নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বিশ্বাসই সকল শক্তি

আমিবন্ধুবর

বিশ্বাসই সকল শক্তি

আমিবন্ধুবর › বিস্তারিত পোস্টঃ

লাইসেন্স বাণিজ্যে টাকা হাতালো ধর্ম মন্ত্রণালয় চক্র!

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১১:৩৭

অনিয়মের মাধ্যমে বিভিন্ন এজেন্সিকে হজের লাইসেন্স দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রভাবশালী কর্মকর্তারা।



ক্ষমতার অপব্যবহার করে মোটা অঙ্কের লাইসেন্স বাণিজ্যের মাধ্যমে একেকটি লাইসেন্স দেওয়ার জন্য ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিয়েছে চক্রটি।



অভিযোগ পাওয়া গেছে, মন্ত্রণালয়টির প্রভাবশালী কর্মকর্তারা পারষ্পরিক যোগসাজশে হজের লাইসেন্স বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন।



এ অভিযোগ পেয়ে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ইতোমধ্যে, ধর্ম সচিব কাজী হাবিবুল আউয়ালের কাছে নথিপত্র চেয়ে নোটিশ দিয়েছে রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি বিরোধী সংস্থাটি। শিগগিরই সন্দেহভাজন অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করবে দুদকের অনুসন্ধান দল।



দুদকে আসা অভিযোগে দেখা যায়, গত বছর হজের আগে তড়িঘড়ি করে ৫০০ এজেন্সিকে হজ লাইসেন্স দেওয়া হয়। একেকটি লাইসেন্স দেওয়ার জন্য ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়েছে বিভিন্ন এজেন্সিকে।



এর মাধ্যমে অর্ধ শতাধিক কোটি টাকা হাতিয়েছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রভাবশালী চক্রটি।



৫০০ লাইসেন্স দেওয়ার আগ মুহূর্তে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক শ্রেণীর কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রচার করেন, ‘এবার একশর বেশি হজ লাইসেন্স দেওয়া হবে না।’ এ কারণে লাইসেন্স পেতে রীতিমতো প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যায়। আর্থিক লেনদেনও বেড়ে যায়। যিনি টাকা বেশি দিয়েছেন, তিনিই লাইসেন্স পেয়েছেন বলে অভিযোগ এসেছে দুদকে।



এদিকে, গতবছর হজের লাইসেন্স পাওয়া একটি এজেন্সির মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলানিউজকে বলেন, ‘গত বছর ১২ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে লাইসেন্স পেয়েছি। অনেকে আরো বেশি টাকা দিয়ে লাইসেন্স পেয়েছে।’



জানা গেছে, হজ লাইসেন্স দেওয়ার জন্য গত বছরের ২২ এপ্রিল ধর্ম মন্ত্রণালয় আবেদনপত্র আহ্বান করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে এক হাজার ৬টি এজেন্সি আবেদন করে। এছাড়া ওমরাহ-এর জন্য লাইসেন্স পেতে একশ ৩৭টি আবেদনপত্র জমা পড়ে।



এ সময় লাইসেন্স দেওয়ার জন্য একটি বাছাই কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে হজ লাইসেন্স দেওয়া হয়। আবেদন জমা দেওয়ার পর লাইসেন্স নিশ্চিত করার জন্য নানামুখি তৎপরতায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন আবেদনকারীরা।



ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টরা ঘুষ আদায় শুরু করে থাকেন। বাছাই কমিটির সুপারিশের জন্যও সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তার ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তা-কর্মচারীর হাতেও টাকার একটি অংশ প্রদানের ঘটনা ঘটে। ফলে, যারা মোটা অঙ্কের টাকা দিয়েছেন, তাদের নাম ‘এ’ ক্যাটাগরিতে স্থান পেয়েছে বলে জানা গেছে।



প্রাপ্ত তথ্যমতে, এর আগে বিজ্ঞাপন ছাড়া হজ লাইসেন্স দেওয়া হলেও বিজ্ঞাপন দিয়ে আবেদন আহ্বান করায় আবেদন যেমন বেশি পড়েছে, তেমনি তদবিরও হয়েছে বেশি।



দুদকের উপপরিচালক মো. ইব্রাহিম হজের লাইসেন্স দুর্নীতির বিষয়ে অনুসন্ধান করছেন।



জানা গেছে, শিগগিরই সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ করা হবে।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.