| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আতাউররহমান১২০০৭
আমাদের জীবনটা খুব ছোট। জীবনটা সুখের ,দুঃখের মিশ্র অনুভূতি দিয়ে ভরপুর। জীবনের সুখের সময়কাল স্বল্প কিন্তু সুখের অনুভূতিটা সুদীর্ঘ। তাই আসুন জীবনটাকে উপভোগ করি।
আমাদের তরুণ সমাজের প্রতি সমাজের প্রবীন অংশের একটি সাধারণ অভিযোগ ,আমরা দেশ, দেশের মানুষ নিয়ে ভাবি না। শুধু ইন্টারনেট, ফেসবুক ,প্রেম ভালোবাসা, এগুলো নিয়ে ব্যস্ত। প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে সমাজকে খোলনলচা বদলানোর কোন চেষ্টাই নাকি আমাদের মধ্যে নাই। শুধু অহেতুক প্রযুক্তি ব্যবহারে আমরা ব্যস্ত। কিন্তু এবার সে সমালোচনার জবাব দেবার মোক্ষম পরিস্থিতি এসেছে। শাহবাগের যে আন্দোলন চলছে তা শুরু করেছে আমাদের তরুণ ব্লগাররা। সমাজের তরুণ শ্রেণী নব্বই এর দশকের পর থেকে নির্দলীয় প্ল্যাটফর্ম থেকে সামাজিক কোন আন্দোলনে জড়িত ছিল না, জড়িয়ে যাবার সুযোগ ছিল না। সমাজের পুঞ্জিভুত অন্যায়, অসততা, ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটেছে শাহবাগের '' প্রজন্ম চত্বরে '' চলমান আন্দোলনে। অনেকে বলেন হঠাৎ করেই তরুণ রা জেগে উঠেছেন । আমি তাদের সাথে একমত নই। এই আন্দোলনটা অনেকটা রাসায়নিক বিক্রিয়ার মত। বিক্রিয়ায় সব বিক্রিয়ক, প্রস্তুত , শুধু অনুঘটক এর অভাব।সেই অনুঘটক এর কাজ করেছে '' কাদের মোল্লার'' ফাঁসি না দেওয়া। তরুণ সমাজ দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের ইতিহাস সম্পর্কে পড়ে, বিশ্লেষণ করে আসছে। তারা এই ব্যাপারটায় সম্যক অবগত। তাই আন্দোলন বেগবান হয়েছে। অনেকে বলেন এটা বিপ্লব। আমি তাদের সাথে পুরাপুরি একমত নই। বিপ্লব করতে হলে হাজারো প্রতিকুলতা, বাধা ডিঙ্গিয়ে যেতে হয়। এখানে তো খোদ সরকার ই এই আন্দোলনের পক্ষে! জামাতের বিশৃখলা ,নাশকতার ভয়ে ফাঁসি দিতে পারছেনা ।রাজনৈতিক ফায়দা লুটাতে ছাত্রদের বিক্ষোভ এ সমর্থন তো দিবেই দুক্ষজনক খবর হল গতকালের সমাবেশে রাজনৈতিক নেতারা বক্তব্য দেবার কথা না থাকলেও ছাত্রলীগের সভাপতি বক্তব্য দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ আন্দোলনের ফসল নিজের ঘরে তুলতে চায়। আরো দুঃখ জনক হল এই আন্দোলন চলছে বাম্পন্থীদের তত্ত্বাবধানে। যার ভালো দাবি দিয়ে আন্দোলন শুরু করলেও এখন চায় দেশে ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধ হোক । আওয়ামী লিগের চিন্তাভাবনা। এক জামায়াত বিতর্কিত, দেশবিরোধী দল বলে সব ইসলামী দল কি এক ই রকম? সবাইকে এক পাল্লায় ফেলে দেওয়া কি ঠিক? আজ নাস্তিক, ধর্ম নিয়ে সন্দেহবাদীরা দেশ চালাচ্ছে শ্বাধীনতার পর থেকেই। সমাজ থেকে দূর্নীতি,ঘুষ, লুটপাট, ধর্ষন কি কমেছে না বেড়েছে? যে স্রষ্টাকে গভীরভাবে অনুভব করে সে যে জগতের সন্ধান পায় একজন নাস্তিক তা কখনোই হৃদয়ে অনুভব করবে না।আমি একটি প্রশ্ন রাখতে চাই সবার কাছে যদি একজন নাস্তিক রাজনীতি করতে পারে , তাহলে একজন আস্তিক ,ইসলামের অনুসারী কেন তা করতে পারবে না? অনেকে বলেন '' মোল্লারা'' ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করেন ! আমি বলব নাস্তিকরা ধর্ম ব্যবসায়ী। কিভাবে ? দেখুন একজন আলেম ইসলাম নিয়ে একটি সুন্দর বই লিখে লাখ টাকা কামাতে পারেন , কিন্তু একজন নাস্তিক ইসলামের বিরুদ্ধে লিখে কোটি কোটি টাকা কামান। যেমন ঃ আশ্রাফ আলী থানভির '' বেহেশ্তি জেওর'' বইটি উপমহাদেশে ব্যপক বিক্রিত ও পঠিত। কিন্তু নাস্তিক সালমান রুশদীর ''স্যাটানিক ভার্সেস'' বঈটি সার বিশ্বব্যাপী বিক্রিত ও আলোচিত , সমালোচিত। ধর্ম নিয়ে ব্যবসা তাহলে কে করল?
২|
২৮ শে মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৩:০৯
আতাউররহমান১২০০৭ বলেছেন: একটা অরাজনৈতিক ভাবে গড়ে উঠা আন্দোলনকে রাজনীতিকরণ করা হয়েছে। ইমরান এইচ সরকার রংপুর মেডিকেল কলেজে পড়াকালীন ২০০২-২০০৭ সালে কলেজের ছাত্রলীগের শাখার বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। এরপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী সমর্থিত '' শ্বাচিপে '' যোগদান করেন । আর গণজাগরণ মঞ্চে ছাত্রলীগের বর্তমান কেন্দ্রীয় সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগের উপস্থিতি ছিল সার্বক্ষনিক । এটা এই আন্দোলনের অরাজনৈতিক ভাবমূর্তিকে নষ্ট করেছে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩১
আতাউররহমান১২০০৭ বলেছেন: blogger imran ke orajnoitik mone hocche na. Se naki hard core awami ponthi.