| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |

ভ্যালেনটাইন শব্দটা অনেকে হজম করতে পারেননা। গার্লফ্রেন্ড্রের অভাবে, বিরস বদনে, জেলাস নয়নে
অন্যের দিকে তাকিয়ে থাকেন, হয়তো ১৪ তারিখে সামুতে পুষ্ট দিয়ে বসেনঃ দেশ অপসংস্কৃতিতে ভাইসা গেল রে!
আমার অভিজ্ঞতা থেকে কিছু তথ্য শেয়ার করবার চাই। ইউনিভার্সেল ট্রুথ না হইলেও আশা করি নবীনরা ২০১৫ সালের ভ্যালেনটাইন ভালোই কাটাবেন।
। আসেন টিউটোরিয়ালে বিসমিল্লাহ দেই-
)

১ম পর্যায়ঃ
১. আপনার কৃষ্ণকলী বাছাই করুন। কৃষ্ণকলির বয়ফ্রেন্ড আছে কিনা, অথবা সম্প্রতি ব্রেকআপ হয়েছে কিনা Google মামুর মত চিপা চাপা থেকে খুজে বের করুন। বয়ফ্রেন্ড বর্তমান এমন কৃষ্ণকলীরে জীবনেও কখনোই ট্রাই মাইরেন না।
সম্প্রতি ব্রেকআপ হইছে এমন কারো সাথে লাইন মারতে গেলে লাইফ পুরাই তামাতামা বানায় দিবো। ব্রেকআপের কমপক্ষে ১ বছর পর ট্রাই করুন যদিও ফ্রেস রিকোমেন্ডেড।
২. খুব উচ্চাভিলাসী কাউরে উমপ্রেস করা সহজ, কিন্তু অভিজ্ঞতা বলে এরা আপনারে ব্যাফুক জ্বালান জ্বালাইবো!
... বেটার হয় এভারেজ লেভেলের মেয়েদের নির্বাচন করুন। মনে রাখবেন, সঠিক নির্বাচনের উপর নির্ভর করবে আপনার ভবিষ্যত সুখ!

২য় পর্যায়ঃ
১. আপনি যদি ভেবে থাকেন কামিং ভ্যালেনটাইনে লাল গোলাপ হাতে কৃষ্ণকলির সামনে দাড়ায়া নাইনটি এইটটির স্টাইলেঃ
-আমি তোমাকে ভালোবাসি, আই লাব ইউ.. তোমারে ছাড়া বাচুম না... /
.....!!!
টাইপ ডায়ালগ দেবেন, তাইরে পুরাই মফিজ হবার লাইন যাইতাছেন। এইটা ব্লাক এন্ড হোয়াইট যুগ না, অফার-প্রোপোজ বহু আগেই ব্যাকডেটেড হয়া গেছে। আপগ্রেড লাইনে চইলা আসেন!
২. প্রথমে পরিচিত হোন, মোবাইলে কথা বলুন, ভদ্রতা লেভেল বজায় রাখুন। মোবাইলের প্রথম কনভারসেশনে লোল ফাইতে শুরু কইরেন না আবার।
( প্রথমে ঘন ঘন ফোন দেবার অভ্যাস পরিহার করুন। মাঝে মাঝে ফেন্ড্রশিপ টাইপ এসএমএস দিন।
৩. কোনো মেয়ের সামনে খুব ভদ্র, লুতু লুতু বাবু সাজার চেষ্ঠা করবেন না। মেয়েরা সবসময়ই একটু চালু, একটু বদ, ভদ্র ও ইন্টালিজেন্ট টাইপ ছেলেদের পছন্দ করে (এ বিষয়ে এক্স ফ্যাক্টর নাটকে কোনো একটা ডায়ালগ শুনছিলাম, মনে নাই)
৪. আপনি সুন্দর কিনা তার চেয়ে বেশি ইমপর্টেন্ট হচ্ছে আপনি কতটুকু স্মার্ট। সবসময় পরিস্কার থাকুন। কথাবলুন মার্জিত, শুদ্ধ ও ইন্টেলিজেন্টভাবে। আন্চলিকতা পরিহার করুন।
৫. প্রথম কয়েকমাস আপনার কাজ হবে কৃষ্ণকলীর প্রশংসায় নিজেকে উৎসর্গ করা।
তাই বইলাঃ তুমি খুব সুন্দর, ঐশ্ব্যরিয়া তোমার পায়ের ধূলি... :-* :-*
ধরণের ছাগলটাইপ প্রসংশায় যাইয়েন না। ইন্টালিজেন্টভাবে ইনডাইরেক্ট প্রশংসা করুন।
যেমনঃ ... তোমাকে অনেকেই খুব পছন্দ করে দেখি। একজন বললো, তোমার চোখগুলো খুব মায়াবী। কথাটা আসলে ভুল বলেনি। ![]()
৬. মাঝে মধ্যেই Good morning, Good Night টাইপ ফরমাল ম্যাসেজ পাঠান। ম্যাসেজে কোনোভাবেই যেন লুলামী না থাকে। আপনার প্রথম চেষ্ঠা হবে বিশ্বাস স্থাপন। এটি করতে পারলেই আপনি বহুদূর এগিয়ে গেলেন। ফোনে বেশি কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। বেফাঁস কথা বলে যেকোনো মূহূর্তেই সব আউলায়া দিতে পারেন। এসএমএস কে প্রাধান্য দিন।
৭. মোটামুটি বন্ধুভাবপন্ন একটা রিলেশন চলে আসলে, আপনার ব্যক্তিগত জীবনের কথা শেয়ার করুন, নেগেটিভ কিছু শেয়ার করতে যাইয়েন না আবার।
মাঝে মাঝে কাল্পনীক কিছু সমস্যা বানিয়ে তার কাছে সমাধান নিন। ভাবখান এমন দেখাবেন যে, তার সমাধান আপনার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ, সে অনেক ইন্টালিজেন্ট, আপনি তার কথাকে অনেক গুরুত্ব দেন। এসব শেয়ারের মাধ্যমে রিলেশন অনেক গভীর হবে।
৩য় পর্যায়ঃ
১. রিলেশন যথেষ্ট স্টাবল, বন্ধুত্বপূর্ণ ও আপনার প্রতি ততদিনে ভালো ইমপ্রেশন তৈরী হয়ে গেছে এমন কন্ডিশন আসলে এখই আপনার লোল ফালানের উপযুক্ত সময়।
তবে লোল ফালানের ক্ষেত্রে ইন্টালিজেন্টভাবে ডিজিটাল লোল ফালান!
২. আই লাভ ইউ... টাইপ কথা বাদ দিয়ে ইনডাইরেক্টলী বলুনঃ
- আচ্ছা তোমার বাসায় আমি যদি বিয়ের প্রোপোজাল পাঠাই, এবং তোমার পরিবারের যদি কোনো আপত্তি না থাকে তাহলে তোমার মনোভাব কি হবে?
উত্তর যদিঃ পরিবারের কথা শুনবো, আমার কোনো আপত্তি নাই ধরণের হয়..... তাইলে আপনি পাশ!
মিষ্টি খাওয়ানের ব্যবস্থা করেন! ![]()
যদি হয়ঃ ভেবে দেখতে হবে, তাইলে ৮০% পসেবিলিটি আছে। জেরেসোরে ফিল্ডে নামুন। আপনেরে টার্বো মুডে যাইতে হইবো।
ফাইনাল স্টেপঃ
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আপনি সদ্য গ্রাজুয়েট!
ফেসবুক স্ট্যাটাস পাল্টে ফেলুন।
নেক্সট ভ্যালেনটাইনের অপেক্ষা করুন! গার্লফেন্ডকে রাগাবেন না। বেশী ভালো লাগলে বিয়ে করে ফেলুন! ![]()
ভ্যালেনটাইন শব্দটা অনেকে হজম করতে পারেননা। গার্লফ্রেন্ড্রের অভাবে, বিরস বদনে, জেলাস নয়নে
অন্যের দিকে তাকিয়ে থাকেন, হয়তো ১৪ তারিখে সামুতে পুষ্ট দিয়ে বসেনঃ দেশ অপসংস্কৃতিতে ভাইসা গেল রে!
আমার অভিজ্ঞতা থেকে কিছু তথ্য শেয়ার করবার চাই। ইউনিভার্সেল ট্রুথ না হইলেও আশা করি নবীনরা ২০১২ সালের ভ্যালেনটাইন ভালোই কাটাবেন।
। আসেন টিউটোরিয়ালে বিসমিল্লাহ দেই-
)
১ম পর্যায়ঃ
১. আপনার কৃষ্ণকলী বাছাই করুন। কৃষ্ণকলির বয়ফ্রেন্ড আছে কিনা, অথবা সম্প্রতি ব্রেকআপ হয়েছে কিনা Google মামুর মত চিপা চাপা থেকে খুজে বের করুন। বয়ফ্রেন্ড বর্তমান এমন কৃষ্ণকলীরে জীবনেও কখনোই ট্রাই মাইরেন না।
সম্প্রতি ব্রেকআপ হইছে এমন কারো সাথে লাইন মারতে গেলে লাইফ পুরাই তামাতামা বানায় দিবো। ব্রেকআপের কমপক্ষে ১ বছর পর ট্রাই করুন যদিও ফ্রেস রিকোমেন্ডেড।
২. খুব উচ্চাভিলাসী কাউরে উমপ্রেস করা সহজ, কিন্তু অভিজ্ঞতা বলে এরা আপনারে ব্যাফুক জ্বালান জ্বালাইবো!
... বেটার হয় এভারেজ লেভেলের মেয়েদের নির্বাচন করুন। মনে রাখবেন, সঠিক নির্বাচনের উপর নির্ভর করবে আপনার ভবিষ্যত সুখ!
২য় পর্যায়ঃ
১. আপনি যদি ভেবে থাকেন কামিং ভ্যালেনটাইনে লাল গোলাপ হাতে কৃষ্ণকলির সামনে দাড়ায়া নাইনটি এইটটির স্টাইলেঃ
-আমি তোমাকে ভালোবাসি, আই লাব ইউ.. তোমারে ছাড়া বাচুম না... /
.....!!!
টাইপ ডায়ালগ দেবেন, তাইরে পুরাই মফিজ হবার লাইন যাইতাছেন। এইটা ব্লাক এন্ড হোয়াইট যুগ না, অফার-প্রোপোজ বহু আগেই ব্যাকডেটেড হয়া গেছে। আপগ্রেড লাইনে চইলা আসেন!
২. প্রথমে পরিচিত হোন, মোবাইলে কথা বলুন, ভদ্রতা লেভেল বজায় রাখুন। মোবাইলের প্রথম কনভারসেশনে লোল ফাইতে শুরু কইরেন না আবার।
( প্রথমে ঘন ঘন ফোন দেবার অভ্যাস পরিহার করুন। মাঝে মাঝে ফেন্ড্রশিপ টাইপ এসএমএস দিন।
৩. কোনো মেয়ের সামনে খুব ভদ্র, লুতু লুতু বাবু সাজার চেষ্ঠা করবেন না। মেয়েরা সবসময়ই একটু চালু, একটু বদ, ভদ্র ও ইন্টালিজেন্ট টাইপ ছেলেদের পছন্দ করে (এ বিষয়ে এক্স ফ্যাক্টর নাটকে কোনো একটা ডায়ালগ শুনছিলাম, মনে নাই)
৪. আপনি সুন্দর কিনা তার চেয়ে বেশি ইমপর্টেন্ট হচ্ছে আপনি কতটুকু স্মার্ট। সবসময় পরিস্কার থাকুন। কথাবলুন মার্জিত, শুদ্ধ ও ইন্টেলিজেন্টভাবে। আন্চলিকতা পরিহার করুন।
৫. প্রথম কয়েকমাস আপনার কাজ হবে কৃষ্ণকলীর প্রশংসায় নিজেকে উৎসর্গ করা।
তাই বইলাঃ তুমি খুব সুন্দর, ঐশ্ব্যরিয়া তোমার পায়ের ধূলি... :-* :-*
ধরণের ছাগলটাইপ প্রসংশায় যাইয়েন না। ইন্টালিজেন্টভাবে ইনডাইরেক্ট প্রশংসা করুন।
যেমনঃ ... তোমাকে অনেকেই খুব পছন্দ করে দেখি। একজন বললো, তোমার চোখগুলো খুব মায়াবী। কথাটা আসলে ভুল বলেনি। ![]()
৬. মাঝে মধ্যেই Good morning, Good Night টাইপ ফরমাল ম্যাসেজ পাঠান। ম্যাসেজে কোনোভাবেই যেন লুলামী না থাকে। আপনার প্রথম চেষ্ঠা হবে বিশ্বাস স্থাপন। এটি করতে পারলেই আপনি বহুদূর এগিয়ে গেলেন। ফোনে বেশি কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। বেফাঁস কথা বলে যেকোনো মূহূর্তেই সব আউলায়া দিতে পারেন। এসএমএস কে প্রাধান্য দিন।
৭. মোটামুটি বন্ধুভাবপন্ন একটা রিলেশন চলে আসলে, আপনার ব্যক্তিগত জীবনের কথা শেয়ার করুন, নেগেটিভ কিছু শেয়ার করতে যাইয়েন না আবার।
মাঝে মাঝে কাল্পনীক কিছু সমস্যা বানিয়ে তার কাছে সমাধান নিন। ভাবখান এমন দেখাবেন যে, তার সমাধান আপনার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ, সে অনেক ইন্টালিজেন্ট, আপনি তার কথাকে অনেক গুরুত্ব দেন। এসব শেয়ারের মাধ্যমে রিলেশন অনেক গভীর হবে।
৩য় পর্যায়ঃ
১. রিলেশন যথেষ্ট স্টাবল, বন্ধুত্বপূর্ণ ও আপনার প্রতি ততদিনে ভালো ইমপ্রেশন তৈরী হয়ে গেছে এমন কন্ডিশন আসলে এখই আপনার লোল ফালানের উপযুক্ত সময়।
তবে লোল ফালানের ক্ষেত্রে ইন্টালিজেন্টভাবে ডিজিটাল লোল ফালান!
২. আই লাভ ইউ... টাইপ কথা বাদ দিয়ে ইনডাইরেক্টলী বলুনঃ
- আচ্ছা তোমার বাসায় আমি যদি বিয়ের প্রোপোজাল পাঠাই, এবং তোমার পরিবারের যদি কোনো আপত্তি না থাকে তাহলে তোমার মনোভাব কি হবে?
উত্তর যদিঃ পরিবারের কথা শুনবো, আমার কোনো আপত্তি নাই ধরণের হয়..... তাইলে আপনি পাশ!
মিষ্টি খাওয়ানের ব্যবস্থা করেন! ![]()
যদি হয়ঃ ভেবে দেখতে হবে, তাইলে ৮০% পসেবিলিটি আছে। জেরেসোরে ফিল্ডে নামুন। আপনেরে টার্বো মুডে যাইতে হইবো।
ফাইনাল স্টেপঃ
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আপনি সদ্য গ্রাজুয়েট!
ফেসবুক স্ট্যাটাস পাল্টে ফেলুন।
নেক্সট ভ্যালেনটাইনের অপেক্ষা করুন! গার্লফেন্ডকে রাগাবেন না। বেশী ভালো লাগলে বিয়ে করে ফেলুন! ![]()
২|
২৪ শে নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:৩৫
ডি মুন বলেছেন: গার্লফ্রেন্ড্রের অভাবে, বিরস বদনে, জেলাস নয়নে
অন্যের দিকে তাকিয়ে থাকেন, হয়তো ১৪ তারিখে সামুতে পুষ্ট দিয়ে বসেনঃ দেশ অপসংস্কৃতিতে ভাইসা গেল রে!
হাহহাহহহাহা , খুব মজার পোস্ট
পোস্টটা দুইবার এসেছে। এডিট করে ঠিক করে নেন।
শুভেচ্ছা।
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৩৫
মুক্তকণ্ঠ বলেছেন: আমার বিশ্বাস, আফনে নিজে কখনো কোনো কৃষ্ণকলিতে পটাইতে পারেন নাই