নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মোঃ আসিফ-উদ-দৌলাহ্

সকল পরিবর্তনের সাথে আমি ছিলাম। আবারও এসেছি সেই পরম সত্য নিয়ে। তোমাদের মনের মাঝেই লুকিয়ে আছে সেই মহাকালের শক্তি। আজ তাকে জাগাবার দিন এসেছে।

মোঃ আসিফ-উদ-দৌলাহ

আমি তোমার ভিতরের শক্তি কে জাগতে এসেছি বন্ধু। একবার চোখ মেলে দেখো নতুন এক সূর্য উদয় হয়েছে বাংলার আকাশে। কোনো মৃত্যু, কোনো বাধা, কোনো প্রতিকুলতা এই হৃয়য়ের পরম শক্তি ও সত্য সুন্দরকে বিনষ্ট করতে পারবে না। আমি যুগে যুগে আসি আজও এসেছি শুধু তোমাদের ভিতরের শক্তিকে জাগাতে। আমার এই পথ চলা থামবে না। তোমাদের বাঁচার মাঝে আমি বেঁচে আছি। বেঁচে থাকবো তা যদি কোনো করুন মৃত্যুর মধ্য দিয়েও হয়। আমার বাংলাদেশে নতুন এক গণতন্ত্র এসেছে। যা এই পরিবারতন্ত্রকে ভেঙে সত্যের ভিতরের সত্যকে তুলে এনেছে। আজ আমরা বিশ্বের বড় শক্তিতে রূপান্তরিত হচ্ছি। তোমাদের ভালোবাসাই আমাকে তোমাদের মাঝে বাঁচিয়ে রাখবে।

মোঃ আসিফ-উদ-দৌলাহ › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের সুর সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন (???)

২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১:৫৭

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একমাত্র ব্যাক্তি যার লেখা ও সুর করা গান দু’টি দেশের জাতীয় সংগীতের মর্জাদায় অধিষ্ট হতে সক্ষম হয়েছে। অনেকের মতে রবীন্দ্রনাথ তিনটি দেশের জাতীয় সংগীত রচনাকারী কারণ শ্রীলংকার জাতীয় সংগীত রবীন্দ্রনাথের লেখা তবে সংগীতটি শ্রীলংকান ভাষায় (সিংহলী) অনুদিত বলে ইদানিং প্রচার প্রচারনা চালানো হচ্ছে। শ্রীলংকার জাতীয় সংঙ্গিতটি যে রবীন্দ্রনাথেরই লেখা এ ব্যাপারে আমি পুরোপুরি নিশ্চিত নই।







যাই হোক, প্রসংগে আসি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “আমার সোনার বংলা....” গানটি ১৯০৫ইং সালে বঙ্গভঙ্গের সময় ও বঙ্গভঙ্গ রোধের পরিপ্রেক্ষিতে রচিত হয়েছিল। “আমার সোনার বাংলা...” গানটি তখন থেকেই ব্যাপক প্রচলিত একটি দেশাত্ববোধক গান। বাংঙ্গালীর সকল মুক্তি সংগামে গানটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে এসেছে। ১৯৭১ এ আমাদের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে গানটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে নিয়মিত প্রচার হতো।

আমরা জানি, রবীন্দ্র গানে বিদেশী গানের সুর ও বাংলা বাউল গানের একটি প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। রবীন্দ্রনাথ যখন শিলাইদাহের কুঠিবাড়িতে জমিদারী দেখাশুনার উদ্দেশ্যে থাকতেন তখন তার সাথে স্থানীয় এক বাউল “গগন হরকরার” সাথে পরিচয় হয় এবং রবীন্দ্রনাথের নৌবিহারেও গগন হরকরা একজন সংগী ছিলেন। গগন হরকরা পেশায় ডাকপিয়ন ছিলেন (তখনকার দিনে ডাকপিয়ন কে হরকরা বলা হতো) গগন হরকরার একটি গান-

“আমি কোথায় পাবো তারে,

আমার মোনের মানুষ যেরে।

হারায়ে সেই মানুষে, তার উদ্দেশ্যে,

দেশ বিদেশে বেড়াই ঘুরে।।”

এই গানটির হুবুহু সুরে “আমার সোনার বাংলা...” গানটি গাওয়া হয় । যেহেতু গগন হরকরার গানটি আগে রচিত ও সুররূপ করা সুতারং “আমার সোনার বাংলা....” গানের সুর যে রবীন্দ্রনাথ গগন হরকরার কাছ থেকে নিয়েছেন তাতে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই। গগন হরকরার কাছ থেকে রবীন্দ্রনাথ কোনো মৌখিক কিংবা লিখিত অনুমুতি নিয়েছেন কিনা এমন কোনো প্রমাণ নেই। আর এতো বছর পর এটা প্রমাণ করাও অসম্ভব। কারণ সে প্রজন্মের কিংবা কোনো প্রকার প্রতক্ষদর্শী বর্তমান অবাধি বেঁচে থাকার কথা নয়।

আমরা জানি মেধাস্বত্ব একশ বছরের পর থাকে না সেই সুবাদে রবীন্দ্রনাথের অনেক গান স্বত্বমুক্ত হয়ে গেছে। এখন বিকৃত সুরেও কেউ রবীন্দ্র সংগীত গাইলে তার জন্য কোনো প্রকার জবাদিহীতা আইনের আওতায় পরে না। কিন্তু প্রশ্ন অন্যখানে, গানের জন্য সুর অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। গগন হরকরা বাঙালী ও বাংলাদেশী ছিলেন। গগন হরকরার সুর যেহেতু রবীন্দ্রনাথ নিয়েছিলেন তাই গগন হরকরার নামটি বাংলার ইতিহাসে স্থান পাওয়া উচিৎ তার নামটা সবার জানা আমাদের দ্বায়ীত্ব বলে পরিগনিত হয়। গগন হরকরাকে কি কখনও কোনো মিডিয়া এই ভাবে তুলে ধরেছে? রবীন্দ্রনাথ অনেক বড় মাপের তাতে কারও কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই কিন্তু তাই বলে গগন হরকরা থেকে নেয়া সুরটি কি রবীন্দ্রনাথের নিজের করা বলে চালিয়ে দেয়া কি ঠিক ছিলো কিংবা ঠিক আছে?

আমাদের পরবর্তি প্রজন্ম তো গগন হরকরার নামটি খুঁজেই পাবে না কিন্তু “আমার সোনার বাংলা গানটির প্রথম দশ লাইন জাতীয় সংগীত হিসেবে ঠিকই থেকে যাবে। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের সুর সংক্রান্ত জটিলতা এখন স্পষ্ট করার সময় এসেছে।



বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার প্রকৃত ডিজাইনার নিয়ে কিছু প্রশ্ন (???)



বাংলাদেশের প্রিন্ট মিডিয়াকে কিছু উপদেশ ও সাবধান হতে বলছি।



ফেসবুকে আমি

মন্তব্য ৩৮ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৩৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ২:১০

শামীম আরা সনি বলেছেন: /:)

২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৩২

মোঃ আসিফ-উদ-দৌলাহ বলেছেন: ধন্যবাদ!!!

২| ২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ২:৫৪

পাতিকাক বলেছেন: যদি পারেন ভাই একটু রেফারেন্স গুলো উল্লেখ করবেন। তাতে পাঠকের একটু সুবিধা হয়।।

২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৪১

মোঃ আসিফ-উদ-দৌলাহ বলেছেন: গগন হরকরার নাম এসেছে ঐ সব প্রবন্ধ সমূহে যেখানে রবীন্দ্রনাথের গানে বাউল প্রভাবের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আব্দুল মন্নান সৈয়দের একটি প্রবন্ধের কথা স্পষ্ট ভাবে মনে আছে। তবে সে প্রবন্ধটি আমার কালেকশনে নেই। ১০-১২ বছর আগে কোনো এক ঈদ সংখ্যায় এটি ছাপা হয়েছিলো।

গগন হরকরার স্মৃতি পাওয়া যায় রবীন্দনাথ প্রসংগেই একটি প্রবন্ধে পড়েছিলাম রবীন্দ্রনাথকে গগন হরকরা খুব শ্রদ্ধা করতেন এমনকি ছোট নৌকায় দু'জন একসাথে ঘুরে বেড়িয়েছেন। গগন হরকরা নৌকা বাইতেন কবিগুরুকে তিনি গান শুনাতেন।

গগন হরকরার "আমি কোথায় পাবো তারে.---" ছাড়া তেমন জনপ্রিয় কোনো গান পাওয়া যায় না। আর এই গানটির প্রসার লাভ করে বঙ্গভঙ্গের পরে।

ভারতের প্রখ্যাত বাউল পূর্ণ দাস বাউল (পবন দাস বাউলের বাবা) সহ অনেক শিল্পি গগন হরকরার এই গানটি গেয়ে আমাদের মনে করিয়ে দেবার চেষ্টা করেছেন "সোনার বাংলা" গানের সুর কোথা থেকে এসেছে। একটু খুঁজলেই গানটি পেয়ে যাবেন। আমার হার্ডডিস্ক আজ পার্টিশন দিতে বাধ্য হয়েছি তাই আমার কাছে ঐ গানটির যে কপিগুলো ছিলো তা নেই। ধন্যবাদ!!!

৩| ২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৩:২৭

হিম০৬ বলেছেন: জাতীয় সংগীত চেন্জ করা হউক।

২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৪২

মোঃ আসিফ-উদ-দৌলাহ বলেছেন: কে করবে?

৪| ২৫ শে আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:০৮

শেরজা তপন বলেছেন: যতদুর মনে হয় শ্রী রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই স্বীকার করে গেছেন এই গানটির সুর গগন হরকরার গান থেকে ধার করা। রেফারেন্স দিতে পারবনা-তবে এরকমটাই পড়েছিলাম কোথাও।

২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৪৫

মোঃ আসিফ-উদ-দৌলাহ বলেছেন: আমি এরকম কোনো প্রবন্ধ পাই নি যেখানে এ সম্পর্কে স্বীকারোক্তি আছে। তবে গগন হরকরার সাথে রবীন্দ্রনাথের ঘনিষ্টতার বিষয় অনেক তথ্য পাওয়া যায়।

আমরা আসলে অনেক সময় পেড়িয়ে এসেছি, সুধীন্দ্রনাথ, অমিয় চক্রবতি বেঁচে থাকলেও এই বিষয় স্পষ্ট করা অনেক সহজ ছিলো।
উল্লেখ্য: তারা দুজন রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সহকারী ছিলেন।
ধন্যবাদ!!!

৫| ২৫ শে আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:২০

যুক্তিপ্রাজ্ঞ বলেছেন: আমি বরাবরই জানি এটা গগন হরকরার গানের সুরে সুর করা হয়েছে, সূত্র বলতে পারব না. আমার ধারণা, রবীন্দ্রনাথ এটা কখনও অস্বীকার করন নাই এবং এ বিষয়ে রবীন্দ্র গবেষকরা জানেন.

কেউ একজন এখানে রেফারেন্স দেবেন আশা করি.

২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৪৬

মোঃ আসিফ-উদ-দৌলাহ বলেছেন: সহমত

গগন হরকরার নাম এসেছে ঐ সব প্রবন্ধ সমূহে যেখানে রবীন্দ্রনাথের গানে বাউল প্রভাবের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আব্দুল মন্নান সৈয়দের একটি প্রবন্ধের কথা স্পষ্ট ভাবে মনে আছে। তবে সে প্রবন্ধটি আমার কালেকশনে নেই। ১০-১২ বছর আগে কোনো এক ঈদ সংখ্যায় এটি ছাপা হয়েছিলো।

গগন হরকরার স্মৃতি পাওয়া যায় রবীন্দনাথ প্রসংগেই একটি প্রবন্ধে পড়েছিলাম রবীন্দ্রনাথকে গগন হরকরা খুব শ্রদ্ধা করতেন এমনকি ছোট নৌকায় দু'জন একসাথে ঘুরে বেড়িয়েছেন। গগন হরকরা নৌকা বাইতেন কবিগুরুকে তিনি গান শুনাতেন।

গগন হরকরার "আমি কোথায় পাবো তারে.---" ছাড়া তেমন জনপ্রিয় কোনো গান পাওয়া যায় না। আর এই গানটির প্রসার লাভ করে বঙ্গভঙ্গের পরে।

ভারতের প্রখ্যাত বাউল পূর্ণ দাস বাউল (পবন দাস বাউলের বাবা) সহ অনেক শিল্পি গগন হরকরার এই গানটি গেয়ে আমাদের মনে করিয়ে দেবার চেষ্টা করেছেন "সোনার বাংলা" গানের সুর কোথা থেকে এসেছে। একটু খুঁজলেই গানটি পেয়ে যাবেন। আমার হার্ডডিস্ক আজ পার্টিশন দিতে বাধ্য হয়েছি তাই আমার কাছে ঐ গানটির যে কপিগুলো ছিলো তা নেই। ধন্যবাদ!!!

৬| ২৫ শে আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৪২

উর্ণনাভ বলেছেন: আমার সোনার বাংলা কিন্তু আরো একটা সুরে গাওয়া হয়। আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের দুইটা সুর । আরো সুর থাকতে পারে কিন্তু আমি দুইটা সুরের কথা জানি। একটা সুর রবীন্দ্রনাথ নিজে দিয়েছেন। অন্য সুরটি পরবর্তীতে প্রচলিত হয়। পরবর্তী সুরটাই এখন আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের বর্তমান সুর। সম্ভবত এইটাই গগন হরকরার সুর। কিন্তু রবি ঠাকুর কখনো এ ব্যাপার অস্বীকার করেছেন তা বলা অন্যায়।

২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৪৭

মোঃ আসিফ-উদ-দৌলাহ বলেছেন: আমি একটি সুরই শুনেছি। এর বাইরে কোনো সুর আছে কিনা আমার জানা নেই।

ভিন্ন সুরের গানটি কোনোভাবে শেয়ার করা সম্ভব হলে কৃতার্থ হবো।
ধন্যবাদ!!!

৭| ২৫ শে আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৫৮

শশাংক বিশ্বাস বলেছেন: এই বিষয়ে কোন গবেষণা গ্রন্থ থেকে তথ্য উপাত্ত সংযুক্ত করলে সঠিক সিদ্ধানে উপনীত হওয়া যেত।

২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৪৭

মোঃ আসিফ-উদ-দৌলাহ বলেছেন: গগন হরকরার নাম এসেছে ঐ সব প্রবন্ধ সমূহে যেখানে রবীন্দ্রনাথের গানে বাউল প্রভাবের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আব্দুল মন্নান সৈয়দের একটি প্রবন্ধের কথা স্পষ্ট ভাবে মনে আছে। তবে সে প্রবন্ধটি আমার কালেকশনে নেই। ১০-১২ বছর আগে কোনো এক ঈদ সংখ্যায় এটি ছাপা হয়েছিলো।

গগন হরকরার স্মৃতি পাওয়া যায় রবীন্দনাথ প্রসংগেই একটি প্রবন্ধে পড়েছিলাম রবীন্দ্রনাথকে গগন হরকরা খুব শ্রদ্ধা করতেন এমনকি ছোট নৌকায় দু'জন একসাথে ঘুরে বেড়িয়েছেন। গগন হরকরা নৌকা বাইতেন কবিগুরুকে তিনি গান শুনাতেন।

গগন হরকরার "আমি কোথায় পাবো তারে.---" ছাড়া তেমন জনপ্রিয় কোনো গান পাওয়া যায় না। আর এই গানটির প্রসার লাভ করে বঙ্গভঙ্গের পরে।

ভারতের প্রখ্যাত বাউল পূর্ণ দাস বাউল (পবন দাস বাউলের বাবা) সহ অনেক শিল্পি গগন হরকরার এই গানটি গেয়ে আমাদের মনে করিয়ে দেবার চেষ্টা করেছেন "সোনার বাংলা" গানের সুর কোথা থেকে এসেছে। একটু খুঁজলেই গানটি পেয়ে যাবেন। আমার হার্ডডিস্ক আজ পার্টিশন দিতে বাধ্য হয়েছি তাই আমার কাছে ঐ গানটির যে কপিগুলো ছিলো তা নেই। ধন্যবাদ!!!

৮| ২৫ শে আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:৩৬

লেখাজোকা শামীম বলেছেন: আপনার প্রস্তাব সমর্থন করি। কিন্তু রেফারেন্স ছাড়া এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন অসম্ভব। সুতরাং আপনি এই বিষয়টা তথ্য প্রমাণসহ সামনে নিয়ে আসুন।

২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৪৮

মোঃ আসিফ-উদ-দৌলাহ বলেছেন: শামীম ভাই!!! রবীন্দ্রনাথ মারা গেছেন তাও প্রায় ৭২বছর।

গগন হরকরার নাম এসেছে ঐ সব প্রবন্ধ সমূহে যেখানে রবীন্দ্রনাথের গানে বাউল প্রভাবের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আব্দুল মন্নান সৈয়দের একটি প্রবন্ধের কথা স্পষ্ট ভাবে মনে আছে। তবে সে প্রবন্ধটি আমার কালেকশনে নেই। ১০-১২ বছর আগে কোনো এক ঈদ সংখ্যায় এটি ছাপা হয়েছিলো।

গগন হরকরার স্মৃতি পাওয়া যায় রবীন্দনাথ প্রসংগেই একটি প্রবন্ধে পড়েছিলাম রবীন্দ্রনাথকে গগন হরকরা খুব শ্রদ্ধা করতেন এমনকি ছোট নৌকায় দু'জন একসাথে ঘুরে বেড়িয়েছেন। গগন হরকরা নৌকা বাইতেন কবিগুরুকে তিনি গান শুনাতেন।

গগন হরকরার "আমি কোথায় পাবো তারে.---" ছাড়া তেমন জনপ্রিয় কোনো গান পাওয়া যায় না। আর এই গানটির প্রসার লাভ করে বঙ্গভঙ্গের পরে।

ভারতের প্রখ্যাত বাউল পূর্ণ দাস বাউল (পবন দাস বাউলের বাবা) সহ অনেক শিল্পি গগন হরকরার এই গানটি গেয়ে আমাদের মনে করিয়ে দেবার চেষ্টা করেছেন "সোনার বাংলা" গানের সুর কোথা থেকে এসেছে। একটু খুঁজলেই গানটি পেয়ে যাবেন। আমার হার্ডডিস্ক আজ পার্টিশন দিতে বাধ্য হয়েছি তাই আমার কাছে ঐ গানটির যে কপিগুলো ছিলো তা নেই। ধন্যবাদ!!!

৯| ২৫ শে আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:৫২

আরজু পনি বলেছেন:

গগণ হরকরার নাম আগে শুনেছি...আপনি নিশ্চয়ই কোথাও থেকে এই তথ্যগুলো জেনেছেন...সেটা আমাদের সাথে শেয়ার করলে ভালো হতো...

২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৪৯

মোঃ আসিফ-উদ-দৌলাহ বলেছেন: গগন হরকরার নাম এসেছে ঐ সব প্রবন্ধ সমূহে যেখানে রবীন্দ্রনাথের গানে বাউল প্রভাবের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আব্দুল মন্নান সৈয়দের একটি প্রবন্ধের কথা স্পষ্ট ভাবে মনে আছে। তবে সে প্রবন্ধটি আমার কালেকশনে নেই। ১০-১২ বছর আগে কোনো এক ঈদ সংখ্যায় এটি ছাপা হয়েছিলো।

গগন হরকরার স্মৃতি পাওয়া যায় রবীন্দনাথ প্রসংগেই একটি প্রবন্ধে পড়েছিলাম রবীন্দ্রনাথকে গগন হরকরা খুব শ্রদ্ধা করতেন এমনকি ছোট নৌকায় দু'জন একসাথে ঘুরে বেড়িয়েছেন। গগন হরকরা নৌকা বাইতেন কবিগুরুকে তিনি গান শুনাতেন।

গগন হরকরার "আমি কোথায় পাবো তারে.---" ছাড়া তেমন জনপ্রিয় কোনো গান পাওয়া যায় না। আর এই গানটির প্রসার লাভ করে বঙ্গভঙ্গের পরে।

ভারতের প্রখ্যাত বাউল পূর্ণ দাস বাউল (পবন দাস বাউলের বাবা) সহ অনেক শিল্পি গগন হরকরার এই গানটি গেয়ে আমাদের মনে করিয়ে দেবার চেষ্টা করেছেন "সোনার বাংলা" গানের সুর কোথা থেকে এসেছে। একটু খুঁজলেই গানটি পেয়ে যাবেন। আমার হার্ডডিস্ক আজ পার্টিশন দিতে বাধ্য হয়েছি তাই আমার কাছে ঐ গানটির যে কপিগুলো ছিলো তা নেই। ধন্যবাদ!!!

১০| ২৫ শে আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:১৩

বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন: @যুক্তিপ্রাজ্ঞ, তাহলে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের
গীতিকার ঃ রবিন্দ্রনাথ
সুরকার ঃ গগণ হরকরা
এভাবে প্রচার করা উচিত।

গগণ হরকরা কে স্বীকৃতি দিতে গবেষকদের বা আমাদের কোন দৈনতা থাকা উচিত নয়। সর্বপরি আমাদের জাতীয় সংগীত কেন ধোঁয়াশার মধ্যে থাকবে? এটার সমাধান খুবই জরুরী। বিষয়টা হেয়ালী নয়, এই বিষয়ে আমাদের আরও সোচ্চার হওয়া উচিত। লেখককে ধন্যবাদ।

২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৫১

মোঃ আসিফ-উদ-দৌলাহ বলেছেন: আসলে এরকম করা গেলে অনেক ভালোহতো। এজন্য দরকার আমাদের একতা এবং এটাকে একটা সাংস্কৃতিক ইস্যু করা সম্ভব।

তবে খেয়াল রাখতে হবে কবিগুরু যেনো অসন্মানিত না হন।

ধন্যবাদ!!!

১১| ২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:০৯

সায়েদ রিয়াদ বলেছেন: হিম০৬ @ ছাগুর বাচ্চা জাতীয় সঙ্গীত চেঞ্জ করবে ক্যান এইড়া বইলা যা ।

২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:১২

মোঃ আসিফ-উদ-দৌলাহ বলেছেন: রিয়াদ ভাই। আর একটু ভালো ল্যাংগুয়েজ কি ব্যবহার করা যায় না?

১২| ২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:২০

সায়েদ রিয়াদ বলেছেন: ছাগুদের জন্য ভালো কোন ল্যাঙ্গুয়েজ নাই । ছাগু ইজ ছাগু ।

রাজাকার সহ রাজাকারদের সমর্থক রা সব সময় লাথি উষ্ঠার উপ্রে থাকবে । :|

২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:২৪

মোঃ আসিফ-উদ-দৌলাহ বলেছেন: রিয়াদ ভাই, এখানে ঐ ভদ্রলোক তার ব্যাক্তিগত মতামত প্রকাশ করেছেন। এবং এর অন্তরালে তার কাছে হয়তো কোনো যুক্তিও আছে। তবে রাজাকারের প্রশ্ন আসছে কেনো?

আমার কথায় কিছু মনে নিবেন না। আমি কিন্তু তৃতীয় ব্যাক্তি হিসেবে নাক গলাচ্ছি। ধন্যবাদ!!!

১৩| ২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:৩৪

সবখানে সবাই আছে বলেছেন: ভালো রেফারেন্স না থাকলে কি লাভ এসব বলে? আর রেফারেন্স ছাড়া এর সুরকার হিশাবে গগন হরকরার নাম উল্লেখ করা অসম্ভব। নেপালে জাতীয় সঙ্গীত রবীন্দ্র নাথের লেখা আর সুর করা। তবে মাওবাদীরা ক্ষমতায় এসে সেটা পরিবর্তন করে। আর ভারতের জাতীয় সঙ্গীত "জন গন মন অধিনায়ক" তার লেখা আর সুর করা। শ্রী লঙ্কার ব্যাপারটা আপনার কাছে প্রথম শুনলাম।উইকি তে অন্য ব্যাপার লেখা। যাই হোক রেফারেন্স ছাড়া আপনার হার্ড ডিস্ক এ ছিল এবং সেটা মুছে ফেলা হয়ে গেছে তাই এই ব্যাপারে আরো নির্ভর যোগ্য রেফারেন্স জোগাড় করা উচিত ছিল।

২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:৫০

মোঃ আসিফ-উদ-দৌলাহ বলেছেন: এই ব্যপারটা সাহিত্যপ্রেমী ও মূলধারার সংগীতপ্রেমী ও গবেষকদের কাছে অত্যান্ত পরিচিত একটি ব্যাপার।

হার্ডডিস্কে গানটি ছিলো। যা কোনো বড় রেফারেন্স না। নেটে একটু খুঁজলে যে কেউই পেয়ে যাবে।

শ্রীলংকার ব্যাপারে আমি কয়েকটি প্রচারণা দেখেছি এভাবে যে গানটি রবীন্দ্রনাথের এক শ্রীলংকান ভক্তের অনুরোধে বাংলায় লিখে দিয়েছিলেন পরে ঐ ভক্ত তা সিংহলী ভাষায় অনূবাদ করেন। এখানে আমার যথেষ্ঠ সন্দেহ আছে।

কিন্তু গগন হরকারর সুর থেকে যে রবীন্দ্রনাথ সুরটি নিয়েছিলেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এ নিয়ে কমপক্ষ ১০-১৫প্রবন্ধ আমি পড়েছি। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ বলে কথা।

আপনি হয়তো লক্ষ করে দেখবেন বিশ্বভারতী কিংবা শান্তিনিকেতনে পড়া মানুষরা রবীন্দ্রনাথের বাইরে যেতেই চান না আর প্রতিবাদ তাতো কল্পনাতীত।
ধন্যবাদ!!!

১৪| ২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:১০

উরাধুরা নিউজ বলেছেন: হিম০৬ নামের কুলাঙ্গারটার কমেন্ট রিপোর্টেড

১৫| ২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:১২

সায়েদ রিয়াদ বলেছেন: রাজাকারের মতের প্রতি কি আপনি সম্মান প্রদর্শন করেন ? ুজাসুজি উত্তর দেন লেখক ।

২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:৩০

মোঃ আসিফ-উদ-দৌলাহ বলেছেন: রিয়াদ ভাই!!!

শুধু রাজাকার কেনো, আমাদের মহান স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি ও ৭১এ পাকিস্তানপন্থী যে কোনো কুলাঙ্গারের তিব্র বিরোধী আমি।

ধন্যবাদ!!!

১৬| ২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:২৮

নষ্ট ছেলে বলেছেন: এটাকে চুরি বলা যায় না।যতদুর জানি রবীন্দনাথ নিজেই এটা স্বীকার করে গেছেন। এখানে বিস্তারিত লেখা আছে।

২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:৩২

মোঃ আসিফ-উদ-দৌলাহ বলেছেন: রবীন্দ্রনাথ যে স্বীকার করেছেন তার একটা প্রমাণ আমি পেলে সেটি উল্লেখ করতাম।

আপনার কাছে এমন নিশ্চত কোনো তথ্য থাকলে, উপস্থাপনের জন্য বিনীত ভাবে বলা হলো।

ধন্যবাদ!!!

১৭| ২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:৪০

নষ্ট ছেলে বলেছেন: Click This Link

২৫ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:৫১

মোঃ আসিফ-উদ-দৌলাহ বলেছেন: দেখলাম। এ নিয়ে অনেক প্রবন্ধ আছে।
সরাসরি কোনো গানের সুর রবীন্দ্রনাথ নিয়েছেন তা কিন্তু এই একটাই।

বাউল গানে প্রিয়া তত্ত্ব, ঈশ্বর তত্ত্ব এক হয়ে যায় তা রবীন্দ্রনাথে বেশীরভাগ গানেই দেখা যায়। কিন্তু সুরের প্রভার পড়েছে এমন গানের মধ্যে আরও আছে
"আমার প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে..."

ধন্যবাদ লিংকটি শেয়ার করার জন্য

১৮| ২৬ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:১৫

হিম০৬ বলেছেন: @ সায়েদ রিয়াদ এবং উরাধুরা নিউজ: জাতীয় সংগীত কোন 'হলি বুক' থেকে নেয়া না যে এটা পরিবর্তন করা যাবে না।পৃথিবীর অনেক দেশ এটা পরিবর্তন করেছে এবং অনেকে চাচ্ছেন পরিবর্তন করতে।ছোট বেলায় ভালো লাগতো, মনে দারুন মায়া লাগত দেশের প্রতি।অথচ আমরা কি দেখি?মুখে খালি আউেরেই গেলাম কিন্তু দেশের ক্ষতি যেভাবে পারলাম করলাম।লাভ হল?দেখলাম শুধু 'তোবরানো গাল আর ভেংঘে যাওয়া বুক'।এখন মনে হয় এই প্যানপ্যানানী আমাদের আরো 'কুইড়া', দূর্বল,আকামলা,করে রেখেছে।গানটা ঐ লিরেক্সের জন্যই ভালো,দেশাত্বক বোধের গানের জন্য অনন্য হয়ে থাকবে, কিন্তু দেশ প্রেমের প্রবল ইচ্ছা রক্তে টগবগ করানোর জন্য কোন ভূমিকাই রাখবে না।এক্সিস্টিং জাতীয় গান যেটা আছে তা আমাদের কোন নতুন দিগন্তে পৈাছাতে নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে না, করছে না।আন্তর্জাতিক কোন ঘটনায় আমরা কি সফলতা, দেখাতে পেরেছি এবং তাতে জাতীয় সংগীত কতটা কি ভূমিকা পালন করেছে তা আমাদের ভেবে দেখার সময় এসেছে।এতদিন হল দেশ স্বাধীন হেয়েছে আমরা কতটুকু উন্নতি করতে পেরেছি নিজেদের?আমরা সারা বিশ্বের যে কোন দেশের মানুষের চেয়ে,ভাষা্য, সাহিত্যে,শিক্ষায়,কোন অংশে কম না,ক্ষেত্র বেধে অনেক অনেক উন্নত।বলা হয়ে থাকে 'হয়াট বেংগাল থিন্কস টুডে ওয়ার্লড থিন্কস টুমোড়ো'।তাইলে সব জায়গায় আমরা কেন পিছিয়ে?উল্টো আরো অধপতনের দিকে ধাবিত!!তাই এই প্যাঁ প্যাঁ বাদ দিয়ে আমাদের দেশপ্রেমকে নতুন করে জাগাতে হবে নতুন আধুনিক কোন দেশাত্মকবোধের গানের মাধ্যমে।টেক ইট ইজি, বাট টেক ইট। :D

১৯| ২৬ শে আগস্ট, ২০১২ ভোর ৫:২৮

সবখানে সবাই আছে বলেছেন: হিম ০৬ আপনার জাতীয় সঙ্গীত যে "পাক সার জামিন সাদ বাদ (পাকস আর সো মিন সাচ ব্যাড)" এইটা নিয়ে আমাদের কোন সন্দেহ নাই। দেশাত্মবোধক গান জাতিকে কোন দিগন্তে নিচ্ছে জানিনা, তবে পারলে ইউ টিউব এ গিয়ে কয়েকটা দেশের জাতীয় সঙ্গীত শুনে দেখেন। ব্রিটিশরা যদি রানীর গুনগান গেয়ে, আর নিউজি ল্যান্ড যদি তাদের আদিবাসী মাওরিদের ভাষায় জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে পুরো বিশ্ব দাপায় বেড়াতে পারে, আমার বিশ্বাস আমাদের জাতীয় সঙ্গীত দিয়েও সেটা পারবে। আর যুদ্ধংদেহী জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে কোন দেশ কোথায় বাল ছিড়সে সেটাও বিবেচ্য।

২০| ২৬ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:২৯

সায়েদ রিয়াদ বলেছেন: ওহে হিম ছাগুর বাচ্চা , তোর কাছে যে ফাকিস্তানি জাতীয় সঙ্গীত প্রিয় তা জানি । আর জাতীয় সঙ্গীত হলি বুক থেকে নেওয়া হোক না হোক এই জাতীয় সঙ্গীত যে পবিত্র তা তোর মত রাজাকার ছাগুরা বুঝার কথা না ।

২১| ২৭ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১:০৫

পাতিকাক বলেছেন: কিছু লিঙ্ক পেলাম যেখানে একটু পর্যালোচনা আছে। হইত অনেকেই আগে পরেছেন। টার পরেও দেকতে পারেন
http://arts.bdnews24.com/?p=3955

২৭ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১:৩২

মোঃ আসিফ-উদ-দৌলাহ বলেছেন: আপনাকে প্রাণভরে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি প্রাসাঙ্গিক লিংকটি শেয়ার করার জন্য।

আমি অন্ততপক্ষে ৫টি কাহিনী বলতে পারি যেখানে রবীন্দ্রনাথ দারুন সেচ্চাচারী ছিলেন। এমনকি অত্যাচারও করেছে।

আগামীতে এ নিয়ে পোস্ট করবো।

আবারও ধন্যবাদ!!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.