নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জীবনটা সুন্দর,আসুন জীবনটাকে উপভোগ করি ।

আতাউররহমান১২০০৭

আমাদের জীবনটা খুব ছোট। জীবনটা সুখের ,দুঃখের মিশ্র অনুভূতি দিয়ে ভরপুর। জীবনের সুখের সময়কাল স্বল্প কিন্তু সুখের অনুভূতিটা সুদীর্ঘ। তাই আসুন জীবনটাকে উপভোগ করি।

আতাউররহমান১২০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

সরকারি রাস্তা বড়ই দরকারী !

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৩০

ঢাকা শহরে সরকারী রাস্তা অবৈধ দখল করা যেনো খুব মজার একটা কাজ। কত উপায় আর ফন্দি ফিকির ব্যবহার করে যে রাস্তা দখল হয় তার ইয়ত্তা নেই । কখনো কখনো নাকি সরকার ই দয়াপরবশ হয়ে দখলদারদের রাস্তা ও তার পাশের জমি লিজ দেন। এমন ই একটা রাস্তা সংকুচিত করে ফেলা হয়েছে ঢাকার মিরপুর -১৪ এলাকায়। ফখরুদ্দিন আহমেদ এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৮ সালে মিরপুর -১৪ মোড় থেকে ভাষান্ টেক মোড় পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা এর ব্যাপক উচ্ছেদ করা হয়। সরকারী ভাবে ১২০ ফুট চওড়া রাস্তার করার পরিকল্পনা অনেক আগে থেকেই ছিল। তত্ত্বাবধায়ক এর আমলে এই রাস্তা নির্মাণ ব্যাপক গতি পায়। তখন মিরপুর -১৪ মোড়ে রাস্তার মাঝে থাকা কাঁচাবাজারটিও উচ্ছেদ করা হয়। কিন্তু ওই জায়গাটিকে পরবর্তিতে মাটি দিয়ে ভরাট করে গোল চক্কর এর আকৃতিতে আনা হয়। যাই হোক এই ১২০ ফুট রাস্তার ৬০ ফুট পর্যন্ত ফখ্ রুদ্দিন এর আমলে সমাপ্ত করা হয়। তার পরের ৪ বছরে কাজ আর এক হাত ও এগোয়নি । কাঁচা বাজারটির অংশটুকু রাস্তার অংশ করার দাবি ছিল সাধারণ জনগনের পক্ষ থেকে। কিন্তু তা না করে এই বিশাল পরিমাণ জায়গা বাংলাদেশ নৌবাহিনী কে দিয়ে দেয়া হয়। এতে রাস্তা সংকুচিত ও বদ্ধ হয়ে গিয়েছে। নৌবাহিনী এর বিশাল একটি কোয়ার্টার ঠিক মিরপুর-১৪ মোড়ের উল্টো দিকে অবস্থিত। তারা সেখানে ইচ্ছা করলেই পার্ক ও রেস্টুরেন্ট বানাতে পারত। তা না করে তারা দখল নিল এই গোল চক্কর এর জায়গাটির। এটা কি পাগলামি না বোকামি ?মোড়ের এক পাশে ১৪ টু কাকলি বাসগুলোর অঘোষিত স্ট্যান্ড, আরেক পাশে অটো রিকশার সারি। মানুষ চলবে কোন রাস্তায় ?

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৪৮

কায়সার ভূইয়ঁা বলেছেন:

২| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৭:২০

আতাউররহমান১২০০৭ বলেছেন: kawsar vai ki likhchen bujlam na. Blank je.

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.