| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কোন সাধারণ কারণে আমার বাবা-মায়ের বিয়ে নাও হতে পারতো। আমি অ্যাবোরসন হয়ে যেতে পারতাম, যেমন অনেকেরই হয়। যতবার গাড়িতে চড়েছি তার একবারও যদি ড্রাইবার সাহেব একটু ভুল করতো তা’হলে আজ আমি বেঁচে থাকতাম না। রোগ, দূর্ঘটণার মতো খুব সামান্য কারণেই আমার জীবন শেষ হয়ে যেতে পারতো। কিন্তু তা’ আজ পর্যন্ত হয়নি। আমি বেঁচে আছি সুস্থ শরীরে। আমি আছি বলেই এতো কিছু-এই হাসি, অভিমান, বেদনা, সুখ কিংবা হতাশা। আসলে আমার অস্তিত্ব আছে বলেই এই জগতের অস্তিত্ব আছে। আমি নাই তো কিছুই নাই, কিংবা থাকলেও আমার তা’তে কিইবা যায় আসে! তাই মনে হয় চিৎকার করে বলি, নিজেকে, শুধুমাত্র নিজেকেই গুরুত্ব দিন। তবে কারারুদ্ধ হবেন না। আপনি এতোটা সস্থা নন। অন্যের কথা অনুকরণের জন্য আপনার জীবন নয়। দাস জীবনে কোন সম্মান নেই। তবু হায়, মানুষ কেন যে এই কারাগারের দাস জীবনকেই ভালবাসে? খুব ইচ্ছে হয়, সব মানুষকে পল্টন ময়দানে ডেকে নিজের গুরুত্ব অনুধাবনের কথা বলি। মৃত্যু জীবনের অনিবার্য পরিণতি। মৃত্যু জীবনের বিপরীত শব্দ নয়, জীবনের শত্রু নয়। এটা স্বাভাবিক পরিণতি। তাই মৃত্যু নিয়ে এতো বিচলিত হবার কিছু নেই। আমি অনেক লোককে দেখেছি মৃত্যু-ভয়ে জীবিন্মৃত হয়ে বেঁচে থাকতে। ওরা ভীরু, কাপুরুষ। যতদিন বেঁচে আছেন দাপটের সাথেই বেঁচে থাকুন। ‘আপাত সৎ’ থেকে সর্বোচ্চ যতটুকু আনন্দ আহরণ সম্ভব ততোটুকু আনন্দ নিয়ে বাঁচুন।বাঁচুন, বাঁচুন এবং বাঁচুন…জীবনের জন্য বাঁচুন, আনন্দের জন্য বাঁচুন!
২০ শে মে, ২০১৩ রাত ১১:১১
এম আমির হোসেন বলেছেন: ধন্যবাদ দিদার ভাই
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে মে, ২০১৩ রাত ১১:০৮
কাজী দিদার বলেছেন: ঠিক বলেছেন +++++++++++++++++