নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ট্রাভেলার, ফটোগ্রাফার, সাইক্লিষ্ট, ম্যারাথন রানার, বইপোকা। পেশায় ইঞ্জিনিয়ার হলেও হবু কর্পোরেট ;)

বর্ন ট্রাভেলার সোহান

তীব্র গন্ধযুক্ত হাস্নাহেনা, কিংবা তীব্র কোনো সোডিয়াম বাতির নিচে হয়ত আমায় পাবে। কিন্তু আর দশটা ধবধবে আলো দেয়া ল্যাম্পপোষ্টের নিচে আমায় পাবে না। আর দশটা মানুষও আমার মতো হবে না :)

বর্ন ট্রাভেলার সোহান › বিস্তারিত পোস্টঃ

দেবতাখুম, বান্দরবান (সল্প ট্রেকিং এ আহামরি কিছু)

১৯ শে মে, ২০১৯ রাত ১:০৬

#দেবতাখুমের_গল্পঃ B-)
"দেবতাখুম" যেনো এখন হালের ক্রেজ। হুট করে যেনো নতুন করে সবাই দেবতাখুম কে আবিষ্কার এর নেশায় নেমেছে। আর নামবেই না কেনো! মোটামুটি অল্প ট্রেকিং এ ভালো কিছুর অভিজ্ঞতা কে না চায় ! :D

ছবিঃ এক পলকে দেবতাখুম :)
তো দেবতাখুম নিয়ে ২/৩ টা পোষ্ট চোখে পড়েছিল। তার মানে এটা এখনও বিশুদ্ধ এবং নামযাদা টুরিষ্ট দিয়ে জঘন্য হয়ে যায়নি। বড় ভাই সাথে সাথেই রাজি হয়ে গেলেন, রাত্রের মধ্যে প্লান প্রস্তুত হয়ে গেলো আমাদের ;) B-))

ছবিঃ কুমিল্লায় হোটেল বিরতি :#)
মঙ্গলবার রাত্রে ১১.১৫ তে কমলাপুর থেকে আমরা যাত্রা শুরু করি। এর মধ্যেই ঢাকা-চট্টগ্রাম এর সড়কপথের বিশাল জ্যাম এ পড়ে ভোর ৬টায় আসি কুমিল্লা। যেখানে ভোরে আমাদের বান্দরবান থাকার কথা ছিলো :( প্ল্যান এ ভাটা পড়লো। তাতে কি, অনড় আমরা। সকালে ১১.৩০ এ আমরা পৌছাই বান্দরবান। এরপর নাস্তা সেরে বাজার থেকে কিছু প্রয়োজনীয় সদাই কিনে আমরা রওনা হই রোয়াংছড়ির উদ্দেশ্যে। রোয়াংছড়ি এর পথের ৫০মিনিট পুরোটাই দিবে রোলার কোষ্টারের অভিজ্ঞতা। চান্দের গাড়িতে কার বসে থাকতে ভালো লাগে। সমস্ত শক্তি দিয়ে মাথা বের করে দাঁড়িয়ে রইলাম প্রায় পুরোটা পথ। এর আগেও রোয়াংছড়ি এসেছি, তবে প্রতিবারই যেনো নতুন করে পাহাড় আমায় মুগ্ধ করে। রোয়াংছড়ি পুলিশ থানা থেকে অনুমতি নিয়ে আমরা চলে যাই কচ্চছপতলি। সেখানেও ভোটার আইডি কার্ডের কপি জমা দেয়া লাগে অনুমতি নেবার জন্য #:-S

ছবিঃ লিরাগাঁও আর্মি ক্যাম্প :D
লিরাগাঁও আর্মি ক্যাম্পে অনুমতি মিললেও, মিললো না ক্যাম্পিং এর পার্মিশন। পরে উনারা বললো, শীলবাঁধা থাকতে হলে অবশ্যই থানা থেকে লিখিত অনুমতি নিয়ে যেতে হবে। পরে স্থানীয় এক ভাইয়ের সাহায্যে আমাদের পার্মিশন মিলে। আমরাই একমাত্র ক্যাম্পিং করার অনুমতি পাই সেদিন :D B-)

ছবিঃ ট্রেকিং শুরু এখানে থেকে :)
এরপর মিনিট ১০ গাড়িতে এসে একটা ব্রীজের সামনে নামিয়ে দেয়। এখানে থেকে ট্রেকিং করে যেতে হবে শীলবাঁধা পাড়া। মাত্র ৩০মিনিটের ট্রেকিং পথ শীলবাঁধা পাড়া। তবে উঁচু পাহাড় খানিকটা অস্বস্তিতে ফেলে দিবে। এখানে খেয়াল করলাম পাহাড়গুলো জুম চাষের জন্য পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। অনেক পাহাড়ে বড় গাছ গুলোও কেটে ফেলা হয়েছে। না জানি কবে পাহাড় ধ্বসে সব ভেঙে পড়ে :||

ছবিঃ পাহাড় পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে :||
যাই হোক শীলবাঁধা পাড়ার শুরুতেই হলুদ-লাল-গোলাপী রঙের পাহাড়ী ফুল আমাদের শুভেচ্ছা জানায়। যখন ঢাল বেয়ে পাড়াও উঠলাম, তখন চোখ জুড়িয়ে গেলো। ছোট্ট একটা পাড়া, কিন্তু কত্ত ছিমছাম। ছবির মতো গোছানো, বাড়ি গুলোর উপরে লম্বা নারিকের গাছগুলো এই পাড়ায় যেনো আলাদা মুগ্ধতা যোগ করেছে। যেহেতু সময় কম, আমরা ব্যাগ রেখে ফ্রেশ হয়েই চলে যাই দেবতাখুমের উদ্দেশ্যে।

ছবিঃ শীলবাঁধা পাড়ার সৌন্দর্যে মুগ্ধ আমি :D
এই পাড়া থেকে মাত্র মিনিট ২০-৩০ হাঁটলেই দেবতাখুমের খুমের দেখা পাওা যাবে। এই সীজনে পানির স্রোত অল্প থাকায় স্বচ্ছ পানির দেকখা মিললো। দেবতাখুম আসার পথে ছোট্ট পাথুরে ঝিরি অতিক্রম করেই আমরা ভেলার দেখা পাই B-) বাঁশ দিয়ে বানানো একেক টা ভেলায় ২/৩ জন বসা যায়। দেখামাত্র দৌড়িয়ে আগেই ভেলা নিয়ে বাইতে শুরু করি। দুই পাশের উঁচু উঁচু ৬০০ ফিট পাহাড়ের মাঝে খুম ক্রমশ সংকীর্ণ হয়ে আসছে। এরপর তা কমে কমে ১০-১৫ ফিট থেকে ৩/৪ ফিট হয়ে গেছে। মাঝে আলো প্রবেশ করে কম, তাই অনেকটা অন্ধকার । আর পানি যেনো হিমশীতল ঠান্ডা। আমরা অনেক্ষন ভেলা চালালাম। কিছু ছবি তুললাম। এরপর চলে গেলাম শেষ মাথায়। সেখানে নেমে পানিতে ঝাপাঝাপি করে আবার ফেরার পালা। আসলে আসতে ইচ্ছা করেনা, কিন্তু সময় কম সন্ধ্যা হবে :-<

ছবিঃ অপার সৌন্দর্যে মহিমান্বিত দেবতাখুম ;)
দেবতাখুম নিয়ে অনেক মিথ আছে, অনেকে বলে আগে এখানে দেবতা ছিলো, মানুষ ডুব দিলে পাওা যেতোনা আর।তাই পূজা দিয়ে তাকে বশ করা হয়। আবার অনেকে বলে শাপ ছিলো বড়। তবে আর যাই হোক, এখানে কখনো পানি শুকায় না। বড় বড় মাছ আছে নাকি অনেক। আর পানির গভীরতাও অনেক বেশী। সাঁতার না জানলে কোনোভাবেই নামা উচিত না পানিতে :-0

ছবিঃ আমাদের ক্যাম্পসাইট :D
এরপর আমরা পাড়ায় ফিরে ফ্রেশ হয়ে দুপুরের খাবার খাই সন্ধ্যায়। এরপর পাড়ার পাহাড়ের নিচে ঝিরির পাশেই প্রস্তুতি নেই ক্যাম্পিং এর। তাবু করে ফেলি। আকাশ ভরার তারার নিচে আমরা প্রস্তুতি নিতে থাকি রাতের খাবারের। নিজেরাই রান্না করি রাত্রে। প্রচুর ঝালে মাখানো আলুভর্তা আর মুরগীর মাংস মুখে লেগে আছে। অপরিচিত ১০টা মুখ খুব সহজেই যেনো আপন হয়ে যায়। আমরা প্রায় সারারাত গান-আড্ডা দিয়ে জেগে থাকি। মাথার উপর আকাশ ভরা তারা, ঝিরি কলকলানি শব্দ, আর পাখির ডাক আমাকে মোহে ফেলে দেয়। রাতের আরেকটা আকর্ষন ছিলো ঝিরিতে চিংড়ি মাছ ধরা। রাত্রে মাছগুলো তীরের পানিতে আসে। এই সুযোগ মিস করিনাই ;) সবাই গভীর রাত্রে ঘুমিয়ে পড়ে ভোরে আবার নিজেদের রান্না করা খিচূড়ী আর ঝিরিতে রাত্রে ধরা চিংড়ি দিয়ে সকালের খাবার সেরে ফিরতি যাত্রা আরম্ভ করি।

ছবিঃ ফেরার পথে। আহারে, কবে যাবো আবারো পাহাড়ে ... :``>>
বিঃদ্রঃ শীলবাঁধা থাকতে হলে অবশ্যই থানা থেকে লিখিত অনুমতি নিয়ে যেতে হবে B:-)
এখনও অনেক পরিষ্কার শীলবাধা পাড়া আর দেবতাখুম। আমরা কোনো প্রকার প্লাষ্টিক পাইনি, আর নিজেরা ফেলেও আসিনি। দয়া করে কেও খাবারের প্যাকেট, পলিথিন, প্লাষ্টিক ফেলে এসে একেও জঘন্য বানিয়ে ফেলবেন না। মনে রাখবেন এটা শুধু আমাদের দেখার অধিকার আছে, এমন না। আমাদের ভবিষ্যতের জন্যও রেখে যেতে হবে B-)

মন্তব্য ২১ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (২১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে মে, ২০১৯ রাত ১:২৯

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: ভাল লাগল আপনার ভ্রমন বিত্তান্ত।

২০ শে মে, ২০১৯ রাত ১২:০৬

বর্ন ট্রাভেলার সোহান বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। আবারও ফিরে আসার আমন্ত্রণ থাকলো :)

২| ১৯ শে মে, ২০১৯ রাত ২:৩৯

বলেছেন: চমৎকার

২০ শে মে, ২০১৯ রাত ১২:০৬

বর্ন ট্রাভেলার সোহান বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। আবারও ফিরে আসার আমন্ত্রণ থাকলো :)

৩| ১৯ শে মে, ২০১৯ রাত ৩:৪১

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: এমন ট্রেকিংয়ে আমারও যেতে হবে। ছবিগুলো দেখেই বুঝা যাচ্ছে জায়গাটা ও অনেক সুন্দর।

২০ শে মে, ২০১৯ রাত ১২:০৭

বর্ন ট্রাভেলার সোহান বলেছেন: দেশকে দেখে ফেলুন ভাই বাইরের সবাই আসার আগে। অনেক সুন্দর দেশ আমাদের :)

৪| ১৯ শে মে, ২০১৯ সকাল ৯:৪৪

আপেক্ষিক মানুষ বলেছেন: ছবি গুলো দেখে মনে হচ্ছে এখনি চলে যাই! তাবুতে থাকার নিরাপত্তা কেমন? আর ওয়াশরুম? :P

২০ শে মে, ২০১৯ রাত ১২:০৮

বর্ন ট্রাভেলার সোহান বলেছেন: তাবুতে থাকতে হলে ওয়াশরুম নিয়ে ভাবতে হয়না রে ভাই! প্রকৃতি তো আছেই ;)

৫| ১৯ শে মে, ২০১৯ সকাল ১১:২৭

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: চান্দের গাড়ী :D সেই ওঠানামা ;)

ট্রেকিং করা লাগবে দেখতাছি। শীলবাঁধা পাড়াটা দ্বীপ দ্বীপ লাগতাছে B-))

বান্দরবানের ফ্রেন্ডটাকে ধরতে হবে B-)


চমৎকার একটা পোস্ট :)

২০ শে মে, ২০১৯ রাত ১২:০৯

বর্ন ট্রাভেলার সোহান বলেছেন: কোনো হেল্প লাগলে বলবেন ভাইয়া। আর হ্যা, বান্দরবান থেকে রোয়াংছড়ি, এতো এতো উঠানামা ;) মিস দিয়েন না :)

৬| ১৯ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১২:০২

নয়া পাঠক বলেছেন: ভ্রমণ আমার সদাই ভালো লাগে! আর ট্রেকিং! উফ্ ভয় শিহরণ, রোমাঞ্চ সব মিলে মিশে একাকার, সেই সাথে আবার ক্যাম্পিং একেবারে সোনায় সোহাগা।

২০ শে মে, ২০১৯ রাত ১২:১১

বর্ন ট্রাভেলার সোহান বলেছেন: চান্দের গাড়িতে রোলার কোষ্টারের স্বাদ, ট্রেকিং, ভেলায় কায়াকিং, পানিতে সাঁতার, তাবু করে ক্যাম্পিং, কি পাবেন না ভাই ! টোটাল প্যাকেজ এটা ;) আর ধন্যবাদ ভাই। আবারও ফিরে আসার আমন্ত্রণ থাকলো :)

৭| ১৯ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১:৫৩

জ্যোতির্ময় ধর বলেছেন: খুব সুন্দর ভ্রমন কাহিনী। আপনার জন্য শুভকামনা। আমিও তিনদিন আগে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ সাকাহাফং অভিযান শেষ করে ফিরলাম। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ সাকাহাফং থেকে ফেরার পথে, বেশ কয়েকটি ঝিরিপথ হেঁটে পার হতে হয়। এমনই একটি ঝিরিপথ ধরে আমরা এগোচ্ছিলাম। সাথে সঙ্গী রাজিবদা , পথপ্রদর্শক বিজয় এবং দব্রুদা (জিনা পাড়া) । এখানে উল্লেখ্য যে সাকাহাফং থেকে ফিরতি পথটাও , সাধারন অভিযাত্রীরা যে পথ ব্যবহার করে সেটা ছিল না , এটা ছিল থুইলাই পাড়া থেকে হাতের বামে মোড় নেওয়া একটা অচেনা ঝিরিপথ। ওমা ! ঝিরিপথটার একদম শেষপ্রান্তে এসে আমরা থমকে দাঁড়ালাম। সামনে প্রায় আধকিলোমিটার পর্যন্ত বয়ে গেছে ছোট একটি খাল আর খালের দুপাশে প্রকৃতির কারুকাজ করা অদ্ভুত সব পাথুরে বেদী। বোঝাই যায় বর্ষাকালে উঁচু পাহাড় থেকে নেমে আসা জল এই বেদীগুলোর মাধ্যমে খালে এসে পরে এবং এই বেদিগুলো রুপ নেয় প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা ঝর্নায়। প্রকৃত যেন নিজ হাতে সাজিয়েছে থানচির এই জায়গাটিকে। আমি নিশ্চিত বর্ষাকালে এই জায়গাটির সৌন্দর্য কোনক্রমে নাফাকুম কিংবা আমিয়াকুম থেকে কম উপভোগ্য হবে না। স্থানীয় দব্রুদা এবং বিজয়দার মতে এই জায়গাটি , প্রকৃতির এতই গহীনে যে , এখানে পাহাড়িরা সাধারনত আসে না , আর আমারা বাইরের লোক ত প্রশ্নই আসে না। জায়গাটার নাম “শেন্দা বোহমা” – ত্রিপুরা ভাষায় এর মানে হচ্ছে “দুর্গম জলাধার”। এই শেন্দা বোহমা থেকে আড়াই ঘণ্টা বামে হাঁটলে পাওয়া যায় আসল ভেলাকুমের (দেবতাকুমের) শেষ অংশ।খুব সুন্দর ভ্রমন কাহিনী। আপনার জন্য শুভকামনা। আমিও তিনদিন আগে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ সাকাহাফং অভিযান শেষ করে ফিরলাম। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ সাকাহাফং থেকে ফেরার পথে, বেশ কয়েকটি ঝিরিপথ হেঁটে পার হতে হয়। এমনই একটি ঝিরিপথ ধরে আমরা এগোচ্ছিলাম। সাথে সঙ্গী রাজিবদা , পথপ্রদর্শক বিজয় এবং দব্রুদা (জিনা পাড়া) । এখানে উল্লেখ্য যে সাকাহাফং থেকে ফিরতি পথটাও , সাধারন অভিযাত্রীরা যে পথ ব্যবহার করে সেটা ছিল না , এটা ছিল থুইলাই পাড়া থেকে হাতের বামে মোড় নেওয়া একটা অচেনা ঝিরিপথ। ওমা ! ঝিরিপথটার একদম শেষপ্রান্তে এসে আমরা থমকে দাঁড়ালাম। সামনে প্রায় আধকিলোমিটার পর্যন্ত বয়ে গেছে ছোট একটি খাল আর খালের দুপাশে প্রকৃতির কারুকাজ করা অদ্ভুত সব পাথুরে বেদী। বোঝাই যায় বর্ষাকালে উঁচু পাহাড় থেকে নেমে আসা জল এই বেদীগুলোর মাধ্যমে খালে এসে পরে এবং এই বেদিগুলো রুপ নেয় প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা ঝর্নায়। প্রকৃত যেন নিজ হাতে সাজিয়েছে থানচির এই জায়গাটিকে। আমি নিশ্চিত বর্ষাকালে এই জায়গাটির সৌন্দর্য কোনক্রমে নাফাকুম কিংবা আমিয়াকুম থেকে কম উপভোগ্য হবে না। স্থানীয় দব্রুদা এবং বিজয়দার মতে এই জায়গাটি , প্রকৃতির এতই গহীনে যে , এখানে পাহাড়িরা সাধারনত আসে না , আর আমারা বাইরের লোক ত প্রশ্নই আসে না। জায়গাটার নাম “শেন্দা বোহমা” – ত্রিপুরা ভাষায় এর মানে হচ্ছে “দুর্গম জলাধার”। এই শেন্দা বোহমা থেকে আড়াই ঘণ্টা বামে হাঁটলে পাওয়া যায় আসল ভেলাকুমের (দেবতাকুমের) শেষ অংশ।

২০ শে মে, ২০১৯ রাত ১২:১৩

বর্ন ট্রাভেলার সোহান বলেছেন: দারুণ অভিজ্ঞতা হয়েছে আপনার, সামনের শীতে সাকা যাবো ইনশা-আল্লাহ। আর ঈদের পর কেওক্রডং যাচ্ছি :)

৮| ১৯ শে মে, ২০১৯ রাত ৮:১৬

রাজীব নুর বলেছেন: খুব সুন্দর।

২০ শে মে, ২০১৯ রাত ১২:১৩

বর্ন ট্রাভেলার সোহান বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। আবারও ফিরে আসার আমন্ত্রণ থাকলো :)

৯| ১৯ শে মে, ২০১৯ রাত ৮:২৮

চাঙ্কু বলেছেন: সুন্দর ভরমন কাহানি!!

২০ শে মে, ২০১৯ রাত ১২:০৬

বর্ন ট্রাভেলার সোহান বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। আবারও ফিরে আসার আমন্ত্রণ থাকলো :)

১০| ১৯ শে মে, ২০১৯ রাত ১১:৩৮

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: ওয়াও!

২০ শে মে, ২০১৯ রাত ১২:০৫

বর্ন ট্রাভেলার সোহান বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই :)

১১| ২০ শে মে, ২০১৯ রাত ৮:৩০

সুমন কর বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। +।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.