| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্
যখনি এ পথে যাবে, বারেক দাঁড়ায়ো ফুলবনে, শুধু দু হাত ভরিয়া দেব ফুল।
রাত দু’টা। এডমিশন ডে। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের মেডিসিন ডিপার্টমেন্ট। কিছুক্ষণের জন্য পুরো ওয়ার্ডের দ্বায়িত্ব একা নিয়ে কাজ করতে হচ্ছিল। এমন কি সি,এ পর্যন্ত ছিল না। সি,এ কে ফোন দিলাম ভাইয়া আমি একা! সি,এ বলল একটু ম্যানেজ কর, আমি এক ঘন্টার মধ্যে চলে আসব। মোটামুটি একে একে অপেক্ষমাণ রোগীদের রিসিভ করে ফাইল ওয়ার্ক নিয়ে বসলাম। একজন খুব বিনয়ের সাথে বলল, স্যার আমার রোগীর পেটে ব্যাথা খুব বেড়ে গেছে। একটু দেখবেন স্যার? জ্বী দেখব, চলেন। রোগী বলল পেটে খুব বেশি ব্যাথা করছে! পেটে হাত দিয়েই বিচলিত হলাম। বোর্ড লাইক রিজিডিটি। পারকাস করলাম, লিভার ডালনেস অবলিটারেটেড। আর্জেন্ট চেস্ট এক্সরে ইরেক্ট পোশ্চার করালাম। ক্রিসেন্টিক গ্যাস শ্যাডো আন্ডার ডায়াফ্রাম। পেশেন্টের বাওয়েল (বলতে পারেন নাড়ি-ভূঁড়ি’র) কোথাও ফুটা হয়ে গেছে। পেশেন্টকে সার্জারী ওয়ার্ডে পাঠিয়ে দিলাম। পরদিন সার্জারী ওয়ার্ডের সি,এ র সাথে দেখা। উনি বললেন তুমি পেশেন্ট টার জীবন বাঁচিয়ে দিয়েছ। আমি নিজেই তার পারফোরেশন রিপেয়ার করেছি।
©somewhere in net ltd.