| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
(সুত্রঃবইঃইমামিয়া বিশ্বাসের সনদ,লেখকঃআয়াতুল্লাহ জাফর সুবহানী)
মুতা বিয়ে(অস্থায়ী) বাহ্যিকভাবে স্থায়ী নিয়ের মতই এবং স্থায়ী বিয়ের সমস্ত হুকুম এক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।এ দুধরনের বিয়ের ক্ষেত্রে যে পার্থক্য আছে তার সারসংক্ষেপ নিম্নরুপঃ
১)মুতা বিয়ের ক্ষেত্রে সময়সীমা নির্দিষ্ট।
২)খোরপোষ দেয়া আবশ্যক নয়।
এ দুটো বিষয় ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে পার্থক্য খুব সামান্য যা না ধরাই ভাল।
যেহেতু ইসলাম এক সর্বশেষ ও পরিপুরন ধর্ম,সেহেতু যৌন সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে এ ব্যবস্থাটি বিধিবদ্ব করেছে।এমন এক যুবকের কথা ধরা যাক যে বিদেশে পড়ালেখা করছে বা কর্মরত আছে এবং স্থায়ী বিয়ে করার সামর্থ্য নেই।তাহলে এমতাবস্থায় ঐ যুবক কি করতে পারে?সঙ্গত কারনেই ঐ যুবক নিম্নলিখিত পন্থাত্রয়ের মধ্যে যে কোন ১টিকে গ্রহন করবেঃ
ক)সংযমী হবে এবং নিজের যৌন আকংখা পুরন করবে না।
খ)অসুথ ও অনাচারী নারীর সাথে অবৈ্ধ সম্পরক স্থাপন করবে
গ)কোন এক পবিত্রা নারীর সাথে অস্থায়ী বিবাহ গ্রহন করবে এমন বিশেষ শর্ত সাপেক্ষে যে,সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি তার জন্য কোন খরচও বহন করতে হবে না।
নিশ্চিতই যে উপরের উদাহরনের ক্ষেত্রে ৪রথ কোন পন্থা নেই যে,ঐ যুবক তার সমস্যা সমাধান করবে।
অনুরুপ,লক্ষনীয় যে,অন্যান্য মাযহাবের ফকিহরা স্থায়ী বিয়ের প্রকারভেদ হিসেবে এ অস্থায়ী বিয়েকে অনুমোদন দেন যা প্রকৃতপক্ষে মুতা বিয়ের নামান্তর।যেমনঃ কোন পুরুষ ও মহিলা স্থায়ী বিবাহ করে,কিন্তু তাদের উভয়েই জানে যে, এক নির্দিষ্ট সময় পরে তারা তালাকের মাধ্যমে পরস্পর আলাদা হয়ে যাবে।সুতরাং এধরনের বিবাহের অনুমোদন নামান্তরে ঠিক অস্থায়ী বিয়ের (মুতা)অনুমোদন,পার্থক্য শুধু নামে।
আল্লাহর কিতাব ও রাসুলের(সাঃ) সুন্নাত অস্থায়ী বিয়ের বৈধতা প্রদান করে।পবিত্র কুরানের ভাষায়ঃ “যখন কোন নারীর সাথে মুতা বিয়েতে আবদ্ব হও তখন তাদের মোহরানা পরিশোধ করো”(সুরা নিসাঃ২৪)।মুফাসসিরগনের অধিকাংশের মতে এ আয়াতটি মুতা বিয়ে সম্পর্কে নাযিল হয়েছে বলে মনে করেন।মুলত এধরনের বিবাহ ইসলামে বৈ্ধ করা হয়েছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। কেউ কেউ বলেন এটি রহিত করা হয়েছে,কিন্তু কথাটি ঠিক নয়।২য় খলিফার আমলে এটি বাস্তবায়নে বাধা প্রদান করা হয়েছে।কারন তিনি বলেছিলেনঃ ‘হে মানুষ!৩টি বিষয়ে মহানবী(সাঃ)এর সময় প্রচলিত ছিল যেগুলো আমি নিষিদ্ব করলাম।যে কেউ এগুলো পালন করবে আমি তাদের শাস্তি প্রদান করবো।সেগুলো হলো,মহিলাদের মুতা,হজ্বের মুতা ও হাইয়া আলা খাইরাল আমাল(উত্তম কাজের দিকে আস)(যা আযানের সময় বলা হতো)’।(সুত্রঃশারহে তাজ্রীদ,কুশজী,ইমামাত অধ্যায়,পৃঃ৪৬৪ ইত্যাদি)।
আশ্চর্যের ব্যাপার হলো এখানে যে,১ম ও শেষেরটি ক্ষেত্রে ২য় খলিফার নিষেধ এখনো বলবত আছে।কিন্তু হজ্বের মুতার উপর(খলিফার মতের ব্যতিক্রম) এখনও মুসলমানেরা আমল করছে।
রাসুল(সাঃ) যে মুতা নিষিধ্ব করেননি তার সুস্পষ্ট প্রমান হলো এই যে,বোখারী ইমরান বিন হাসিন থেকে বর্ননা করেন, “তিনি বলেন,মুতার আয়াত আল্লাহর কিতাবে নাযিল হয়েছিল,আমরাও রাসুলের(সাঃ) সময় এর উপর আমল করেছিলাম।কখনোই তা নিষিধ্ব করে আয়াত নাজিল হয়নি এবং রাসুল(সাঃ) ইন্তেকাল পর্যন্ত তা নিষিধ্ব করেননি।কিন্তু ২য় খলিফা তা নিষিধ্ব করেন( বুখারী ৬/২৭,তাফসীর অধ্যায়,সুরা বাকারার ১৯৬নং আয়াতের তাফসীর)।
মুতা বিয়ে(অস্থায়ী) বাহ্যিকভাবে স্থায়ী নিয়ের মতই এবং স্থায়ী বিয়ের সমস্ত হুকুম এক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।এ দুধরনের বিয়ের ক্ষেত্রে যে পার্থক্য আছে তার সারসংক্ষেপ নিম্নরুপঃ
১)মুতা বিয়ের ক্ষেত্রে সময়সীমা নির্দিষ্ট।
২)খোরপোষ দেয়া আবশ্যক নয়।
এ দুটো বিষয় ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে পার্থক্য খুব সামান্য যা না ধরাই ভাল।
যেহেতু ইসলাম এক সর্বশেষ ও পরিপুরন ধর্ম,সেহেতু যৌন সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে এ ব্যবস্থাটি বিধিবদ্ব করেছে।এমন এক যুবকের কথা ধরা যাক যে বিদেশে পড়ালেখা করছে বা কর্মরত আছে এবং স্থায়ী বিয়ে করার সামর্থ্য নেই।তাহলে এমতাবস্থায় ঐ যুবক কি করতে পারে?সঙ্গত কারনেই ঐ যুবক নিম্নলিখিত পন্থাত্রয়ের মধ্যে যে কোন ১টিকে গ্রহন করবেঃ
ক)সংযমী হবে এবং নিজের যৌন আকংখা পুরন করবে না।
খ)অসুথ ও অনাচারী নারীর সাথে অবৈ্ধ সম্পরক স্থাপন করবে
গ)কোন এক পবিত্রা নারীর সাথে অস্থায়ী বিবাহ গ্রহন করবে এমন বিশেষ শর্ত সাপেক্ষে যে,সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি তার জন্য কোন খরচও বহন করতে হবে না।
নিশ্চিতই যে উপরের উদাহরনের ক্ষেত্রে ৪রথ কোন পন্থা নেই যে,ঐ যুবক তার সমস্যা সমাধান করবে।
অনুরুপ,লক্ষনীয় যে,অন্যান্য মাযহাবের ফকিহরা স্থায়ী বিয়ের প্রকারভেদ হিসেবে এ অস্থায়ী বিয়েকে অনুমোদন দেন যা প্রকৃতপক্ষে মুতা বিয়ের নামান্তর।যেমনঃ কোন পুরুষ ও মহিলা স্থায়ী বিবাহ করে,কিন্তু তাদের উভয়েই জানে যে, এক নির্দিষ্ট সময় পরে তারা তালাকের মাধ্যমে পরস্পর আলাদা হয়ে যাবে।সুতরাং এধরনের বিবাহের অনুমোদন নামান্তরে ঠিক অস্থায়ী বিয়ের (মুতা)অনুমোদন,পার্থক্য শুধু নামে।
আল্লাহর কিতাব ও রাসুলের(সাঃ) সুন্নাত অস্থায়ী বিয়ের বৈধতা প্রদান করে।পবিত্র কুরানের ভাষায়ঃ “যখন কোন নারীর সাথে মুতা বিয়েতে আবদ্ব হও তখন তাদের মোহরানা পরিশোধ করো”(সুরা নিসাঃ২৪)।মুফাসসিরগনের অধিকাংশের মতে এ আয়াতটি মুতা বিয়ে সম্পর্কে নাযিল হয়েছে বলে মনে করেন।মুলত এধরনের বিবাহ ইসলামে বৈ্ধ করা হয়েছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। কেউ কেউ বলেন এটি রহিত করা হয়েছে,কিন্তু কথাটি ঠিক নয়।২য় খলিফার আমলে এটি বাস্তবায়নে বাধা প্রদান করা হয়েছে।কারন তিনি বলেছিলেনঃ ‘হে মানুষ!৩টি বিষয়ে মহানবী(সাঃ)এর সময় প্রচলিত ছিল যেগুলো আমি নিষিদ্ব করলাম।যে কেউ এগুলো পালন করবে আমি তাদের শাস্তি প্রদান করবো।সেগুলো হলো,মহিলাদের মুতা,হজ্বের মুতা ও হাইয়া আলা খাইরাল আমাল(উত্তম কাজের দিকে আস)(যা আযানের সময় বলা হতো)’।(সুত্রঃশারহে তাজ্রীদ,কুশজী,ইমামাত অধ্যায়,পৃঃ৪৬৪ ইত্যাদি)।
আশ্চর্যের ব্যাপার হলো এখানে যে,১ম ও শেষেরটি ক্ষেত্রে ২য় খলিফার নিষেধ এখনো বলবত আছে।কিন্তু হজ্বের মুতার উপর(খলিফার মতের ব্যতিক্রম) এখনও মুসলমানেরা আমল করছে।
রাসুল(সাঃ) যে মুতা নিষিধ্ব করেননি তার সুস্পষ্ট প্রমান হলো এই যে,বোখারী ইমরান বিন হাসিন থেকে বর্ননা করেন, “তিনি বলেন,মুতার আয়াত আল্লাহর কিতাবে নাযিল হয়েছিল,আমরাও রাসুলের(সাঃ) সময় এর উপর আমল করেছিলাম।কখনোই তা নিষিধ্ব করে আয়াত নাজিল হয়নি এবং রাসুল(সাঃ) ইন্তেকাল পর্যন্ত তা নিষিধ্ব করেননি।কিন্তু ২য় খলিফা তা নিষিধ্ব করেন( বুখারী ৬/২৭,তাফসীর অধ্যায়,সুরা বাকারার ১৯৬নং আয়াতের তাফসীর)।
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:১৩
জিপসি মেহেদি বলেছেন: দয়া করে এটাও একটু দেখে নিন
https://www.amarblog.com/dristi/posts/180796