| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আতাউররহমান১২০০৭
আমাদের জীবনটা খুব ছোট। জীবনটা সুখের ,দুঃখের মিশ্র অনুভূতি দিয়ে ভরপুর। জীবনের সুখের সময়কাল স্বল্প কিন্তু সুখের অনুভূতিটা সুদীর্ঘ। তাই আসুন জীবনটাকে উপভোগ করি।
আমরা বাঙ্গালিরা ভালো কোন কিছু সহ্য করতে পারিনা। এই যে বেয়াদব,ভন্ড দেওয়ানবাগি মহানবী কে উলংগ অবস্থায় দেখছে দাবি করে তার বিরুদ্ধে তো আমরা কিছু বলি না,লিখিও না, কেন? আট রশি পীর রশি দিয়ে টেনে আল্লাহ কে নামায় ( নাউজুবিল্লাহ), তাকে কেউ কিছু বলি না, রাজারবাগী,মাইজভান্ডারী, কুতুব্বাগী এরা সবাই কি ফেরেশতা ? এই ভন্ড দের নিয়ে আমাদের কোন মাথা ব্যাথা নাই। সব দোষ শুধু তাবলিগ ওয়ালাদের? সাধারণত যারা তাবলীগের কাজের বিরোধিতাকারী তারা কয়েক ধরনের।
১।নিছক জেদের বশবর্তি হয়ে
২। কোন মুবাল্লিগ ভাইয়ের সাথে ব্যক্তিগত কোন বিরোধের কারনে।
৩।নিছক শোনা কথার ভিত্তিতে।
এখন আমি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান দিয়ে কিছু কথা লেখতে চাই।
১ম সমালোচনা, তাবলিগের প্রচলিত পদ্ধতি ঃ
অনেকে বলেন সাহাবী না রাসুলের যুগে এই ভাবে তাবলীগ বা দাওয়াত দেয়ার কোন সুরত ছিল না।প্রথম কথা যুগে যুগে হাজারো লাখো বুযুর্গানে দ্বীন হিজরত করে দেশান্তরী হয়েছেন দ্বীনের প্রচারের জন্য, যেমন ঃ শাহজালাল (রহঃ), শাহপরান (রহঃ) , শাহ মখদুম , জুনায়েদ বাগদাদী (রহঃ ) । তর্কের খাতিরে মানলাম রাসূলের যুগে এই পদ্ধতি ছিল না, তাই বলে এ কথা তো স্বীকৃত যে শরিয়তের কোন নির্দেশ পালনের জায়েজ মাধ্যমগুলো ও নির্দেশের অন্তুর্ভুক্ত। যেমন ধরুন ঃ বর্তমান মাদ্রাসা শিক্ষা পদ্ধতি, ইসলামী বই পুস্তক রচনা, খানকার মেহনত এসবের প্রচলন নিঃসন্দেহে অত্যন্ত অত্যাবশ্যকীয় ও শরিয়ত সম্মত। কিন্তু বলুন তো নবিজীর যুগে এই কার্যক্রম গুলো ঠিক এভাবে বিদ্যমান ছিল কিনা? কিংবা রাসুলের যুগে তোপকামানের যুদ্ধ ছিল না বলে এগুলোকে বিদআত বলে কাফের দের রাসায়নিক অস্ত্র আর জঙ্গি বিমান এর সামনে শুধু তলোয়ার নিয়ে দাড়িয়ে যাওয়ার মত বোকামি কেউ করবে?
অনেকে বলেন রাসুল জিহাদ করেছেন , দাওয়াত দিয়ে দিয়ে ঘুরে বেড়ান নি। আসুন আমরা রাসূলের কিছু হাদীস পড়ি, মহানবী (সাঃ ) ব্বলেছেন ঃ প্রকৃত মুজাহিদ সে যে নফসের সাথে জিহাদ করে (মিশকাত)। একবার নবীজি এক জিহাদ থেকে ফিরে এরশাদ করলেন '' আমরা ছোট জিহাদ থেকে বড় জিহাদের দিকে প্রতাবর্তন করলাম'' ।বস্তুত রাসুলের সাহাবিরা মানুষ মারামারি, কাটাকাটি, সাম্রাজ্য বাড়ানোর জন্য জিহাদে যান নাই।
বোখারি শরিফে বর্নিত আছে '' আল্লাহর রাসুল (সাঃ) যখন আলী (রাঃ ) কে ঝান্ডা হাতে দিয়ে খায়বার বিজয়ের জন্য প্রেরন করলেন তখন আলী (রাঃ) জিজ্ঞাসা করলেন, হুজুর যেয়েই কি তাদের সাথে যুদ্ধ শুরু করে দিব যাতে তারা মুসলিম হয়? রাসূল বললেন কস্মিন কালেও না, বরং সেখানে গিয়ে অত্যন্ত শান্তভাবে তাদের ইমানের দাওয়াত দিবে, তারপর একজন ওমুসলিম হয় তাহলে তা তোমার জন্য গনিমতের অনেকগুলো লাল্ বর্নের উট পাওয়া অপেক্ষা উত্তম। তাতে তারা রাজি না হলে তাদের '''কর '' আদায়ে উদ্ধবুদ্ধ করবে, তাতেও রাজি না হলে তাদের সাথে যুদ্ধ কর''।এই হাদিস দ্বারাই সাহাবিদের আল্লাহর রাস্তায় জিহাদে যাওয়ার উদ্দেশ্য পরিষ্কার।
আরেকটি সমালোচনা ঃ কেন মুসলমানদের কাছে শুধু তাবলীগ ওয়ালারা যায়? সাহাবিদের যুগে তো তা হত না। এখনকার মুস্লিম দের যে ইমানী হালত তা তো বাধ্য করে তাদের কাছে দাওয়াত নিয়ে যেতে। রাসূলের যুগেও মুসলমানদের কাছে সাহাবিদেরে জামাত দাওয়াত নিয়ে যেত। রাশুল সা; আসিফ বিন উমর (রাঃ) কে মুসলিম গোত্র আমল ও কারাহ এর কাছে ছয় জনের এক জামাত সহকারে প্রেরন করেছিলেন। রাসুল (সাঃ ) হযরত আবু মুসা আশআরি (রাঃ) ও হযরত মুয়াজ (রাঃ ) কে দ্বীন শিক্ষা দেওয়ার জন্য ইয়ামান প্রদেশে প্রেরন করেছিলেন । রাসূল আম্মার এবনে ইয়াসির (রাঃ ) কেও কায়েস গোত্রের কাছে প্রেরন করেছিলেন ।
চিল্লার উদ্ভব ঃ চিল্লা বা চল্লিশ দিনের গুরুত্ব মানুষ সৃষ্টিতে ও রয়েছে। মায়ের পেটে একটা বাচ্চা ৪০ দিন পরপর অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। রাসুল (সাঃ ) বলেছেন ঃ যে ব্যক্তি চল্লিশ দিন যাবত ইমামের পিছনে তাকবিরে উলার সাথে নামাজ আদায় করবে তার জন্য ২ টা পরোয়ানা ,১। মুনাফিকের দরবার থেকে তার নাম কেটে দেয়া হবে। ২। জাহান্নামের দরবার থেকে তার নাম কেটে দেয়া হয়। পবিত্র কোরআন এ চিল্লার কথা বহুবার এসেছে। আল্লাহর এরশাদ '' আর আমি মুসাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি ত্রিশ রাতের। আর তাকে পূর্ন করেছি আর ও দশ দ্বারা '' ।বস্তুত এভাবে চল্লিশ রাতের মেয়াদ পুর্ণ হয়ে গিয়েছে। জামে সগীর গ্রন্থে রাসুল (সাঃ ) এরশাদ বর্নিত আছে,'' যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য চল্লিশ দিন যাবত ইখলাসের সাথে আমল করে আল্লাহ পাক তার অন্তর থেকে হেকমতের ''ঝর্না'' উথলিয়ে তার মুখ থেকে নিঃসৃত করবেন। '' সুফিয়ায় কেরাম দের কাছে বিভিন্ন চিল্লার একটা গুরুত্ব আছে, যেমন ঃ এতেকাফের চিল্লা। তাই চল্লিশ দিনের জন্য আল্লার রাস্তায় বের হওয়ার পদ্ধতি তাবলীগ ওয়ালাদের বানানো কোন তরিকা নয়।
শুধু ফাজায়েলের কিতাব কেন পড়া হয়? এর উত্তর হল ফাজায়েল এর কিতাব পড়ে দ্বীনের পিপাসা বাড়ানো ও আল্লাহর কথা ও রাসুলের বানী থেকে '' আছর '' গ্রহন করা। মানুষ যখন দ্বীনের পিপাসু হবে তখন তাদের বলা হয় নিজ কূপের পানি পান কর । অর্থাৎ নিজ নিজ মাজহাব এর আলেম দের কাছ থেকে এলেম হাসিল করতে'' । আর ব্যক্তিগত ভাবে ধর্মীয় বই , হাদিস গ্রন্থ পড়তে কোন মানা নাই।
২|
১২ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:১৯
আতাউররহমান১২০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ, কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক, কারও যদি এই লেখা পড়ে বিন্দুমাত্র চিন্তাভাবনা পরিষ্কার হয় তা হলেই এই লেখা সার্থক ।
৩|
১২ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:৩৮
েশখসাদী বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন । আরেকটু গুছিয়ে লিখলে ভালো হতে ।
মুসলমানদের এই বিষয়টা সত্যি খারাপ লাগে- না বুঝে একজন আরেকজনের পিছনে লাগে । আজকে এই কাজ সারা দুনিয়াতে ছড়িয়ে পড়েছে - এমনকি আরব জাহানেও । আর কত আলেম ওলামা এর সাথে জড়িত । তারপরও কিছূ মানুষের এটা বুঝে আসছেনা ।
এই কাজের গুরুত্ব যে কতটুকু আজ বাংলাদেশে তথা সারা বিশ্বের মুসলমানদের দিকে তাকালে বুঝা যায় । আল্লাহ সবাইকে বুঝ দান করুন ।
৪|
১২ ই জানুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৫:৪৩
ফারহুম বলেছেন: ভালো বলেছেন। ধন্যবাদ সহ +
৫|
১২ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৭:২১
শার্ক বলেছেন: I think u tableague jamaat people are cheating us. for example u start with one sahi hadith which u want to prove your eligibility but after that u quote many weak and jal hadith without any reference.
tableague is very important all we know but tableague jamaat is another grouo like rajarbagi, jamaat islam.
the main thing is u are not following sunnah but full of shirik off Fazael Amal.
৬|
১২ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৭:২৬
ক্রাইম রিপোর্টার রাসেল বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন আমার প্রশ্নের উত্তর টা দেন আপনার দ্বীনি ভাইরা কেউ আমার প্রশ্নের উত্তর দিতে পরছেন না আপনি পারেন কি না দেখেন।
৭|
১২ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৭:৫৬
আতাউররহমান১২০০৭ বলেছেন: Dekhun Rasel vai, Jei jamanate jei dhormio kajer tagaja or importance ashe ta na manle tar iman e durbolota ache. Example: sahabi der juge jihad e keu sharik na hole oi lok ke munafiq vaba hoto. Temni apnar alakay ekta madrasa hobe ,sei jonno ekjon rich muslim finance korlo na. Etao kintu tar imani weekness.temni ei juge je tabliger mehnat ta iman increase korar mehnat. Keu jodi sob bujeo na jete cay,tahole tar iman e weekness ache.
৮|
১২ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:১১
আতাউররহমান১২০০৭ বলেছেন: শার্ক, আপনাকে বলছি আপনি কি হাদিস বিশারদ বা মুহাদদিস নাকি? কথায় কথায় জাল হাদিস খুঁজে বেড়ান? তাহলে বলেন দেখি রাবী কাদেরকে বলে ?সনদ ,মতন কি ? আপনি কি বোখারী আর মুসলিম শরীফেরহাদিস ছাড়া আর কোন হাদিসের কিতাব সহীহ পান না ? হাদিস জাল না সহীহ এই মত বুঝে শুনে দিবেন , কারণ আপনি মুহাদদিস নন ।
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:১৫
কপোতাক্ষের তীরে এক অসামাজিক বলেছেন: ভালো