নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিলনদ

মাহমুদুল হাসান কায়রো

যাযাবর, অান্তর্জাতিক যাযাবর।

মাহমুদুল হাসান কায়রো › বিস্তারিত পোস্টঃ

হেফাজতে ইসলামের পরাজয়ের অন্তর্নিহিত বিষয়গুলো।

১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৭:২০

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেন:



ادْعُ إِلَى سَبِيلِ رَبِّكَ بِالْحِكْمَةِ وَالْمَوْعِظَةِ الْحَسَنَةِ وَجَادِلْهُمْ بِالَّتِي هِيَ أَحْسَنُ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَنْ ضَلَّ عَنْ سَبِيلِهِ وَهُوَ أَعْلَمُ بِالْمُهْتَدِينَ



- তোমরা মানুষদেরকে তোমার প্রভুর দিকে আহ্বান করো হিকমতের মাধ্যমে এবং সৎ সৎ উপদেশের মাধ্যমে। আর যদি কখনো তদের সাথে আলোচনা বা তর্ক করার প্রয়োজন পরে তাহলে সর্বোত্তম পন্থায় তাদের সাথে আলোচনা করো। (তুমি তাদের কথা শুনো এবং তোমার কথা বলো)। - আর নিশ্চয়ই তোমার প্রভু ভালকরেই জানেন কারা তার দীন থেকে সরে গিয়েছে এবং কারা তার দীনের উপর আছে। (এ বিষয়টি তোমাদের না)



তাবলিগ জামাতের মানুষেরা এই আয়াতটি মোটামোটি ভাবে পালন করে থাকে। তারা মানুষের নিকট দাওয়াত নিয়ে যাবার আগে অনেক গুলো বিষয় খেয়াল রেখে তারপর অগ্রসর হয়। যেমন:



যার নিকট দাওয়াত নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তার মানসিক অবস্থা বর্তমানে কেমন। তার ব্যস্ততা কতটুকু। সে কি কথা বলার মুডে আছে কি নাই। সর্বোপরি সে কি দীনের কথা শুনার মতো সময় দিতে পারবে কি না। এই সবগুলো বিষয় লক্ষ রেখেই তবে মানুষের নিকট দাওয়াত নিয়ে তাবলীগের লোকজন অগ্রসর হয়। এতে কাজ হোক না হোক অন্তত হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে। যেমনটা হয়েছে হেফাজতে ইসলামের পাঁচ ই মে'র কালো রাত্রে।







উপরের আয়াতে হেকমত শব্দটি ব্যপক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। যাকে সঠিক সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত করে শেষ করা যাবে না। তবে মোটামোটি ভাবে বলা যায়, উভয়ের মাঝে সম্মানসুচোক ব্যবহারের মাধ্যমে সঠিক আলোচনার পরিবেশ সৃষ্টি করে তবেই কারো নিকট দাওয়াত নিয়ে যাওয়া উচিত। (তা না হলে তারা আল্লাহর কালামের সাথে বেয়াদবি করতে পারে।) হ্যা, তারপর যদি তারা দাওয়াত গ্রহন না করে তবে জেনে রাখো যে, আল্লাহ তায়ালা জানেন যে তারা আল্লাহর দীনের উপর নাই। (এখানে এটাও বলা সম্ভব যে: মানে তোমরা এটা নিয়ে এতো বাড়াবারি করো না)







- এখানে বাংলাদেশের অন্যতম আলেমে দীন আল্লামা শফি সাহেবের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করা আমার উচিত না তবুও একজন দেশ প্রেমিক ব্লগার হিসেবে দু'একটা মনের কথা লিখছি মন কে বুঝ দেয়ার উদ্দেশ্যে।

---



কিছু চড়ম বাস্তবতা:

বাস্তবতা এই যে- শুধু বাংলাদেশই নয় বরং ভারত পাকিস্তান ও বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিরাট একটা পরিবর্তন আসা এখন সময়ের দাবী। দূর্নীতির মাউন্ট এ্যভারেস্টে উঠা এই তিন দেশের শাষন ব্যবস্থা একেবারেই অগ্রহন যোগ্য। এটা আজকের সৃষ্টি নয়, বরং ভারতবর্ষ থেকে ইংরেজরা চলে যাবার পরথেকেই চলে আসছে। ইংরেজ আমলে ইংরেজরা দূর থেকে এসে আমাদের উপর জুলুম করতো কিন্তু তৎপরবর্তী শাষকরা ঘরে বসে আমাদের উপর জুলুম করছে। আমাদের ঠকাচ্ছে। শুধু মাত্র নিজেদের দলের শক্তি বাড়াতে তারা গ্রমের ছোট্ট ছেলেটিকেও ডেকে নিয়ে যাচ্ছে মিছিলে। তারপর তাদের হাতে তুলে দিচ্ছে অস্র। ক্ষমতাসীন দলের কলেজে পড়ু্যা ছেলেটির হাতে বন্দি এলাকার সব নিরস্র নিরাপরাধ মানুষ। এই কালচার পরিবর্তনের কোনই আভাষ নেই বরং দিন দিন কলেজ থেকে হাইস্কুলের ছেলেরাও হাতে পেয়ে যাচ্ছে অস্র। এটা শুধুমাত্র নিজেদের দলের ক্ষমতা বৃদ্ধির নেশায়। ক্ষমতায় দীর্ঘদিন থাকার আশায়। সরকারে যেই আসুক এই নীতি থেকে ফিরে আসার কোন ইংগিত কেহ দিচ্ছে না। যারফলে সাধারন মানুষের মনে আতন্ক ভর করছে অনেকদিন থেকেই। এই আতন্ক থেকে মুক্তির এক মাত্র পথ তরুনদের জাগরন। সেই পথের প্রথম দড়জা খোলে দিয়েছে আরবের তরুনেরা। আসলে তরুনদের কোন দেশ নেই নেই কোন সীমানা। তাদের সকলের বুঝ এক। তারা কেবল মানুষের মুক্তির গান গায়। তাই এক তরুন মাথা উচু করে দাড়ালে তার সাথ দেয় হাজারো তরুন। সে যে কোন সমাজের হোক না কেন। হোক না যে কোন ধর্মের। তাই আরবের বসন্তের পর স্বাভাবিক ভাবেই আমাদের অন্চলে একটি তরুন জাগরন আশা করেছিল সবাই। কিন্তু আমাদের তরুনরা রাজনীতি দ্বারা এতো বেশি প্রভাবিত যে রাজনীতির সৃঙ্খল ভেংগে সাম্যের গান উচ্চ কন্ঠে গাওয়ার সাহস পাচ্ছে না। এমন সময় শাহবাগের তরুনদের আবির্ভাব হলো। তাদের নিকট চাওয়ার ছিল অনেক কিছু। সাগর সম ক্ষুধা নিয়ে মানুষ তাকিয়ে ছিল তাদের পানে। সবাই ভাবছিল তরুনরা মুখ যখন খুলেছে এবার বুঝি সকল অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে।কিন্তু এখানেই মানুষের মনের সমস্ত ক্ষুধা মিটল না। ঠিক এমন সময় আবার কন্ঠ উচু করে কথা বললো 'হেফাজতে ইসলাম।' বাংলাদেশের সাধারন মুসলমানের অনেকেই হেফাজতের ১৩ দফা না পড়েই তাদের সাঠে কন্ঠ মিলালো। কারণ, তারা রাজনীতির একটা পরিবর্তন চায়। অনেকে হেফাজতের ১৩ দফা আদায় চায় অনেকে চায় রাজনৈতিক অমুল পরিবর্তন, সেটা যার হাত ধরেই আসুক। বিরোধী দলও নিজেদের ভোটের লাভ দেখে আন্ডা দেখিয়ে সবাইকে নিয়ে এলেন শাপলা চত্তরে। সরকারি দল দান্ডা দিয়ে হেফাজতকে পাঠিয়ে দিলেন শুরুর চেয়েও পিছনে।

---



কোথায় কোথায় হেকমতের ভূল:

হেফাজতে ইসলাম দাবি করছে তাদের কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নাই। তারমানে এটা সম্পুর্ন আল্লাহ তায়ালাকে খুশি করার উদ্দেশ্যে তারই দীনকে প্রতিষ্ঠিত করার দাবি বা দাওয়াত। তাহলেতো অবশ্যই আল্লাহ তায়ালার দেয়া রুল (উপরোল্লেখিত আয়াত) মেনে তবেই দাওয়াত নিয়ে যেতে হবে।



১) সময় অনুকূলে ছিল না।

- সামনে নির্বাচন। কাজেই এখন যে কোন আন্দোলন, মিছিল, মিটিং সবই নির্বাচন দ্বারা প্রভাবিত হবে। আপনি না বললেও আরেকজন বলবে এটাই স্বাভাবিক।



২) পরিস্থিতি অনুকুলে ছিলো না।

- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ সৃষ্টির পর থেকে দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা রাজাকার সমস্যা। সেই বিচার কার্যক্রম চলছে এবং এই বিচারের প্রধান আসামীগুলো কোন এক ইসলামী দলের প্রধান। যাদের রেপুটেশন দেশের ভিতর বেশি ভাল না। এমত অবস্থায় তারা আপনাদের সাথে থাকলে আপনাদের দাবি কখনোই সচ্ছ হবে না, মানেন আর না মানেন এটাই স্বাভাবিক।



৩) যাদের নিকট দাবি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে (মানে সরকার পক্ষ) তারা বলছে আলোচনা করা হবে। যদিও তারা সঠিক কোন দিক নির্দেশনা দিচ্ছিলো না তথাপিও যেহেতু অনেকদিন আপনারা অপেক্ষা করতে পেরেছিলেন তাহলে কি তাদের আরো কিছুদিন সময় দিয়ে আলোচনার পরিবেশ তৈরি করা যেত না।



৪) الْمَوْعِظَةِ الْحَسَنَةِ বা উত্তম বাক্যালাপের অভাব। শাপলা চত্তরে নিজেরা মাইক ভাড়া করে দেশের প্রধান প্রধান আলেমরা অনেক ক্ষেত্রেই ভাষা সংযত করতে পারে নি। তারা কথায় কথায় হুমকি ধামকি দিয়ে বক্তব্য রাখছিল। এটাতো সত্য যে ইসলামা কখনো তরবারীর দ্বারা প্রসার হয় নি, ইসলাম প্রসার হয়েছে এর আদর্শের মাধ্যমে। তবে কেন আদর্শ দূরে রেখে হুমকি ধামকি? এমনিতেই আলেমরা একটু শক্ত হয়ে দাড়ালে তাদের জঙ্গি বলে আখ্যায়িত করা হয়।



৫) কাদের জন্য দাওয়াত দিচ্ছেন। মনে রাখতে আপনারা যদি বাংলাদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চান তাহলে অবশ্যই বাংলাদেশীদের সাথে ভাল ব্যবহার করে তাদের মন জয় করতে হবে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, এ দেশের কৃষ্টি কালচার, ও ঐতিহ্যকে সম্মান দেখিয়েই চলতে হবে। কিছু কিছু বিষয় ভাল না লাগলে স্কিপ করে যেতে হবে কিন্তু তাকে অবজ্ঞা করা চলবে না।



৬) বাচাঁও ঈমান বাচাঁও দেশ আহমদ শফির নির্দেশ।

তবে কি সবাই আল্লাহর নির্দেশে পালন করতে শাপলা চত্তরে যায় নি? কেন এমন শ্লোগান? কেন এমন ব্যানার?



৭) মানুষকে ভূল বুঝানো: পাঁচ ই মে'র বিক্ষোভের আগে সাধারন মানুষকে যা ইচ্ছা তা বুঝানো হয়েছে। আপনাদের ছেলেরা মানুষদের বুঝিয়েছে ব্লগার মানেই নাস্তিক। নাস্তিক মানেই তাদের ফাসিঁ দেয়া ঈমানি দায়িত্ব। মসজিদে মসজিদে এমন অনেক ভূল বুঝিয়ে মানুষের সাপোর্ট সংগ্রহ করার চেষ্টা করা হয়েছে।



৮) আপনারা বারবার বলছেন জামাত শিবিরের সাথে আপনাদের কোন সম্পর্ক নাই তাহলে কিভাবে শিবিরের সবচেয়ে বড় অনলাইন একটিভিষ্ট টিম বাশের কেল্লার বিশাল ব্যানার আপনাদের মিটিং এর সামনে থাকে?



৯) অনলাইনে মিথ্যাচার: আপনাদের অনলাইন এ্যকটিভিষ্ট টিম শিবিরের বাশের কেল্লার সাথে মিলে দুনিয়ার ডাহা ডাহা মিথ্যা প্রচার করে চলেছিল। তারা এক জাগার ছবি আরেকজাগায় লাগিয়ে মানুষের করুনা পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল। আরে ইসলাম কি করুনা পাবার ধর্ম? ইসলাম কি মিথ্যা প্রচারনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করতে হবে? ইসলাম হলো সত্য ধর্ম সুতুরাং সবসময় সত্বের উপর থাকতে হবে এতে বিজয় আসুক আর নাই আসুক।



১০) শিশু কিশোর কেন আন্দোলনে। না বালেগ ছেলে পেলে যাদের অনেকের উপর নামাজই ফরজ হয় নাই তাদের নিয়ে আসছেন কয়েকটি নফল বাস্তবায়নের উদ্দশ্যে। কেন?

--



অনেকে বলছেন এটা আমাদের পরাজয় নয়;



অনেকে বলবেন এটা আমাদের পরাজয় নয় বরং যারা মারা গিয়েছে তারা শহীদ হয়েছে। আমরা যারা লড়াই করেছি তারা আল্লাহর পথে লড়াই করেছি। তাদের কাছে আমার প্রশ্ন:



- আজ যদি আল্লাহর রাসুল জীবিত থাকতেন আর তার অনুসারিরা যদি এভাবে মার খেয়ে ফিরে আসতো তাহলে কি তিনি আনন্দ পেতেন না কষ্ট পেতেন?



আপনারা বক্তব্যে বার বার বলেছেন আমরা শহীদ হৈতে এসেছি, কিন্তু কেন?

আপনাদের কি গাজী হইতে আশা করে না?

ইসলামের পথে আর কতো মার খাবে আলেম সমাজ?

কেন ইসলামের সেনানীরা বার বার পরাজয় বরন করবে?

কেন আল্লাহর শিক্ষায় শিক্ষিত জাতি সমাজে তৃতীয় শ্রেনির মানুষের মর্যাদা ও পাবে না?

কেন সারা জীবন সাদা সিদে জীবন যাপন করা মুমিন ব্যক্তির ছেলেটি পুলিশে বারিতে অংগহানি হয়ে পরে থাকবে সারাজীবন?

কেন চটপটে ছেলেটি ঈদের মাঝে আনন্দ বাদ দিয়ে ছুড়ি হাতে নিয়ে চামড়ার জন্য দৌড়াবে সরাবছর খানা জারির রাখার লোভে ?

কেন সুন্দর সুন্দর নাম থাকা সত্বেও ছোট্ট ছেলেটিকে হুজুর বলে ডাকবে? তবে কি কোথাও ভূল হচ্ছে??

২০১৩ সালে এসে গনতান্ত্রীক এই বিশ্বে জোড় করে কি কোন আইন পাশ করিয়ে সেটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব? কোথায় আমাদের দূর্বলতা সেটা খোজার সময় হয়ত এসেছে।

--



হেফাজতে ইসলামের জন্য একটি বার্তা:

আপনারা অবশ্যই জানেন যে মিসরের মুসলিম ব্রাদারহুড হলো বিশ্বের সকল ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর আদর্শ। হুসনি মোবারকের পতনের পর মুহাম্মদ মুরসির নেতৃত্বে ব্রাদারহুড ২৩৫ টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা ও দলীয় সংখ্যা গরিষ্ঠ থাকার পরও ব্রাদারহুডের মুহাম্মদ মুরসি এখন পর্যন্ত মুখ দিয়ে বলার সাহস করে নাই যে আমরা ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করবো। কাজেই বিষয়টি খুব খেয়াল করে চলতে হবে।





যদি এমন হতো:

আপনাদের ডাকে কম করে হলেও সারা দেশে ৩০ থেকে ৪০ লাখ ছেলে পেলে সারা দিয়েছে। যদি ইসলামী শিক্ষার পাশাপাশি এই ৪০ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ ডাক্টার থাকতো? যদি ২ লক্ষ ইন্জিনিয়ার থাকতো? যদি ২০ হাজার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেফেসর হতো? যদি সরকারের বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ে আপনাদের কয়েক হাজার লোক থাকতো তবে কি আজ রাতের অন্ধকারে আপনাদের উপর কেহ গুলি ছুড়ার সাহস পেতো? যদি সেনাবাহিনির উচ্চ পর্যায়ে আহমদ শফির ছেলে থাকতো তবে কি সে এই ধ্বংস যজ্ঞ চালানোর অনুমতি দিতো? দিতো না। তখন আপনাদের বলতে হতো না যে আমরা মৃত্যুর প্রস্তুতি নিয়েই এসেছি। আপনারা তখন একটা দাবি মুখ দিয়ে বের করতেন দেখতেন সাথে সাথে সেই দাবি আদায় হয়ে গেছে। তখন ইসলাম অবমাননাকারি বিচার চেয়ে মুখ ব্যথা করতে হতো না কারন তখন কেহ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহিসসালাম কে নিয়ে কটুক্তি করার সাহসই পেতো না। দেশেও এমন কালো ছায়া পরে থাকতো না। মানুষের মন ভরাক্রান্ত থাকতো না। সোনারবাংলাদেশে গড়া তখন অনেক শহজ হতো। আপনারাই পারতেন সোনার বাংলাদেশ গড়ার ডাক দিতে। মানুষ আপনাদের সাপোর্ট দিতো।

মন্তব্য ৬৫ টি রেটিং +১২/-০

মন্তব্য (৬৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৭:৩১

রাইসুল নয়ন বলেছেন: বিশ্লেষণ ভালো লাগলো,
তবে হয়তো আপনার প্রশ্নের জবাব কারো কাছেই নেই :(


ভালো থাকুন ।

১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৭:৩৪

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

আপনিও আপনার মতামত লিখুন, আমরা জানি ও শিখি।

২| ১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৭:৪০

এক্সপেরিয়া বলেছেন: বিশ্লেষণ চরম হৈছে । উল্টাপাল্টা কাজ করলে পরাজয় হবেই ।

১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৭:৪৮

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: আমার দৃষ্টিতে তারা যেখান থেকে শুরু করেছিল তার থেকে অনেক পেছনে চলে গেলো।

৩| ১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৭:৪২

আলুমিয়া বলেছেন: খুবই সংযত ও ভাল লেখা। এমন লেখাই দরকার। কিনতু আমরা সবাই যদি গুছি য়ে চিন্তা করতাম তাহলে কতই না ভাল হত। আমি এই ব্যাপারটা বুঝি না - বাংলাদেশের ৯০% উপর মুসলমান। তাদের কেন মুসলমানিত্ব নিয়ে জোর করতে হবে? আর আপনি যেমন বলেছেন - ইসলামতো চাপিয়ে দেয়ার বিষয় নয়। খুব ভাল লাগল আপনার লেখা পড়ে।

১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৭:৫১

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: ৯০% মুসলাম ৯০% মুসলমান বলে মুখে ফেনা তুলে কি লাভ? ৯০% মুসলমান বড় কথা না কত পার্সেন্ট মুসলামন ইসলামি শাষন চায় সেটা দেখতে হবে।

৮০% মুসলমানই তো চায় হয় আলিগ না হয় বিম্পি, ব্যপরটা বুঝতে হবে।

৪| ১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৮:০৩

নাইট রিডার বলেছেন: হেফাজতের সমাবেশে বক্তারা (সম্ভবত আল্লামা শফী নিজেই) একটি কথা কয়েক দফায় বা কয়েক ভাবে বলেছেন। কথাটি হল হেফাজতকে ছাড়া বা ১৩ দফা মানা ছাড়া ক্ষমতায় যেতে বা থাকতে পারবেন না। যখন কিনা তারা বলছেন এই আন্দোলন অরাজনৈতিক তখন তারা কোনভাবেই এটা ডিক্টেট করতে পারেন না এক ক্ষমতায় যাবেন বা যাবেন না।

এটা ঠিক যে আমাদের দেশে ধর্ম একটা বড় নিয়ামক ভোটের রাজণীতিতে, এর জন্য আমরা দেখি ভোটের আগে তসবী-স্কার্ফের ব্যবহার বা নেতা নেত্রীদের বিখ্যাত পীর আউলিয়াদের মাঝার জিয়ারত ইত্যাদি।

আর এ কারণেই যখন কোন সভা থেকে যখন বক্তব্য আসে কি করলে ক্ষমতায় যাওয়া যাবে বা থাকা যাবে তখন সে সভার উদ্দেশ্য আসলেও যদি থাকে অরাজনৈতিক তারপরেও মনে হয় এর একটা রাজণৈতিক দিক কোথায় যেন আছে

১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৮:০৯

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: আমার মনে হয় তাদের আসলেই কোন রাজনৈতিক পরিকল্পনা ছিল না কিন্তু যখন কোন বড় রাজনৈতিক নেতা তাদের সাথে এক টেবিলে বসছে তাদের কথায় জ্বি জ্বি করেছে তখনই তারা খেই হারিয়ে ফেলছে। এভাবে বলা যায়:

তাদের রাজনৈতিক কোন উদ্দেশ্য ছিল না আবার রাজনীতির প্রভাব মুক্ত ও ছিল না তাই রাজনীতির স্টাইলেই পিটানি খেলো।


খুবই মায়া লাগে ঐ নিরিহ পোলপানদের কথা মনে পরলে যারা অযথাই মাইর খাইছে।

৫| ১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৮:১১

মরু বালক বলেছেন:

..
..
কায়রো ভাই,
আপনার বিশ্লেষণ অনেক ভালো হয়েছে......
যে জিনিস গুলোর অভাবের কথা আপ্নে বলেছেন সেটি তাদের সবার চাওয়া ও বটে।
.......
আমি যখন বক্তব্য গুলো দেখছিলাম.. সাক্ষাৎকার গুলো দেখছিলাম... ৫ তারিখে সকালের দিকে, নিজের কাছে খারাপ লেগেছিল।
দাবী গুলোও সুন্দর ভাবে মানুষকে বলতে পারচিল না
.....
আপনি তো দেখেচেন, বিপ্লবের সময়ে তাহরির ময়দান থেকে .... তারা নিজেদের রেডিও, টিভি চালিয়েচে, রাতের বেলায় বিয়ের অনুষ্ঠান হয়েছে, আর নারীদের কথা বাদই দিলাম.........
...........
আর শিশু, আবাল, বৃদ্ধ বনিতা দিয়েই বিপ্লব হয়....
............
আর ৬,৮ নং আপনার সাথে মানানসই হয়নি.... এতো ঠুনকো ...
...
যেখানে জাতির পুরো ( আওয়ামী/বাম বাদে) অংশ নির্যাতিত, নিপীড়িত, অধিকার হারা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে, তখন দাওয়াত আর জিহাদ(বিপ্লব) দুটোকে দুভাবে দেখতে হবে।
..........
আমাদের সকল অযোগ্যতা দূর করে, যখন আপনি বাংলা বসন্তের ডাক দিবেন, তখন স্বার্থবাদী গোষ্ঠী, কায়েমি শক্তি গুলো এর চেয়ে বর্বর ভাবে প্রতিহত করতে নামবে...
.....
উমর ইবনে আব্দুল আজিজ থেকে শুরু করে উপমহাদেশে বেরলবি, তিতুমির, হাজি শরিয়ত উল্লাহ..... সহ যত জন বাহ্যিক দৃষ্টিতে পরাজিত হয়েছে...
তাদের সব সময় বিজয় ই ই
...
সময়ের যতকথা, ন্যায়, অন্যায় আর প্রতিবাদ।
..............
জনতা সাগরে বলে যেতে চাই
মুমিনের কোনদিন পরাজয় নাই

১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৮:২১

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: ধন্যবাদ মতামতের জন্য।

আমি মনে করিনা যে এখনই নারী শিশু নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে ঝাপিয়ে পরার সময় হয়েছে। আরেকটা জিনিস বুঝতে হবে যে, প্রত্যেকটি মাদ্রাসায় ইয়াতিমখানা থাকে সেখানের ইয়াতিমদের দায়িত্ব থাকে হুজুরদের উপরে। এইভাবে আন্দোলনে এয়াতিমদের আনা হলে তাদের কোন ক্ষতি হলে কত হৃদয়বিদারকই হবে বিষয়টা।

৬ নং নিয়ে কথা থাকতে পারে কিন্তু ৮ নং এর ব্যপারে আপনার কথা গুলো জানতে চাই।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে, তখন দাওয়াত আর জিহাদ(বিপ্লব) দুটোকে দুভাবে দেখতে হবে। কিন্তু দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারা কোন দফা রাখেন নাই। রাখলে ভাল হতো।

৬| ১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৮:২৬

নুরুল অমিন বলেছেন: বাইরে যখন ইসলাম অবমাননা করা হয় তখন এ দেশের মানুষ ব্যাপক লাফাঝাপা করে। কিন্তু দেশে যখন অতিতের সমস্ত রেকর্ড ভেঙ্গে ইসলামকে অবমাননা করা হল, তখন তার বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহনকারীদের আন্দোলনকে জাষ্টিফাই করা হচ্ছে। আমি মনে করি আন্দোলন ব্যার্থ হয় নি, বরং তিতুমীরের বাশের কেল্লার স্প্রীট দেখছি।এ আন্দোলনকে নানাভাবে বাধাগ্রস্থ করে এর প্রতিপক্ষগণ ইসলামের বিপক্ষে অবস্থান গ্রহন করেছে।

এ দেশে ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলন চরম অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের শিকার।ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যাকার বা রাজনৈতিক আলোচনাকারী প্রত্যেক ব্যাক্তি বা দল অবাঞ্চিত এ দেশে। এ দেশ শুধুই গাঁজাখোর ও তসবিটিপা তল্পিবাহক মোসাহেব নামধারী মুসলমানদের। ইসলামের গৌরবময় সমস্ত জিহাদ ও ঐতিহাসিক সব আন্দোলন শুধুই মিথ্যা ও ভ্রান্ত এ তথাকথিত ৯০% মুসলমানের(!) দেশে।

১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৮:৫৫

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: আমি চাইনা শকুনরা যুগের পর যুগ আমার মাংস ছিড়ে ছিড়ে খাক। আমি চাই এমন বীজ বপন করা হোক যা থেকে শক্ত ফল বের হবে যার মাংস ছিড়ে খেতে শকুন হায়না কিংবা শয়তানেও সাহস পাবে না।

৭| ১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৮:৩৪

তমাল৩১ বলেছেন: আপনার বিশ্লেষণ অনেক ভালো হয়েছে

১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৮:৫৬

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: ধন্যবাদ, আপনার মতামতগুলোও আমাদের জানাতে পারেন।

৮| ১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৮:৩৯

ইকবাল পারভেজ বলেছেন: হেফাজতিরা ভুল করছে, কারন তারা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত না| তো কায়রো সাহেব আপনি ও আপনার মত অনেক শিক্ষিত মুসলমান গত ৫ বছর ইসলামের জন্য কি করছেন?? সংবিধান থাইকা "আল্লাহর উপর বিশ্বাস" তুইলা দিছে, বিসমিল্লাহ তুইলা দিছে, বোরকা আর হিজাব পড়লে ক্লাশ থাইকা বের কইরা দেওয়া হইছে|আম্লীগ আরেকবার ক্ষমতায় আসলেই বাকীটা সাইরা ফেলবে আর আপনার মত আধুনিক মুসলামানরা নিরাপদ দুরত্বে বইসা ব্লগ লিখবেন| মাশাল্লাহ !!

৯| ১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৮:৩৯

মরু বালক বলেছেন:

৮ নং এর কথা হলঃ
ওরা যেমন প্রথম আলোর গল্প থেকে কোট করে, নিজেদের কথা বলার হাতিয়ার হিসেবে...(যা তাদের পক্ষে যাবে সব কিছুই করবে।)

এরশাদ সাহেব যখন পানি খাওয়ায়...... .... জাতীয় পার্টীর সাথে হেফাজতের ক্যান রাজনৈতিক সম্পর্ক নাই ???
..........
এ জন্যই বললাম ঠুনকো..

১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৯:০১

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: পরথম আলুর সাথে পাল্লা দিতে গিয়ে আদর্শ্ব বিচ্যুত হয়ে পরলে চলবে না।

বাশের কেল্লা পেইজে আমার লাইক দেয়া আছে তাদেরকে কোন ভাবেই সাপোর্ট করা যায় না। তারা দেশবিরোধী অনেক প্রচারনাও চালায়।

৭ ও ৮ ই মে তারা নতুন করে বিডিআর বিদ্রোহ উস্কিয়ে দিচ্ছিল যা আমি অনেক বড় অপরাধ বলেই মনে করি।

১০| ১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৮:৪৯

মরু বালক বলেছেন:

@ ইকবাল পারভেজ :
নরম ভাবে কথা বলুন।
আর আমার মনে হয় আপনার এন্টেনায় মূল থিম টুকু এখনো ধরে নাই..
(ভাইয়ে ভাইয়ে ঝগড়া করতে নাই)

১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৯:০৩

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: তাকে আমি স্কিপ করে গেছি।

১১| ১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৯:১৫

মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: জাজাকাল্লাহ খায়র... ভাল লিখেছেন... বিশ্লেষনটা ভাল লাগল।

এই চিন্তাগুলো আমিও করছিলাম। ব্যস্ততার কারণে আপনার মত গুছিয়ে লিখতে পারিনি। আমার ভাবনাটা এখানে দেখতে পারেনঃ
হেফাজতে ইসলাম এর আন্দোলন এবং কিছু কথা...

আমার কাছে মনে হয়েছে, ৯০% মুসলমানের এই দেশে অধিকাংশ মুসলমানের ঈমানের বুঝ ও আ'মাল এ বড় ধরণের ঘাটতি রয়েছে যেটা একটা পর্যায়ে না উঠলে মানুষ নিজেকে মুসলমান হিসেবে দাবী করবে ঠিকই, কিন্তু তার সামনে যখন আল্লাহ বিধান পেশ করা হবে, সেটা সে মানতে পারবে না বা বিধানকে কথা বা কাজের দ্বারা অস্বীকার করে ঈমান হারা হয়ে যাবে। তাই মানুষের ঈমান ও আ'মাল এর উপর আগে মেহনত করতে হবে।

ইসলাম পেশী শক্তি দ্বারা হুকুমতে প্রতিষ্ঠিত হবে না। তাক্বওয়া এবং আল্লাহর গায়েবী মদদেই ইসলাম দুনিয়াতে আসবে ইনশাল্লাহ। সেজন্য মুসলমানদের ধৈর্য ধরে ঈমান ও আ'মাল এর মেহনত করতে হবে আর আল্লাহর কাছে বেশী বেশী দোয়া করতে হবে।

ভাল থাকবেন।

১৫ ই মে, ২০১৩ দুপুর ২:১৮

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: ঠিকাছে, পড়ে তারপর কমেন্ট করবো।

১২| ১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৯:১৫

হ্যারিয়ার টু বলেছেন:
valo likhechen

১৬ ই মে, ২০১৩ রাত ১২:৪৬

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৩| ১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৯:২১

সাইবার অভিযত্রী বলেছেন: নুরুল অমিন বলেছেন: বাইরে যখন ইসলাম অবমাননা করা হয় তখন এ দেশের মানুষ ব্যাপক লাফাঝাপা করে। কিন্তু দেশে যখন অতিতের সমস্ত রেকর্ড ভেঙ্গে ইসলামকে অবমাননা করা হল, তখন তার বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহনকারীদের আন্দোলনকে জাষ্টিফাই করা হচ্ছে।

ইকবাল পারভেজ বলেছেন: হেফাজতিরা ভুল করছে, কারন তারা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত না| তো কায়রো সাহেব আপনি ও আপনার মত অনেক শিক্ষিত মুসলমান গত ৫ বছর ইসলামের জন্য কি করছেন??

১৬ ই মে, ২০১৩ রাত ১২:৫০

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: হেফাজতে ইসলাম কি ভূল করতে পারে না?? তারা কি ভুলের উর্ধে?

হ্যা, আমরা দেশের জন্য কিছু করতে পারছি না এটা খুবই সত্য।

১৪| ১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৯:২১

আলাউদ্দীন বলেছেন: আপনার বিশ্লেষন ভাল লেগেছে যদিও কয়েকটি ব্যাপার পক্ষপাত দুষ্ট মনে হয়েছে।তথাপি আপনার একান্ত ব্যক্তিগত বিশ্লেষন বিদায় স্কিপ করলাম।

১৬ ই মে, ২০১৩ রাত ১২:৫৯

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: কোন কোন পয়েন্ট গুলো পক্ষপাতমুলোক মনে হয়েছে বললে ভাল হতো।

১৫| ১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৯:২৩

মুর্তজা হাসান খালিদ বলেছেন: হাসান ভাই, সুন্দর বিশ্লেষণ করেছেন আপনি, আমাদের পলিসি মেকারদের কি এই সব বিষয় মাথায় আসেনা !

জনসম্পৃক্ত ছাড়া কোনো আদর্শবাদী আন্দোলনই সঠিক মার্গে পৌছাতে পারেনা। আমার লেখাটা পড়ে দেখার অনুরোধ রইলো

১৬ ই মে, ২০১৩ রাত ১:০১

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: ধন্যবাদ কমেন্টের জন্য।

আপনার লিন্কে আপনার ব্লগ চলে আসে নির্দিষ্ট কোন পোষ্ট সিলেক্ট করেন নি, সতুরাং কোনটা পড়ব?

১৬| ১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৯:৪৪

শিপু ভাই বলেছেন:
খুব সুন্দর করে বিশ্লেষন করেছেন।
প্রতিটা পয়েন্টই যৌক্তিক। সহমত পোষন করছি।

১৫ ই মে, ২০১৩ দুপুর ২:২০

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: আপনারা গিয়ানিরা কলম না ধরলে এই অধমদের কলম ফসকে দু'একটা কথা তো বের হবেই ....

যাক ফসকে পরা আবোল তাবোল আল্পনা যে আপ্নার ভাল লেগেছে জেনে পুলকিত হলাম....:)

১৭| ১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ৯:৫৩

সুজাহায়দার বলেছেন: আপনার লিখা পড়লাম, ভাল হয়েছে। আসলে আমাদের মধ্যে ধৈর্য ধরার ক্ষমতা কমে গেছে, বেড়ে গেছে লোভ। লোভের কারনে আজ এ অবস্থা।

১৬ ই মে, ২০১৩ রাত ১:০২

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: লোভ বলব না বলব দুরদর্শিতার কিছুটা ঘাটতি।

১৮| ১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ১০:০৮

কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: আপনার লেখা পড়তে গিয়ে নাসিরুদ্দীন হোজ্জার একটা গল্প মনে পড়েগেল। গল্পটা এ'রকম :

একবার নাসিরুদ্দীন হোজ্জার ঘরে চুরি হয়েছে। সবাই ঘটনা শুনে নানা কথা বলছে। কেউ বলছে 'ঘরের দরজা ঠিকমত বন্ধ করা হয় নাই', কেউ বলছে 'আরো সাবধান হওয়া উচিত ছিল', কেউ বলছে 'পাহারার ব্যাবস্থা কেন কর নাই', এমনকি অনেকে এটাও বলছে যে 'ঘরে দামি জিনিস রাখাই ঠিক হয় নাই' ইত্যাদি ইত্যাদি। সবকিছু শুনে নাসিরুদ্দীন হোজ্জা খুবই দু:খের সাথে বল্লেন - 'সবাই শুধু আমার দোষই দেখল, যে ব্যাটা চুরি করল তার কি কোন দোষ নাই? তাকে কি সাস্তি দেয়া হবে না?'

তো আপনার লেখাটা পড়ে আমারও বলতে ইচ্ছে করছে - সব দোষ/ভুল/দুর্বলতা শুধুই হেফাজতিদের - যে আওয়ামী লীগ সরকার রাতের আঁধারে রাস্ট্রীয় সশস্র বাহিনী দিয়ে নিরীহ মানুষগুলোকে গুলি করে হত্যা করল, আহত করল ( না কি আপনি বিশ্বাস করেন সেদিন শাপলা চত্তরে কেউ হতাহত হয় নাই?) - তাদের কোন দোষ নাই? তাদের বিরুদ্ধে আমাদের কিছুই করার নাই? অথচ দেখুন ৯০ এ এরশাদ সরকার মাত্র দুইজন নুর হোসেন আর ড.মিলনকে হত্যা করার পরই ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল।

আপনারমত জ্ঞানী বুদ্ধিজীবিরা যারা সারাদিন মানবাধীকার, মানবিকতা, মুক্তচিন্তা, আধুনিকতা ইত্যাদির সবক দিয়ে বেড়ান তারা এই নিষ্ঠুরতা অমানবিক নৃশংসতার বিরুদ্ধে কলম না ধরে উল্টো মজলুমের দোষ খুজে বেড়ানোর আগ্রহ/উৎসাহ কিভাবে পান সেটাইতো আমাদের বুঝে আসে না। তবে কি আপনাদের চেতনার লাগাম অন্যকোথাও বাঁধা পড়ে আছে?

১৫ ই মে, ২০১৩ দুপুর ২:১৬

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: আপনার সুন্দর কমেন্ট প্লাস ফেসবুকে প্রাইভেটলি আপনার কমেন্টে লাইক দেয়ার কারনে আপনাকে স্পেশাল জবাব দিচ্ছি।

প্রথমত,,, ভাই অন্য কিছু বলে গালি দিয়েন কিন্তু ঐ বুদ্ধিজীবি বলে গালি দিয়েন না। তখন নিজেকে আর মানুষ মনে হয় না........

ভাই দেখেন,, আমি কিন্তু খুব করে বুঝাতে চেয়েছি যে আমরা সবাই আমাদের অন্চলে নিপিরিত। এতটা বেশি নিপিরিত যে একটি গণবিস্ফোরন খুবই দরকার। এখানেই কি সব ক্লিয়ার হয় নাই? ইভেন আমি হেফাজতের আন্দোলনকে আরেকটু এগিয়ে নিয়ে কিছুটা গনবিস্ফোরনের মতোও বললাম।

পাঁচ'ই মে'র রাত্রিকে কিন্তু আমি কালো রাত্রী বলেই সম্বোধন করেছি। কালো রাত্রির বলার মানেই কিন্তু বুঝা যায় সে রাত্রে কতটা পৈশাচিক ঘটনা ঘটেছিল ঐ রাতে।

আর ঐ রাতের অপরাধিদের বিচার দাবি করার জন্য অন্য পোষ্ট দিবো, এখানে শুধু এতটুকু বলতে চাই গণবিস্ফোরনের প্রয়োজনিয়তা আরো বেশি করে দেখা দিল।

আমি শুধু এটা বুঝাতে চেয়েছি, সামনে এমন আন্দোলনে আসলে যেন মার খেয়ে চলে যেতে না হয় সেই আনুসাংগিক বিষয় গুলো আগে থেকেই প্রস্তুত করে আসতে হবে। নিজেদের আরো যোগ্য করে তুলতে হবে।

সবশেষে মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১৯| ১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ১০:১৭

ভীতু সিংহ বলেছেন: অসাধারণ লিখেছেন। আল্লাহ্‌ পাক আপনাকে এরকম আরও যৌক্তিক লিখা পোস্ট করার সুযোগ দিন।+++

১৬ ই মে, ২০১৩ রাত ১:০২

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: আমিন।

২০| ১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ১০:৩৬

মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: তবে এটাও সত্য যারা আওয়ামী লীগের রাতের আধারে নির্বিচারে গুলি করে নিরীহ হেফাজতে ইসলামের আলেমে দ্বীন এবং তালেবে এলেমদের হত্যা করারে সমর্থন করছে, তাদেরকে মানুষ ভাবতে আমার সারা জীবন কষ্ট হবে।

ব্লগ আর ফেইসবুক দেখে তাদের চিনে রাখছি। আল্লাহ এদের সবাইকে সহীহ বুঝ পেতে সহায়তা করুন, আর যদি এরা জালিমদের পক্ষাবলম্বন করে, তবে এদের হাশর যেন জালিমদের সাথেই হয়, আল্লাহর কাছে সেই দরখাস্ত রাখলাম !!

১৬ ই মে, ২০১৩ রাত ১:০৪

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: বিনা বিচারে মানুষ হত্যা যারা সাপোর্ট করে তারা বিবেক হিন, আর বিবেক হিন মানুষ পাশুর চেয়ে কখনোই বেশি মুল্যবান নয়।

২১| ১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ১০:৩৭

মেহেদী হাসান মানিক বলেছেন: সব কিছুই ঠিক আছে। আপনার মূল বক্তব্য ছিল হেফাজতে ইসলামের পরাজয়ের কারণ উদ্ঘাটন তাই অন্য বিষয়ে কিছু বলার প্রয়োজন মনে করছি না। এখানে অনেকেই অনেক কথা বলেছেন। আপনি এক জায়গায় বলেছেন তাবলীগ জামাতের কথা এই কথাটা মনে ধরেছে। আমারো তাই মনেহয় ইসলামকে প্রতিষ্ঠা করতে মানুষকে মূল থেকে সচেতন করতে হবে ভূল বুঝিয়ে না যেটা হেফাজতে ইসলাম করেছে এবং ব্যার্থ হয়েছে। যখন মানুষ নিজের মন থেকে ইসলামের প্রতি টান অনুভব করবে তখন তাকে ভুল বুঝাতে হবে না।

১৬ ই মে, ২০১৩ রাত ১:০৫

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: আমি পরাজয়কে ভয় করছি না, সামনে না আরো দূর্দিন চলে আসে সেই চিন্তা করছি।

২২| ১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ১১:০২

অচিন.... বলেছেন: sundor lekha, r kangal murshider sathe kichu ongshe sohomot!

১৬ ই মে, ২০১৩ রাত ১:০৬

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৩| ১৫ ই মে, ২০১৩ সকাল ১১:০৩

তাসিম বলেছেন: হেফাজত + জামাত = আপনার প্রশ্নের উত্তর।

১৬ ই মে, ২০১৩ রাত ১:০৭

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: না, এটা বলা ঠিক না। এটা বললে তাদের জোর করে একদিকে চাপিয়ে দেয়া হবে। জামাত এবং তাদের মাঝে আকিদাগত ভাবেও পার্থক্য রয়েছে।

২৪| ১৫ ই মে, ২০১৩ দুপুর ১:৪৬

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর পোস্ট ।তাবলীগ জামাত শুধু মানুষকে ইমান আমলের দাওয়াত দেয়। জিহাদ করে না ।অন্যায়ের কঠোর প্রতিবাদ করে না ব্লা ব্লা ব্লা শুনতে হয়।অথচ তবলীগের কর্মপন্থাই প্রকৃত ইমানই আন্দোলন।পোস্টে ভাল লাগা রেখে গেলাম ।

১৭ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৫:১৭

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ সেলিম ভাই......

২৫| ১৫ ই মে, ২০১৩ দুপুর ২:০১

নেয়ামূল হক বলেছেন: আপাদত প্রিয়তে। মন্তব্য পরে......।

১৭ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৫:১৭

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: টিকাছে.......

২৬| ১৫ ই মে, ২০১৩ দুপুর ২:০৫

পাকাচুল বলেছেন: ইসলামে চরম পন্হার কোন স্হান নাই। এটা হেফাজতীদের বুঝতে হবে।

২৭| ১৫ ই মে, ২০১৩ দুপুর ২:০৭

আশরাফুল ইসলাম দূর্জয় বলেছেন:
এই সময়ে দাবিগুলোর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন আছে।
কিছু দাবি আছে যেখানে ফেরা সম্বব না।
তবে তাদের দাবি যদি একটিই থাকতো, ধর্ম বিদ্বেষীদের শাস্তি
তাহলে আন্দোলন ফল্প্রসূ হত।
আর রাজনৈতিক হেলে পড়াটা ও তাদের পরিচয়ে কালিমা লেপন করছে।

২৮| ১৫ ই মে, ২০১৩ দুপুর ২:১১

উপদেশ গুরু বলেছেন: কায়রো ভাই বিশ্লেসন ভালো হইছে কিন্তু আপনারে না জানি আবার নাস্তিক ট্যাগ দেয়। :-P :-P :-P

২৯| ১৫ ই মে, ২০১৩ দুপুর ২:২০

নিশ্চুপ শরিফ বলেছেন: ভালো লিকছেন। তবে তাবলীগের ব্যাপারে যা বলছেন তার সাথে একমত না। তাবলীগের লোকেরা কথায় যুক্তি বেশি থাকেনা আর এক ভাংগা রেকর্ড বাজিয়ে যায় সব সময়। আমাকে সেদিন বলল পৃথিবী আছে কচ্ছপের উপর, কচ্ছপ আছে মাছের ওপর। বুঝেন অবস্থা।

আশরাফুল ইসলাম দূর্জয় @ কোন কোন দাবী গুলার অযৌক্তিক? একটু বলেন। নারী পুরুষের অবাধ মেলা মেশা নিয়া দাবীটা? এইডস রোগ প্রতিরোধের বিজ্ঞাপনে কিন্তু খুব বড় করে বলা হত নারী পুরুশের অবাধ মেলা মেশা বন্ধ করার ব্যাপারে।

যাই হোক। সবারই ব্যক্তিগত ভিউ থাকে।

৩০| ১৫ ই মে, ২০১৩ দুপুর ২:৩৩

"চিত্ত যেথা ভয় শূণ্য, উচ্চ সেথা শির" বলেছেন: কাফের আর তাদের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই যারা রাতের অন্ধকারে ঘুমন্ত মানুষকে হত্যা করে

৩১| ১৫ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৪৩

ঘুড্ডির পাইলট বলেছেন: বয়স্ক মানুষ আর ছোট ছেলেগুলাকে সমাবেশে আনা ঠিক হয় নাই তাদের !

৩২| ১৫ ই মে, ২০১৩ রাত ৯:৪০

ইকবাল পারভেজ বলেছেন:
আমার কমেন্ট স্কিপ করছেণ, ভাল করছেন, ঐ গিলতে গেলে গলায় আটকাবে|

সেই রাতের গন হত্যাকে সমর্থনকারী ব্লগের চিন্হিত আম্লীগ ব্লগাররা যেহেতু পোস্টে বাহবা দিতাছে আর আপনি তাতে পুলকিত হইতাছেন, আর বুঝতে বাকী নাই আপনি উদ্দেশ্য|

আম্লীগের পোষা মালানা মাসউদের কথা মনে পড়লো :)

৩৩| ১৬ ই মে, ২০১৩ রাত ১২:৫১

কাজী মামুনহোসেন বলেছেন: শিপু ভাই বলেছেন:
খুব সুন্দর করে বিশ্লেষন করেছেন।
প্রতিটা পয়েন্টই যৌক্তিক। সহমত পোষন করছি।

৩৪| ১৬ ই মে, ২০১৩ রাত ১:১৯

মৃন্ময় বলেছেন: তোমরা মানুষদেরকে তোমার প্রভুর দিকে আহ্বান করো হিকমতের মাধ্যমে এবং সৎ সৎ উপদেশের মাধ্যমে। আর যদি কখনো তদের সাথে আলোচনা বা তর্ক করার প্রয়োজন পরে তাহলে সর্বোত্তম পন্থায় তাদের সাথে আলোচনা করো। (তুমি তাদের কথা শুনো এবং তোমার কথা বলো)। - আর নিশ্চয়ই তোমার প্রভু ভালকরেই জানেন কারা তার দীন থেকে সরে গিয়েছে এবং কারা তার দীনের উপর আছে। (এ বিষয়টি তোমাদের না

ভাই বিশ্লেষণধর্মী আরো লেখা চাই.......পোস্টে +++

৩৫| ১৬ ই মে, ২০১৩ রাত ১:৩১

রহস্যময়ী কন্যা বলেছেন: বিশ্লেষণধর্মী পোষ্ট।ভালো লাগলো। :)

৩৬| ১৬ ই মে, ২০১৩ রাত ১:৩২

বাংলার হাসান বলেছেন: উপনিবেশিক ও পরাধীন আমলের শাসন কাঠামো দিয়ে স্বাধীন দেশ যখন পরিচালিত হয়, তখন এর চেয়ে ভাল কিছু আশা করা, আর তেতুল গাছ লাগিয়ে ফজলি আম পাবার চিন্তা সমান।

৩৭| ১৬ ই মে, ২০১৩ রাত ২:২৮

প্রিন্স হেক্টর বলেছেন: কি আর কমু , হইছে কি, পুটি মাছরে সমুদ্রে হালাইলে যা হয় আরকি, পত্থম পত্থম বহুত ফালাফালি করে, পরে খবর হয়া যায় B-)) B-)) B-))

১৬ ই মে, ২০১৩ রাত ২:৪০

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: কোন কোন পুটি মাছের ভাব আবার এমন যে, সমুদ্রই তার উপরে আইসা পরছে....... :-P

৩৮| ১৬ ই মে, ২০১৩ ভোর ৪:৫৮

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: কি হয়েছে, কোনটা ভুল কোনটা শুদ্ধ জানিনা। ৫ ফেব্রুয়ারী থেকে ৫ মে পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনাবলীর রাজনৈতিক মেরুকরণ বিভিন্ন লাভ ক্ষতির হিসাব মেলাতে মেলাতে সব মিলিয়ে দেশে একটা বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে গেছে। এবং এই দুর্ঘটনার একটা বড় খেসারতের জন্য আমাদের সবারই প্রস্তুত থাকা প্রয়োজন। শুধু অনিশ্চয়তা এখানেই যে খেসারতটা ঠিক কিভাবে দিতে হবে সেটা বোঝা যাচ্ছেনা।

মাস পিপল সামলানোর অভিজ্ঞতা বিহীন অপরিপক্ক ব্লগারদের দ্বারা একটি গণ জোয়ার আর ব্লগারদের অপরিপক্কতার সুযোগে কিছু সার্থান্মেষী মহলের কুটচালের খেলার বলি সবাই। আর যে খেলার সবে শুরু। এখন শুধুই সামনে কিছু অনিশ্চিত ভয়ংকর দিন আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।

৩৯| ১৬ ই মে, ২০১৩ সকাল ৮:১২

মুর্তজা হাসান খালিদ বলেছেন: ওহ সরি ! ভুলে ব্লগ লিংক চলে গেছে, এই লেখাটা পড়ার অনুরোধ রইলো

৪০| ০৯ ই জুন, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৩

উড়োজাহাজ বলেছেন: বড় ধরনের একটা কমেনট করতে মন চাইছে। পরে করবো ইনশাআল্লাহ। পোস্ট পর্যবেক্ষণে রাখলাম।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.