| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ট্রাইব্যুনালের রায়ের কপি পাচারের কারনে ট্রাইব্যুনালের এক কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ।
টাকা দেখলে কাঠের পুতুলও হা করে আর নয়ন আলীতো ছার । জামাতের মিলিয়ন ডলারের প্রভাবে সাদা কুত্তা টবি ক্যাডমান দুই দিন পর পর ঘেউ ঘেউ করে ।বিদেশী পত্রিকায় ফরমায়েশি লেখা বেরোয় । আর এই ডলারের গুনে বাঘা গামছা গলায় রাজাকারের টিভি তে গিয়ে রাজাকারের জন্য সুষঠ, নিরপেক্ষ , আন্তর্জাতিক মানের .......... বিচার চান । আর এক আইনের অধ্যাপক যে কিনা গন আদালতের কার্যক্রমের সাথে জড়িত ছিল , যদিও বিতর্কিত সেও আগে তথাকথিত নিরপেক্ষতার নামে বানরের পিঠা ভাগের মত মাঝে মাঝে এই পক্ষেও কামড় দিতেন কিন্তু এখন শুধু এক পক্ষেই উনি কামড়ান ।
টাকার প্রসাদ গুনে যদি দেশি বিদেশি রথী মহারথীদের "যেমনে খুশি তেমনি নাচাও" অবস্থা তাহলে নয়ন আলীর দোষ কি? পারলে যারা নাচায় তাদের ধরেন ।
২|
১৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ৯:৪৯
nurul amin বলেছেন: নয়ন আলীকে ফেস করে সাময়িক পার পেলেও দীর্ঘ মেয়াদে আসল ঘঠনা বের হবে। বিচারপতিদের সাথে সরকারের যোগাযোগ প্রমানিত। এভাবে সামরিক শাসকরাও বিচার করে না।
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ৯:২২
রাজ্জাক রাজ বলেছেন: আইন মন্ত্রণালয়ের ষষ্ঠ তলার
একটি কম্পিউটারের ডি-
ড্রাইভে “Local Disk (DHappy” এই
রায়ের কপি পাওয়া যায়।
কম্পিউটারের প্রত্যেকটি ফাইল
বা ডকুমেন্টের উৎস নির্ণয়ক তথ্য ঐ
ফাইল/ডকুমেন্টে সংরক্ষিত
থাকে। এই তথ্য ঐ ফাইল
বা ডকুমেন্টের প্রপারেটিস
অপশনে গেলে পাওয়া যায়। এই
রায়ের কপিটি যে ফাইল
পাওয়া গেছে তার প্রপারটিস
পরীক্ষা করে নিম্নোক্ত তথ্য
পাওয়া যায়।
“ডি ড্রাইভ” এর “আলম” নামক
ফোল্ডারের সাব ফোল্ডার
“ডিফারেন্ট কোর্টস এন্ড
পোস্ট ক্রিয়েশন” এর
মধ্যে আরেকটি সাব ফোল্ডার
“চীফ প্রসিকিউটর- ওয়ার
ট্রাইবুনালস” এর
মধ্যে রাখা রায়ের
খসড়া কপিটির নাম ছিল
“সাকা ফাইনাল- ১”।
ইংরেজিতে উক্ত ফাইল
পাথটি হলো-
D:AlamDIFFERENT COURTS n POST
CREATIONWar Crimes TribunalChief
Prosecutor – War Tribunalsaka final –
1.doc.
`ICT BD Case No. 02 of 2011 (Delivery of
Judgment) (Final)’
আলম নামের যে ব্যক্তির
ফোল্ডারে ফাইলটি পাওয়া গেছে সেই
আলম হলেন আইন মন্ত্রণালয়ের
ভারপ্রাপ্ত সচিব আবু সালেহ
শেখ মোঃ জহিরুল হক এর
কম্পিউটার অপারেটর।
বিচার শেষের আগেই রায়
লেখা শুরু
আইন মন্ত্রনলায়ের
যে ফাইলটিতে সালাহউদ্দিন
কাদের চৌধুরীর রায়ের
কপি পাওয়া গেছে সেই
ফাইলটির প্রপার্টিজ
অপশনে দেখা যায়
ফাইলটি তৈরি করা হয়েছে ২০১৩
সালের ২৩ মে ১২টা ১ মিনিটের
সময়। ফাইলের সাইজ ১৬৭ কেবি।
পৃষ্ঠা ১৬৪। এডিট
করা হয়েছে ২৫৮৭ মিনিট পর্যন্ত।
ফাইল অনুযায়ী সালাহউদ্দিন
কাদের চৌধুরীর রায় লেখা শুরু
হয় ২৩ মে। কিন্তু ওই সময়
সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর
বিরুদ্ধে ট্রাইবুনালে সাক্ষ্য গ্রহন
চলছিল। গত ১৪ই
অগাষ্ট’১৩ইং তারিখে সালাহউদ্দিন
কাদের চৌধুরীর মামলার সমস্ত
কার্যক্রম শেষ হয় এবং রায়ের জন্য
তারিখ অপেক্ষমান
ঘোষনা করা হয়।
সে অনুযায়ী দেখা যায়, বিচার
শেষ হবার তিন (০৩) মাস আগেই
রায় লেখা শুরু হয় আইন মন্ত্রনালয়
থেকে।
রায়ের এক স্থানে সালাহউদ্দিন
চৌধুরীর প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ
করে লেখা হয়েছে যে,
বিচারপতিগণ আদালত কক্ষ ত্যাগ
করার সময় তিনি উঠে দাঁড়াতেন
না। এছাড়া সালাহউদ্দিন
কাদের
চৌধুরী মাঝে মধ্যে ট্রাইবুনালে বিচারপতিদের
চেয়ারম্যান ও মেম্বার সাহেব
বলে সম্বোধন করতেন। এ
বিষয়টিও রায়ে ক্ষোভের
সাথে উল্লেখ করা হয়েছে।