| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা-১
*************
আপনার নষ্ট মোবাইল ফোন অষ্টম শ্রেণী পাশ মেকানিক দ্বারা ঠিক করালে চার-পাঁচশ টাকার কম তো দেন না। তাহলে সারা জীবন সর্ব ক্ষেত্রে ভাল ফলাফল করে এতো বছর পরে যখন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হয়েছি তখন আপনার শরীর ঠিক করার সন্মানি হিসাবে আমাকে পাঁচশ টাকা দিতে আপনার এতো কষ্ট হয় কেনো?
মোবাইলের চেয়ে শরীরের মূল্য কি কম, নাকি অদৃশ্য বুদ্ধি শ্রমের চেয়ে দৃশ্যমান ঠোকাঠুকি শ্রমের মূল্য আপনার কাছে বেশি?
আর ফ্রি চিকিৎসা???
বাংলাদেশে গরীবের জন্য কোথাও কি ফ্রি খাওয়ার ব্যবস্থা আছে?
কোথাও কি ফ্রি কাপড়ের ব্যবস্থা আছে?
কোথাও কি ফ্রি বাসস্থান আছে?
আপনি ঢাকা থেকে চট্রগ্রামে কি ফ্রি যেতে পারেন?
অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান এই মৌলিক অধিকারগুলোই যখন ফ্রি পাওয়া যায় না তখন চিকিৎসার মতো এতো ব্যয়বহুল বিজ্ঞান কী ভাবে ফ্রি দেয়া সম্ভব!
স্বাস্থ্য শুধু সেবা নয়, স্বাস্থ্য একটি সেবামূলক পেশা।
পেশাকে পেশাদারিত্বের সাথে বেড়ে উঠতে না দিলে এর সঠিক মান ও বিকাশ অসম্ভব।
চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা-২
*************
স্বাস্থ্য বিষয়ক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মাঝে মধ্যে যাওয়ার সুযোগ হয়। নীতিনির্ধারকগণ আমাদের সুন্দর সুন্দর কথা বলে নছিহত করে থাকেন। ‘সেবার মানসিকতা নিয়ে আপনাদের কাজ করে যেতে হবে’—এই কথাটি তাঁরা প্রায়ই বলে থাকেন। কিন্তু এই কথাটির মানে আসলে কী? মহামান্যগণের শ্রুতিমধুর এই কথা শুনে আমরা কী পরবর্তী দিন থেকে সেবামূলক মানসিকতায় আপ্লুত হতে থাকবো? রোগিদের জন্য জান-প্রাণ দিয়ে দিনে ২০ ঘন্টা সার্ভিস দিবো?
আসলে ‘সেবার মানসিকতা’ একটি অপরিণত মস্তিষ্ক প্রসূত রোম্যান্টিক শব্দ ছাড়া আর কিছুই নয়। সেবা প্রদানের পদ্ধতি যদি আধুনিক ও যুগোপযোগী না হয় সেবার মানও যুগোপযোগী হবে না। বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরণের চিকিৎসক আছেন। শতকরা আশি ভাগ লোকের চিকিৎসা দেন গ্রাম-চিকিৎসক, বংশগত চিকিৎসক (যাদের দাদা-বাবা-ছেলে সবাই চিকিৎসক), হোমিও চিকিৎসক, আয়ুর্বেদি চিকিৎসক ও ওষুধের দোকানদারগণ। বাকি বিশ ভাগ লোকের চিকিৎসা দেন এমবিবিএস/বিডিএস ডিগ্রীধারী গ্র্যাজুয়েট চিকিৎসকগণ। আবার এই বিশ ভাগ লোকের অনেকেই পুর্বোক্ত তথাকথিত চিকিৎসক দ্বারা মেল-ট্রিটমেন্ট পেয়ে থাকেন । মজার ব্যাপার হচ্ছে, এরপরেও এ দেশের অনেক এমবিবিএস চিকিৎসক বেকার জীবন অতিবাহিত করছেন কিংবা স্বল্প বেতনে কোন ক্লিনিকে কাজ করছেন। যে দেশে চিকিৎসকের এতো ঘাটতি সে দেশে মেধার এই অপচয় কেনো? কী এর কারণ? চিকিৎসকেরা গ্রামে যেতে চান না কেনো?
বাংলাদেশে বর্তমানে যা জরুরী তা হলো, কে কতোটুকু চিকিৎসা দিবে তা নির্ধারন করা বিষয়ক একটি নীতিমালা করা। সামান্য সর্দি-জ্বরের কারণেই কেউ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হন, আবার কেউ কেউ দোকান থেকেই ওষুধ কিনে খান। কোনটিই ঠিক নয়। চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় “রেফারেল পদ্ধতি” খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি-বেসরকারি দুটো পদ্ধতি রেখেই রেফারেল পদ্ধতি চালু করা যায়। একজন রেজিষ্টার্ড গ্রাম চিকিৎসক কিংবা ডিপ্লোমা চিকিৎসক কিংবা গ্রাজুয়েট চিকিৎসক কতোদূর পর্যন্ত রোগিকে চিকিৎসা দিতে পারবেন তা নির্ধারণ করতে হবে সবার আগে। প্রয়োজন মতো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে রেফার করে চিকিৎসা দিতে হবে। ইমারজেন্সি চিকিৎসার জন্য থাকবে ইমারজেন্সি সিস্টেম।
প্যারাসিটামল, ওআরএস ইত্যাদি প্রাথমিক ওষুধগুলো ছাড়া বাকি ওষুধ রেজিষ্টার্ড চিকিৎসকের প্রেসক্রিপসান ছাড়া বিক্রি হওয়া অনুচিত। এটি বন্ধ করলে ওষুধের অপব্যবহারও হ্রাস পাবে।
সরকারি চিকিৎসকগণ সরকারি হাসপাতালেই প্র্যাকটিস করা উচিৎ। এবং তাঁদের প্রতিটি রোগি দেখা সাপেক্ষে ও অন্যান্য সার্ভিসের জন্য ফি দিতে হবে। সেই ফি রোগিকেই পরিশোধ করতে হবে কিংবা বিশেষ ক্ষেত্রে রাষ্ট্র পরিশোধ করবে। প্রাইভেট চিকিৎসকগণ প্রাইভেট প্র্যাকটিস করবেন। প্রাইভেট ডায়াগনোস্টিকের চেম্বারগুলো সকাল-সন্ধ্যা দুই শিফটে চালু রাখতে হবে। বাংলাদেশের মতো অধিক জনসংখ্যার দেশে একই স্থাপনা দুই শিফট ব্যবহারের কনসেপ্ট চালু করতে হবে। এতে করে অপ্রয়োজনীয় স্থাপনা তৈরি হ্রাস পাবে।
একাডেমিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষকগণের জন্য হাসপাতালেই রাউণ্ড, রোগি দেখা, ছাত্র পড়ানো বাবদ ভাল সন্মানি পাওয়ার ব্যবস্থা থাকতে হবে। ইন্সটিটিউশনাল প্রাকটিসের ব্যবস্থা থাকা উচিৎ। শিক্ষকগণ যদি জেনারেল প্র্যাকটিসে ব্যস্ত থাকেন তবে শিক্ষকতা ও গবেষণার গুণগত মান ব্যাহত হয়। আরও স্পেসালাইজড ইন্সটিটিউট গড়ে তুলতে হবে বিশেষায়িত সেবা প্রদানের জন্য।
রেফারেল পদ্ধতি, রেজিষ্টার্ড চিকিৎসকের প্রেসক্রিপসান ছাড়া ওষুধ বিক্রি নিয়ন্ত্রণ, ইন্সটিটিউশনাল প্র্যাকটিস এবং সরকারি-বেসরকারি চিকিৎসকদের চিকিৎসা সেবা প্রদান পদ্ধতির যুগোপযুগী নীতিমালা করলে এমনিতেই সেবার মান উন্নত হবে। সকল শ্রেণীর চিকিৎসক স্ব স্ব ক্ষেত্রে ভালো অবস্থানে থাকবেন এবং রোগিরাও হয়রানির শিকার না হয়ে সঠিক সেবা পাবেন।
মহামান্যগণ শুধু সেবার মানসিকতা উন্নয়নের ছবক না দিয়ে সেবা প্রদান পদ্ধতি উন্নয়নের পরিকল্পনা হাতে নিলে দেশ-জাতি-চিকিৎসকসহ সবার উন্নয়ন হবে বলে আমার একান্ত বিশ্বাস।
(চলবে...
২|
১৯ শে মে, ২০১৩ বিকাল ৩:১৬
এম আমির হোসেন বলেছেন: সকল কোম্পানির ওষুধের গুণগত মান এক না বলে রোগির মঙ্গলের কথা চিন্তা করেই ট্রেড নেম লিখতে হয়। গুণগত মান এক হলে জেনেরিক নামেও লেখা যেত। যেটা হতো সরার জন্যই সুবিধাজনক! ধন্যবাদ বাসার ভাই।
৩|
১৯ শে মে, ২০১৩ বিকাল ৪:০৮
রিপেনডিল বলেছেন: লেখক কি বলেছেন আর উপরোক্ত দুজন মন্তব্যকারী কি বুঝেছেন তার মধ্যে আকাশ পাতাল পার্থক্য। একজন তো ডাক্তারকে গালি দিয়ে বেশ আমোদ বোধ করলেন, এরকম মানুষ অনেক আছে, যারা রিকশাওয়ালার ঝাড়ি খেয়ে ২০ টাকা বেশি দেবে তারপর ডাক্তারকে অশ্রাব্য গালি দিয়ে আত্নশ্লাঘা অনুভব করবে!
যাহোক লেখক যেটা বলেছেন, ফার্মেসিতে ওষুধ বিক্রেতারাই ডাক্তারি করে। সমাজের একটা বড় অংশ পেট ব্যাথা, মাথা ব্যাথা, জ্বর, কাশি, ডায়রিয়া, আলসার ইত্যাদি অনেক অনেক উপসর্গ নিয়ে ফার্মেসিতে যেয়ে বলে ভাই আমার অমুক হইসে ওষুধ দেন। ফার্মেসিওয়ালারাও নিজেদের বিক্রি চালু রাখতে জেনে না জেনে ভুল জেনে ওষুধ দিয়ে দিচ্ছে। ক্ষতিটা ডাক্তারের হচ্ছে না, হচ্ছে রোগীর। লেখক এটাই বলেছেন যে ওটিসি ড্রাগ (যেসব অষুধ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া যায়) বাদে অন্য কোন ওষুধ যেন ফার্মেসিওয়ালারা প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রি করার সুযোগ না পায় সেই ব্যাবস্থা করতে হবে।
৪|
১৯ শে মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২৮
ক্যাপটেন জ্যাক স্প্যারো বলেছেন: আমাদের দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা, ফার্মেসি ব্যবসা, ওষুধ কোম্পানির ব্যবসার ধরন সম্পর্কে কোন কিছু না জেনেই এই বাজে মন্তব্য করতে সবাই পছন্দ করে।
উনারা একটা ব্যাপার খেয়াল করেন না, ডাক্তারদের কসাই বলে গালি দেয়ার মাধ্যমে বাকি সকল পেশার মানুষকে গরু, ছাগল, মহিষ বলে গালি দিচ্ছেন।
উন্নয়নের পরিকল্পনা হাত থেকে পকেটে চলে যাওয়াটা রোধ করবে কে?
পরের পর্বের অপেক্ষায়।
৫|
১৯ শে মে, ২০১৩ রাত ৯:৪৭
অচিনপাখি বলেছেন: আসলে ‘সেবার মানসিকতা’ একটি অপরিণত মস্তিষ্ক প্রসূত রোম্যান্টিক শব্দ ছাড়া আর কিছুই নয়।
--------চিকিৎসা, জিনিসটা আপনি বোঝেন না।
মস্তিষ্ক -- জিনিসটা আপনার নাই।
রোম্যান্টিক -- কবে কোনখান শুনে থাকবেন হয়তো।
৬|
১৯ শে মে, ২০১৩ রাত ১০:০৫
রিপেনডিল বলেছেন: মস্তিষ্ক উত্তপ্ত মানুষের কথায় কান দিতে নেই। তবু না দিয়ে পারলাম না।
জেনেরিক ওষুধ বলতে আপনি কি বোঝেন? প্যারাসিটামল কি জেনেরিক অষুধ না কোম্পানির ওষুধ? আপনার জ্বর হলে আপনাকে প্যারাসিটামলই দেয়া হবে অন্য কোন ওষুধ দেয়া হবে না কারন জ্বর কমানোর ওষুধ এই একটাই। কিন্তু এই জেনেরিক নাম প্যারাসিটামল এর অনেক অনেক ব্র্যান্ড নেইম আসে। সব গুলোতেই প্যারাসিটামল থাকে (মূল ওষুধ) কিন্তু গুণগন মান সবার ভালো থাকে না। তাই চেষ্টা করা হয় ভাল মানের ওষুধ দেবার। আবার রোগীর সামর্থ্যের কথাও মাথায় রাখতে হয়। দামি কমদামি অষুধ বিবেচনায় আনতে হয়। প্রাপ্যতার ও ব্যাপার আছে। সুতরাং একটি বিষয়ে মন্তব্য করার আগে কিছু জেনে নিয়ে তারপর করুন, না জানলে প্রশ্ন করুন।
হ্যা আপনি অবশ্যই কসাই বলবেন, তবে বলবেন এভাবে, যেসব ডাক্তার ওষুধ কম্পানির কাছ থেকে টাকা নিয়ে বাজে ওষুধ লেখে, কিংবা অহেতুক অতিরিক্ট টেস্ট দেয়, ব্যাবহার খারাপ করে, গরীব রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেয় তারা অবশ্যই কসাই।
আর কসাই শুধু ডাক্তার কেন, সব পেশার মানুষকেই বলবেন, যারা অন্যায়ভাবে অর্থ উপার্জন করে তাদের সবাইকে বলবেন। সেবা সবাই দেয়, যে শিক্ষক সেও সেবা দেয়। কিন্তু শিক্ষক এর কাছে প্রাইভেট পড়াতে হাজার হাজার লাখ লাখ টাকা দিতে আমাদের বাধে না। ডাক্তারকে দিতে গেলেই বাধে। প্রতিটি পেশার মানুষকে তার উপযুক্ত মূল্য দিতে শিখুন। মূল্যটা শুধু টাকায় হয়না, শ্রদ্ধাতে হয়। পেশাজীবীদের প্রকৃত মূল্য আমরা দিতে পারিনা বলেই যথাযথ সেবার মান রক্ষা হয় না আমাদের দেশে। নিজেকে দিয়ে বিচার করুন আপনি আপনার পেশায় কি দিচ্ছেন আর কি পাচ্ছে্ন, কি আশা করেন।
৭|
১৯ শে মে, ২০১৩ রাত ১০:০৯
এম আমির হোসেন বলেছেন: গঠনমূলক আলোচনার জন্য ধন্যবাদ। যারা মানসিক হাসপাতাল থেকে পালিয়ে এসে (ডি ও আর বি) ব্লগে লিখে তাঁদের সাথে আলোচনা অবান্তর। দ্বিমত পোষণ সুন্দরভাবেও করা যায়। প্রবন্ধের মূল থিম না বুঝে আলোচনা করা কিংবা অশ্লীল মন্তব্য করা মানসিক বিকৃতি ও দারিদ্রের পরিচয় বহন করে। সবাইকে ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
৮|
১৯ শে মে, ২০১৩ রাত ১০:১২
এম আমির হোসেন বলেছেন: রিপেনডিল ভাই, জ্যাক ভাই ধন্যবাদ। সুন্দর বলেছেন।
৯|
১৯ শে মে, ২০১৩ রাত ১০:১৪
এম আমির হোসেন বলেছেন: নির্বোধের সাথে তর্ক করার চেয়ে নির্বোধ কাজ আর দ্বিতীয়টি নেই। নির্বোধেরা এতই নির্বোধ হয় যে আপনি যদি তাদের অবজ্ঞা করেন এটাও তারা বুঝতে পারে না, শুধু বোকা-তর্ক করেই যায়। নির্বোধের সর্বশেষ অস্ত্র ‘ব্যক্তিগত আক্রমণ’।
১০|
২০ শে মে, ২০১৩ রাত ১২:৩৭
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: আমির হোসেন।ভাই......আপনার এখনও এত ধৈর্য্য আছে?????????? হায়রে .. এখনও বলে যাচ্ছেন আমাদের কথা???? আমাদের মতো নিষ্ঠার পেশা আর আছে বলে আমার জানা নেই ..বলে বলে আমি এখন ক্লান্ত তাই বলা ছেড়ে দিয়েছি। বাদ দেন ...।সারা দিন রাত অমানুষিক পরিশ্রম করে এসে, রোগীর পাশে সেবা দিয়ে এসে একটা তৃপ্ত মন নিয়ে এসে এসব কথা আর কত দিন পড়বো? বাদ দেন.............।আর ভালো লাগেনা .....রিপানডিল এক সময় আমাদের সাথে অনেক পোস্টের ই এমন প্রতিবাদ করেছি এখন আর করিনা..............।শুধু দেখি ...মানুষের অকৃতঘ্নতা........................
১১|
২০ শে মে, ২০১৩ রাত ২:২২
েসাহাগ২৫কগগ বলেছেন: চিকিৎসার নামে এখন চলতেছে লুটপাট।এখনকার বেশীরভাগ ডাক্তারদের মধ্যে মানবতার আগে শুধুই টাকা।তারা টাকার নেশায় মত্ত,নারীর নেশায় মত্ত,আরাম আয়েশের নেশায় মত্ত।আমি ডাক্তারদের মনে প্রানে ঘৃনা করি।কসাই।
১২|
২০ শে মে, ২০১৩ দুপুর ১২:১৯
এম আমির হোসেন বলেছেন: রুদ্রাক্ষী। আমি হতাশ হতে রাজি নই। সর্বকালেই কিছু বিকৃত চিন্তার মানুষ থাকে। তাদের আমলে না নিয়ে নিজের দর্শনে এগিয়ে চলাই উত্তম বলে মনে করি। নির্বোধের সাথে তর্ক করা বড় নির্বুদ্ধিতার কাজ। ধন্যবাদ! ![]()
১৩|
২০ শে মে, ২০১৩ দুপুর ১২:২৩
এম আমির হোসেন বলেছেন: যারা ডাক্তারদের ঘৃণা করেন এবং কসাই বলেন তারা নিজেদের যেহেতু গরু ভাবেন না তাই আপনারা ও আপনাদের স্বজনেরা অসুস্থ হলে দয়া করে ডাক্তারের কাছে যাবেন না। আর যদি যেতেই হয় ভেটেরেনারি ডাক্তারের কাছে যাবেন দয়া করে। মূর্খদের মূর্খামীর তৃপ্তি অটুট থাকুক।
১৪|
২২ শে মে, ২০১৩ সকাল ৭:৪১
েসাহাগ২৫কগগ বলেছেন: @এম আমির হোসেন, আবার তোরা মানুষ হ,বৃত্তের তরে না থেকে চিত্তে ফিরে আয়,যা একে অপরকে সম্মান করতে শেখায়।
ভাই আমি ডাক্তারের কাছে যাই না,শেষের ৫ বছরেও ১বার গেছি কি ন মনে পড়ে না।আর পরিবারের কথা বললেন না,আমার পরিবারের মোটামুটি কোন কিছু হলে ইন্ডিয়ান ডাক্তারদের কাছে যাওয়া ভাল মনে করি। আমার এক আত্নীয় কে ভুল ট্রিটমেন্ট করে ল্যাব এইড থেকে লাশ করে পাঠানোর পর আর কি ভরসা রাখা যায় বলেন।ডাক্তারদের সম্পর্কে কেন এরকম কথা লিখতেছি বা কেন এরকম ধারনা পোষন করি তার মূলে রয়েছে ভয়াবহ এক তিক্ত অভিগগতা।যা কোন ভাষায় বলবার নেই।
১৫|
২২ শে মে, ২০১৩ সকাল ৮:২৩
না পারভীন বলেছেন: ভালই ব্লগ ঝিমিয়ে পড়েছিল ।
১৬|
২২ শে মে, ২০১৩ দুপুর ১:৩৮
এম আমির হোসেন বলেছেন: সোহাগ। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। আশা করি জীবনে কোনদিনও এ দেশের 'কসাই ডাক্তার'এর কাছে এসে নিজের গরু পরিচয় প্রকাশ করবেন না। ভাল থাকুন।
১৭|
২২ শে মে, ২০১৩ দুপুর ১:৪১
এম আমির হোসেন বলেছেন: অশ্লীল মন্তব্যের জন্য কিছু মন্তব্য ডিলেট করতে হয়েছে। ধন্যবাদ সবাইকে।
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে মে, ২০১৩ বিকাল ৩:০৯
এস বাসার বলেছেন: প্যারাসিটামল, ওআরএস ইত্যাদি প্রাথমিক ওষুধগুলো ছাড়া বাকি ওষুধ রেজিষ্টার্ড চিকিৎসকের প্রেসক্রিপসান ছাড়া বিক্রি হওয়া অনুচিত। এটি বন্ধ করলে ওষুধের অপব্যবহারও হ্রাস পাবে ............
তো ট্রেড নেম না লিখে জেনেরিক নেম লিখে প্রেশক্রিপশান করেন না কেন? রোগী তার পছন্দ মতো কোম্পানীর মেডিসিন কিনে খাবে!