নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জীবনটা সুন্দর,আসুন জীবনটাকে উপভোগ করি ।

আতাউররহমান১২০০৭

আমাদের জীবনটা খুব ছোট। জীবনটা সুখের ,দুঃখের মিশ্র অনুভূতি দিয়ে ভরপুর। জীবনের সুখের সময়কাল স্বল্প কিন্তু সুখের অনুভূতিটা সুদীর্ঘ। তাই আসুন জীবনটাকে উপভোগ করি।

আতাউররহমান১২০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

জামায়াত-শিবির ধরার নামে এসব কি হচ্ছে?

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৪৬

এটা কি ধরনের কাজ ? একজন বয়স্ক লোকের দাড়ি ধরে টান দেওয়া? এই সপ্তাহে মঙ্গলবার মতিঝিল এ ঘটনাটি ঘটেছে। আওয়ামী লীগের ক্যাডার ছাত্রলীগ এর কাজ। এখানেই শেষ নয়। ইদানিং অনেক অফিস আদালত, ব্যবসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দাঁড়ি, টুপি ধারীদের অকারনে জামায়াত, শিবির বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, একধরনের মানসিক জুলুম করা হচ্ছে। আমার এক বন্ধু সে সুন্নতের অনুসারী , ভুলেও কোন দিন ছাত্র শিবির করে নি। তাকে একদিন মহান ! ছাত্রলীগের নেতারা এক রুমে ঢুকিয়ে দরজা আটকিয়ে মোবাইল বন্ধ করে দেয়। তারপর তার বাবার কাছে ফোন দেয়। তার বাবাকে বলে যে ''আপনার ছেলে শিবির, তাকে ছাড়াতে ৫০ হাজার টাকা দিন''। এটা কেমন অসভ্যতা ? ।মুসলিম দেশে মুসলিম এর ই ধর্মীয় স্বাধীনতা কি নেই ? আরেক টি ঘটনা ঃ দুই উঠতি হাইব্রিড ছাত্রলীগার বাসে বসে আলাপ করছে,একটা জিজ্ঞাসা করছে ''দোস্ত, শিবির চিনবি কিভাবে? ;;

আরেকটা বলছে '' যেটার টাখনুর উপরে কাপড় দেখবি মনে করবি সেটা শিবির , আর সেটাকেই ধরবি '' । তখন অন্য ছেলেটা বলছে, '' কখনো যদি আমাদের সন্দেহ করে ধরে ,তখন? ''

অন্য লীগার উত্তর দেয়, '' বলে দিমু ......... চক্রবর্তী না হয় চ্যাটার্জী ''। দুটোই আমার নিজের বাস্তব জীবন থেকে বলা, কোন দুই নম্বর ঘটনা না। এই হইল মুসলমানদের ইমানী অবস্থা। জামায়াত কে বিরোধিতা করতে যেয়ে ইসলাম কেই অস্বীকার করছে। জামায়াত এর কারনে ইসলামের কোন ক্ষতি হবেনা, জামায়াতের নিজের ক্ষতি হবে। আর এই সব লীগার রা দিন দিন ইসলাম কে অবজ্ঞা করা চালিয়ে যাবে আর ইমানহারা হতে থাকবে। দুটি ছবি দিলাম।

মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৫২

শিক কাবাব বলেছেন: কে বিম্পি কে আম্লিগ আর কে জামাত, প্রত্যেকের পাছায় ও কপালে সিল মেরে দেন, যাতে চেনা যায়।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৫৬

আতাউররহমান১২০০৭ বলেছেন: সিল মেরে কি হবে ? পরমত সহিষ্ণুতা একটা দলেও নাই, জামায়াত এর কারনে সাধারন মানুষ কেন ভুগবে?

২| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৫৭

পুংটা বলেছেন: আজ সন্ধ্যার আগে আগে রিক্সায় করে কোন রকমে কাকরাইল মসজিদ পেরিয়ে মোড়টা পেরুতেই কাঠ জ্যামে পড়ে গেলাম :| । সামনে কি যে হয়েছে বোঝা যাচ্ছে না। নেমে যাব কি না ভাবছি, এমন সময় পেছনের রিক্সায় আপুদের কথা ভেসে আসলো :P । সাধারণত এই রাস্তায় রিক্সা থাকে না। কাছাকাছি মোট তিনটে রিক্সা। আপুরা বেশ জোরে জোরে আজকের দিনপঞ্জি আওড়াচ্ছিলেন। হালকা আড়ি পাতলাম B-)) । আর শুনে ফেললাম আজকের দিনের হিট উক্তিটি... =p~




.


.


.


১৪ ফেব্রুয়ারীর উক্তি : “ভাল ভদ্র একটা ছেলে দেখে প্রেম করলাম....... এখন দেখি ও শিবির করে।” :-P

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:১১

আতাউররহমান১২০০৭ বলেছেন: পুংটা , কি বুঝাতে চাইলেন ,আপনি ? বুঝিয়ে বলেন ।

৩| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:২৪

গনি নাজমুল বলেছেন: এটা বর্বরতা ,ইসলাম নিয়ে চরম বারাবারি ছাড়া আর কিছুই নয় ।কে ছাত্রলীগ কে শিবির সেটা বড় কথা নয় ,আমরা আমাদের মুল্যবুদ হারিয়ে ফেলেছি ।স্বাধীনতার নামে সেচ্ছাচারিতা , দলীয় চামচামি , সন্ত্রাসী, চাদাবাজি , কারণে অকারণে হরতাল , বাংচুর , অবিচার , চুরি ,ডাকাতি , ধর্সন কি করেনা এই সব দলীয় কেডাররা ।সব কিছুতে রাজনীতি টেনে এনে আমাদের স্বাভিক জীবন যাপনটাকেই নষ্ট করে ফেলা হয়েছে ।এসবের পরিনাম কখনো ভালো হবে বলে আমার মনে হয়না ।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:২৮

আতাউররহমান১২০০৭ বলেছেন: সহমত ।

৪| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:২৫

আতাউররহমান১২০০৭ বলেছেন: কয়লা ধুইলে ময়লা যায় না। হাজারো চেষ্টা করেও ছাত্রলীগ, শিবির আর পুলিশ ভালো হবে না।

৫| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:৫৪

এস আর সজল বলেছেন: আপনার কি মনে হয়, দোষটা কার??? পুলিশের? লীগের???? নাকি যারা টুপি-দাড়ি পড়ে অন্যায় করে টুপি-দাড়ির মর্যাদা নষ্ট করেছে তাদের?????? /:) /:) /:)

৬| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৭:১৯

মোঃ ওমর শরীফ বলেছেন: এস আর সজল, চোর-ডাকাত দেখছেন- ৯৯.৯৯% চোর-ডাকাত প্যান্ট শার্ট পরে । তাই আমার মতে প্যান্ট শা্ট এর দোষ, ঐ মানুষের কোন দোষ নাই।

৭| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:০৩

আতাউররহমান১২০০৭ বলেছেন: সজল, দোষটা দাঁড়ি টুপি বা পোশাকের কখন ই নয় , মানুষের দোষ ।

৮| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:৪৯

এস আর সজল বলেছেন: @মোঃ ওমর শরীফ: ৯৯.৯৯% মানুষ তো টুপি পরে আর দাড়ি রাখে না..... একটা নির্দিষ্ট সংখ্যক লোক পরে এবং তাদের মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু লোক টুপি পরে আর দাড়ি রেখে অন্যায় কাজ করে "টুপি আর দাড়ির" সম্মান নষ্ট করেছে। those are to be blamed.

@আতাউররহমান১২০০৭: হ্যা, মানুষের দোষ। তবে ওইসব মানুষগুলার, যারা কিনা "দাড়ি আর টুপি"র মর্যাদা নষ্ট করেছে।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:২৮

আতাউররহমান১২০০৭ বলেছেন: এস আর সজল , ভাই, টুপি আর দাঁড়ির সম্মান নষ্ট হয় না। এটা আল্লাহর রাসুলের প্রিয় পোশাক। সম্মান নষ্ট হয় মানুষের।

৯| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৪২

খুব সাধারন একজন বলেছেন: সময় যত গড়ায় প্রোপাগান্ডা ততই সূক্ষ্ণ হয়।

পোস্টদাতার উদ্দেশে বলছি না, সার্বজনীন কথা,

*যারা প্রথমদিন লিখেছিল রাজাকারের মুক্তি চাই/জয় রাজাকার/আমি রাজাকার/জামাত জিন্দাবাদ/কাদের মোল্লার জয় ইত্যাদি,
*তারাই দ্বিতীয়দিন লিখেছিল আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা রক্ষার আন্দোলনে নামা বাংলাদেশের সব স্তরের মানুষেরা বেশ্যা, আমরা গাঞ্জুট্টি, নাস্তিক, রেপিস্ট, ভাড়াটে, জুসের বোতল লোভী,
*তৃতীয় দিন লিখেছিল, তারাও বিচার চায়, কিন্তু...
*তারাই চর্তুথ দিন লিখেছিল আমরা ফ্যাসিস্ট,
*পঞ্চমদিন লিখেছিল আমরা আর কয়দিন থাকব- একদিন রাজপথ ছেড়ে দিতে হবে,
*এরপর লিখেছিল আমরা কোটাবাজ (মুক্তিযুদ্ধার সন্তানের কোটা!), সাগর রুনী হত্যা, পদ্মা সেতু, কুইক রেন্টাল,
*সপ্তম দিন আর আমাদের বিরুদ্ধে কিছু বলে না, আওমী দলে থাকা রাজাকার ও ছাত্রলীগের বদনাম,
*এরপর দাড়ি টুপি ও মসজিদের অপমান ও আলেম সমাজ (আসলে শিবির)এর মিছিলে হামলা, সেন্টিমেন্ট নিয়ে টানাটানি, অথচ লক্ষ লক্ষ প্র্যাকটিসিং মুসলিম এই বাংলাদেশের আন্দোলনে জড়িত।
*নবম দিনে বলে, এই আন্দোলন ব্যর্থ হয়ে যাবে, লীগও এই আন্দোলন চায় না, আওয়ামীলীগ করলেই কি যুদ্ধাপরাধ থেকে মুক্তি?
*দশম দিনে হুমকি দেয়, শাহবাগ আন্দোলন সফল তো হবেই না, বরং প্রশাসন ও অন্যান্য জায়গায় এটা হবে, সেটা হবে, শিবির সব মেরে ফেলবে (আন্দোলন শুরুর আগেরদিন যা বলেছিল, সে কথাতে ফিরে গেছে, 'গৃহযুদ্ধ' হুমকি দিলে ফ্যাসিস্ট হয় না, যারা গৃহযুদ্ধ রুখতে চায় তারা ফ্যাসিস্ট!)

আর আজকে একাদশ দিনে তারাই বলছে,

আর শাহবাগ যামু না। শাহবাগ বদলায়া গেছে।

আর তখন মধ্যম মানের শিল্পকর্ম ১০/২০/৩০ খান ফেববু শেয়ার পায়। অথচ বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষার বিপ্লব এ অংশ নেয়া সব স্তরের বাংলাদেশের নাগরিকের প্রতিনিধিত্ব করা চমৎকার পোস্টগুলো একটাও প্লাস পায় না, একটাও প্রিয়তে পায় না, একটাও ফেসবুক শেয়ার বা মন্তব্য পায় না।


আর দলে দলে সেখানে সমর্থন জানিয়ে যাচ্ছে 'বাংলার' 'সাধারণ' জনতা যারা শাবাগ যেতে যেতে ক্লান্ত। ভোটের বন্যা বয়ে যাচ্ছে।

বাহ,
আমরা আমাদের র্ধৈয্য দেখে অবাক হচ্ছি।
আমরা এতই বদলে গেছি যে ফুল দিয়ে যুদ্ধ করতে চাই, ফুল বাঁচাতে নয়।

----------------------------
হায়রে, পরিস্থিতি ও প্রচারণা দেখে মনে হয় জামাত শিবিরও কি এইরকম মনে করে?

* ইয়াহিয়া খান- তিরিশ লাখ মারব, বাকিরা আমাদের হাতেই খাবে।
*নিয়াজী- নিচু দেশের নিচু মানুষ। এগুলো মানুষ না,বানর আর মুরগি।
*পাক আর্মির ক্যাপ্টেন- আমরা যাকে খুশি যে কোন কারণে মারতে পারি। এজন্য কাউকে গোণায় ধরি না।
*ভুট্টো, ১৯৭২- আমার সোনার বাংলা আবার আমার হবে।

-------------------------------
কারণ বাংলাদেশের জন্ম যারা চায়নি এবং সেইসব অপরাধীকে যারা টিকাতে চায় তারা একই কথা বলে-

১৯৭১ সালে জামাত ছিল না। গঠন হইসে আশি সালের পর।
২. শিবির বা কোন ছাত্র সঙ্গঠন একাত্তর সালে ছিল না।
৩. একাত্তরে মুক্তিযোদ্ধা নামে বহুত ডাকাত আর রেপিস্ট ছিল। তারা অস্ত্র নিয়ে ঘুরে বেড়াত। লুট করত আর ক্যাম্প করে মেয়ে মানুষ নাচাত।
৪. শিবির জামাতের পক্ষের সঙ্গঠন নয়।
৫. ছাত্রীসংস্থার সাথে জামাতের কোন সম্পর্ক নেই-
৬. এজিদ একজন ন্যায়বিচারক শাসক। তিনি এই দেশে আসলে আমরা সবাই তার হাতে বায়াত হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা তুলে দিতাম।
৭. শহীদ বুদ্ধিজীবীর যে ছবি দেয়া হয়। চোখ বাধা ইটপাটকেলের ভিতর পড়ে থাকা অর্ধনগ্ন লাশ, সেগুলো আসলে একাত্তর সালে গণহত্যার শিকার জামাতে ইসলামীর সদস্য।
৮. শিবির, 'একাত্তরের হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার'
৯. স্বাধীনতা এনেছি, স্বাধীনতা রক্ষা করব। -মুজাহিদ।
১০. মুজিব ক্ষমা করেছেন। সবাইকে সাধারণ ক্ষমা করেছে। (মিথ্যা কথা এটাও)
১১. বাংলাদেশে কোন যুদ্ধাপরাধী নাই।
১২. আমি ক্ষমতায় আসলে কুরআনের আইনে তাদের শাসন করব। তাদের হাত সাক্ষ্য দিবে। পা সাক্ষ্য দিবে। -কা. মো.
১৩. বাঙালি বলতে কোন জাতি নেই।-গোলাম আজম।
১৪. এই যুদ্ধে পরাজয় হলে পূর্ব পাকিস্তানের একজন জামায়াত সমর্থকেরও আত্মহত্যা করা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না।- গোলাম আজম।

----------------

একাত্তরে কোন ব্যক্তি রাজাকারি করুক আর না করুক, জামাতি সঙ্গঠন সাঙ্গঠনিকভাবেই রাজাকারি করেছে।
এটা ছিল তাদের প্রতিষ্ঠাতা আবুল মিয়ার নির্দেশ। আবুল জামাতি (জামাতিদের পিতা) একাত্তরেও মিডিয়াতে রাজাকারির নির্দেশ দিয়েছে পাকিস্তান থেকে-

*সেই নির্দেশ গোআ, ম.র.নিজামী, আআ মুজাহিদ, ওরা পালন করেছে মাত্র।
*সেই নির্দেশ সারা বাংলার রেজাকার, আল বদর, আল শামস, শান্তি কমিটি পালন করেছে মাত্র।
*সেই নির্দেশ বর্তমান জামাত পালন করছে মাত্র।
*সেই নির্দেশ পালনের জন্যই আজো শিবির বলে, 'একাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেক বার।'
*সেই নির্দেশ পালন করেই জামাতিরা সব সত্যিকে অস্বীকার করে। একাত্তরকে অস্বীকার করে।
*সেই নির্দেশ পালন করেই এখন প্রোপাগান্ডা চালায়।
*সেই নির্দেশ পালন করেই বাংলাদেশের মানুষকে শত্রু বানিয়ে গৃহযুদ্ধ ঘোষণা করে।

তাই আজকের দিনের জামাত-শিবির সমর্থকদের মধ্যে,
গোলাম আজমের,
বর্তমানের শিবিরের এবং
রাজাকারদের মধ্যে কোন তফাত নেই

জামাতের গোড়ায় দোষ,
জামাতের নীতিতে দোষ,
তাই ব্যক্তি পর্যায়ে জামাত নিষিদ্ধ করতে হবে। যারা জামাতের সাথে যুক্ত তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রতি হুমকি বিধায় স্বাধীনতা রক্ষার প্রয়োজনে ব্যক্তিগত পর্যায়ে জামাত ও তার সমস্ত নীতিগত সমর্থক ও তাদের সব ধরনের প্রাতিষ্ঠানিকতা নিষিদ্ধ করতে হবে।

এই কর্মীদের লিস্ট জামাতের কাছেই রয়েছে। যারা দেখেশুনে এবং বুঝেও এমন অপপ্রচার ও অপশক্তির সমর্থন করতে পারে তাদের নিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখা সম্ভব নয়।

১০| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৩৪

আতাউররহমান১২০০৭ বলেছেন: খুব সাধারণ একজন, আপনার কমেণ্টস টা কি এই পোস্ট টির সাথে প্রাসঙ্গিক? যাই হোক আপনার পোস্ট টি ভালো লাগল।
আরেকটা কথা , যারা ইসলামের হুকুম মানেন না , এতে তাদের ইমান যাবে না, কিন্তু ইসলামের কোন আকিদা, রীতি নিয়ে কটাক্ষ করলে ঈমানহারা হয়ে যাবে। এই যে নাম পরিবর্তন করল, টাখনুর উপরে কাপড় পড়াকে অবজ্ঞা করা,দাঁড়ি ,টুপি, পাঞ্জাবি কে অবহেলা করা , কটুক্তি করা খুব জঘন্য ধরনের সাম্প্রদায়িক উস্কানি মূলুক কাজ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.