নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আকাশের সিকায় বিকাল

আসিবি

আকাশে সিকায় বিকাল

আসিবি › বিস্তারিত পোস্টঃ

কর্নেল (অব) অলি আহমদ, সেদিন যা বলেছিলেন, এখন যা বলেন

০১ লা আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:৩১

বিএনপি নেতৃত্বাধীন বিগত চারদলীয় জোট সরকারের বিরম্নদ্ধে ব্যাপক দুনর্ীতি, অনিয়ম, জঙ্গীবাদের পৃষ্ঠপোষকতাসহ নানা ধরনের প্রকাশ্য অভিযোগ এনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. কর্নেল (অব) অলি আহমদ বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে সাবেক রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরম্নদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্পধারার সঙ্গে জোট বেঁধে গঠন করেছিলেন নতুন দল এলডিপি (লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি)। অবশ্য এ জোট বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। কর্নেল অলি এলডিপির চেয়ারম্যান এবং বদরম্নদ্দোজা চৌধুরী বিকল্পধারার কর্ণধার হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়ে আছেন।

এ দুই রাজনীতিক বিএনপির পোড় খাওয়া নেতা হিসেবে এ দেশের রাজনীতিতে স্বীকৃত। উভয় নেতা বিশেষ করে অলি আহমদ দল থেকে পদত্যাগের আগে-পরে বিএনপি ও এর শীর্ষস্থানীয়সহ নেতাদের বিরম্নদ্ধে যেসব বক্তব্য দিয়ে গেছেন তা রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপকভাবে আলোচনায় স্থান করে নিয়েছে।

বর্তমানে মহাজোট সরকারের বিরম্নদ্ধে বিএনপির পক্ষ থেকে যে আন্দোলনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে সে আন্দোলনের সঙ্গে শরিক হওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে মাঠে নেমেছেন পোড় খাওয়া সেই দুই নেতা। তবে এদের মধ্যে এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল অলির নানা ঘোষণা বিএনপি থেকে পদত্যাগের সময়কার ঘোষণার সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে, যা নিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে কর্নেল অলি আবারও আলোচিত চরিত্রের আসনে আসীন হয়েছেন।





অনেকে বলছেন, মুখের থুথু ফেলে দেয়ার পর তা পুনঃ মুখে তুলে নেয়ার অবকাশ থাকে না। কিন্তু একশ্রেণীর রাজনীতিবিদের বেলায় তা কিন্তু সম্ভব। এটাই চলমান রাজনীতিতে দৃশ্যমান। বিশেষ করে এ অঞ্চলের রাজনীতিতে।

১৯৮৪ সাল থেকে ২০০৬ পর্যনত্ম তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যপদে আসীন ছিলেন। এর আগে '৯১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনি যোগাযোগমন্ত্রী হন। '৯৬ সালের ১৫ ফেব্রম্নয়ারির একতরফা নির্বাচনে বিএনপি আবার সরকার গঠন করলে তিনি প্রথমে কৃষি, খাদ্য ও পানিসম্পদমন্ত্রী এবং পরে বিদু্যত, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রীর দফতর পান। ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৪ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে চারদলীয় জোটের মনোনয়ন নিয়ে অলির সঙ্গে জামায়াতের তীব্র মতভেদ সৃষ্টি হয়। এরপর থেকে অলির সঙ্গে বিএনপির বিরোধ তুঙ্গে চলে যায়। তারপরও তিনি চট্টগ্রাম-১৩ ও ১৪ আসনে নির্বাচনে প্রাথর্ী হন। চট্টগ্রাম-১৩ আসনে জয়লাভ করলেও চট্টগ্রাম-১৪ আসনে জামায়াত প্রাথর্ীর কাছে হেরে যান। এরপর জামায়াতের সঙ্গে বিএনপি জোট বেঁধে সরকার গঠন করলেও অলিকে মন্ত্রীর কোন পদ দেয়া হয়নি এবং সে সরকারের শেষ পর্যনত্ম অলিকে সাইডলাইনে বসিয়ে রাখা হয়। চারদলীয় জোট সরকারের শেষলগ্নে অর্থাৎ ২০০৬ সালের ২৬ অক্টোবর অলি বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে সাবেক রাষ্ট্রপতি বদরম্নদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্পধারা নিয়ে গঠন করেন এলডিপি।

নতুন দল গঠনের আগে ও পরে অলি আহমদ তির্যক ভাষায় বিএনপি ও এর শীর্ষ নেতৃবৃন্দের বিরম্নদ্ধে যেসব মনত্মব্য প্রকাশ্যে করেন তা ছিল সে সময়ের রাজনীতিতে রীতিমতো হট কেক। ঐসব বক্তব্যের তার কিছু অংশ তুলে ধরা হলো। সে সময়কার সরকারের সমালোচনা করতে গিয়ে অলি বলেছিলেন : 'চার বছরে যারা ফুলেফেঁপে উঠেছে_ তাদের আগে কিছুই ছিল না। তারা গাড়ি কিনেছে।' 'যারা হাফশার্ট' পরত এখন তারা ফুলশার্ট পরে।' 'যারা স্যান্ডেল পরত_ তারা এখন ইতালিয়ান সু পরে।' 'যাদের ঘুমানোর জায়গা ছিল না তারা গুলশানে বাড়ি করে গাড়ি হাঁকায়।' তিনি বলেছিলেন, 'জিয়াকে রাসত্মা থেকে ডেকে এনে যুদ্ধে নামিয়েছি।' 'স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করিয়েছি।' 'যেসব মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বেগম জিয়ার জুতা স্যান্ডেল টানে তারাই কুকুরের মতো ঘেউ ঘেউ করে আমার (অলি) বিরম্নদ্ধে কথা বলছে।' 'কয়েকজন সারারাত মদ খেয়ে বদমায়েশী করে মুক্তবাজার অর্থনীতির কথা বলে জিনিসপত্রের দাম বাড়ায়।' '১৫/২০ জন মন্ত্রীর একটি সিন্ডিকেট বছরে ২০ হাজার কোটি টাকার ঘুষ খায়।' 'ঘুষ খেয়ে একেকজন ১০/১২টি বিলাসবহুল গাড়িবাড়ির মালিক।' চট্টগ্রামের এক প্রতিমন্ত্রীকে ইঙ্গিত করে অলি বলেছিলেন, 'যার ২ হাজার টাকা ঘর ভাড়া দেয়ার ক্ষমতা ছিল না_ তিনি কাস্টমসের পিয়ন কেরানির সঙ্গে অাঁতাত করে এখন শত কোটি টাকার মালিক।' 'চতুর্থ শ্রেণীরও নেতা নন এমন একজন হয়েছেন ব্যাংক ও মিডিয়ার মালিক।' 'এরা সকলেই খালেদা জিয়ার জুতা স্যান্ডেল খুঁজে দেন।' এসব বক্তব্য ছাড়াও ঐ সময়ে এলডিপির এ নেতা বলেছিলেন, 'বাংলাদেশে জঙ্গীবাদ উত্থানের জন্য খালেদা ও তার পুত্র তারেক দায়ী।' ২০০৬ সালের ২২ নবেম্বর চট্টগ্রামের মুসলিম হলে এলডিপিতে যোগদানের একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কর্নেল অলি এ উক্তি করেন। শুধু তাই নয়, তিনি আরও বলেছিলেন, 'এদের পৃষ্ঠপোষকতায় জামায়াত-শিবির আশ্রিত ক্যাডাররা সারাদেশে একযোগে সিরিজ বোমা হামলার সাহস পেয়েছে।' 'দুই হা- অর্থাৎ হাওয়া ভবন ও হারিছ চৌধুরীর কারণে খালেদা জিয়া হাওয়া হয়ে যাবেন।' তিনি আরও বলেছিলেন, 'বিএনপির জন্মের পর মুসলিম লীগের মৃতু্য হয়েছে। এলডিপির জন্মের কারণে বিএনপির মৃতু্য হবে।' সবচেয়ে মারাত্মক উক্তি করেছিলেন বেগম জিয়া ও তাঁর পুত্র তারেক রহমান সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে। ২০০৬ সালের জুন মাসে নিউইয়র্কের এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অলি বলেছিলেন, 'মা ভাল হলে ছেলে খারাপ হবে কেন।



সমপ্রতি অলির রাজনৈতিক কর্মকা-ের পরিবর্তন লক্ষণীয়। ইতোমধ্যে তিনি বিএনপির নীতিনির্ধারক মহল সর্বোপরি দলের চেয়ারপার্সনের সঙ্গে একানত্মে বৈঠকও করেছেন। বলেছেন, গত দশ বছর ধরে বিএনপি পরিবারের সঙ্গে তার একটি গ্যাপ তৈরি হয়েছিল। সে গ্যাপ এখন দূর হয়েছে।

যে তারেক রহমান এবং হাওয়া ভবন সম্পর্কে এত আপত্তি এবং প্রকাশ্য নানা উক্তি_ সে তারেক সম্পর্কে এখন বলছেন, আমরা এখন আলাদা কোন বিষয় নিয়ে কাজ করছি না।

কেউ বলছেন_ নির্বাচনের আগে মহাজোটকে সমর্থন দিয়ে ফায়েদা হাসিলের তৎপরতা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন বলেই এখন তাঁর এ অবস্থান। আবার অনেকেই বলছেন, আগামী নির্বাচনে নিজ এলাকায় প্রার্থিতা নিশ্চিত করতেই অলি আহমদ আবার বিএনপি ও জামায়াতের সুহৃদ হওয়ার তৎপরতায় লিপ্ত হয়েছেন। আবার অনেকের মতে, এ দেশের রাজনৈতিক নেতাদের যে চরিত্র তারই বহিপর্্রকাশ বলে উলেস্নখ করছেন।

চন্দনাইশে মিশ্র প্রতিক্রিয়া চন্দনাইশ সংবাদদাতা আবু তোরাব চৌধুরী জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপির) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. কর্নেল (অব) অলি আহমদ বীরবিক্রম এমপির সমপ্রতি বিএনপির সঙ্গে জোট বাঁধার ঘোষণা নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ২০০৬ সালে কর্নেল অলি আহমদ কতিপয় দুনর্ীতিবাজ বিএনপি মন্ত্রী ও নেতাকর্মীর বিরম্নদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে দলত্যাগ করে নতুন দল এলডিপি গঠন করে সর্বপ্রথম চন্দনাইশ উপজেলার গাছবাড়ীয়া কলেজ ময়দানে জনসভা করেন। এ সময় তিনি বিএনপির দুনর্ীতিবাজদের বিরম্নদ্ধে সমালোচনা করে বলেছিলেন- আমিই বেগম জিয়াকে রান্নাঘর থেকে রাজনীতিতে এনেছি, আবারও তাঁকে রান্নাঘরে ফিরে যেতে হবে। মহিলার শাড়ির অাঁচলে থেকে রাজনীতি করি না, করবও না। এমনকি তিনি বিএনপিকে দক্ষিণ চট্টগ্রাম থেকে কবর দেয়া হয়েছে বলে উলেস্নখ করেছিলেন। গত কয়েকদিন থেকে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে কর্নেল অলির বিএনপির সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার পতনের যে আন্দোলনের কথা বলেছেন তা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এক সময় চট্টগ্রাম-১৩ আসনটি কর্নেল অলির শক্ত ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত হলেও বর্তমানে অলির সেই অবস্থান আর নেই। গত ইউপি নির্বাচনে উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে এলডিপির মনোনীত প্রাথর্ী দেয়া হলেও দুই ইউনিয়ন ছাড়া বাকিগুলোতে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রাথর্ীরাই বিজয়ী হয়েছেন। এদিকে বিএনপির সঙ্গে অলি জোট গঠন নিয়ে চন্দনাইশ উপজেলা এলডিপির সাধারণ সম্পদক আকতারম্নল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমাদের বলার কিছুই নেই। নেতাই যে সিদ্ধানত্ম দেবেন আমরা তা মেনে নেব। আবার এলডিপি কমর্ীদের অনেকেই বলেছেন, আমরা বিএনপি থেকে এসেছি আবার হয়ত সেই বিএনপিতেই ফিরে যাব। অপরদিকে চন্দনাইশ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মাহাদুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সরকার পতনের আন্দোলনে বেগম জিয়া এলডিপিকে নিয়ে যে সিদ্ধানত্ম নেবেন, তা নিয়ে আমাদের মধ্যে কারও কিছু বলার নেই। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অলি আহমদ বিএনপিতে যদিও কোন সময় যোগদান করেন, তাহলে অবশ্যই উপজেলা কমিটির সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করতে হবে। কেননা তিনি বিএনপিকে এক সময় বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছিলেন। আমরা যারা বিপদের সময় বিএনপিকে ধরে রেখেছিলাম তাদের সকলের সঙ্গে মিলেমিশে তাঁকে কাজ করতে হবে। তা না হলে উপজেলা বিএনপির মধ্যে অনত্মর্কোন্দলের সৃষ্টি হবে বলে তিনি আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন। চন্দনাইশ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ওয়াহিদুরজ্জামান বলেন, অলির সেইদিন আর নেই, সময় ফুরিয়ে এসেছে, তাই আবোলতাবোল কথা বলছেন তিনি। এক সময় বিভিন্ন মামলা দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কর্নেল অলি ব্যাপক হয়রানি করেছেন। কতিপয় নেতার যোগসাজশে চন্দনাইশ উপজেলা আওয়ামী লীগকে বিভক্ত করে রেখেছিলেন। এখন আওয়ামী পরিবারের সদস্যরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। যার প্রমাণ উপজেলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দেয়া হয়েছে। তা দেখে অনন্যোপায় হয়ে অলি আহমদ এখন চন্দনাইশ আসন রক্ষায় মরিয়া হয়ে উঠেছেন।

মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:৩২

মেঘনার মোহনা বলেছেন: অলির কথা শুনে সবাই হাসে।

২| ০১ লা আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:০০

মোহাম্মদহারুন বলেছেন: আপনার পোষ্ট টি পড়ে আলি সর্ম্পকে অনেক কিছূ জানলাম।
এটা সত্য যে তার নির্বাচনী এলাকায় তার সেই আগের মত প্রভাব আর নেই।
আপনাকে আরেকটি নতুন তত্য দিতে চায়।
লোহাগাড়া উপজেলায় মোট ৬ টি ইউপি নির্বাচনে জামাতের একক আধিপত্য থাকলেও সদ্যসমাপ্ত ইউপি নির্বাচনে ৬ টির ইউনিয়নের মধ্যে মাত্র ২ টিতে জামাত ২ টিতে এল,ডি,পি ও ২ টি তে আওয়ামীলীগ জয় পায়।
উল্লেখ্য এ আসনে ১৯৯১ এ অলি,ও ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮ নির্বাচনে জামাত জয়ী হয়।
তবে মজার ব্যাপার হল , লোহগাড়া উপজেলার একটি উইনিয়নের নাম - কলাউজান এ ইউনিয়নে মোট ৭ জন চেয়ার ম্যান প্রার্থী হতে পূর্বের চেয়ারম্যন -( জামাত ) ১ নং হতে সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে ৫ স্থানে চলে যায়।

০১ লা আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২১

আসিবি বলেছেন: ধন্যবাদ

৩| ০১ লা আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২২

ফেলুদার চারমিনার বলেছেন: রাজনীতিবিদদের মতো বেহায়া প্রজাতি এই ত্রিভূবনে নাই।

৪| ০১ লা আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২৩

সুমন এম রহমান বলেছেন: বিএনপির সাথে আবার একিভূত হচ্ছে দেখে ক্ষেপে গেলেন নাকি ভাই? উনি এখনও পূর্বের বক্তব্য প্রত্যাহার করেন নি। সেই সময় তিনি সরাসরি সরকারী দল থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন। তিনি বিএনপিকে শুদ্ধতম দল বলেননি। সরকার বেশি খারাপ বলে আন্দোলনে একসাথে বিএনপির সাথে আছেন বলেছেন। এবং কোন পদ এর বিনিময়েও এটা করেননি তিনি।আর হা আপনাকে একবার সমর্থন দিলে আজিবন সমর্থন দিতে হবে?

০১ লা আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৪৩

আসিবি বলেছেন: না হেসে পারলাম না
পদ চান কি চান নাই তাতো পরের বিষয়
আর অলির অবস্থা হলো পাগলা ঘোড়া দীর্ঘদিন অভুক্ত
আর তাতে মনে হয় আপনারও একই অবস্থা
সরকার নিয়ে সমালোচনার মানে যদি হয় দুষ্টের সাথে আতাত তবে বলতে হয়
নিজের চরকায় তেল দেন
এ সরকার আর যাই হোক গ্রেনেড আক্রমণ করে নাই,
হাওয়া ভবন তৈরী করে নাই
১০ ট্রাক অস্ত্রের চালান আনে নাই, জজ মিয়া নাটক সাজায় নাই
যুদ্ধাপরাধীদের সাথে আতাত করে নাই
নিজে দলে অতি দুনীর্তির কারণে কেউই পদত্যাগ করে নাই, অলি মাহীরা ক্নিতু
বিএপি আমলে করেছিল।
১ অক্টোবর ২০০১ নির্বাচনের পর হাজার নারী ধর্ষণ হয় যা এইবার হয় নাই।



৫| ০১ লা আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২৪

সুমন এম রহমান বলেছেন: আজকের যুগান্তরে ওনার একটা সাক্ষাৎকার দিয়েছে । পড়লে সব স্পষ্ট হবে আপনার কাছে।

৬| ০১ লা আগস্ট, ২০১১ রাত ৮:০০

বালক বন্ধু বলেছেন: একেই বলে রাজনীতিতে শেষ বলে কিছু নেই. . .

৭| ০১ লা আগস্ট, ২০১১ রাত ৯:১২

সুমন এম রহমান বলেছেন: আপনি ব্যক্তিগত আক্রমন বেশি করেন। এটা স্বাধীনতার পর থেকে শুধু আওয়ামীপন্থীরাই করে আসছে।বিএনপি বা আওয়ামীলীগের দোষ নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছিলাম না এখানে। কর্নেল অলিকে নিয়ে কথা হচ্ছিল। কিন্তু অপ্রাসঙ্গিক হলেও আপনি যখন কথাটা তুললেনই তখন শুনে রাখুন
১/ বি এনপি গনতন্ত্রকে হত্যা করে নাই (বাকশাল করে নাই)
২/ বিএনপির সময়ে বাসন্তিদের জাল পড়ে থাকতে হয় নাই।
৩/ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা খর্ব করে নাই।
৪/ বড় বড় ফাঁসির আসামীদের ক্ষমা করে দিয়ে মহত্বের লক্ষন দেখায় নাই।
৫/ বিএনপি জাতীয় বেঈমান নয়।
৬/ নেত্রীর ছেলেকে চোর বললেই কোন সম্পাদককে ৯ মাস জেল খাটায় নাই।
৭/ কথায় কথায় ভোল পাল্টায় নাই।
৮/ গনভবন নিজের নামে লিখে নেয় নাই।
৯/ রক্ষীবাহীনী দিয়ে দিনের পর দিন মানুষ হত্যার উৎসব করে নাই।
১০/ দুর্ভিক্ষের সময়ে লবন চুরির মহড়া দেয় নাই।
১১/জেলায় জেলায় সন্ত্রাসী তৈরি করে নাই।
১২/খালেদা জিয়া মুফতি হান্নানের আত্মীয় না, এক এলাকার ও না।
১২/ধর্ষক সোনার ছেলেদের মাথায় ছায়া দেয় নাই।
২০০০ আওয়ামী কীর্তি মুখস্ত ই আছে , বেশি লিখতে ইচ্ছা করছে না ভাই। তবে বি এনপি ও কম না এটা স্বীকার করি। মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ।কে কোন দলে গেল এটা নিয়ে এই ধরনের সমালোচনার কিছু নাই। আমার ফাঁসি চাই বইটা বোধহয় পড়েন নাই। তাহেলে বুঝতেন হাসিনা কিভাবে লাশের রাজনীতি করতেন।কার পক্ষে কথা বলেন?

০২ রা আগস্ট, ২০১১ সকাল ১১:২১

আসিবি বলেছেন: গণতন্ত্র হত্যা করেই বিএনপি ক্যান্টমেন্ট জন্মেছে হাজার আর্মি অফিসার হত্যা করে
ঠিকই কইছেন, তাই তো ২০০১ এর পর হাজার মেয়েদর ধষর্ণ করেছেন।
সংবাদপোত্রর নামে তো তথ্য সন্ত্রাস বিএনপিই জাতিকে শিখাইছে
ফাসির আসামিদের ছেড়ে দেয়ার নজির তারেক কোকোর বাবাই শুরু কনের
১৯৭৩-১৯৭৪ পর্যন্ত সবোর্চ্চ ৯.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ছিল।

ইনডেমনিটির মাধ্যমে জািতের জনেকর হত্যা ও জাতীয় চার েনতার িবচার বন্ধ করা হয়
ও স্মপাদক যে কি মানের সম্প্দক তা জাতি জানে, যিনি উত্তরায় আমলা দের নিয়ে রাতের আধারে রাষ্ট্রবিরোদী ষড়যন্ত্র করেছিলেন। এই ছিল জামাত ব্নিপির প্রশাসন।
কেউ গণভবন লিখে নেয় নাই বরং খালেদাই দীর্ঘ দিন অবৈধ ভাবে ক্যান্টনমেন্টর বাসায় থাকেন, ওখানে আবার রঙ্গরসের ব্যবস্থাও করতেন তার দুই সুযোগ্য প্রত্রের জন্য।
ফ্রীজে কি সব নাকি পাওয়া গেছে দেখেছেন নিশ্চয়।
দেশে সস্ত্রাসের রাজনীতি বিএনপিই শুরু করে, ৭ খুনের আসামি কে ছেড়ে দেয়।
অঅব্দুস সালাম পিন্টুর ভাই মাওলানা তাজউদট্দীন দেশে জঙ্গীবাদের অন্যতম হোতা, তার ভাই তোফা রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পেয়ে আবার টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সেক্রেটারি
তাই দয়া করে চোরের সাথে সাধুকে মিলায়েন না।

৮| ০২ রা আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৩:৩১

সুমন এম রহমান বলেছেন: এখন বুঝতে পেরেছেন কর্নেল অলির নামে এসব লেখার আসল কারন কি? কোন যুক্তির জন্য নয় আপনি এই জোচ্চোর দলটির অন্ধ ভক্ত। ক্ষমতায় থাকা সত্তেও যে দলটির দিকে এখন আর বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল ওলি তাকাচ্ছেন না। আপনি সব ইতিহাসের ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন।আপনার জিয়া সম্পর্কে ধারনাই নাই।

৯| ০২ রা আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৩:৩৪

সুমন এম রহমান বলেছেন: আমি যে কথাগুলো লিখলাম সেগুলো সব আপনার মিথ্যা মনে হচ্ছে তাইনা? আপনি মানসিক রোগী।

০২ রা আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৪:২৩

আসিবি বলেছেন: সন অফ এ বীছ, নব্য রাজাকার , পািকস্তান যা

১০| ০২ রা আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৫:১৩

সুমন এম রহমান বলেছেন: তুই হাসিনার বেয়ইর কাছে যাইয়া ঘুমা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.