| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য
মানুষ পথিক বেশে ঘুরছে দেশে দেশে একটু ছায়াতলে থমকে দাঁড়ায়, স্মৃতিটুকু রেখে শুধু একদিন তো চলে যায়।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সব প্রস্তুতি মোটামুটি সম্পন্ন। কোনো প্রতিবন্ধকতা না সৃষ্টি হলে মনে হয় না কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে।
গতকাল ইনকিলাব মঞ্চের ব্যানারে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন অভিমুখে ছাত্র-জনতার অভিযাত্রা নিছক শরীফ উসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে নয় বরং এটা নির্বাচন বানচাল করারই অপচেষ্টা। নির্বাচন যদি হয়ে যায় আর বিএনপি যদি ক্ষমতায় বসতে পারে, এখন যারা সবকিছুতে ছড়ি ঘোরাচ্ছে তাদের তাফালিং কমে যাবে- এই ভয়েই মূলত এত নাটক। আমার এমনই মনে হয়। যদিও বলা হচ্ছে নির্বাচন বানচাল করতে আওয়ামী লীগ এসব করছে, এ কথা ধোপে টিকছে না। কারণ আন্দোলনকারীরা সবাই পরিচিত মুখ। রাজনীতি বা নির্বাচন ব্যতিরেকে অন্যকিছু হলে দায় আওয়ামী লীগকে দেওয়া যেত।
ছাত্র-জনতা যারা আন্দোলন করে মার খেল তারা এবং যারা সরকারে আছে তারা তো একই। এমনকি পুলিশও তাদের। যদিও পুলিশের ওপর ওদের ক্ষোভ আছে। ঝুলিয়ে মরার হুমকিও দিচ্ছে অনেকে। কারণ পুলিশ তাদের ওপর চড়াও হয়েছে (মনে হয় পুলিশের উচিত ছিল নিস্পৃহ থাকা)। এই পুলিশের কর্মে শেখ হাসিনার সময়ে শেখ হাসিনা গালি খেতেন কিন্তু এবার ইউনূস গালি খেলেন না কেন কে বলতে পারে? পুলিশ তো হুকুমের গোলাম সে শেখ হাসিনা কে আর ইউনূস কে; এটা তো তাদের দেখার কথা না। ক্ষমতায় যে তারই কথা শুনবে।
কিছু গুজবও ছড়িয়েছিল যে কয়েকজন মারা গেছে। আদতে কেউ মরেনি। ২০২৪ এর জুলাতেও শোনা গিয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহত্যা হচ্ছে। অথচ দেখা গেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রও সেসময় মারা যায়নি।
ওসমান হাদি এই সরকারের সময় নিহত হয়েছে। বিচার তো করে ফেলার কথা, কিন্তু করা হচ্ছে না। ইচ্ছে করে করছে, কী করছে না; তা বলছি না। বলছি, চাইলেও বিচার সবসময় সম্ভব হয় না। দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। সর্ষের মধ্যে ভূত থাকলে অবশ্য অন্য হিসাব।
এত বছর শুনলাম শেখ হাসিনা সাগর-রুনি হত্যার বিচার করছে না, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার করছে না। এখন সরকারের সুসময়; তারাও করতে পারছে না। কেন পারছে না। ডাল ম্য কুচ কালা হ্য?
সবাই হয়তো অবগত আছেন, ৫ আগস্ট পরবর্তীতে আবরার হত্যার অনেক আসামি কারাগার থেকে পালিয়েছে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিদের উকিল আওয়ামী লীগের কেউ না। যারা বিচার দাবি করেছে তাদেরই লোক।
মুস্তফা সরয়ার ফারুকীর একটা সিনেমা আছে ‘শনিবার বিকেল’। কোনো এক কারণে মুক্তি পায়নি। কেন পায়নি, সেটা অনুমান করতে পারলেও বলব না। আওয়ামী লীগের সময় ফারুকী খুব আফসোস করেছেন এ নিয়ে। এবার তিনি নিজেই সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা, তাও নিজের সিনেমা রিলিজ করাতে পারেননি।
বিষয়টা আমাদের জানান দেয়, আপনি ক্ষমতায় থাকলেও অনেককিছু করতে পারেন না। অথচ যখন দায়িত্বে থাকেন না, অনেক কথা বলতে পারেন। যেমন- শিশুকালে মা-বাবা কোনো চাওয়া পূরণ না করলে তাদের দোষারোপ করা যায়। বলতে পারেন বড় হয়ে যা খুশি করবেন। অথচ আপনি নিজে যখন অভিভাবক হন, তখন কতকিছু্ ছেড়ে আসতে হয়। এটাই বাস্তব।
২|
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:১৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এখানে নিরবতা পালন করা ছাড়া উপায় নেই ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:০৩
নিমো বলেছেন: নাটক!