| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাঙ্গাল৭১
বাঙ্গাল একজন খাঁটি বাঙ্গাল। ঢোল ঢাকের শব্ধ আর দোতারার গান পছন্দ হয় । ব্যান্ড (নিষিদ্ধ) সঙ্গীত ভাল লাগে না ।
নামাজ মুসলমানদের অবশ্য পালনীয় একিট ইবাদত । ফরজ নামাজ ছাড়াও সুন্নত ও নফল হিসেবে নামাজ আদায় করা যায়। এছাড়াও যে কেউ নামাজের জন্য যে সব সময় নিষেধ করা হয়েছে সেসব সময় বাদ দিয়ে নামাজ আদায় করতে পারে। আমার প্রশ্ন কেউ যদি এই নামাজকে তার নিজের জন্য রক্ষা কবজ হিসেবে ব্যবহার করে সে বিষয়ে ইসলামের কোন ব্যক্ষা আছে কি না ?
সম্প্রতি পল্টনে এক জামাত নেতার বাড়ীতে অভিযান চালানোর সময় দেখা যায় পুলিশ ঢুকে যাওয়া মাত্র তারা ভর দুপুরে ছাদের উপর নামাজ আদায় শুরু করেন। এসময় পুলিশ গ্রেফতার করলে প্রচার করা যাবে পুলিশ নামাজ পড়তে না দিয়ে ধরে নিয়ে গেছে।
আজ স্বঘোষিত ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করতে গেলেও একই পরিস্থিতি তৈরি হয় । তিনি দুই রাকাত নামাজ আদায় করার সময় চান। খবরে আরো জানা যায় গ্রেফতার হওয়ার সময় তিনি নাকি তার সাথে একটি কোরআন-শরিফ নিয়েছেন । এটার প্রয়োজনীয়তাটা কি ? তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাকে আদালতে নেয়া হবে অনেক ভীর সেখানে ধাক্কাধাক্কিতে তার হাতের কোরআন শরীফ হাতে রাখাওতো কষ্টকর হতে পারে। না কি সেটা হওয়ানোর জন্যই এই ব্যবস্থা-
এ বিষয়ে ধর্মের সিঠক ব্যখ্যা কারো জানা থাকলে আমাকে একটু জ্ঞান দেন।
২|
১১ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১১:১৩
আমি মোঃ চয়ন বলেছেন: ব্যখ্যা দিবে বিশেষজ্ঞরা। আমি বিশেষজ্ঞ নই। তবে মতামত প্রকাশ করলাম।
১। যেহেতু ২ রাকাত নফল নামাজ পড়তে ৭২ ঘন্টা সময় লাগে, তাই নামাজ পড়তে না দিয়ে ধরে নিয়ে যাওয়াই উত্তম। পুলিশ কি ৭২ ঘন্টা অপেক্ষা করবে !!!
২। কুরআন-শরিফ তো যথেয্ট মোটা ও ভারি । বহনে সমস্যা হতেই পারে। এছাড়া এটা একটি মহা পবিত্র কিতাব । এটা জেলখানায় নেওয়া ঠিক হবে না। এরচেয়ে জাফর ইকবালের উপন্যাস নেওয়াই উত্তম।
১১ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১১:২৪
বাঙ্গাল৭১ বলেছেন: তাহলে চলুন হালকা পরিবহনে সহজ একটি করে কোরআন শরীফ প্রত্যেকের কাছে রাখি সেটা ইসলামের কোন কাজে লাগুক আর না লাগুক নাকি বলেন?
৩|
১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ২:৪৩
বিকারগ্রস্থ মস্তিস্ক বলেছেন:
দুঃখিত - আপনার প্রশ্ন যেমন রাজনীতিক উত্তরও রাজনীতিক পাইবেন -
আপনার উদ্যেশ্য জানার প্রয়োজন হইলে - ইঞ্জিনিয়ারে কাছে যাইয়া কইতে না আমার দাতঁ ব্যাথা আমার দাত ঢালাই করে দেন
১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:১৬
বাঙ্গাল৭১ বলেছেন: রাজনৈতিক উত্তরই দেন ।
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১১:১১
অবয়ব বলেছেন: ভাই ঠিক সেইম কাহিনী নিয়ে আগে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম। সেটা ছিল কাওরানবাজারে। আমার মনে হয় এগুলো ওদের প্রশিক্ষন দেয়া হয় ক্যাম্পে।
কাওরানবাজারে 'নাড়ায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবর' রব তুলে গাড়ি ভাংচুর করে এবং পুলিশ পিটায়।
এরপরে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে দৌড়ে কয়েকটা শিবির মসজিদে গিয়ে ওঠে। সেখানে মাথায় টুপি পড়ে সুন্দর নামাযে দাঁড়িয়ে যায়।
পুলিশ পিছু নিয়ে মসজিদে যায়। পায়ে ধুলো-বালি এবং জামাকাপর দেখে সনাক্ত করে শিবির কুকুরগুলোকে। সেখানে আগেই উপস্থিত থাকা কিছু মুছুল্লি এ ব্যাপারে পুলিশকে সাহায্য করেন।
অতঃপর পুলিশ ঐ কুকুরগুলোকে নিয়ে যাওয়ার পরে ব্যাকআপ শিবির কুকুরগুলো আলোচনা করতে থাকে, এই সরকার ইসলামবিরোধী, খুব খারাপ, নামাযিদের ধরে নিয়ে যায়, আল্লাহর গজব পড়বে।
তারা দূর থেকে টুপি পড়া শিবিরগুলোকে পুলিশ নিয়ে যাচ্ছে এমন ছবি তোলার চেষ্টা করে। মনে হয়, ফেসবুক-ব্লগে প্রোপাগান্ডা চালাবে।
এই হল শিবির!!!
Click This Link