নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অভিশাপমুক্তির প্রতীক্ষায়

জয় বাংলা

খুব সাধারন একজন

খুব সাধারন একজন › বিস্তারিত পোস্টঃ

শাহবাগে যেসব বিষয় নিয়ে ভিন্নমত প্রকাশিত হয়েছে (শাহবাগে যাচ্ছি এখন আবার)

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:০৫

অপ্রকাশিত সূত্রে প্রকাশ, শাহবাগের বিপ্লবীদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে-



জামাত ও অঙ্গ সঙ্গঠন



বেশিরভাগ মানুষই মতামত দিচ্ছেন, এই জামাত-শিবির-রাজাকার-ইসলামী ব্যাঙ্ক-ইবনে সিনা-নয়া দিগন্ত-সংগ্রাম- সোনার বাংলা- রেটিনা ইত্যাদি তৎক্ষণাৎ বন্ধ করে দিতে হবে।

এই নিয়ে তীব্র বাকবিতন্ডা ও বিভ্রান্তি দেখা দেয় শাহবাগে। অনেকে বলেন, ইসলামের ব্যাঙ্ক মনে করে আগে ইসলামী ব্যাঙ্কে টাকা রেখেছিলাম। সেটা তুলে নিই, তারপর বন্ধ করা যাবে। আরেক দল বলেন, ইবনে সিনা থেকে এখনো টেস্ট রেজাল্ট নেয়া হয়নি। অন্তত চব্বিশ ঘন্টা সময় দিতে হবে। তবে কিছু চরমপন্থী মানুষের মুখে শোনা যায়, সাথে সাথে সেসব প্রতিষ্ঠান পোড়ানোর মাধ্যমে অবলুপ্ত করতে হবে। গোপন সূত্রে প্রকাশ, এই মনোভাব অনেকেই রাখছেন, কিন্তু মুখে বলছেন না।



ফাঁসির দড়ি ও লাশ



কেউ কেউ বলছেন, ফাঁসি একটা মাত্র দড়িতে দিতে হবে, কারো কারো দাবী, দড়ির নিরাপত্তার খাতিরে ভিন্ন ভিন্ন দড়ি ব্যবহার করতে হবে। এছাড়াও লাশের ক্ষেত্রে কেউ কেউ বলছেন, মুসলিম শরীয়ত অনুযায়ী তাদের লাশ দয়া করে দাফন করা যায় বাংলাদেশে। অনেকের মতে, লাশগুলোকে পুড়িয়ে দিতে হবে। কিন্তু বেশিরভাগই এক কথা বলছেন, বাংলাদেশের সীমানা পাড় করে দেয়া হোক- তারপর যে কোন স্থানে দেয়া যাবে। শহীদের শান্তি বিষয়ক কিছু কথাও তাঁরা বলেন।



জয় বাংলা



কেউ কেউ বলছেন, জয় বাংলা দিয়ে শ্লোগান শুরু করতে হবে, কারো কারো মতে জয় বাংলা দিয়ে শেষ করতে হবে। অনেকে আবার আগ বাড়িয়ে বলছেন, শুরু ও শেষ দুটাই জয় বাংলা দিয়ে করতে হবে। এই বিষয়ে ব্যাপক মতপার্থক্য দেখে অনেকেই ব্যাপারটাকে আড়াল করার চেষ্টা করছেন।



এছাড়াও অনেকে জয় বাংলার মুক্তিকে স্বাগত জানান। বলেন, জয় বাংলার জাতীয়করণ হয়েছে দলীয়করণ শেষ করে।





রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ




রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের বিষয়েও বিভক্ত হয়ে পড়েছে শাহবাগ বিপ্লব। কেউ বলছেন, রাজনীতিবিদদের সেখানে বক্তব্য দিতে দেয়া হবে না, আবার কেউ বলছেন, তাঁদেরকে কিছুতেই ঢুকতে দেয়া উচিত নয়।



থুতু ফেলা



অনেকেই কাদের মোল্লাকে নীতিগতভাবে ঝুলিয়ে থুতু দিচ্ছিলেন।

এ নিয়েও দ্বিমত রয়েছে বিপ্লবের কেন্দ্রে। কেউ বলছেন, এই থুতু দেয়া যাবে না, কারণ, শাহবাগ পবিত্রভূমি, এখানে দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছে। এখানে কোথাও থুতু ফেলা যাবে না।





যাচ্ছি। আমার সাথে আপনারা সবাই আছেন। আত্মা পরস্পর যুক্ত।

মন্তব্য ১৭ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:১১

নিয়েল ( হিমু ) বলেছেন: আশা রাখছি এগুলো সিরিয়াস রুপ নিয়ে তর্ক বিতর্ক বা কোন্দলে রূপ নিবে না ।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:১৩

খুব সাধারন একজন বলেছেন: হিমুভাই,
দাবি কিন্তু একটাই। ঘুরিয়ে, ফিরিয়ে। যেমন, ফাঁসি দেয়া হবে কি না হবে এ নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। অনেকেই বলছেন, ফাঁসির দরকার নাই, শাহবাগে মুক্তি দে ;)

২| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:১৪

খুব সাধারন একজন বলেছেন: ৩০০ জন ব্লগার ও ৯০২ জন ভিজিটর

রাত সোয়া একটায়?!?

খা-ইসে!

৩| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:২৫

সুখোই-৩৫ বলেছেন: জামাত ও অঙ্গ সঙ্গঠন

ভুলেও কোন উগ্ররুপ ধারণ করবেন না। আমারদেশ পত্রিকা অফিসে তান্ডব চালানোর কথা ভুলেও ভাববেন না। কারণ মাহমুদুর রহমান একজন রাজনীতিবিদ। উনি উষ্কাতে চাচ্ছেন আমাদের। এখন আমরা ওদের অফিস আক্রমণ করলেই তিনি রাজনীতিবিদ থেকে সাংবাদিক পরিচয় নিয়ে আন্তর্জাতিক মাধ্যমে প্রকাশ করবেন সাংবাদিকের উপর হামলা বলে। কোন ভাংচুর তান্ডবে গেলেই এরা সুযোগ পেয়ে যাবে আন্তর্জাতিক মাধ্যমে প্রপাগান্ডা ছড়ানোর। ওদের উষ্কানীর ফাদে পা দেয়া যাবে না।

ফাঁসির দড়ি ও লাশ

বাংলাদেশের মাটিতে ওদের কবর হবে না। বাংলাদেশের বাতাসে ওদের পোড়ানো হবে না। বাংলাদেশের সমুদ্রে ওদের ফেলা হবে না। ওদের ফাসি হবার পর বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার বাইরে যে আন্তর্জাতিক সমুদ্র আছে (ওখানে কোন রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব নাই) সেখানে ওদের লাশ ফেলে আসা হবে। কোন রাষ্ট্রও ওদের লাশ গ্রহন করবে না। সেহেতু আমেরিকা যেমন লাদেনের লাশ আন্তর্জাতিক সমুদ্রে ফেলেছিল, আমরাও ওদের লাশ আন্তর্জাতিক সমুদ্রে ফেলে দিব। ওরা মুসলমান না, ওরা মোনাফেক। কিছু আলেম ওদের মোনাফেক ঘোষনা দিলেই সমস্যা সমাধান হয়ে যায়। জানাজার দরকার হবে না তখন।

জয় বাংলা

জয় বাংলা শুরু-শেষ দু জায়গাতেই ব্যাবহার করা যায়, আবার শুধু শেষেও ব্যাবহার করা যায়। তবে শুরুতে ব্যাবহার করে শেষে ব্যাবহার না করাটা ঠিক হবে না। নিয়ম হোক, শুরুতে জয় বাংলা বলা হোক বা না হোক, শেষে অবশ্যই জয় বাংলা বলতে হবে।

রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ

নেতাদের ঢুকতে দেয়া যাবে কিন্তু তাদের তথাকথিত বক্তৃতা না দেওয়াটাই ভাল। তারা জোর করে বক্তৃতা দিতে চেষ্টা করবে। সে ক্ষেত্রে তাদের বক্তৃতা দেবার সময় জোরে জোরে সবাই বিভিন্ন শ্লোগান দেওয়ার মাধ্যমে তাদের বক্তৃতা দেবার কন্ঠকে স্তিমিত করে দিতে হবে।


থুতু ফেলা

এক্ষেত্রে আমরা যেন মৌলবাদি না হয়ে যাই সেতা দেখতে হবে। থুতু দেবার অনুমতি দেওয়া উচিত। কারণ অতি পবিত্র বলে অতিসম্মানের ফলে মৌলবাদিতার রুপ ধারণ হতে পারে। আমাদের যথাসম্ভব মুক্তমন ও মুক্তমানসিকতা নিয়ে চলতে হবে। পরে দেখা যাবে কেউ গলায় কফ আটকে গেলেও থুতু ফেলতে পারছেন না জনগণের মার খাবার ভয়ে। বিভিন্ন অনাকাংখিত পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে। সেহেতু এক্ষেত্রে ছাড় দেয়া দরকার ভবিষ্যতের বিভিন্ন সমস্যার কথা ভেবে।

আপনি পারলে সেখানকার নেতৃবৃন্দের ও জনগণের কাছে আমার কথাগুলো পৌছে দিয়েন, দয়া করে। ছোট বা অগুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ হলেও তারা যদি কিছুটা হলেও সাহায্য পায় সেটাই বড় পাওয়া।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৩২

খুব সাধারন একজন বলেছেন: অস্বাধারণ বিশ্লেষণ করেছেন ভাই।
ধন্যবাদ।


হ্যা, আপনার সাথে একমত। পুরোপুরিই একমত। শুধু থুতু ফেলা- আমার একটু কষ্টই হয়।

৪| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৪১

বিদ্রোহী সৈনিক বলেছেন: =p~ =p~ =p~ মুই তো ডরাই গেছিলাম...।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:২৬

খুব সাধারন একজন বলেছেন: কী আর কই? দাদা,

ঘটনা হলগে,


এখন ঝামাত তাড়াতে নতুন করে কোন অ্যাফোর্ট দিতে হবে না।
এমনকি কোন বাড়তি গুতাও দিতে হবে না।

জেনে রাখেন,
যা হবার সময় মত হয়ে যাবে।

৫| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৯

নিয়েল ( হিমু ) বলেছেন: ফাঁসির দরকার নাই শাহবাগে মুক্তি দে ;) ;)
আমি আসতেছি ;)

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:২৭

খুব সাধারন একজন বলেছেন: ভাইডি,
একলাই খাইবা? আমারে দিবা না?

৬| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:১১

ক্যাতক্যাতা বলেছেন: পোস্টে রম্যরস ভালোই হৈছে। মাথার আবেগ স্থির হৈতে একটু সময় লাগবো। ট্রাজেডি নাটকে কিন্তু কমিক রিলিফ খাকেই। কমবোদ্ধারা কমিক রিলিফকেই মূল নাটক মনে করে মাটিতে গড়াগড়ি খায়।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:২৯

খুব সাধারন একজন বলেছেন: রিলিফ ছাড়াতো ভাই পরপর চারদিন একজন মানুষের যেতে পারে না। অসম্ভব। শাহবাগেও তো কিছুক্ষণ আগুন জ্বলে, সেখানেই আবার রস (নিধন রস) চলে।

বোদ্ধাগিরি বাদ দিয়েছি,
যোদ্ধাগিরি শিখতে গেছি।

(বিপ্লবী চিল্লান দিলাম আরকী!)

৭| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:০৭

শিপু ভাই বলেছেন: জয় বাংলার জাতীয়করণ হয়েছে দলীয়করণ শেষ করে।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:০৯

খুব সাধারন একজন বলেছেন: শিপু ভাই, কখনো আওয়ামীলীগ বা কোন রাজনৈতিক দলই সমর্থন করতে পারিনি। একাত্তরের গর্জন ছিল জয় বাংলা। কিন্তু মুখ ফুটে বলতে পারিনি। রাজনৈতিক তকমা লেগে ছিল সাথে। জয় বঙ্গবন্ধুতেও কোন আপত্তি নেই।

আজকে এটা জাতীয় ধ্বণিতে পরিণত হয়েছে, গণধ্বণিতে পরিণত হয়েছে,

আসেন, একটু গলা ফাটাই-

জ-য় বাংলা! জয় জয় জয় বাংলা!
জ-য় বাংলা! জয় জয় জয় বাংলা!

৮| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:১২

ইন্তাজ ভাই বলেছেন: শিপু ভাই বলেছেন: জয় বাংলার জাতীয়করণ হয়েছে দলীয়করণ শেষ করে।

শিপু ভাইয়ের সাথে একমত

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:১১

খুব সাধারন একজন বলেছেন: আজকে জাতি এক হচ্ছে। একত্র হচ্ছে।
আল্লাহ সেই পর্যন্ত কোন জাতির ভাগ্য পরিবর্তন করেন না যেপর্যন্ত তারা নিজেরা না করে।

অগুণতি ধন্যবাদ!

৯| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:২৫

দায়িত্ববান নাগরিক বলেছেন: সাবাশ বাঙ্গালী। জয় বাংলা !

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:১৩

খুব সাধারন একজন বলেছেন: সাব্বাশ বাঙালি!

জ-য় বাংলা!

জয় বাংলা বলতে মন আমার এখনো কেন ভাবরে মন!
হারানো বাংলাকে আবার তো ফিরে পাবো।
শৌর্যে বীর্যে কোথায় আছে হায়রে এমন সোনার খনি!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.