| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বলার ছিল অনেক কথা, কিন্তু বলতে পারছিনা কারন আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছি। মুক্তিযুদ্ধ দেখিনাই, কিন্তু ভয়াবহতার কথা শুনেছি বাবা-মা-চাচা-মামাদের কাছ থেকে। ৭ই মার্চের ভাষণে ছিলামনা। কিন্তু আজ আর কোন আফসোস নেই। আজ আবার আমরা সেই এক কাতারে। সবার মুখে এক কথা দেশকে রাজাকারমুক্ত করবো ইনশাআল্লাহ্।
প্রজন্ম চত্বর এক ইতিহাসের সাক্ষী। কে নেই সেখানে? যারা শুভবিবেক সম্পন্ন, মানবতার পক্ষে, হাতে হাত ধরে, কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে সবাই উপস্থিত সেখানে। মানুষের বিবেক যখন জাগ্রত হয় তখন তাকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারেনা। প্রমাণ হল তা আরও একবার।
যেখানে অশুভের বিরুদ্ধে শুভ এর লড়াই, সেখানে অশুভ থাকবে তা বিনষ্ট করতে সদা-সচেষ্ট। আমাদের একতাই পারবে ওদেরকে রুখে দিতে। আমার আন্দোলনরত ভাইবোনদের বলছি সতর্ক থাকো। কেউ যেন আমাদের আন্দোলন বানচাল না করতে পারে। নিজেদের বিবেকের কাছে পরিষ্কার থাক।
ভুলে যেওনা শহীদ জননী জাহানারা ইমাম এর কথা, যিনি শহীদ রুমি এর মা। রুমি ছিলেন বাংলা মায়ের সেই সৈনিক যিনি বিদেশে উচ্চ-শিক্ষার সুযোগ পেয়েও দেশের স্বাধীনতার ডাকে সাড়া দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন যুদ্ধে, নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন। ভুলে যেওনা সেই মায়ের আত্মত্যাগের কথা যিনি বিলাসী জীবন ছেড়ে একমাত্র ছেলেকে নিয়ে নেমেছিলেন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে, তিনি তার ছেলে আজাদকে স্বাধীনতা আন্দোলনে উৎসর্গ করেছিলেন। আজাদ যখন ধরা পড়ে জেলে, তার মা তাকে বলেছিলেন বাবা এরা মারলেও তুমি কারও নাম বলে দিওনা। আজাদ, রুমি সহ লক্ষ শহীদেরা আজ আর নেই, কিন্ত তাদের আত্মত্যাগ আজো জীবন্ত।
স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্ণ হবে আগামী ২০২১ সালে। ১৯ শতকের দিকে জাহানারা ইমাম যেই আন্দোলন শুরু করেছিলেন আজকে সেই আন্দোলন আবার নতুন করে শুরু হয়েছে আমাদের হাত ধরে। এবার শুধু সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া।
ইতিহাস তুমি আমাদের ক্ষমা করে দাও। ক্ষমা করে দাও আমাদের অপরাধ, আমরা আমাদের ভুল বুঝতে পেরেছি। শুধু দোয়া কর আমাদের জন্য, আমরা ভুল শোধরানোর যেই মশাল জ্বেলেছি তা যেন তীব্র থেকে তীব্রতর হয়। তোমাদের অসামপ্ত কাজ আমরা যেন শেষ করতে পারি।
©somewhere in net ltd.