| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
গত পরশু ৭১ টিভির টক শো তে বিএনপির সরদার শাখাওয়াত হোসেন বকুল প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ করেন যে ৭৪ সালে পাকিস্তানে শাহ আজিজ বঙ্গবন্ধুর সাথে ও আই সি সম্মেলনে গিয়েছিলেন । ৭১ টিভি কতৃপক্ষ তাৎক্ষনিক ভাবে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সচিব এবং ঐ সম্মেলনে বঙ্ঘবন্ধুর সফরসঙ্গী তোফায়েল আহমেদের সাথে টেলিফোনে যোগাযোগ করে । তোফায়েল আহমেদ সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল কে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন যে সে এটা প্রমান করতে পারলে তোফায়েল আহমেদ রাজনীতি ছেড়ে দিবেন ।
আজ পূর্ব নির্ধারিত সূচী অনুযায়ী সরদার শাখাওয়াত হোসেন বকুল প্রথমেই তার প্রমাণাদি উপস্থাপন করেন । প্রমানাদির সুত্র হিসাবে উইকিপিডিয়া এবং বিভিন্ন ব্লগ তন্মধ্যে অমি রহমান পিয়ালের ব্লগের কথাও উল্লেখ করেন । সঞ্চালক ৭৪ সালের ২৪ শে ফেব্রুয়ারীর দৈনিক ইত্তেফাক থেকে বঙ্ঘবন্ধুর ১২ জন সফর সঙ্গীর তালিকা পড়ে শুনান । তোফায়েল আহমেদ তার স্মৃতি এবং তৎকালীন দৈনিক বাংলা ,দৈনিক বাংলার বাণী , দৈনিক সংবাদের কথা উল্লেখ করে সে তার বক্তব্য উপস্থাপন করেন । বঙ্গবন্ধুর তৎকালীন প্রেসসচিব তোয়াব খান টেলিফোনে সংযুক্ত হয়ে শাহ আজিজের সফর সঙ্গী হবার কথা নাকচ করে দেন । আর অমি রহমান পিয়ালের বক্তব্য কারগরি ত্রুটির কারণে বুঝা যায়নি । স্টুডিওতে উপস্থিত বিডি নিউজের ইমরোজ সাহেব তথ্য সূত্র হিসাবে সরদার শাখাওয়াত হোসেন বকুল কতৃক সূত্র হিসাবে উইকিডিয়াকে নির্ভর যোগ্য নয় বলে মতামত দেন । সরদার শাখাওয়াত হোসেন বকুল একটি ছবি দেখিয়ে বলেন যে বঙ্ঘবন্ধুর পাশে স্যুট পরিহিত ব্যক্তিটি শাহ আজিজ । ডেইলি স্টারের নির্বাহী সম্পাদক ( দুঃখিত নাম স্মরণ করতে পারছি না ) ছবির উল্লেখিত ব্যক্তি শাহ আজিজ নয় বলে মতামত ব্যক্ত করেন ।
আসুন আমরা সঠিক ইতিহাসের চর্চা করি । কোন দলীয় দৃষ্টিকোন থেকে নয় নির্মোহ ভাবে ব্লগেও আমরা সত্য উদঘাটনের চেষ্টা করি ; শাহ আজিজ বঙ্ঘবন্ধুর সাথে ও আই সি সম্মেলনে গিয়েছিলেন কি না ?
২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১১:৫০
এই আমি সেই আমি বলেছেন: ইমরোজ সাহেব প্রশ্ন করেন আপনি এই সব তথ্য কোথায় পেলেন । সরদার সাখাওয়াত হোসেন উত্তর দেন , এগুলি ইন্টারনেট থেকে ।
সেটা ঠিক আছে কিন্তু কোথায়?
উনি উত্তর দিলেন গুগুল সার্চ দিয়ে ।
এটা যে হাস্য কর কথা কে বুঝাবে ?
২|
২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১১:০০
কালবৈশাখীর ঝড় বলেছেন:
ভুয়া ছবি!
এই ছবিটি ব্লগে ছাগুরা ব্যাবহার করে থাকে প্রায়ই।
উইকির তথ্য পাঠকরাই লেখে। ইদানিং ছগুরাও লেখছে ...
২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১১:৫৫
এই আমি সেই আমি বলেছেন: আমি সিরাজদ্দৌলার ছবির নীচে মীরজাফর লিখলে সিরাজদ্দৌলা মীরজাফর হয়ে যাবে না ।
৩|
২২ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:১৪
সুইট টর্চার বলেছেন: এটাই সত্য ঘটনা, শাহ আজিজ শেখ সাহেবের সফর সঙ্গী হয়েছিলেন। কিন্ত আম্লীগ এখন তা স্বীকার করবেনা। কেননা কোন ভাল মানুষ আম্লীগ করেনা। সুতরাং ভাল মানুষ ছাড়া সত্য স্বীকারও করেনা।
২২ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:৩৭
এই আমি সেই আমি বলেছেন: শাহ আজিজ বঙ্গবন্ধুর সফর সঙ্গী হয়েছিলেন এটার তথ্য সূত্র কি ?
যেহেতু কোন ভাল মানুষ আওয়ামীলীগ করেনা , যেহেতু আওয়ামীলীগ এখন স্বীকার করছে না ,তাই আপনার মতে এটাই প্রমাণ করে যে শাহ আজিজ সফর সঙ্গী ছিলেন । আপনি কি এটাই বুঝাতে চেয়েছেন ?
৪|
২২ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:৩০
সৈয়দ শমশের বীন মুর্তজা বলেছেন: এটা শাহ আজিজেরই থিওরি। কাজে লাগাচ্ছে বিম্পির বর্তমান শাহ আজিজের উত্তরসূরিরা।
কোন একটি বিষয়ে প্রথমে একটি বিতর্কিত কথা বল। এরপর দশজন সাপোর্ট কর। তারপরে বল যে বিষয়টি বিতর্কিত।
ওরা প্রথমে একটা মিথ্যা বানায়। নিজেদের মধ্যে বলাবলি করে নিজেরা বিশ্বাস করে। এর পরে পুরো দমে প্রচার শুরু করে।
২২ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১:০০
এই আমি সেই আমি বলেছেন: ৭১ টিভির একটা টক শোতে একদিন শামছুজ্জামান দুদু বলল ইমারানের দাদা রাজাকার ।সে বলল যে এটা সে সংবাদ পত্রে পড়ছে । কোন সংবাদ পত্রে , জানা গেল মাহমুদ কারিগরের আমার দেশে । ৭১ টিভি বলে কথা , ওরাতো বিজ্ঞাপনের পর সরাসরি ইমরানের সাথে টেলিফোনে সংযোগ স্থাপন করল । দুদু সাহেব তো বেকায়দায় পড়ে গেলেন । ইমরান সাহেব স্পষ্ট ভাষায় জানান যে নীলফামারী মুক্তিযুদ্বের পুরা ৯ মাস মুক্তাঞ্চল ছিল সেখানে কোন রাজাকার ছিল না । সে তার দাদার ব্যপারে চ্যলেঞ্জ ছুড়ে দেন । সে দিনের দুদু সাহেবের চেহারা দেখবার মত ছিল । কিন্তু তাতে কি ? তারপর থেকে তারা আমার দেশ আর দুদু সাহেবের রেফারেন্স দিয়ে ইমারানের দাদাকে রাজাকার হিসাবে উল্লেখ করতে লাগল ,
৫|
২২ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ২:৪২
সুইট টর্চার বলেছেন: লেন্জা ইজ সো ডিফিকাল্ট টু হাইড..........লেখকের লেন্জা এতক্ষণে বেরিয়ে আসছে।
২২ শে এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ৮:৪৫
এই আমি সেই আমি বলেছেন: শিং ইজ সো ডিফিকাল্ট টু হাইড ।
আমাদের দেশের একজন বিখ্যাত ব্যক্তি যিনি নিরপেক্ষতা বজায় রাখার জন্য ২১,১৬, ২৬ এ দিন গুলির কোন অনুষ্ঠানে যান না ।
লেঞ্জা লুকানোর জন্য আমাকে কি সে মাপের নিরপেক্ষতা দেখাতে হবে ?
৬|
০১ লা আগস্ট, ২০১৩ সকাল ৯:২৫
সরকার৮৪ বলেছেন: ডেইলি স্টারের নির্বাহী সম্পাদক ( দুঃখিত নাম স্মরণ করতে পারছি না ) ছবির উল্লেখিত ব্যক্তি শাহ আজিজ নয় বলে মতামত ব্যক্ত করেন ।
ডেইলি স্টারের নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ বদরুল আহসান (ঐ অনুষ্ঠানেই উপস্থিত) তো কয় শেখ মুজিব - শাহ আজিজ দুস্ত আছিল ১৯৬৪ সাল থিক্যাই7 June 1966: Revisiting the Six Points - Syed Badrul Ahsan ,৬ দফাও তো বলে শাহ আজিজেরই উত্থাপনের কতা আছিলো..........ক্যামনে কিতা।
আইচ্ছা সৈয়দ বদরুল আহসান কী ও আই সি সম্মেলনে গেছিলো ?
৭|
০২ রা আগস্ট, ২০১৩ রাত ২:১৩
এই আমি সেই আমি বলেছেন: এই সমস্ত আবাল মার্কা যুক্তি নিয়ে আসছেন প্রমান করতে যে শাহ্আজিজ বঙ্গবন্ধুর সফর সঙ্গী ছিল । আপনার আর দোষ কি বকুলই যদি আবাল মার্কা যুক্তি দেখায় আপনি তো ঐ গোয়ালেরই বাছুর ।
আগের রাজনীতির সংস্কৃতি বর্তমানের মত ছিল না । তখন রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের মধ্যে পরস্পর সদ্ভাব ছিল । শুধু শাহ আজিজ কেন সাকা চৌধুরীর বাবা ফকা চৌধুরীর সাথেও বঙ্গবন্ধুর সুসম্পর্ক ছিল । এখন কার মত একনেতার মৃত্যু দিবসে আরেক নেতা ভুয়া জন্মদিনের ঢাউস কেক কাটেনা ।
আপনার কথা অনুযায়ী যেহেতু বঙ্গবন্ধুর সাথে শাহ আজিজের সুসম্পর্ক ছিল এবং শাহ আজিজ ছয় দফা উত্থাপন করার কথা ছিল অতএব শাহ আজিজ বঙ্গবন্ধুর সফর সঙ্গী ছিল ।
আপনার যুক্তির অন্য পিঠ তো ছাগলের পালের জন্য আরও চিত্তাকর্ষক । নেন সূত্র ধরিয়ে দেই এখন সব ছাগল মিলে ম্যা ম্যা করতে থাকেন ।
যেহেতু শাহ আজিজ এবং ফকা চৌধুরীর সাথে বঙ্গবন্ধুর সুসম্পর্ক বা বন্ধুত্ব ছিল অতএব বংগবন্ধুও রাজাকার ছিল । কিংবা যেহেতু শাহ আজিজ এবং ফকা চৌধুরীর সাথে বঙ্গবন্ধুর সুসম্পর্ক বা বন্ধুত্ব ছিল অতএব শাহ আজিজ বা ফকা চৌধুরী ও মুক্তি যোদ্বা ছিল ।
কর্নেল তাহের এবং জিয়াও তো বন্ধু ছিল ।পথ কি দুভাগ হয়নি ? তাহের জিয়ার জীবন বাঁচিয়েছিল । জিয়াকি তাহের কে ফাঁসিতে লটকিয়ে আদালতের ভাষায় ঠাণ্ডা মাথায় খুন করেনি ?
৮|
০২ রা আগস্ট, ২০১৩ ভোর ৪:৫৯
সরকার৮৪ বলেছেন: আপনার কথা অনুযায়ী যেহেতু বঙ্গবন্ধুর সাথে শাহ আজিজের সুসম্পর্ক ছিল এবং শাহ আজিজ ছয় দফা উত্থাপন করার কথা ছিল
আমার কথা অনুযায়ী না, "ডেইলি স্টারের নির্বাহী সম্পাদক ( দুঃখিত নাম স্মরণ করতে পারছি না ) ছবির উল্লেখিত ব্যক্তি শাহ আজিজ নয় বলে মতামত ব্যক্ত করেন ।" ঐ ব্যাক্তির কথা অনুযায়ী।
অতএব শাহ আজিজ বঙ্গবন্ধুর সফর সঙ্গী ছিল ।
আপনে এখনো কোনও প্রমান দিতে পারেন নাই যে,শাহ আজিজ সফর সঙ্গী ছিল বা ছিলনা।বকুল কনফার্মলি বলতেসেন ছিল,বদরুল আহসান কনফিউসিংলি বলতেসেন ছবির ব্যাক্ত (খয়েরী কোট) শাহ আজিজ না প্রটোকল অফিসার হইতে পারে,তিনিও নিশ্চিত কইরা বলেননাই শাহ আজিজ বঙ্গবন্ধুর আগে বা পরে যায়নাই।বদরুল আহসানের ২০০৬ এর লেখা হতেও বুঝা যায় বঙ্গবন্ধুর শাহ আজিজরে মুসলিম বিশ্বের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের কাজে লাগানি খুব অসম্ভব/অস্বাভাবিক কিছু না (আপনার কথা অনুযায়ী ও যেহেতু "আগের রাজনীতির সংস্কৃতি বর্তমানের মত ছিল না । তখন রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের মধ্যে পরস্পর সদ্ভাব ছিল" ইত্যাদি ইত্যাদি) কিন্তু আপনের,৭১ টিভির এবং বদরুল আহসানের জোর কইরা মানতে না চাওয়ার একমাত্র কারনই হইল শাহ আজিজের রাজাকারগিরি।কি করবেন কন,বঙ্গবন্ধু তো আর বুঝেন নাই আপনেরা এইটারে (বঙ্গবন্ধু-শাহ আজিজের সম্পর্ক) এইরাম লেবুর মতন কচলাইবেন ........তাইলে তো উনি নিজে জীবনেও কইতেন না তার আপন চাচায় রাজাকার ছিল।
Reconciliation-এ জোর দিয়েছিলেন খোদ শেখ মুজিবই
যেহেতু শাহ আজিজ এবং ফকা চৌধুরীর সাথে বঙ্গবন্ধুর সুসম্পর্ক বা বন্ধুত্ব ছিল অতএব বংগবন্ধুও রাজাকার ছিল
উনি রাজাকারও ছিলেন না, মুক্তিযোদ্ধা ও ছিলেন না,উনি বাঙ্গালীর স্বাধীকার আন্দোলনের নেতা ছিলেন।এইরাম (যেহেতু শাহ আজিজ এবং ফকা চৌধুরীর সাথে বঙ্গবন্ধুর সুসম্পর্ক বা বন্ধুত্ব ছিল অতএব বংগবন্ধুও রাজাকার ছিল) থিউরিত তারে রাজাকার বানাইতে পারবো খালি শাহবাগী বিরানিখুররা, ভাইজান যাগো যুদ্ধে যাওনের কোনকালেই কোন সম্ভাবনা নাই আর ছিল ও না।
তাহের জিয়ার জীবন বাঁচিয়েছিল
ইনুর রেফারেন্সই যখন দিতাসেন পুরাটাই দ্যান ভাই
জিয়াকি তাহের কে ফাঁসিতে লটকিয়ে আদালতের ভাষায় ঠাণ্ডা মাথায় খুন করেনি ?
In 1976, although General Ziaur Rahman was the only rallying force, yet he like other Forces’ Chiefs of the Bangladesh Navy and Bangladesh Air Force, was one of the three Deputy Chief Martial Law Administrators and not the Chief Martial Law Administrator (CMLA) as reported in the newspapers. It apparently looks like a minor mistake but it needs to be corrected because it has a bigger connotation. The then President Justice ASM Sayem was the CMLA, who as the President and CMLA as well, confirmed the death sentence of Col Taher. As an eminent jurist he could have at least resigned. He did not do so. The entire command structure of the Bangladesh Armed Forces were then shaken so much that almost all the commanders of the Armed Forces were of the opinion that if Taher remained alive they would not be able to command their troops; rather, they might be killed as it already happened with so many other officers. In that case they were ready to resign almost en-masse – let Ziaur Rahman and Taher command the Armed Forces.
Death sentence and final statement of Taher, and Ziaur Rahman - Maj. Gen.(Retd) Amin Ahmed Chowdhury, Bir Bikram
The military law, that is the Acts of the Army, Navy and Air Force were introduced in the British Indian Armed Forces in 1911, duly approved. After the partition of 1947, the parliaments of India and Pakistan adapted the same law, as it is, including rules regulations and Cantonment Act 1924; so was the case in Bangladesh and with its parliament. Military law is part and parcel of the prevailing civil law of the country. And civil law is always supreme; Army Act Section 94 mentions this. Exerting concurrent jurisdiction, the civil law can prevail upon military law as far as civil offences are concerned. Why did not the then President of the country prevail upon the then military authority if they were influencing court proceedings? It is not very clear. And the then President, unlike Zia who might not bother about civil rights or fundamental of the citizens, was a Chief Justice and an eminent jurist of the country.
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৩ রাত ২:১৯
এই আমি সেই আমি বলেছেন: ৪ নং কমেনটার একটি চমৎকার কমেন্ট করেছেন । সৈয়দ শমশের বীন মুর্তজা বলেছেন: এটা শাহ আজিজেরই থিওরি। কাজে লাগাচ্ছে বিম্পির বর্তমান শাহ আজিজের উত্তরসূরিরা।
কোন একটি বিষয়ে প্রথমে একটি বিতর্কিত কথা বল। এরপর দশজন সাপোর্ট কর। তারপরে বল যে বিষয়টি বিতর্কিত।
ওরা প্রথমে একটা মিথ্যা বানায়। নিজেদের মধ্যে বলাবলি করে নিজেরা বিশ্বাস করে। এর পরে পুরো দমে প্রচার শুরু করে।
আপনি ও ঐ ফর্মুলায় হাঁটছেন । দেখুন কিভাবে আপনরা স্বভাবজাত ত্যানা প্যাচান । দুই বিশেযজ্ঞ আলোচক স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন ছবির ঐ ব্যক্তি শাহ আজিজ নয় ।এটাতে তারা কনফিউজ নয় । এরা শাহ আজিজের অন্য ছবি পাশা পাশি রেখেও বলেছেন এটা শাহ আজিজ নয় । বদরুল হাসান কনফিউসন প্রকাশ করেছেন ছবির ঐ ব্যক্তি কে, ধারনা করছেন কোন প্রোটকল অফিসার হবে । কারও পক্ষে সব পাকিস্থানীকে চেনা কিভাবে সম্ভব ? আশা করি বুঝা গেছে ব্যপারটা ।
আর এই সমস্ত ত্যানা প্যাঁচানো তেজপাতা দিয়া কি জিয়াকে ঠাণ্ডা মাথার খুনি অপবাদ ঘোচাতে পারবেন ? আদালত কতৃক ঘোষিত রায়ের বিরুধ্বে ব্লগে আসছেন শিং ঘসাতে ।যে কেউ কিন্তু এই রায়ের বিরুদ্বে সংক্ষুব্দ ব্যক্তি হিসাবে আদালতে যেতে পারে । আপনি ব্লগে নয় সেখানেই যান ।
৯|
০২ রা আগস্ট, ২০১৩ ভোর ৫:০৬
সরকার৮৪ বলেছেন: লাস্ট লিঙ্কটা কাজ ক্রেনা,আবার দিলাম
View this link
১০|
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৩ ভোর ৪:৪৩
সরকার৮৪ বলেছেন:
ত্যানা প্যাঁচানো তেজপাতা
মানুষরেই ওইটা বিবেচনা করতে দ্যান ভাই আমার কমেন্ট আর আপনের রিপ্লাই দেইখা........
ভাল থাইকেন।
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১১:০০
কান্টি টুটুল বলেছেন:
সরদার শাখাওয়াত হোসেন বকুল এর ছেলেমানুষি যুক্তি শুনে আমি হতাশ।