নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহিত্য, সংস্কৃতি, কবিতা এবং সমসাময়িক সামাজিক বিষয়াদি নিয়ে গঠনমুলক লিখা লিখি ও মুক্ত আলোচনা

ডঃ এম এ আলী

মুক্তমনা

ডঃ এম এ আলী › বিস্তারিত পোস্টঃ

মহাসাগর তলে আগুন, আগুন তলে ভুগর্ভে বিশাল মহাসাগর :বিধাতার অপরূপ সৃস্টি রহস্য

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৪৬


পানির সাথে আগুনের সম্পর্ক অনেকটা সাপ আর নেউলের মত । যে নামেই ডাকা হোক না কেন, পানি ও আগুনের সম্পর্ক পরস্পর বিপরিত । পেট্রোলিয়াম জাতিয় পদার্থে প্রজ্জলিত আগুন ব্যতিত অপরাপর আগুনের উপর পানি ঢাললেই আগুনের নিবারন ঘটে । এ হেন আগুন কিভাবে পানির নীচে সাগরতলে জ্বলে তা সত্যিই এক বিস্ময়কর ব্যপার ।

দিন কয়েক আগে স্থানীয় মসজিদের বিজ্ঞ ঈমাম খুতবার সময় খুব সংক্ষেপে জানালেন সাম্প্রতিক কালে বৈজ্ঞানিক গবেষনায় পানির নীচে আগুন এবং আগুনের নীচে মহাসাগরের ভূতলে পৃথিবী পৃষ্ঠের মহাসাগরের থেকেও তিন গুন বেশী পানি ধারন সম্পন্ন জলাধারের সন্ধান বিজ্ঞানীরা পেয়েছেন । বিষয়টা বেশ কৌতুহলজনক হওয়ায় একে নিয়ে একটুখানি অনুসন্ধান করা হল । অনুসন্ধানে দেখা যায় এ নিয়ে রয়েছে বেশ কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষনা ও আলোচনা । সাগরের পানির নীচে আগুন বিষয়ে বেশ কিছু আলোচনা দেখতে পাওয়া যায় কিছু ইসলামিক গবেষনাধর্মী ওয়েব সাইটে । আমার ধারনা বিষয়গুলি আমাদের অনেকেরই দৃষ্টিগোচর হয়েছে । তবে বিষয়টি সম্পর্কে সে সমস্ত ওয়েব সাইটে তেমন বিস্তারিত ভাবে আলোচনা ও সুসংগঠিত তথ্যের বিন্যাস না থাকায় বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষনায় সাগরের পানির নীচে আগুন আর আগুনের নীচে মহাসাগর থাকা সম্পর্কিত সংস্লিষ্ট গবেষনা ভাষ্যগুলির একটি সচিত্র আলোচনা পাঠকদের সাথে শেয়ার করার মানসে এখানে তুলে ধরা হলো । বিষয়গুলির উপরে বিজ্ঞ পাঠক বৃন্দের যে কোন যুক্তিপুর্ণ আলোচনা কৃতজ্ঞতার সহিত সাদরে গৃহীত হবে ।

পানির নীচে আগুন বিষয়ক বৈজ্ঞানিক আলোচনায় ম্যাগমা নামক একটি বিষয়ের নাম চলে আসে । ম্যগমা বিষয়টি আমাদের দেশের নবম ও দশম শ্রেনীর পাঠ্য ভুগোল বইয়ে খুব ছোট আকারে সংক্ষেপে মাত্র কয়েক লাইনের একটি সংজ্ঞা দিয়েই শেষ করা হয়েছে । এ নিয়ে তাই ছাত্রদের কৌতুহলের সীমা নেই । তাই ম্যগমা বিষয়ক তথ্য দিয়েই আলোচনার সুত্রপাত করা হল ।

আমরা হয়তবা অনেকেই জানি যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই এ অবস্থিত মাউনা কিয়া (Hawaii’s Mauna Kea ) বা শ্বেত পর্বত পৃথিবীর উচ্চতম পর্বত চুড়া, যার উচ্চতা বেইস লেভেল থেকে চুড়া পর্যন্ত প্রায় ১০২১০ মিটার ( ৩৩৫০০ ফুট) , উল্লেখ্য যে, সি লেভেলের উপরে মাউনা কিয়া’র উচ্চতা ৪২০৫ মিটার বা ১৩৭৯৬ফুট, তাই এভারেস্ট থেকে এর উচ্চতা কম । মাউনা কিয়া পর্বতের সাগরের নীচে থাকা অংশের উচ্চতা ১৯৭০০ ফুট ( প্রায় ৬০০০ মিটার), নীচের ছবিতে পৃথিবীর সাতটি সুউচ্চ পর্বত চূড়ার সাথে মাউনা কিয়া পর্বতের সাগরতলের অংশের প্রতিকৃতি দেখা যেতে পারে ।

পৃথিবীর সুউচ্চ সাতটি পর্বত চূড়া ও মাউনা কিয়া পর্বতের ছবি


উল্লেখ্য যে , এই মাউনা কিয়া পর্বতের নীচে রয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশী ম্যাগমা তৈরীর ক্ষমতা । সাগরতলে আগুন বিষয়ক আলোচনায় ম্যাগমা একটি গুরুত্বপুর্ণ বিষয় । বৈজ্ঞানিক তথ্যমতে ভূগর্ভে উচ্চচাপে শিলা গলে যায়, শিলার এই গলিত অবস্থাকে ম্যাগমা বলে। মোদ্দা কথা আগ্নেয়গিরির অভ্যন্তরে গলিত পদার্থকে ম্যাগমা বলে।


আগ্নেয়গিরির অভ্যন্তরে ম্যাগমার অবস্থান নীচের চিত্রে অবলোকন করা যেতে পারে ।


পানির নীচে থাকা মাউনা কিয়া পর্বতের আগ্নেয়গিরি হতে বার্ষিক ম্যাগমা উৎপাদনের পরিমান বিশ্বের মোট ম্যাগমা উৎপাদনের প্রায় শকতরা ৭৫ ভাগ । ম্যাগমা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে এখানে https://en.wikipedia.org/wiki/Magma ক্লিক করে দেখা যেতে পারে ।

আগ্নেয়গিরী হতে ম্যাগমার ইরাপশন প্রক্রিয়াটি নীচের চিত্রে অবলোকন করা যেতে পারে ।

সাবমেরিন ম্যাগমা ইরাপশন প্রক্রিয়ার ছবি

1. Water vapour Cloud . 2. Water 3. Stratum 4. Lava flow 5. Magma conduit 6. Magma chamber 7. Dike
8. Pillow lava

নীচের চিত্রটি হতে দেখা যায় যে সাবমেরিন ভলকানো হতে উদগিরিত লাভা , ভস্ম ও ভস্মাবশেষ এর উপরিভাগে জমাট বাধে এবং জমাট বাধা চূড়াকে অনেক সময় পানির উপরে জাগিয়ে তুলে । উল্লেখ্য যে সাবমেরিন ভলকানো বা সাবমেরিন আগ্নেয়গিরি হলো পানির নীচে আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ বা পৃথিবী পৃষ্ট সন্নিহিত বিদারুন মুখ যেখান দিয়ে ম্যগমা উদগিরিত হয় ।

ছবি সুত্র : National Science Foundation at Click This Link

পানির নীচে ভূ-অভ্যন্তরে থাকা আগ্নেয়গিরীর আন্দোলন বা ধুম্রের চিহ্ন সাধারণত দেখা সহজ সাধ্য নয়, তবে পানির নীচের ভলকানো হতে যখন অগ্ন্যুত্পাত হয় তখন তা সহজেই দৃষ্টিগোচর হয়, যেমনটি নিন্মের চিত্র হতে দেখা যেতে পারে :

ছবি সুত্র : Click This Link:Puu_Oo_cropped.jpg

বিশ্বের বেশীরভাগ আন্ডার ওয়াটার ভলকানো ‘টেকটোনিক প্লেট মুভমেন্ট এলাকার কাছাকাছি অঞ্চলে অবস্থিত । টেরিস্টরিয়াল ভলকানো গুলি হাওয়াই , কালিফোর্নিয়া , জাপান , নিউজিলান্ড , ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ এবং এন্টারটিকা এলাকায় বেশী মাত্রায় অবস্থিত ।

ভূ-গর্ভের অনেক নীচে অবস্থিত ম্যাগমা রিজার্ভ সম্পর্কে সচিত্র গবেষনা খুবই দু:সাধ্য কর্ম, কারণ উচ্চ তাপ ও চাপের কারণে সেখানে কোন সরঞ্জাম বা যন্ত্রপাতি প্রেরণ সম্ভব নয় । তাই কালিফোর্নীয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকগন প্রায় সাতশত বছর আগের নিউজিলান্ডের তাউপো আগ্নেয় এলাকায় প্রাপ্ত সাতটি জিরকন ক্রিস্টালকে লেবরেটরিতে পরীক্ষা করে ম্যাগমা রিজার্ভের বিষয়ে মুল্যবান উপাত্ত বিশ্লেষণ করে জানতে পেরেছেন যে আগ্নেয়গিরির নীচে প্রচুর পরিমানে ম্যগমা মজুদ রয়েছে ।

১৯ শতকের একটি আগ্নেয়গিরি হতে গলিত লাভা উদগিরণের দৃশ্য

ছবি সুত্র : Science news at Click This Link

সুবহানাল্লাহ! সাগর তলে পানির নীচে ভু-গর্ভে আগুন সংক্রান্ত বিষয়াবলী অনেক আগেই পবিত্র কোরানে ও হাদিছে বর্ণিত হয়েছে । সমুদ্রতলের কঠিন স্তরে ভলকানিক লাভা উদগিরণের ঘটনা মাত্র কিছু দিন আগে জানা যায় । এই লাভাগুলি এক হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা তৈরী করে সমুদ্রের পানিকে ফুটন্ত পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে । । তবে লাভাগুলির তাপমাত্রা অতি উচ্চমাত্রার হলেও তা সাগরের পানিকে বাষ্পিভুত করতে পারেনা অপরদিকে সমুদ্রের পানির পরিমাণ বিপুল হলেও তা আগুনকেও নির্বাপিত করতে পারেনা ।

উল্লেখ্য সুনান আবু দাউদ ‘কিতাব –আল- সিত্তাহ’ ৬টি প্রধান হাদিস গ্রন্থের মধ্যে একটি । এই হাদিস গ্রন্থের বুক অফ জিহাদ অংশের ৯ নং অধ্যায়ের ২৪৮৯ নং হাদিছে আবদুল্লাহ ইবনে আমর এর বর্ণনায় দেখা যায় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন
‘’ হজ ও ওমরাহ পালন ব্যতিত কিংবা আল্লার পথে জিহাদ ব্যতিত কেও যেন সমুদ্রে ( নিছক অনুসন্ধানে) না যায় কারণ সমুদ্রের পানির তলে আগুন এবং আগুন তলে রয়েছে সাগর ‘’ ( জঈফ হাদিছ শ্রেণীভুক্ত) ।

উল্লেখ্য অনেকেই বলে থাকেন জঈফ হাদিস কোন হাদীসই না, তাঁরা বলে থাকেন জঈফ হাদিস জাল হাদিসের মতই। তাই তাঁরা জঈফ হাদিসগুলো কে জাল হাদীস বলে অস্বীকার করছেন । অথচ জানামতে জাল আর জঈফ হাদিসের মধ্যে বিশাল পার্থক্য রয়েছে । হাদিস সহীহ , জঈফ ও হাসান হয় সনদের উপর ভিত্তি করে। মুহাদ্দিসগন কোন হাদিসের রাবীর (হাদিস বর্নণাকারীর) নাম পরিচয়,আমল আখলাক ইত্যাদি যাচাই- বাছাই করে তার উপর ভিত্তি করে হাদিসের মান নির্নয় করেন । উল্লেখ্য যে জাল হাদিস তো কোন হাদিসই না, এজন্যই সেটা জাল, তাই জাল হাদিসের আলোচনা অবান্তর । কিন্তু যেটা জঈফ (দুর্বল হাদিছ) হিসাবে এখনো টিকে আছে সেটাতো আলোচনায় উঠে আসতেই পারে । এমন অনেক হাদিস আছে যে হাদিসগুলো ইসলামের প্রাথমিক জমানাতে সহীহ শুদ্ধ ছিল, কিন্তু পরবর্তীতে সনদের কারনে সেই হাদিসের মান দুর্বল হয়েছে। তাই জঈফ বা দুর্বল হাদিসকে জাল হাদীস বলার কোন সুযোগ আছে কিনা তা আলোচনার অবকাশ রাখে ।

ফাযায়েলের ক্ষেত্রে যঈফ হাদিস কতটুকু গ্রহণযোগ্য সে বিষয়ে বিজ্ঞ পাঠকদের সাথে মত বিনিময় প্রয়োজন বলে মনে করি । পৃথিবী শ্রেষ্ঠ প্রথম সারির নির্ভরযোগ্য হাদিস বিশারদগণ বলেন যে, ফাযীলাতের জন্য হোক আর অন্য কোন বিষয় হোক কোন অবস্থাতেই যঈফ হাদিস ‘আমালযোগ্য নয়। কারণ ফাযীলাতের দোহাই দিয়ে যঈফ হাদিস ‘আমাল করতে গেলে মুসলিম সমাজে ফিতনা -ফাসাদের সৃষ্টি হবে। তাতে উপকারের চেয়ে অপকারের সম্ভাবনা অনেক বেশি। যঈফ হাদিস ‘আমল করা যাবে না, এ বিষয়ে যে সব হাদিসবিদ, মুহাদ্দিসগণ মতামত পেশ করেছেন তারা হলেন, ইমাম বুখারী, ইমাম মুসলিম, ইমাম ইয়াহ্ইয়া ইবনু মুঈন, ইমাম ইবনু আরাবী, ইমাম ইবনু হাজম, ইমাম ইবনু তাইমিয়াহ ও আল্লামা জালালউদ্দিন কাসেমী প্রমুখ হাদিসবিদ ইমামগণ। অপরদিকে ফিকহ্বিদগন ফাযীলাতের ক্ষেত্রে যঈফ ‘আমালের অনুমতি দিলেও তারা যঈফ হাদীস ‘আমালের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত শর্তারোপ করেছেন। যেমন- (১) যে সব যঈফ হাদিসের উপর ‘আমাল করা হবে, তা যেন কোন মতেই আক্বীদা বা হুকুম সংক্রান্ত না হয়। যদি তা হয় তাহলে কোন ক্রমে যঈফ হাদিস ‘আমাল করা যাবে না। (২) কেও যদি নিতান্ত বাধ্য হয়ে যঈফ হাদিস ‘আমাল করতে চায়, তাহলে তাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে, ঐ ‘আমালটা যেন কোন মতেই দেশ ও সমাজের প্রচলিত সহীহ হাদিসের ‘আমালের বিরোধী না হয়। যদি হয় তাহলে ‘আমাল করা যাবে না। (৩) যঈফ হাদিস সুত্র বা সনদ যেন অত্যন্ত দুর্বল না হয় পরিশেষে (৪) হাদিস ‘আমালকারীকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে, হাদিসটি যঈফ বা সন্দেহযুক্ত। আর অন্যের নিকট বলার সময় তা যঈফ হিসাবেই উল্লেখ করতে হবে। কারো যেন কোন ভূল বুঝাবুঝি না হয় সেজন্য এই পোষ্টের লেখায় একে জঈফ হাদিস হিসবে স্পষ্ট করে বলে দেয়া হল । তবে এ বিষয়ে কোন পাঠক যদি যুক্তি কিংবা দলীল দিয়ে একে সহি হাদিছ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন তবে সেটা হবে খুবই আনন্দের কথা ।

যাহোক মোদ্দা কথা হল , হাদিসটি যদিও যঈফ শ্রেণীভুক্ত হিসাবে চিহ্নিত এবং ইহা জাল হাদিস নয় সেহেতু এই হাদিসে থাকা সাগরের পানির নীচে আগুন ও তার নীচে থাকা মহসাগরের অস্তিত্ব সম্পর্কে সাম্প্রতিক কালের বৈজ্ঞানিক আবিস্কারের বিষয়াবলী কিভাবে দেখা হবে তা হাদিস বিশেযজ্ঞগন বিবেচনা করে দেখতে পারেন তাঁদের মুল্যবান মতামত সাদরে গৃহীত হবে ।

তবে একটা কথা মনে রাখতে হবে বিজ্ঞানীদের হিসাবে পৃথিবীতে পানির নীচে বিভিন্ন আকারের প্রায় ৫০০০ সক্রিয় ভলকানো রয়েছে যা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমানিত সত্য ।

পবিত্র কোরআনের সুরা আত -তুর এ উল্লেখিত আল্লাহ তায়ালার শপথের সাথে হাদিসের কথার একটা সংযোগ পাওয়া যায় ,যেখানে সর্বশক্তিমান আল্লাহ বলেন “ এবং কছম উদ্বেলিত সাগরের ’’ ( সুরা আত -তুর , আয়াত ৬ )

সুরা আত-তুরের ১ হতে ৮ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন (১)কসম তুর পর্বতের (২)এবং (কসম এই তুর পর্বতের (৩) (যাহা) উন্মুক্ত চিকন চামড়ায় লিপিবদ্ধ আছে (৪) এবং কসম সাদা আবাদ ( কাবা) গৃহের ( ৫) এবং (কসম ) চির সমুন্নত ছাদের (৬) এবং (কসম) উদ্বেলিত সমুদ্রের (৭) নিশ্চয় তোমার প্রতিপালকের আযাব অবশ্যই সংগঠিত হবে (৮) উহার নিবারনকারী কেহই নাই ।

যখন ঐশী কুরআন অবতীর্ণ হয়েছিল, তখন আরবগন উদ্বেলিত সাগর দ্বারা শপথের অর্থ সম্ভবত যথাযথভাবে হৃদয়ঙ্গম করতে পারেননি , মহাজাগতিক ক্রিয়ায় সৃষ্ট " উদ্বেলিত " অর্থ দ্বারা সাধারণত আগুনে পুড়িয়ে দেয়া বা বা ধ্বংস করে দেয়া বুঝায় , উপরন্তু, অগ্নি এবং জল পরস্পরের শত্রু যেমন পানি আগুন নির্বাপিত করে এবং আগুনের তাপ পানিকে কে বাস্পিভুত করে । কিভাবে এই ধরনের পরস্পর বিরোধীদের একসাথে বসবাস সম্ভব ? কিভাবে এই পরস্পর বিরোধি দুটি শক্তিকে একত্রিত করা এবং একটি যেন আরেকটির উপর জয়ী হতে না পারে তার ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব ? তাই এটা নি:সন্দেহে আল্লার একটি অপুর্ব সৃষ্টি কৌশলের নমুনা ।

আজ হতে ১৪০০ বছরের বেশী পুর্বে রসুল ( সা) কতৃক এমন বৈজ্ঞানিক তথ্য সম্বলিত আয়াত নীজ হতে রচনা করা সম্পুর্ণ অসম্ভব বিষয় বলে গন্য । সে সময় সাগরের পানির নীচে আগুন এবং তার নীচে পানি থাকার কথা কেও কল্পনাও করতে পারেনি । কিভাবে এটা সম্ভব যে সমুদ্রের ঠান্ডা পানি গরম হয়ে যেতে পারে । এই কারনে এই আয়াতটি নাযিল হওয়ার পরে আরবের জাহেলীয় মানুষেরা নবী করীম কে শুধু একজন কবি হিসাবে মনে করেছিল ।

ঈমানদার লোকেরা তখন অবশ্য কোরানের সুরা তাকবীরের ৬নং আয়াতের আলোকে পুরা ব্যাপারটিকে পুনরূত্থান দিবসের উপরে ছেড়ে দিয়েছেন যেখানে সর্বশক্তিমান আল্লাহ বলেছেন:
وَإِذَا الْبِحَارُ سُجِّرَتْ
" এবং যখন সমুদ্রসমূহ জ্বলন্ত আগুনের মত হয়ে যাবে " [সূরাত-তাককির আয়াত ৬)
And when the seas shall become as blazing Fire

বাহ্যিকভাবে এটা একান্তই আশ্চর্যের বিষয় যে পুনরূত্থানের দিন সমুদ্রের পানি প্রজ্জলিত হবে । কিন্তু পানির বৈশিষ্টকে যদি বিবেচনায় নেয়া হয় তাহলে কোন কিছুই আশ্চর্য বলে মনে হবেনা । এটা আল্লার একটি অলৌকিক ক্ষমতা যে ,তিনি অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের সমন্বয় ঘটিয়ে পানি সৃজন করেছেন , একটি উপাদান আগুনকে প্রজ্জলিত করে এবং অপরটি আগুনকে নিবারন করে , কিন্তু তিনি এ দুটি পরস্পর বিরোধি উপাদানকে এমনভাবে সংমিশ্রন করেছেন যা দিয়ে পানি তৈরী হয়েছে যা আগুন নিবারনে সক্ষম । আল্লাহ অলৌকিকভাবে পানিকে তার মৌলিক অবস্থায় নিয়ে গিয়ে আগুনে প্রজ্জলিত অবস্থায় রূপান্তর করতে সক্ষম তাতে কোন সন্দেহ নেই ।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো তাঁর জীবদ্দশায় সমুদ্রে ভ্রমণ করেননি, তাই এই অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে তিনি কিভাবে কথা বলতে পারেন ? সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাঁকে এবিষয়ে কথা বলার জ্ঞান ও অনুমতি দিয়েছিলেন । সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাঁর অগাধ প্রজ্ঞায় জানতেন যে , মানুষ এই আশ্চর্যজনক বৈজ্ঞানিক সত্যটি একদিন আবিষ্কার করবে, তাই তিনি মহিমান্বিত কুরআনে এটিকে উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর মর্যাদাবান নবীকে সে সম্পর্কে জ্ঞাত করেছেন, যাতে এটি একটি মহৎ প্রতীক হিসেবে প্রমাণিত হয় যে, কোরান আল্লাহর কালাম এবং তাঁর প্রেরিত সর্বশেষ রসুলের মাধ্যমে এ বিষয়টি বিশ্বমানব সম্প্রদায় জানতে পারে , মহা পরাক্রমশালী আল্লাহ বলেছেন:
"তিনি (মুহাম্মদ) (নিজের) ইচ্ছার কথা বলেন না।" [সুরা আয-নাজম : ৩]

আল্লাহর কথা সর্বদা সত্য । আজ বিজ্ঞানীরা স্বীকার করেন যে মহাসাগরে অবশ্যই অনেক আগ্নেয়গিরি রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে সমুদ্রগর্ভে থাকা আগ্নেয়গিরীর সংখ্যা পৃথিবীর সমস্ত আগ্নেয়গিরির প্রায় ৭০% । মহাসাগরের নীচে অবস্থিত সবচেয়ে বড় আগ্নেয়গিরি এলাকাটি "রিং অফ ফায়ার" নামে অভিহিত এবং যা প্রায় ৬৪০০০ কিলোমিটার এলাকা জুরে অস্ট্রেলিয়ার পুর্ব উপকুলের টঙ্গা হতে শুরু করে ,জাপান, ফিলিপাইন,মধ্য আমিরিকা ও দক্ষিন আমেরিকার পশ্চিম উপকুলের পেরু এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত । নিন্মের চিত্রে "রিং অফ ফায়ার" এর অবস্থান দেখা যেতে পারে ।

ছবি : রিং অফ ফায়ার (Ring of Fire )

ছবি সুত্র : Click This Link

এই রিং অফ ফায়ারে (Ring of Fire) নীচে নিন্মের চিত্রের মত প্রায় ৪৫০ টি আগ্নেয়গিরী আছে ।

ছবি সুত্র : Click This Link

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিজ্ঞানীরা সাগর ও মহাসাগরগর্ভে মুল্যবান খনিজ সম্পদের অনুসন্ধান করেন ও সেগুলি উত্তোলন কর্মযজ্ঞ শুরু করেন । বর্তমানে সমুদ্রতলের অনেক খনিজ সম্পদের মজুদের পরিমান উদীয়মান বস্তুবাদী মানব সভ্যতাগুলির কারণে প্রায় নিশ্বেসিত হওয়ার পথে । তবে অনুসন্ধানপর্বে মহাসাগরের তলদেশে হাজার হাজার কিলোমিটার জুড়ে তারা অনেক আগ্নেয় পর্বতমালার অবস্থান জানতে পেরেছেন । উল্লেখ্য এমনি এক অনুসন্ধান প্রক্রিয়ায় সাগর তলে হারিয়ে যাওয়া এক বিশাল মহাদেশের সন্ধান পাওয়ার খবরও জানা যায় ।

পৃথিবীতে সাতটি মহাদেশ আছে বলেই আমরা জানি। কিন্ত আরো একটি মহাদেশ যে লুকিয়ে আছে নিউজিল্যান্ডের ঠিক নীচে তা কিছুদিন আগেও কল্পনা করা যায়নি ? সাগরগর্ভে এই হারিয়ে যাওয়া মহাদেশটি নাকি প্রায় ভারতীয় উপমহাদেশের সমান ।

প্রশান্ত মহাসাগরে তলিয়ে যাওয়া এই মহাদেশটির নাম দেয়া হয়েছে জিল্যান্ডা ( ইন্ডিয়া + নিউজিল্যান্ড )
বিজ্ঞানীরা বলছেন, বর্তমান নিউজিল্যান্ড দেশটি আসলে এই মহাদেশেরই জেগে থাকা একটা অংশ । বলা যেতে পারে এই মহাদেশের পবর্তচূড়া ।


বিজ্ঞানীরা এখন চেষ্টা করছেন তাদের এই নব আবিস্কৃত তলিয়ে যাওয়া ভূখন্ডের জন্য মহাদেশের স্বীকৃতি আদায় করা ।

ছবি : জিল্যান্ডা মহাদেশকে নিয়ে অঙ্কিত ম্যাপ


'জিওলজিক্যাল সোসাইটি অব আমেরিকা'য় প্রকাশিত এক গবেষণা নিবন্ধে বিজ্ঞানীরা বলছেন, 'জিলান্ডিয়া'র আয়তন পঞ্চাশ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার, যা পার্শ্ববর্তী অস্ট্রেলিয়ার প্রায় দুই তৃতীয়াংশের সমান।


কিন্তু এই মহাদেশের প্রায় ৯৪ শতাংশই তলিয়ে আছে সাগরের পানিতে। মাত্র অল্প কিছু অঞ্চল পানির ওপর মাথা তুলে আছে,
একটি মহাদেশের স্বীকৃতি পেতে যা যা দরকার, জিলান্ডিয়া তার সবকটিই পূরণ করেছে বলে দাবি করছেন বিজ্ঞানীরা। যেমন:
 আশেপাশের অন্যন্য অঞ্চল থেকে উঁচু হতে হবে, এটা তারা প্রমান করেছেন
 সুস্পষ্ট কিছু ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট ও জীব বৈচিত্রের প্রমান থাকতে হবে

এ প্রসঙ্গে উক্ত এলাকায় নিন্মের চিত্রের মত দেখতে প্রাপ্ত জিবাস্ম (ফসিল ) পর্যালোচনায়

Saint Bathans Fauna গোত্রিয় প্রাণীটির মত কিছু প্রানী কথিত জিলান্ডা মহাদেশে বসবাস করার প্রমান রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা দাবী করেন ।

ছবি : বিলীন হয়ে যাওয়া Saint Bathans Fauna গোত্রিয় একটি প্রাণীর প্রতিকৃতি

উৎস : Click This Link

 একটি সুনির্দিষ্ট সীমারেখা থাকতে হবে , যা বিজ্ঞানীরা প্রমান করেছেন
 সমূদ্র তলদেশের চেয়েও পুরু ভূস্তর থাকতে হবে, বিজ্ঞানীরা নীচের চিত্রের মত তা জিলান্ডায় দেখতে পেয়েছেন

ছবি : নিউজিল্যান্ডা মহাদেশের একটি সেটেলাইট ইমেজ


প্রকাশিত গবেষণা নিবন্ধের প্রধান লেখক নিউজিল্যান্ডের ভূতত্ত্ববিদ নিক মর্টিমার বলেন, জিলান্ডিয়াকে কেন মহাদেশ বলা যাবে না, সে প্রশ্নের উত্তর বিজ্ঞানীরা খুঁজছিলেন গত দু্ই দশক ধরে চালানো গবেষণায় । তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর মহাদেশের তালিকায় আরেকটি নাম যুক্ত করাটাই কেবল তাদের লক্ষ্য নয়, এর একটা বিরাট বৈজ্ঞানিক তাৎপর্যও রয়েছে , বিশেষ করে একটি মহাদেশ সাগরে তলিয়ে যাওয়ার পরও যে অখন্ড থাকতে পারে এবং ৬৫০ মিলিয়ন বছর পুর্বে গন্ডোয়ানা মহাদেশ ভেঙ্গে কিভাবে বর্তমান মহাদেশগুলো তৈরি হয়েছিল সে সমস্ত প্রশ্নের উত্তরও পাওয়া যাবে এই নব আবিস্কৃত এই মহাদেশের তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ।

ছবি : ৬৫০ মিলিয়ন বছর পুর্বে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে যাওয়া গন্ডোয়ানা মহাদেশ


এখন প্রশ্ন হলো জিলান্ডিয়ার নামে আরেকটি মহাদেশ কি যুক্ত হবে ভুগোলের পাঠ্য বইতে? সেটা দেখার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে আরও অনেকদিন । কারণ মহাদেশের স্বীকৃতি দেয়ার জন্য কোন আন্তর্জাতিক ফোরাম নেই । কেবল বেশিরভাগ বিজ্ঞানী যদি মেনে নেন যে জিলান্ডিয়া আরেকটি মহাদেশ, তাহলে হয়তো কোন একদিন আমরা শিখবো, পৃথিবীতে সাতটি নয়, আটটি মহাদেশ আছে !!!

যাহোক, আমাদের মুল কথা তথা সাগর তলে থাকা ‘ফায়ার অফ রিং’ এর আলোচনায় ফিরে আসা যাক । প্রায় ৬৪০০০ কিলোমিটারেরও বেশী দুর পর্যন্ত বিস্তৃত এবং প্রায় ৬৫ কিলোমিটার গভীরতায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ‘ ফায়ার অফ রিংগের ‘ মধ্যে অবশ্য কিছু দূর্বল স্তর বা দুর্বল অঞ্চল রয়েছে যা অ্যানিসোস্ফিয়ার নামে পরিচিত । অ্যানিসোস্ফিয়ারের মধ্যে থাকা শিলাসমূহ আংশিকভাবে গলিত অবস্থায় থাকে যা অপেক্ষাকৃত উচ্চ ঘনত্ব এবং সান্দ্রতা ( ভিসকোসিটি ) পুর্ণ তপ্ত স্রোতগুলি মহাসাগরের অবতলে মিলিয়ন মিলিয়ন টন পাথরকে চালিত করে নিয়ে যায় যেমনটি পরিলক্ষিত হয়েছে লোহিত সাগরের মতো কিছু সমুদ্রের তলদেশে যেখানে তাপমাত্রা ১০০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস কে অতিক্রম করে যায় । মিলিয়ন মিলিয়ন টনের এই ক্রমসঞ্চিত শিলার স্তুপ সমুদ্রের জলকে ডানে বামে ঠেলে দিয়ে সমুদ্র তলদেশের সম্প্রসারন ঘটায় । বিজ্ঞানীরা "সমুদ্র ও সমুদ্র তলদেশের এই পরিবর্তন প্রক্রিয়াকে সম্প্রসারন প্রপঞ্চ হিসাবে অভিহিত করেন । এই সম্প্রসারণ প্রক্রিয়ায় গঠিত এলাকাটি ম্যাগমা দ্বারা পরিপুর্ণ হয় যা পরিনামে সমুদ্রতলে আগুন তৈরী করে ।


বিজ্ঞানীরা একটি ঘটনার উত্তর খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়েছেন তা হল সাগর ও মহাসাগরের জলরাশি কেন ম্যাগমাকে (magma) বাহির হতে দেয় না উপরন্তু ম্যাগমার মধ্যে প্রচন্ড তাপমাত্রা থাকা সত্ত্বেও সাগর এবং মহাসাগরের পানিই বা কেন বাস্পে পরিনত হয়না ? এ প্রেক্ষিতে একটি কথাই বলা যায় যে সমুদ্র তলের এই পরস্পর বিরোধি বৈশিষ্টপুর্ণ অগ্নিকুন্ড ও পানির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার অপরূপ কৌশলটি মহান আল্লাহর সীমাহীন মৃস্টি কৌশলৈর একটি স্পষ্ট সাক্ষী ।

উল্লেখ্য যে একদল অস্ট্রেলীয় গবেষক RV Investigator নামের একটি সমুদ্রগামী জাহাজে করে সিডনী উপকুলে ৫০ মিলিয়ন বছর আগের একটি ‘ভলকানো ক্লাসটারের’ সন্ধান পান যা নিন্মের চিত্রে দেখা যেতে পারে ।
ছবি : Cluster of Volcano

ছবি সুত্র : ইউনিভার্সিটি অফ নিউ সাউথওয়েলস

উপরের চিত্রটি সমুদ্রতলে একটি ভলকানিক ক্লাস্টারের ত্রিমাত্রিক রিলিফ ম্যাপ । অস্ট্রৈলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রফেসর রিচার্ড আর্কুলসের মতে জিওসাইনটিস্টদের কাছে এই ভলকানিক ক্লাস্টারটির আবিস্কার খুবই গুরত্বপুর্ণ । প্রফসের রিচার্ড বলেন
“They tell us part of the story of how New Zealand and Australia separated around 40-80 million years ago and they’ll now help scientists target future exploration of the sea floor to unlock the secrets of the Earth’s crust.”

নিউ জিলান্ডের উত্তর উপকুলে অবস্থিত অকল্যন্ড হতে ১২৫ মাইল দুরে মাটাটা (MATATA) শহর নিকটবর্তী স্থানে ভূগর্ভে অতি সম্প্রতি ম্যগমা গঠন আবিস্কৃত হয়েছে এই আবিস্কারটি বিস্মিত করেছে কারণ এর আশে পাশে কোন একটিভ ভলকানো নেই । পুরা বিষয়টিই ভুতাত্বিক বিজ্ঞানীদের কাছে বিস্ময়ে ভরা ।


ফিজি , টঙ্গা ও সামুয়া উপকুলবর্তী প্রশান্ত মহাসাগরের ৪০০০ ফুট পানির নীচে মাটা ভলকানোতে ২০০৯ সনের মে মাসে গলিত লাভা উদগিরণের দৃশ্যটি বৈজ্ঞানিকেরা অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে ধারণ করেন । Joint Institute for the Study of the Atmosphere and Ocean এর সহায়তায় ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিকেল ওশেনোগ্রাফার জোসেফ রিজিং ভলকানোটির লাভা উদগিরণ দৃশ্য ধারণ দলের প্রধান বৈজ্ঞানিক হিসাবে কাজ করেন । তিনি বলেন “We found a type of lava never before seen erupting from an active volcano, and for the first time observed molten lava flowing across the deep-ocean seafloor,” তাদের ধারণকৃত লাভা উদগিরণের দৃশ্যটি নীচে দেখা যেতে পারে ।

ছবি : a close view of deepest magma explosions and lava flows on West Mata volcano (May 2009 (১)

ছবি সুত্র : Click This Link

ছবি : সাগরতলে আগ্নেয়গিরির অগ্নোতপাতের ভিডিও চিত্র ( ২)

ছবি সুত্র : Click This Link

ছবি : সমুদ্রের নীচে গলিত লাভার দৃশ্য (৩)


উপরের আলোচনা ও তথ্য চিত্র হতে পরিস্কার বুঝা যায় যে পুনরুথ্থানের দিনে সুরা তাকভিরের ৬ নং আয়াতের মর্ম অনুযায়ী আল্লাহ সমুদ্র সমুহকে একটি উত্তাল জ্বলন্ত সমুদ্রের আকার দানে অপারগ হবেন না ।

ছবি : প্রজ্জলিত সাগরের কল্পিত ছবি ।


গলিত ম্যাগমাকে শক্তিতে পরিনত করা

ভুগর্ভ হতে গলিত ম্যাগমাকে টেনে তোলে শক্তিতে পরিনত করার লক্ষ্যে ইতুমধ্যে মানুষের প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে আর এ লক্ষ্যে আইসল্যন্ড হটেস্ট কুপ খনন প্রকল্প বস্তবায়নের কাজ হাতে নিয়েছে ।

ছবি : ভুগর্ভ হতে ম্যাগমা আহরন করার জন্য আইসল্যান্ড এর বস্তবায়নাধীন প্রকল্প

উৎস : Click This Link

আগ্নেয়গিরির গভীরে থাকা ম্যাগমা থেকে শক্তি টেনে তুলে তা কাজে লাগানোর জন্য আইসল্যান্ডের ড্রিলিং প্রকল্পটির কার্যকলাপ বেশ কঠিন হলেও তারা এ প্রকল্পটি গ্রহন করেছেন । পৃথিবীর ভিতরের তাপকে কাজে লাগানোর সম্ভাব্যতার বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখার জন্য Iceland Deep Drilling Project (IDDP) নামে ২০১৬ সনের ১২ আগস্ট তারা এই তপ্ত ড্রিলীং প্রকল্পটির কাজ শুরু করেন । পৃথিবীর মধ্যে এটাই সবচেয়ে তপ্ত ড্রিলীং প্রকল্প যেখানে তাপমাত্রা ৪০০ হতে ১০০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস । উল্লেখ্য যে এই ড্রিলিং প্রকল্পের আওতায় স্থাপিত ভুগর্ভের মাত্র একটি কুপ হতে আহরিত ম্যগমা দ্বারা প্রায় ৫০ মেগাওয়াট শক্তি উৎপাদন করা সম্ভব হবে, যা স্বাভাবিক জিউথারমাল শক্তি উৎপাদন ক্ষমতা থেকে প্রায় ১০ গুন বেশী ।

শুধু কি তাই ইদানীং বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানে জানা গিয়াছে যে দারিদ্র পিড়িত পুর্ব আফ্রিকার মাটির নীচে লুকায়িত আছে ম্যাগমা সমৃদ্ধ বিশাল জিউথারমাল শক্তি সম্পদ , একটি শক্তিশালী ভলকানিক ইরাপশনই পারে তাদের সেই লোকায়ীত শক্তি সম্পদকে টেনে তুলতে ।

ছবি : ঈস্ট আফ্রিকার দারিদ্র পিড়িত দেশ গুলির নীচে লোকায়ীত ম্যকগমা সমুদ্ধ সম্পদ


উপরের চিত্রে প্রদর্শিত পুর্ব আফ্রিকার শক্তিশালী হট ম্যগমা সমৃদ্ধ এই রিফটি পুর্ব আফ্রিকার সিরিয়া হতে শুরু করে ৬৪ হাজার কিলোমিটার জুরে থাকা ট্রেইলটি সুদান , ইথিউপিয়া , কেনিয়া , জিবুতি , তানজানিয়া এবং মোজাম্বিক পর্যন্ত বিস্তৃত । সাম্প্রতিক একটি গবেষনায় এই আশাবাদ ব্যক্ত হয়েছে যে ভুগর্ভের এই জিউথারমাল ম্যাগমা শক্তি সফলভাবে আহরন করতে পারলে সম্পুর্ণ অঞ্চলটি দারিদ্রের তীব্র কশাঘাত হতে মুক্ত হতে পারবে খুব কম সময়ের মধ্যেই । দোয়া করি বিজ্ঞান সাধনায় উন্নতি ও যথাযথ প্রকৌশল , প্রযুক্তি ও প্রয়োজনীয় সম্পদ অর্জনের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও বৈশ্বিক কুটকৌশলের প্রভাব মুক্ত হয়ে তারা যেন এই সম্ভাবনাময় সম্পদকে আহরণ করে নীজেদের দারিদ্রতা মোচন করতে পারেন ।

পর্ব-২
সমুদ্র তলদেশের কঠীন ভুমি স্তরের নীচে বিশাল মহাসাগরের সন্ধান লাভ


নর্থ ওয়েষ্টার্ন ইউনিভার্সিটির গবেষক স্টিভ জেকভসন তার একটি সাম্প্রতিক গবেষনায় গভীর সমুদ্র তলে ভূ-অভ্যন্তরে পানির একটি বৃহৎ জলাধারের সন্ধান পেয়েছেন যা পৃথিবীর সকল মহাসাগরের জলরাশীর তুলরায় প্রায় তিনগুন বড় । এই আবিস্কারের ফলে পৃথিবী পৃষ্টে সমুদ্র সৃজনের একটি ব্যাখ্যাও পাওয়া সম্ভব হয়েছে । ভূপৃষ্ঠে হতে ৭০০ কিলোমিটার গভীরে রিংউডাইট নামক একটি নীল আধারে (mantle) পৃথিবীর পৃষ্ঠ এবং তার কেন্দ্রের গরম শিলা স্তর । এর মধ্যে এই জলরাশী লুকানো আছে ।

একটি স্বচ্ছ স্ফটিক নীল রিংউডাউটকে চুর্ণ করে গবেশনাগারে পরিক্ষা করে কমলা রঙের বৃত্তিয় অঞ্চলটির মধ্যে ঘনিভুত আকারে পানির উপস্থিতি ধরা পরেছে ।

সুত্র : Click This Link

এই বিশাল জলাধারটির আবিস্কার পৃথিবীতে দৃশ্যমান সাগর মহাসাগরের জন্ম রহস্য উন্মোচনে গুরুত্বপুর্ণ অবদান রাখতে যাচ্ছে । অনেক ভুতাত্বিকেরাই মনে করতেন যে ধুমকেতুর সাথে সংঘর্ষের ফলে পৃথিবীতে সাগর সহাসাগরের সৃষ্টি হয়েছে


কিন্তু এই নব আবিস্কারটি একটি বিকল্প ধারনার জন্ম দেয় এবং ঈঙ্গিত দেয় যে পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগের বিশাল জলাধার হতে ক্রমান্বয়ে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে জল এসে ভুপৃষ্ঠের উপরিভাগে সাগর মহাসাগরের জন্ম দিয়েছে । ইলিনিয়সের ‘নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ’ গবেষক জিউফিজিসিস্ট স্টিভেন জ্যাকবসান বলেন, "ভুপৃষ্টের গভীরে থাকা গোপন জলাধার হতেই সাগর মহাসাগরের সৃষ্টি হয়েছে ।

জ্যাকবসনের আবিস্কার সাম্প্রতিক সময়ে কানাডার আলবার্টা ইউনিভার্সিটির গবেষক গ্রাহাম পিয়ার সনের সমীক্ষাকে সমর্থন করে । পিয়ারসন ভলকানিক ইরাপসনের সময় ট্রানজিশন জোন হতে উঠে আসা একটি হিরক খন্ড লেবরেটরীতে পরিক্ষা করে দেখেন যে তাতে জল-বাহিত রিংউডাইট উপাদানের অস্তিস্ত রয়েছে যা যা ট্রানজিশন জোনে প্রচুর পরিমান জলের অবস্থানের প্রমান দেয় । জ্যাকবসন বলেন The ultimate origin of water in the Earth’s hydrosphere is in the deep Earth—the mantle. at depths between 410 and 660 kilometres, could be a major repository for water,

ছবি : জ্যাকবসনের লেবরেটরী পরিক্ষন প্রক্রিয়া

উৎস : Click This Link

ছবি : মহাসাগরের কঠিন ভুস্তরের নীচে পৃথিবী পৃষ্ঠ দেশের চেয়েও বিশাল জলরাশী সম্পন্ন মহাসাগরের অস্তিতের নমুনাচিত্র


এই আবিস্কারের বিষয়ে পরিশেষে জ্যবসন বলেন ভুপৃষ্টের অনেক গভীরে থাকায় এই বিশাল জলাধারটির প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ, এই বিশাল জলাধারটি ভুপৃষ্টের উপরিভাগে থাকলে পৃথিবীর সকল পর্বতমালাসহ অন্য সকল এলাকা পানির নীচেই ডুবে থাকত । এটা তাই বিধাতার অপুর্ব একটি সৃস্টি কৌশল ।

‘সাগরের পানির নীচে আগুন সংক্রান্ত বিষয়ে কোরানের উল্লেখের সাথে হাদিছেও এর উল্লেখ রয়েছে যা পুর্বে বলা হয়েছে । হাদিস গ্রন্থ ‘সুনান আবু দাউদ’ এর জিহাদ সংক্রান্ত বুকের ২৪৮৯ নং হাদিছের বর্ণনার শেষ অংশে দেখা যায় যে নবী করীম( স ) বলেছেন ‘‘ ......সাগরের নীচে আগুন, আগুনের নীচে পানি ......’’
গভীর সমুদ্র তলদেশের সাবমেরিন ভলকানো এবং সাগরতলের ওসেন ক্রাস্টের বিষয়াবলি আধুনিক বিশ্বে একটি বিশেষ সাম্প্রতিক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার যা এ পোষ্টের প্রথম অংশেও আলোচনা করা হয়েছে ।

সাম্প্রতিক একটি বৈজ্ঞানিক গবেষনায় কৃঞ্চ সাগরের তলদেশেও একটি বিশেষ লোনা জলের নদী Click This Link বসফোরাস প্রণালীর( স্ট্রেইটের ) মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে বিজ্ঞানীরা দেখতে পেয়েছেন ।

ছবি : বসফরাস প্রনালীর অবস্থান


গত ১লা আগস্ট ২০১০ তারিখে যুক্তরাজ্যের লীডস ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা এই নদীটি আবিস্কারের ঘোষনা দিয়েছেন , এটিই বিশ্বে এ ধরনের প্রথম আবিস্কার বলে তারা দাবী করেছেন ।

ছবি : A 3-D radar image, using false colour, of the undersea river channel where it enters the Black Sea from the Bosphorus Strait. Photo: University of Leed

Source : Click This Link

সোনার স্ক্যানিং ( সাউন্ড নেভিগেশন) এর উপর ভিত্তি করে বিজ্ঞানীরা ইতিপূর্বে সমুদ্রের তলদেশের চ্যানেলগুলি আবিষ্কার করেছেন। আমাজন নদী মুখ থেকে শুরু করে আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম একটি চ্যানেল নিয়ে ধারণা করা হত যে এই চ্যানেলগুলো নদী হিসেবে কাজ করতে পারে, এখন কৃঞ্চ সাগরের তলদেশের এই নদীটি আবিষ্কারের ফলে ধারনাটি সত্য বলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ।

জলের এই ধারাগুলির (স্ট্রিমগুলির) ক্ষমতা এবং অনির্দিষ্টতার কারণে, ‌এদের সঠিক গতিপথ সরাসরি অনুসন্ধান করা বেশ কঠিন কাজ। লিডজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডঃ জেফ পিয়াল এবং ড: ড্যানিয়েল পারসনস এর নেতৃত্বে গঠিত বিজ্ঞানীদের একটি দলের এই কাজে যুক্তরাজ্যের সাওথাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়, মেমোরিয়াল ইউনিভার্সিটি অফ নিউফাউন্ডল্যান্ড এবং তুর্কি ইনস্টিটিউট অফ মেরিন সায়েন্সেসের বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন পর্যায়ে সহায়তা করেন ।

লিডস ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী দলটি ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্ট রিসার্চ কাউন্সিলের অটোসাব৩ (Autosub3) - এর ৭-মিটার টর্পেডো-আকৃতির স্বয়ংক্রীয় ডুবোজাহাজের তরী ব্যবহার করে - যতটা সম্ভব নদীটির নিকটবর্তী স্থানে পৌঁছতে সক্ষম হয়েছিলেন । তাদের তথ্যমতে নদীটি ৩৭ মাইল (৬০ কিমি) দীর্ঘ, ১১৫ ফুট (৩৫ মি) গভীর এবং ০.৬ মাইল (০.৯৭ কিমি) পর্যন্ত প্রশস্ত ছিল বলে জানতে পারা যায় ।

যদিও আমাজন চ্যানেলের চেয়ে নদীটি ছোট, তথাপী কৃঞ্চ সাগরের নীচ দিয়ে প্রাবহীত নদীটি এখনও আমাজনের চ্যনেলের তুলনায় দশ গুণ বেশি পানি বহন করছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে । এটি দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে ২২০০ কিউবিক মিটার পানি (৭৮০,০০০ কিউবিক ফুট) প্রতি ঘন্টায় চার মাইল গতিতে প্রবাহিত হচ্ছে বলেও দাবী করা হয়েছে । এটি যদি পৃথিবীর উপরিভাগের কোন নদী হতো তাহলে তা বিশ্বের ছয়টি বৃহত্তম নদীর মধ্যে একটি হিসেবে স্থান করে নিতে পারতো বলে উল্লেখ করা হয়েছে ।

ভুপৃষ্টের উপরিভাগের নদীর মত এই নদীটিতে বন্যা, প্লাবন, জলপ্রপাতের মতো বৈশিষ্ট্যগুলি বিদ্যমান রয়েছে । ঘনত্বের ভিত্তিতে নদীটির স্রোতধারা কাজ করে, কারণ এটি সমুদ্রের তলদেশে পলল বহন করে এবং পার্শ্ববর্তী জলের চেয়ে উচ্চ লবণাক্ততা রজায় রাখে । ভূগর্ভে থাকা নব আবিষ্কৃত নদীটি সামুদ্রিক জীববিজ্ঞান, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ভূতাত্ত্বিক গঠন সংক্রান্ত গবেষণার জন্য গুরুত্বপুর্ণ তথ্যভান্ডার হিসাবে অবদান রাখবে বলে ধারনা ।এই ছাড়াও,তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎসের সন্ধানে আগ্রহী তেল কোম্পানিগুলির জন্য প্রাপ্ত তথ্যগুলি খুবই দরকারী হতে পারে বলে দাবী করা হয়েছে ।

এখন দেখা যাক এসকল আশ্চর্য বিষয়ে পবিত্র কোরানে কি বলা হয়েছে ।
"আমরা শীঘ্রই তাদের দেখাবো, আমাদের সত্যের প্রমাণগুলি পৃথিবীর প্রতিটি কোণ থেকে এবং নিজের থেকেও, তাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, আল কুরআন হচ্ছে সত্য । এটা কি যথেষ্ট নয় যে, আপনার ঈশ্বর সবকিছু দেখতে পাচ্ছেন । " (সুরা ফুসিয়াত : আয়াত ৫৩ )



অনেক ধন্যবাদ এতক্ষন সাথে থাকার জন্য ।

তথ্য ও ছবি সুত্র প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে দেয়া হয়েছে ।

মন্তব্য ১৪৪ টি রেটিং +৩১/-০

মন্তব্য (১৪৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:০০

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:


তথ্যবহুল লেখা! ভূগোলবিদ্যায়য় আগ্রহভরে পাহাড় নদী সাগর আগ্নেয়গিরি দেখতাম পড়তাম.... আজ আপনার এই মূল্যবান লেখাটি পড়ে আবার সেই দিনগুলিতে হারিয়ে গেলাম.... সত্যি এমন তথ্যবহুল অনবদ্য লেখা বাংলায় পড়াও সৌভাগ্য... অনেক কিছুই জানা হল! ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় লেখক....

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:২০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ সুপ্রিয় কবি ।
প্রথম মন্তব্যকারী হিসাবে কৃতজ্ঞতা জানবেন ।
সকলের জানা বিষয়গুলি এখানে শেয়ার করতে পেরে ভাল লাগছে ।
অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

২| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৩১

মানিজার বলেছেন: পুস্টটা অনেক লুম্বা । পড়তে সময় লাগছে । তদুপরি ধন্যবাদ ।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৩৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ সময় নিয়ে কষ্ট করে পাঠ করার জন্য ।
এ পোষ্টে থাকা কিছু কিছু বিষয় জানার জন্য আমাকে এর থেকেও
লম্বা লম্বা অনেক লেখা একটু পাঠ করে দেখতে হয়েছে ।
কোন কিছু ছোট করে অল্প কথায় প্রকাশ করা একটি ভাল গুণ
দোয়া করবেন আল্লাযেন সেই রকম তৌফিক দান করেন ।
অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৩| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৪৪

মনিরা সুলতানা বলেছেন: অনেক তথ্য সংযুক্ত করে, চমৎকার লিখছেন ভাইয়া
আবার ফিরছি এই লেখায় ।

প্রিয়তে গেলো !

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৫১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ ।
প্রিয়তে নেয়ায় অনেক অনুপ্রানীত ।
আবার আসার কথা শুনে খুশী হলাম ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৪| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৫৬

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: পড়ার সাথে সাথে আগ্রহও বাড়ছিলো ক্রমান্বয়ে।। শেষ করেই উঠলাম।। জানলাম অনেক অজানা কথা।। ভালও লাগলো।। ধন্যবাদ।।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৫৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোষ্টটি ভাল লাগায় খুশী হলাম ।
অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৫| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১:০৩

উম্মে সায়মা বলেছেন: খুব ভালো একটি গবেষণামূলক পোস্ট। কিছুটা পড়েছি। বাকিটা পরে। প্রিয়তে নিলাম। ধন্যবাদ।
বেশ অনেকদিন পর পোস্ট দিলেন। শুভ কামনা.....

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১:১৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , শুভ কামনায় প্রিত হলাম ।
সময়ের অভাবে পোষ্ট এর জন্য লিখা হয়ে উঠেনি ।
প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৬| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১:০৮

এম আর তালুকদার বলেছেন: অনেক তথ৽বহুল পোষ্ট। অনেক কিছু জানতে পারলাম।ধন৽বাদ।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ পোষ্টটি তথ্যবহুল অনুভুত হওয়ার জন্য ।
কিছু জানতে পেরেছেন জেনে খুশী হলাম ।

অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৭| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:২৫

শৈবাল আহম্মেদ বলেছেন: ধন্যবাদ, অনেক জ্ঞানগর্ভ আলোচনা পোষ্ট করার জন্য।
আমি যদি বলি সৌরজগত একটি যন্ত্র। এর মধ্যে পৃথিবী গ্রহের পদার্থ থেকেই আমরা বা প্রানীসকল জন্মানোর উপযোগী হয়েই জ্বন্মেগেছি। এই পৃথিবীতে নদী,সাগর,মহাসাগর স্কাসকরে সৃষ্টি করে তার মধ্যে জ্বল সৃষ্টি করে- তারপর আগ্নেয়গীরি,ভূকম্পন,চড়কা,বন্যা ইত্যাদী সৃষ্টির মাধ্যমে পৃথিবীর পদার্থ থেকে এক ধরনের শক্তি সংগ্রহ করে চলেছেন-সৌরজগতের নিয়ন্ত্রকরা। নিয়ন্ত্রকদের এই ডাইলেশান প্রক্রিয়ায় মানুষ প্রানীরা বিভিন্ন পদার্থ আবিস্কার ও ব্যবহার করে বা বিভিন্নভাবে সৃষ্টির বিবর্তন ঘটিয়ে নিয়ন্ত্রকদের এই কর্মে সহযোগিতা করছে। ( যেটা আমার ব্লগের প্রথমে 'বিলিভ ইট অর নট' খন্ডে আলোকপাত করেছি)। ধন্যবাদ।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ভোর ৪:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য । চমৎকার সব অনুভুতির কথা প্রকাশ করেছেন । অাল্লার সৃষ্টি নিয়ে চিন্তা করা একটি ইবাদতের তুল্য কাজ । সৃষ্টি রহস্য নিয়ে চিন্তা ও গবেষনা করছেন দেখে ভাল লাগল । সৃস্টি রহস্য জেনে কিংবা সেগুলি থেকে মানব ও বিশ্ব প্রকৃতির কল্যানের জন্য বিষয়াদি আহরণ ও তা যথাযথভাবে প্রয়োগ করা খুবই মঙ্গলময় কাজ । আপনার পোষ্টটা দেখে এসেছি এবং সেখানে মন্তব্য রেখে এসেছি । দয়া করে দেখে নিবেন ।

শুভেচ্ছা রইল ।

৮| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:২৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


আমার মনে হয়, বিষয়বস্তুটা হচ্ছে, সমুদ্রতলে অবস্হিত আগ্নেয়গিরির "গরম ম্যাগমা" নিয়ে; ম্যাগমা গড়ে ১৬০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে থাকতে পারে; ম্যাগমা ভুপৃস্টে না আসা অবধি, একটা "গরম মিশ্রণ" মাত্র, কিন্তু সেখানে "আগুন" নেই; আগুন ধরতে হলে, যে কোন গরম পদার্থকে বাতাসের সংস্পর্শ আসতে হবে। সমুদ্রতলে গরম ম্যাগমা, লাভা পানির সংস্পর্শে এসে পানি বিশালভাবে গরম করছে, কিন্তু আগুন ধরছে না।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:৫৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ আগুন না ধরার কারণটা ব্যখ্যা করার জন্য , যতার্থ বলেছেন '' সমুদ্রতলে গরম ম্যাগমা,
লাভা পানির সংস্পর্শে এসে পানি বিশালভাবে গরম করছে, কিন্তু আগুন ধরছে না''। বুঝা যাচ্ছে এ বিষয়ে
আপনার বিস্তর পড়াশুনা আছে । আইসল্যান্ডের মত ভুগর্ভ থেকে ম্যগমা সমৃদ্ধ জিওথারমাল শক্তি
আহরনের জন্য উন্নতমানের প্রযুক্তি অর্জন করতে পারলে মনে হয় বিশ্বব্যাপী এনার্জি সমস্যা
সমাধানে অনেক ভাল হয় । অবশ্য বিষয়টা পদার্থ বিদেরা ভাল বুঝবেন ।

৯| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:৩৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি অনেক সময় নিয়ে, অনেক পড়ে লিখেছেন, অভিনন্দন।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:৫৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অভিনন্দন জানানোর জন্য ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল ।

১০| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:০৩

শায়মা বলেছেন: কাল রাতে আমি এ পোস্টটা পড়েছিলাম। সম্ভবত সবার আগেই। কিন্তু পানির তলে এই আগুন রাজ্য বিশেষ করে ছবি দেখে চিন্তায় পড়ে গেছিলাম। ভেবেছিলাম আবারও পড়তে হবে। সুবিশাল এই পোস্টের আগুন পানি রহস্য পড়তে পড়তে হয়তো আবার গুলিয়ে ফেলতাম কিন্তু মন্তব্যে চাঁদগাজীভাইয়ার মন্তব্য পড়ে এবং তোমার উত্তর দেখে তারপর শান্তি পেলাম একটু। যাক বাকা এই বিশাল অগ্নিরাজ্য সমুদ্র ফুড়ে কখনও হয়তো আমাদের স্থলরাজ্যে তেড়ে আসতে পারবেনা। :)

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:২৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ রাতেই পোষ্টটি পাঠের জন্য । আগুন রাজ্যের থেকেও বিশাল পানির রাজ্য রয়েছে পৃথিবীর নীচে ও উপরে ।
ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই কারণ আল্লাহ জলে স্থলে অন্তরিক্ষে সকল জায়গায় ভারসাম্য বজায় থাকার ব্যবস্থা করে
রেখেছেন , তবে বিপদ হতে পারে আমরা যদি বাড়াবাড়ি করি । মানুষ সাগরের নীচে ও উপরে যেখাবে পারমানবিক
মারনাস্রের ভান্ডার নিয়ে ঘুরাফিরা ও মহরা দিচ্ছে তাতে করে হয়তবা নীজেরাই নীজেদের বিপদ ডেকে আনব । তাই
সকলের সচেতনতার প্রয়োজন ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

১১| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:০৩

নীল আকাশ বলেছেন: সত্যি এমন তথ্যবহুল অনবদ্য লেখা বাংলায় পড়াও সৌভাগ্য। অনেক কিছুই জানা হল! ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় লেখক।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:২৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ পোষ্টটিকে তথ্যবহুল ও অনবদ্য অনুভুত হওয়ার জন্য ।
পোষ্ট হতে কিছু জানা গেল শুনে খুশী হলাম ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

১২| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:২৭

জাহিদ অনিক বলেছেন: সাগর তলে উষ্ণ লাভার খোজ খবর ভাল লাগলো ভাইয়া।

আর্টিকেল জুড়ে এত বিশাল বিশাল সব তথ্য, বিজ্ঞানের আলোকবার্তা, ধর্মীয় গ্রন্থের কথা। সবটা মিলিয়ে বুঝে উঠতে দুইবার পড়তে হল। তাও এখনো মনে হয় তেমন কিছুই বোঝা গেল না। আবার আবার পড়া লাগবে ঠিক যা বুঝিয়েছেন তা বুঝতে হলে।

অনেক অনেক ধন্যবাদ এত বড় সচিত্র পোষ্টের জন্য।

শুভ সকাল।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৪৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ মোটামোটি এই বড় সাইজের পোষ্টটি দুইবার পড়ার জন্য ।
বিষয়গুলিকে আরো সহজভাবে প্রকাশ করতে পারলে হয়তবা
একবার পাঠেই বুঝা যেত , কিন্তু সহজ করে লিখার জন্য আমার
নীজেরই রয়েছে সীমাবদ্ধতা । দোয়া করবেন আল্লাহ যেমন
আমাকে আরো সহজভাবে অল্পকথায় সহজে বোধগম্য
লেখার তৌফিক দান করেন । আপনি ঠিকই বলেছেন
বিষয়গুলির সঠিকতা বুঝার জন্য একটু বেগ পেতে হয় ।
আমার অনেক সময় লেগেছে একই বিষয় বুঝার জন্য
ও সেগুলির সঠিকতা যাচাই করার জন্য বিষয়গুলির উপর
প্রাপ্য বেশ কিছু লিটারেচার রিভিউ করতে হয়েছে ।
বিষয়গুলির পক্ষে বিপক্ষে যথেষ্ট কথামালা আছে ।
কিন্তু লেখাটি লম্বা হয়ে যাবে বিবেচনায় সকল কিছু
এখানে অন্তভুক্ত করা হয়নি । তবে সংগ্রহে আছে।
বিষয়টি সম্পর্কে ধর্মগ্রন্থে কিছু কথামালা থাকায়
সেসকল লেখাটিতে প্রাসঙ্গিক ভাবে উঠে এসেছে ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

১৩| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৫৩

বিপরীত বাক বলেছেন: পৃথিবীতে তখনই ধ্বংসের সূচনা হবে যখন মুসলমান দের হতে ক্ষমতা অাসবে।
বাস্তবতা থেকে সংগৃহীত

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পৃথিবী ধংসের বিষয়ে চিন্তা আসার জন্য ধন্যবাদ । একে রক্ষা করার জন্য সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন ।
একমাত্র আল্লাই পারেন পৃথিবীকে ধংসের হাত হতে রক্ষা করতে । সকলেই সংয়ত হয়ে মঙ্গলময় কর্ম করলে
পৃথিবীকে ধংসের হাত হতে রক্ষার বিষয়টি হয়তবা প্রলম্বিত করা যাবে ।
শুভেচ্ছা রইল

১৪| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৫৮

স্বতু সাঁই বলেছেন: ডাঃ সাহেব, মানুষের রোগ হয় কেন?

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:০৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর একটি প্রশ্ন করার জন্য । আমি ডাঃ নই , পিএইচ ডি করার করাণে নামের আগে দুটো ফুটা লাগাই সবসময় মনে রাখার জন্য যে জীবনটাই আসলে ফুটা, একবার দম ফুরালেই হয়ে যাবে ঠুস । যাহোক ডাঃ নই বলে এ প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা নেই । তবে আমার মনে হয় রোগের প্রকার ভেদে অনিয়ম ও প্রতিরোধ ক্ষমতা না থাকলে রোগ হয় ।

সুস্থ থাকার জন্য শুভ কামনা রইল ।

১৫| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:২০

প্রামানিক বলেছেন: এমন একটা পোষ্টের জন্য অভিনন্দন।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:০৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: এখানে এসে পোষ্টটি দেখার জন্য
আপনার প্রতিউ রইল অনেক অনেক ধন্যবাদ ।
সুস্থ থাকুন এ শুভ কামনা রইল ।

১৬| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:২৮

মানিজার বলেছেন: এইসকল ব্যাপার নিয়ে আপনি কী আরো লিখবেন ? ইনফোগ্রাফিক্স করতে চাইলে আমি সাহায্য করবো ।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: সময় ও সুযোগ পেলে এ ধরনের লেখা আমার অব্যাহত থাকবে । তথ্যকে সহজে প্রকাশ ও বোধগম্যভাবে উপস্থাপনের জন্য ইনফোগ্রাফিস্কের কোন জুরী নেই । বিষয়টিতে সহায়তা করার জন্য আপনার ইচ্ছার কথা শুনে খুব খুশী হলাম । এ লক্ষ্যে যে কোন সহযোগীতা কৃতজ্ঞতার সহিত গৃহীত হবে ।
অনেক শুভেচ্ছা রইল

১৭| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:০৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: ডঃ এম এ আলী,





অবশেষে একটি বৈজ্ঞানিক বিষয়ে বরাবরের মতোই পরিষ্কার করে একটি লেখা নিয়ে হাজির হলেন !

বিজ্ঞান বিষয়ে আগ্রহ আছে এমন কারও কাছে ভূ-অভ্যন্তর ( কোর ) থেকে ভূ-পৃষ্ঠের গঠনে যে স্তর বিন্যাস আছে তা খুব একটা অজানা নয় তবে আপনার এমন শ্রেনীবদ্ধ ভাবে লেখাতে তা তাদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে নিঃসন্দেহে । আর নতুনদের কাছে এটা এক মহাবিস্ময় মনে হবে ।

পরিশ্রমী এ লেখাটি অনেকের ভ্রান্তি ঘোচাতে সাহায্য করবে ।

শুভেচ্ছান্তে ।



০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:৩৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় আহমেদ জী এস ভাই , সুন্দর মন্তব্যে অনুপ্রানীত হলাম ।
আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি বিষয়টির উপরে আপনার অনেক জানাশুনা আছে ।
বিষয়টি আপনার দৃষ্টি আকর্ষন করেছে দেখে খুশী হলাম । জানাশুনা এ
বিষয়টিকে সকলের সাথে শেয়ার করে আরো কিছু জানার জন্যই মুলত
এ লেখাটি এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে। পানির নীচে আগুন বিষয়ে
ইসলামিক ওয়েবসাইটের লেখা গুলির উপরে বিপরীত অনেক লেখাও আছে,
তাইএই ছোট প্রয়াসটি নেয়া হয়েছে । মনে হল গুগল অনলাইনে আরো
কিছু লেখা থাকুক , তাতে এ বিষয়ে আলোচনা কিছুটা হলেও সুবিধা মন্ডিত
হলেও হতে পারে ।

অনেক শুভেচ্ছা রইল

১৮| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:২৩

স্বতু সাঁই বলেছেন: দুইটার বদলে যদি একটা ফুটা লাগানো থাকতো তাহলে আমার বুঝতে অসুবিধা হতো না। পিএইচডি করা ডাক্তারা ডক্টরেট বোধ হয় সংকেতে ড. লিখে। যাহোক ফুটা একটা হোক বা দুইটা হোক তাতে কি যায় আসে।

আসলো আমি এজন্যই প্রশ্ন করেছিলাম, আমরা আমাদের দেহের খবরই জানি না। এমন কি ডাক্তারাও জানে না বলে তাদেরও বড় বড় রোগ হয়। কতো হতোভাগা আমরা।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:০০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর জ্ঞানগর্ভ কথামালার জন্য ।
আমারই ভুল হয়েছিল ।
নিক সহজে সংশোধন করা যায়না
বলে রয়ে গেছে । যাহোক বড় রোগ বাধিয়ে
বসে আছি, দিন গুনছি কখন সময় আসবে
পাড়ি দেয়ার ।

দোয়া করবেন ।

১৯| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:০২

ফেল কড়ি মাখ তেল বলেছেন: আগ্নেয়গিরি ভিতরকার জমা কৃত ম্যগমা বিস্ফোরিত হয়ে জালামুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে তখন তাকে খুব সম্ভবত লাভা বলে। প্রাচীন কিছু সভ্যতা এর বিস্ফরনে ধংস হয়ে গেছে। যেমন আধুনিক সভ্যতায় খুব সম্ভবত ১৮১৫ সালে ইন্দোনিশিয়ার মাউন্ট টানডোরায় ৯০০০০ হাজার মানুশ বসবাসরত একটি গ্রাম ধংস হয়ে যায়। এই বিস্ফোরিত লাভা প্রায় ৩০ কিলোমিটার অবদি ছরিয়ে পড়ে এবং প্রায় ৪০০ টন সালফার ডাই অস্কসাইড নিষ্কৃত হয়।

কিছুদিন আগে মনে হয় পশ্চিম ইউরোপে একটি আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরণ এর ফলে বিমান চলাচল বন্ধ ছিল।

অসাধারণ পোস্ট সাথে কোরানের উদ্ধৃতি যোগসাজশ এ সেতুবন্ধন।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:২৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , মন্তব্যের ঘরে মুল্যবান তথ্য
সংযোজিত হওয়ায় খুব খুশী ও অনুপ্রনীত হলাম ।

শুভ কামনা রইল ।

২০| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:১৪

সেয়ানা পাগল বলেছেন: ‘‌সবই ব্যাদে আছে।’‌ :>

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৩৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , মুল্যবান তথ্য দেয়ার জন্য । ব্যাদ ধর্মগ্রস্থগুলির মধ্যে একটি মুল্যবান গ্রন্থ । ব্রহ্মের স্বরূপ কি, জগতের সৃষ্টি কিভাবে, ব্রহ্মের সঙ্গে জীবের সম্পর্ক কি এসব আলোচিত হয়েছে ব্যদের জ্ঞানকাণ্ডে। জ্ঞানকাণ্ডই বেদের সারাংশ। এখানে বলা হয়েছে যে, ব্রহ্ম বা ঈশ্বর এক, তিনি সর্বত্র বিরাজমান, তাঁরই বিভিন্ন শক্তির প্রকাশ বিভিন্ন দেবতা। জ্ঞানকাণ্ডের এই তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তীকালে ভারতীয় দর্শনচিন্তার চরম রূপ উপনিষদের বিকাশ ঘটেছে। ধর্ম গ্রন্থটি বুঝে পড়তে পারলে অনেক বিষয় জানা যায় ।

অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

২১| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:১৮

সেয়ানা পাগল বলেছেন: ধর্মগ্রন্থ এর অংশটুকু বাদে, বাকি বৈজ্ঞ্যানিক ব্যাখ্যা টুকুর জন্য অনেক অভিনন্দন।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৪৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধর্মগ্রন্থে আছে দর্শন , বিজ্ঞান দর্শনেরই অংশ , তাই বিজ্ঞানের বিষয় নিয়ে আলোচনা করলে প্রসঙ্গক্রমে ধর্মগ্রন্থে বর্ণিত বিষয়গুলি এসে যায় । জগতের সৃষ্টি নিয়ে ব্যদে থাকা বিষয়াবলী বিষদভাবে পাঠ করে দেখব , হয়ত অনেক না জানা কথা জানতে পারব ।
অভিনন্দন জানানোর জন্য ধন্যবাদ ।

শুভেচ্ছা রইল ।

২২| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:০১

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
সাগর তলের বিশাল তথ্য ভাণ্ডার
উন্মুক্ত করে দেবার জন্য আপনাকে
অসংখ্য ধন্যবাদ। অনেক কিছুই
আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে বুঝতে অক্ষম,
তবে শান্তনা এই যে মহান সৃষ্টিকর্তার
মহিমা সব বুঝতে পারা মানুষের পক্ষে
সম্ভব না। সৃষ্টিকর্তার সব বুঝতে চাওয়াও
বোধ হয় ঠিক হবেনা।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:১৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ।
যতার্থ বলেছেন সৃস্টি কর্তার মহিমা
সব বুঝতে পারা মানুষের পক্ষে সম্ভব
নয় । তাঁর সৃষ্ট বিষয়াবলীর মধ্যে
পবিত্র কোরান হল সর্বশ্রেষ্ট , আর এই
কোরান বুঝার জন্য জোর তাগিদ রয়েছে
তবে তা বুঝতে হবে সঠিকভাবে । প্রাথমিক
ভাবে বুঝতে গেলে হয়তবা ভুল ভ্রান্তি হয়ে
যেতে পারে , তাই একে যতবেশী মনযোগ
দিয়ে এর অন্তরনিহিত অর্থ বুঝতে চেষ্টা করা
হবে ততই সৃস্টি কর্তার সুষ্টি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ
করা যাবে । এ বিষয়ে বিজ্ঞ লোকদের কথা
সবসময় সাদরে গৃহীত । ভুলভ্রান্তি ধরিয়ে দিলে
খুব খুশী হব , যেখানে সম্ভব নীজকে শুধরে নিব
অপারগতায় ক্ষমা চেয়ে নিব ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

২৩| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:০৬

সেয়ানা পাগল বলেছেন: বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা বিমানে পাশের যাত্রীর প্রশ্নের উত্তরে তিনি তার গবেষণা ও আবিষ্কার ব্যাপারে বলার পর, সেই ব্যক্তি
বিজ্ঞানীকে বলেছিলেন " এত পণ্ড পরিশ্রমের কি আছে, সবই ব্যাদে আছে !"।
এর পড়ে যখনই কেউ বিজ্ঞানীকে তার কাজের কথা জিজ্ঞেস করতেন। তিনি ব্যঙ্গ করে উত্তর দিতেন " সবই ব্যাদে আছে" । :>

১) এরোপ্লেন, টেলিভিশন ও পরমাণু বোমার উদ্ভব হয়েছিল রামায়ণ এবং মহাভারতের যুগে, বৈদিক যুগে মোটরগাড়ি ছিল। কারণ ঋগ্বেদে অনশ্ব রথের উল্লেখ আছে। পুষ্পক রথ ছিল যা নাকি প্রমাণ করে তখন এরোপ্লেন ছিল!!!!! :D

২)বৈদিক যুগে লাইভ টেলিকাস্টও ছিল, তার প্রমাণ হস্তিনাপুরে বসে ধৃতরাষ্ট্র কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের ধারাবিবরণী শুনেছিলেন। :D

৩)গান্ধারীর গর্ভ থেকে বেরনো মাংসপিণ্ড থেকে এক শত কৌরবের জন্ম হয়েছিল। তাতে প্রমাণ হয়, সে সময় স্টেম সেল গবেষণার অগ্রগতি ঘটেছিল। :>

৪)ণেশের হাতির মাথা প্রমাণ ক : :> gt রে প্রাচীন ভারতে প্লাস্টিক সার্জারি ছিল। :>

৫) অতীতে মুনি ঋষিরা টাইম ট্রাভেল করতে পারতেন । :>

৬) আজকের অ্যাটম বম্ব হল পুরানে বর্ণিত ব্রমাস্ত্র। :>

৭) আজকের সারগেট মাদার এর উদাহরণ হল, কংশের হাত থেকে বাঁচানোর জন্যও কৃষ্ণকে মা দেবকীর গর্ভ থেকে মা যশোদার গর্ভে স্থানান্তরিত করা !!! :>

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:২৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: যতার্থ বলেছেন ।
মনে পরে একটি টিভি সিরিয়ালে দেখেছিলাম বৈদিক যুগে লাইভ টেলিকাস্টএর মত হস্তিনাপুরে বসে ধৃতরাষ্ট্র কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের শুধু ধারাবিবরণী শুনেছিলেন না দেখছিলেনও । যাহোক, বিষয়গুলি নিয়ে গবেশনার অবকাশ আছে ।
পুণর্বার এসে মুল্যবান তথ্য দেয়ার জন্য ধন্যবাদ ।

২৪| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:১৯

নীলপরি বলেছেন: অনেক দিন বাদে পোষ্ট দিলেন । ভাবছিলাম কি বিষয় নিয়ে দেবেন । তো এই বারের পোষ্টও অসামান্য হয়েছে । অনেক কিছু জানলাম । ++++++++++++++++++++++++++

শুভকামনা রইলো ।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৩৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ পোষ্ট অসামান্য অনুভুত হওয়ার জন্য ।
এতগুলি প্লাসে ভীষণভাবে অনুপ্রানীত ।

শুভেচ্ছা রইল ।

২৫| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৩৫

রাতু০১ বলেছেন: তথ্যবহুল সুন্দর লজিকাল পোষ্ট। শুভকামনা।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৪০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ পোষ্টটি লজিকেল অনুভুত হওয়ার জন্য ।
অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

২৬| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৪৭

মানুষ জিহাদ হাসান বলেছেন: তথ্যসমৃদ্ধ লেখার জন্য ধন্যবাদ।কোরআন ঘাটলে অসংখ্য বৈগ্গানিক নিদর্শনের প্রমান মেলে।এ জাতীয় অারও পোস্ট আমি দেখেছি।বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কুরআন কে বিজ্ঞান দ্বারা মহিমান্বিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। অাপনার পোষ্টে এ জাতিয় চেষ্টা না থাকায় অসংখ্য ধন্যবাদ।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:২১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মুল্যবান মতামতের জন্য ।
কোন বিষয়ে লিটারেচার রিভিউ করার সময় বিষয় সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলি এমনিতেই উঠে আসে ।
কোরআন নীজেই মহামহিম তার জন্য কারো কোন প্রত্যায়নের প্রয়োজন পরেনা । তবে সেখান হতে জ্ঞান
আহরণ করা যায় ।

শুভেচ্ছা রইল ।

২৭| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:৩১

মারুফ হায়দার নিপু বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:৫৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
কষ্ট করে পোষ্টের লেখা পাঠ করার জন্য
আপনার প্রতিউ রইল ধন্যবাদ ।

শভেচ্ছা রইল ।

২৮| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:৩৬

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: দারুন তথ্য বহুল পোস্ট । প্রিয়তে রাখলাম। অনেক টূকু পড়েছি বাকিটুকু পড়বো ইনশাআল্লাহ

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:০২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , প্রিয়তে রাখার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।
বাকিটুকু পড়ার পরে কেমন লাগল তা জানার
অপেক্ষায় খাকলাম ।

২৯| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:২৪

বিষাদ সময় বলেছেন: আপনার অধ্যবসায় দেখে বিস্মিত হয়ে যায়। এ রকম একটি অসাধারণ পোস্টের জন্য শুধু ধন্যবাদ জানিয়ে ছোট করবো না।
আল্লাহ যেন আপনাকে সব সময় ভাল রাখেন সেই কামনা করি।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , একটি পোষ্টের জন্য সকলেই অধ্যবসায় করেন ।
আমি কম জানি বলে অধ্যাবসায়ই একটু বেশী করতে হয় ,
গুণী লোকদের সুন্দর মন্তব্য পাঠে অনুপ্রাণীত হই ।
দোয়া করি আল্লাহ যেন আপনার দোয়া কবুল করেন
বিশ্ব চরাচরের সকল কিছুই তারি নিয়ন্ত্রনে চলছে
আমরা শুধু তার ফল ভোগ করি । ভাল কাজের
সুফল আর মন্দ কাজের কুফল ভোগ করি
কারণ আল্লাহ অতি সুক্ষ ন্যয় বিচারকারী ।

আপনার জন্য রইল অনেক শুভেচ্ছা ।

৩০| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:২৬

কবিন্দু বলেছেন: এমন সুন্দর নিবন্ধ আগে কখনো পড়েছি বলে মনে হয়নি।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ পোষ্ট টিকে সুন্দর মনে হওয়ার জন্য।
দোয়া করি আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন ।

৩১| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২৫

নতুন বলেছেন: বৈজ্ঞ্যানিক ব্যাখ্যা সহ পোস্টের জন্য ভালো লেগেছে বেশি কিছু নতুন বিষয় জানলাম।

কিন্তু উপরে যেমন সেয়ানা পাগল বলেছেন: ‘‌সবই ব্যাদে আছে।’‌

তেমনি কোরানেও সবকিছু আছে এই চিন্তাটা কেমন যেন একই রকমের লাগে।

যদি সবকিছু ব্যাদ বা কোরানেই থাকে তবে এই আবিস্কার গুলি এতো কস্ট করে বিধমীদের করতে হয় কেন বুঝিনা।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ খুব সুন্দর কথা বলেছেন । কথাগুলি নিয়ে চিন্তার বিষয় আছে ।
বিধর্মীরাও কোরান পড়ে । পৃথিবীর নামকরা সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মতত্ব বা থিউলজি নামে একটি বিভাগ আছে।
সেখানে কমপারেটিভ রিলিয়ন চর্চা করা হয় । সেসমস্ত বিভাগের অধ্যাপকগন কোরানের বিভিন্ন ভাষার অনুবাদ ও অনেকেই অারবীতে লেখা কোরার পড়েন । তারা গবেশনা করেন , তারা বুঝতে চেষ্টা করেন কোরানের অন্তরনিহীত বিষয়গুলি ।
আর আমাদের মুল লক্ষ থাকে কোরান শুদ্ধ ভাবে পাঠের , ও সুন্দর উচ্চারনে তেলাোয়াত করা । বুঝতে চেষ্টা করি এর আক্ষরিক অর্থ , কোরানের বেশীর ভাগ অনুবাদই করা হয়েছে প্রখ্যাত মাওলানাদের হাতে । যদিউ হিন্দু পন্ডিত গিরীস চন্দ্র কোরানের বাংলা অনুবাদ করেছেন তবে শুধু তার অাক্ষরিক অনুবাদ ।

যাহোক এখন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই কোরানের আয়াতগুলি নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেশনা শুরু হয়েছে । কোরান নিয়ে আলোচনা এখন আর শুধু মৌলানা সাহেবদের হাতেই হয়না , বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের পন্ডিতদের হাতে কোরানের বিষয়বস্তুর অআলোচনা , পর্যালোচনা ও তার আলোকে গবেশনা কার্যক্রম চলছে ।

আল্লাহ বলেছেন যে চেষ্টা করে তিনি তাকে সাহায্য করেন সে যেই হোক । এখন যারা চেষ্টা করে তাদের কাজের সফলতার জন্য আল্লাহ তাদেরকে সাহায্য করেন । হতাস হওয়ার কিছু নেই । মানুষের মধ্যে সচেতনতা আসলে ও ধর্মগ্রন্থের মধ্যে থাকা বিষয়াবলী সঠিকভাবে অনুধাবন করে সেভাবে গবেষনা করলে অাশা করি মুসলমানেরাও আল্লার সকল প্রকার নেয়ামতকে জানতে পারবে ও সেগুলি থেকে সুফল বের করে আনতে পারবে । এক সময় মুসলমানেরা জ্ঞান বিজ্ঞানে বেশ উন্নতি সাধন করেছিল, নীজেদের ভুল কিংবা চর্চায় ভুল পদ্ধতি অনুসরনের কারনে পিছিয়ে পরেছে । সঠিক পদ্ধতি অনুসরন করলে এগিয়ে যেতে পারবে , এর জন্য উপযুক্ত পরিকল্পনা প্রনয়ন ও তা বাস্তবায়নের জন্য সম্পদ ( উপযুক্ত মানব সম্পদ সহ বৈষয়িক সম্পদ ) লাগসই প্রযুক্তি উন্নয়ন ও প্রতিষ্টান গড়ে তোলা এবং সেগুলিকে যথাযথভাবে রাস্টিয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করা ।

অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৩২| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৫৪

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আমরা শীঘ্রই তাদের দেখাবো, আমাদের সত্যের প্রমাণগুলি পৃথিবীর প্রতিটি কোণ থেকে এবং নিজের থেকেও, তাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, আল কুরআন হচ্ছে সত্য । এটা কি যথেষ্ট নয় যে, আপনার ঈশ্বর সবকিছু দেখতে পাচ্ছেন । " (সুরা ফুসিয়াত : আয়াত ৫৩ )

অনেক ভালো লাগলো ভাইয়া ,অনেক কিছু জানলাম ;
শুভ কামনা !

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: শ্রদ্ধেয় আপুকে অনেক ধন্যবাদ ,
আপনি পোষ্টের অন্যতম একটি দিক সম্বলিত কোরানের মুল্যবান ও
অনেক অর্থবহ আয়াতটিকে গুরুত্ব দিয়ে এখানে মন্তব্যের
ঘরে তুলে এনেছেন ।
দোয়া করি অাল্লাহ আপনার অনেক মঙ্গল করুন ।

৩৩| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ইক্বরা,
যে জাতির প্রথম আদেশ...
হায় তারা আজ কত অন্ধকারে। জ্ঞানের আলো জ্বলে ভিন্নহাতে...

দারুন সমৃদ্ধ, ঋদ্ধ এই বাংলা গবেষনা প্রবন্ধের জন্য কৃতজ্ঞতা। কত সহজেই কত অজ্ঞাত বিষয়গুলো জ্ঞাত করালেন।
সহজবোধ্যতায়।
হ্যটস অফ!


০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: মন্তব্যের কথায় আপ্লুত ও অনুপ্রানিত ।
আসলে বিষয়টির প্রায় টারমিনলজিগুলি ইংরেজীতে ,
এগুলির সহজ ও সর্বজন বিদিত বাংলা প্রতিশব্দ নেই ।
আপনাদের মত গুণী কবি সাহিত্যিকদের হাতে হলে
অনেক প্রাণবন্ত ও সাবলীল হত বলে বিশ্বাস করি ।

আপনার কথায় আমি নিজেও কৃতজ্ঞতাপাশে অাবদ্ধ হলাম ।

শুভেচ্ছা রইল ।

৩৪| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩৫

সনেট কবি বলেছেন:




ডঃ এম এ আলীর ‘মহাসাগর তলে আগুন, আগুন তলে ভুগর্ভে বিশাল
মহাসাগর :বিধাতার অপরূপ সৃস্টি রহস্য’ পোষ্টে মন্তব্য-

চিত্র দেখি মুগ্ধ মনে বর্ণনার ভারে
ডুবে যাই জ্ঞান রাজ্য সাগর অতলে
দেখি সেথা অফুরন্ত জ্ঞান রত্ন রাজি
‘পনি মাটি পানি’ তার জানি কতখানি?
অজানায় জেনে জেনে অবগাহি জ্ঞানে
মনপ্রাণ শুদ্ধ করে যুদ্ধ করি শেষে
অজ্ঞতার আঁধারের বিনাশে স্ববেগে,
উপযুক্ত স্থান যার এ বর্ণনা ক্ষেত্র।

মহোদয় আল্লাহর রহমতে বেশ
বিষয়ের বিবরণ দিয়েছেন খাঁটি
জ্ঞানের জাহাজ হেথা ফেলেছে নোঙ্গর।
তৃষ্ণার্ত পাঠক দল ইচ্ছে মত নেয়
যার যত প্রয়োজন সাধ্যে যা কুলায়
তথাপি জ্ঞানের ভান্ড অফুরান থাকে।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ সুপ্রিয় কবি ।
পোষ্টের কাব্যিক মুল্য়ায়নে আপ্লুত।
মসজিদের খুতবার সময় আন্তর্জাতিক
খ্যাতিসম্পন্ন আরবীয় ঈমাম সাহেব
এ বিষয়ে মুল্যবান বক্তব্য রেখেছিলেন।
তাঁর সাথে পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে
আলোচনা হয় । তার সাথে আলোচনা
ক্রমে পোষ্টটি তৈরী করি । বিষয়টির
একটি ইংরেজী ভার্সন তৈরী করে
তাঁকে দেখাই । তিনি ঐ ইংরেজী
ভার্সনটিকে অনলাইনে দিতে পরামর্শ
দিয়েছেন । কিন্তু প্রিয় সামুতে প্রকাশিত
বিষয় সে যে ভাষাতেই হোক অন্যত্র
দিতে আমি ইতস্ততা বোধ করছি ।
তবে সামুর পাঠকদের মতামতের/
মন্তব্যের আলোকে প্রয়োজনীয়
এডিট বা সম্পাদনা করে একে
অনলাইনে দেয়া ভাল হবে বলে
উনাকে জানিয়েছি । এখন বিজ্ঞ
পাঠককুলের মুল্যবান মতামতগুলি
দেখার অপেক্ষায় আছি ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৩৫| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৭

সোহানী বলেছেন: পুরোটা পড়ার পরেই লগ ইন করলাম, আলী ভাই।

অনেক দিন পর আপনার বিশাল পোস্টটা দেখে ভালোলাগলো।

যাহোক, এ বিষয়ের কিছু আগে জানতাম ও কিছু জানতাম না। কিন্তু আপনার তথ্যের পরিবেশনায় চমৎকারিত্ব আছে বলে একটানে শেষ করে ফেললাম। অনেক কঠিন বিষয় হলে ও সহজভাবে বুঝতে পারলাম। পড়তে পড়তে একটা বিষয়ই মনে হয়েছে, আপনি যদি ছোটদের জন্য বিজ্ঞান বিষয়ক বই লিখেন তাহলে খুব ভালো হবে। সংক্ষিপ্ত থাকায় বাচ্চারা পাঠ্য বইয়ের অনেক কিছুই বুঝতে পারে না বা অনেক প্রয়োজনীয় বিষয় উল্লেখই থাকে না তাই আপনার অসাধারন লেখনির মাধ্যমে তারা অনেক কঠিন বিষয় সহজেই বুঝতে পারবে।
-
-
এবার আমার কিছু নিজস্ব মতামত!

আমি সবসময় ধর্ম ও বিজ্ঞানকে আলাদা রাখতে চাই। কারন ধর্ম হলো বিশ্বাস, যা মানুষ নিজের প্রয়োজনে সামনে এনেছে। হানাহানি, সংঘাত থেকে এ মানব জাতিকে রক্ষা কবচ এটি। পৃথিবীর কোন ধর্মই বলেনি মারো কাটো, অন্যের সস্পদ লুট করো , পাপ করো বা মিথ্যে বলো। সব ধর্মই বলেছে, সদা সত্য কথা বলবে, পাপ কাজ থেকে দূরে থাকো। শুধু ধর্ম পালন করি ভিন্নভাবে... কেউ পূজা করে, কেউ নামাজ পড়ে বা কেউ প্রার্থনা করে.... একান্তই নিজস্ব ভাবে। আর বিজ্ঞান হলো যুক্তি প্রমানে সত্য এটি বিষয়, এটি কখনই কোন বিশ্বাসের ধার ধারে না যতক্ষন পর্যন্ত প্রমানিত না হবে। তাই ধর্ম এর সাথে বিজ্ঞানকে নিয়ে আসলে বিষয়টা অনেকটা ঝাপসা হয়ে যায় কারন এটিকে আপনি ধর্ম প্রমানিত করলেন নাকি বিজ্ঞানকে প্রমানিত করলেন তা মিক্স হয়ে যায়। আর প্রতিটি ধর্মেই কিছু চমৎকার বৈজ্ঞানিক তথ্য আছে যা সময়ের স্রোতে মিলে যায়।

আপনি অসাধারন পন্ডিত, আপনাকে জ্ঞান দেয়ার সাধ্য আমার কোনকালেই নেই। তারপরও নিজস্ব চিন্তা ভাবনা শেয়ার করলে আপনি আমার ভুলগুলো ভেঙ্গে দিতে পারবেন, সেই সাহসে বললাম। আমি কখনই পাবলিকলি ধর্ম নিয়ে কথা বলি না, ধর্ম আমার নিজস্ব বিশ্বাস, এটা নিয়ে কথা বলার কি আছে। অামার বিশ্বাসের সাথে আপনারটা মিলবে না এটাই খুব স্বাভাবিক, তাই বলে মারামারি কেন করবো..........

অনেক ভালো থাকেন। উত্তরের অপেক্ষায় থাকলাম।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৫৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ পোষ্ট এর লেখাকে গভীর মনযোগ দিয়ে পাঠ করার জন্য ।

পোষ্টটাকে বিশাল আর করতে পারলাম কই । আমার মুল লেখাটি হতে অর্ধেকের বেশী কাট ছাট করে এখানে দিয়েছি ।
বাকীটা রেখে দিয়েছি ভবিষ্যতের জন্য যদি কোন সময় কাজে লাগে । আমার লেখার কোয়ালিটি ভালনা , তাই বাচ্চাদের জন্য বই লেখার সাহস পাইনা । অাপনার পরামর্শটা দেখি খ্টাতে পারি কিনা , আপনার লেখার কোয়ালিটি খুবই ভাল , খুব সুন্দর ও সাবলিল ভাষা । আপনার হাতে বাচ্চাদের জন্য সুন্দর সুন্দর গল্প ও ফিকসন বই লেখা হতে পারে বলে বিশ্বাস রাখি ।

বিজ্ঞান ও ধর্ম নিয়ে খুব সুন্দর চিন্তাভাবনা করেছেন । বিষয়গুলি নিয়া চিন্তা করাটাই মুল প্রাথমিক কাজ । চিন্তা থেকেই বের হয়ে আসে প্রকৃত সত্য বিষয়টা কি । আমার জ্ঞান ও জানার পরিধি খুবই সীমিত, প্রকাশের ক্ষমতা আরো কম । তাই আপনার নিজস্ব মুল্যবান মতামতকে আমার মাঝে ধারণ করে নেয়াই অধিক যুক্তিযুক্ত । আমি সকল সময় অপররের মতামতকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেই , সেখান হতেই আমার চিন্তার সুত্রগুলি বের করে নেই , তারপর সেগুলি যুক্তির আবহে মুল্যায়ন করি । পজিটিভ দিকগুলিকে প্রথমে আমলে নিয়ে এর মুল বিষয়টা অনুধাবন করি । যদি কোন খানে খটকা লাগে তখন এ বিষয়ে প্রতিষ্টিত বিভিন্ন লিটারেচারে কি আছে তা যথাসাধ্য পর্যালোচনা করি ।

আলোচনাটা যেহেতু ধর্ম ও বিজ্ঞান নিয়ে তাই বিষয়গুলি পর্যালোচনা করার জন্য ধর্মগ্রন্থ ও বিজ্ঞান সম্পর্কিয় লিটারেচারই অধিক প্রাসঙ্গিক । প্রথমেই বলে নিই আপনার বক্তব্য অনুযায়ী ধর্ম বিশাস এবং একে নিয়ে কোন হানাহানি মারা মারি না করা সংক্রান্ত কথা মালার সাথে সম্পুর্ণ সহমত পোষন করি ।

এখন আসি ধর্ম ও বিজ্ঞানের কথায় । এখানকার আলোচনায় ধর্মটা যে ইংরেজী শব্দ রিলিজিয়ন এর প্রতিশব্দ তা ধরেই নেয়া যায় , ধর্ম তথা রিলিজিয়নকে এখন আলোচনার সুবিধার্থে দুইভাগে ভাগ করে নিলে ভাল হয়, একটি হলো ‌‌‌ ‌‌রিলিজিয়াস ফেইথ‌ অপরটি হলো রিলিজিয়াস প্রেকটিস (Religious faith and Religious practice ) । সকল ধর্মের রিলিজিয়াস ফেইথের মুল কথা একটাই সেটা হলো অাল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস রাখা । এখানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত ধর্ম বিশ্বাসে কোন বিবেধ নেই, যত সব বিপত্তি রিলিজিয়াস প্রেকটিস এর বেলায় , যত হানা হানি মারামারি কটাকাটি সব এই জায়গায় । এটাই বন্ধ হওয়া প্রয়োজন । এ ব্যপারে আপনার সাথে আমি সম্পুর্ণ এক মত ।

রিলিজিয়াস ফেইথ ও প্রেকটিসের ব্যপারে দন্ধের ব্যপারে আলোচনায় আসার আগে ধর্ম ও বিজ্ঞান নিয়ে খানিকটা আলোচনা করে নেয়া যাক । প্রথমেই জেনে নেয়া যাক ধর্ম ও বিজ্ঞান কি দুটো বিষয় , না মুলত একটি বিষয় । বিজ্ঞানের সংজ্ঞা হতে অামরা সকলেই জানি যে বিজ্ঞান হলো ; কি, কখন , কিভাবে এবং ফলাফল (What , When , How and Outcome )।
কোন বিষয়কে সিসটেমেটিকেলি দেখা ,জানা, পর্যবেক্ষন, পরিক্ষন ও মুল্যায়ন করাই বিজ্ঞানের কাজ । এই জানা পর্যবেক্ষন, পরিক্ষন ও মুল্যায়ন কর্মটি যেকোন বিষয়ের উপরই হতে পারে । অপরদিকে যাকে আমরা ধর্ম হিসাবে পৃথক করে রাখতে চাই সেটারো মুলত একই কাজ অর্থাত প্রথমেই আমাদের জানতে হয় ধর্ম বিশ্বাসটি মুলত কি , দ্বিতিয়ত কথন ও কিভাবে বিশ্বাস করতে হবে এর জন্য কি কি বিষয় পর্যবেক্ষন ও পরিক্ষন করতে হবে এবং কিভাবে তা করতে হবে ( এখানে রিলিজিয়াস প্রেকটিস চলে আসে ), এবং পরিশেষে আমাদেরকে মুল্যায়ন করতে হয় ধর্ম বিশ্বাসকে পরিপুর্ণভাবে পালনের জন্য কি কি ধর্মীয় প্রেকটিস অনুসরণ করতে হবে এবং সে সমস্ত ধর্মীয় প্রেকটিস যথাযথভাবে পালন না করলে ইহককাল ও পরকালে কি কি ফল কিংবা সুফল ঘটতে পারে । কিছু কিছু ধর্মীয় বিশ্বাস ও প্রেকটিসের ফল দুনিয়াতেই হাতে নাতে পর্যবেক্ষন ও পরীক্ষা করা যায়, যথা মিথ্যা কথা বললে পরিনাম কি হতে পারে তা কাওকে বুঝিয়ে বলার অবকাশ রাখেনা । তাই আমার মনে হয় ধর্মের মধ্যেই বিজ্ঞান নিহীত, বিজ্ঞানের মধ্যে ধর্ম নয়, কারণ বিজ্ঞান যে কোন বিষয় অনুধাবান ও বস্তবায়নের একটি প্রক্রিয়া মাত্র । বিজ্ঞান ধর্মকে প্রতিষ্ঠা করেনা বরং ধর্ম বিজ্ঞানের শাখা প্রশাখাকে আদি ও অকৃত্তিম ঐশি তত্ব ও তথ্য দিয়ে বিকসিত হতে সহায়তা করে ।সত্য জানার জন্য ও জাগতিক সকল বস্তুগত বিষয়ের পরিক্ষন পর্যবেক্ষন ও সে গুলিকে মানুষের প্রয়োজনে যথাযথ পর্যায়ে রূপান্তর ঘটানোর জন্য যে প্রক্রিয়া সিসটেমেটিকেলী অনুসরন করা হয় তাই বিজ্ঞান বা Science । যাহোক, এ বিষয়গুলি নিয়ে আরো বিস্তারিত আলোচনার অবকাশ আছে । মানুষের চিন্তা চেতনার ভুল থাকাটাই স্বাভাবিক , আমরো ভূল হতে পারে , যুত্তিপুর্ণ আলোচনায় উঠে আসা ভুলগুলি শুধরে নিতে পারি আমি আনন্দ চিত্তে ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।






৩৬| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:০৩

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: পুরো লেখাটি পড়ে মনে হলো এটি একটি গবেষণাকর্ম। সাগরের পানির নিচে আগুন এবং তার নিচে পানির অস্তিত্ব সম্পর্কে মাত্র কয়েকদিন আগে আমি একটি পত্রিকার প্রতিবেদন পড়ে জানতে পেরেছি। বিস্তারিত জানার সুযোগ ছিল না ওই প্রতিবেদনে। তা' ছাড়া আপনার এই পোস্টের মতো সংশ্লিষ্ট এত ছবিও ছিল না সেখানে।
আপনার শ্রমসাধ্য, তথ্যবহুল ও সংশ্লিষ্ট ছবিসমৃদ্ধ এই পোস্টটি আমার জানার আগ্রহ অনেকটাই পূরণ করেছে। ধন্যবাদ ডঃ এম এ আলী।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১:৩৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় হেনা ভাই লেখাটি মনযোগ দিয়ে পাঠের জন্য । আমি ভাল করেই জানি আমাদের সামুর অনেক বিজ্ঞ পাঠকই এ বিষয়ে বিস্তর জানেন , শুধু কিছু কিছু বিষয় সকলের সাথে শেয়ার করার মানসে আমার এই লেখা ।

লেখাটি আপনার কাছে ভাল লেগেছে সেটা জানতে পেরে নীজকে সৌভাগ্যমান মনে করছি ।

আপনার সুস্বাস্থ্য ও দির্ঘায়ুর জন্য দোয়া রইল।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

৩৭| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:০৫

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: আর একটা কথা। কঠিন বৈজ্ঞানিক বিষয়গুলোকে সহজবোধ্য করে লেখার এক অসাধারণ দক্ষতা আছে আপনার।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১:৪২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , আপনার প্রসংসায় আপ্লুত ও ভীষনভাবে অনুপ্রানীত হলাম । আপনার মত সুসাহিত্যিকের লেখাগুলি হতে এখনো শিখছি , আর অবাক হয়ে ভাবি কেমন করে লেখেন অমন উচ্চমানের সাহিত্যিক লেখা যে গুলি আমাদের সাহিত্যের ভান্ডারকে অনবরত সমৃদ্ধ করে যাচ্চে ।

শুভ কামনা থাকল ।

৩৮| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৩৪

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:



ভূতল, সাগরতল রহস্য ঘেরা এক পৃথিবী। তবু অনেক রহস্য এখন অবমুক্ত।

রীতিমতো গবেষণালব্ধ লেখা। অনেক পড়েছেন বুঝাই যায়। ভালো লেগেছে।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১:৫৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: সত্য কথা বলেছেন আল্লর সৃষ্টি পৃথিবীর সবকিছুই অতি রহস্যময় ।
আল্লার অসীম সৃস্টির কনাভাগও আমরা জানতে পারেনি ।
তবে আল্লাহ যতটুকু জানার হেকমত মানুষকে দিবেন
ততটুকু মানুষ জানতে পারবে ।

সামুর পরিশ্রমী লেখকদের মধ্যে আপনি অন্যতম একজন,
গতকাল ঢাকা শহরের যানজটের উপরে আপনার পোষ্টটি
আমার নজর কেড়েছে , বিদেশী সাংবাদিকের দীর্ঘ লেখাটা
বাংলা করে আমাদের সামনে উপস্থাপন সহজ কর্ম ছিলনা।

অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৩৯| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:০৯

জুন বলেছেন: পানির তলে আগুন এবং আগুন তলে রয়েছে সাগর বিষয়টি নিয়ে আমাদের মত ব্লগ পাঠকদের জানতে বাকি থাকবে না ডঃ এম আলী। কারন আপনার হাতের সাবলীল বর্ননায় বিষয়টি পরিস্কার হয়েছে একেবারে স্বচ্ছ কাচের মতই।
সাগরের নীচের জগত নিয়ে বরাবরই কৌতুহলী আমি। কত আগ্নেয়গিরি কত মহাদেশ কত কিছু লুকিয়ে আছে এই তিন ভাগ পানির নীচে। এ ব্যাপারে সামান্য কিছু ধারনা ছিল তবে আপনার চিত্তাকর্ষক বর্ননায় বিষয়টি বিস্তারিত জানা হলো তার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।
১৮ নং মন্তব্যের উত্তরে নীচের কথাগুলো লিখেছেন । চিন্তিত হোলাম পড়ে । কি রোগ বাধিয়ে বসলেন খুলে বলবেন কি ?
যাহোক বড় রোগ বাধিয়ে
বসে আছি, দিন গুনছি কখন সময় আসবে
পাড়ি দেয়ার ।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:৪৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আমি নিম্চিত ছিলাম যে যে আমাদের ব্লগের আনেকেই বিষয়টি সম্পর্কে ওয়াকেবহাল আছেন , তাই আমার লেখাটির শুরুতেই বলে দিয়েছি এ কথাটি , সকলের সাথে শেয়ার করে আরো কিছু নতুন কথা শুনার জন্যই মুলত এটা এখানে শেয়ার করেছি ।

সাগরের নীচের জগত নিয়ে আপনি যে বরাবরই কৌতুহলী সে আমি জানি । সমুদ্র ও তার চিত্তাকর্ষক বর্ননা সমৃদ্ধ প্রায় ডজন খানেক পোষ্ট দেখেছি আপনার ব্লগে যা সামুর জন্য সম্পদ হয়ে আছে । সবগুলির কথা মনে নেই তবে নিন্মে বর্নিত আপনার কয়েকটি জনপ্রিয় পোষ্ট যথা নীল সায়রের অতল জলে , সমুদ্রের রূপ , ভরা মৌসুমে পর্যটক শূন্য কক্সবাজার, নিঝুম সমুদ্র সৈকত,এবং বিষন্ন বিপন্ন ব্যাবসায়ীকূল, সমুদ্রের শ্বাস, চির চেনা সেই ইনানী বীচ আমার ছেলের চোখে , ইষ্টার আইল্যান্ড এক অমীমাংসীত রহস্যে ঘেরা দ্বীপ, চলো দাদু সমুদ্দুরে যাই, কোহ সি চাং এক রাজকীয় দ্বীপ , সমুদ্রের রূপ , ব্যারেন্ট সাগরের কান্না, ক্যাপরি দ্বীপ আর পম্পেইএ তোলা কিছু ছবি, চির চেনা সেই ইনানী বীচ আমার ছেলের চোখে প্রভৃতির কথা এখনো মনে আছে ।

খুব বেশি চিন্তার কারণ নেই অজানা কারণে কিছুদিন আগে লোয়ার ইন্সটেনটাইনে প্রচন্ড ব্যথা অনুভুত হোয়ায় দেশের বাইরে একটি বড় ধরনের সার্জিকেল অপারেশন করতে হয়েছে । এর পর হতে চলাফেরা নিয়ন্ত্রিত হয়ে গেছে । ৪ ঘন্টার অপারেশনের সময়র পুরাটাই ছিলাম কমপ্লিট এনেসথাসিয়ায় । তার পর থেকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে বেশ কয়েকদিন থাকার সময় পরকালের ডাকের জন্য সব সময় প্রস্তুত ছিলাম । সেই পরকালের ডাকের ভয়টা জেকে বসেছে , ভয় পর পাড়ে যাওয়ার থেকেও সাথে করে কি অামল নিয়ে যাব সেটাই বেশী , আল্লাহ তায়ালা যে কত দয়লু ও মেহরবান সেটা বুঝেছি ভাল করে । তার মহিমা ও দয়া ছাড়া মানুষের কোন উপায় নাই , মানুষ বড়ই অসহায় । এখনো ফলোআপে আছি, তাই গত কিছুদিন ধরে আমার ব্লগে বিভিন্ন জনের মন্তব্যে জানিয়েছি শরীরটা বেশি ভাল যাচ্চেনা , যাহোক দোয়া করবেন , আল্লার রহমতে এখন বেশ সুস্থ আছি, সে জন্যইতো শুয়ে শুয়ে লেপটপ পায়ের উপর রেখে লিখতে পারছি ।

ভাল থাকার শুভ কামনা রইল ।

৪০| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:৪৫

সামিয়া বলেছেন: আপনার লেখা মানেই স্পেশাল কিছু। আপাতত প্রিয়তে নিয়ে রাখলাম। সময় করে পড়ে নেবো।।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:৪৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আপনার কথায় আপ্লুত হলাম ।
প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৪১| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:২০

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: অনেকগুলো বিষয়ে খুব সুন্দর বুঝিয়েছেন, শিরোনাম পড়ে মনের কৌতূহল ও জানার প্রবল ইচ্ছা থেকেই পুরোটা পড়তে পেরে ধন্য মনে করছি নিজেকে। কিছু কিছু জায়গা দুইবারও পড়লাম ভাবনাযুক্ত কল্পনার সাথে মিলিয়ে মিলিয়ে। বেশকিছু বিষয় সম্পর্কিত সুনির্দিষ্টভাবে বোধ শক্তি পেলাম। আল্লাহ্'র কি অপূর্ব সৃষ্টি! তিনি সব পারেন, তিনি সব দেখেন, তিনি সব বুঝেন, তিনি এক এবং অদ্বিতীয়।

খুব সহজ ও সুন্দরভাবে বুঝিয়েছেন প্রত্যেকটি বিষয়, আপনার চেষ্টা ও পরিশ্রমে শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:৫২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
সুপ্রিয় কবির কথামালায় অনুপ্রনীত বোধ করছি ।
বেশকিছু বিষয় সম্পর্কিত সুনির্দিষ্টভাবে বোধ শক্তি পেলাম। আল্লাহ্'র কি অপূর্ব সৃষ্টি! তিনি সব পারেন, তিনি সব দেখেন, তিনি সব বুঝেন, তিনি এক এবং অদ্বিতীয়। এর থেকে বড় অনুভুতি আর কিছু নেই ।

দোয়া করি আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন ।

৪২| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৩৮

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: কিছু প্রশ্ন মনে ঘুরপাক খাচ্ছে পোষ্টটি পড়ে, সবচেয়ে বেশি যা জানতে আগ্রহ হচ্ছে এত তাপমাত্রা বেষ্টিত এরিয়া থেকে কিভাবে এত তাপমাত্রা সম্পন্ন ম্যাগমা আহরণ করতে পারবে? বাকি প্রশ্নগুলোর উত্তর জানতে পরে আসবো একসময়।

শুভকামনা জানবেন সবসময়।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ভোর ৪:০১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ আবার এসে ভাল একটি বিষয়ে প্রশ্ন রাখার জন্য । এ বিষয়টা আমাকেও ভাবিয়েছে । তবে এই টেকনোলজিটা আইসল্যান্ডের পপ্রতিষ্ঠানটি Iceland Deep Drilling Project (IDDP) তে প্রয়োগ করছে, যার বিস্তারিত বিবরণ তারা দেয়নি সম্ভবত এটা তাদের বিজিনেস সিক্রেট । যাহোক, হয়ত আরো ঘাটাঘাটি করলে কোথাও না কোথাও হতে জানা যাবে । আপনি জানতে পারলে আমাকে দয়া করে করে জানাবেন ।

শুভেচ্ছা রইল

৪৩| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১:২৮

সোহানী বলেছেন: জুনাপুর মন্তব্য ধরে আবার ফিরে আসলাম। কারো ব্যাক্তিগত বিষয়ে কথা বলা বা জানতে চাওয়া আমার নিজস্ব পরিধির বাইরে। তারপরে যেখানে থাকুন যেমনই অনেক অনেক ভালো থাকুন। আমি আমার জীবনের প্রতিটি সেকেন্ড এ ভালো থাকার চেস্টা করি। কোন আঘাত পেলে বা কস্ট পেলে তা দীর্ঘায়িত করার চেস্টা করি না। জীবনতো একটাই, জটিল করে তুললে বাকি সময়টুকুও আরো জটিল হয়ে যাবে।.... আর মরে তো যাবোই একদিন, আজ বা কাল....... তা নিয়ে মরে বেচেঁ থাকার কোন মানে নেই। তাই জীবনের যতটুকু সময় পাই ততটুকুই আনন্দে থাকার চেস্টা করি।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ভোর ৪:৩৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আবার এসে মুল্যবান কথা বলায় খুব খুশী হলাম । ঠিকই বলেছেন জীবনতো একটাই, জটিল করে তুললে বাকি সময়টুকুও আরো জটিল হয়ে যাবে। আর মরে তো একদিন যেতেই হবে, আজ বা কাল, তা নিয়ে মরে বেচেঁ থাকার কোন মানে নেই। তাই জীবনের যতটুকু সময় পাওয়া যায় ততটুকুই আনন্দে থাকার চেস্টা করাই ভাল ।

এখানে উল্লেখ্য যে ভারতীয় চার্বাক জড়বাদী দর্শনের মুল কথাই এটি । চার্বাক দর্শন ভারতীয় দর্শনের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য স্হান দখল করে আছে । এমনকি পাশ্চাত্য দর্শনের উপর এর প্রভাব প্রতীয়মান হয় । এছাড়া উনবিংশ শতকের প্রত্যক্ষবাদ (Positivism) প্রভৃতি অনেক দার্শনিক মতবাদের উপর চার্বাক দর্শনের প্রভাব দেখা যায় । ইপিকারাস এর সুখবাদের (Hedonism) সাথে চার্বাক দর্শন এর অনেক মিল আছে । অনেকের মতে মতে চা্বাক শব্দের অর্থ চারু+বাক্ , অর্থাৎ মধুর কথা । এই দর্শনের কথাগুলো খুবই মধুর , যেমন-ঋণ করে হলেও ঘি খাও , যতদিন বাঁচো সুখে বাঁচো । ( ঋণং কৃত্বা ঘৃতং পিবেৎ , যাবৎ জীবেৎ সুখং জীবেৎ ) । সাধারন মানুষের কাম্য হলো জাগতিক সুখভোগ , এই দর্শনের মতে জীবনের চরম লক্ষ্য সুখভোগ । সুতরাং দেখা যাচ্ছে সাধারন লোকের চিন্তা ও ভাবধারা এই দর্শন তুলে ধরেছে । এ কারনে এ দর্শনের অপর নাম লোকায়ত দর্শন । তাদের মতে মানুষের বর্তমান জীবনই একমাত্র জীবন ।

অবশ্য ভারতীয় দার্শনিকগণের মধ্যে অনেকেই আত্মার মুক্তি বা মোক্ষ লাভকে মানব জীবনের পরম কল্যান তথা চরম লক্ষ্য বলে অভিহিত করেছেন । কিন্তু চার্বাকগণ বলেন , আত্মারই যেখানে কোন সত্তা নাই সেখানে আত্মার মুক্তির প্রশ্ন অবান্তর মাত্র । তাঁদের মতে ইন্দ্রিয়-সুখই মানুষের পরম কল্যান । তাই এই ইন্দ্রিয়-সুখই তাদের জীবনের চরম লক্ষ্য হওয়া উচিত । চার্বাকগণ আরো বলেন , অতীত চলে গেছে , ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত , কেবল বর্তমান মানুষের আয়ত্বে আছে । সুতরাং বর্তমান জীবনে মানুষ যে উপায়েই হোক , যত বেশি সুখ করতে পারে তা করা উচিত । দুঃখমিশ্রিত বলে বা অন্য কোন কারনে বর্তমান সুখকে বিসর্জন দেয়া মানুষের পক্ষে মূর্খতা ।

আপাত দৃষ্টিতে মনে হয় দর্শন হিসেবে চার্বাক মতের বিশেষ কোন মূল্য নাই এবং এই মত সর্বাংশে বর্জনীয় । কিন্তু বাস্তবিক পক্ষে এই মত একেবারে মূল্যহীনও নয় । চার্বাক দর্শন কুসংষ্কার , অন্ধবিশ্বাস ও অর্থহীন প্রচলিত রীতি নীতির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছে । এই বিদ্রোহ সমাজের নির্বিচার দর্শনের ভিত্তি উৎপাটিত করে সুবিচার দর্শনের ভিত্তি রচনা করেছে । এই দর্শন সাধারন মানুষকে আত্ম-নির্ভরতার পথ দেখিয়েছে । দর্শনে যে অবিচারিত তত্ব ও মতের স্হান নেই তা এই সুখবাদি দর্শন প্রমান করতে সক্ষম হয়েছে । স্বার্থান্বেষী মানুষদের ষড়যন্ত্রকে এই দর্শন কঠোর আঘাত করেছে । এখানেই এ দর্শনের সার্থকতা । মোদ্দা কথা নীজ জীবন নিয়ে এ ধরনের দর্শন গুরুত্বের দিক দিয়ে কম নয় ।

ভাল থাকুন যাবত জীবন সুখে থাকুন তবে কামনা করি সুখে থাকতে
গিয়ে যেন জীবনের কোন পর্যায়েই ঋন করতে না হয় ।

৪৪| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ভোর ৫:৫২

রিফাত হোসেন বলেছেন: +

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ভোর ৬:০৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: কোন কথা না বলে অনেক কথাই যাওযে তুমি বলে ।
একটি প্লাস সে যে কত বড় প্রাপ্তি বুঝিবে সেই পেয়েছে যে ।
পোষ্টটি ভাল লেগেছে জেনে খুশী হলাম, অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৪৫| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ভোর ৬:৫৮

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: একটি গবেষণামূলক পোস্ট। কিছুটা। খুব ভালো লাগলো! আপাতত প্রিয়তে নিলাম। আরো পড়তে হবে ! ধন্যবাদ ভাই ।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ৭:১৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , প্রিয়তে নেয়ায় কৃতজ্ঞতা জানবেন ।
পড়ে কেমন লাগল জানালে খুশী হব ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৪৬| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৪৫

জুন বলেছেন: ডঃ এম আলী আপনার অসুস্থতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে খারাপ লাগছে। ব্লগ পরিবারে আমরা যারা আছি আমি মনে করি তারা আমার আত্মীয়র মতই। আমরা সবাই সবার সুখ দুঃখ আনন্দ বেদনার সঙ্গী।আরেকজন প্রথিতযশা ব্লগার আমার দেশী ছাই ভাইও (সোনা বীজ ও ধুলোবালি ছাই) কিডনী রোগে ভুগছে। আমিও বিভিন্ন অসুখে আক্রান্ত হয়েও মনের জোরে চলে ফিরে বেড়াচ্ছি ।জন্ম মৃত্যু যদিও সবই মহান আল্লাহর ইচ্ছা তারপরও আমরা বিপদে আপদে সব সময় তাঁরই স্মরনাপন্নই হই। অসুস্থতা বা বিপদের কথা জানতে পারলে আমরা তাদের জন্য দোয়া করতে পারি এছাড়া আর তো কিছু করার নেই আমাদের ডঃ আলী। তাই নয় কি ?
ভালো হয়ে উঠুন শীঘ্রই আর ফিরে আসুন স্বমহিমায় আমাদের মাঝে নিত্য নতুন জানা অজানা বিষয় নিয়ে এই প্রত্যাশা রইলো ।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:০১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় জুনাপু । আন্তরিক সহানভুতি ও দোয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।
প্রথিতযশা ব্লগার সোনা বীজ ও ধুলোবালি ছাই এবং আপনিও বিভিন্ন ধরনের শারিরিক অসুস্থতায় ভোগছেন শুনে খারাপ লাগছে ।
ফেবুকে বিচরণ করিনা বিধায় সামুর কারো সাথে আমার ব্যক্তিগত পর্যায়ে যোগাযোগ নেই , তাই অনেক কথাই আমি জানতে পারিনা । ছাই ভাই ও আপনার জন্য দোয়া করছি আল্লাহ যেন পুর্ণ সুস্থতা দান করেন , আমীন ।

৪৭| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:০১

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন:

পবিত্র কোরআনের সুরা আত -তুর এ উল্লেখিত আল্লাহ তায়ালার শপথের সাথে হাদিসের কথার একটা সংযোগ পাওয়া যায় ,যেখানে সর্বশক্তিমান আল্লাহ বলেন “ এবং কছম উদ্বেলিত সাগরের ’’ ( সুরা আত -তুর , আয়াত ৬ )


কোরআনের ও বৈজ্ঞানিক রেফারেন্স দিয়ে খুব সুন্দর করে পানির নীচে ভূ-অভ্যন্তরে থাকা আগ্নেয়গিরীর বুঝিয়ে দিলেন ! বেশ কষ্টসাধ্য পোষ্ট বটে ! সবচেয়ে উপ্ত আগ্নেয়গিরীর নিগত হয়, খুব সম্ভবত হাওয়াই দ্বীপের থেকে !! বিশ্বের ৯০% আগ্নেয়গিরীর অবস্থান দক্ষিণ প্রশান্ত মহা সাগরের তল দেশে ! আর যারা পৃথিবীর আগ্নেয়গিরীর ভয়ে মঙ্গল গ্রহে বসতি গড়া চিন্তা করছেন; মঙ্গল গ্রহেও আগ্নেয়গিরীর সন্ধান পাওয়া গেলে ! ভৌগোলিক ইতিহাস থেকে জানা যায় আগ্নেয়গিরী কারণে ছোট বড় অনেক শহর ধংস হয়েছে !
আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নাল ‘নেচার-জিওসায়েন্স’ এর ২৪ জুলাই সংখ্যায়। মূল গবেষক আমেরিকার ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ, এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড প্ল্যানেটারি সায়েন্স বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর র্যালফ মিলিকেন ও হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্ট ডক্টরাল ফেলো শুয়াই লি। সহযোগী গবেষকদের মধ্যে রয়েছেন দুই ভারতীয়।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, বহু কোটি বছর আগে চাঁদের বিশাল বিশাল আগ্লেয়গিরিগুলো ছিল জীবন্ত। তাদের জ্বালামুখ থেকে অসম্ভব গরম লাভাস্রোত (যার অন্যতম উপাদান-‘ম্যাগমা’) বেরিয়ে এসেছিল। ম্যাগমা বেরিয়ে আসে পৃথিবী ও চাঁদের ম্যান্টল বা হূদয়ের অন্তঃপুর থেকে। সেই ম্যাগমার মধ্যেই ছিল কাচের টুকরোর মতো পদার্থ। যাকে বলা হয়, ‘ভলক্যানিক গ্লাসেস’। চাঁদের প্রায় গোটা পিঠ জুড়ে এখনও ছড়িয়ে রয়েছে সেই কাচের টুকরোগুলি। এই বিষয়টা আসলে কতটুকু সত্য ! তাহলে যারা চাদে বসবাস করা চিন্তা করছেন, তাদের কি হবে !!

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ অতি গুরুত্বপুর্ণ তথ্য সংযোজন করে পোষ্টটিকে নিয়ে গেছেন অনেক উচ্চতায় ।
চাদে বসবাসের ঝুকিপুর্বিণ বিষয়গুলি নিশ্চয়ই বিজ্ঞানীদের ভাবিয়ে তুলেছে ।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বৈজ্ঞানিক লেখাগুলিকে নিয়ে লেখা বিস্লেষন করে অনলাইনে ছড়িয়ে দিতে
হবে আমাদের দেশের ছাত্র ছাত্রদের জন্য রিডিং মেটেরিয়েল সাপোর্ট হিসাবে । এতে অনেক
উপকার হবে । আশা করি আপনার এই সুন্দর ক্ষমতাটুকুকে কাজে লাগাবেন সাধ্যমত ।

অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৪৮| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:১৩

আখেনাটেন বলেছেন: অসাধারণ।

কিছুটা জানা ছিল এ বিষয়ে। তবুও নতুন অনেক কিছুই ডিটেইলসে উঠে এসেছে।

অসীম ভালোলাগা পোষ্টে প্রিয় ব্লগার।

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৩৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোষ্টটি অসাধারণ অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।

ভাললাগার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।

শুভেচ্ছা রইল ।

৪৯| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৫৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: জুন আপুর মন্তব্য উত্তরে আপনার শারিরিক অসুস্থ্যতার কথা বিস্তারিত জানলাম ।
পরিপূর্ণ সুস্থ্যতার দোয়া ও শুভ কামনা রেখে যাচ্ছি ।
আল্লাহ আমাদের সবাই কে হায়াতে ত্যায়েবা দান করুন !

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:১২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ
আমার সুস্থতার জন্য দোয়া করায় কৃতজ্ঞতা জানবেন ।
আল্লার রহমতে এখন বেশ সুন্থ আছি ।

আপনার জন্যও শুভ কামনা রইল ।


৫০| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৭

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: + প্রিয়তে

শুভেচ্ছা

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৪৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ ,
প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।

শুভেচ্ছা রইল ।

৫১| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:১১

সনেট কবি বলেছেন:





ডঃ এম এ আলীর ‘মহাসাগর তলে আগুন, আগুন তলে ভুগর্ভে
বিশাল মহাসাগর :বিধাতার অপরূপ সৃস্টি রহস্য’ পোষ্টে মন্তব্য (২) -

জলতলে মনমুগ্ধ লুকানো জগতে
আল্লাহর অপরূপ মহিমা ছড়ানো
জানা হলো আপনার সৌজন্যে সকল
একে একে কৌতুহলি নজর বুলিয়ে।
শিল্পীর শিল্পের দেখা দর্শক না পেলে
শিল্পীর মূল্যায়নের থাকেনা সুযোগ
সেক্ষেত্রে আপনার এ কর্মের কারণে
শিল্পী পেলেন অনেক অকুন্ঠ সুনাম।

ফলাফল আপনার প্রাপ্যতা দাঁড়ায়
শিল্পীর দপ্তরে তাঁর সন্তুষ্টি কারণে
আশাকরি সে আপনি পাবেন এমন।
শিল্পী বলেছেন তিনি শাকের সর্বদা
তাহলে তাঁর জন্যেতে খাটার আনন্দ
নির্মল হবে সেটাই স্বভাবিক জানি।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:০৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ সুপ্রিয় কবি ।
কবিতার কথামালায় মুগ্ধ ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৫২| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৫৪

ধুতরার ফুল বলেছেন: আপনার পোস্টটা আমি এড়িয়ে গেলাম কি করে!!!

হয়ত ব্লগে কম এসেছি তাই পাইনি।
আরো একটা মেগাপোস্টের জন্য ধন্যবাদ দিলাম।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:১২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ, এড়ালেন কোথায়
স্বল্ব সময়ের ভিতরে এলেন
এবং মুল্যবান কথা বলে গেলেন।

শুভেচ্ছা রইল ।

৫৩| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:০৬

দি রিফর্মার বলেছেন: বহুদিন আগে একটি ইংরেজি সিনেমা দেখেছিলাম যার নাম ছিল "মেগমা". সেই সময় থেকে মেগমা বিষয়টি মাথায় ঢুকে গেছে। এই সংক্রান্ত কিছু দেখলেই আগ্রহ নিয়ে পড়ি। আপনি আমার সেই আশার পরিসমাপ্তি ঘটিয়েছেন বিশাল ও বিশদ এই লেখার মাধ্যমে। আপনার আমি একজন ভক্ত। কিন্তু সময়ের অভাবে আপনার সব লেখা পড়া হয় না। তাই মনে দুঃখ রয়েই যায়। এই লেখাটি আরেকবার পড়ব আত্মস্থ করার জন্য। বিজ্ঞানের সাথে ধর্মীয় ব্যাখ‍্যা সেই অংশটিও দারুন ভাল লেগেছে। আপনাকে জানাই সশ্রদ্ধ সালাম ও অসংখ্য ধন্যবাদ।
শুভ কামনা রইল।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৩২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ এসে দেখে সুন্দর মন্তব্য রেখে যাওয়ার জন্য ।
আপনার মুল্যবান কথামালায় অনেক অনুপ্রানীত হলাম ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৫৪| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:০৭

বিলিয়ার রহমান বলেছেন: বেশ কিছুদিনই ব্লগে আশা হয়ে ওঠেনি! তাই আপনার এ রকম অনেক পোস্টই হয়তো মিস করেছি!

আপনার তথ্রবহুল এই পোস্টটি আমার প্রিয়তে স্থান করে নিলো!:)


ভালো থাকুন প্রিয় আলী ভাই!:)

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:১৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ রহমান ভাই । আপনি কোন পোষ্ট মিস করেন নাই ।
প্রায় তিন মাস পরে এই পোষ্ট দিয়েছি । আমারো শরীরটা কিছুদিন ভাল ছিলনা ,ফলে
আমারো ব্লগে বিচরণ খুব কম ছিল , তাই বরং আমিই আপনার অনেক পোষ্ট মিস করেছি ।

এই পোষ্টটি প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞা জানবেন ।

৫৫| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:০৪

কবি হাফেজ আহমেদ বলেছেন: সময় করে পড়ে মন্তব্য করবো ভাইয়া।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:১০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ সুপ্রিয় কবি ।
শুভেচ্ছা রইল

৫৬| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৩৪

কবি হাফেজ আহমেদ বলেছেন: ভাইয়া, আপনার পোষ্টগুলো পড়ার আগে আমি সবসময় নতুন কিছু শেখার প্রস্তুতি এবং মানসিকতা নিয়ে সময় করে নেই। শুভকামনা সতত।

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১:১৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ ।
আমার সামান্য লেখায় আপনাদের মত গুণী কবিদের
কিছু শিখার মত বিষয় থাকার কথা শুনে ভাল লাগল ।

কৃতজ্ঞতা জানবেন ।

৫৭| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ ।
আমার সামান্য লেখায় আপনাদের মত গুণী কবিদের
কিছু শিখার মত বিষয় থাকার কথা শুনে ভাল লাগল ।

কৃতজ্ঞতা জানবেন ।

৫৮| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৪৪

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: অনেক দিন পর লেখা পেলাম। ব্লগে কিছু দিন অনিয়মিত ছিলাম বলে আপনার ব্লগে আসা হয় নাই।

এনার্জি সোর্স হিসেবে ম্যাগমা খুবই ভালো একটি উপাদান। কিন্তু, আমাদের মতো দেশে উৎপাদন খরচ কেমন হবে এর? আইস্ল্যান্ড থেকে ম্যাগমা ইম্পোরট করা যাবে কি যদি বাংলাদেশে তা পাওয়া না যায়? বিস্তারিত জানার অপেক্ষায় থাকলাম।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা থাকলো।

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:১২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ।
ম্যাগমা খুবই ডেঞ্জারাস উপাদান ।
এমনিতেই বাংলাদেশ ভুমিকম্প প্রবন এলাকার মধ্যে আছে এবং যেকোন সময়
A giant quake may lurk under Bangladesh

ভুমি কম্প কিংবা প্রবল কোন অগ্নোতপাতে
Underground magma can trigger Earth’s worst mass extinction with greenhouse gases


তাই এই মহুর্তে আইস ল্যানডকেই এটা নিয়ে পরীক্ষা করতে দেয়াই ভাল । ফল যদি ভাল হয় তখন না হয় এ্টাকে চিন্তা ভাবনা করা যাবে । যাহোক ম্যাগমা হতে শক্তি আহরনের বিষয়টি নিয়ে একটু গবেষনা করার জন্য বাংলাদেশ জিউলজিকেল সার্ভের একজন পরিচালকের সাথে ফোনে কথা বলেছি , তিনি আমার এই পোষ্ট টি দেখবেন বলে জানিয়েছেন ।

অনেক শুভেচ্ছা রইল

৫৯| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:১৭

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: ধন্যবাদ। ম্যাগমা এনার্জির বিজনেস সাইড নিয়ে আগ্রহ হচ্ছে।

আইসল্যান্ড থেকে ম্যাগমা বিশেষ কন্টেইনারে করে আমদানী করার কোন উপায় আছে কি?

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:৩১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ সত্যপথিক শাইয়্যান ,
নীচের লিংকে একটু কষ্ট করে ভিজিট করলে আপনার অনেক প্রশ্নের উত্তর আশা করি পেয়ে যাবেন ।
Iceland Is Drilling a 3-Mile Hole to Tap Magma Power

৬০| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১৯

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: লিংকের জন্যে অনেক ধন্যবাদ।

আইসল্যান্ড জীবাশ্ম জ্বালানী ছাড়াই চলতে পারছে! চমকপ্রদ তথ্য।

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ বিষয়টি সম্পর্কে ধারনা স্বচ্ছ হওয়ার জন্য ।

৬১| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:২৮

উদাস মাঝি বলেছেন: বাাাপরে এতকিছু !!

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:৩৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: লাগল কেমন তাত বললেন না ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৬২| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:৪৩

উদাস মাঝি বলেছেন: Supaaaaaaaarb B-) :) ++++++++++

সত্যি করে বলেন তো,এই পোস্ট করার জন্য কতদিন স্টাডি করেছেন ? :-B

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ভোর ৫:০৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আমি খুবই স্লো লারনার । আমার কোন কিছু বুঝতে অনেক সময় নেয় । ঠিক করে বলতে পারবনা কতদিন লেগেছে , তবে বেশ সময় লেগেছে । বাংলায় টাংপিং স্পীড কমই কম , এখানেও অনেক সময় লেগেছে । ভুল করি পদে পদে । মসজিদে হুজুরের ভাষন শুনে বিষয়টা একটু জানতে চেষ্টা করেছিলাম । নীজের জন্য বুঝতে চেয়েছিলাম । আমার নীজের জানাটা অপুর্ণ থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রাপ্ত তথ্যগুলি সকলের সাথে শেয়ার করে নীজের জানাটাকে আর একটু মজবুত করতে চেয়েছিলাম । এ বিষয়ে যদি কোন নতুন কিংবা আরো বিস্তারিত তথ্য থাকে তবে জানালে বাধিত হব । ভুল যদি কিছু লেখাটিতে থেকে থাকে তবে জনালে সে অনুসারে লেখাটিকে শুদ্ধ করে নিব ।

লেখাটিতে আবার আসার জন্য ধন্যবাদ ।

শুভেচ্ছা রইল ।

৬৩| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৪১

উদাস মাঝি বলেছেন: আপনার আর প্রশংসা করা ঠিক হবেনা ।আপনি এর উর্ধে ।

আপনি হলেন রিয়াল বস । :)

বিজ্ঞান ভিত্তিক লেখা আরও চাই বস

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:১৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ, চেষ্টা করব ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৬৪| ০১ লা অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০৬

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: মুগ্ধ। গবেষণা মূলক পোস্ট। আপনার পরিশ্রমের প্রতি শ্রন্ধা।

আপাতত বিজ্ঞান আর ধর্ম যে একে অপরের পরিপূরক তা পরিস্কার, ধর্ম গ্রন্থগুলো কোন মানব রচিত বা ভীনগ্রহি এলিয়নেদের নয়
কিছুটা বুঝেছি। ভবিষ্যৎ আরো পরিস্কার হবে।

০১ লা অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:০৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ মুগ্ধতার জন্য ।
শ্রদ্ধা জানবেন ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৬৫| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:১৮

মোটা ফ্রেমের চশমা বলেছেন: আপনার প্রায় প্রত্যেকটা লেখাই একেকটা রিসার্চ পেপার!
একবার বসাতে শেষ করতে পারিনি। তাই প্রিয়তে রেখে দিলাম। আরেক বারে শেষ করে ফেলবো।

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ এসে কষ্ট করে পড়ার জন্য ।
প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৬৬| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১৫

আটলান্টিক বলেছেন: এতো লম্বা পোষ্ট যিনি লিখতে পারেন তার ধৈর্য্য নিশ্চয় অসীম।আপনার নার্ভ মনে হয় ইস্পাতের তৈরি।কিভাবে লেখেন এইসব অনুগ্রহ করে জানাবেন যেন আমরা এমন কিছু করে সামু পরিবারকে গরম রাখতে পারি।

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য । না ভাই আমার নার্ভ ইস্পাতের নয় ,
বরং একেবারে মোমের মত একটু প্রসংসাতেই একেবারে গলে যাই ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৬৭| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৪:২৮

কালীদাস বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। জুলভার্নের টোয়েন্টি থাউজেন্ড লীগস আন্ডার দ্যা সী পড়ার পর এই ব্যাপারে ব্যাপক আগ্রহ ছিল, নিমো সম্ভবত বসফরাসের নিচে চ্যানেল পার হয়েছিল। আইসল্যান্ডের স্টেশনটা সম্পর্কে ঘাটাব সময় পেলে, যতদূর জানি এমনিতেও আইসল্যান্ডের হিটিং সিসটেম সম্পূর্ণরুপে আন্ডারগ্রাউন্ডের সোর্সগুলো থেকেই আসে।

ভাল লাগল ব্লগে আপনার কন্ট্রিবিউশন, কন্টিনিউয়াস নলেজ শেয়ারিং দেখে :)

০৮ ই অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , আপনার মত জ্ঞানী গুণী সহ ব্লগার ভাই বোনেরা মন্তব্যের ঘরে রেখে যাচ্ছেন আরো অনেক বেশি মুল্যবান কনট্রিবিউশন, কৃতজ্ঞতা রইল সকলের তরে ।

শুভেচ্ছা জানবেন।

৬৮| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১২:২০

সনেট কবি বলেছেন:





ডঃ এম এ আলীর ‘মহাসাগর তলে আগুন, আগুন তলে ভুগর্ভে
বিশাল মহাসাগর :বিধাতার অপরূপ সৃস্টি রহস্য’ পোষ্টে মন্তব্য (৩) -


এসেছি আলী স্যারের বিশেষ জ্ঞানের
ক্লাশের ছাত্র হিসেবে নিজের জ্ঞানের
পরিধি বাড়াতে তার জ্ঞানের সাগর
হতে নিরিবিলি নিতে জ্ঞানের রতন।
স্যার গড়েছেন এক বিশ্ব বিদ্যালয়
নিজের ব্লগ বাড়িতে অতীব যতনে
যা স্যারের ছাত্রদের মনের মতন
পছন্দের এক বিদ্যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

ছাত্রদের জন্য স্যার অনেক খাটেন
সেজন্য আল্লাহ তাঁর মঙ্গল করুন
আল্লাহর দরবারে এ কামনা করি।
স্যারের আয়ু বাড়ুক এমন কাজের
মাধ্যমে আরো মানব মঙ্গল সাধন
করার জন্য নিজের মনের আনন্দে।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১৭ ভোর ৫:০৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ এসে অনুপ্রানীত করে যাওয়ার জন্য ।
একটি ছোট পোষ্ট কিছুক্ষন আগে দিয়েছি ।
দেখে যেতে পারেন সময় করে ।

অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৬৯| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৩:০১

খায়রুল আহসান বলেছেন: বিজ্ঞানীদের হিসাবে পৃথিবীতে পানির নীচে বিভিন্ন আকারের প্রায় ৫০০০ সক্রিয় ভলকানো রয়েছে যা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমানিত সত্য - বিস্ময়কর তথ্য, যা আমার অজানা ছিল, এ লেখাটা পড়ার আগে পর্যন্ত।
মাউনা কীয়া পর্বতের সাগরের নীচে থাকা অংশের উচ্চতা ১৯৭০০ ফুট * এ তথ্যটাও অজানা ছিল, ছবিতে এত সুন্দর করে উচ্চতার তুলনা করে না বুঝালে বুঝতেই পারতাম না এ পর্বতের আসল উচ্চতা কতটুকু।
আগ্নেয়গিরির অভ্যন্তরে গলিত পদার্থকে ম্যাগমা বলে - এটা অবশ্য জানতাম, কিন্তু ভয়ঙ্কর হলেও এর এত সুন্দর ছবি আগে কখনো দেখিনি।
এটা আল্লার একটি অলৌকিক ক্ষমতা যে ,তিনি অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের সমন্বয় ঘটিয়ে পানি সৃজন করেছেন , একটি উপাদান আগুনকে প্রজ্জলিত করে এবং অপরটি আগুনকে নিবারন করে , কিন্তু তিনি এ দুটি পরস্পর বিরোধি উপাদানকে এমনভাবে সংমিশ্রন করেছেন যা দিয়ে পানি তৈরী হয়েছে যা আগুন নিবারনে সক্ষম । আল্লাহ অলৌকিকভাবে পানিকে তার মৌলিক অবস্থায় নিয়ে গিয়ে আগুনে প্রজ্জলিত অবস্থায় রূপান্তর করতে সক্ষম তাতে কোন সন্দেহ নেই - অবশ্যই, তাতে কোন সন্দেহ নেই।
খুবই পরিশ্রসাধ্য এই পোস্টটি এখানে উপস্থাপনার জন্য আন্তরিক সাধুবাদ ও অভিনন্দন! পোস্তে ভাল লাগা + +

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১:৪৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: মহান আল্লা তয়ালার ক্ষমতা ও গুনাবলীকে সঠিকভাবে
চয়নকরে মন্তব্যের ঘরে তুলে দিলেন দেখে খুব ভাল লাগল ।
তাতে এ পোষ্টের মুল কথা সকলের কাছে খুব সহজেই বোধগম্য হবে ।
বিজ্ঞতা এবং পান্ডিত্যপুর্ণ মন্তব্যের জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।

শুভ কামনা রইল ।

৭০| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৩:২৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: Zealandia মহাদেশ হিসেবে দ্রুত স্বীকৃতি পেয়ে যাক, এটাই কামনা করি।
আমি মনে করি, ধর্মবিশ্বাস এবং বিজ্ঞানচর্চা সাংঘর্ষিক নয়। ৩৫ নং প্রতিমন্তব্যে প্রদত্ত আপনার ব্যাখ্যাটা বুঝতে পেরেছি, তাই ভাল লেগেছে। + +

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১:৪৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় আহসান ভাই । আপনার কামনা সফল হোক এ আশাই করি ।
র্মবিশ্বাস এবং বিজ্ঞানচর্চা সাংঘর্ষিক নয় ,এ কথাগুলি ছড়িয়ে দিতে হবে সকলের মাঝে
তাহলে উপযুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হতে পারে দেশে ।

শুভেচ্ছা রইল

৭১| ০২ রা নভেম্বর, ২০১৭ রাত ২:৪৩

নীহার দত্ত বলেছেন: আপনি ধর্মীয় গ্রন্থ থেকেই বেশি কথা টেনেছেন।
বৈজ্ঞানিক তথ্য উপাত্ত এমন কিছুই নেই

০২ রা নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৮:৩১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ, পোষ্ট টিকে মনযোগ দিয়ে পড়ে মুল্যবান মতামত দানের জন্য ।

ধর্ম ও বিজ্ঞানের মধ্যে আসলে্ই কি কোন পার্থক্য আছে ।
ধর্ম হলো সকল বিজ্ঞানের জননী ।
বিজ্ঞান মুলত সত্যকে জানার একটি পদ্ধতি , কোন বিষয় কি কখন কেন, আর হলে কি হবে না হলে কি হত ইত্যাদি ?
ধর্ম ও তাই বলে । ধর্মের সাথে বিজ্ঞানের কোন কনফ্লিক্ট নাই ।
তবে বিজ্ঞানীদের নীজেদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মাঝে মাঝে কনফ্লিক্ট দেখা দেয় ।
তেমনি ধর্মের ভিতরে থাকা মানুষদের মধ্যেও মাঝে মাঝে বড় বড় কনফ্রিক্ট দেখা দেয়
আর বিরোধ বেধে যায় নীজেদের মধ্যে !!!!

ভাল থাকার শুভ কামনা রইল

৭২| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:৫৬

জেন রসি বলেছেন: মহাসাগরের তলে আগুন। মূলত এ বিষয়টিকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু তথ্য হাজির বা উপস্থাপন করেছেন। এবং চমৎকার ভাবেই করেছেন। বরাবরই যা আপনি করে থাকেন। তার সাথে সাথে আপনি আপনার ধর্মীয় বিশ্বাসের ব্যাপারটাও তুলে ধরেছেন। বিজ্ঞানের সাথে কোরিলেট করার চেষ্টা করেছেন। তবে পাঠক হিসাবে পড়ার সময় আমি এ দুটো ব্যাপারকে আলাদা করেই পড়েছি বা ভেবেছি। আপনার বিশ্বাসকে বিশ্বাস হিসাবে দেখেছি। আর গবেষণালব্ধ তথ্যগুলোকে সেভাবে দেখেছি। দুটোকে এক করে ফেললে স্বাভাবিক ভাবেই এমন কিছু প্রশ্নের জন্ম হবে যা ডিবেটের দিকে চলে যেতে পারে।

২৮ শে নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:৩৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ বেশ যুক্তিপুর্ণ কথাই বলেছেন ।
দুটোকে একসাথে করে ফেললে ডিবেটের সৃস্টি হয় ।
তবে সাগর তলের আগুনের শক্তিকে বৈজ্ঞানিক উপায়ে
ব্যবহার করে মানবের কল্যানে লাগালে ভাল হবে ।

শুভেচ্ছা রইল

৭৩| ৩০ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১:০৭

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: আপনার পোস্ট গুলো খুব মিস করছি, অনেক দিন আপনার নতুন কোন পোস্টে পাইনা।
আপনি সুস্থ আছেন তো....? আপনার সুস্থতা কামনায় সবসময়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.