| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ডঃ এম এ আলী
সাধারণ পাঠক ও লেখক
জুলাই আগস্ট সেপ্টেম্বর কোন মাসেই নয় ..।
দুর্নীতি সেদিনই বন্ধ হবে
যেদিন মানুষ নিজের কাছে
মিথ্যে বলা বন্ধ করবে
অন্যায়ের সঙ্গে আপস না করে
সত্যের পথে দৃঢ় পায়ে চলবে।
যেদিন বিবেক জাগবে মনে
লোভ হারাবে তার আসন
অন্যের অধিকার কেড়ে নেওয়াকে
মানুষ ভাববে মহাপাপের কারণ।
যেদিন ঘুষের টাকায় সুখ নয়
সততার রুটিতেই হবে তৃপ্তি
অন্যায় করে বড় হওয়ার চেয়ে
সত্য পথে ছোট থাকাই হবে গৌরবের বৃত্তি।
যেদিন ক্ষমতার আসনে বসে
মানুষ ভুলবে না মানুষের কথা
নিজের স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে
রক্ষা করবে ন্যায়ের ব্যথা।
যেদিন ভয়কে জয় করে মানুষ
বলবে অন্যায় শুধু অন্যায়ই
সত্য কথা বলার অপরাধে
নতমুখ হবে না কোনো ভাই।
যেদিন শিক্ষক বিক্রি হবে না
বিচার বিকোবে না টাকার দামে
যোগ্যতার মূল্য ফিরবে আবার
সততার নির্মল সম্মানে।
যেদিন কর্মকর্তা বুঝবেন
এই পদ কোনো ব্যক্তিগত ধন নয়
এটি মানুষের অর্পিত আমানত
জনসেবাই যার একমাত্র পরিচয়।
যেদিন সন্তানকে মা বাবা বলবে
বড় হও, কিন্তু সৎ থেকো
অঢেল সম্পদ নয়, চরিত্রের আলোয়
নিজের জীবনটাকে রেখো।
সেদিন সমাজ বদলাবে ধীরে
বদলাবে দেশের চেহারা
আইনের ভয়ে নয় বিবেকের ভয়ে
থামবে অন্যায়ের ধারা।
কারাগার দিয়ে দুর্নীতি থামে না
শুধু শাস্তিতে মুছে না পাপ
মানুষের অন্তর শুদ্ধ হলে তবেই
অন্যায়ের হবে শেষ অধ্যায়।
তাই পরিবর্তন চাইলে আগে
নিজের হৃদয়ে জ্বালো আলো
নিজে সৎ হও, নির্ভীক হও
তারপর পৃথিবীকে বলো ভালো।
দুর্নীতি সেদিনই বন্ধ হবে
যেদিন মানুষ হবে সত্যের সৈনিক
লোভের কাছে নত হবে না মাথা
বিবেক হবে তার সবচেয়ে বড় নৈতিক।
তাই জুলাই , আগস্ট সেপ্টেম্বর
কোন মাসেই দেশ বদলাবে না
বদলাবে সেদিনই
যেদিন মানুষ বদলাবে নিজে
আইন থাকবে তার জায়গায়
কিন্তু ন্যায় বাস করবে
মানুষের হৃদয় গহীনে ।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:০৯
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
শায়মাপু ,
সেই দিন আসবে কবে জানি না, তবে অপেক্ষায় আছি
যেদিন মানুষ আয়নায় নয়, বিবেকের চোখে নিজেকে দেখবে।
যেদিন পরিবর্তনের দাবি উঠবে না শুধু রাজপথে
প্রতিটি মানুষের অন্তরে নীরবে বিপ্লব জাগবে।
সেদিনই তাণ্ডব ছাড়াই বদলে যাবে দেশ
কারণ দেশ তো বদলায় না, বদলায় মানুষ
আর মানুষ বদলালেই বদলায় ইতিহাস।
শুভেচ্ছা রইল
২|
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:১৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: করাপশন বন্ধ হউক ।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:০৭
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
এই দাবী গন দাবীতে পরিনত করতে হবে ।
৩|
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৪৬
রোকসানা লেইস বলেছেন: অন্দ্রে রন্দ্রে অসততা যে জাতির শুধুই নিজের ভালোটুকু খোাঁজা তার মাঝে ছিটে ফোটা দু চারজন ভালো থাকার ভালো করার চেষ্টা চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চুপ হয়ে যান অথবা হারিয়ে যান। যদি তেমন কোন দেবদুত আবার এসে হাল ধরেন সেই আশায় আশাবাদি হলাম আবার, আপনার কবিতা পড়ে।
কবিতা ভালো হয়েছে
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১৪
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
কবিতা ভাল লেগেছে শুনে খুশী হলাম ।
আপনার কথা শুনে মনে পড়ে গেল
কবি কৃঞ্চচন্দ্র মজুমদারের লেখা
কবিতা বুঝিবে সে কিসে।
চিরসুখীজন ভ্রমে কি কখন
ব্যথিতবেদন বুঝিতে পারে।
কী যাতনা বিষে, বুঝিবে সে কিসে
কভূ আশীবিষে দংশেনি যারে।
যতদিন ভবে, না হবে না হবে,
তোমার অবস্থা আমার সম।
ঈষৎ হাসিবে, শুনে না শুনিবে
বুঝে না বুঝিবে, যাতনা মম।
তাই অসত্যতা ও দুর্নীতির ফসল
যতক্ষন দুর্নীতিকারী নীজে ভোগ
করবে ততদিন এটা চলতেই থাকবে।
শুভেচ্ছা রইল
৪|
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫৭
আলামিন১০৪ বলেছেন: জামাত ক্ষমতায় আসলে দুর্নীতি কি কমবে?
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১৯
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
এই ব্লগে সরাসরি রাজনৈতিক আলোচনায় আমি কখনো ছিলাম না
ব্লগটিকে আমি শুধুই গঠনমুলক ও বিনোদন মুলক হিসাবেই
দেখতে পছন্দ করি । তবে এদেশের ইতিহাস বলে যে যায় লংকায়
সেই হয় রাবন ।
৫|
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:০৭
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
করাপশন থাকবেই। তা নিয়েই আমাদের চলতে হবে।
আমি আসলে হতাশ নই। আশাবাদী।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৩৪
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
দুর্নীতির মতো একটি জটিল সামাজিক ব্যাধি নিয়ে আপনার এই মন্তব্যটি বাস্তবতার একটি নির্মম চিত্র তুলে ধরে।
সমাজে দুর্নীতি গভীরভাবে শিকড় গেড়ে বসলে সাধারণ মানুষের মনে এমন হতাশা এবং মেনে নেওয়ার মানসিকতা
তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়।তবে এই পরিস্থিতিকে দেখার দুটি দিক রয়েছে:বাস্তববাদী দৃষ্টিকোণ: অনেক সমাজ
বিজ্ঞানী ও অর্থনীতিবিদ মনে করেন, পৃথিবীর কোনো দেশই সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত নয়। প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা এবং
নৈতিকতার অবক্ষয়ের কারণে কম-বেশি সবখানেই এটি টিকে থাকে। তাই দৈনন্দিন জীবনে এর প্রভাবের সাথে
খাপ খাইয়ে নেওয়ার চেষ্টা একটি সাধারণ মানবিক প্রতিক্রিয়া।
পরিবর্তনকামী দৃষ্টিকোণ হতে বিষয়টি দেখলে ইতিহাস বলে, দুর্নীতিকে চিরস্থায়ী মনে করে মেনে নিলে তা আরও
জেঁকে বসে। হংকং বা সিঙ্গাপুরের মতো দেশগুলো একসময় চরম দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল, কিন্তু কঠোর আইন ও প্রাতিষ্ঠানিক
সংস্কারের মাধ্যমে তারা আজ অন্যতম স্বচ্ছ দেশ হিসেবে পরিচিত।
আপনে আশাবাদী জেনে খুশী হলাম ।
শুভেচ্ছা রইল
৬|
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:১৫
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
আপনার পোস্টে একটি ছবি আপলোড করেছেন, মনে হলো। কিন্তু, দেখা যাচ্ছে না।
এই সাইট থেকে ছবির কোয়ালিটি কমিয়ে নিন - https://www.reduceimages.com/
থালে, আপলোডের সম্ভাবনা আছে।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৪০
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
আমার ডিভাইসে এখান হতে ( ইউ কে হতে ) তো দেখা যাচ্ছে আপলোড করা বড় আকারের ছবিটি ।
আপনি কোন রিজিয়নে থেকে দেখতে পাচ্ছেন না তা জানালে খুশি হব । তবে ছোট করে বড়টির নীচে
তুলে দিলাম । এখন কোনটি দেখা যায় জানালে খুশি হব ।
শুভেচ্ছা রইল
৭|
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: দূর্ণীতি তখনই বন্ধ হবে, যখন
আমি, তুমি, সে সৎ হবো ।বিশ্বাসের প্রতিযোগিতা করব,
পারস্পরিক সহর্মমিতা আসবে, পড়শীর খোজঁ না নিয়ে খাবনা
আর বিপদে একে অপরের পরিবার হয়ে যাব ।
...................................................................................
প্রতীক্ষায় থাকলাম , সেই দিন কবে আসবে ।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:১৭
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
খুবই মুল্যবান মন্তব্য করেছেন ।
আমি বলতে চাই পরিস্কার ভাবে
দুর্নীতি তখনই বন্ধ হবে, যখন পরিবর্তনের অপেক্ষায় না থেকে
পরিবর্তনটা শুরু হবে আমার কাছ থেকে, তোমার কাছ থেকে, আমাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে।
আমি সৎ হবো, তুমি সৎ হবে, সে-ও সৎ হবে।
অন্যের সততার বিচার করার আগে নিজের বিবেকের কাছে জবাবদিহি করবো।
অসততার সঙ্গে আপস না করে, বিশ্বাস ও সততার প্রতিযোগিতায় নামবো।
শুধু নিজের ভালো নয় পড়শীর ভালোও ভাববো।
পাশের ঘরে কেউ না খেয়ে আছে কি না, কেউ বিপদে আছে কি না
খোঁজ না নিয়ে নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যকে পূর্ণ মনে করবো না।
বিপদে পড়লে ‘সে’ নয় ‘আমরা’ বলবো।
অন্যের পরিবারকে পর ভাববো না
প্রয়োজনে একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে পরিবারের মতো আগলে রাখবো।
কারণ আইন দিয়ে দুর্নীতি দমন করা যায়
কিন্তু বিবেক জাগ্রত না হলে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়া যায় না।
তাই পরিবর্তনের সেই দিনটির অপেক্ষায় শুধু বসে থাকবো না
আজ থেকেই নিজেকে বদলাবো, অন্যকেও বদলাতে অনুপ্রাণিত করবো।
প্রতীক্ষায় থাকলাম না-
প্রশ্ন হলো, সেই দিন কবে আসবে?
নাকি সেই দিনটি আমাদের হাতেই আজ থেকেই শুরু হবে?
শুভেচ্ছা রইল
৮|
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪১
রাজীব নুর বলেছেন: দূর্নীতি কোনোদিন বন্ধ হবে না।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:২০
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
শুধু নীতি যতদিন থাকবে দুর্নীতি পাশাপাশি হাটবে
যদি সুনীতি থাকে সাথে বাধ্যবাধকতা দুর্নীতি পালাবে ।
শুভেচ্ছা রইল
৯|
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২৩
পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: কেমন আছেন ভাইজান?
মনের আকুলতা বোধহয় মনের দেওয়ালের মধ্যেই থেকে যাবে।তার বাস্তবায়ন আর হবে বলে মনে হয় না।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:৩৩
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ভাল আছি । অনেকদিন দিন পর সাক্ষাত পেলাম আশা করি আপনিউ ভাল আছেন । আপনার সেই
ধারাবাহিক উপন্যাসের বাকী পর্বগুলি কখন পাব ?
মুল্যবান কথা বলেছেন মনের আকুলতা বোধহয় মনের দেওয়ালের মধ্যেই থেকে যাবে বাস্তবায়ন আর হবে বলে
মনে হয় না।
মানুষের জীবনে কিছু আকাঙ্ক্ষা থাকে, যেগুলো পূর্ণতা পাওয়ার জন্য নয়বরং হৃদয়ের গভীরে নীরবে বেঁচে থাকার
জন্যই যেন জন্ম নেয়। মনের সমস্ত আকুলতা বাস্তবের মাটিতে পা রাখে না; কিছু অনুভূতি কেবল অনুভূত হয়, কিছু
স্বপ্ন কেবল স্বপ্ন হয়েই থেকে যায়, আর কিছু চাওয়া মানুষের অন্তর্লোকে এমন এক নিঃশব্দ অধ্যায় হয়ে থাকে,
যার কোনো পরিণতি লেখা হয় না।
মনেরও এক অদৃশ্য প্রাচীর আছে। সেই প্রাচীর কখনো সামাজিক বাস্তবতার, কখনো পরিস্থিতির, কখনো সম্পর্কের,
আবার কখনো নিজেরই ভয়, দ্বিধা ও আত্মসংযমের। মানুষ অনেক কিছু চায়, কিন্তু সব চাওয়ার দিকে এগিয়ে
যাওয়ার ক্ষমতা বা সুযোগ তার থাকে না। ফলে আকুলতা ধীরে ধীরে বাহ্যিক প্রকাশের পথ হারিয়ে অন্তরের
মধ্যেই আশ্রয় নেয়।
তবু এখানেই দর্শনের এক গভীর সত্য নিহিত বাস্তবায়নই কোনো অনুভূতির একমাত্র পরিণতি নয়। কোনো
আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ না হলেও তা মানুষের অস্তিত্বকে বদলে দিতে পারে। অপূর্ণ ভালোবাসা মানুষকে গভীরতর করে,
অসম্পূর্ণ স্বপ্ন তাকে নিজের ভেতরের অন্ধকার চিনতে শেখায়, আর অধরা কোনো প্রাপ্তি তাকে বুঝিয়ে দেয়
মানুষ আসলে শুধু যা পায়, তা দিয়ে নয়; যা পায় না, তার দ্বারাও নির্মিত হয়।
হয়তো জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান কিছু অনুভূতির সৌন্দর্যই তাদের অপূর্ণতায়। কারণ পূর্ণতা অনেক সময়
একটি গল্পের সমাপ্তি ঘটায়, কিন্তু অপূর্ণতা সেই গল্পকে মানুষের মনের মধ্যে দীর্ঘকাল বাঁচিয়ে রাখে। যে
আকুলতা বাস্তবের স্পর্শ পায় না, তা কখনো কখনো স্মৃতির চেয়েও দীর্ঘজীবী হয়ে ওঠে নিঃশব্দে, নির্জনে,
অথচ গভীরভাবে।
তাই “মনের দেওয়ালের মধ্যে থেকে যাওয়া” মানেই সেই অনুভূতির পরাজয় নয়। বরং কখনো কখনো
সেটিই তার অস্তিত্বের সবচেয়ে নির্মল রূপ। কারণ পৃথিবীর সব সত্য উচ্চারণ করতে হয় না, সব ভালোবাসার
পরিণতি হতে হয় না, আর সব স্বপ্নের বাস্তব রূপ পাওয়াও জরুরি নয়।
কিছু আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হয় না তারা মানুষকে পূর্ণতর করে যায়।
সম্ভবত মানুষের জীবনের সবচেয়ে করুণ অথচ মহিমান্বিত সত্য এটাই আমরা অনেক সময় যাকে পেতে পারি না,
তাকেই সবচেয়ে গভীরভাবে ধারণ করি; আর যে স্বপ্নকে বাস্তবে ছুঁতে পারি না, কখনো কখনো সেই স্বপ্নই
আমাদের অন্তর্জগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল প্রদীপ হয়ে জ্বলে থাকে।
অতএব, মনের আকুলতা যদি মনের দেওয়ালেই থেকে যায়, তবুও তার মূল্য কমে না। বাস্তবতা তাকে গ্রহণ
না করলেও হৃদয় তাকে প্রত্যাখ্যান করে না। কিছু অনুভূতির ঠিকানা পৃথিবী নয় তাদের ঠিকানা মানুষের
গভীরতম মনোজগৎ।
শুভেচ্ছা রইল
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:০২
শায়মা বলেছেন: সেই দিন আসবে কবে ভাইয়া?