নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সূর্যস্নানে চল

শেখ আমিনুল ইসলাম

নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো... © শেখ আমিনুল ইসলাম কর্তৃক সর্ব স্বত্ত্ব সংরক্ষিত। লেখকের পূর্বানুমতি ব্যতীত এই ব্লগের কোন লেখা অন্য কথাও প্রকাশ করা যাবে না। [email protected]

শেখ আমিনুল ইসলাম › বিস্তারিত পোস্টঃ

বুক রিভিউ : দি গড অব স্মল থিংস, অরুন্ধতী রায়

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৩৯



১৯৯৭ সালে লেখা “দি গড অব স্মল থিংস” অরুন্ধতী রায়ের প্রথম এবং এখন পর্যন্ত একমাত্র উপন্যাস। ১৯৯৭ সালেই তিনি এই উপন্যাসের জন্য সম্মানজনক বুকার পুরস্কার লাভ করেন। অরুন্ধতী রায় বাস্তবজীবনে খুব অনুভূতিশীল মানুষ, মানুষের দুঃখে কেঁদে ওঠেন, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ভারতের এ মাথা থেকে ও মাথা চষে বেড়ান। বুক ফুলিয়ে অবলীলায় যা সত্য তাই বলে দেন। তাঁর আত্নজীবনীমূলক এই উপন্যাসেও তার ব্যতিক্রম খুঁজে পাওয়া যায় নি। মানুষের হাসি, আনন্দ, দুঃখ, কষ্ট, ভালোবাসা, বিরহ, ঘৃণা প্রভৃতি সব মানবিক ব্যাপারগুলোকে খুব সূক্ষভাবে দেখার একটা অদ্ভুত গুন আছে তাঁর মাঝে। এই উপন্যাসে মানব জীবনের ছোট ছোট মূহুর্তগুলোকে ছোট ছোট করে হৃদয়গ্রাহীভাবে তিনি তুলে ধরতে পেরেছেন সুনিপুণ মুন্সিয়ানায়। অতীত ও বর্তমানকে নিয়ে যুগপৎভাবে পথ চলে পাঠককে একটা ঘোরের মধ্যে মোহিত করে রেখেছেন তিনি তাঁর লেখার জাদুতে। বর্ণবাদ, সমাজতন্ত্র, পুজিবাদ, প্রেম, প্রতিশোধ, দুই জমজ শিশুর দুঃখময় বেড়ে উঠা, একে অপরের প্রতি তাদের ভালোবাসা, সব ঘটনাপ্রবাহ মিশেছে যেন এক মোহনায়।



উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র আম্মু এইমেনেমের মেয়ে, দুই ভ্রুনের দুই জমজ শিশু এস্থা ও রাহেলের মা। দক্ষিণ ভারতের কেরালা রাজ্যের শীনাচল নদীর তীরে এক ছোট শহর এইমেনেম। মালাবার, কালিকট, কোচিনসহ প্রাচীন ইতিহাস প্রসিদ্ধ জনপদ এ কেরালা রাজ্যেরই। পর্তুগীজ, ইংরেজসহ ইউরোপীয় জাতিগুলোর সাথে এ রাজ্যের মানুষের একটা সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল অনেক আগে থেকেই। এদের হাত ধরেই জলপথে খৃষ্টধর্ম এসেছিল, এসেছিলেন সিরিয়ান খ্রিষ্টানরা। ভারতের অন্য রাজ্যগুলোর চেয়ে তাই এই রাজ্যটা ব্যতিক্রম, এখানে খ্রিষ্টানদের সংখ্যা প্রায় দুই কোটি, শিক্ষার হারও বেশি। মেধাবী মার্কসবাদী নেতা কমরেড ই.এম.এস নাম্বুদিরিপাদের নেতৃত্বে পৃথিবীর প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত বামপন্থী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই রাজ্যে ১৯৫৭ সালে ও ১৯৬৭ সালে। সেই সময়টাকেই ধারন করেছে “দি গড অব স্মল থিংস”। ভারতের অন্যান্য রাজ্যগুলো থেকে ব্যতিক্রম হলেও, এটি বর্ণবাদ, জাতিভেদ, সন্ত্রাস ও প্রশাসনিক দূর্নীতিকে এড়িয়ে যেতে পারেন নি। পৃথিবীর অন্য এলাকার খৃষ্টধর্মের সাথে এর মিল নেই, মিল নেই বামপন্থার সাথেও। যে উচ্চবর্ণের ব্রাহ্মণেরা খৃষ্টধর্ম গ্রহন করেছিলেন, তাঁরা নিজেদেরকে সমাজের প্রভুই বানিয়ে রাখেন। বর্ণবাদ, জাতিভেদের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে যে ছোট জাতের মানুষগুলো খৃষ্টধর্মের পদতলে আশ্রয় খুঁজে ছিল, তাঁরাও নতুন ধর্মে এসে অচ্ছুৎই থেকে যায়। সাম্যবাদ, মার্কসবাদের লালপতাকা উপরে তুলে ধরে যে উচ্চবর্ণের কমরেডরা ক্ষমতার সাধ পায়, তাঁদের বাড়িতেও অচ্ছুৎ থেকে যায় নিম্নবর্ণের এই কমরেডরা। তাই আস্তে আস্তে জনপ্রিয়তা পেতে থাকে সশস্ত্র নকশালবাদী বামপন্থী আন্দোলন।



আম্মু এইমেনেমের এক প্রভাবশালী সিরিয় খ্রিষ্টান ইপে পরিবারের মেয়ে। তাঁর পিতা পাপাচি (শ্রী বেনান জন ইপে) ব্রিটিশরাজের অধীনে দিল্লীতে ‘রাজকীয় পতঙ্গবিদ’ হিসেবে কাজ করে অবসরে যান, দাদা পুণ্যান কুঞ্জু (রেভারেন্ড ই. জন ইপে) সিরিয় খৃষ্ট সম্প্রদায়ের মাঝে খুব সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি ছিলেন, বড়ভাই চাকো ছিলেন অক্সফোর্ডের নামকরা বিদ্বান। এইমেনেমে তাঁদের ছোটখাটো জমিদারী ছিল, ছিল ‘প্যারাডাইস পিকলস অ্যান্ড প্রিজার্ভস’ নামে একটি আচার কারখানা। আচার কারখানাটি প্রথমদিকে তাঁর মা মামাচি (সোশাম্মা ইপে) চালালেও, পাপাচি মারা যাওয়ার পর এটি চাকোই দেখাশুনা করতে থাকেন। তাঁদের পরিবারে আরেক সদস্য বেবী কোচাম্মা (নবমী ইপে), আম্মুর ফুপু। বেবী কোচাম্মা দাদা রেভারেন্ড ইপের খুব আদরের মেয়ে ছিলেন। বেবী কোচাম্মা যখন আঠার বছরের, তিনি ভালোবাসেন এক সুদর্শন আইরিশ যাজক, ফাদার মুলিগানকে। কাজ দিয়ে তাঁকে মাদ্রাজ থেকে কেরালায় পাঠানো হয়েছিল। সপ্তাহে একদিন ধর্ম বিষয়ে রেভারেন্ড ইপের সাথে আলোচনা করতে ফাদার মুলিগ্যান আসতেন তাঁদের বাড়িতে। ফাদার মাদ্রাজে ফিরে গেলে, বেবী কোচাম্মা তাঁর পিতার ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে রোমান ক্যাথলিক হলেন। তিনি ভ্যাটিকানের বিশেষ অনুগ্রহে মাদ্রাজের এক কনভেন্টে শিক্ষানবীশ হিসাবে শপথও নেন। তাঁর ধারনা ছিল, এতে তিনি ফাদারের কাছাকাছি থাকতে পারবেন। কিন্তু বাস্তবে বেবী কোচাম্মার ফাদারের ভালোবাসা আর পাওয়া হয় নি। ফাদার মুলিগান পরে হিন্দু ধর্মে দিক্ষিত হন এবং ভাইরাল হেপাটাইটিসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেন। বেবী কোচাম্মা পরে কুমারী থেকে যান।



পাপাচি চাকরি থেকে অবসর নিয়ে যে বছর দিল্লি থেকে এইমেনেমে ফিরে আসেন, সে বছর আম্মু সবে মাত্র তাঁর স্কুলের পড়া শেষ করেছেন। পাপাচি মনে করত, কলেজে মেয়েদের পড়া অপ্রোজনীয় ও বাজে খরচ। তাই আম্মুকেও পরিবারের সাথে এইমেনেমে চলে যেতে হল। তখনকার দিনে এইমেনেমের ছোট মেয়েদের বিয়ের প্রস্তাবের অপেক্ষা করা ছাড়া আর উপায় ছিল। আম্মু দেখতে খুব সুন্দর ছিলেন, কিন্তু তাঁর বাবার তেমন সঙ্গতি না থাকায় যৌতুকের মাত্রাও ছিল কম। দুবছর কেটে গেল, কোনো বিয়ের প্রস্তাব এল না। এভাবেই আঠার বছরের জন্মদিন পার হয়ে গেল। কিন্তু এ ব্যাপারে তাঁর বাবা মায়ের মাঝে কোনো তোড়জোর ছিল না। আম্মু ভিতরে ভিতরে বিয়ের জন্য খুব অস্থির হয়ে উঠে। সারা দিন তাঁর মাথায় ঘুরত এইমেনেমে তাঁর বদ মেজাজী বাবার কাছ থেকে পালানোর কষ্ট কল্পনা। পাপাচি তাঁকে গরমের ছুটিটা কলকাতায় এক দূর সম্পর্কের ফুপুর কাছে কাটানোর অনুমতি দিলেন। সেখানে একজনের বৌভাতের অনুষ্ঠানে আম্মু তাঁর ভবিষ্যৎ স্বামীকে পছন্দ করেছিলেন। ভদ্রলোক আসামের এক চা বাগানের সহকারী ব্যবস্থাপকের চাকরি করত। তাঁর পরিবার ছিল বিত্তশালী জমিদার। সে দেখতে বেটেখাটো হলেও, সুঠাম ও সুদর্শন ছিলেন। তবে মদ্যপান করে সব সময় মাতাল হয়ে থাকতো। ছুটি কাটাতে কোলকাতায় এসেছিলেন। পরিচয়ের মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যেই সে আম্মুকে বিয়ের প্রস্তাব দিল। আম্মু তাঁকে ভালোবাসার ভান করে নি, সে শুধু তাঁর চারপাশের অস্থির, অনিশ্চিত, পাথুরে সময়ের কাছে থেকে মুক্তি চাইছিল। আম্মু যেন ছিল একটা খালি চেয়ার, আর ভদ্রলোক সেখানে বসে পড়লেন। আম্মু ভেবেছিলেন, এইমেনেমে ফিরে যাওয়ার চেয়ে অন্য যে কোনো কিছুই তাঁর জন্য ভালো হবে। আম্মু তাঁর মা-বাবাকে তাঁর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে চিঠি লিখলেন, কিন্তু তাঁরা উত্তর দেবার প্রয়োজনও মনে করেন নি। অনেক জাঁকজমকপূর্ণভাবে আম্মুর বিয়ে হল। আম্মু শ্বশুর ছিলেন রেলওয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান, কেম্রিজ বক্সিংএ ব্লু পদকপ্রাপ্ত, দি বেঙ্গল এমেচার বক্সিং এসোসিয়েশনের সচিব। তিনি নব দম্পতিকে অনেক গয়না আর উপহারের সাথে, গোলাপী রঙের সুন্দর একটি গাড়ি উপহার দিয়েছিলেন। বিয়ের পর আম্মু তাঁর স্বামীর সাথে আসামে চলে এলেন।



১৯৬৭ সালের অক্টোবরে চীনের সাথে ভারতের যুদ্ধ লেগে গেল। আম্মু তখন আট মাসের গর্ভবতী। নভেম্বরে এক দিন আম্মুর প্রসব বেদনা উঠল। আম্মু তাঁর স্বামীকে নিয়ে শিলঙের পথে রওনা দিলেন। বাসে অসংখ্য যাত্রীর চাপাচাপি। গর্ভবতী আম্মুকে দেখে গরিব সহযাত্রীদের একটু দয়া হল। তাঁরা একটু বসার যায়গা পেল। বাসের প্রচন্ড ঝাঁকুনির তীব্র ব্যথা তাঁকে দাঁত কামড়ে সহ্য করতে হয়েছে। সারা পথ আম্মুর পেট চেপে রেখেছিল তাঁর স্বামী। লোকজন বলাবলি করছিল, চীন ভারতকে দখল করে নিয়েছে। হাসপাতালের সব বৈদ্যুতিক বাতি নিভিয়ে মোম বাতি জ্বালানো হয়েছিল, জানালাগুলো পর্যন্ত অন্ধকার করে দেয়া হয়েছিল। এরকম অস্থির সময়ে এস্থা আর রাহেলের জন্ম। এস্থার জন্মের আঠার মিনিট পরে রাহেলের জন্ম। আম্মু ভয়ে ভয়ে ওদের দেখল, ওরা কোনো অঙ্গ বিকৃতি নিয়ে জন্মেছে কিনা। আম্মু গুনে দেখল চারটে চোখ, চারটে কান, দুটো মুখ, দুটো নাক, বিশটা আঙুল আর বিশটা নিঁখুত নখ। আম্মুর ভয় কাটল, তারপর চোখ বুজে এল অবসাদে ক্লান্তিতে।



আম্মু অত্যন্ত সুন্দরী ছিলেন। পিঠখোলা কালো ব্লাউজ পড়তেন। সোনালী রঙের শিকল লাগানো ভ্যানিটি ব্যাগ সাথে রাখতেন। লম্বা সিগারেটের পাইপে টান দিয়ে ঠোঁট গোল করে ধোঁয়ার বৃত্ত বের করতে শিখেছিলেন। সে চা-বাগানের মালিকদের ক্লাবে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠলেন। সাদা চামড়ার মালিকেরা এর আগেই শ্রমিকদের ভিতরে সাদা চামড়ার ছেলেমেয়ের জন্ম দিয়ে চলেছিলেন, এবার নজর পড়ল কর্মকর্তাদের স্ত্রীদের দিকে। চা বাগানের মালিক আম্মুর স্বামীকে ছাঁটাইয়ের হুমকী দিয়ে আম্মুর সেবা পেতে চাইলেন। আম্মু শুনে হতবাক হয়ে কথা হারিয়ে ফেলেন। তাঁর মদ্যপ স্বামী নীরবতা দেখে প্রথমে অস্বস্তিতে ভুগলেও, পরে ভয়ানক রেগে তাঁর চুলের মুঠি ধরে কিল ঘুসি মেরে অজ্ঞান হয়ে যান। আম্মুও বইয়ের তাক থেকে সবচেয়ে ভারি বইটি নামিয়ে তাঁর সমস্ত শক্তি দিয়ে স্বামীর মাথায়, পায়ে, ঘাড়ে, পিঠে আঘাত করেন। পরবর্তীতে এটা একটা রুটিনমাফিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়াল। মাতলামী আর মারামারি। আম্মু তেতো বিরক্ত হয়ে উঠলেন। যখন স্বামীর মারামারি স্ত্রী থেকে সন্তান পর্যন্ত গড়াল তখন আম্মু স্বামীকে ছেড়ে অনাহূতের মতো এইমেনেমে মা-বাবার কাছে ফিরে এলেন। সেখানেই সে ফিরলেন যেখান থেকে কয়েক বছর আগে সে পালিয়ে গিয়েছিলেন। শুধু পার্থক্য এই যে এখন তাঁর দুটো জমজ সন্তান। তাঁর আর কোনো স্বপ্ন নেই।



আম্মুর কাছে তাঁর জমজ সন্তান ছিল একজোড়া আশ্চর্য ব্যাঙের মতো। যারা একজন আরেক জনের ওপর মানসিকভাবে নির্ভরশীল। রাহেল আর এস্থাও নিজেদের অভিন্ন ভাবত। ভাবত, দুজনে মিলে তারা একজন। দুজনের শরীর দুটো হলেও পরিচয় এক। এস্থা রাতে যে স্বপ্ন দেখত, রাহেল সকালে তা শুনে এমনভাবে হাসত যেন স্বপ্নটা সেই দেখেছে। দুই জমজের মধ্যে মাঝে মাঝে খুনসুটিও হত। এস্থা মামাচির আচার কারখানায় সাহায্য করতে যেত মাঝে মাঝে। সে একদিন আচারের কালো কড়াইয়ে লাঠি দিয়ে খেলার ছলে নৌকা বাইছিল। এমন সময় রাহেল সেখানে উঁকি দিল।

“এস্থা না তাঁকিয়েই বলল - কী চাস?

রাহেল বলল – কিছু না।

- এখানে এলি কেন?

রাহেল উত্তর দিল না। হিংসুটে নীরবতা নিয়ে রইল কিছুক্ষণ।

রাহেল জিজ্ঞেস করল – জ্যামের মধ্যে নৌকা বাইছিস কেন?

এস্থা বলল – ভারত স্বাধীন দেশ।

কারো কিছু বলার ছিল না। ভারত ছিল স্বাধীন দেশ।”



আম্মু এস্থাকে আচারের রেসিপি লিখে রাখার অনুমতিও দিয়েছিল। সে আম্মুর দেয়া তাঁর নোটখাতায় খুব সুন্দর করে মামাচির আচারের রেসিপি লিখে রাখত।

কলার জ্যাম।

কলা চটকাও। পানি মেশাও, ঢেকে দাও, তারপর জ্বাল বাড়িয়ে দাও। যতক্ষণ না নরম হয় ফোটাও ততক্ষণ। হালকা কাপড়ে চিপে চিপে রস ছেঁকে নাও। সমান মাপের চিনি মেপে পাশে রেখে দাও। রস জ্বাল দিতে থাকো বেগুনি রঙ হওয়া পর্যন্ত। রসটা অর্ধেক শুকিয়ে গেলে জ্বাল কমাও। গেলাটিন (পেকটিন) তৈরী করো এভাবে-

পরিমাণ ১ : ৫, অর্থাৎ - টেবিল চামচ পেকটিন : ২০ চা চামচ চিনি। ......জমাট বেঁধে আসা রসে পেকটিন মেশাও। সামান্য কয়েক (পাঁচ / ছয় ) মিনিট জ্বাল দাও। জ্বাল বাড়িয়ে দাও চারিদিকে যেন আগুন ওঠে। চিনি মেশাও। জ্বাল দিতে থাক যতক্ষণ না চটচটে ভাব না আসে। ধীরে ধীরে ঠান্ডা করো। আশা করি এ রান্নাটা করে আনন্দ পাবে।”



এস্থা এলভিস প্রিসলির গান খুব ভালো বাসত। খুব সুন্দর করে তাঁর গান গাইতে পারত। একবার আম্মু, বেবী কোচাম্মা, রাহেল ও সে কোট্টাইমে (এইমেনেমের পাশে অবস্থিত কেরালার অন্যতম বড় শহর) সিনেমা দেখতে গিয়েছিল। সিনেমার মাঝখানে এলভিস প্রিসলির গান চলে আসায় সেও গেয়ে উঠল। আশেপাশের দর্শকেরা বার বার অনুরোধ করে, ভয় দেখিয়েও তাকে থামাতো পারছিল না দেখে বাইরে চলে যেতে বলছিল। এস্থাও নিজেকে থামাতে পারছিল না দেখে, ভয়ে ভয়ে আম্মুকে বলল, আম্মু আমি বাইরে গিয়ে গানটা গেয়ে আসি। আম্মু বিরক্ত হয়ে বলল, তুই এত মানুষের সামনে আমাদের অপমান করলি! এরপর এস্থা সবাইকে ডিঙিয়ে বাইরে যেয়ে মন খুলে তার প্রিয় এলভিস প্রিসলির গান গেয়েছিল।



সোফি মল চাকো আর মার্গারেট কোচাম্মার মেয়ে। চাকো অক্সফোর্ডে পড়তে গিয়ে মার্গারেটের প্রেমে পড়ে যায়। ইংরেজ মহিলা মার্গারেটকে সে বিয়েও করে। চাকো ছিল অগোছালো ও অলস। তাই শেষ পর্যন্ত তাদের বিয়েটা টিকে নি। মার্গারেট পরে চাকোকে ডিভোর্স দিয়ে জো নামে এক ইংরেজকে বিয়ে করেন। সোফি মল জো এর পরিবারেই বড় হতে থাকে, তাঁকেই আসল বাবা ভাবে, চাকো শুধুই তাঁর জন্মদাতা পিতা। জো এক দুর্ঘটনায় মারা গেলে, মার্গারেট শোক কাটাতে সোফি মলকে নিয়ে এইমেনেমে আসেন চাকোর বাড়িতে। সোফি মলের তখন নয় বছর, আর জমজ ভাই-বোনদের সাত।



ভেলুথা এক নিম্নবর্ণের অচ্ছুৎ পারাভান। সে কেরালা কমুনিস্ট পার্টির সাথে জড়িত ছিল। ভালো কাঠের কাজ, যন্ত্রপাতির কাজ জানত সে। সে নিজেকে কখনো অচ্ছুৎ ভাবতে পারে নি। সে দুই জমজ ভাইবোনের খুব ভালো বন্ধু ছিল, খেলার সাথী ছিল, এটা ওটা বানিয়ে দিত; মোটকথা ওদের বাবার অভাব পূরন করতে পেরেছিল। বিষয়টি আম্মুও বুঝতে পারে। আম্মু উচ্চবর্ণের সিরিয়ান খ্রিষ্টান হয়েও তাই ভেলুথার সাথে নিষিদ্ধ প্রণয়ে জড়িয়ে পড়ে। ভেলুথার বাবা বিষয়টি ধরতে পেরে খুব ভয় পেয়ে মামাচিকে জানিয়ে দেন। মামাচি জানতে পেরে খুব রেগে যান। ভেলুথাকে ডেকে যাচ্ছেতাই ভাবে গালমন্দ করেন। সেখানে বেবী কোচাম্মাও উপস্থিত ছিলেন। বেবী কোচাম্মা বামপন্থীদের ঘৃণা করতেন। ইতোপূর্বে বামপন্থীদের এক মিছিলের মাঝখানে পড়ে গিয়ে লাল পতাকা নেড়ে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ বলতে বাধ্য হয়েছিলেন। সেই মিছিলে ভেলুথাও ছিল। বেবী কোচাম্মার প্রতি ঘটে যাওয়া এই ঘটনাকে সে অপমান হিসবেই দেখেছিল, এর জন্য মনে মনে ভেলুথাকেই দায়ী করেছিল। আজ শিকার হাতে পেয়ে তিনি উচিত শিক্ষা দেওয়ার ষড়যন্ত্র করতে থাকেন। প্রথমেই আম্মুকে কৌশলে ঘরে বন্দী করে পুলিশের কাছে মামলা করতে ছুটে যান, ভেলুথা আম্মুকে ধর্ষণ করেছে।



আম্মু তাঁর জমজ দুই ছেলেমেয়েকে খুব ভালো বাসতেন। ওদের নিষ্পাপ বড় বড় চোখের আকর্ষণ, অন্য মানুষকে ভালোবাসার ইচ্ছা যারা ওদেরকে ভালো বাসে না, এই ধরনের ভাবনাগুলো আম্মুকে খুব জ্বালতন করত, ওদের ধরে মারতে ইচ্ছে করত। ওদের বাবা চলে গেছে, সেই জানালাটা ওরা খুলে রেখেছে, অন্য কেউ আসবে বলে এবং এলে স্বাগতম জানাবে। তাঁর দুই জমজ নিষ্পাপ বাচ্চার প্রতি অসীম মায়া মমতা আর ভালোবাসা দেখে আম্মু ভেলুথার উপর দুর্বল হয়ে পড়ে। এর জন্যই আম্মুকে আজ লাঞ্ছিত হতে হচ্ছে। “আম্মু চিৎকার করে বলল – তোদের জন্য। যদি তোরা না জন্মাতি, তবে আমার এখানে থাকতে হত না। এসবের কোনো কিছুই ঘটনা। আমি এখানে থাকতাম না। আমি মুক্ত থাকতে পারতাম। যেদিন তোরা জন্ম নিয়েছিলি আমার উচিত ছিল তোদের এতিমখানায় ফেলে আসা। আমার ঘাড়ের উপর তোরা পাথরের মতো বোঝা।..... আম্মু বলল – তোরা এখান থেকে চলে যা। তোরা চলে যেতে পারিস না। আমাকে একটু একা থাকতে দিতে পারিস না?

ওরা মায়ের কথা রেখেছিল।”



এস্থা অনেক সময় অদ্ভুতভাবে বাস্তবটাকে উপলব্ধি করতে পারত। “জ্যাম নাড়তে নাড়তে এস্থা ভাবল, দুটো ভাবনা – এক. যে কারো যে-কোনো কিছু ঘটে যেতে পারে। দুই. যে-কোনো অবস্থার জন্য তৈরী থাকা ভালো।” এস্থা তাই তার প্রিয় বোনটিকে নিয়ে পালাতে চাইল। যেখান থেকে কেউ কখনো ফেরে না। ওরা সোফি মলকে নিতে চাই নি, সেও গেল জোর করে। তিনজন ছোট নৌকা নিয়ে ছোট শীনাচল নদী বেয়ে চলল। হঠাৎকরে স্রোতের টানে নৌকাটা উল্টে গিয়ে সোফি মল হারিয়ে গেল। পড়ে তার লাশ এক জেলে খুঁজে পেল।



ভেলুথা এইমেনেমের স্থানীয় বামপন্থী নেতা কমরেড পিল্লাইয়ের সাহায্য চেয়েছিল, বর্ণবাদী স্বার্থপর কমরেড তাঁকে কোনো সাহায্য করে নি। পরে ছয় জন পুলিশ, বর্ণপ্রথার রক্ষার ছয় যুবরাজ ভেলুথাকে নির্মমভাবে পিটুনি দিল দুই জমজ এস্থা আর রাহেলের সামনে। বেবী কোচাম্মা এস্থা ও রাহেলকে ভেলুথার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে বলল, সেই সোফি মলকে ডুবিয়ে হত্যা করেছে। এস্থা ও রাহেল প্রথমে মিথ্যে সাক্ষী দিতে রাজী হয় নি। বেবী কোচাম্মা ভয় দেখালো মিথ্যা সাক্ষী না দিলে, “তোদের জেলে যেতে হবে, তোদের জন্য তোদের মাকেও জেলে যেতে হবে, ভালো লাগবে? তোরা তোর মাকে ভালো বাসিস না?” সে রাত্রেই ভেলুথার মৃত্যু হল। মৃত্যুর আগে সে জেনে গেল সে ধর্ষণকারী, শিশু অপহরণকারী, শিশু হত্যাকারী। ভেলুথা ছিল দুই জমজ, আর তাদের মায়ের কাছে দেবতা। ছোট মানুষের দেবতা, ছোট দেবতা। বড় দেবতারা যখন হিংসায় আক্রোশে ছোট দেবতাকে মারতে আসে, তখন ছোট দেবতা সাধারণ মানুষ হয়ে যায়, রক্ত মাংসের মানুষ। তাঁর সম্মান মর্যাদার আর বালাই থাকে না। দুই জমজ মনে করতে থাকে ভেলুথার মৃত্যুর জন্য তারাই দায়ী। ভেলুথারা স্মৃতি তাদেরকে ছিড়ে কুড়ে খায়। আম্মু মনে করত, ভেলুথাকে সেই হত্যা করেছে।



সোফি মলের মৃত্যুর জন্য মার্গারেট কোচাম্মা এস্থাকে দায়ী করত, ওকে কাছে পেলেই চড় বসিয়ে দিত। চাকো আম্মুকে তার দুই জমজ সন্তান নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে বলে। আম্মু এস্থাকে তাঁর মাতাল বাবার কাছে পাঠিয়ে দিল। আট বছরের এস্থা। আম্মু এস্থার যাওয়ার সময় নেক জামা কাপড়, ডাইরি, চিঠির ঠিকানা লেখা খাম দিয়ে এস্থার ব্যাগ গুছিয়ে দিল। বিদায়ের সময় বলল, “তুই কথা দে আমাকে লিখবি। তুই কথা দে, কখনো রাহেলকে ভুলে যাবি না, রাহেলকে ছেড়ে কোথাও যাবি না।.... আমি একটি ভালো চাকরি পেলে তোকে আবার নিয়ে আসবো। আমরা একটি স্কুল খুলবো। সেই স্কুলে তোরা পড়বি।” এস্থার সাথে আম্মুর আর কখনো দেখা হয় নি। আম্মু চাকরি খুঁজতে গিয়ে এক সস্তা হোটেলে অসুস্থ হয়ে মারা যায়। আম্মু তখন সারাক্ষন কাশত, বমি করত। রাহেল আম্মুকে তখন এই অবস্থার জন্য ঘৃণা করত। আম্মুর অন্ত্যষ্টিকৃয়ার জন্য কোনো পাদরী রাজী হয়নি। তাই আম্মুকে কোট্টাইমের এক শশ্বাণে নিয়ে পোড়াতে নিয়ে যায় চাকো আর রাহেল। পোড়ানো শেষ হলে ছাই সাথে করে নিয়ে আসে রাহেল, রশিদটি হারিয়ে যায়। এস্থা নেই, এস্থা থাকলে ঠিকই রশিদটি যত্ন করে রেখে দিত। টুকিটুকি সব জিনিস এস্থা গুছিয়ে যত্ন করে রাখে।



এস্থা বাবার কাছে ফিরে যাবার পর দ্রুত পালটে যেতে থাকে। নিজেকে চারপাশ থেকে গুটিয়ে নেয়। নিরব হয়ে যায়। কারো সাথে কথা বলত না। শুধু হেঁটে যেত একাকী, এক রাস্তা থেকে আরেক রাস্তায়। সে যেন হেঁটে যেত মহাকালের পথে....



আম্মু মারা যাবার পর চাকো আর মামাচি রাহেলকে পড়তে মিশনারী স্কুলের এক হোস্টেলে পাঠিয়ে দেয়। রাহেলকে নিয়ে চাকো বা মামাচির কোনো উদ্বেগ ছিল না। তারা ওর খোঁজ খবরও নিত না। অবশ্য মাস শেষে খরচের টাকাটা ঠিকমত পাঠাত। স্কুলের পড়া শেষ হলে, দিল্লির এক সস্তা আর্কিটেক কলেজে ভর্তি হয়। সেখানে পিএইচডির এক আমেরিকান ছাত্র ল্যারি ম্যাককাস্লিনের সাথে তাঁর পরিচয় হয়। রাহেল তাঁর জীবন সম্পর্কে ছিল উদাসীন, তার চোখটা ছিল অন্য রকম সুন্দর, সেখানে ছিল রাজ্যের মায়া আর বিষাদ। ল্যারি রাহেলের চোখের প্রেমে পড়ে যায়। ওরা বিয়ে করে, আমেরিকা চলে যায়। কিছুদিন পর ল্যারির মোহ কেটে গেলে বিয়ে ভেঙে যায়, রাহেল আবার একা হয়ে যায়।



তেইশ বছর পর এস্থা আবার এইমেনেমে ফিরে এসেছে। এস্থার বাবা নতুন চাকরি পেয়ে অস্ট্রেলিয়া চলে গেছে। এস্থাকে নেওয়া সম্ভব হয়নি, তাই এস্থা এইমেনেমে ফিরে এসেছে। এস্থা এইমেনেমে ফিরে এলে বেবী কোচাম্মা রাহেলকে চিঠি লিখে জানায় ও ফিরে এসেছে। রাহেল ভাইকে দেখার জন্য আমেরিকা থেকে এইমেনেমে ফিরে আসে। ওদের চোখাচোখি হয়। কেউ কথা বলে না। ওদের বয়স এখন একত্রিশ বছর। আম্মু একত্রিশ বছর বয়সেই মারা গিয়েছিল। একত্রিশ বছর খুব কমও নয়, বেশিও নয়। কিন্তু মৃত্যুর জন্য বয়সটা যথেষ্ট।



বইটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।

********************************

এক নজরেঃ

The God of Small Things By Arundhati Roy

পেপার ব্যাক ও শক্ত মলাটে বাঁধাইঃ ৩৩৬ পৃষ্টা

প্রকাশকঃ Harper Perennial; First Edition edition (৬ মে, ১৯৯৮)

মূল্যঃ $৩.৫০

ধরনঃ উপন্যাস

ভাষাঃ ইংরেজী

আইএসবিএন - 10: 0060977493

আইএসবিএন - 13: 978-0060977498

********************************



লেখক পরিচিতিঃ



ভারতের প্রখ্যাত মানবাধিকার কর্মী, বুকার জয়ী ঔপন্যাসিক অরুন্ধতী রায় ভারতের মেঘালয়ের শিলঙে ১৯৬১ সালের ২৪ নভেম্বর জন্ম গ্রহন করেন। তাঁর মা ছিলেন কেরালার এক সিরিয়ান খ্রিষ্টান পরিবারের মেয়ে মেরি রায়, বাবা ছিলেন বাঙালি, শিলঙে চা-বাগানের কর্মকর্তা রঞ্জিত রায়। অরুন্ধতি রায় তাঁর ছেলেবেলা কাটিয়েছে কেরালার এইমেনেমে, কোট্টাইমের করপাস ক্রিস্টি স্কুলে পড়ালেখা করেছেন। এরপর, দিল্লির স্কুল অব প্ল্যানিং এন্ড আর্কিটেকচারে স্থাপত্যবিদ্যার উপর শিক্ষা নেন। ১৯৮৪ সালে ফিল্ম মেকার প্রদীপ ক্রিশেনের সাথে দ্বিতীয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।



১৯৯৭ সালে প্রকাশিত তাঁর এক মাত্র উপন্যাস “দি গড অব স্মল থিংস” এর জন্য ১৯৯৭ সালে বুকার পুরস্কার পান। তিনি ২০০৪ সালে সিডনী শান্তি পুরস্কার পান।

মন্তব্য ১০২ টি রেটিং +৪০/-০

মন্তব্য (১০২) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৫০

মেঘমালাকম বলেছেন: গরম গরম পেলাস দিয়া গেলাম

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৫৩

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: গরম গরম পেলাস গ্রহন করলাম :)
অনেক ধন্যবাদ ভাই। শুভেচ্ছা।

২| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৫৫

ক্রিস্টিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৪

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা :)

৩| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৫৬

""ফয়সল অভি "" বলেছেন: বাহ আপনার রিভিউ বেশ লাগলো আমার পড়ে । আপনার ফেইসবুক আইডিটি দিন তো আপনার সাথে যোগাযোগ রাখলে আরো ভালো লেখা পাবো যা আমাদের কাজে লাগবে । :-)

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৬

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা কবি। ফেইসবুকে আপনাকে আমি বন্ধু অনুরোধ পাঠিয়েছি। ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা :)

৪| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৬

সাইক চৌধুরী বলেছেন: স্কুলে থাকতে পড়েছিলাম। এটা আবার আমার প্রথম পড়া ইংরেজী উপন্যাস। কখনোই কোন বই দুবার পড়তে ভালো লাগে না, কেন জানি গড অফ স্মল থিংস আমি বার বার পড়েছি। আম্মু গিফট করেছিল বইটা, বেশ ক বছর আগে হারিয়ে ফেলেছিলাম ওই কপিটা। অরুন্ধতি এখন উপন্যাস লেখেন না কেন জানিনা, তবে ওনার লেখা অসাধারণ।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:১৩

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। ভালো থাকবেন :)

৫| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৮

সাইক চৌধুরী বলেছেন: আপনাকে শুভেচ্ছা জানাইনি এখনও...খুব ভালো হয়েছে লেখাটা। সামনে এরকম আরো রিভিউ চাই কিন্তু!!!

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:১৪

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: আপনার মন্তব্যে অনেক অনেক অনুপ্রেরণা পেলাম। আবারো অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। অনেক ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা।

৬| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:২৫

মুরাদ-ইচছামানুষ বলেছেন: lekha valo hoise..

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:২৯

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই। শুভেচ্ছা।

৭| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:২৫

যুক্তিপ্রাজ্ঞ বলেছেন: গল্পটা যতটা, তার চেয়ে বলার ভঙ্গিটি অসাধারণ. তিনি শব্দ নিয়ে দারুণ খেলেছেন. নানা অপরিচিত ভারতীয় শব্দ ব্যবহার করেছেন. মানুষের নামগুলাও আমাদের পরিচিত ভারতীয় নামের মত না. প্রথম উপন্যাসে এমন মুন্সিয়ানা বিস্ময়কর. আপনি বইয়ের সারসংক্ষেপ বলেছেন, সাথে নিজের মূল্যায়ন যোগ করতে পারেন.

ডিকশনারি সাথে নিয়ে পড়তে বসেছিলাম, ৩-৪ পাতা পড়তেই ক্লান্ত হয়ে ডিকশনারি ছাড়াই পড়ে গেছি, এই বই পড়তে গেলে ডিকশনারি ছাড়া পড়ার জন্য সুপারিশ করব আমি.

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:০৪

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: প্রথমেই কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি এত সুন্দর মূল্যায়নের জন্য। সত্য বলতে কি, এই বইটি এত অসাধারণভাবে তিনি লিখেছেন, নিজের মূল্যায়নটুকু দেবার সাহস পর্যন্ত পাই নি :)। সূচনাতেই আলতো করে একটু ছুয়ে যাবার চেষ্টা করেছি মাত্র। শুভেচ্ছা। ভালো থাকবেন।

৮| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:২৭

জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন: বাহ আমিনুল, আপনিতো চমৎকার রিভিউ লেখেন :)

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:১২

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ছায়া ভাই। শুভেচ্ছা :)

৯| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:২৭

জুন বলেছেন: আমিনুল প্রেজেন্ট প্লিজ বলে গেলাম।
ভালো করে না পড়ে কিছু বলতে চাই না।
কাল সকালে ফ্রেশ মাথায় পড়ে কমেন্ট করবো কেমন ।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২৩

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: আপা পড়ে জানাবেন কেমন লাগল। আপনার জন্য কলার জ্যামের রেসিপি আছে :)

১০| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৩১

চে গুয়েভারা ২ বলেছেন: একজন স্পস্টবাদির জন্য++

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:০৭

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ চে ভাই। শুভেচ্ছা :)

১১| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৩৩

তুষার লাল শাহা বলেছেন: vhi facebook a bigapon deka duklam samu te ki hoitacha jobor likchen pilas dilam

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:০৮

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি তুষার ভাই। শুভেচ্ছা :)

১২| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৫৩

ভিয়েনাস বলেছেন: আপনার রিভিউ টা সুন্দর হয়েছে।

যখন বইটা পড়ি এতো ভালো লাগেনি।পর পর দুইবার পড়েছিলাম। মনে হচ্ছে এইবার পড়লে ভালো লাগবে।

ধন্যবাদ ।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:০৯

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভিয়েনাস ভাই। আবার পড়বেন আশা করি, এবার হয়ত ভালো লাগবে। শুভেচ্ছা :)

১৩| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:০০

নেটপোকা বলেছেন: অরুন্ধতী রায়ের 'গড অব স্মল থিংস' আমার ভাল লাগেনি। গদ্য রচনায় অহেতুক ভাষার মার-প্যাচ, জারগন কিংবা 'মাথার উপর দিয়ে যাওয়া' উপমা আমাকে কখনো টানে না। আমি মনে করি সহজ কথা সহজ করে বলতে পারাতেই লেখকের সার্থকতা। তাই 'আমার ক্ষুধা লেগেছে, আমি খাবার খাব' - এটুকু বলতে যেসব লেখক এক ফর্মা খরচ করেন, তারা আর যা-ই হোক আমার প্রিয় লেখক নন। একই কারণে যেমন শওকত ওসমানের 'পতঙ্গ পিঞ্জর'ও পড়ে শেষ করতে পারিনি।

তবে আপনার রিভিউয়ের জন্য সত্যিই ধন্যবাদ। এরকম রিভিউ আপনার কাছ থেকে আরো আশা করি।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:০৫

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। শুরুর দিকে বইটি আমারো পড়তে ভালো লাগে নি। কয়েক অধ্যায় পড়ার পড়ে তাঁর লেখার স্টাইলটা বুঝতে পারি। তিনি একসাথে বর্তমান আর অতীতকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তাই প্রথম দিকে পড়তে অনেক সমস্যায় পড়েছিলাম, ব্যাপারটি বুঝতে না পেরে।

ব্যক্তি জীবনে তিনি অনেক অনুভূতিশীল মানুষ হওয়ায়, এই আত্নজীবনীতেও তার ছাপটি পড়েছে। তিনি অনেক সূক্ষভাবে জীবনকে দেখেছেন, এই জন্য প্রকাশটাও অনেক জটিল হয়ে পড়েছে :)

আপনার মন্তব্যে অনেক অনুপ্রেরণা পেয়েছি। অনেক খুশি হয়েছি সুন্দর বিশ্লেষণের জন্য। ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা :)

১৪| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৩৬

অচিনপাখি বলেছেন: বারো বছর আগে বইটা পড়তে শুরু করেছিলাম। কখনোই দেড় পাতার বেশি পড়তে পারি নাই।

তবে আপনার রিভিউয়ের জন্য সত্যিই ধন্যবাদ। এরকম রিভিউ আপনার কাছ থেকে আরো আশা করি।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:১৭

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: এবার আবার পড়বেন, দেখবেন ভালো লাগবে :)
অনেক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি অচিনপাখি ভাই। শুভেচ্ছা :)

১৫| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৪০

কাউসার রুশো বলেছেন: বইটির অনুবাদ আছে আমার কাছে। ইদানিং আমার মুভি দেখাটা বেশি হয়। পড়াশুনা অনেক কমে গেছে :(

বইটা পড়তে গিয়ে মজা যেনো নষ্ট না হয় সেজন্য কাহিনী পড়লাম না। তবে মূল্যায়ন উপক্রমণিকা আর অরুন্ধতী রায় সম্পর্কে লেখা অংশটুকু পড়ে নিলাম।

পুরো রিভিউ না পড়েই বলতে পারি যেহেতু আপনি লিখেছেন সেহেতু উত্তম ঝাঝা :)

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২৭

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: সময় পেলে বইটি পড়বেন রুশো ভাই। ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা :)

১৬| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২৫

চে গুয়েভারা ২ বলেছেন: বই এর বাংলা ভার্শন এর pdf লিঙ্কটা দেন না কেঊ

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২৮

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: আমার কাছে নেই চে ভাই। আপনার কাছে থাকলে একটু শেয়ার করবেন প্লিজ। আমি মূল পোস্টে আড করে দিব :)

১৭| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২৯

বিডি গ্লাডিওটোর বলেছেন: গদাম সহকারে পিলাস গ্রহণ করেন!!!!!!!!!!! B-) B-) B-) B-) B-) :P :P :P :P =p~ =p~ =p~ :-B :-B :-B

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৩৪

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: :-/ :-* =p~ =p~ =p~ :P

আপনার পিলাস গৃহীত হইল :) :)

১৮| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৩২

শয়তান বলেছেন: চমৎকার রিভিউর জন্য অভিন্দনসহ ধন্যবাদ :)

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৪১

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা :)

১৯| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৫৬

আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
এই গ্রন্থ এমনে এমনেই বুকার পায় নাই ।
জিনিস অতি উত্তম ! বিশেষত মানুষের মানবিক এবং অমানবিক সুক্ষ বিষয়গুলোকে তুলে আনার জন্য ।

রিভিউর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:০৯

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা শিপন ভাই। অনেক ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা :)

২০| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:০১

যাত্রিক বলেছেন: আমার বই পড়ার অভ্যাস আছে। কিন্তু এই বইটা কয়েকবার শুরু করেও শেষ করতে পারিনি। মনে হয়েছে সহজ কথা জটিল করে লেখা। বইটা ভালো না লাগলেও আপনার রিভিউটা ভালো লেগেছে।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:২৩

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: আমার রিভিউটি ভালো লেগেছে জেনে খুব খুশি হয়েছি।

উপন্যাসে অতীত জীবন আর বর্তমানকে একসাথে নিয়ে এগিয়েছে লেখিকা। তাই প্রথম দিকে একটু কষ্ট হয়েছে বুঝতে আসলে লেখিকা কি বলতে চাচ্ছেন। পরে কয়েক অধ্যায় পড়ে ভালো লাগা আস্তে আস্তে শুরু হয়েছে। শেষের দিকে এসে কি অসাধারণ বিষণ্ণ একটা অনুভূতি কাজ করছে মনের ভিতরে!

বইটা আবার পড়তে পারেন। আশা করি ভালো লাগবে। ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা :)

২১| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৩৫

মা-নবি০৩ বলেছেন: বাংলা অনুবাদের চেয়ে কষ্ট করে হলেও ইংরেজি টা পড়া ভাল
কারন এটার ভার কোন অনুবাদ চোখে পড়েনি
এই রিভিউ টা অসাধারন হয়েছে ধন্যবাদ

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:০৭

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। অশেষ কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা :)

২২| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৩৬

মা-নবি০৩ বলেছেন: বাংলা অনুবাদের চেয়ে কষ্ট করে হলেও ইংরেজি টা পড়া ভাল
কারন এটার ভার কোন অনুবাদ চোখে পড়েনি
এই রিভিউ টা অসাধারন হয়েছে ধন্যবাদ

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৩৭

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। অশেষ কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা :)

২৩| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:২৯

ডিসকো বান্দর বলেছেন: আমার রোল মডেল।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৪৯

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই। শুভেচ্ছা।

২৪| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৫৮

জুল ভার্ন বলেছেন: জনাব আমিনুল ইসলাম, ১৯৯৭ সালে লেখা অরুন্ধতী রায়ের “দি গড অব স্মল থিংস” উপন্যাস প্রথম পড়েছিলাম ইংলিশ ভার্সনটা।পড়ে মুদ্ধ হয়েছিলাম-সার্বিক সাহিত্যের মান বিবেচনায়। ২০০১/২০০২ সালে বাংলা ভার্সনটা আবারো পড়ি-কিন্তু এবার সত্যি হতাশ হই। আমার কাছে মনে হয়েছে-অনুবাদক বাংলায় লাইন বাই লাইন অনুবাদ করেগিয়েছেন। ফল্যে সাহিত্য মুল্য এবং লেখকের মিথ এবং থীমের ধারাবাহিকতা বজায় থাকেনি।

খুব ভালো লেগেছে-লেখক উপন্যাসে অতীত জীবন আর বর্তমানকে একসাথে নিয়ে একটি সমান্তরাল যোগসূত্রে বেঁধে ফেলতে গিয়ে পাঠকদের প্রথম দিকে কিছুটা ধোঁয়াশার মধ্যে বন্দী করে রেখেছিলেন, সেই বিষয়টা। সে কারনেই প্রথম দিকে অনেক পাঠক হয়ত বুঝতে পারেননি-লেখক কি বলতে চাচ্ছেন। কিন্তু যতই পড়ে সামনে দিকে এগিয়েছি-প্রতিটা পরতে পরতে ভালোলাগায় মোহাচ্ছন্ন হয়েছিলাম। আর শেষের দিকে চরম এক নাটকীয়তায় অসাধারণ বিষণ্ণ একটা অনুভূতি ছড়িয়ে দিয়েছেন পাঠক মনে!যা লেখকের একান্তই শৃজনশীলতার প্রকাশ।

বইটি পড়ে যে সব অপুর্ণতা মনের ভিতর ছিল-আপনার রিভিউ পড়ে সেই অপুর্ণতা পুর্ণতা পেইয়েছে। সত্যিকথা বলতে কী-আপনি অসাধারন সুন্দর রিভিউ লিখে পাঠকদের মনেও একধরনের স্পেশাল ইফেক্ট তৈরী করতে সক্ষম হয়েছেন।এরকম রিভিউ আপনার কাছ থেকে আরো আশা করি।

অজস্র ধন্যবাদ।

+

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:০৪

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: জুল ভার্ন ভাই সুন্দর বিশ্লেষণধর্মী মন্তব্যের জন্য অনেক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। অনেকেরই বইটি পড়তে ভালো লাগে নি, কিন্তু এর কারনটি আমি ঠিক মত বুঝিয়ে বলতে পারি নাই। আপনি সেটাই অনেক অনেক সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন, বুঝিয়ে দিয়েছেন অরুন্ধতী কতটা সার্থক তাঁর এই সৃষ্টিকর্মে :)

আবারো কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা :)

২৫| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:০৬

সায়েম মুন বলেছেন: আপনার সুন্দর রিভিউ থেকে উপন্যাসের অনেক বিষয় জানা গেল। কষ্ট করে এত চমৎকার একটা রিভিউ দেয়ার জন্য থ্যাঙ্কস!!

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:১৩

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ সায়েম ভাই। শুভেচ্ছা :)

২৬| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:০৯

শিরীষ বলেছেন: +++++

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:২৫

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শিরীষ ভাই। শুভেচ্ছা :)

২৭| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:২২

হায় ঈশ্বর! বলেছেন: আপনার রিভিউ বাংলা অনুবাদের থেকে অনেক ভালো হইছে

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৩৪

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই। শুভেচ্ছা :)

২৮| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৫৮

জিসান শা ইকরাম বলেছেন:
আগে পড়িনি। রিভিও টা অসাধারন হয়েছে। প্রিয় ব্লগারের লেখা,পড়ার মজাই আলাদা।
শুভকামনা :)

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:০৭

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা জিসান ভাই। অনেক ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা :)

২৯| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৭

মাহী ফ্লোরা বলেছেন: ওরে রে রে রে এইটা কি দিলা বড় ভাই!থ্যাঙ্কু থ্যাঙ্কু :D

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৪৪

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: আপনাকেও অনেক থ্যাংকু আপা :)

৩০| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:১৮

মিরাজ is বলেছেন: উপন্যাসটা অনেক সুন্দরতো......... আপনার রিভিউ বরাবরের মত অসাধারন হয়েছে.........

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৪৫

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: মিরাজ ভাই সময় পেলে উপন্যাসটা পড়ে দেখার অনুরোধ করছি, অন্য রকম একটা অনুভূতি পাবেন :)

অনেক ধন্যবাদ মিরাজ ভাই। অনেক ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা :)

৩১| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৪৯

মিরাজ is বলেছেন: আমার ভাই ইংরেজী কিছু পড়তে ভাল লাগেনা কারন হৃদয়ঙ্গম করতে পারিনা, ভাষার দখল খুব একটা ভাল না :( :(

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:০৫

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: আমার ইংরেজী দখল আরো খারাপ :( :(

এই বইটা পড়া শুরু করেছিলাম বাংলা অনুবাদ দিয়েই, অনুবাদ মনে হয় খারাপ ছিল, দেখি কিছু বুঝি না। পরে ইংরেজী আর বাংলা দুটো এক সাথে নিয়েই পড়েছি :) :)

৩২| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ২:৫১

পাপতাড়ুয়া বলেছেন: বুক রিভিও তে আপনার দক্ষতা কে হিংসা হচ্ছে।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৪:০০

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: আপনার মন্তব্যকে আপনার বিনয় হিসেবেই নিলাম পাপতাড়ুয়া ভাই। অনেক অনেক ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা :)

৩৩| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:০৭

পাপতাড়ুয়া বলেছেন: আমিন ভাই,যতটুকু জানি আপনি আমার সিনিয়র (আমার ইন্টার ২০০৬ এ)।সো,তুমি করে বললেই আমি খুশি হব।:)

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৩৭

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: পাপতাড়ুয়া ভাই আপনি যে অমূল্য অধিকার আমাকে দিলেন, আমি যার পর নাই কৃতজ্ঞ, অনেক ঋণী করে ফেললেন আমায়। একটু সময় চেয়ে নিচ্ছি। অনেক অনেক ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা :)

৩৪| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:২১

ডেইফ বলেছেন:
চমৎকার একটি বই "দি গড অব স্মল থিংস"।
আপনি তো দেখি আমার সব পছন্দের বই নিয়ে লিখছেন।
অনেক ভাল লাগছে অবশ্য।
রিভিউ চমৎকার হয়েছে আমিনুল ভাই।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৩৩

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: রিভিউটি ভালো লেগেছে জেনে খুব খুশি হয়েছি দাইফ ভাই। অনেক ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা :)

৩৫| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:২৪

নিভৃত নয়ন বলেছেন: আমার আর চিন্তা নাই।
বড় বড় বই যা হইত এখন আমার পড়া হয় না তা আপনার কাছ থেকেই পরতেছি।
আর আপবি বেছে বেছে ভাল ভাল বইগুলর সারসংক্কেপ এমন ভাবে লেখেন , পুরা বইটাই যেন পড়া হয়ে যায়।
লেখক যেই হক।
আমার কাছে এই বইগুলর লেখক আপনি।
আমি ত আপনার কাছ থেকেই পরতেছি।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৩৮

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: নয়ন ভাই খুব আপনার মন্তব্যে। অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানবেন। অনেক ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা :)

৩৬| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৫৪

জুন বলেছেন: আমিনুল এই অসাধারন বইটির অসাধারন রিভিউ র জন্য প্লাস কম হয়ে যায়।
এত জটিল একটি বই এর বিশ্লেষন করা কিন্ত সহজ কাজ নয়। সেই কঠিন কাজটি তুমি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ফুটিয়ে তুলেছো। আর বাংলায় অনুবাদটা এত ভালো হয়নি যার জন্য ইংরাজী বইটাই আমার বেশী ভালো লেগেছে। বুকার পুরস্কার পেয়েছে যখন তখন নিঃসন্দেহে ভালো বই আমিনুল। তবে আমার মতন আম পাঠিকার কাছে মাঝে মাঝে মনে হয়েছে তিনি গল্পটাকে অনাবশ্যক ভাবে বড় করেছেন।


এখানে প্রসংগত উল্লেখ্য যে কনরাড রিকটরের একটা ট্রিয়োলজি আছে [sb, বনানী, মৃত্তিকা, নগরী অসাধারন বই। আমেরিকার এক হাফ রেড ইন্ডিয়ান লেখাপড়া না জানা মহিলার এক সংগ্রামী জীবনের কাহীনি। কিন্ত এর একটার অনুবাদ একজন লাইন বাই লাইন করার জন্য সেই পর্বটা মাটি করে ছেড়েছে। বইটা পেলে পড়ে দেখো। আই থিংক এটা তুমি নেটে ও পেতে পারো। পড়ার পর তুমি অবশ্যই আমাকে ধন্যবাদ দেবে আমি জানি।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:১৫

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: আপা, এত সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আপনার মন্তব্য আমাকে সামনে এগিয়ে যাবার জন্য সব সময় অনুপ্রেরণা দেয়।

কনরাড রিকটরের বনানী, মৃত্তিকা, নগরী বইটি পড়ি নাই। এত সুন্দর একটি বইয়ের নাম জানানোর জন্য আপনাকে আগেই ধন্যবাদ দিয়ে রাখছি :)
অনেক অনেক ভালো থাকবেন আপা। নিরন্তর শুভ কামনা :)

৩৭| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:২৯

জুন বলেছেন: আমিনুল এই তিনটা বই তুমি সারা ঢাকা শহর খুজেও পাবেনা । আমি ১৫ বছর ধরে তন্ন তন্ন করে খুজে শেষে আমার এক আত্নীয়র কাছে দেখেছি।

তুমি নেটে পেতে পারো, ইংরেজী নাম দ্যা ফিল্ডস, দ্যা ট্রিস , দ্যা টাউন এই তিনটা পার্ট। এই ছাড়া কনরাডের রিকটরের অন্যান্য বই গুলো পড়ে দেখো খুবই সুন্দর।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৩৪

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা আপা। আমি টরেন্টে খুঁজে দেখছি। আশা করি নেটেই পেয়ে যাবো :)

আবারো কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা :)

৩৮| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:০৯

সৈয়দা আমিনা ফারহিন বলেছেন: অনেক সুন্দর রিভিউ। কঠিন ব্যাপার গুলোও সহজ করে লিখেছেন। কপি করে রাখলাম। আবার পড়ব।
+

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৩৭

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা ফারহিন ভাই :)
ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা :)

৩৯| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:২৭

পাপতাড়ুয়া বলেছেন: আমিন ভাই,কেমন আছেন?

আপনি আমার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সংকলনে যে হেল্প করেছেন তার ভিত্তিতে একটা আবদার করবো।

আমার সামনে প্রজেক্ট,পরীক্ষা ও ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্টের কারণে আগামী মাস দুই তিন ব্লগে হয়ত থাকতে পারবো না।

আপনি কি সংকলন টা এগিয়ে নিতে পারবেন?

আপনি এটা দুইভাবে করতে পারেন।
১। পুরোনো পোস্ট ও নতুন আসা পোস্ট গুলোর লিংক সংকলনে কমেন্টাকারে জমা করতে পারেন এবঙ মাঝে মাঝে আপডেট পোস্ট দিতে পারেন।
২। আমার সংকলন পোস্টের লিংক টা রেখে এর সাথে নতুন পাওয়া পোস্ট গুলো নিয়ে আপনিই একটা সংকলন করতে পারেন।

আপনার যেভাবে সুবিধা হয় আর কি!

তবে আমি আপনাকে ২ নং টাই প্রেফার করবো।

ভালো থাকবেন।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:৩৬

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: পাপতাড়ুয়া ভাই, আমি ভালো আছি। আশা করি, আপনিও ভালো আছেন। কিছুটা দুঃখের সাথেই বলছি, হঠাৎকরেই কাল বিসিএস লিখিত পরীক্ষার তারিখ হয়ে গেছে। এজন্য আমাকেও আগামী মাস দেড়েক ব্লগে সেভাবে সময় দেওয়া হবে না। তবুও আমি কথা দিচ্ছি, যখনই আমি ব্লগে আসব, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কোনো পোস্ট নজরে আসলে আপনার পোস্টে কমেন্টে লিংক দিয়ে আসবো।

আপনিও ভালো থাকবেন ভাই। শুভেচ্ছা :)

৪০| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১:৪৬

মাসুম আহমদ ১৪ বলেছেন: লেখটা প্রিন্ট করেছি :)

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:০২

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মাসুম ভাই :)

৪১| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:৪৩

সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
এত সুন্দর বই নিয়ে আলোচনা বহুদিন পড়িনি। কাল অফলাইনে বসে লেখাটা পড়লাম। আমি বাংলা অনুবাদটা পড়েছি। ইংরেজীটা হাতে পাইনি।শুনেছি ইংরেজিটা বেশী সাবলীল ছিলো বোঝার পক্ষে। এই ব্লগবাড়িতে আরো কিছু লেখা আছে বই নিয়ে ,সব পড়বো।

অনেক শুভকামনা আমিনুল।
বই পড়া চলুক আর হোক বই আলোচনা।
শুভেচ্ছা।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:০৬

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা আপা। খুব খুশি হয়েছি আপনার মন্তব্য পেয়ে। অনেক অনুপ্রেরণা পেলাম।

অনেক ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা।

৪২| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:১৭

শূণ্য উপত্যকা বলেছেন: আমিনুল ভাই অনেক অনেক ধন্যবাদ আমার প্রিয় একটি বই নিয়ে আলোচনা করার জন্য।
দুই ভাই মিলে বুক রিভিউ চলবে এবার নিয়মিত।:)

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৩৮

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: আমি এক পায়ে খাড়া শূন্য দা :)
আপনি দেশি বইয়ের রিভিউ দিবেন, আর আমি বিদেশি :)

ভালো থাকবেন শূণ্যদা। শুভেচ্ছা।

৪৩| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২০

শায়মা বলেছেন: আমার কাছে এই বই অনেক কঠিন লেগেছে।:(

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:১৩

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: আমার কাছেও প্রথম দিকে কঠিন লেগেছিল, পরের দিকে খুব ভালো লেগেছে :)

ধন্যবাদ শায়মা আপা। শুভেচ্ছা :)

৪৪| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৩৫

আকাশ মামুন বলেছেন: এ রাকম বিখ্যাত একটা বইয়ের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য শুকরিয়া।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:১৩

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা :)

৪৫| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৫০

জাওয়াদ হাসান বলেছেন: আমাকে একটি প্লাস দেওয়ার প্রতিদান হিসাবে আমি দিলাম দুইটি প্লাস।

২১ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:১৭

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ হাসান ভাই :)
আমি কিন্তু ফেইসবুকে শেয়ার দিছিলাম, তাই শোধবোধ হয়ে গেল :P

৪৬| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৫৭

দীপান্বিতা বলেছেন: অরুন্ধতী রায়কে আমার খুব ভাল লাগে...আর আপনার রিভিউ অসাধারণ

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:২০

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ দিদি। শুভেচ্ছা :)

৪৭| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:১৪

অরুদ্ধ সকাল বলেছেন:
আসলে এই বই পড়ে আমি অনেকটা ভালোবেসে ফেলেছিলাম লেখিকাকে
আপনার রিভিউ চমতকার

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৩২

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: শুভ কামনা সকাল দা।
ভালো থাকবেন :)

৪৮| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১১ ভোর ৬:৩৯

অনিকেত কবি বলেছেন: এই একটা বই'র অনুবাদ... ক্লাস নাইনে থাকার সময় পড়তে গিয়েছিলাম কিচ্ছু বুঝিনি....ইন্টারে উঠে ভাবলাম...এখন একটু বড় হয়েছি এখন বুঝবো...তবু কিছু বুঝি নি....ইন্জিনিয়ারিং এ ভর্তি হলাম...এখন নিশ্চই বুঝবো...এই ভেবে পড়তে গিয়েছিলাম..তাও বুঝিনি!!! তাই রিভিউটা খুব মন দিয়ে পড়লাম...এইটা তবু যা একটু বুঝা যায়!!

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৩:২৪

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: অনেক পুরনো লেখা খুঁজে নিয়ে পড়েছেন দেখে, আমি যার পর নাই খুশি হয়েছি কবি। অনেক কৃতজ্ঞতা জানবেন। শুভ কামনা :)

৪৯| ১৬ ই মার্চ, ২০১২ ভোর ৫:০৫

এম. মিজানুর রহমান সোহেল বলেছেন: ব্যাপক সুন্দর হয়েছে

১২ ই মে, ২০১২ দুপুর ১২:১৯

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: অনেক পুরনো লেখা খুঁজে নিয়ে পড়েছেন দেখে খুব ভালো লাগছে। কৃতজ্ঞতা :)

৫০| ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:২৪

বর্ণহীণ বলেছেন: বইটি পড়েছিলাম। রিভিউ পড়তে পড়তে বইয়ের কিছু কথা মনে হচ্ছিল। রিভিউ ভালো লাগলো। প্রিয়তে গেল।

৫১| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:৩৮

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই। শুভ রাত্রি

৫২| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:৪১

আশরাফুল ইসলাম দূর্জয় বলেছেন:

অরুন্ধতী রায়ের লেখা ভালো লাগে।
পত্রিকায় কলাম পেলে মিস দেই না।
বিলম্ব পাঠ, তবু ও ধন্যবাদ জানিয়ে যাচ্ছি।

৫৩| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৩৯

শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ ভাই। শুভ দুপুর!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.