুলতানের আঁকা দৃঁশ্যটিই যেন চোখে পড়ে

মারানো ধানের রূপ দেখে কিষানীর মন আনন্দে যায় যে ভেসে

ঢেঁকির তালে বাড়ির আঙিনা হবে মুখরিত
শুনা যাবে সেই প্রিয় পরিচিত গানের সুর
ধান বানিরে ঢেঁকিতে পা-ড় দিয়া
ঢেঁকি নাচে আমি নাচি হেলিয়া দুলিয়া ।
যদিও যান্ত্রিকতার ছোঁয়ায় এখন আর ঢেঁকির
তালে চারদিক হয় না তেমন আন্দোলিত ।

অগ্রহায়ণের শুরু থেকেই এপার বাংলা-ওপার বাংলাতে চলবে উৎসবের আয়োজন নানান ভাবে।

নতুন ধানের প্রথম অন্ন খাওয়াকে কেন্দ্র করে পালিত হবে নবান্ন উৎসব নৃত্যের তালে।

নবান্ন উৎসবকে সামনে রেখে পিঠা তৈরীর লক্ষ্যে ঢেঁকিতে চাল গুড়া করার জন্য
বাড়িতে বাড়িতে চলবে গৃহিনীদের আয়োজন কসরত ।

নতুন ধানের চাল দিয়ে তৈরি হবে পিঠা পায়েস
ক্ষীরসহ নানা রকম খাবারেও যে থাকবে আয়েশ

নতুন ধানকে নতুন ধামায় ভরে নবান্নের আনন্দটুকু নেয়া হবে ভাগাভাগি করে একে অপরে

নবান্নে বাড়ির জামাইকে করা হবে বিশেষভাবে নিমন্ত্রন
মেয়েকেও বাপের বাড়িতে ‘নাইয়র’ করে আনা হবে তখন ।

নবান্ন আর পিঠা পুলির উৎসবের আনন্দে মাতোয়ারা হবে ঘরের সবাই
নতুন ধানের ভাত খাওয়ার আগে মিলাদ পড়ানো হবে প্রায় ঘরেতেই তাই ।

অনেক জায়গায় মসজিদে মসজিদে শিরনি দেয়া হবে জানাতে করুনাময়ী রিযিক দাতার শুকরানা

হিন্দুর ঘরেও পূজার আয়োজন হবে ভক্তি ভরে
মনে হবে জীবন রসদ যেন আছরে পড়েছে ঘরে
জীবনের হাওয়া আসে নরম ধানের গন্ধ নিয়ে
অঘ্রানের কুয়াশা ঝরে ঘরের চালায় কৃষ্ণচুড়ায়
হিম ঘাস দিয়ে গড়া মন্ডপে বেজে ওঠবে শাঁখ
নিকানো উঠানে আছরে পড়বে জোৎস্না আর
নবান্নতে কৃষকের গোলা যাবে ভরে লক্ষীর বরে।

পহেলা অগ্রহায়ণের প্রত্যুষে বসে গাইবে সকলে এসো মিলি সবে নবান্নের উৎসবে
এ স্লোগান সামনে রেখে প্রতি বছরের মতো এবারও নগরে নবান্ন উৎসব পালিত হবে
শুনেছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় নবান্ন উৎসব হবে
শিশু একাডেমিতেও পৃথকভাবে এ উৎসবের আয়োজন চলবে যথারীতিভাবে ।

ধন্যবাদ এতক্ষন নবান্ন উৎসব আয়োজনের সাথে থাকার জন্য

ছবিসুত্র : অন্তরজাল

মন্তব্য ৭০ টি রেটিং +১৬/-০

মন্তব্য (৭০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১২:২৪

আলী আজম গওহর বলেছেন: ছবি ও বর্ণনা মিলিয়ে দারুন। ধন্যবাদ।

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১২:৩০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোস্টটি দারুন অনুভুত হওয়ার কথা শুণে ভাল লাগছে । অনুপ্রেরনা বোধ করছি ।
প্রথম মন্তব্যদানকারী হিসাবে রইল বিশেষ ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা নিবেন ।

২| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১২:৩৩

নদীর পাঁড়ের জ্যোৎস্না বলেছেন: অগ্রহায়ণের পোস্টে মন আনন্দে যায় যে ভেসে!
লেখককে শুভেচ্ছা জানাই মন্তব্যে- পোস্টের শেষে।

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১:৪২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আজকে রাতে চাদের জ্যোৎস্না হবে শতাব্দির সবচেয়ে বেশী কারণ চাঁদ নাকি থাকবে সবচেয়ে কাছে ।
তাই এবারের অগ্রাহায়ণ হবে আরো সুন্দর ও মনোমুগ্ধকর ।
আপনার সুন্দর মন্তব্য দেখে খুশী হলাম ।
ধন্যবাদ সাথে শুভেচ্ছা রইল ।

৩| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১:৩৪

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন:
পিঠা খাওয়া দাওয়া কখন,কবে দিবেন?

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ২:০৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পিঠার দাওয়াতে আসবেন সে তো সুখের কথা ।
এসে দেখুন নবান্নের পিঠা সাজিয়ে রাখা হয়েছে থরে থরে ।
অা্প্যায়ন করবেন বাংলার গৃহিনীরা হাসিমুখে ।

৪| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১:৩৫

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: পিঠা খাওয়ার দাওয়াত কবে দিচ্ছেন?

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ২:০৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আশা করি পিঠার দাওয়াত কবুল করবেন ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৫| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১:৩৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আজকে রাতে চাদের জ্যোৎস্না হবে শতাব্দির সবচেয়ে বেশী কারণ চাঁদ নাকি থাকবে সবচেয়ে কাছে ।
তাই এবারের অগ্রাহায়ণ হবে আরো সুন্দর ও মনোমুগ্ধকর ।
আপনার সুন্দর মন্তব্য দেখে খুশী হলাম ।
ধন্যবাদ সাথে শুভেচ্ছা রইল ।

৬| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১:৪২

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন:
অগ্রহায়ণ মাসে শীতের সময় গ্রামে পরিবেশ আমার কাছে খুব ভালো লাগে।
নবান্নের উৎসাবের আমেজ যেন চারিদিকে।

পোষ্টে ++++++

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ২:১২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: সুন্দর অগ্রহায়ন , সে জন্যই তো তা উঠে আসে কবিতায় আর গানে ।
এসময় হালকা শীত খুবই মধুর লাগে , গরমের দেশে না শীত না গরম
সকালে শিশির বিকেলে পরন্ত রোদ সকলিই উপভোগ্য ।

৭| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ২:৪১

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন:
ভাইজান, পিঠা আমার খাওয়া লাগবে না!!! কারণ এতো আধুনিক পরিবেশে খাওয়ার অভিজ্ঞতা নাই।
আর আমি একটু প্রকৃতির ছেলে।

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ৩:২৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ভাইজান তো আছেন মনে হয় আমিরিকার সাদা বাড়ীতে , তা না হলে পাইলেন কেমনে তারে , সেখানকার পরিবেশ আরো ভালা, নাহয় নবান্নের পিঠা সেই খানেই দিব পাঠিয়ে । আচ্ছা মাসখানেক পড়ে বাবাজান কই থাকবেন জানা গেছে কি কিছু ? ছবিটা দারুন হইছে ।

৮| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ৩:৫১

ভাবনা ২ বলেছেন: খুবই ভাল লাগল নবান্নের সচিত্র আয়োজন । ধন্যবাদ

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ ভোর ৪:৫১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোস্টি ভাল লাগার জন্য রইল ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল

৯| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ ভোর ৬:৩৩

ক্লে ডল বলেছেন: ও আজ পহেলা অগ্রহায়ণ? বাংলা তারিখ তেমন মনে থাকে না!!

নবান্ন নিয়ে বরাবরের মত ছবিময় পোষ্ট! ভাল লাগল। :)

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৫:৪৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ । আশা করি অগ্রহায়ন স্মৃতিতে জাগরূপ থাকবে অনন্তকাল । নবান্ন তো উৎসবে পালিত হয় তাই এখানে কিছু ছবি চলে আসে এমনিতেই।
পোস্ট ভাল লাগার জন্য ধন্যবাদ।
শুভেচ্ছা রইল

১০| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ সকাল ৭:৩২

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: নবান্নের উৎসবের ছবি দিয়া তো মাথায় নতুন পোকা ঢুকিয়ে দিলেন ভাই......শুভেচ্ছা।

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৫:৪৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ । আশা করি সুন্দর সুন্দর পোকাগুলি দেখব অচিরেই । সারা দেশ ঘুরে বেড়ানো মানূষ আপনি, আশা করি কোথায় কি ভাবে নবান্ন উৎসব পালিত হয়েছে তার সুন্দর সুন্দর ছবি চলে আসবে আপনার কেমেরাতে ।

শুভেচ্ছা রইল

১১| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ সকাল ৭:৫৮

জে.এস. সাব্বির বলেছেন: নবান্নে মাতম গ্রাম-বাংলার অপরূপ রূপ তুলে ধরেছেন ,যেন সামুতেই নবান্নের আমেজ!

প্রিয় ব্লগারকেও নবান্নের শুভেচ্ছা!

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৫:৫২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ । আশা করি আপনাদের লিখা গল্প কবিতা , ছড়া , ছবি কিংবা তুলির আচরে গ্রাম বাংলার অগ্রহায়নের নবান্নের অপরূপ চিত্র ফুটে উঠবে বিভিন্ন বৈচিত্রে ।

শুভেচ্ছা রইল

১২| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:৩৯

মার্কো পোলো বলেছেন:
ছবি ও লেখাগুলো হৃদয় ছুঁয়ে গেল।

নবান্নের শুভেচ্ছা।

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৫:৫৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ছবি ও লেখা হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার কথা শুনে আমারো মন ভরে গেল ।

আপনার প্রতিও নবান্নের শুভেচ্ছা রইল ।

১৩| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১২:৩৬

কাবিল বলেছেন: বাংলা তারিখ গুলো মনে রাখতে সহায়তা করবে এই ধরনের পোস্ট।
ভাল পোস্ট।

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:৩৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোস্ট ভাল লাগার জন্য ধন্যবাদ । এদেশে বাংলা মাস অনুয়ায়ী হয় অনেক পার্বন সে গুলি মনে রাখলে আমাদের বাংলা মাস মনে রাখতে অনেক সহজ হয় ।
শুভেচ্ছা রইল ।

১৪| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৩:২৪

অেসন বলেছেন: বাঙ্গালীর নবান্ন উৎসবের চমৎকার বর্ণনা ও ছবি দিয়ে যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:৪২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ । এদেশের নবান্ন উৎসবকে কি সুন্দরভাবে
ফুটিয়ে তুলে আমাদের ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা তা দেখলে
চোখ জুড়িয়ে যায় , মনে হয় সারাটি জীবন থাকি তাদের
সাথেই ।
শুভেচ্ছা রইল

১৫| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:২৮

অন্তু নীল বলেছেন:
ছবি এবং চমৎকার বর্ণনায় নবান্ন উৎসব।

তবে এখন আর আগের মত গ্রামে গ্রামে নবান্ন উৎসব পালিত হয় না। কারণ এই উৎসবের প্রাণ কৃষক ভাইয়েরা আর আগের মত তাদের ফসলের ন্যায্য মূল্য পান না। তারপরও পিঠা-পুলি আর গ্রামে গঞ্জে মেলা দেখা যায় আগের মতই।

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:৫১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ ।
এ পোস্টের কথা ও ছবি এবং নবান্নের বর্তমান অবস্থান করেছেন যতার্থভাবে মুল্যায়ন ।
আপনি ঠিকই বলেছেন অনেক জায়গায় কৃষক মাথায় করে অনেক পথ পারি দিয়ে
একমন ধান নিয়ে বাজারে বিক্রি করে এক কেজী খাসীর মাংসও কিনতে পারেনা
ভালকরে ।নবান্নের অআনন্দটাই তার যায় মাটি হয়ে , তাই কৃষিপন্যের মার্কেটিং
এর দিকটাও দেখতে হবে যথাযথভাবে ।
শুভেচ্ছা রইল

১৬| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:২০

সাহসী সন্তান বলেছেন: ছবি আর বর্ননা মিলিয়ে একটি অনবদ্য পোস্ট! একদম গ্রাম বাংলা থেকে উঠে আসা কোন চিত্র দেখলাম যেন!

পোস্টে ভাল লাগা! শুভ কামনা জানবেন!

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১০:১১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



আপনার ভাল লাগার কথা শুনে খুবই খুশী হলাম ।
যদিও অনেক ক্ষেত্রেই নবান্নের উৎসবের
আয়োজন হয় বড় শহরে নগড়ে
রাজধানীতে ,ঢাবির চারুকলার
বকুলতলাতে কবি মন্ত্রীগন
যান সেখানে দলবেদে
ভাবেনা কেও যেতে
চলনবিল বা হাওরে
কৃষকের কাছে
দেখতে তারা
কেমন নবান্ন
করে ।

শুভেচ্ছা রইল


১৭| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:১৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: ডঃ এম এ আলী ,


স্বাগতম অঘ্রাণী দিনটাকে ।

আকাশের নীলিমা যখোন ফিকে হয়ে আসে ধীরে ধীরে, মাঠের গায়ে তখন আড়মোড়া ভাঙে সোনালী রঙের ঝলমলে দিন । বন্যার গভীর জলের সমাধি থেকে জেগে ওঠে পোয়াতি মাটি । ভর-ভরন্ত শরীরে পলিমাটির ছোঁয়ায় ফসলের কচি কিশলয় মাথা তোলে । আসে ফসলের মধুমাস । হেমন্তের দিন মেলতে শুরু করে তার ফড়িঙ ডানা । মাঠের পর আরও সুদূরের মাঠে দোলা দিয়ে যায় আঘ্রানী বাতাস । মিহি মিহি কুয়াশা ডানায় মেখে নীড়ে ফেরে সব পাখি ।
নবান্নের গান দিয়ে যায় দোলা ......
সোনালী ধানের গান ঝরিতেছে
ঝরঝর উঠোনের পরে ,
আঘ্রানের সোমত্ত সময়টুকু ঘিরে
এলোচুলে কৃষকের ঘরে
ধানেরা উলুঝুলু মরিতেছে ........


চমৎকার এই লেখাটি দেখে আবেগ সামলে রাখা গেলনা । তাই একটি লিংক দিতে ইচ্ছে হলো ---চারিদিকে নুয়ে প'ড়ে ফলেছে ফসল .......

আর শিরোনামে "... জুরে বর্ণাড্য... " না হয়ে " জুড়ে বর্ণাঢ্য..." করে দিলে ভালো হয় ।

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১০:২৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আঘ্রানের নবান্নকে নিয়ে আপনার কাব্যিক বিবরণ হয়েছে অসাধারণ ।
সাথে দেয়া নবান্নের গান সকলের মনকে দিয়ে যাবে দোলা
তাতে কোন সন্দেহ নেই । মাঠের ধান কৃষকের গোলায় যেতে
দেখলে কার না মন ভরে উঠে । কামনা করি কৃষক যেন
সারা বছর থাকে দুধে ভাতে । তাদের আঙ্গিনা মৌ মৌ
করুক নতুন ধানের ঘ্রানে ।
টাইপোর বিষয়টি ধরে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ ,
ঠিক করে দিয়েছি যথাযথভাবে ।
শুভেচ্ছা রইল

১৮| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:২১

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:

ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা,
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি,
সকল দেশের রানী সে যে আমার জন্মভূমি,
সে যে আমার জন্মভূমি, সে যে আমার জন্মভূমি!

পোষ্টটি দেখে ডি এল রায়ের লাইন গুলো মনে পড়ে গেল!


দুর্দান্ত!

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:০৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




আঘ্রানের নতুন ধানের গন্ধে ডি এল রায়ের
কালজয়ী দেশাত্ববোধক গানের কলিকে
আমাদের স্মৃতিতে তুলে ধরার জন্য
রইল প্রাণডালা আভিনন্দন ।

কামনা করি ভ্রমরের ডানায় ভর করে
নবান্নের উৎসবের আনন্দের বারতা
পৌঁছে যাক বাংলার সকল কিষান
কিষানীর ঘরে ,গোলা যাক ভরে।
ভাল থাকার শুভ কামনা রইল।

১৯| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:৪০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আরেয়ে বাহ !!!
একদম আপন আপন পোষ্ট :)

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১২:৩৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



ভাগ্যমানি আঘ্রান এসেছিল
তাইতো আপুমনিরে
পেয়েছি নবান্নের
অাসরে । অনেক
ধন্যবাদ সাথে
এই নবান্নের
শুভেচ্ছা ।

২০| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ২:১৯

রিপি বলেছেন: চমৎকার চমৎকার! B-)

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:১৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: চমৎকার কোনটা পোস্টটা ছবিটা !!!
অঘ্রানের নবান্নতে হলুদের সমারোহ নিয়ে সুপারমুন দেখুন

খুশী হলাম অনেক লম্বা বিরতীর পর আবার ব্লগে সরব হওয়ার জন্য ।
শুভেচ্ছা রইল ।

২১| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১:২৮

অরুনি মায়া অনু বলেছেন: কি চমৎকার নবান্নের বর্ণনা। আমি অভিভূত। যেমন সুন্দর ছবি তেমনই সুন্দর বর্ণনা। এই হল আমাদের সোনার বাংলা। এমন দেশটি আসলেই কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবেনা। খুব সুন্দর পোস্ট। আপনাকে অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ। পোস্টটি প্রিয়তে নিলাম।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ২:৩৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



সুন্দর মন্তব্যে আমিও অভিভুত ও মুগ্ধ । আসলেই
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবেনা
দ্বিজেন্দ্রলাল রায় লিখেছেন
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি,
সকল দেশের রানী সে যে- আমার জন্মভূমি।
এমন স্নিগ্ধ নদী কাহার, কোথায় এমন ধুম্র পাহাড়;
কোথায় এমন হরিৎক্ষেত্র আকাশ তলে মেশে।
এমন ধানের ওপর ঢেউ খেলে যায় বাতাস কাহার দেশে।

কবি গুরু লিখেছেন অঘ্রানের কথা যা
এসেছে আমাদের জাতীয় সঙ্গীতে :
ও মা, অঘ্রানে তোর ভরা ক্ষেতে
আমি কী দেখেছি মধুর হাসি।।
কী শোভা, কী ছায়া গো, কী স্নেহ, কী মায়া গো-
কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে, নদীর কূলে কূলে৷
মা, তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো,
মরি হায়, হায় রে-

পোস্টি প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা রইল
শুভেচ্ছা নিবেন ।

২২| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১:৫১

কালীদাস বলেছেন: ভাল :)

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ২:৪৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



অনেক ব্যস্ততার মাঝেও এসে পোস্টটি দেখে ভাল লাগার কথা শুনে অনুপ্রানীত হলাম ।
যেখানেই থাকুন কামনা করি অঘ্রানের নবান্নের ছোয়া লাগুক জীবনাচারে
মনের একটি কোমল অংশ জুড়ে থাকুক অামাদের
দেশের খেটে খাওয়া কিষান কিষানীর কথা
যারা হারভাঙ্গা পরিশ্রম করে যোগায় অন্ন।
শুভেচ্ছা রইল ।

২৩| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৬ সকাল ৮:০৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলার কৃষকের জমি ছিল ফসল হতো না, বন্যা খরায় কৃষক দেউলিয়া হয়ে থাকতো; এখন কৃষক বেড়ে গেছে জমি নেই; কৃষকের ছেলেরা আরবে রাস্তা পরিস্কার করে, ৩৬% ভুমিহীন; কৃষকের জমির উপর গড়ছে উপশহর, কৃষকের অনুস্ঠান হয় রমনার বটমুলে, গ্রামগুলো ধু ধু করছে।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:১৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য । দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে ভুমিহীনদের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তেই থাকবে কারণ ভুমি তো সেরকম ভাবে বাড়ছেনা, যদিউ অদুর ভবিষ্যতে বঙ্গোপসাগরে ১০হাজার বর্গমাইলের মত নতুন চর ভেসে উঠার সস্ভাবনা আছে । তবে খেয়াল রাখতে হবে কেও যেন গৃহহীন না হয় । সকলকেই কৃষিকাজ করতে হবে তা তাত নয় , শিল্প ও সার্ভিস সেকটরে লোকজন বেশী করে নিয়োজিত হলে তাদের কর্মসংস্থান ও আয় বাড়বে , জীবন যাত্রার মান বাড়বে । কৃষকের ছেলেরা জীবিকার তাগিদে ভিটেমাটি বিক্রি করে বিদেশে হারভাঙ্গা পরিশ্রম করে তাদের জীবন যাত্রার মান উন্নত করতে পারলে মন্দ কি । শুধু আরবে কেন অনেক উচ্চ বিত্তরের ছেলেরাও এখন ইউরোপ আমিরিকার মত দেশে অড জব করছে , এমনকি অনেকেই দেশের ভাল সন্মানীয় চাকুরী বাকুরী ছেড়ে দিয়ে বিদেশে চলে গেছে ।

শুধু যে বাংলাদেশেই এই অবস্থা তাত নয় । ইউকেতে এখন শতকরা ৭০ ভাগ মানুষ ভুমীহীন আর যারা ভুমির মালিক তারাও শহর এলাকার মাত্র ৫ ভাগ জমির মালিক । আমিরিকাতেও প্রায় একই অবস্থা । আমিরিকার মোট ২২৭১ মিলিয়ন একর জমির মধ্যে শতকরা ৩০ ভাগ ভুমিই ফেডারেল সরকারের হাতে । আর কোন কোন অঙ্গরাজ্যে অবস্থা খুবই করুন । To everybody’s surprise, it turned out that 87.5 percent of all the land in Arizona is owned by the government. Only 12.5 percent of Arizona is in private hands. মোট কথা হল সামন্ত ভুমি ব্যবস্থা কোন জায়গায় নাই । সবকিছুর মুল কথা হল মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন ও সুখে নিরাপদে বসবাস । এ লক্ষেই আমাদের সকলকে কাজ করে যেতে হবে ও উপযুক্ত কৌশল অবলম্বন করতে হবে ।
শুভেচ্ছা রইল


২৪| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৬ সকাল ৮:০৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



৩নং কমেন্টের উত্তরে, কৃষকের বউদের ছবি দেখে খুশী হলাম।

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:২২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ ছবি দেখে খুশী হওয়ার জন্য ।

২৫| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৫৯

নীলপরি বলেছেন: খুব সুন্দর ছবি সিলেকশন । খুব ভালো লাগলো আপনার কথাচিত্র ।
পোষ্টে ++++

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:৫৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ভালো লাগা ,অনেকগুলো প্লাস ও প্রসংসার জন্য রইল অশেষ ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল ।

২৬| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:৫৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ভালো লাগা ,অনেকগুলো প্লাস ও প্রসংসার জন্য রইল অশেষ ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল ।

২৭| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৬ দুপুর ২:৫০

নীলপরি বলেছেন: শুভেচ্ছা গ্রহন করেছি । ধন্যবাদ ।

আপনাকেও শুভেচ্ছা ।

১৯ শে নভেম্বর, ২০১৬ ভোর ৪:৪৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ ।

২৮| ২০ শে নভেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৫:৫৭

বিজন রয় বলেছেন: কেমন আছেন, ডঃ?
ভুলে গেলেন নাকি?

হা হা হা দারুন সব পোস্টের সমাহার।

চলুক এভাবেই পথচলা।

২০ শে নভেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:৪৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



দাদা এত দিন কোথায় ছিলেরে ?
কত দিন গিয়ে এসেছি ফিরে
শুধু দেখেছি মুখের পরে মুখ
আর চিবুকের উপর চিবুক।
ভাল লাগল দেখে এখানে
যদিও দুএক জায়গায়
উপস্থিতি তব হয়েছে
একটু গোচর ।

শুভেচ্ছা রইল নিরন্তর ।

২৯| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১২:১০

চাঁদগাজী বলেছেন:



গ্রামে উৎসব হয় কিনা জানতে হবে, আমি এ সময় সম্প্রতি গ্রামে ছিলাম না। তবে চট্টগ্রামে গ্রামও নেই, এক লম্বা শহর হয়ে গেছে চট্টগ্রাম; ধানের জমি প্রায় শেষ।

২২ শে নভেম্বর, ২০১৬ রাত ৮:৪৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: গ্রামে নবান্নতে অআবহমান কাল ধরে চলে আসছে কঠিন পরিশ্রমের ধানকাটা , ধান বয়ে আনা , ধান মারাই , ধান ঝাড়া, ঢেকিতে ধান বানা , মুখপুরে গৃহীনীদের ধান সিদ্ধ করা , আর তাতে নেই কোন আনুস্ঠানিকতা , থাকেনা কোন মন্ত্রী মিনিসটারের আগমন
তারা যান শুধু নাচা গানার আয়েজনে উদযাপিত নবান্ন অনুষ্ঠানে । আর ঠিকই বলেছেন চট্টগ্রামে ধানের ধানের জমিতো কমেই যাচ্ছে সাথে পাহাড়ি টিলাও নিয়ে যাচ্ছে কেটে , ধংস করছে পাকৃতিক পরিবেশ ।

৩০| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৬ রাত ৮:২৯

প্রামানিক বলেছেন: নবান্নের উৎসব সেইভাবে না হলেও প্রত্যেক ঘরে ঘরে পিঠার উৎসব ঠিকই হয়। চমৎকার পোষ্ট ধন্যবাদ।

২২ শে নভেম্বর, ২০১৬ রাত ৮:৫০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ । আপনি ঠিকই বলেছেন , নবান্নের উৎসব গ্রামে ঘটা করে পালন করা না হলেও প্রত্যেক ঘরে ঘরে পিঠার উৎসব ঠিকই হয়
শুভেচ্ছা রইল ।

৩১| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:০৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: সুন্দর সুন্দর কথা, কবিতাংশ আর ছবি দিয়ে সামুতে নবান্নের আমেজ ছড়িয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
ও ধান বানিরে ঢেঁকিতে পা-ড় দিয়া - গানটা আমার খুব প্রিয়।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:৫৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ অনেক ব্যস্ত সময়ের মাঝেও এসে দেখে সুন্দর মন্তব্য রেখে যাওয়ার জন্য । ও ধান বানিরে ঢেঁকিতে পা-ড় দিয়া গানটি প্রিয় জেনে খুব খুশী হলাম । অআমাদের দেশের নব প্রজন্ম বিশেষ করে যে সমন্ত বঙ্গ সন্তান দেশের বাইরে জন্ম ও লালিত পালিত তারা শুধু ছবিতেই দেখবে ঢেঁকিকে , বাস্তবে দেখার সৌভাগ্য হয়ত অনেকেরই হবেনা কারণ ঢেঁকিতো বলতে গেলে এখন উঠেই গেছে ধান ভাঙ্গা কলের কারণে । তবে দেশী বিদেশী যাদুঘরে এটা এখন স্থান পেলে অনেকেই দেখতে পাবে একে ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৩২| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ১২:৫৪

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: ইট-পাথরের জঙ্গলে যান্ত্রিক জীবনে অভ্যস্থ হয়ে প্রায়ই ভুলতে বসেছি গ্রাম-বাংলার সেই সোঁদা গন্ধ!!
আপনার লেখাটি আবার ফিরিয়ে আনলো সেটা।। না এখনো ভুলি নি, সেই ছোটবেলার ধান কেঁটে উঠোনে টাল দেয়া আর মাড়াইর দৃশ্য।। পুরো বাড়িটা ভরে থাকতো কেমন একটা কাচা গন্ধে।। তারপর মা-চাচীদের বাছাইর পর গানের সুরে ঢেকিভানা।।
হঠাৎ কোন একভোরে ঘুম ভাঙ্গার পর ভুলে যাওয়া গানের কলিটি মনের মাঝে গুনগুনিয়ে ঊঠার মতই সব ভুলে যাওয়া চেনা দৃশ্যগুলি আবার মনের পর্দায় ভেসে উঠলো।।
অনেক ধন্যবাদ।।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ ভোর ৪:২০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ মুগ্ধ হলাম মন্তব্যের সুন্দর সুন্দর কথায় ।
খুব ভাল লাগল মা চাচীদের গানের সুরে ঢেঁকিভানার কথা শুনে ।
গরু দিয়ে মলনে ধান মারাইতো এখন বলতে গেলে উঠেই গেছে গরু পালার ঝামেলার কারণে ।
মানুষে গায়ে খেটে প্রচুর পরিশ্রম করে হাতে গাছের গুরী কিংবা খালী তেলের ড্রামে আছড়িয়ে
গাছ হতে ধান ছাড়ায় । কাঁচা ধানের উচিত দামটি যদি পায় বাজারে, তাহলে অমানুশিক
পরিশ্রমের কথাটি হয়ত যেতে পারে ভুলে । এদিকটা আমাদের সকলের খেয়াল রাখতে
হবে বলে মনে হয় । অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৩৩| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ ভোর ৪:১৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ মুগ্ধ হলাম মন্তব্যের সুন্দর সুন্দর কথায় ।
খুব ভাল লাগল মা চাচীদের গানের সুরে ঢেঁকিভানার কথা শুনে ।
গরু দিয়ে মলনে ধান মারাইতো এখন বলতে গেলে উঠেই গেছে গরু পালার ঝামেলার কারণে ।
মানুষে গায়ে খেটে প্রচুর পরিশ্রম করে হাতে গাছের গুরী কিংবা খালী তেলের ড্রামে আছড়িয়ে
গাছ হতে ধান ছাড়ায় । কাঁচা ধানের উচিত দামটি যদি পায় বাজারে, তাহলে অমানুশিক
পরিশ্রমের কথাটি হয়ত যেতে পারে ভুলে । এদিকটা আমাদের সকলের খেয়াল রাখতে
হবে বলে মনে হয় । অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৩৪| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৭ সকাল ৯:৪৪

জীবন সাগর বলেছেন: পুরনো দিনের গান আজও ভুলায় মন ও প্রাণ। পৌষ অগ্রহায়ণ এখন আর গ্রামগঞ্জে আগের পিঠা উৎসব দেখা যায় না। খুব মিস করি দিনগুলো। আপনি আবার আজ বেশিকরে মনে করিয়ে দিলেন।

ভাল লাগলো পুরনো দিনের স্মৃতিগুলো জেগে থাকুক লক্ষ বছর মানুষের অন্তরে।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৫:১২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ জীবন সাগর,
কামনা করি আপনার মুল্যবান কথাটি জেগে থাকুক মানুষের অন্তরে
ভাল লাগলো পুরনো দিনের স্মৃতিগুলো জেগে থাকুক লক্ষ বছর মানুষের অন্তরে।

শুভেচ্ছা রইল

৩৫| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৫:১১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ জীবন সাগর,
কামনা করি আপনার মুল্যবান কথাটি জেগে থাকুক মানুষের অন্তরে
ভাল লাগলো পুরনো দিনের স্মৃতিগুলো জেগে থাকুক লক্ষ বছর মানুষের অন্তরে।

শুভেচ্ছা রইল

৩৬| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪৮

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: সুন্দর একটা পোষ্ট। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য মিশানো বাংলার প্রকৃতির সুন্দরতম উপস্থাপন। আমি মুগ্ধতায় ভেসে গেছি।


বাংলা আমার নয়, আমি বাংলার।
আমি শুধু বাংলাকে আমার মনে করলেই হবে না, আমাকেও বাংলার কাছে সোপর্দ করতে হবে। বাংলার রূপ-প্রকৃতির সৌন্দর্যময় উপস্থাপন করতে হবে। বাংলার ঐতিহ্য সম্পর্কীয় তথ্যগত বৈশিষ্ট্য মানুষের মনে জাগিয়ে রাখতে সচেষ্ট হতে হবে। সবাই সবকিছু সমানভাবে পারেনা। আমিও পারিনা। কিন্তু কেউ তা পারুক আমি সবসময় কামনা করি। আপনি পেরেছেন সুন্দর করে তুলে ধরতে। সেজন্য গর্বিত আমার চিন্তা, সুযোগ্য উপস্থাপক পেয়ে। কৃতজ্ঞতা জানাই আপনার বাংলা-প্রেমী হৃদয়ের প্রতি।

টিকে থাকুক বাংলার ঐতিহ্য আপনাদের সু-লেখায়, মানুষের মনে মনে, বাংলার ঘরে ঘরে।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ জাহাঙ্গীর ভাই সুন্দর প্রতিমন্তব্যের জন্য । ভাল লাগল আপনার মুল্যবান কথাটি -
আমি শুধু বাংলাকে আমার মনে করলেই হবে না, আমাকেও বাংলার কাছে সোপর্দ করতে হবে। বাংলার রূপ-প্রকৃতির সৌন্দর্যময় উপস্থাপন করতে হবে। বাংলার ঐতিহ্য সম্পর্কীয় তথ্যগত বৈশিষ্ট্য মানুষের মনে জাগিয়ে রাখতে সচেষ্ট হতে হবে।
সকলের মনে এটা জাগরুক থাকুক এ কামনাই করি ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৩৭| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ৯:৫৭

সাহিদা সুলতানা শাহী বলেছেন: দারুন পোষ্ট। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখে প্রকৃতিতে হারিয়ে গেলাম।

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১০:০৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ । পকৃতিতে হারিয়ে যাওয়াতেই পকৃত সুখ ।
অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.