নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হাজার হাজার অসাধারন লেখক+ব্লগারের মাঝে আমি এক ক্ষুদ্র ব্লগার। পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া লেখালেখির গুণটা চালিয়ে যাচ্ছি ব্লগ লিখে। যখন যা দেখি, যা মনে দাগ কাটে তা লিখি এই ব্লগে। আমার ফেসবুক এড্রেস: https://www.facebook.com/sohani2018/

সোহানী

আমি অতি বিরক্ত হয়ে আমার অনেক লিখাই ড্রাফটে নিয়েছি কারন সামুতে আমার কিছু ভাবনা শেয়ার করছি, আর এ ভাবনা গুলো আমার অনুমতি ব্যাতিরেকে কপি না করার অনুরোধ করেছিলাম কিন্তু যত্রতত্র আমার লিখার কপি পেস্ট দেখেই যাচ্ছি দিনের পর দিন।

সোহানী › বিস্তারিত পোস্টঃ

রেসিডিন্সিয়াল স্কুল অব কানাডা: কানাডিয়ান ইতিহাসে একটি অন্ধকার অধ্যায়

১৭ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১০:৪৬



২০২১ এর মে মাস, পুরো কানাডা আরেকবার স্তব্ধ হয়ে টিভির পর্দায় দেখছিল ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রভিন্স এ সদ্য আবিস্কৃত ২১৫টি আদিবাসী শিশুর কবর, এর মাঝে তিন বছরের শিশুর কবরও ছিল। এ পর্যন্ত প্রায় ১৩০০ এর মতো শিশুর অচিহ্নিত কবর পাওয়া গেছে বিভিন্ন জায়গায়। এবং এসব শিশুর মৃত্যু বেশীর ভাগই হয়েছে অত্যাচারিত হয়ে, সেক্সুয়াল এবিউজ হয়ে, রোগে ভোগে কিংবা আত্মহত্যা করে।

কিন্তু কেন? কি অপরাধ করেছিল এ ছোট্ট ছোট্ট শিশুগুলো। যাদের থাকার কথা মায়ের কোলে, কোন অপরাধে তাদের অকালে মরতে হলো?

এ প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে ফিরে যেতে হবে ১৮৭২ থেকে ১৯২১ সালের মাঝে। সে সময়ে ব্রিটিশ ক্রাউন কানাডায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কিছু আদিবাসী নেতার সাথে যথারীতি ব্রিটিশ বুদ্ধি খাটিয়ে প্রায় ১১টি চুক্তি করে। এসব চুক্তির অধীনে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য কানাডায় প্রবেশের অধিকার অর্জন করে এবং এর বিনিময়ে কৃষির জন্য যন্ত্রপাতি ও অর্থের বিনিময়ে জমি ক্রয়ের শর্ত যুক্ত ছিল। অতপর: ব্রিটিশ সাম্রাজ্য তাদের স্বভাবসূলভ দুপাক্ষিক চুক্তিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একপাক্ষিক বানিয়ে নেয় সই এর পরপরই। এবং সেই সাথে পূর্ণ উদ্যোমে নিজেদের অত্যাচারের কলাকৈাশল এপ্লাই করতে থাকে যথারীতি।



এ উৎপীড়নের ধারাবাহিকতায় ১৮৭৬ সালে কানাডিয়ান পার্লামেন্ট "ইন্ডিয়ান এ্যাক্ট" নামে এ্কটি আইন পাস করা হয়। সে আইনের আওতায় যেমন আদিবাসীদের জন্য নির্ধারিত রিজার্ভের বাইরে কোথাও যেতে পারবে না বা গেলে পারমিশন লাগবে তেমনি আদিবাসী শিশুদের শিক্ষা দেবার নাম করে নিজস্ব সংস্কৃতি, ভাষা, শিক্ষা, ধর্ম বা এমন কি পরিচয়ও মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র করে।

এ আইনের আওতায় শিশুদেরকে জোরপূর্বক পরিবার থেকে ছিনিয়ে নেয়া হতো ও ভর্তি করানো হতো ক্যাথলিক চার্চের আওতাধীন রেসিডিন্সিয়াল স্কুলে। ১৮৩১ সাল থেকে ১৯৯৬ সালে বন্ধ হবার আগ পর্যন্ত প্রায় ১৩৯ রেসিডিন্সিয়াল স্কুল চালু করে বিভিন্ন প্রভিন্স এ। প্রায় ১৫০,০০০ আদিবাসী শিশুকে এক কথায় নির্বাসন দেয়া হয় সেখানে এবং মৃত্যবরণ করে হাজার হাজার শিশু। অন্ধকার অপরিচ্ছন্ন, স্যাতস্যাতে পরিবেশ, বাসি পচাঁ নোংরা খাবার, অনাহার বা অর্ধাহার, রোগ-বিরোগ ছিল এসব শিশুদের নিত্যসঙ্গী। সেই সাথে কানাডিয়ান ভয়াবহ ঠান্ডাতো আছেই। এতো কিছুর সাথে আরো যোগ হতো এসব শিশুদের বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্টের সাবজেক্ট বানানো এবং অবলীলায় মৃত্যুর পথে ঠেলে দিতো এ ছোট ছোট শিশুদের।

আপাত: দৃষ্টিতে "শিশু শিক্ষা" নামের সহজ সরল তকমা আঁটা থাকলেও জটিল ছিল এ রেসিডিন্সিয়াল স্কুলের কাজকর্ম। যেমন বাচ্চাদেরকে যখন নেয়া হতো পরিবার থেকে তখন তাকে আশেপাশের কোন স্কুলে দেয়া হতো না, তাকে দেয়া হতো সর্বোচ্চ দূরের কোন স্কুলে। যাতে তারা কোনভাবেই পরিবারের সংস্পর্শে আসতে না পারে কিংবা বাবা-মা বা পরিবারের কেউ যেন তাদের সাথে যোগাযোগ করতে না পেরে। নিজেদের নাম, ভাষা, পোসাক, আচরন, ধর্ম সবকিছুই ছিল কঠিনভাবে নিষিদ্ধ সেখানে। কোন শিশু ভুল করে নিজেদের ভাষা বললে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হতে হতো তাকে, তাদেরকে বলা হতো ওটা শয়তানের ভাষা। আর ওই শয়তানের ভাষায় কথা বলার শাস্তি ছিল ভয়াবহ। এ ধরনের শাস্তি শিশুদেরকে করতো বাকরুদ্ধ, আতংকিত ও ট্রমাটাইজ। সে সব স্মৃতি তারা কখনোই ভুলতে পারতো না। কি কঠিন মানসিক বিপর্যয়ের মাঝে শিশুগুলো যেতো তার ছোট্ একটি উদাহরন পাওয়া যায় Jack Kruger এর বক্তব্যে। জ্যাক রেসিডিন্সিয়াল স্কুল থেকে বেচেঁ ফিরে আসা একজন আদিবাসী। যে আদিবাসীদের অধিকারের লড়াই এর সাথে যুক্ত।

১৯৫৬ এ জ্যাক যখন ৬ বছর বয়স তখন তাঁকে জোরপূর্বক মায়ের কোল থেকে কেড়ে নিয়ে ভর্তি করানো হয় St Eugene স্কুলে। nsyilxcən ভাষা ছিল জ্যাক এর মাতৃভাষা। স্কুলে পৈাছে নিজের ভাষায় কথা বলার অপরাধে তাকে অভুক্ত অবস্থায় চরমভাবে মারধর করা হয়। এবং এর পরবর্তী ৪০ বছর পর্যন্ত জ্যাক কখনই নিজের ভাষায় কথা বলার সাহস সঞ্চয় করে উঠতে পারেনি। শুধু তাই নয় এ ৬ বছর বয়সেই সে দেখেছিল তার বন্ধুকে দিনের পর দিন যাজকদের ধর্ষণ এবং অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে সে শিশুটির আত্মহত্যা। এরকম অসংখ্য মৃত্যু, হত্যা, অত্যাচার তাদেরকে বধির করে দিয়েছিল, তৈরী করেছিল বোধশক্তিহীন প্রানীতে।

স্কুলের ভীতরের চিত্র আর লোক দেখানো বাইরের চিত্র ছিল সম্পূর্ন ভিন্ন। ধর্মগুরুরা পুরো পৃথিবীকে দেখানোর চেস্টা করতো কি অপরিসীম যত্নে তারা সে সব শিশুদের পালন করছে। তাই ঘটা করে বিভিন্ন ছবি তুলতো ও তা প্রচার করতো। পরবর্তীতে বিভিন্ন গবেষনায় দেখা গেল সে সব ছবি কতটা ফেইক। প্রতিটি ছবির পিছনে লুকিয়ে আছে অসংখ্য অদেখা কষ্ট। আদিবাসী শিশুটির বাবার রক্তের বিনিময়ে আর্জিত সম্পদে যে সময়টিতে ক্রাউন চাকচিক্যময় জীবন কাটাতো সে সময়ে হয়তো অসংখ্য অভুক্ত শিশু ক্ষুধায় কান্না করেছে কিংবা মৃত্যু বরণ করছে।

২০০৮ সালে আদিবাসী ও সাধারন মানুষের ঐক্যবদ্ধ প্রচারনায় গঠন করা হয় একটি কমিশন, "Truth and Reconciliation Commission of Canada" এবং এ কমিশন রেসিডিন্সিয়াল স্কুলের কাজকর্মকে কালচারাল জেনোসাইড আখ্যা দেয়। যদিও ২০০৮ সালে ফেডারেল গভর্নমেন্ট ক্ষমা চায় এবং পরবর্তীতে অনেক কাঠখড় পোড়ানোর পর ও দিনের পর দিন ধর্না দেবার পর মাত্রই এ বছর ২০২২ সালে পোপ ফ্রান্সিস রোমান ক্যাথলিক চার্চের পক্ষ থেকে ক্ষমা প্রর্থনা করে আদিবাসীর কাছে।

আজো পুরো কানাডাবাসী গভীর কষ্টের সাথে স্মরণ করে সে সব শিশুদের, সে সব পরিবারকে, সে সব দুখী মা-বাবাদের।




এ লিখায় কিছু ছবি শেয়ার করলাম। সব ছবিই নীচের বিভিন্ন লিংক থেকে নেয়া। তবে এর মাঝে উপরের দু'টো ছবির কথা না বললেই নয়। ছবি দু'টিটে পাশাপাশি তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেছে, স্কুলে আসার পরপরই এবং এর কয়েক মাস পরের ছবি। যাতে দেখানো হয়েছে বাচ্চারা কিরকম কেতাদুরস্ত তৈরী হচ্ছে স্কুলের কল্যানে। নীচে Jack Kruger এর বর্তমান ছবি দিলাম পরিবারের সাথে।



সোহানী
নভেম্বর ২০২২


বি:দ্র: গত বছর শুরু করা লিখাটা শেষ পর্যন্ত ইতি টানলাম ফিচার প্রতিযোগীতাকে সামনে রেখে। ফিচার প্রতিযোগীতায় "ইতিহাস" ক্যাটাগরিতে লিখাটা দিলাম। যদিও এ বিষয় নিয়ে আরো অনেক কিছু লিখবো, এখানে শুধুমাত্র প্রাথমিক একটা ধারনা দিলাম।


সূত্র সমূহ:

https://sigmaawards.org/cultural-genocide-the-shameful-history-of-canadas-residential-schools-mapped/
https://indigenousfoundations.arts.ubc.ca/the_residential_school_system/
https://www.theguardian.com/world/ng-interactive/2021/sep/06/canada-residential-schools-indigenous-children-cultural-genocide-map
https://www.scientificamerican.com/article/canadas-residential-schools-were-a-horror/
https://en.wikipedia.org/wiki/Canadian_Indian_residential_school_system#:~:text=In Canada, the Indian residential,and administered by Christian churches.
https://www.thecanadianencyclopedia.ca/en/article/residential-schools
https://www.startresearching.com/blog/indian-residential-schools-a-troubled-history

মন্তব্য ৪৪ টি রেটিং +১৬/-০

মন্তব্য (৪৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:২৪

মনিরা সুলতানা বলেছেন: হ্যাঁ মনে আছে সমস্ত বিশ্ব স্তব্ধ হয়েছিল এই সংবাদে, এবং নিন্দার ঝড় ও বয়েগিয়েছিল। আমি কিছুটা পড়েছিলাম , কিভাবে বাচ্চাদের বাবা মায়েরা দেখা করতে এলে কালক্ষেপণ করা হত , সুন্দর পোশাকে সাজিয়ে আনা হত । এছাড়া সেই আদিবাসী বাবা মায়ের কষ্ট সঞ্চয় কিছু খাবার আনলে সেসব তারা পেত না।
পোস্টে ভালোলাগা আপু।

১৮ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ৭:৪৫

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ মনিরা।

শুধু তাদের জন্য আনা খাবারই নয় তাদের জন্য বরাদ্দকুত খাবারই জুটতো না কপালে। প্রতি রাতে ক্ষুধায় কাঁদতে কাঁদতে ঘুমাতো বাচ্চারা। কি ভয়ংকর মানুষ। ধর্মের নামে এরা আরো ভয়ংকর হয়ে উঠেছিল।

২| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:৩০

শাহ আজিজ বলেছেন: শিশুদের হাড়গোড় পাওয়ার খবর পড়েছিলাম ২১ সালে সম্ভবত । তারপর আর জানিনি কেন শিশুহত্যা হয়েছিল । তোমার লেখায় জানলাম , ধন্যবাদ সোহানী । আদিবাসিদের উপর ধর্মীয় কালাকানুন এভাবেই প্রয়োগ হয়েছিল এবং হচ্ছে ।

১৮ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ৯:২২

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ আজিজ ভাই।

ধর্মীয় কালাকানু শুধু আদিবাসিদের উপরই নয় সাধারন বোকা সোকা গরী দুখী মানুষগুলোর উপর ভাবেই প্রয়োগ হয়েছিল এবং হচ্ছে এবং হবে।

৩| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:৪৮

রানার ব্লগ বলেছেন: ধর্ম কে ব্যাবহার করে মানুষের উপর নির্মম অত্যাচারের ইতিহাস অনেক পুরানা । খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের কিছু উগ্রবাদী বা মৌলবাদী একসময়ে অনেক মানুষ হত্যা করেছে বিভিন্ন অভিযোগ এনে যার সবই ছিলো নিজেদের ধর্ম কে অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়ার অভিপ্রায়ে । আর এই ব্যাপারে গির্জার ফাদার ও নানরা সবার আগে এগিয়ে ছিলো যেমন এখন আছে মুসলমান ধর্মের কিছু ধান্ধাবাজ মৌ-লোভী !!!

১৮ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ৯:২৫

সোহানী বলেছেন: ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষের উপর নির্মম অত্যাচার আছে এবং থাকবে ততদিন যতদিন না মানুষ "ধর্ম" কে ধর্ম হিসেবে দেখবে, বিজ্ঞান না বুঝবে, জ্ঞানের আলো না পড়বে।

কেউই কারো চেয়ে কম নয়। গির্জার ফাদার ও নানরা, মৌলোভী, বৈাদবধ ভিক্ষু, হিন্দু পুরোহিত..........। এর চেয়ে নিরাপদ ধান্ধাতো আর কোথাও নেই।

৪| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:০৭

ঈশ্বরকণা বলেছেন: ২০২১ সালে এই খবরটা প্রথম কানাডিয়ান একটা ইনডিজেনাস গ্রূপ যখন সারা পৃথিবীকে জানায় তখন সংবাদসংস্থা এপি স্কুলের পরিচয় দিতে গিয়ে বলেছিলো "---Catholic Church-run residential school"। সে সময়ই ওয়াশিংটন পোস্ট এ নিয়ে তাদের নিউজের শিরোনাম করেছিল "Thousands of Canada’s indigenous children died in church-run boarding schools. Where are they buried?". প্রায় একবছর পরে এবছরের জুলাই মাসের দিকে রয়টার এই নিয়ে পোপের প্রতিক্রিয়া ছেপেছিল 'Pope says genocide took place at Church schools in Canada for indigenous children' শিরোনামে । তাই আমার মনে হয় আপনার লেখার শিরোনামেও 'রেসিডেন্টশিয়াল স্কুল অফ কানাডা' না হয়ে স্কুলের পরিচয়টা আরো স্পেসিফিক করে 'চার্চ রান বোর্ডিং স্কুল' বা ক্যাথলিক বোর্ডিং স্কুল জাতীয় কিছু হলে আরো ভালো হতো। তাতে শিরোনাম থেকেই অনেক স্পষ্ট হতো লেখার বিষয়বস্তু । লেখা সুন্দর হয়েছে ।

১৮ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ৯:৩৩

সোহানী বলেছেন: না এটাকে রেসিডেন্টশিয়াল স্কুল অফ কানাডাই বলা হয়। ক্যাথলিক চার্চের অধীনে পরিচালিত হলেও এটি ছিল ফেডারেল গভ: ফান্ডিং। যদিও এ ফান্ডিং এর লোভেই চার্চগুলো এমন ফাঁদ পেতেছিল। তারপরও চার্চের দায়ের সাথে সাথে ফেডারেল গভ: কে ও দায়ী করা হয়। বৃটিশ শেকল থেকে বের হতে পারেনি কানাডা তখনো, তাই এমন অত্যাচার নিয়ে কারো ভাবনায় আসেনি বা আনতে চায়নি।

তবে এ মূহুর্তে এটি কানাডার সবচেয়ে গুড়ুত্বপূর্ণ বিষয়ের একটি। স্কুল থেকে ইউনিভার্সিটি প্রতিটি ক্লাসে এ বিষয়টি পাঠ্য। তাই অনেক অনেক জনমত এখন। এ প্রজন্ম তাদের সন্মান করে, স্মরণ করে। এমন কি আমাদের প্রতিটি হাই অফিসিয়াল মিটিং আমরা স্মরণ করি তাদের।

৫| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:২১

রবিন.হুড বলেছেন: ব্রিটিশদের আর একটা কালো অধ্যায় জানলাম। তবে এই অপকর্মের হেতু কি বা উদ্দেশ্য কি ছিল তা জানতে মন চায়।

১৮ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ৯:৩৭

সোহানী বলেছেন: এই অপকর্মের হেতু কি বা উদ্দেশ্য ছিল;

১) আদিবাসীই এ ভূখন্ডের মালিক কিন্তু তারা যাতে মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে, তাদের ছেলে-পেলেরাও যেন মাথা তুলতে না পারে। আজীবনের জন্য দাস বানিয়ে রাখা।

২) কানাডায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সম্পদ সহজেই লুটপাট করতে পারবে, তাদের বাঁধা দেবার কেউ থাকবে না। কারন সন্তান হারিয়ে ওরা এমনিতেই আধমরা। তারপর সন্তানদের গায়ে কোর্ট চাপিয়ে নিজের ভাষা সংস্কৃতি ভুলিয়ে তাদেরকে বিচ্ছিন্ন করা নিজের শিকড় থেকে।

৬| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: কি মর্মান্তিক!

১৮ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ৯:৩৮

সোহানী বলেছেন: হাঁ সত্যিই মর্মান্তিক।

৭| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:২৯

ইসিয়াক বলেছেন:




মানুষ এত নিষ্ঠুর কিভাবে হয়?

জানি আপনি ব্যস্ত মানুষ খুব তাড়াতাড়ি আরও বিস্তারিত লিখবেন আশা করছি।
পোস্টে ভালো লাগা।
শুভকামনা রইলো আপু।

১৮ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ৯:৪১

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ ইসিয়াক।

মানুষ এর চেয়েও নিষ্ঠুর। পশুও এতো নীচে নামতে পারে না মানুষ যতটা পারে।

আমি চেস্টা করবো লিখতে। আসলে ইতিহাস বা ফিচার লেখার জন্য দরকার প্রচুর পড়া ও সঠিক রেফারেন্স। এটাতো আর গল্প বা সামাজিক ফিচার নয়, ভুলভালতো বলতে পারি না।

৮| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৫৯

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:


শিশুও আত্নহত্যা করেছে 'আহা!!

১৮ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ৯:৪২

সোহানী বলেছেন: শুধু আত্নহত্যাই নয়, এমন ভয়ংকর সব মৃত্যু সেখানে ছিল।

৯| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৪:১০

শেরজা তপন বলেছেন: কি ভয়ঙ্কর! সবখানেই এরা আদিবাসীদের উপরে এমন নিঃশ্বংস অত্যাচার করেছে। অপেক্ষায় রইলাম পরের পর্বের

১৮ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ৯:৪৩

সোহানী বলেছেন: লোভ লোভ আর লোভ...........

অবলা প্রানীর উপর অত্যাচার সবসময়ই ছিল। আর আদিবাসীরা সবসময়ই পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠি।

১০| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:২৬

শায়মা বলেছেন: কি কষ্টকর আপু! এই ফিচার প্রতিযোগীতা না হলে কত কিছুই জানা হত না।
ইদানিং ব্লগে ফিচার লেখা কমে এসেছিলো। কেউ লিখতো না কেউ পড়তো না। এই প্রতিযোগীতার আয়োজনে সকল জ্ঞানী গুনি লেখকেরা ফিরে এলো আবার।

যদিও তুমি সব সময় এমন চিন্তাশীল তথ্যভিত্তিক লেখা লেখো । কিন্তু যারা লিখতো না তারাও লিখছে ভাবছে দেখে ভালো লাগলো।

১৮ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ৯:৪৭

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ শায়মা।

আমার ফিচার লিখতে খুব ভালো লাগে কারন এতে নিজের পড়া হয়। কিন্তু সময়ের এতো টানাটানি যে কোনভাবেই এর সুযোগ হয় না। এ লিখাটা গত বছর মে মাসেই শুরু করেছিলাম নিউজটা দেখেই, আর দেখো এশন শেষ করলাম তাও প্রতিযোগিতার ধাক্কায়।

কালই হঠাৎ মনে পড়লো, আরে আমি না একটা লিখা শুরু করেছিলাম..........। তারপর শ'খানিক ড্রাফটের মাঝে খুঁজে পেলাম :P

১১| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৪৫

নেওয়াজ আলি বলেছেন: নিষ্ঠুর এক অজানা ইতিহাস জানা হলো।

২০ শে নভেম্বর, ২০২২ ভোর ৬:৪৭

সোহানী বলেছেন: আসলেই নিষ্ঠুর। বিশেষকরে বাচ্চাদের নিয়ে নিষ্ঠুরতা সহ্য হয় না।

১২| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৪৭

করুণাধারা বলেছেন: কি ভয়ংকর! আমি এমেরিকায় আদিবাসীদের উপর চালানো নির্যাতনের কাহিনী পড়ে শিউরে উঠেছি অনেক বার, কিন্তু কানাডাতে আদিবাসী শিশুদের উপর যে এমন ভয়ঙ্কর নির্যাতন আর খুন করা হয়েছে এ সম্পর্কে কোন ধারনাই ছিল না। পোস্ট পড়ে জানা হলো। গত শতাব্দীর শেষ অবধি এমন স্কুল চলেছে!! মাত্র এবছর চার্চের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাওয়া হয়েছে!!

কে জানে লোকচক্ষুর অন্তরালে এখনও অন্য কোন ভাবে পৈশাচিকতা চালিয়ে যাচ্ছে কিনা!!

ফিচারটা আরেকটু বড় হলে ভালো হত, আরও পড়তে ইচ্ছা হচ্ছিল...

নতুন কিছু জানা হলো। এমন ফিচারের জন্য ধন্যবাদ সোহানী।

২০ শে নভেম্বর, ২০২২ ভোর ৬:৫৬

সোহানী বলেছেন: হাঁ আপু, স্বয়ং কানাডিয়ানদেরই টনক নড়েনি সেখানে বিশ্ব কিভাবে জানবে। তবে এখন সবাই এটা নিয়ে কথা বলে। আসলে সমস্যা হলো কানাডার ৯০ ভাগ মানুষই বাইরের, ইমিগ্রান্ট। আদিবাসী খুব কম, তারউপর এরা নিজেদেরকে বের করে না নিজস্ব গন্ডী থেকে। যার কারনে আরো পিছিয়ে পড়ছে। সরকার চেস্টা করছে কোটার মাধ্যমে সামনে আনতে কিন্তু খুব যে পারছে তা কিন্তু নয়।

লোকচক্ষুর অন্তরালে এখনও পৈশাচিকতা চালছে যার খবর পাই মাঝে মাঝে। যেমন গত মাসেই হয়তো জেনেছেন আদিবাসী পরিবারের দুইভাই প্রায় একসাথে ১১ জন সাধারনকে ধারালো অস্র দিয়ে কুপিয়ে মেরে ফেলে। মানসিক স্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক অবস্থা, সামাজিক অস্থিরতা এখনো রিজার্ভগুলোর নিত্যসঙ্গী। যার কারনে অভাব তাদের নিত্যসঙ্গী। কিন্তু অনেক অনেক সমস্যার মাঝে চেস্টা চালানো হচ্ছে কিছু করতে। সেই কিছু সব সমস্যার সমাধান দিতে পারছে না।

প্রাথমিক একটা ধারনা দিলাম। অবশ্যই আরো কিছু বিষয় নিয়ে আসবো।

অনেকদিন পর আপনাকে দেখে ভালো লাগছে।

১৩| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:০১

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: সভ্য দেশে চার্চের লোকদের দ্বারা এই ধরণের নির্মম হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। কল্পনা করতেও কষ্ট হচ্ছে। ১৯৯৬ সালেও এই ধরণের স্কুল ছিল কানাডায়। করুণাধারা আপার মত বলতে হয় যে আরও এই জাতীয় প্রতিষ্ঠান সামনে পাওয়া যাবে কিনা কে জানে।

ফিচার পোস্ট ভালো লাগলো। পত্রিকায় আসার কারণে এই খবর সবাই জেনেছিল কয়েক বছর আগে।

২০ শে নভেম্বর, ২০২২ সকাল ৭:০১

সোহানী বলেছেন: শুধু চার্চই নয় সব ধর্ম প্রতিষ্ঠানই কোন না কোন ভাবে এরকম বিভৎস কিছুর সাথে জড়িত। ক'দিন আগেইতো বার্মার রোহিঙ্গাদেরকে বিতাড়নের দৃশ্য আমরা দেখেছি বৈাদ্ধ ভিক্ষু দিয়ে। ইসলামী চরমপন্থীদের কাহিনী আমরা জানি। আর হিন্দুদের অত্যাচারতো পাশের দেশে দেখতেই পাচ্ছি।

হায়, মানবতার ধর্ম যে কেউই শুনে না।

১৪| ১৮ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ৭:৫১

ঢাবিয়ান বলেছেন: মানুষ এত খারাপ হয় কি করে ? ভাবতে গেলেও শিউরে উঠতে হয়।

২০ শে নভেম্বর, ২০২২ সকাল ৭:০৩

সোহানী বলেছেন: হায় মানুষই যে সবচেয়ে নিষ্ঠুর!!! অন্য প্রানী আপনাকে আক্রমন করবে বিশেষ প্রয়োজনে আর মানুষ করে বিনা প্রয়োজনে।

১৫| ২৭ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:১০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




সুন্দরভাবে তুলে এনেছেন একটি করুন ইতিহাস । অসুস্ততা নিয়েও পোষ্টটি মনোনিবেশ সহকারে
পাঠ করলাম । মুল কথাগুলি সুন্দরভাবে সংক্ষিপ্তকারে উঠে এসেছে । সত্যিই ২০২১ সালের মে মাসে
ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার একটি প্রাক্তন স্কুলের জায়গায় ২১৫টি শিশুর দেহাবশেষ আবিষ্কারে কানাডিয়ানদের
সাথে হতবাক হয়েছিল সারা বিশ্ব । তিন বছরের কম বয়সী আনেক শিশুসহ মৃতদেহগুলি আদিবাসি শিশুদের ,
যারা কানাডার রাষ্ট্র-স্পন্সরকৃত "আবাসিক স্কুল" ব্যবস্থার মধ্য দিয়েই গিয়েছিল। দেশজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে
থাকা স্কুলগুলোর উদ্দেশ্যটাই ছিল দেশের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও ভাষা নির্মূল করা।

সত্য ও পুনর্মিলন কমিশন, বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের কাছ থেকে হাজার হাজার ঘটনার সাক্ষ্য সংগ্রহ করে
নির্ধারণ করেছিল যে আবাসিক স্কুল সিস্টেমগুলি আদিবাসীদের একটি "সাংস্কৃতিক গণহত্যা" হিসাবে
পরিগনিত হয়েছিল।যদিও ফেডারেল সরকার ২০০৮ সালে স্কুলগুলির জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়েছিল,
কিন্তু কবরগুলির সাম্প্রতিক আবিষ্কারগুলি সরকার এবং ক্যাথলিক চার্চের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক অভিযোগের
সম্ভাবনা সহ একটি স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জানায় ৷

এদিকে, অনুসন্ধান অব্যাহত থাকায়, অচিহ্নিত কবরের সংখ্যা - এবং যারা স্কুলে গিয়ে মারা গেছে -
কেবলমাত্র বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে , সে কথা এ পোষ্টেও বলা হয়েছে ।
অনুসন্ধানগুলি কানাডার ইতিহাসের এই লজ্জাজনক অধ্যায়ের প্রতি বিশ্বের নতুন মনোযোগ এনেছে,
শত শত সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে এবং কানাডিয়ান সরকার এবং কয়েক দশক ধরে স্কুল
পরিচালনাকারী চার্চগুলির লক্ষ্যে ন্যায়বিচারের জন্য নতুন দাবির জন্ম দিয়েছে। আপনার এই মুল্যবান
পোষ্টের কল্যানে আমরাও সামু ব্লগবাসীরা এই দাবীর প্রতি একাত্মতা জানালাম ।
পোষ্টটি প্রিযতে তুলে রাখলাম ।

শুভেচ্ছা রইল

৩০ শে নভেম্বর, ২০২২ ভোর ৫:৪৯

সোহানী বলেছেন: অসুস্থতার মাঝেও ব্লগে উকিঁ দিচ্ছেন, আমার পোস্টে মন্তব্য করছেন এটা আমার জন্য বা ব্লগবাসীর জন্য বিশেষ কিছু।

নুরু ভাইয়ের জন্য মনটা এতো খারাপ ছিল যে ব্লগে ঢুঁকতেই ইচ্ছে হচ্ছিল না। শেষের দিকের উনারে ঘিরে অপমানের কথা বার বার মনে হচ্ছিল। যদি একটু জানতাম তাহলে উনার কাছে মাপ চেয়ে নিতাম। আহা, এরকম কতজন কষ্ট করছে অথচ হাসিমুখে কবিতা লিখছে গল্প লিখছে খুনসুটি করছে.......। ভাবলেই মনটা ভারাক্রান্ত হয়।

রেসিডেন্সিয়াল স্কুল নিয়ে আমিও জানতাম না যদি না কানাডায় আসতাম। এখনো অনেক অনেক পরিবর্তন দরকার ওদের। যেভাবে এগুচ্ছে সেটা ঠিক পর্যাপ্ত নয়। গত মাসেইতো দুইভাই প্রায় ১০-১২ জন্য একসাথে হত্যা করেছে। কারন ওরা মানসিকভাবে এখনো বিপর্যস্ত।

সরকার চেস্টা করছে, মিডিয়া বা সাধারন ও সহযোগিতা করছে, তারপরও সময় নিবে ওদেরকে সামনের কাতারে আনতে। কোটা সিস্টেম, ট্যাক্স ফ্রি, সাবসিডি........ অনেক কিছুই করার চেস্টা করছে। তারপরও অনেক দূরে।

আপনি অনেক ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন এ কামনায়।

১৬| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:২৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এই বিষয়ে আগে বিস্তারিত পড়ছি, তাই নতুন কইরা কওনের কিছু নাই। আপনে আমাগো প্রিয় বাংলা ভাষায় লেখছেন, সেই জন্য হ্যাটস অফ!!! :)

দুনিয়া-ব্যাপি বৃটিশরা বহু অকাম-কুকাম করছে, সন্দেহ নাই। কিন্তু তারা যেইখানে গেছে, সেইখানের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নও করছে। তুলনায় অন্যান্য সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলা তেমন কিছু করে নাই অত্যাচার আর শোষণ ছাড়া। কাজেই সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আগমন যেইখানে অবধারিত, সেইখানে আমি বৃটিশগোই প্রেফার করি। মন্দের ভালো আর কি........বেস্ট অফ দ্য ওয়ার্স্ট!!!! ;)

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ ভোর ৬:২৩

সোহানী বলেছেন: বেস্ট অফ দ্য ওয়ার্স্ট!!

এইসব বুলি বাদ দেন ভাইজান। খারাপের আর কম ভালো/বেশী ভালো কি!!! সব ক'টা শয়তান। আমি কোনভাবেই এদেরকে শয়তান সাম্রাজ্যবাদী ছাড়া কোন লিস্টে রাখতে রাজি না।

১৭| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:৩৪

স্বরচিতা স্বপ্নচারিণী বলেছেন: খুবই মর্মান্তিক ঘটনা। ধর্মের নামে যুগে যুগে এমন অনেক অত্যাচার চালানো হয়েছে এবং এখনও হচ্ছে। ধর্ম এগুলো কখনও সমর্থন না করলেও কিছু ফ্যানাটিক মানুষ পুরো পৃথিবীতে তান্ডব চালিয়ে যাচ্ছে। এগুলোর বলি বেশিরভাগ সময়ই ছোট বাচ্চারা হয়ে থাকে। এটাই দুঃখজনক।

আশা করছি সামনে এই বিষয় নিয়ে আরও লেখা পাবো আপনার কাছ থেকে। শুভ কামনা রইলো।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২২ সকাল ৮:৩৭

সোহানী বলেছেন: আসলে সব কিছুর মূলে অমানবিকতা। একজন অমানবিক মানুষই নিজের কাজকে জায়েজ করতে আড়াল খোঁজে। কখনো ধর্ম বা কখনো বর্ণ ............ ।

অনেক কিছু লিখার ইচ্ছে মাথায় ঘুরে সারাক্ষন কিন্তু এ ব্যাস্ত জীবনে তা সম্ভব হয়ে উঠে না। তারপরও ইচ্ছে আছে এ বিষয় নিয়ে আরো লিখার।

১৮| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:০২

নীল আকাশ বলেছেন: শেতাঙ্গরা এভাবেই সারা বিশ্ব জুড়ে বিভিন্ন দেশে মানুষদের অত্যাচার করে মেরেছে।
দক্ষিন আমেরিকায় আদিবাসিদের এরচেয়েও ভয়ংকর ভাবে হত্যা করেছে স্প্যানিশরা।
সুন্দর লেখা। পড়ে আরাম পেয়েছি।
শুভ কামনা।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২২ সকাল ৮:৩৯

সোহানী বলেছেন: প্রতিটি দেশেই আদিবাসীদের গল্প একই। কলম্বাস, স্প্যানিশ, ব্রিটিশ....... কেউই বারো চেয়ে কম নয়। সবার অত্যাচারের ইতিহাস অভিন্ন।

১৯| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৪৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: বর্বরতা ও নিষ্ঠুরতার চরম পরাকাষ্ঠা; পড়তে পড়তে দম বন্ধ হয়ে আসছিল।

শাহ আজিজ বলেছেন: ..... "আদিবাসিদের উপর ধর্মীয় কালাকানুন এভাবেই প্রয়োগ হয়েছিল এবং হচ্ছে" - 'ধর্মীয় কালাকানুন' নয়, ধর্মের নামে বর্বর সাম্রাজ্যবাদী শক্তির রাজনৈতিক কালাকানুন প্রয়োগ করা হয়েছিল।

তবে যাই হোক, ভাবতেও ভালো লাগে যে কানাডা'র 'সত্য ও পুনর্মিলন কমিশন' কত সুন্দর একটা কাজ করে গেছে, তাদের রিপোর্টে কানাডা সরকার ও জনগণকে বিশ্ববাসীর কাছে লজ্জা পেতে হবে জেনেও। আমাদের দেশে হলে এসব কমিশনও 'কম্প্রোমাইজড' হয়ে যেত।

এটা ঠিক যে স্কুলটাকে 'রেসিডেন্টশিয়াল স্কুল অফ কানাডা'ই বলা হয়ে থাকে। তবে এপি, রয়টার এবং ওয়াশিংটন পোস্টের মত ঐ নামটির আগে শুধু "চার্চ-রান" বা "চার্চ-পরিচালিত" শব্দযুগল যোগ করে দিলে বিষয়ট অধিকতর 'স্পেসিফিক' হতো। তাই ঈশ্বরকণা'র প্রস্তাবটি যুক্তিযুক্ত এবং প্রণিধানযোগ্য বলে মনে করি।

পোস্টে পঞ্চদশতম প্লাস। + +


৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২২ সকাল ৮:১০

সোহানী বলেছেন: আসলে কানাডার ইতিহাস খুব ছোট। এ ছোট ইতিহাসে এমন অধ্যায় খুব কষ্টের। আর বাস্তবিক কানাডিয়ানরা বেশ নরম স্বভাবের। তাই এরকম কিছু সামনে আসাতে সবাই হোচট্ খায়। আরো দু:খজনক যে মাত্র ক'দিন আগেও এমন কিছু ছিল। কারোই কোন হুশ যেন ছিল না এ নিয়ে।

"চার্চ-পরিচালিত" শব্দযুগল যোগ করে দেয়া যায় কিন্তু কানাডার বই পুস্তকে সবসময় ফেডারেলকে বেশী দোষ দেয়। ধর্মকে স্পেসিফাই করে না। তার কারন নিশ্চয় বুঝতে পারছেন, বার বার চার্চ কথাটা সামনে আসলে মানুষের মনে এক ধরনের ঘৃনা তৈরী হতে পারে ধর্মের প্রতি, সহানুভূতির পাশাপাশি। তাই কৈাশলে শব্দটি এভোয়েড করা হয়। আর সে কারনে কানাডার নিয়ম অনুযায়ী আমিও রেসিডেন্টশিয়াল স্কুল অফ কানাডা লিখেছি।

অনেক ভালো থাকুন প্রিয় লেখক।

২০| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২২ সকাল ৯:০৬

হাসান জামাল গোলাপ বলেছেন: Anne with an E নেটফ্লিক্সে দেখতে পারেন, আমি পুরো পরিবার নিয়ে দেখেছি। লেখিকা আজ থেকে একশো বছরেরও আগে এ নিয়ে করুন কিছু দৃশ্য তুলে ধরেছিলেন, চোখে পানি চলে আসে।

১২ ই জানুয়ারি, ২০২৩ সকাল ৯:২৪

সোহানী বলেছেন: দেখিনি তবে অবশ্যই দেখবো। আসলে আমি মুভি বা নেটফ্লিক্সে কমেডি দেখতে পছন্দ করি। তবে এটা দেখবো বাচ্চাদেরকে নিয়ে।

২১| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২২ সকাল ৯:২৩

নতুন নকিব বলেছেন:



বিশ্বজুড়ে বৃটিশ লুটেরাদের সংঘটিত আরও এক অজানা অধ্যায় জানার সুযোগ হলো আপনার পোস্ট পাঠে। গা শিউরে ওঠা এবং দম বন্ধ হয়ে আসা ভয়ঙ্কর নির্মমতার এ যেন এক রূপকথা। কল্পনাকেও হার মানায় বৃটিশ দানবদের নিষ্ঠুর এবং নারকীয় এই অমানবিকতা।

কৃতজ্ঞতা জানবেন। +

১২ ই জানুয়ারি, ২০২৩ সকাল ৯:২৮

সোহানী বলেছেন: সত্য। বৃটিশরা মানুষ নাকি পিচাশ তা আমি ভাবি। শুধু তারাই নয় যেকোন কলোনী দেশেই একই অবস্থা, যেমন আফ্রিকা, ভারত। হায়, এ মানুষ যে পশু নয় পিচাশ।

২২| ০২ রা জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ১১:৫৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:


ইংরেজী নববর্ষের শুভেচ্ছা ।
নববর্ষের সুচনা লগ্নে আপনার কাছ
হতে কি পেতে যাচ্ছি তা দেখার জন্য
উৎসোক হয়ে আছি ।

১২ ই জানুয়ারি, ২০২৩ সকাল ৯:৩১

সোহানী বলেছেন: ইংরেজী নববর্ষের শুভেচ্ছা আপনাকেও প্রিয় আলি ভাই। আপনার শরীর এখন কেমন?

১৫ বছর উপলক্ষ্যে পোস্ট দিলাম। ১৫ বছর.......... ভাবা যায়!!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.