| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মিষ্টি একটা দুইটা খাওয়া ভালো বেশি খাইলে তিতা লাগে। ভ্যাট প্রত্যাহার করা হইসে ছাত্র ছাত্রীদের উপর থেকে সুতরাং তাদের উচিত এখন খুশি খুশি টিউশন ফি বাড়াতে পারবেনা এমন নিশ্চয়তা নিশ্চিত করে বাসায় ফিরে যাওয়া। এখন তারা আন্দোলন করতেসেন তাদের বিশ্ববিদ্যালয় ভ্যাট দিবেনা এই দাবীতে। মিষ্টি এখন তিতা হবে। টিয়ারশেল এর ধুয়াতে চোখের জ্বালা কেমন হতে পারে সেটা তারা জানেনা হইতবা ২দিনের মধ্যে জানবে তারপর আবার ব্যাস্ত হয়ে যাবে যার যার কাজে।
আমার অনুরোধ সকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের নিকট নিজের বাপের টাকা বাচান কিন্তু যারা শিক্ষাকে পণ্য বানিয়ে হাজারো কোটি টাকা আয় করছেন তাদের টাকা বাচাতে নিজেদের রক্ত দিয়েন না।
Education is not a product for you but its the way to earn millions of money for the authorities of your university. As they have made education a product so let them pay the vat.
২|
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৪৯
রিয়াজ বিন জাফর বলেছেন: তার জন্য সমাধান হতে পারে শক্তিশালী প্রাইভেত বিশ্ববিদ্যালয় আইন .।.।.।.।.।
আর আজকের কথার পর কিছু আর নুতন করে বলার নাই .।.। আমার মনে হয় আমরা একটি মালদেশ এ বাস করি এর নাম বাংলাদেশ না হয়ে মালদ্বীপ বা মালদেশ রাখলে ভাল হত
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ২:৩২
ইঞ্জিনিয়ার কবির আহমেদ মাধব বলেছেন:
ভ্যাট দিবে বিশ্ববিদ্যালয় কুতৃপক্ষ,ছাত্র-ছাত্রীরা না। বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ কি ভার্সিটিতে টাকার গাছ লাগাইছে না তাদের পকেট থেকে টাকা দিবে??? তারা যে টাকা দিবে সেটা ত ছাত্র-ছাত্রীদের থেকেই ত নিবে ।এর বাহিরে অন্য ওয়ে আছে কি না আমার জানা নাই। হয় ত কয়েক মাস মন্ত্রীদের কথায় সেমিষ্টার ফি বাড়ালো না কিন্তু তার কিছুদিন পর যে বাড়াবে না তার গ্যারান্টি কি?? তারা ত আর নিজেদের পকেটের টাকা থে সরকারকে ভ্যাট দিবে না?
রাতে টকশোতে শুনলাম, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মালিক বললেন- তাকে যদি ভ্যাট দিতে হয়, তবে তিনি শিক্ষার্থীদের আগে যে সুযোগ সুবিধা দিতেন, তা আর তার পক্ষে দেওয়া সম্ভব হবে না। অনেক সুযোগ সুবিধাই তাকে কমিয়ে দিতে হবে। তাহলে বুঝেন অবস্থা!