নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া

আমি পথ মঞ্জরী ফুটেছি আঁধার রাতে

মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্‌

যখনি এ পথে যাবে, বারেক দাঁড়ায়ো ফুলবনে, শুধু দু হাত ভরিয়া দেব ফুল।

মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্‌ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ফ্যাটি লিভার

১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০৪

ফ্যাটি লিভার বর্তমান সময়ের খুব কমন এক সমস্যা। চলুন একটু জেনে নেই ফ্যাটি লিভার কি?
ফ্যাটি লিভার হল লিভারে স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত ফ্যাট জমা হওয়া। চিকিতসা বিজ্ঞানে যাকে হেপাটিক স্টিয়াটোসিস বলে।
• শুরুতে ফ্যাট জমা হওয়াটা কোন লক্ষণ তৈরী করেনা। এই শুরুটা আবার দুই রকম, প্রথমটি প্রদাহ বিহীন যেখানে এসজিপিটি নামক এনজাইম স্বাভাবিক থাকে। দ্বিতীয়টিতে প্রদাহ হয়, যেখানে এসজিপিটি এনজাইমটি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়ে যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ফ্যাটি লিভার তেমন কোন সমস্যা না করেই আজীবন থেকে যায়, কিন্তু কিছু ফ্যাটি লিভার প্রদাহ করে লিভারের আর্কিটেকচারের ক্ষতি করে ফেলে। ক্রমানুসারে বলতে গেলে ফ্যাটি লিভার, নন এলকোহলিক স্টিয়াটোহেপাটাইটিস, ফাইব্রোসিস শুরু হওয়া থেকে লিভার সিরোসিস এবং কিছু সিরোসিস এর রোগীর ক্যান্সার পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে।
চলুন দেখি ফ্যাটি লিভারের কারণ কি?
ফ্যাটি লিভারের দুটি প্রধাণ ধরণঃ
• MASLD — MASLD (Metabolic Dysfunction-Associated Steatotic Liver Disease): বিপাকীয় সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত ফ্যাটি লিভার রোগ। এটি টাইপ ২ ডায়াবেটিস, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স , স্থূলতা, পেটের অতিরিক্ত চর্বি এবং রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বেশি থাকার সঙ্গে সম্পর্কিত।
• - অ্যালকোহল-সম্পর্কিত লিভার রোগ (Alcohol-related liver disease): অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান করার কারণে সৃষ্ট লিভারের রোগ।
• এ ছাড়াও ফ্যাটি লিভারের অন্যান্য কারণ রয়েছে, যেমন—নির্দিষ্ট কিছু ওষুধের ব্যবহার, দ্রুত ওজন কমে যাওয়া, অপুষ্টি এবং কিছু বিরল শারীরিক বা বিপাকীয় সমস্যা।
কি কি লক্ষণ হতে পারে একটু জেনে নেই।
অধিকাংশ রোগির কোন লক্ষণ থাকে না। কিন্তু কারো কারো কিছু লক্ষণ থাকতে পারে, যেমনঃ
• ক্লান্ত লাগা, দুর্বলতা।
• পেটের ডানদিকের ওপরের অংশে এক ধরণের অস্বস্তি বোধ করা।
• লিভার কিছুটা বড় হয়ে যেতে পারে।
 জন্ডিস, পেটে পানি জমা, রক্ত বমি বা কালো পায়খানা, বিভ্রান্তি এগুলো আরো গুরুতর রোগের ইঙ্গিত এবং আরো পর্যবেক্ষণ এবং মূল্যায়ন প্রয়োজন।
আমরা প্রাথমিক ভাবে রোগ নির্ণয়ের জন্য নিম্নলিখিত টেস্টগুলার সহায়তা নেইঃ
• আল্ট্রাসনোগ্রাম অব এবডোমেন।
• লিভার এনজাইমস (ALT, AST)
• ফাইব্রোস্ক্যান।
• এবং আরো কিছু ইনভেস্টিগেশন লাগে যেমন ভাইরাল হেপাটাইটিস আছে কিনা এবং এই রোগ সংক্রান্ত কিছু টেস্ট।
হিস্ট্রি শোনা এবং পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ এবং ইনভেস্টিগেশনের পর এই রোগ সংক্রান্ত জীবন ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসাপত্র, এবং করণীয় কি সে সম্বন্ধে ডাক্তার আপনাকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেবেন।
সচেতন হোন। ফ্যাটি লিভার থেকে দূরে থাকুন।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৩

কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) বলেছেন: মাইক্রো প্লাস্টিক সব রোগের জন্য দায়ী। খাবারে বিষ, কৃষিতে বিষ, ঔযধে বিষ, সর্বত্র বিষের ব্যবহার~তার ফল এই মানবদেহকেই ভোগ করতে হবে।

১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:০০

মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্‌ বলেছেন: ঠিক বলেছেন। সবার সচেতনতা কাম্য। অনেক ধন্যবাদ।

২| ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:১০

অপলক বলেছেন: এলকোহোল রিলেটেড লিভার ডিজিজ: শুধু অতিরিক্ত এ্যালকোহোল খেলেই হয় না, অতিরিক্ত কার্বহাইড্রেট + সুগার সমৃদ্ধ খাবার খেলেও একই ক্ষতি হবে।

বস্তুত: অলসদের রোগ হল ফ্যাটি লিভার আর ডায়াবেটিকস। রেয়ার কেস গুলো হাতে গোনা রুগিদের ক্ষেত্রে হয়। যাই হোক, খালিদ সাহেব, অসংখ্য ধন্যবাদ সচেতনাতা মূলক পোস্ট দেবার জন্যে। এরকম আরও পোস্ট দেবেন আশা রাখি।

১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্‌ বলেছেন: যথার্থ বলেছেন। সবার সচেতনতা প্রয়োজন। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.