| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আতাউররহমান১২০০৭
আমাদের জীবনটা খুব ছোট। জীবনটা সুখের ,দুঃখের মিশ্র অনুভূতি দিয়ে ভরপুর। জীবনের সুখের সময়কাল স্বল্প কিন্তু সুখের অনুভূতিটা সুদীর্ঘ। তাই আসুন জীবনটাকে উপভোগ করি।
সারা বিশ্ব ব্যাপি পেস বোলাররা যুগ যুগ ধরে দাবড়িয়ে বেড়াচ্ছে। বর্তমানে দক্ষিন আফ্রিকার ডেল স্টেইন, মরনে মরকেল, শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গা, ইংল্যান্ডের জেমস অ্যান্ডারসন , পাকিস্তানের মোহাম্মাদ ইরফান ,ভারতের জহির খান বেশ আলোচিত। এরা সবাই ইন্সুইং, আউটসুইং, ইয়র্কার, বাউন্স, ফুল লেংথ ডেলিভারি দিয়ে বিপক্ষ দলের বোলারদের বেশ আতঙ্কে রাখেন। আর আমাদের দেশে পেস বোলিং এর চলছে করুন দশা। বিভিন্ন সময় মোহাম্মাদ শরীফ, তাপস বৈশ্য, ফরহাদ রেজা সহ অনেক পেসার আমরা পাইছি কিন্তু তারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে না পেরে হারিয়ে গিয়েছে। এখনো বেশ কিছু সিমার বা মিডিয়াম ফাস্ট বোলার দলে আছে। কিন্তু বড় সমস্যা হল আমরা বাংলাদেশিরা সবসময় সামনে যেটার লাভ পাই আগ পর চিন্তা না করে তা গোগ্রাসে গিলি। ক্রিকেট টিমের বোলিং এর ক্ষেত্রেও এক গতি। স্পিনাররা ভালো করছে তাই শুধু তাদের ই পৃষ্ঠপোষকতা করা হচ্ছে, তাদের জন্য বোলিং কোচ, স্পেশাল কেয়ার। পেসাররা অচ্ছুত। ২০০৪ ও ২০০৭ এর পর Grameenphone Pacer Hunt '' বন্ধ করে দেওয়া হল, কেন দেশ কি পেসারে ভর্তি নাকি? রুবেল, শাহাদাত এই পেসার হান্টের আবিষ্কার। এখন ইনজুরি প্রবণ মাশরাফি আমাদের pace attack এর প্রধান হওয়া সম্ভব না। কে নেবে হাল ? রুবেল, শাহাদাত,নাজমুল ,হাসান না শফিউল? সবার মধ্যেই প্রতিভা আছে। এখন দরকার তাদের সঠিক গাইডলাইন। Indian Subcontinent এ কেবল ভারতে পেস বোলিং একাডেমী আছে। সেখান থেকে তাদের ট্রেইন আপ করে নিয়ে আসাঁ উচিত। আমাদের পেসাররা অত জোরে বল করতে পারেনা।বোলিং অ্যাকশন ও নিখুত না। যেমন রবিউল কে দেখলাম সে '' open chest '' এ বল করে। রুবেল ফুল লেংথ ডেলিভারি দিতেই পারেনা , সব '' half volley '' দেয়। কিন্তু যথাযথ যত্ন নিলে তারা চামিন্দা ভাস বা কুলাসেকারার মত হতে পারবে। সাকলাইন কে যেমন স্পিন কোচ পদে আনা হয়েছিল তেমনি কোন বিশ্বখ্যাত ফাস্ট বোলার যেমনঃ গ্লেন ম্যাকগ্রা, মাখায়া এন্টিনি, কার্টলী এম্ব্রোস, টু- ডব্লিউ (ওয়াকার ও ওয়াসিম আকরাম), চামিন্দা ভাস এদের যে কাউকে দীর্ঘকালীন না হলেও স্বল্প কালীন চুক্তিতে কোচ হিসেবে আনার ব্যবস্থা করা উচিত। আমাদের দেশের পিচ গুলোতে খুব একটা বাউন্স নাই, যা পেসারদের প্রধানতম অস্ত্র। পিচ গুলোতে বল ব্যাটে একটু দেরিতে আসে। পুরোপুরি স্পিন সহায়ক পিচ না বানিয়ে কিছুটা বাউন্সি পিচ বানালে আমরা দক্ষিন আফ্রিকা, অষ্ট্রেলিয়া তে খেলতে পারব।পিচ বানানোর সময় পেসারদের কথা একটু মাথায় রাখতে হবে। ২০১৫ তে কিন্তু অষ্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের বাউন্সি পিচেই বিশ্বকাপ ! যেখানে আছে বিশ্বের দ্রুততম পিচ ওয়াকা গ্রাউন্ড ও গ্যাবা !
২|
২৭ শে মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৮
শয়ন কুমার বলেছেন: প্রথমেই পেসার হান্টের মত প্রোগ্রাম চালিয়ে যাওয়া দরকার অতপর খুজে পাওয়া এই
ছেলেদের পরিপূর্নভাবে গড়ে তোলার জন্য স্পেশাল পেস বোলিং একাডেমী দরকার ।
নতুবা সফল হওয়া যাবে না ।
২৭ শে মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৫:৪৯
আতাউররহমান১২০০৭ বলেছেন: সহমত
৩|
২৭ শে মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৫:৪০
শয়ন কুমার বলেছেন: কোন কোন পিচ বাউন্সী আবার কোন কোনটা স্পিন ট্রাক বানান দরকার
২৭ শে মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৫:৪৫
আতাউররহমান১২০০৭ বলেছেন: সুন্দর একটা আইডিয়া দিয়েছেন আপনি, ধন্যবাদ। আশা করি আমাদের ক্রিকেট বোর্ড, নির্বাচকরা এই ব্যাপারে দ্রুত এগোবেন।
৪|
২৭ শে মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৭
তথই বলেছেন:
২৮ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ২:২১
আতাউররহমান১২০০৭ বলেছেন: X খুব ই হতাশা জনক আমাদের পেস এটাক
৫|
২৭ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৩৭
তাওসিফ০০৭ বলেছেন: আসলেই করুণ অবস্থা।
২৮ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ২:২৩
আতাউররহমান১২০০৭ বলেছেন:
খুব হতাশাজনক অবস্থা আমাদের পেস বোলিং এর। এর থেকে উত্তরন চাই।
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৬
আতাউররহমান১২০০৭ বলেছেন: চরম অস্তিত্ব সংকটে আমাদের পেস বোলিং