নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হাসি মুখ - সব সমস্যার সমাধান

মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়

পরাগ জাফর

আমি অন্ধকারের দিগন্ত খুঁজি,যেখানে অন্ধকার আর তুমি একই সাথে আছো। আমার রং-বেরঙের স্বপ্নগুলো তুমি ছিনিয়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলেছো অন্ধকারে আর আমার মাঝে জন্ম দিয়েছো এক রক্তিম কল্পনা জগতের। আমার কল্পনার বাতাসে ভাসে রক্তিম-গন্ধ,আকাশে উড়ে রক্তলাল মেঘ, আর বাকি সবকিছু অন্ধকার- -শুধুই নোনা রক্তের পিপাসা।

পরাগ জাফর › বিস্তারিত পোস্টঃ

ডিজেল ইঞ্জিনের দক্ষতা বেশি হওয়া সত্ত্বেও গ্যাসোলিন ইঞ্জিন কেন বেশি ব্যবহৃত হয়?

০২ রা মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৫

ডিজেল ইঞ্জিনের দক্ষতা(আউটপুট/ইনপুট) বেশি হওয়া সত্ত্বেও আমরা সাধারণত প্যাসেঞ্জার কারে ডিজেল ইঞ্জিন ব্যবহার করিনা,বরং এরচেয়ে কম দক্ষতাপূর্ণ গ্যাসোলিন ইঞ্জিন (পেট্রোল অথবা সি.এন.জি ইঞ্জিন) ব্যাবহার করি। এর কিছু কারণ হলোঃ



১.ডিজেল ইঞ্জিনের কম্প্রেশন রেশিও (compression ratio) বেশি (ডিজেল ইঞ্জিনের কম্প্রেশন রেশিও ২০:১ অপর দিকে গ্যাসোলিন ইঞ্জিনের কম্প্রেশন রেশিও ৮:১) হবার কারনে ইঞ্জিনের আকার অনেক বড় এবং ভারী হয়ে যায়।



২. ডিজেল ইঞ্জিনের দাম ও অনেক বেশি হয়।



৩. ডিজেল ইঞ্জিনের ওজন এবং কম্প্রেশন রেশিও বেশি হবার ফলে সর্বোচ্চ প্রতি মিনিটে ঘূর্ণন সংখ্যা (maximum RPM) গ্যাসোলিন ইঞ্জিন থেকে অনেক কম হয়। কম্প্রেশন রেশিও বেশি হবার ফলে ঊচ্চ টর্ক উৎপন্ন হয়, কিন্তু উচ্চ শক্তি (হর্সপাওয়ার) উৎপন্ন করতে পারেনা,ফলে গাড়ির গতি বৃদ্ধি করা যায় না।



৪. ডিজেল ইঞ্জিনে ফুয়েল ইঞ্জেক্ট করতে হয়,যা অতীতে অনেক ব্যয়বহুল ছিল।



৫. ডিজেল ইঞ্জিন বেশি ধোঁয়া উৎপন্ন করে এবং বাজে গন্ধ বের হয়।



৬. শীতের দেশে ডিজেল ইঞ্জিন চালু করতে অনেক সমস্যা হয়। আর সেজন্য ইঞ্জিন গরম করতে গ্লো-প্লাগ ব্যবহৃত হয়,যার জন্য গাড়ী স্টার্ট করতে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়।



৭. ডিজেল ইঞ্জিন অনেক শব্দ করে চলে আর অনেক বেশি কম্পন সৃষ্টি করে।



৮. গ্যাসোলিন ফুয়েল ডিজেল ফুয়েল থেকে অনেক সহজলভ্য।







এই সব অসুবিধার কারণে ডিজেল ইঞ্জিন সাধারণ ভাবে ব্যবহার করা হয় না। তবে ডিজেল ইঞ্জিনের কিছু সুবিধাও আছেঃ ১.সস্তা ফুয়েল এবং ২.ইঞ্জিনের দীর্ঘায়ু।







তথ্যসূত্রঃযড়ংিঃঁভভড়িৎশং.পড়স

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৬

অরূপ বলেছেন: আমি তো জানতাম ডিজেল ইন্জিন কম এফিসিয়েন্ট

২| ০২ রা মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫২

পরাগ জাফর বলেছেন: না ডিজেল ইন্জিনের দক্ষতা বেশি হয়।

৩| ০২ রা মে, ২০০৭ রাত ৮:০৮

হিমু বলেছেন: ভাই, আপনি একটা জায়গায় মনে হয় একটু জার্গনগত ভুল করছেন। শক্তি হচ্ছে টর্ক আর অ্যাঙ্গুলার ভেলসিটির প্রোডাক্ট। ডিজেল এনজিনের স্টার্টিং টর্ক অনেক হাই বলে এটার পিক আপ একটু কম হয়, অর্থাৎ স্থিরাবস্থা থেকে হাই ভেলসিটিতে উঠতে সময় লাগে। বেশি হর্সপাওয়ার দিতে পারে না ... এভাবে কথাটা আসলে বলা যায় না।

ডিজেল এনজিনের ফুয়েল ইনজেকশন প্রযু্ক্তি যেমন সময়ের সাথে কম ব্যয়বহুল হয়ে এসেছে, তাছাড়া স্পার্কপ্লাগ নেই বলে ঘন ঘন পাল্টাতেও হয় না। আর শীতের দেশে ঠিক শুধু এনজিন গরম করা হয় না, ইনজেকশন স্টেজের আগে প্রিহীটারও ব্যবহার করা হয়, নাহলে ডিজেল জমে মোমের মত হয়ে যায়, তখন ফুয়েল ফিল্টার জ্যাম হয়ে যায়।

বেশি পন্ডিতি করে ফেললে ক্ষমা করে দিয়েন।

৪| ০২ রা মে, ২০০৭ রাত ৮:৪০

পরাগ জাফর বলেছেন: হিমু ভাই, আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আসলে এই লেখাটা বিজ্ঞানী.কম এর জন্য লেখা,ওখানে আমি অনেক বেসিক লেভেলের জন্য লেখি তাই এত গভীরে আলোচনা করিনি।আপনার সবগুলো পয়েন্টই ঠিক।

৫| ০২ রা মে, ২০০৭ রাত ৮:৪৮

হিমু বলেছেন: ভাইরে, সময় থাকতে যদি এই নলেজ উগরাইতে পারতাম, তাহলে আজকে হয়তো কেষ্টুবিষ্টু হতে পারতাম :(! পরীক্ষার খাতায় তো আকন্দ চাচুর মতো এক কথা বার বার বলে দিয়ে আসতাম।

৬| ০২ রা মে, ২০০৭ রাত ৯:০৯

হাসিব বলেছেন: মুল কথা হলো ব্যবসা । ব্যবসা যেই দিক নির্দেশ করবে সেটাই ফলো করতে হবে ।

৭| ০২ রা মে, ২০০৭ রাত ৯:১১

অমিত বলেছেন: মুহাহাহাহা..হিমুর শেষ কমেন্ট=৫...মুহাহাহাহা..

৮| ০২ রা মে, ২০০৭ রাত ১০:২৩

পরাগ জাফর বলেছেন: হিমু ভাই একেবারে ঠিক কথা কইছেন!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.