| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ডঃ এম এ আলী
সাধারণ পাঠক ও লেখক
শ্রদ্ধেয় ব্লগ টিমের প্রতি বিনীত নিবেদন,
ব্লগের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কিছু কথা দীর্ঘদিন ধরেই মনে জমে আছে। কথাগুলো কোনো অভিযোগ হিসেবে নয়, বরং একজন সাধারণ ব্লগার ও পাঠক হিসেবে ব্লগটির প্রতি ভালোবাসা, মায়া এবং গভীর উদ্বেগ থেকেই বলা।
একসময় এই ব্লগ ছিল প্রাণবন্ত। দিন-রাত প্রায় সবসময়ই ব্লগারদের আনাগোনা, নতুন নতুন লেখা, পাঠকের উপস্থিতি, মন্তব্য ও প্রতিমন্তব্যে মুখর থাকত ব্লগের পরিবেশ। অথচ এখন অনেক রাত গভীরে এসে দেখা যায় সক্রিয় ব্লগার হিসেবে হাতে গোনা একজন বা দুজন মাত্র উপস্থিত। আজকে রাতে এখন যখন এই পোস্ট লিখছি তখন বা দিকেকে তাকিয়ে দেখি ব্লগে এই মহুর্তে গ্রগার ওমর খৈয়াম, সৈয়দ কুতুব ও আমি সহ মাত্র তিন জন লগ ইন আছি ।
প্রথম পাতায় থাকা অনেক সুন্দর ও পরিশ্রমের লেখাও দীর্ঘ সময় ধরে পাঠকশূন্য, মন্তব্যশূন্য অবস্থায় পড়ে থাকে।
একজন লেখকের কাছে তার লেখাটি পাঠকের কাছে পৌঁছানো এবং পাঠকের কাছ থেকে একটি মন্তব্য পাওয়া নিঃসন্দেহে বড় উৎসাহের বিষয়। লেখার পর যদি দীর্ঘদিন কোনো পাঠক না আসেন, কোনো আলোচনা না হয়, কোনো ভিন্নমত প্রকাশ না পায় তাহলে ধীরে ধীরে একজন লেখকের উৎসাহও কমে যেতে পারে। আর লেখক কমে গেলে পাঠকও কমবে; পাঠক কমলে আলোচনা কমবে; আর এভাবেই একটি প্রাণবন্ত ব্লগ ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যেতে পারে।
আমার মনে হয়, একটি ব্লগকে সচল রাখার অন্যতম প্রধান শক্তি হলো পাঠকের সক্রিয়তা এবং লেখক-পাঠকের পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া। মন্তব্য, প্রতিমন্তব্য, সহমত, দ্বিমত এসবের মধ্য দিয়েই তো একটি ব্লগের প্রাণ তৈরি হয়।
সব ব্লগার একই ধরনের ভাষায় বা একই রকম মিষ্টি কথায় মন্তব্য করবেন এমনটি কখনোই প্রত্যাশিত নয়। কারও মন্তব্য হবে কোমল, কারও মন্তব্য হবে কঠিন; কেউ সহমত জানাবেন, কেউ দ্বিমত পোষণ করবেন; কেউ যুক্তি দিয়ে প্রশ্ন তুলবেন, কেউ হয়তো তীক্ষ্ণ ভাষায় নিজের বক্তব্য তুলে ধরবেন। এই বৈচিত্র্যই তো একটি মুক্ত ব্লগের সৌন্দর্য।
অবশ্যই, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পাশাপাশি শালীনতা ও ব্লগের নীতিমালা মেনে চলাও জরুরি। কোনো মন্তব্য বা লেখা যদি সত্যিই ব্লগের নীতিমালার পরিপন্থী হয়, সেক্ষেত্রে সম্মানিত মডারেশন টিম সেটি অপসারণ করতে পারেন এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ব্লগারকে সতর্ক করতে পারেন। এতে একদিকে যেমন ব্লগের পরিবেশের শৃঙ্খলা বজায় থাকবে, অন্যদিকে সুস্থ ও প্রাণবন্ত মতবিনিময়ের সুযোগও তৈরি হবে।
এই মুহূর্তে আমার সবচেয়ে বড় অনুরোধ যেসব পুরোনো ও একসময় অত্যন্ত সক্রিয় ব্লগার বিভিন্ন কারণে আজ ব্লগের বাইরে বা ব্যানের মধ্যে আছেন, তাঁদের প্রতি আরেকবার সহনশীল ও ইতিবাচক দৃষ্টিতে তাকানো হোক।
হয়তো তাঁদের কারও সঙ্গে অতীতে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে, কেউ হয়তো আবেগের বশে এমন কিছু লিখেছেন যা ব্লগ নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। কিন্তু মানুষ ভুল করতে পারে, আবার সংশোধনের সুযোগও পাওয়া উচিত। তাই সম্ভব হলে তাঁদের অনেককেই শর্তসাপেক্ষে ব্যানমুক্ত করে পুনরায় ব্লগে ফিরে আসার সুযোগ দেওয়া হোক।
প্রয়োজনে তাঁদের জন্য কিছু স্পষ্ট শর্ত নির্ধারণ করা যেতে পারে। বলা যেতে পারে নীতিমালা মেনে চলতে হবে, ব্যক্তিগত আক্রমণ করা যাবে না, অশালীন ভাষা ব্যবহার করা যাবে না এবং মতের ভিন্নতা থাকলেও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখতে হবে।
কিন্তু সেই শর্তের পাশাপাশি তাঁদের যেন সত্যিকার অর্থেই ব্লগে ফিরে আসার সুযোগ দেওয়া হয় প্রথম পাতায় লেখা প্রকাশের সুযোগ এবং মন্তব্য করার অধিকারসহ।
কারণ কাউকে ব্লগে ফিরিয়ে এনে যদি তার লেখাই পাঠকের সামনে পৌঁছানোর সুযোগ না পায়, কিংবা সে অন্যের লেখায় অংশগ্রহণ করতে না পারে, তাহলে সেই প্রত্যাবর্তন কতটা অর্থবহ হবে—সেটিও ভেবে দেখা প্রয়োজন।
আমরা চাই ব্লগে আবার নরম-গরম আলোচনা হোক, মতের সঙ্গে মতের সংঘাত হোক, যুক্তির সঙ্গে যুক্তির লড়াই হোক। কোথাও মিষ্টি কথা থাকবে, কোথাও তীর্যক মন্তব্য থাকবে, কোথাও কঠিন সমালোচনা থাকবে কিন্তু সবকিছুই যেন শালীনতার সীমার মধ্যে থাকে। কারণ ভিন্নমতকে জায়গা দেওয়াই একটি প্রাণবন্ত ব্লগের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
আজ যারা সক্রিয় আছেন, তাঁদের উপস্থিতি অবশ্যই মূল্যবান। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে যদি পুরোনো, অভিজ্ঞ ও একসময় অত্যন্ত সক্রিয় ব্লগাররাও ফিরে আসেন, তাহলে লেখার বৈচিত্র্য বাড়বে, পাঠক বাড়বে, আলোচনা বাড়বে এবং ব্লগের পরিবেশও অনেক বেশি প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে বলে আমার বিশ্বাস।
আর একটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ব্লগ যদি ধীরে ধীরে অচল হয়ে যায়, তাহলে শেষ পর্যন্ত যারা আজও সক্রিয় রয়েছেন, তাঁরাও কিন্তু কার্যত সেই অচলতার ভুক্তভোগী হবেন। কারণ ব্লগ কেবল কয়েকজন সক্রিয় মানুষের জন্য নয়; ব্লগ বেঁচে থাকে তার লেখক, পাঠক, মন্তব্যকারী এবং সর্বোপরি পারস্পরিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে।
তাই এই কঠিন সময়ে আমরা যদি একে অপরকে দূরে সরিয়ে না দিয়ে বরং কাছে টেনে নিই, পুরোনোদের ফিরিয়ে আনি, নতুনদের উৎসাহিত করি এবং সুস্থ মতবিনিময়ের পরিবেশ তৈরি করি তাহলেই হয়তো আবারও এই ব্লগ তার হারানো প্রাণ ফিরে পেতে পারে।
ব্লগ টিমের কাছে তাই বিনীত অনুরোধএই সময়টিকে শুধু সংকট হিসেবে না দেখে একটি নতুনভাবে শুরু করার সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করুন।
সম্ভব হলে পুরোনো ব্যানগুলো পুনর্বিবেচনা করুন। যারা ফিরতে চান, তাঁদের শর্তসাপেক্ষে ফিরে আসার সুযোগ দিন। তাঁদের প্রথম পাতায় লেখার এবং মন্তব্য করার অধিকার ফিরিয়ে দিন। প্রয়োজন হলে সতর্কীকরণ, পর্যবেক্ষণ বা নির্দিষ্ট আচরণবিধির আওতায় তাঁদের রাখা যেতে পারে। কিন্তু তাঁদের সম্পূর্ণভাবে বাইরে রেখে দিয়ে আমরা যেন আমাদেরই একটি বড় অংশকে হারিয়ে না ফেলি।
আমরা চাই না ব্লগটি শুধু নিয়ম মেনে চলা একটি নীরব প্ল্যাটফর্ম হয়ে থাকুক। আমরা চাই এটি আবার এমন একটি জায়গা হোক যেখানে মানুষ লিখবে, পড়বে, প্রশ্ন করবে, দ্বিমত করবে, যুক্তি দেবে, কখনো তর্ক করবে, আবার দিনশেষে একই ব্লগ পরিবারের সদস্য হিসেবে একে অপরকে সম্মান করবে।
ব্লগের প্রাণ হলো মানুষ।
লেখার প্রাণ হলো পাঠক।
আর পাঠকের প্রাণ হলো মতবিনিময়।
তাই আসুন, নিষেধাজ্ঞার দরজা কিছুটা খুলে দিয়ে, পুরোনোদের ফিরিয়ে এনে, নতুনদের উৎসাহ দিয়ে এবং শালীনতার সীমার মধ্যে মুক্ত মতপ্রকাশের সুযোগ তৈরি করে আমরা সবাই মিলে আবারও এই প্রিয় ব্লগটিকে প্রাণবন্ত করে তুলি।
ব্লগ টিমের প্রতি রইল আন্তরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এবং বিনীত প্রত্যাশা আপনারা বিষয়টি সহানুভূতি ও ইতিবাচক দৃষ্টিতে বিবেচনা করবেন।
ব্লগ বেঁচে থাকুক, ব্লগাররা ফিরে আসুক, পাঠকের কোলাহলে আবার মুখর হয়ে উঠুক আমাদের প্রিয় ব্লগ।
শ্রদ্ধাসহ,
একজন উদ্বিগ্ন ও আশাবাদী ব্লগার
ড.এম এ আলী
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫৪
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ভাল বলেছেন , তবে কে করিবে স্টিকি ?
ব্লগ টিম একটিভ হলে নির্বাচিত পাতাটিউ সচল থাকত ।
২|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৩৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার সাথে একমত ।
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:৪৬
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
সহমত প্রকাশের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ।
৩|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৩৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: একটি ব্লগকে সচল রাখার অন্যতম প্রধান শক্তি হলো পাঠকের সক্রিয়তা
এবং লেখক-পাঠকের পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া।
................................................................................................
ব্লগ সবার জন্য উন্মুক্ত হোক !
তবে যারা আইন অমান্য করে তাদের শাস্তির ব্যবস্হা থাকতে হবে ।
আজও ব্লগে দেখলাম কিছু অশালীন ও গালি গালাজ, তাদের এখনই
ব্লক করে দেয়া উচিৎ । যেমন :-
(রেজা রেজা বলেছেন: এই চুদনা... শাওন আর মুন্নীর উপর কবে মব করা হলো?..... উদাহরণ দেখাতে পারবি?
শাওনের বাবা, মা দুজনেই কুত্তালীগ নেতা ও শাওন নীজেও কুত্তালীগের মনোনায়ন প্রার্থী ছিলো। মানুষ খেকো কুত্তালীগ, নরপশু ও গনহত্যাকারীদের বাড়িতে আগুন দিলে সেটা মব হয় না।
কুত্তালীগের ইতিহাস যারা জানে তাদের পক্ষে কোন কুত্তালীগ কে মানুষ হিসেবে বিশ্বাস করা সম্ভব না। কিন্তু তোমাকে সুযোগ দিতে চাই। নিচে আমার Discord প্রোফাইল আইডি দিলাম। আসো... দেখি তুমি মানুষ না কুত্তালীগ।)
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:৫২
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
আপনার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী কথার সঙ্গে একমত। একটি প্রাণবন্ত ব্লগের মূল শক্তিই হলো লেখক
ও পাঠকের স্বাধীন, সৌহার্দ্যপূর্ণ এবং গঠনমূলক মতবিনিময়। মতের অমিল থাকতেই পারে, কিন্তু সেই ভিন্নমত
যেন কোনোভাবেই অশালীনতা, ব্যক্তিগত আক্রমণ, গালিগালাজ কিংবা অন্যের মর্যাদাহানির পর্যায়ে না যায়
এটুকু দায়িত্বশীলতা সবারই থাকা উচিত।
ব্লগ সবার জন্য উন্মুক্ত থাকুক এটাই কাম্য। তবে সেই স্বাধীনতার সঙ্গে কিছু দায়িত্ব ও নীতিমালা মেনে চলাও জরুরি।
কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন বা বারবার ব্লগের নিয়ম ভঙ্গ করেন, তাহলে কর্তৃপক্ষের
পক্ষ থেকে যথাযথ সতর্কতা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া অবশ্যই যুক্তিসঙ্গত।
মতের পার্থক্যকে বিরোধে নয়, সুন্দর ও যুক্তিনির্ভর আলোচনায় রূপ দেয়া প্রয়োজন । লেখক-পাঠকের
পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যই একটি ব্লগকে সত্যিকার অর্থে সচল, সমৃদ্ধ ও সবার জন্য আনন্দময় করে
তুলতে পারে।
শুভেচ্ছা রইল
৪|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:২৯
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
১) ব্লগ মডারেশন লেখক ব্লগারদেরও দায়িত্বের মাঝে পড়ে।
২) মডারেশন টিম রাখার খরচ কীভাবে উঠে আসে তা জানা প্রয়োজন। সামু ভিউ ব্যবসা করে না বলেই জানি। তাই, একজন মডারেটর বা একদল মডারেটরের খরচ চালানো মুশকিল।
৩) কেউ অতীত কর্মকান্ডের জন্যে অনুতপ্ত এবং ভুক্তভোগী ক্ষমা করে দিলে কাউকে ব্যান করে রাখা উচিৎ নয়।
৪) উনি শায়মা আপুকে অনেক খারাপ কথা বলেছিলেন। শায়মা আপুদের মতো ব্লগারদের কাছে উনি কি ক্ষমা চেয়েছেন, ভাইয়া? অথবা শায়মা আপুরা কি নিজে থেকে ক্ষমা করে দিয়েছেন?
৫) কাউকে প্রয়োজনে ব্যান করলাম, আবার, প্রয়োজনে ছেড়ে দিলাম, এটা আমার কাছে নীতি বিরুদ্ধ মনে হোয়।
৬) অপব্লগাররা গালাগালি করবেন, দল বেঁধে সামুতে সার্কাস করবেন, উনার উপর মব করবেন, এমন 'সচল' সামুই কি আপনি চান?
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৩০
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
আপনার উত্থাপিত প্রতিটি বিষয়ই যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ এবং চিন্তার দাবি রাখে। তাই বিষয়গুলোকে ব্যক্তিগত পছন্দ-
অপছন্দের ঊর্ধ্বে রেখে, একটু বৃহত্তর ও ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা প্রয়োজন বলেই মনে করি।
প্রথমত, মডারেশন কেবল মডারেশন টিমের একক দায়িত্ব নয় এ কথা নিঃসন্দেহে সত্য। একজন লেখক বা ব্লগার
হিসেবে আমাদের প্রত্যেকেরই দায়িত্বশীল আচরণ, সংযত ভাষা এবং ব্লগীয় নীতিমালা অনুসরণের মাধ্যমে একটি
সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখতে সহযোগিতা করা উচিত। তবে একই সঙ্গে নীতিমালার প্রয়োগ, পরিস্থিতির গুরুত্ব বিচার
এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের এখতিয়ার মডারেশন টিমের ওপরই ন্যস্ত। কাজেই কোনো একটি ঘটনার দৃশ্যমান
অংশের ভিত্তিতে বাইরে থেকে আমরা যেন মডারেশন টিমের অভ্যন্তরীণ বিবেচনা বা সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য সম্পর্কে
চূড়ান্ত মন্তব্য না করি এটিও আমাদের দায়িত্বশীলতার অংশ।
দ্বিতীয়ত, মডারেশন টিমের ব্যয়ভার কীভাবে পরিচালিত হয় এটি অবশ্যই একটি যৌক্তিক প্রশ্ন। তবে সেই আর্থিক
কাঠামো সম্পর্কে আমাদের সবার সম্যক ধারণা না থাকলেও, মডারেশনের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। একটি উন্মুক্ত
প্ল্যাটফর্মকে সুস্থ, নিরাপদ ও সবার উপযোগী রাখার জন্য কোনো না কোনো কার্যকর মডারেশন ব্যবস্থা থাকা
অপরিহার্য। আর সেই ব্যবস্থাকে সহযোগিতা করা লেখক-পাঠক সবারই সম্মিলিত দায়িত্ব।
তৃতীয়ত, অতীতের ভুলের জন্য কেউ যদি আন্তরিকভাবে অনুতপ্ত হন এবং নিজেকে সংশোধনের প্রমাণ দেন,
তাহলে তাঁকে চিরদিনের জন্য দূরে রাখাই একমাত্র ন্যায়সংগত পথ কি না এ প্রশ্নটিও বিবেচনার দাবি রাখে।
শাস্তির উদ্দেশ্য যদি কেবল শাস্তি প্রদান হয়, তবে তার কার্যকারিতা এক জায়গায় গিয়ে সীমিত হয়ে পড়ে।
কিন্তু শাস্তির সঙ্গে যদি সংশোধন, অনুশোচনা এবং ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল আচরণের সুযোগ যুক্ত থাকে, তাহলে
দ্বিতীয় সুযোগেরও একটি মানবিক ও ইতিবাচক মূল্য রয়েছে। অবশ্যই ক্ষমা মানে অতীতের ভুলকে বৈধতা
দেওয়া নয়; বরং ভুলের পর সংশোধনের সম্ভাবনাকে স্বীকার করা।
চতুর্থত, শায়মা আপুর প্রসঙ্গটি এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি শুধু একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্লগারই নন,
এই ব্লগের অন্যতম গুণী ও সম্মানিত ব্লগার বলেই আমারা জানি।আমার ধারনা, তিনি মডারেশন টিমের সঙ্গেও যুক্ত। ব্যক্তিগতভাবে তাঁর প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তিনি একজন নামী ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের গুণী শিক্ষিকাও,
অর্থাৎ কোমলমতি শিশুদের পাঠদানের পাশাপাশি মানুষ গড়ার মতো মহৎ দায়িত্বও পালন করছেন। এমন
একজন মানুষের ব্যক্তিত্বে উদারতা, সহনশীলতা ও ক্ষমাশীলতার ব্যপক উপস্থিতি থাকাটাই বরং স্বাভাবিক।
আমার মনে হয়, তাঁর ‘ক্ষমার ভাণ্ডার’ এতটাই সমৃদ্ধ যে, কেউ না চাইলেও সেখান থেকে কখনো কখনো ক্ষমার
কিছুটা ছিটেফোঁটা অন্যের ভাগ্যেও এসে যেতে পারে। অতীতে কোনো বিষয়ে তিনি কষ্ট পেয়ে থাকলেও, ব্যক্তিগত
ভাবে তিনি হয়তো সেটিকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখেছেন এ সম্ভাবনাটিও আমাদের উড়িয়ে দিতে পারিনা । তা না হলে
ভিন্ন নামে হলেও সেই তিনি এখনো কোনরকমে সিমিত সুবিধা নিয়ে ব্লগে টিকে আছেন কী করে !!!! আর যদি
কোনো ক্ষেত্রে মডারেশন টিম বৃহত্তর স্বার্থে কাউকে সংশোধনের সুযোগ দিয়ে থাকে, তাহলে সেটিকে সরল অর্থে
‘নীতিভঙ্গ’ হিসেবে দেখার আগে সেই সিদ্ধান্তের পেছনে থাকা বিবেচনাগুলোর কথাও ভাবা প্রয়োজন।
পঞ্চমত, ‘প্রয়োজনে ব্যান করলাম, আবার প্রয়োজনে ছেড়ে দিলাম’ এটিকে নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক মনে হওয়াটা
স্বাভাবিক। কিন্তু একই নীতিমালার প্রয়োগ মানেই প্রতিটি পরিস্থিতিতে অভিন্ন সিদ্ধান্ত হবে এমনটি সবসময় নয়।
কোনো ঘটনার প্রকৃতি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পূর্ববর্তী আচরণ, অনুতাপ, সংশোধনের আন্তরিকতা, ভবিষ্যতে নীতিমালা
মেনে চলার সম্ভাবনা এবং সর্বোপরি ব্লগের সামগ্রিক স্বার্থ এসব বিষয় বিবেচনায় রেখেই তো একটি দায়িত্বশীল
মডারেশন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কাউকে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া আর নীতিমালা বাতিল করে দেওয়া এক বিষয় নয়। বরং একটি কার্যকর
নীতিমালার সৌন্দর্য এখানেই যে, প্রয়োজন অনুসারে সতর্কতা, নিষেধাজ্ঞা, সাময়িক বিরতি, ক্ষমা কিংবা
পুনরায় সুযোগ সবকিছুরই যথাযথ স্থান থাকতে পারে।
আর ষষ্ঠ প্রশ্নটি ‘অপব্লগাররা গালাগালি করবেন, দল বেঁধে সার্কাস করবেন, মব করবেন এমন সচল সামুই কি
আমরা চাই?’ এর উত্তর নিঃসন্দেহে না। আমিও এমন কোনো সচলতা চাই না। আমি যে সচল ব্লগের কথা বলছি,
সেটি কখনোই গালিগালাজ, ব্যক্তিগত আক্রমণ, দলবাজি কিংবা মবিংয়ের ওপর দাঁড়ানো সচলতা নয়। বরং আমি
এমন একটি প্রাণবন্ত ব্লগ চাই, যেখানে মতের ভিন্নতা থাকবে, তর্ক থাকবে, যুক্তি-প্রতিযুক্তি থাকবে; কিন্তু থাকবে
পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সংযম এবং সভ্যতার সীমারেখা।
আমার অবস্থান তাই পরিষ্কার অশালীনতা, গালিগালাজ, ব্যক্তিগত আক্রমণ, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপমান কিংবা
কাউকে সম্মিলিতভাবে হেয় করার প্রবণতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এসবের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা অবশ্যই
থাকা উচিত। একই সঙ্গে কোনো ব্যক্তি যদি তাঁর অতীতের ভুল উপলব্ধি করে আন্তরিকভাবে অনুতপ্ত হন, নিজেকে
সংশোধন করেন এবং ভবিষ্যতে ব্লগীয় নীতিমালা মেনে চলার মানসিকতা নিয়ে ফিরে আসতে চান, তাহলে তাঁকে
একটি সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিও মানবিক ও বাস্তবসম্মত বিবেচনার দাবি রাখে।
আর সায়মা আপুর মতো গুণী, জনপ্রিয় ও ক্ষমাশীল একজন মানুষের প্রসঙ্গে আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাস ক্ষমা দুর্বলতার
পরিচয় নয়; অনেক সময় ক্ষমাই একজন মানুষকে সত্যিকার অর্থে সংশোধিত হওয়ার সবচেয়ে বড় সুযোগটি করে
দেয়। একজন শিক্ষক যেমন ভুল করা মানুষকে শুধুই শাস্তি না দিয়ে সংশোধনের পথ দেখান, তেমনি একজন
মহৎ মানুষের ক্ষমাও কখনো কখনো একজন ভুলকারী মানুষকে নতুনভাবে ফিরে আসার অনুপ্রেরণা দিতে পারে।
সবশেষে, ব্লগীয় নীতিমালার প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে এবং বিজ্ঞ ব্লগ টিমের প্রতিও আমার আস্থা ও সম্মান
অটুট। তাঁরা নিশ্চয়ই সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য, অতীত ও বর্তমান আচরণ এবং ব্লগের সামগ্রিক স্বার্থ বিবেচনা করেই
তাঁদের প্রজ্ঞা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবেন। আমাদের কাজ হওয়া উচিত সেই প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা রাখা এবং একই সঙ্গে
একটি সুস্থ পরিবেশ তৈরিতে নিজেদের জায়গা থেকে সহযোগিতা করা।
আমার একান্ত প্রত্যাশা, যারা অতীতে ভুল করেছেন কিন্তু সত্যিই নিজেদের সংশোধন করেছেন এবং ভবিষ্যতে
নীতিমালা মেনে চলতে প্রস্তুত, তাঁদের জন্য যদি পুনরায় ফিরে আসার একটি দায়িত্বশীল ও সুশৃঙ্খল পথ রাখা যায়,
তাহলে হয়তো ব্লগটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।
কারণ ব্লগকে সচল রাখা মানে শুধু সদস্যসংখ্যা বা পোস্টের সংখ্যা বাড়ানো নয়; বরং এমন একটি পরিবেশ তৈরি
করা, যেখানে মানুষ নির্ভয়ে লিখতে পারে, যুক্তিসঙ্গতভাবে মত দিতে পারে, ভিন্নমতকে সম্মান করতে পারে এবং
ভুল হলে সংশোধনের সুযোগও পেতে পারে।
আমরা যদি ব্যক্তি-বিরোধের চেয়ে ব্লগের বৃহত্তর স্বার্থকে, প্রতিশোধের চেয়ে সংশোধনকে, আর বিভেদের চেয়ে
পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যকে একটু বেশি গুরুত্ব দিতে পারি তাহলেই একটি সত্যিকার অর্থে প্রাণবন্ত, পরিণত
ও সমৃদ্ধ ব্লগ গড়ে তোলা সম্ভব।
শুভেচ্ছা রইল
৫|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২৯
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আমাদেরই তো দোষ। আমরা নিজেরাই ব্লগকে সময় দিই না।
কেমন আছেন ভাইয়া।
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫১
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
অনেকে হয়ত সময় বেশিই দেন ,কিন্তু সকল লেখায়
বিচরণ করেন না কিংবা করলেও তার প্রমান রাখেন না ।
পোস্ট পাঠ সংখ্য আর মন্তব্য সংখ্যা দেখলেই
বুঝতে পারবেন । তাই কামনা করি যাই হোক
কিছু না কিছু লিখে সকলেই যেন ব্লগটিকে
প্রানবন্ত করে তুলেন ।
শুভেচ্ছা রইল
৬|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২২
শাহিন-৯৯ বলেছেন:
কিছু হাস্যকর প্রস্তাব দিচ্ছি।
এক, প্রতি মাসে ভ্রমণ ভিত্তিক ব্লগ প্রতিযোগিতা আয়োজন রাখতে হবে। বিচারক, নির্বাচিত ব্লগ নিয়ে প্রচুর সমালোচন হয়ে থাকে তবুও করতে হবে। পুরস্কার সচ্ছল ব্লগাররা ডোনেশন দিবে বলে আমার বিশ্বাস যদি সামু কর্তৃপক্ষ সিরিয়াস হয়।
(এই ব্লগে শামস শোভন নামের এক ব্লগারের লাদাখ ভ্রমণ কাহিনীর সুত্র ধরে আমার এখানে আসা, আজকাল ভ্রমণ ব্লগ কেউ লিখে বলে হয় না, সবাই টাকার রোজগারের ধান্দায় ফেসবুকে, ই্টিউবে ঝুকে গেছে)
সাদা মনের মানুষ নিয়মিত লিখতো এই বিষয়ে কেউ আর লিখে না।
একই ভাবে মাসে যে কোন বিষয় প্রযোগিতা আয়োজন করলে ব্লগের গতি বাড়বে।
ব্লগের অন্যতম সমস্যা আর্থিক, ব্লগার মরহুম আবু হেনা মোহাম্মদ আশরাফুল ভাইয়ের একটি লেখার ভিত্তি করে ইমেইল আলোচনায় অনেক প্রস্তাব এসেছিল কিন্তু পরে আর আলোর মুখ দেখে নাই।
এটি ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রপার্টি, আমরা ফ্রি পড়ছি, লিখছি এটুকুই সিধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আছে আমাদের বাকি সব জানা আপার সিধান্তের উপর নির্ভর করবে এই ব্লগ টিকে থাকবে নাকি হারিয়ে যাবে নাকি ঠাঁই হবে ইতিহাসের পাতায়।
ব্লগের এই অচল সময়ে আপনার লেখাটি হয়তো কিছুটা কর্তৃপক্ষের নড়েচড়ে বসাবে।
যদি তারা নড়েচড়ে বসে কিছু ভাল প্রস্তাব নিয়ে আসে তাহলে সত্যিই ভাল লাগবে।
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:০৬
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
আপনার মন্তব্যটি পড়ে সত্যিই ভালো লাগল। হাস্যকর প্রস্তাবের আড়ালে যে গভীর মমতা, অভিজ্ঞতা আর ব্লগটিকে
আবার প্রাণবন্ত দেখার আকাঙ্ক্ষা আছে সেটিই আসলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ভ্রমণবিষয়ক লেখা নিয়ে আপনার কথাটিও বেশ প্রাসঙ্গিক। একসময় একটি ভালো ভ্রমণকাহিনী পড়ার জন্য যেমন
পাঠকের আগ্রহ থাকত, তেমনি লেখকদের মধ্যেও ছিল সেই অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ভিডিও প্ল্যাটফর্মের ব্যস্ততায় সেই ধারাটি অনেকটাই ম্লান হয়েছে। অথচ একটি ভালো ভ্রমণ
কাহিনী শুধু জায়গার বর্ণনা নয়, তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে মানুষের অনুভূতি, ইতিহাস, প্রকৃতি আর লেখকের নিজস্ব
দেখার চোখ।
মাসিক প্রতিযোগিতা, বিষয়ভিত্তিক আয়োজন কিংবা পুরস্কারের মতো উদ্যোগগুলো হয়তো ব্লগের প্রাণচাঞ্চল্য
কিছুটা ফিরিয়ে আনতে পারে এমন উদ্যোগের সঙ্গে আমিও একমত। তবে শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় প্রয়োজন
হলো কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছা এবং আমাদের, অর্থাৎ ব্লগার-পাঠকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ।
আবু হেনা মোহাম্মদ আশরাফুল ভাইয়ের প্রসঙ্গটিও মনে করিয়ে দিলেন । আমাদের সকলের প্রিয় প্রয়াত এই
গুণী ব্লগার, লেখক, প্রাবন্ধিক ও ঔপন্যাসিক আবু হেনা মোহাম্মদ আশরাফুল ভাইয়ের প্রতি এই সুযোগে রইল
শ্রদ্দাঞ্জলী। সময় পেরিয়ে গেলেও কিছু মানুষের চিন্তা ও অবদান থেকে যায়। তাঁর সেই লেখাটিতে আমিউ বহবার
ডু মরে প্রচুর তথ্য উপাত্ত ও দিক নির্দেশনামুলক কথা বলেছিলাম । আমার মতো আরও অনেকের ভাবনা,
আলোচনা ও প্রস্তাব ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে সেখানে ; সেগুলো নতুন করে সামনে আনা যেতে পারে।
আপনি ঠিকই বলেছেন এটি ব্যক্তি মালিকানাধীন প্ল্যাটফর্ম। ফলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষমতা আমাদের হাতে নেই।
কিন্তু আমাদের হাতে যা আছে, তা হলো লেখা, পড়া, আলোচনা করা এবং ভালো কিছু করার দাবি তোলা।
একটি মৃতপ্রায় জায়গাকে বাঁচিয়ে রাখার প্রথম শর্তই তো হলো সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব জানান দেওয়া।
আমার লেখাটি যদি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং সত্যিই কোনো ইতিবাচক উদ্যোগের সূচনা হয়, তাহলে
সেটাই হবে লেখাটির সবচেয়ে বড় সার্থকতা। শেষ পর্যন্ত সামহোয়্যারইন ব্লগ যেন শুধু ইতিহাসের একটি অধ্যায়
না হয়ে আবারও বাংলা ব্লগিংয়ের একটি জীবন্ত, প্রাণবন্ত ঠিকানা হয়ে ওঠে এই প্রত্যাশাই করি।
আপনার মতো পুরোনো ও আন্তরিক পাঠকদের কথাই হয়তো সেই আশাটাকে এখনও বাঁচিয়ে রেখেছে।
কৃতজ্ঞতা ও শুভকামনা রইল।
৭|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২৫
মাথা পাগলা বলেছেন: গাজীসাহেব ব্যান হবার পর পাকিস্তানপন্থীরা ব্লগের পরিবেশ নষ্ট করেছে। "গাজীসাহেব ব্যান" মেটিক্যুলাস ডিজাইনের অংশ।
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:২৭
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
আপনার মন্তব্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। তবে বিষয়টি নিয়ে নিরপেক্ষভাবে দেখতে গেলে, একজন
নির্দিষ্ট ব্লগারের ব্যান হওয়ার পর থেকেই পুরো ব্লগের পরিবেশ একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক পক্ষের কারণে নষ্ট হয়েছে
এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে বিষয়টির পেছনের ঘটনাপ্রবাহ, সময়কাল এবং অন্যান্য কারণগুলোও বিবেচনায়
নেওয়া প্রয়োজন।সেটা এমন একটি সময় ছিল মব যে কখন কার ঘারে চেপে বসত এমনকি সামুও হয়ত বাদ
যেতোনা !!!!
ব্লগের পরিবেশ খারাপ হওয়ার পেছনে রাজনৈতিক মতাদর্শ, পারস্পরিক বিরোধ, ব্যক্তিগত আক্রমণ, অসহিষ্ণুতা
কিংবা কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত একাধিক কারণ একসঙ্গে কাজ করতে পারে। তাই কোনো একটি পক্ষকে দায়ি
দায়ী করার পাশাপাশি কীভাবে একটি সুস্থ ও মতপ্রকাশবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনা যায়, সেটিই বোধহয়
এখন বেশী গুরুত্বপূর্ণ।
আর গাজীসাহেব ব্যান যদি সত্যিই কোনো বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হয়ে থাকে, আর সে অলোচনা চলতে থাকে
তাহলে আলোচনাটি আরও বিভাজিত হয়ে যেতে পারে, আমার মুল লক্ষ্যই হলো ব্লগের সুদিন ফিরিয়ে আনা ।
আমার মনে হয়, কে কোন রাজনৈতিক মতের চেয়ে বড় কথা হলো, তিনি যুক্তিসঙ্গতভাবে লিখছেন কি না,
অন্যের মতকে সম্মান করছেন কি না এবং ব্লগের পরিবেশকে সুস্থ রাখতে ভূমিকা রাখছেন কি না। মতের
পার্থক্য থাকুক, কিন্তু পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতাটুকু যেন থাকে সেটিই এখন সবচেয়ে প্রয়োজন। আর
যদি তার ব্যতয় ঘটে তাহলে বিজ্ঞ ব্লগ টীম যে ব্যবস্থা নেয়া সমীচিন মনে করবেন তা তাাঁরা নিতেই পারেন ।
শুভেচ্ছা রইল
৮|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:০২
রাজীব নুর বলেছেন: সহমত।
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:৩০
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
সহমত প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ ।
৯|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:২৬
আহমেদ জী এস বলেছেন: ডঃ এম এ আলী,
আপনার এই মহতী আহ্বানের সাথে সহমত হয়ে আপনার মতোই বলি----
যেসব পুরোনো ও একসময় অত্যন্ত সক্রিয় ব্লগার বিভিন্ন কারণে আজ ব্লগের বাইরে বা ব্যানের মধ্যে আছেন তাদের অনুরোধ, রাগ-মান-অভিমান- দুঃখ ভুলে ফিরে আসুন।
এই জরাজীর্ণ ব্লগটাকে দেখতে ভালো লাগছেনা। ব্লগে আজও যারা সক্রিয় আছেন, তাঁদের উপস্থিতি অবশ্যই মূল্যবান। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে যদি পুরোনো, অভিজ্ঞ- অনভিজ্ঞ ব্লগার যারা একসময় অত্যন্ত সক্রিয় ব্লগার হিসেবে এখানে মুখ দেখিয়েছিলেন তারা যদি ফিরে আসেন তবে ব্লগখানি আবার তার যৌবন ফিরে পেতে পারে।
তাই সকলের কাছে অনুরোধ, পুরোনোদের ফিরিয়ে আনুন , নতুনদের উৎসাহিত করুন এবং সুস্থ মতবিনিময়ের পরিবেশ তৈরি করুন তাবেই হয়তো আবারও এই ব্লগ তার হারানো প্রাণ ফিরে পেতে পারে।
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১১
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
আপনার এই আন্তরিক, মমতামাখা ও হৃদয়স্পর্শী আহ্বানের সঙ্গে শুধু সহমত পোষণ করছি না মনে হচ্ছে, ব্লগের
এই ক্রান্তিকালে একটি সুদৃঢ় আকাঙ্ক্ষাই যেন আপনার কণ্ঠে ভাষা পেয়েছে।
আপনার মতো একজন প্রবীণ, অভিজ্ঞ ও প্রাজ্ঞ ব্লগারের কাছ থেকে এমন আহ্বান নিঃসন্দেহে বিশেষ তাৎপর্য বহন
করে। আপনি ব্লগটিমের আনুষ্ঠানিক কোনো সদস্য নন কিন্তু দীর্ঘদিনের লেখালেখি, চিন্তাশীল প্রবন্ধ-নিবন্ধ,
ব্যঙ্গ-রসাত্মক রচনা এবং সর্বোপরি আপনার প্রখর ও প্রাণবন্ত মন্তব্যের মধ্য দিয়ে আপনি যে অবস্থানটি তৈরি
করেছেন, সেটি আনুষ্ঠানিক কোনো পরিচয়ের চেয়ে অনেক বড়। আমার ধারণা, ব্লগটিমের কাছেও আপনি
একজন শ্রদ্ধেয়, ওজনদার এবং মনোযোগ দিয়ে শোনা হয় এমন একজন প্রবীণ সহযাত্রী। তাই আপনার মতো
একজন মানুষের কণ্ঠে যখন ব্লগের পুনর্জাগরণের আহ্বান উচ্চারিত হয়, তখন সেটিকে নিছক একজন পাঠকের
মন্তব্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই এটি বরং দীর্ঘদিনের একজন শুভাকাঙ্ক্ষীর আন্তরিক আবেদন।
ব্লগের দীর্ঘ পথচলায় আপনি শুধু লিখেই যাননি; বিভিন্ন সময়ে ব্লগটিকে আরও সচল, সমৃদ্ধ ও প্রাণবন্ত করার প্রয়ো-
জনীয়তা নিয়ে কলম ধরেছেন। আপনার বেশ কিছু মূল্যবান লেখা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে স্টিকি করে প্রথম পাতায়
দীর্ঘ সময় ধরে রাখা হয়েছিল যা আপনার লেখার গুরুত্ব ও গ্রহণযোগ্যতার একটি নীরব স্বীকৃতি বলেই মনে হয়।
আপনার এই অবদানগুলোর কথা স্মরণ করছি কোনো ব্যক্তিগত প্রশংসার উদ্দেশ্যে নয়; বরং আপনার প্রতি একজন
সহব্লগার ও পাঠক হিসেবে আমার গভীর শ্রদ্ধা এবং কৃতজ্ঞতা থেকেই।
আপনি খুব সুন্দর একটি সত্য উচ্চারণ করেছেন একটি ব্লগ কেবল তার বর্তমান লেখকদের সমষ্টি নয়; একটি ব্লগ
তার অতীত, তার স্মৃতি, তার সোনালি সময় এবং তার অসংখ্য মানুষের পদচিহ্নেরও নাম।
একসময় যারা এই ব্লগের পাতায় নিয়মিত লিখতেন, তর্ক করতেন, হাসতেন, অভিমান করতেন, একে অন্যের লেখায়
ছুটে যেতেন তাঁদের অনেকেই আজ নেই। কেউ অভিমানে দূরে, কেউ জীবনের ব্যস্ততায়, কেউ পরিস্থিতির কারণে,
কেউ হয়তো ব্যানের কারণে। তাঁদের অনুপস্থিতিতে শুধু কয়েকটি ইউজারনেম হারিয়ে যায়নি; হারিয়ে গেছে অনেক
গুলো স্বর, অনেকগুলো দৃষ্টিভঙ্গি, অনেকগুলো গল্প এবং সবচেয়ে বড় কথা একটি সময়ের প্রাণচাঞ্চল্য।
তাই তাঁদের ফিরে আসার আহ্বান নিছক ‘পুরোনো ব্লগারদের ফিরিয়ে আনা’র আহ্বান নয়। এটি যেন ব্লগের হারিয়ে
যাওয়া স্মৃতিগুলোকে আবার বর্তমানের সঙ্গে যুক্ত করার আহ্বান।
অবশ্যই পুরোনোরা ফিরে আসুন। তবে ফিরে এসে তাঁরা যেন অনুভব করেন এই জায়গাটি এখনও তাঁদের নিজের;
এখানে ভিন্নমত প্রকাশ করা যায়, তর্ক করা যায়, প্রশ্ন করা যায়, এমনকি দ্বিমত পোষণ করেও পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা-
শীল থাকা যায়। কারণ একটি প্রাণবন্ত ব্লগের সৌন্দর্য মতের মিলনে নয়, বরং মতের বৈচিত্র্যের মধ্যেও সহাবস্থানের
সংস্কৃতিতে।
নতুনদের কথাটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুরোনোরা অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরবেন, আর নতুনরা নিয়ে আসবেন নতুন চোখ,
নতুন ভাষা, নতুন ভাবনা। এই দুই প্রজন্মের মিলনেই তো একটি প্ল্যাটফর্ম নতুন যৌবন পেতে পারে। পুরোনোদের
স্মৃতি আর নতুনদের স্বপ্ন এই দুইয়ের সেতুবন্ধনেই হয়তো আবার তৈরি হতে পারে সেই প্রাণবন্ত পরিবেশ, যার কথা
আমরা আজ এতটা আবেগ নিয়ে স্মরণ করছি।
আর আপনার এই মন্তব্যের আরেকটি দিক আমার কাছে বিশেষ আশাব্যঞ্জক। আপনি যেহেতু দীর্ঘদিন ধরে ব্লগটির
সঙ্গে আছেন এবং বিভিন্ন সময়ে এর উন্নতি ও ভবিষ্যৎ নিয়ে সুচিন্তিত মতামত দিয়েছেন, আপনার এই আহ্বানটি
আমার বিশ্বাস কর্তৃপক্ষের কাছেও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হবে। আপনার মতো একজন শ্রদ্ধেয় ও ওজনদার
ব্লগারের প্রকাশ্য মতামত হয়তো নতুন করে ভাবতে, আলোচনা করতে এবং ইতিবাচক কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণে
ব্লগটিমকে উৎসাহিত করবে। যদি আপনার এই আহ্বানের সূত্র ধরে কোনো কার্যকর উদ্যোগের সূচনা হয়, তাহলে
সেটি নিঃসন্দেহে আমাদের সবার জন্য আনন্দের হবে।
ব্লগের যৌবন হয়তো হুবহু ফিরে আসবে না। সময় কখনো পেছনে হাঁটে না। কিন্তু হারিয়ে যাওয়া দিনের সবকিছু
ফিরে না এলেও তার প্রাণের কিছুটা কি ফিরিয়ে আনা যায় না? আমার বিশ্বাস, যায়।
এখনও যারা লিখছেন, তাঁদের পাশে যদি ফিরে আসেন একদিনের সেই ব্যস্ত মুখগুলো; নতুনরা যদি সাহস পান
নিজের কথা বলার; আর কর্তৃপক্ষ যদি আরও উদার, সক্রিয় ও ইতিবাচক কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেন তাহলে এই
নিস্তব্ধতার মধ্য থেকেও হয়তো আবার শোনা যাবে পুরোনো সেই কোলাহল।
তাই আপনার আহ্বানের সঙ্গে আমিও কণ্ঠ মিলিয়ে বলতে চাই
অভিমান থাকুক, তবু ফিরে আসুন।
মতের অমিল থাকুক, তবু কথা বলুন।
পুরোনো ক্ষত থাকুক, তবু নতুন দিনের জন্য দরজা খুলুন।
পুরোনোরা ফিরুন, নতুনরা আসুন আর আমরা সবাই মিলে আমাদের প্রিয় ব্লগটির নিভু নিভু প্রদীপটিতে
আবার একটু প্রাণের বাতাস দিই।
হয়তো একদিন ফিরে তাকিয়ে আমরা বলতে পারব
না, ব্লগটি হারিয়ে যায়নি; কেবল কিছুটা ঘুমিয়ে পড়েছিল।
আপনার মতো নিবেদিতপ্রাণ ও শ্রদ্ধেয় সহযাত্রীর এমন একটি মহতী আহ্বান সেই ঘুম ভাঙার ঘণ্টাধ্বনি
হয়ে উঠুক এই প্রত্যাশাই রইল।
আপনার মূল্যবান মতামতের প্রতি রইল আন্তরিক শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা।
শুভেচ্ছা রইল
১০|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২০
রাজীব নুর বলেছেন: চাঁদগাজী প্রথম পাতায় এলেই ব্লগের খড়া কেটে যাবে।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৫২
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ব্লগে এক ধরনের মেরুকরন চলছে ।
বিশেষ বিশেষ পচন্দের লেখকের লেখা
ছাড়া ব্লগে এখন আর কেও সহজে
সকলের লেখায় পর্বের মত বিচরণ
করেন না ।
ব্লগে এখনো যারা কৃপনতা পরিহার
করে খোলা মন নিয়ে ব্লগে বিচরণ
করেন তাহলে ব্লগ ব্লগের কিছু
কর্নার ঠিকই দারুন ভাবে সচল
থাকে বিশ্বাস না হলে জনপ্রিয়
ব্লগার শায়মাপুর ব্লগ বাড়ীতে
ঘুরে আসুন ।
তাই বলছি খোলামন নিয়ে সকলে
সকলের ব্লগ বাগানে বিচরণ করলে
মাত্র ১০/১২ জনেই মন্তব্য প্রতি মন্তব্য
প্রশ্ন উত্তর প্রভৃতির মাধ্যমে একটি
ব্লগ পোস্ট কে ভরিয়ে দেয়া যায় ।
আপনার হয়তবা মনে পড়বে
সাদামনের পোস্টে আমাদের জনপ্রিয়
গুণী ব্লগার পাল্টাপাল্টি ২০/২৫ টি
মন্তব্য প্রতি মন্তব্য দিয়ে সেই পোস্টিকে
প্রানবন্ত করে তুলতেন । শালীনতার
ভিতরে মন্তব্য প্রতিমন্তব্যে মাত্র ২ জন
ব্লগারই একটি পোস্টের মাধ্যমেই ব্লগটি
জীবন্ত করে তোলার উজ্জল দৃষ্টান্ত রেখে
গেছেন ।
উল্লেখ্য আমাকে কেও আনুসরন করছেন
এমন নোটিশ পাওয়ার পরে আমি সেই
ব্লগারের পোস্টে থাকা প্রায় সবগুলি পোস্ট
পাঠ করে মন্তব্য করে আসলেও তিনি আমার
কোন পোস্ট পাঠ করেছেন এমন চিহ্ন দেখতে
পাইনি ।
আবার এমনো অনেক প্রতিষ্ঠিত নামী ব্লগার আছেন
যাদেরকে ৩/৪শত ব্লগার অনুসরন করলেও তারা
কিন্তু হাতে গোনা মাত্র কয়েক ব্লগারকে অনুসরন
করছেন মর্মে দেখা যায় । এর মানে হল নোটিশ
পেয়েও তিনি তাকে অনুসরনে আনেন না কিংবা
তাঁকে স্বিকৃতি দেয়ার প্রয়োজন বোধ করেন না ।
তাই আমি পুর্বের মতই বলি কৃপনতা পরিহার
করে দল মত ভেদে যতার্থভাবে যুক্তি তর্কের
মাধ্যমে মন্তব্য প্রতি মন্তব্য লিখে ব্লগটিকে এই
ক্রান্তিকালে সচল রাখার মনোভাগ পোষন
করবেন । আমার মতে ব্লগকে অচল করার
জন্য কাটা ফাটা তির্যক মন্তব্য দানকারীর চেয়ে
সুসিল ব্লগারদের মুখ চিনে লেখার ধরন ধারন দেখে
কারণ বুজে তার পোস্টে ডু মারেন ।
আমি সকলের ব্যক্তি স্বাধিনতায় বিশ্বাসী , এটা তারা
করতেই পারেন,তবে কথা হল যারা কারো ব্লগ
বাড়ীতে যে কোন কারনেই হোক বিচরন করেন তখন
সেই পোস্টে ছোট্ট করে একটি চিহ্ন রেখে গেলেও
ব্লগটি সচল হয়, লেখক উতসাহ পান , আমার মাথায়
আসেনা একটু কৃপনতা পরিহার করলে কী এমন বড়
মাপের ক্ষতি হয় । যাহোক কারো লেখা একেবারেই
পছন্দ না হলে তার পোস্টে আযথা ঢুকে সেই ব্লগারে
প্রোফাইলে নীচে সাম্প্রতিক যারা তার ব্লগে বিচরন
করছেন অথচ পোস্টে গিয়ে কিছুই বলেন নাই বলে
একটি হতাশার চিত্র তৈরী না করলেই কী হয় না,
এটাকেই বলে ফেলাসী অফ কম্পোজিসন । 'তথা
উনার মতই যদি , যদি কেন ণিশ্চিতই যে সেই
ব্লগারো উল্টা আচরনই তার সাথে করছেন ,
লাভের লাভ কিছু হচ্ছেনা বরং পারস্পরিক মিথক্রিয়া
সকলের জন্যই কমছে ও উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ।
যাহোক, নীজ নীজ স্বাধিনতা বলতে একটি কথা আছে ।
তবে মোট কথা হল ব্লগটি বলা যায় অনেকটাই ঝিমিয়ে
পড়েছে অনেকের দুর্বল বা হীনবল মন মানসিকতার
কারনে । সকলেই কৃপনতা ঝেড়ে উঠতে পারলে ব্লগটি
আজ এখন হতেই বেগবান হতে পারে এ বিশ্বাস আমার
আছে ।
শুভেচ্ছা রইল
১১|
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৫৬
শায়মা বলেছেন: ভাইয়া
দিনে দিনে বড় লেখা ও লেখা পড়বার মানুষেরাই কমে যাচ্ছে। যাও বা আছে ফেসবুক, রীলসে বা নিজেদের পেইজে। তাছাড়াও মানুষের ব্যস্ততা বেড়েছে। ইচ্ছা থাকলেও সময়, সুযোগের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে ব্লগারেরা.......
কত হারিয়ে যাওয়া মানুষেরা জানিনা আজ কোথায় আছে কেমন আছে? এখনও যারা কয়েকজন উঁকি দিয়ে যায় তাদের নেশা কেটে গেছে। তবুও উঁকি দিয়ে যায়......
জানিনা কত দিন আর টিকে থাকবে বাকীটুকু নেশা.......
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:৫৩
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
আপুমনি তোমার চিন্তাভাবনা খুবই বাস্তবসম্মত এবং সমসাময়িক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের (ফেসবুক, রিলস)
আধিক্য এবং মানুষের ব্যস্ততার কারণে দীর্ঘ লেখা পড়ার অভ্যাস এবং ব্লগিং প্ল্যাটফর্মগুলো সত্যিই সংকটের মুখে
পড়েছে। তবে সঠিক কিছু পদক্ষেপ এবং কৌশল অবলম্বন করলে ব্লগারদেরকে পুনরায় উজ্জীবিত করা এবং দীর্ঘ
লেখার পাঠক ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
ব্লগিংয়ের জগৎকে চাঙ্গা করতে নিচের পদক্ষেপগুলো নেওয়া যেতে পারে:
নতুন যুগের উপযোগী প্রযুক্তি ও ফরম্যাট ব্যবহার
ব্লগ ও অডিওর সমন্বয় (Podcasting): অনেক সময় মানুষ ব্যস্ততার কারণে পড়তে পারেন না। কিন্তু হেডফোন
লাগিয়ে শুনতে পারেন। প্রতিটি ব্লগে যদি লেখার পাশাপাশি একটি 'Audio/Listen' বাটন থাকে, তবে ব্যস্ত
পাঠকরাও যুক্ত হতে পারবেন।
মাইক্রো-ব্লগিং (Micro-blogging): বিশাল বড় লেখা একবারে না লিখে সেটিকে ছোট ছোট পর্বে ভাগ করে সিরিজ
আকারে প্রকাশ করা হলে মনে হয় ভাল কাজ করবে , এর একটি ভাল অভিজ্ঞতা তো তোমার আছেই সিরিজ হিসাবে
লেখা কঙ্কাবতী রাজকন্যার কথা তো আমরা ভুলে যাইনি ।
মোবাইল ফ্রেন্ডলি প্ল্যাটফর্ম: ব্লগ সাইটগুলোকে অত্যন্ত দ্রুত (Fast loading) এবং মোবাইলে পড়ার উপযোগী (
Responsive) করে তুলতে হবে।
অর্থনৈতিক অনুপ্রেরণা (Monetization)
সরাসরি আয় বা সাবস্ক্রিপশন: ব্লগাররা যদি তাদের লেখার বিনিময়ে আয়ের সুযোগ পান, তবে তারা সময় দিতে
উৎসাহিত হবেন। যেমন Substack বা Patreon-এর মতো মডেল, যেখানে ভালো লেখার জন্য পাঠকরা সরাসরি
সাবস্ক্রাইব করেন।
রাইটিং কনটেস্ট ও পুরস্কার: প্ল্যাটফর্ম বা বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ থেকে নিয়মিত সেরা ব্লগ বা সেরা লেখকের জন্য আর্থিক
পুরস্কার ও সম্মাননার ব্যবস্থা করা।
পাঠক ও লেখকের মেলবন্ধন (Community Building)
আলোচনা সভা ও অফলাইন আড্ডা: শুধু অনলাইনেই নয়, ব্লগার এবং পাঠকদের নিয়ে নিয়মিত সাহিত্য সভা,
কর্মশালা বা গেট-টুগেদার আয়োজন করা। এতে একে অপরের সাথে যোগাযোগ ও লেখার অনুপ্রেরণা বাড়ে।
সোশ্যাল মিডিয়াকে সহযোগী বানানো
রিলস বা শর্টস দিয়ে ব্লগে পাঠক আনা: ফেসবুক রিলস বা টিকটককে দুষারোপ নানা করে, সেগুলোকে ট্রেলার
হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। ১ মিনিটের একটি ভিডিওতে ব্লগের মূল আকর্ষণীয় অংশটুকু বলে, বাকিটা
পড়ার জন্য মূল ব্লগের লিংক দেওয়া যেতে পারে।
প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্লগিংয়ের চর্চা: স্কুল-কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল লেখার জন্য তাদের জন্য ব্লগিং
প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা এবং ভালো লেখার জন্য ক্রেডিট বা গ্রেড পয়েন্টের ব্যবস্থা করা।
এখানে এখন ভোর ৬ টা , ঘুমে কাতর , সেই সন্ধা হতে ব্লগে পড়ে আছি । অনেক কমেন্ট প্রতি উত্তর ও ব্লগে প্রকাশের
জন্য ১ কবিতা ও ২ টি ব্লগ পোস্ট এর খসড়া তৈরী করেছি । এখন ঘুম চোখে আর লিখতে পারছিনা । এখানে তোমার
জন্য লেখা প্রতি উত্তরের বিষয় নিয়ে সন্ধায় পৃথক একটি পোস্ট দেয়ার ইচ্ছা রাখি ইনশাল্লাহ ।
শুভেচ্ছা রইল ।
১২|
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:১২
চারাগাছ বলেছেন:
পাসওয়ার্ড উদ্ধার নিয়ে একটা পোষ্ট দিয়েছিলাম। সেটার কোন সমাধান পাইনি। রিয়েলিটি হচ্ছে সামু মৃত।
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১০
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
মৃত নয় তবে ম্রিয়মান । মৃতকেও সঞ্জিবিত করা যায় সঞ্জিবনী সুধা পানে ।
একে কেও না কেও এখনো হাল ধরে আছেন তানা হলে এখানে এখনো
লিখতাম কেমনে । নিশচয়ই পাসোয়ার্ড সমস্যার সমাধান হয়েছে , তানা
হলে লগ ইন করলেন কীভাবে , অবশ্য অন্য কোন নিকের হলে ভিন্ন কথা ।
শুভেচ্ছা রইল
১৩|
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৩৫
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
মৃত নয় তবে ম্রিয়মান । মৃতকেও সঞ্জিবিত করা যায় সঞ্জিবনী সুধা পানে ।
একে কেও না কেও এখনো হাল ধরে আছেন তানা হলে এখানে এখনো
লিখতাম কেমনে । নিশচয়ই পাসোয়ার্ড সমস্যার সমাধান হয়েছে , তানা
হলে লগ ইন করলেন কীভাবে , অবশ্য অন্য কোন নিকের হলে ভিন্ন কথা ।
শুভেচ্ছা রইল
১৪|
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪০
পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সঠিক উপলব্ধি। কিন্তু জানিনা আজকের দিনে অন্যান্য ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশ যত সহজে হয় ব্লগে এমন ইজি অ্যাকসেস পাওয়া যাবে কিনা। আমি এই মুহূর্তে ব্রাউজার থেকে ঢুকতে পারছি না। কিন্তু ফেসবুকে জ্যোতির্ময়দার পোস্টের লিঙ্ক ধরে এখানে আসতে পারছি। সবসময় এটা যে হচ্ছে তা নয়। কিন্তু কয়েকবার চেষ্টা করে ফুল ভার্সন আসছে। এমন ঘুর পথে অপেক্ষায় থাকলে দেশের বাইরে যারা থাকেন তাদের লগ ইন সমস্যা থেকেই যাবে। যদিও দেশের মধ্যে থেকে লগ ইন কেমন জানি না। যাইহোক একসময়ের প্রাণবন্ত ব্লগের সুদিনের অপেক্ষায় রইলাম।
১৫|
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৫
চারাগাছ বলেছেন:
স্বপ্নবাজ সৌরভ তার পাসওয়ার্ড উদ্ধার করতে পারছে না।
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:১০
ঋণাত্মক শূণ্য বলেছেন: স্টিকি করা হোক!