| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আতাউররহমান১২০০৭
আমাদের জীবনটা খুব ছোট। জীবনটা সুখের ,দুঃখের মিশ্র অনুভূতি দিয়ে ভরপুর। জীবনের সুখের সময়কাল স্বল্প কিন্তু সুখের অনুভূতিটা সুদীর্ঘ। তাই আসুন জীবনটাকে উপভোগ করি।
আমরা শুধু কাগজে কলমে মুসলিম, ইসলামকে আমরা মুসলমানরাই ভালোভাবে বুঝি না,বুঝতে চাই না; বুঝলেও মানতে চাই না । এখন আপনি যখন আপনার বোনের সাথে আরেক ছেলের মেলামেশা, লিভ টুগেদার দেখবেন বা এ ব্যাপারে জানবেন তখন নিশ্চয় বাধা দিবেন, ফুঁসে উঠবেন। আর নিজে যখন এই আকাজ করবেন তখন ইসলাম আপনাকে নিষেধ করলেই আপনার কাছে ইসলাম হয়ে যাবে মধ্যযুগীয়,সেকেলে। আমাদের আপ টু ডেট (তথাকথিত ) সমাজে একটা কথার চলন আছে যে ইসলামের পর্দা বা শালীনতার হুকুম মধ্যযুগীয় ইসলাম নারীকে পরিপূর্ণ স্বাধীনতা দেয় নি। এটা বিশ্বব্যাপী মিডিয়ার বিরামহীন নেতিবাচক ইসলাম বিরোধী প্রপাগান্ডার ফল। যা সত্য,সুন্দর তা ধামাচাপা দেওয়ার শত চেষ্টা করলেও তা আগুনের স্ফুলিঙ্গের মত বেরিয়ে আসবেই। আসুন একটু তলিয়ে দেখি নারী স্বাধীনতার নামে কি '' পরাধীনতার'' মধ্যে আছে পাশ্চাত্যের সুশীল সমাজের নারীরা। কয়েক মাস আগের '' প্রথম আলোর '' এক খবরে পড়লাম , বৃটেনে প্রতি ৫৭০ টি ধর্ষনের ঘটনার মাত্র একটির ব্যাপারে পুলিশের কাছে রিপোর্ট দেওয়া হয়। বুঝুন তাহলে সর্ষের মধ্যে ভূত। শুধু কি তাই , পাশ্চাত্যেএখন incest বা পরিবারের লোকজন কর্তৃক ঘরের নারীরা যৌন সহিংসতার শিকার হচ্ছে। কয়দিন পর দেখা যাবে সমকামীতার মত এটাকেও তারা মানব অধিকার বলে স্বীকৃতি চাইবে !!
মানুষ কুকুর ঘরে পালতে পালতে তারা নিজের মধ্যেই কুকুরের স্বভাব ঢুকে গিয়েছে। যাই হোক যা বলছিলাম এই ভোগবাদি সমাজ শুধু নারীদেহ ভোগের ধান্দায় থাকে। যে কোন নারী মিডিয়া জগতে ঢুকলেই স্ক্রিন টেস্ট, গ্রুমিং ,মডেলিং বা অভিনয়ে জায়গা করিয়ে দেওয়ার ছুতায় এইসব সুপুরষরা নারী ভোগের ধান্দায় থাকে। একটা মডেল বা নায়িকাকে কত কম পোশাকে ক্যামেরার সামনে উপস্থাপন করা যায়,শুধু এই থিম নিয়ে বানানো হচ্ছে হাজারো হিন্দি ও হলিউডি ছবি। সেই স্বল্প অথবা পোশাক হীন মডেল বা নায়িকাদের শরীরের প্রদর্শনী চলছে বিজ্ঞাপনে, সিনেমায়। পুরুষকে করছে লালায়িত,উত্তেজিত। তারা নিজেকে ঠেকাতে না পেরে করছে ধর্ষন। এই সব উত্তেজক সিনেমা আসলে ধর্ষক ও কনডম ব্যবহারকারী বাড়ানোর কারখানা। এটা কি নারীকে সাবলম্বী ,স্বাধীনতা দেওয়া না তাকে ভোগ করা ? আর মিডিয়ার একটা প্রচারণা আছেই নারী মানেই তাকে সুন্দরী বা ফর্সা হতে হবে,কালো হয়ে জন্মানোই তাদের অপরাধ। এই যে ভোগ প্রবনতা এটিকেই ইসলাম নিষেধ করে। ইসলাম ডেটিং এর নামে রিকশায় ,বাসে ,পার্কে ,হোটেলে অবৈধ মেলামেশা ,কাজ ,লিভ টুগেদার কে কঠোর ভাবে নিষেধ করে। তাই তো ইসলামের প্রতি তাদের এতো গোস্বা। এবার একটু মধ্যযুগের হিসাব করি। মধ্যযুগে বিভিন্ন দেশের রাজা বাদশাহরা তাদের খাস কামরায় বা রংমহলে বাঈজী বা নর্তকী রাখতেন,যারা তাদের মনোরঞ্জিত করত। বর্তমান কর্পোরেট ওয়ার্ল্ডের ক্রিকেটের IPL , NBA বাস্কেটবল লীগে, সকার লীগে নারীদের চিয়ার গার্ল করে রাখা হচ্ছে ; যাত্বে দর্শকেরা তাদের বুকের বাউন্সার বা শরীরের ভাঁজ দেখে। !! আবার দেখুন বিশ্ব সুন্দরী (নগ্ন ) করার প্রতিযোগিতার ধারনা প্রথম এসেছিল প্রাচীন '' রোম সাম্রাজ্য থেকে। উদ্দেশ্য ছিল রোমানদের সাথে যুদ্ধরত মুসলিমদের পদস্খলন ঘটানো, ঈমানী যজবা কে খতম করে দেওয়া। আফসোসের বিষয় ,আজ মুসলিম পরিবারের একটি মেয়ে কিভাবে ম্যাগাজিনের কভার পেজে প্রায় নগ্ন ভাবে নিজেকে পোজ দেয়, বেহায়া,আদিম কাজে মানুষকে প্ররোচিত করে!! এই মুসলিম নারীরাই কি আয়শা (রাঃ ),আসিয়া ( আঃ ),ফাতেমার বংশধর?
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই জুন, ২০১৩ রাত ৮:০৩
আতাউররহমান১২০০৭ বলেছেন: World wide নারী স্বাধীনতার নামে ভোগের মহোত্সব চলছে ।