নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একমাত্র বিরোধী পক্ষ!!

*কুনোব্যাঙ*

তফাত যাও সব ঝুঁট হ্যাঁয়!

*কুনোব্যাঙ* › বিস্তারিত পোস্টঃ

খনার বচন এবং আমাদের কৃষি ঐতিহ্য। (২য় পর্ব)

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৩:৫৭

প্রথম পর্ব



প্রারম্ভিকাঃ



অনুমান করা হয় প্রাচীন চীনা এবং তিব্বতী জাতিগোষ্ঠীই এ অঞ্চলে প্রথমে একটি পরিকল্পিত চাষ ব্যবস্থার অবতারণা করে এখানে স্থায়ী হয় এবং এর মাধ্যমেই বাইরের অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর কাছে অত্র অঞ্চল পরিচিতি লাভ করে। অনেক ঐতিহাসিকের মতে প্রাচীন চৈনিক শব্দ বং এবং আল শব্দ দু'টির সংমিশ্রণেই বাঙ্গাল শব্দটি এসেছে। যেখানে চৈনিক ভাষায় "বং" শব্দের অর্থ জলাশয় এবং "আল" শব্দের অর্থ উঁচু ভূমি। সম্ভবত জলাশয়ের ধারে উঁচু ভুমি হিসেবে চীন ও তিব্বতিদের মাঝে পরিচিত ছিল। যে নামেই পরবর্তীতে এ অঞ্চল বঙ্গ বা বাঙ্গাল নামে পরিচিতি লাভ করে। তাছাড়া আর্যদের ঋগ্বেদে বঙ্গা নামে এ অঞ্চলের পরিচিতির একটি ধারণা পাওয়া যায়। এর থেকে ধারণা করা হয় আর্যদের আগমনের বহু পূর্বেই এদেশে কৃষি ভিত্তিক একটি সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ সমাজ ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল। তাছাড়া ইতিহাসের সাক্ষ্য মোতাবেক অত্র অঞ্চলের সাথে আর্যদের কখনো তেমন সুসম্পর্ক ছিলনা। পরিব্রাজক হিউ এন সাং এর মতে তৎকালীন আর্যরা অত্র অঞ্চলের মানুষদের মগা (মগধ থেকে) বলে বিদ্রুপাত্তক সন্মোধন করত। যা আজো নির্বোধ অর্থে আমাদের মধ্যে প্রচলিত রয়েছে। তাছাড়া বেদ বিরোধী বিভিন্ন মতবাদ যেমন, চার্বাক, বৌদ্ধ, জৈন এসব মতবাদের জন্ম প্রচার প্রসার এবং জনপ্রিয়তা অত্র অঞ্চলের মানুষদের আর্য বিরোধী মনোভাবেরই বহিঃপ্রকাশ। যে কারনে এটা ধারণা করে নেয়া যায় যে বাংলার কৃষি ব্যবস্থা এবং প্রাচীন প্রবাদ সমূহের সাথে ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের প্রবাদের সাথে কিছুটা সামঞ্জস্য থাকলেও মূলত এ অঞ্চলের কৃষি এবং প্রবাদ প্রবচন গড়ে উঠেছে ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের প্রভাব মুক্ত হয়ে। এদিকে সম্রাট আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে অত্র অঞ্চলের মানুষের তৎকালীন স্বতন্ত্র ভাবে পরাক্রমশীলতার একটি ধারণা পাওয়া যায় যেটা আর্য জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে ছিল অনুপস্থিত। আলেকজান্ডারে সৈন্য বাহিনী সমগ্র ভারত দখল করে নিলেও বিহারের পাটনার পর আর এদিকে তারা এগুতে পারেনি। এর থেকেও অনুমান করা যায়, তৎকালীন বিহার পূর্ববর্তী এবং বিহার পরবর্তী রাজ্যের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য ছিল। আর যে কারণেই সম্রাট আলেকজান্ডার বিহারের পাটনার পর আর এদিকে এগুতে পারেননি।



খনার পরিচয়ঃ



প্রথম পর্বে খনা নিয়ে একটি কিংবদন্তীর উল্লেখ রয়েছে। এবার একটু ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে খনার পরিচয় জানার চেষ্টা করা যাক। পালি ভাষায় রচিত "মহাবংশ" নামক সিংহলী প্রাচীন ঐতিহাসিক গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, লালাধিপতি বিজয় সিংহের পুত্র বিজয় সিংহ পিতা কতৃক পরিত্যাক্ত হয়ে তৎকালীন বিখ্যাত বাণিজ্য কেন্দ্র সিংহলে বসবাস স্থাপন করেন এবং পরবর্তীতে সিংহল রাজ্য দখল করেন এবং তার প্রতিষ্ঠিত রাজবংশ কয়েক শতাব্দী সিংহলে রাজত্ব করেন। হতে পারে খনা সেই রাজবংশের কোন দুর্ভাগা রাজকন্যা। বংশ পরম্পরায় যার মাতৃ ভাষা ছিল বাংলা। তাছাড়া সিংহলী ভাষার সাথে বাংলা ভাষার মিলটাও লক্ষ্যনীয়। তবে বিজয় সিংহের বংশধররা ঠিক কত শতাব্দী রাজত্ব করেছেন তার কোন সঠিক ইতিহাস পাওয়া যায় না।



খনার বচনঃ



খনার বচন মূলত কৃষি ভিত্তিক হলেও স্বাস্থ্য, আবহাওয়া, নিয়ম রীতি, পশুপালন, আচার আচরণ, জ্যোতিষ গণনা দৈনন্দিন জীবনের প্রায় সব দিক নিয়েই রয়েছে খনার বচন। নিচে আমরা কয়েকটি আবহাওয়ার পুর্বাভাস ভিত্তিক খনার বচন ও তার অর্থ জেনে নেই।



দিনে জল রাতে তারা, এই দেখবে খরার ধারা।

অর্থঃ বর্ষার শুরুতে যদি দিনে বৃষ্টিপাত হয় আর রাতের আকাশ পরিষ্কার থাকে তাহলে সে বছর খরা হবে।



আষাঢ় নবমী শুক্ল পক্ষা, কি কর শ্বশুর লেখা জোখা

যদি বর্ষে মুষল ধারে, মাঝ সমুদ্রে বগা চড়ে

যদি বর্ষে ছিটে ফোটা, পর্বতে হয় মীনের ঘটা

যদি বর্ষে রিমঝিমি, শস্যের ভার না সহে মেদেনী

হেসে সূর্য বসেন পাটে, চাষার বলদ বিকোয় হাটে।


অর্থঃ আষাঢ় মাসের প্রথম চাঁদের শুক্ল পক্ষের নবমীর দিন অর্থাৎ চন্দ্র মাসের নয় তারিখে যদি মুষল ধারে বৃষ্টি হয় তাহলে বর্ষা কম হবে। যদি সামান্য ছিটে ফোটা বৃষ্টি হয় তাহলে বর্ষা বেশী হবে। সেদিন মাঝারী বৃষ্টিপাত হলে ফসলের উৎপাদন ভালো হবে আর যদি আদৌ বৃষ্টি না হয় তাহলে সেবছর ভালো ফসল হবেনা।



স্বর্গে দেখি কোদাল কোদাল মধ্যে মধ্যে আইল

ভাত খাইয়া লও শ্বশুর মশাই বৃষ্টি হইবে কাইল।


অর্থঃ যদি ছোট ছোট খন্ড খন্ড মেঘে আকাশ ভর্তি থাকে তাহলে পরদিন বৃষ্টি হবে।



চৈতে কুয়া ভাদ্রে বান, নরের মুন্ড গড়াগড়ি যান।

অর্থঃ চৈত্র মাসে কুয়াশা অথবা ভাদ্রমাসে বন্যা দেখাদিলে মহামারী হয়।



যদি ঝরে কাত্তি, সোনা রাত্তি রাত্তি

যদি ঝরে আগন, হাতে কুলায় মাগন।


অর্থঃ কার্তিক মাসে বৃষ্টি হলে ধানের উৎপাদন ভালো হয়। আর অগ্রহায়ণে বৃষ্টি হলে ধান নষ্ট হবে।



জৈষ্ঠ্যে শুখা আষাঢ়ে ধারা, শস্যের ভার সহে ধরা।

অর্থঃ জৈষ্ঠ্যমাসে প্রচন্ড খরা হলে আষাঢ় মাসে প্রচুর বৃষ্টিপাত হবে এবং সে বছর প্রচুর ফসল ফলবে।



পশ্চিমে ধনু নিত্য খরা, পূর্বে ধনু বর্ষে ধারা।

অর্থঃ পশ্চিমে রংধনু দেখা গেলে সেটা খরার লক্ষণ আর পুবে রংধনু দেখা গেলে বৃষ্টিপাতের লক্ষণ।



দূর সভা নিকট জল, নিকট সভা রসাতল।

অর্থঃ চন্দ্রসভা বা চাঁদের চারিদিকে মেঘের বৃত্ত বড় হলে তাড়াতাড়ি প্রচুর বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে আর চন্দ্রসভা ছোট আকৃতির হলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কম।



ধানের গাছে শামুকের পা, বন বিড়ালী করে রা

গাছে গাছে আগুল জ্বলে, বৃষ্টি হবে খনায় বলে।


অর্থঃ শামুক ধান গাছ বেয়ে উপরে উঠতে থাকলে শিঘ্রই প্রচুর বৃষ্টিপাত হবে।



আমে ধান, তেতুলে বান।

অর্থঃ যে বছর আম বেশী ফলে সেবছর ধানও বেশী হয়। যেবছর তেতুল বেশী ফলে সে বছর ঝড় বন্যা বেশী হয়।



বিয়ানে আউলি বাউলি, দুপুরে বাউ, দিনে বলে খরানের ঘর যাও।

অর্থঃ সকালে মেঘলা আকাশ দুপুরে প্রবল বাতাস খরার লক্ষণ।



চাঁদের সভায় বসে তারা, জল পড়ে মুষল ধারা।

অর্থঃ চন্দ্রসভার ভেতরে তারা দেখা গেলে মুষল ধারায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।



আগে পাছে ধনু চলে মীন অবধি তুলা

মকর মুম্ভ বিছা দিয়া কাল কাটায়ে গেলা।


অর্থঃ পৌষ মাসের ৩০ দিন কে ১২ ভাগে ভাগ করলে প্রতি ভাগে আড়াই দিন করে পরে। এর প্রথম ও শেষ সোয়া দিন পৌষের জন্য রেখে প্রথম সোয়া দিনের থেকে প্রতি আড়াই দিন ক্রমে মীন অর্থ্যাত চৈত্র মাস থেকে প্রতি মাসের জন্য গণনা করতে হবে। পৌষের এই ভাগ সমুহের ক্রমে যে আড়াই দিনে যেরুপ আবহাওয়া থাকবে সেই মাসেও তদ্রপ আবহাওয়া হবে।





হয়তো খনা কোন একক মহিয়সী নারী অথবা সকলের সম্মিলিত প্রয়াস বা সকলের অভিজ্ঞতার সম্মিলিত রুপই কালে কালে প্রকাশ পেয়েছে খনার বচন রুপে। হতে পারে যে কোন কিছুই কিন্তু খনার বচন নিঃসন্দেহে সেই অতীত কাল থেকেই আমাদের কৃষি ও প্রকৃতি নির্ভর জীবন ব্যবস্থাকে করেছে উন্নত থেকে উন্নত তর। দিয়েছে আমাদের ঐতিহ্য মন্ডিত সংস্কৃতির একটি ধারা। যা আমাদের চিন্তা চেতনাকে আজো প্রভাবিত করে। খনার বচনের মাধম্যে আমরা জানতে শিখি আমাদের অতীত ঐতিহ্যকে আমাদের অতীতের গর্বভরা ইতিহাসকে।







(চলবে , , , , , , )



তৃতীয় পর্ব





খনা ও খনার বচন নিয়ে শায়মা আপুর একটি চমৎকার পোষ্ট-



চির রহস্যময় কিংবদন্তী-খনা!!!



মন্তব্য ৫৫ টি রেটিং +১৮/-০

মন্তব্য (৫৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:১২

চেয়ারম্যান০০৭ বলেছেন: চমৎকার লাগছে সিরিজটি ।প্রতিটি খনার বচন ই শুনতে ধাধাঁর মতোন শুনায়।এজন্য সাথে অর্থ গুলো দিয়ে খুব ভালো করেছে।সিরিজ টি চলুক :) পোস্টে ভালোলাগা।

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ ভোর ৫:০১

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ চেয়ারম্যান সাব :) সিরিজটি চালানোর ইচ্ছা আছে। তবে এ সংক্রান্ত আমার কয়েকটি ব্যাক্তিগত সংগ্রহ হাতের কাছে নেই বিধায় একটু সমস্যায় পড়েছি :(


অঃটঃ আপনার দাদা দাদি কি এখনো জীবিত আছেন?



পূর্ব আষাঢ় দক্ষিণা বয়, সেই বছর বন্যা হয়।
অর্থঃ আষাঢ়ের শুরুর দিকে যদি দক্ষিণা বাতাস প্রবল থাকে তাহলে বন্যা হবে।

২| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৮:৪৭

ফিরোজ-২ বলেছেন: চমৎকার

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৩৭

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: ধন্যবাদ ফিরোজ ভাই :)



মাঘে উড়িল উগনি, বৃষ্টি হবে ফাল্গুনী।
অর্থঃ মাঘ মাসে উগনি পোকা (উলু বা উই পোকা) বেশী উড়তে দেখা গেলে ফাল্গুন মাসে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা প্রকট।

৩| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:১০

লেখোয়াড় বলেছেন:
দারুন সব লেখা ও উপস্থাপনা।
চলতে থাকুক, সাথে আছি।
এই ঐতিহ্য আমার অহংকার।

ধন্যবাদ।

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:১৩

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: অবশ্যই এই ঐতিহ্য আমার আপনার অহংকার তাছড়া শিক্ষা জ্ঞানচর্চার যে আধুনিক ধারা তার গোড়াপত্তন আমরাই করেছি। তৎকালীন মগধ রাজ্যের (উত্তর প্রদেশ, বিহার, বাংলা) পাটালিপুত্র (পাটনা) হচ্ছে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার প্রাচীনতম নিদর্শন। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় এর মতো এত সুপ্রাচীন আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় সে সময় আর কোথায় ছিল! ধর্মীয় এবং ভুরাজনৈতিক গ্যাড়াকলে পড়ে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ও তার গ্রন্থাগার ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে হারিয়ে গিয়েছে আমাদের ঐতিহ্যমন্ডিত ইতিহাসের একটি অধ্যায় সাথে ইতিহাসের নানান অজানা তথ্য :(

আমরাই একমাত্র জাতি বা একমাত্র অঞ্চল যেখানে বিশ্বের সব জাতিগোষ্ঠী একই রক্তে প্রবাহিত হচ্ছে। কোন সন্দেহ নেই কোন বিতর্ক নেই যে আমরাই হচ্ছি সকল জাতিগোষ্ঠীর সন্মিলিত ধারার একমাত্র ধারক ও বাহক।

অনুপ্রেরণা এনং সাথে থাকার আগ্রহ প্রকাশের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা :)



হেথা আর্য, হেথা অনার্য, হেথা দ্রাবিড় চীন,
শক, হুন দল পাঠান মোগল একদেহে হলো লীন।
, , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,(রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

৪| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:১৭

রামন বলেছেন:

আগে পাছে ধনু চলে মীন অবধি তুলা
মকর মুম্ভ বিছা দিয়া কাল কাটায়ে গেলা।


শানে নাজুল বরই জটিল লাগলো। বচনগুলোর ভাবসম্প্রসারণ কি আপনার করা..... যাহোক বর্ণনা বেশ ভালো লেগেছে , ৩নং প্লাস ।

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৩৯

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: না ভাই, আমার এতটুকু সাধ্য নেই। এখানে সবই সংগৃহীত আর তার অতি সামান্য যৌক্তিক প্রয়োগের চেষ্টা।

ভারতীয় জ্যোতিষ শাস্ত্রের মতে কোন মাসে জন্মগ্রহন করলে আপনি কোন রাশির জাতক/জাতিকাঃ
বৈশাখ - মেষ
জৈষ্ঠ্য - বৃষ
আষাঢ় - মিথুন
শ্রাবণ - কর্কট
ভাদ্র - সিংহ
আশ্বিন - কন্যা
কার্তিক - তুলা
অগ্রহাহণ - বৃশ্চিক
পৌষ - ধনু
মাঘ - মকর
ফাল্গুন- কুম্ভ

খনার বচন মতে ধনু বা পৌষ মাস বিচার করলে বাকী এগারো মাসের আবহাওয়া বার্তা পাওয়া যায়। মাসটিকে ১২ ভাগ করে প্রথম সোয়া একদিন পৌষের জন্য রেখে তারপর থেকে সেই সোয়া এক দিনের দ্বিগুন আড়াই দিন হিসেব করে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করতে হবে। এবং সোয়া একদিনের পর আড়াই মীন বা চৈত্র মাসের আবহাওয়া বার্তা, তারপরের আড়াই দিন মেষ বা বৈশাখ মাসের আবহাওয়া বার্তা এভাবে এগারো মাসের আবহাওয়ার পূর্বাভাস পাওয়া যাবে। এবং মাসের শেষ সোয়া একদিন পুনরায় পৌষ মাসের জন্য রাখতে হবে।

ভালোলাগা জানানোর জন্য অনেক ধন্যবাদ :)

৫| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:২৮

রোড সাইড হিরো বলেছেন: দারুন লাগছে খনার বচন। আরো চাই আপনার কাছে।

খনার বচন অনেক পড়েছি আমার এক স্যার এর কালেক্শনে, তার মধ্যে একটা মনে আছে--

দিনের মেঘে ধান,
রাতের মেঘে পান।

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৫০

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: আপনার এবং আপনার স্যারের কল্যাণে আরেকটি খনার বচন জানলাম :) অনেক ধন্যবাদ। যদি আপনার স্যারের সাথে এখনো যোগাযোগ থাকে তাহলে উনার কালেকশনের বচনগুলো নিয়ে যদি একটা পোষ্ট দেন তাহলে অনেক নতুন বচনের সাথে পরিচয় হওয়া একটি সুযোগ পাওয়া যাবে। পান ও ধান নিয়ে আমার সংগ্রহের একটি বচন-


ষোল চাষে মুলা, তার অর্ধেক তুলা
তার অরধেক ধান, বিনা চাষে পান।

৬| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:১৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। চালিয়ে যান।

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:০২

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: ধন্যবাদ হামা ভাই :) চেষ্টা করব চালিয়ে যাওয়ার।



পূর্ণিমা অমায় যে ধরে হাল, তার দুঃখ চিরকাল।
অর্থঃ খনার বচন মতে পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় হালচাষ জমিতে হাল চাষ করলে ফসলের উৎপাদন ভালো হয় না তাছাড়াও পুর্ণিমা ও অমবস্যাতে হালচাষ করলে হালের বলদের বাত হয়।

৭| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:২৯

পোকেমোন০০৭ বলেছেন: ছোটবেলায় আম্মুর মুখে খনার বচন শুনতাম।
ব্লগে এর আগেও খনাকে নিয়ে এমন একটা লিখা পরেছিলাম ।
সুন্দর লিখেছেন।

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:৫৮

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন ভাইয়ের এই পোষ্টে খনা ও খনার বচন নিয়ে আরো কিছু চমৎকার তথ্য পাবেন। আকাশ সংস্কৃতি এবং বিভিন্ন প্রযুক্তি নির্ভর বিনোদনের কারণে খনার বচন দিন দিন লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যাচ্ছে :(

আপনার মাকে আমার সালাম জানাবেন।

শুভকামনা :)

৮| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:০১

নীলঞ্জন বলেছেন: চমৎকার পোস্টে +++++++++++

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:১৯

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: থ্যাঙ্কু নীলাঞ্জন ভাই :)




ঘন সরিষা পাতলা রাই, নেংগে নেংগে কার্পাস যাই।
অর্থঃ সরিষা ঘন করে রাই পাতলা করে আর কার্পাস সারিবদ্ধভাবে লাগাতে হয়।

৯| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৫৫

কৃষকবাবু বলেছেন: ভাই আপনার এই সিরিজটা আমার খুব ভালো লেগেছে, ধন্যবাদ আপনাকে এমন সুন্দর একটা পোষ্ট দেওয়ার জন্য

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৫২

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কৃষকবাবু ভাই :)



সরিষা বনে কলাই মুগ, বুনে বেড়াও চাপড়ে বুক।
অর্থঃ সরিষার সাথে কলাই বা মুগ বুনলে দু'টোর ফলনই ভালো হয়।

১০| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৫৮

চেয়ারম্যান০০৭ বলেছেন: না ভাই উনারা বেচেঁ নেই।তবে আম্মুর কাছেও শুনেছি অল্প কিছু।


আর উপরের পোকেমন০০৭ আমার আপন বড়ো বোন :)

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:২২

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: তাই নাকি!!

পোকেমন আপু, আমার অনুমানে আপনার ভাইটি অনেক ভালো একজন মানুষ। যদিও আপনার ভাইকে আমি চিনি শুধু তার লেখা ও কমেন্টের মাধ্যমে কিন্তু খুব সম্ভব আমার অনুমান ভুল না।

১১| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৩৯

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আপনাকে অনুসরনে নিলাম।

+++++

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৩১

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: থ্যাঙ্কস তন্ময় ভাই :) আমি এই পোষ্ট (মিসেস অমুক কিংবা মিসেস তমুক... আমার নারীভাবনা।) থেকে আপনাকে অনুসরণ করি।


শুভকামনা।

১২| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:৩২

রাফাত নুর বলেছেন: পিলাচ ++++++++
কামের জিনিস। ছুডকালে মুরুব্বিগো মুখে হুনতাম।

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:০৬

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: ঠিক কইছেন, কামের জিনিষ :)


পিলাচের জন্য ধইন্য !!!



মাংসে মাংস বৃদ্ধি, ঘৃতে বৃদ্ধি বল
দুধে বীর্য বৃদ্ধি, শাকে বৃদ্ধি মল।

১৩| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:১৩

পোকেমোন০০৭ বলেছেন: সব ব্লগারের কমেন্টের উত্তর দেয়ার ভন্গীমাটা ভাল লাগল।
আপনার সালাম প্ঔছে দিলাম আম্মুকে। 8-|
ধন্যবাদ।
এমনি অমায়িক থাকুন সর্বদা। :|

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:১৭

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: আপু, উত্তরর ভঙ্গিমাটা আপনার ভালো লেগেছে জেনে অত্যন্ত আনন্দিত। তবে যতটা অমায়িক আমাকে মনে করছেন ততটা অমায়িক আমি নই :)

আপু আরেকটা কথা, আপনারা দুই ভাইবোন মিলে আপনার আপনার মা'র জানা খনার বচনগুলো নিয়ে যদি পোষ্ট দিতেন তাহলে আমাদের সংগ্রহেও আরো কিছু খনার বচন যোগ হতো। একটু চেষ্টা করে দেখুন না।

১৪| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৫৪

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: খনা ও খনার বচন নিয়ে ব্লগার শায়মা আপুর একটি পোষ্টের লিঙ্ক মূল পোষ্টে যোগ করে দিলাম।

১৫| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:১৬

জ্বীন কফিল বলেছেন: আপনার পোস্টে বাহুল্য কম তাই আরাম করে শুধু বচন গুলো পড়া যায়। পোস্ট কোহকাফে নিলাম ।

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:০৭

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: কিছুদিন যাবত কোহকাফ ভ্রমণ করিয়া নতুন কোন তথ্য উপাত্ত না পাইয়া কিঞ্চিত হতাশাগ্রস্থ হইয়াছি :( আশাকরি কোহকাফে অতি শিঘ্রই নতুন কোন তথ্য যোগ করিয়া আমাদের হতাশা দূর করিবেন।

কোহকাফ নগরের সার্বিক মঙ্গল কামনা করিতেছি এবং পোষ্টটিকে কোহকাফে স্থান করিয়া দেওয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করিতেছি :)

১৬| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫৪

মোঃমোজাম হক বলেছেন: শিক্ষনীয়।চমতকার।

জাতের মেয়ে কাল ভাল
নদির জল ঘোলা ভাল

এটা কি খনা বচনে পরে?

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:২৭

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: আসলে খনা বা খনার বচন নিয়ে অথেনটিক কোন ইনফো নেই। সাধারণত এই জাতীয় শিক্ষনীয় সব বচনই খনার বচন বলে বিবেচিত হয়। আপনার দেয়া বচনটা খনার বচন কিনা বলতে পারিনা তবে ভালো মেয়ে মন্দ মেয়ে চেনার উপায় নিয়ে অনেক খনার বচন রয়েছে। যেমন-

জল ফেলিয়া জলকে যায়, পর পুরুষে আড়ে চায়
তারে নাহি বল সতী, খনায় বলে সে দুষ্টমতি।



মন্তব্যও ভালোলাগা জানানোর জন্য অনেক ধন্যবাদ :)

১৭| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:২৭

সান্তনু অাহেমদ বলেছেন: খুব ভালো লাগা একটি পোস্ট।

+++

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:১৭

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: ভালোলাগা জানানোর জন্য অনেক ধন্যবাদ :)




যদি বর্ষে মাঘে, গুয়া(সুপারী) ভাঙ্গে আগে।
অর্থঃ মাঘের বৃষ্টি শুপারীর জন্য ক্ষতিকর।

১৮| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:০৩

গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: অসাধারণ একটা দিক নিয়ে লিখছেন ভাই।

খনা এবং কৃষি।

কন্টিনিউ করুন। মানুষের জন্য একটা উতস হবে।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৪৮

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: ধন্যবাদ লিসানি ভাই, ইচ্ছা আছে কন্টিনিউ করার। আর ইন্টারনেটের সুযোগ নিয়ে সবাই মিলে খনার বচন সংগ্রহ করে যদি একত্রিত করার চেষ্টা করি তাহলে অনেক অনেক খনার বচন চিরতরে হারিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পাবে। বাংলাদেশের মানুষের একটি দুর্ভাগ্য যে দেশের শ্রেষ্ঠ সম্পদ কৃষি ও কৃষক সবচে বেশী অবহেলিত এবং নিগৃহীত।

১৯| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:২৪

একটু স্বপ্ন বলেছেন: যাক কিছুটা ইতিহাসও পাওয়া গেল। খনার বচন হিসেবেই একটা কথা শুনেছি, ভেরিফাই করা হয়নি এখনও, দেখুনতো ভাই...

মাসে এক বছরে বার
তারও কম যে যত পার।


এ পোষ্টও প্রিযতে, নিজেরই স্বার্থে.. :)

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৩১

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: এটা খনার বচনই হওয়ার কথা। যেহেতু খনা এবং খনার বচনের ব্যাপারে অথেনটিক কোন ইনফো নেই সেহেতু লোকায়ত প্রাচীন প্রবাদ সমূহ খনার বচন বলে বিবেচিত হয়। তবে কি উদ্দেশ্যে বচনটি ব্যবহৃত হয় সেটা নিশ্চিত হতে পারছিনা।

পোষ্টটি আপনার প্রিয় তালিকায় যোগ করেছেন জেনে খুব ভালো লাগল :) অনেক ধন্যবাদ!


অঃটঃ আমি জাবিতে আপনার থেকে অনেক অনেক জুনিয়র ব্যাচ।

২০| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৫৯

বাকপটু বলেছেন: অর্থ গুলা দিয়া ভালো কর্সেন

এখন আরাম কইরা পড়লাম

+

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৪১

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: থ্যাঙ্কু বাকপটু ভাই :)




লাউ ফলে মাছের জলে, ধেনো মাটিতে ঝাল ফলে।
অর্থঃ মাছ ধোয়া পানি লাউ গাছের গোড়ায় দিলে আর ধানের বজ্য স্তুপ করে পচিয়ে তার উপর মরিচ চাষ করলে ফলন ভালো হয়।

২১| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:০০

একটু স্বপ্ন বলেছেন: অঃটঃ আমি জাবিতে আপনার থেকে অনেক অনেক জুনিয়র ব্যাচ।

সাবজেক্টটা বললেই নিশ্চিৎ হয়ে যাব.. :)

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:৫৮

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: সাবজেক্ট অলরেডি ফেসবুক থেকে জেনে গেছেন :)

২২| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:০৫

একটু স্বপ্ন বলেছেন: ছেঁড়াদিয়াতে মা'র সাথে ভ্রমনটি কেমন ছিল?

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:২৪

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: দারুন! মা'র সাথে কোথাও গেলেও কেমন জানি মনেহয় নিজের বাড়িতেই আছি। কিন্তু তার সাথে মা'র কিছু কমন যন্ত্রণাও ভোগ করেছি। আমি মা'কে নিয়ে গেলাম আর মা আমাকে শাসাচ্ছে, এই বেশী পানিতে নামবি না, এদিকে থাক, তোর সাহস তো কম না অত দূরে গেছিস, বোটের কোনায় বসিস কেন পড়ে যাবিনা ইত্যাদি ইত্যাদি X(( আর ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক দেখে মা'র ধারণা হয়েছে কোরাল রীফের কোনায় কোনায় খালি বিষাক্ত সাপ থাকে নামলেই কামড় দিবে! আমার মা ভুলেই যায় যে আমি অনেক দক্ষ সাঁতারু আর বিদেশে থাকতে একটা লম্বা সময় স্কুবা ডাইভিং করেছি :(

২৩| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৫০

একটু স্বপ্ন বলেছেন: খুব ভাল লাগলো মা'র সাথে ছেলের ভ্রমন কাহিনী।

ঘাটাইলের কাজী দেরকে চেনেন? তপন, স্বপন, তরুন, তৌহিদ... ?
অথবা মিথুন, ভালুকার ইউএনও?

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:৫৮

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: সব্বাইকেই চিনি :) আমাদের বাড়ীর থেকে কাজীদের বাড়ী ১ মিনিটের পথ। তাছাড়া কাজীদের সবার ছোটজন তারেক কাজী আমার ক্লাসমেট ছিল। তবে এখন ঘাটাইল গেলে তৌহিদ আঙ্কেল ছাড়া অন্য কারো সাথে তেমন দেখা হয়না। আর মিথুন কাকার সবার বড় ভাই (শামসুল আলম মনি) এবং আমার বাবা সেই ছোটবেলা থেকেই দু'জন খুবই ঘনিষ্ঠ বন্ধু। এক সাথে লেখাপড়া ছাত্র রাজনীতি যুদ্ধে যাওয়া যুদ্ধ পরবর্তী জাসদের রাজনীতির সাথে জড়িত হওয়া জেল বরন সবই একসাথে! মিথুন কাকা কি জাবিতে আপনার ইয়ারমেট ছিল?


অঃটঃ আমাকে তুমি করে বলবেন প্লিজ!

২৪| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৪৩

একটু স্বপ্ন বলেছেন: তারেক কাজীর মা আমার আপন ফুপু। তরুন আমার বয়েসী।

হুম, মিথুন আমার খুব ভাল বন্ধু ছিল, ইয়ারমেট তো বটেই। ফেবু-র নামে ওরা কেও হয়তো চিনবেনা আমাকে..

তুমি করেতো বলা যেতেই পারে। ভাল থেকো.. :)

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:০৫

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: তাই নাকি !!! তাহলে তো আপনি ঘাটাইল গিয়েছেন। উনাদের বাড়ীর কয়েক বাড়ী পশ্চিমেই আমার বাড়ী।


আর তুমি করে বলা যেতেই পারে না, তুমি করেই বলবেন :)

২৫| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:৩০

রুদ্রাক্ষী বলেছেন: অসাধারন পোস্ট ...............চলুক।প্রিয়তে নিলাম বাকী পর্ব গোলো লিখে লিন্ক দিয়ে দিবেন যেন....................।সেই সাথে প্লাস++++++++++++++++++++++++++++

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫০

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: ধন্যবাদ রুদ্রাক্ষী ভাই, নতুন পর্ব লিখলে তার লিংক যোগ করে দেব। আজ তৃতীয় পর্বের লিংক যোগ করে দিলাম।


প্লাস এবং প্রিয়তে নেয়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি :)

২৬| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৪৩

একটু স্বপ্ন বলেছেন: ঘাটাইল আমি বহুবার গিয়েছি। বিশেষ করে ১৯৮৮ থেকে ১৯৯২ পর্যন্ত সময়ে। ইদানিং যাওয়া হয়না বললেই চলে।

হা হা হা. .. তুমি করেইতো বলছি... আগেরটাতে খেয়াল করে দেখ। খুব ভাল হোক তোমার।:)

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫২

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: আবার যাবেন আশাকরি এবং অবশ্যই আমাকে নিয়ে।


আর খেয়াল করে দেখলাম এবং ধন্যবাদ :)

২৭| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৫৩

শায়মা বলেছেন: বাহ ভাইয়া!

তোমার লেখাটা অনেক অনেক অনেক বেশী ভালো হচ্ছে!

অর্থ গুলো সাথে দেওয়ায় আরও বেশী সহজবোধ্য!:)

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫৪

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: অনেক অনেক থ্যাঙ্কু শায়মা আপু। আপনার প্রশংসা আমাকে সত্যিই অনেক অনুপ্রাণিত করল :)

২৮| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫৮

জনৈক গণ্ডমূর্খ বলেছেন: ১৭তম ভাললাগা সহ পোস্ট প্রিয়তে

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:১৬

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ :)

আজ তৃতীয় পর্বের লিংক মূল পোষ্টে যোগ করে দিলাম।



ভাদ্র আশ্বিন বহে ইশান, কাঁধ কোদালে নাচে কিষাণ।
অর্থঃ জমির আইল মেরামতের জন্য ভাদ্র আশ্বিন মাস উপযুক্ত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.