| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ইমন জুবায়ের
জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/ জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন। [email protected]
নীলক্ষেত যে কেবল ঢাকার একটি জায়গার নাম নয়, নীলক্ষেত শব্দটায় অন্যরকম এক গভীর দ্যেতনা আছে, তাৎপর্য-মাধুর্য আছে - যা এ শহরের পডুয়ারা ঠিকই বোঝেন। নীলক্ষেত দিশিবিদেশি পুরনো বইয়ের আড়ত-যা এক জ্ঞানপীঠের নাম । যে আড়তে ঢুঁ না-মারলে এ শহরের বইপ্রেমীর জীবনই যে বৃথা- এ অনিবার্য সত্যটি আজ যেন এক রকম অবধারিত ভাবেই প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে।
তবে কবে থেকে নীলক্ষেতে পুরাতন বইপত্তর বেচাকেনা শুরু তা বলতে পারি না। ১৯৮৫/৮৬ সালের দিকে ঢাকা সিটি কলেজে পড়ার সময় নীলক্ষেতে যাতায়াত শুরু করি । সেই সময় আমার ইংরেজি পেপারব্যাক পড়ার নেশা ছিল । পুরনো ইংরেজি পেপারব্যাক নীলক্ষেত ছাড়া আর কোথায় পাব। নীলক্ষেতের মোড়টি সিটি কলেজের কাছেই। তখনকার দিনে আজকের মতো এত বিচ্ছিরি জ্যামজট ছিল না। কলেজ থেকে নীলক্ষেতের পুরনো বইয়ে আড়তে হেঁটে যাওয়া প্রায় নেশার মতো হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
কলেজে পড়ার সময়ই মার্কিন ঔপন্যাসিক Harold Robbins -এর অনেক বই পড়ে ফেলেছিলাম। সহজ ভাষায় লিখতেন রবিন্স, উপন্যাসের প্লট আর চরিত্রগুলি ছিল আকর্ষনীয় আর নানা ঘটনায় পরিপূর্ন। প্রথম রবিন্সের নেভার লাভ আ ষ্ট্রেঞ্জার পড়ে মুগ্ধ হয়ে গেছিলাম। ওটাই রবিন্সের প্রথম বই। সব ক’টা বইই পড়ে ফেলব ঠিক করেছিলাম। নীলক্ষেতে রবিন্সের পুরনো বই পাওয়া যেত। প্রধানত সেই টানেই যেতাম। ১৯৮৫/৮৬ সালের দিকে ১০০ টাকায় হ্যারল্ড রবিন্সের তিনটা উপন্যাস পেতাম। নীলক্ষেত থেকে রবিন্সের এর প্রায় ১৫/২০টি বই কিনেছিলাম। পুরনো বইয়ের ঘ্রাণ শুঁকতে ভালো লাগত আমার। বিশেষ করে ইংরেজি পেপারব্যাকের।
তবে রবিন্স ছাড়া অন্যান্য বইও যে কিনতাম না তা নয়। নীলক্ষেতের পুরনো বইয়ের দোকান থেকে অন্যসব বইও কিনতাম। জোসেফ কনরাডের ‘হার্ট অভ ডার্কনেস’ বইটি আজও আমার বুক সেলফে আছে । বইটির দিকে তাকালে নীলক্ষেতের স্মৃতি ভেসে ওঠে। স্মৃতি বললাম এ জন্য যে নীলক্ষেতে আজকাল তেমন একটা যাওয়া হয় না। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় যে পরিমান বই পড়তাম আজকাল তেমন একটা পড়াও হয়ে ওঠেনা । এর এক কারণ ইন্টারনেট । বই পড়ার চেয়ে ইন্টারনেটে ব্রাউজ করতে ভালো লাগে। তা ছাড়া ইন্টারনেটে অনেক বইয়ের পিডিএফ পাওয়া যায়। এমন কী বাংলা বইয়েরও পিডিএফ ভার্সান পাওয়া যায়। যে বই ১৯৯৬ সালে নীলক্ষেত থেকে সতের ’শ টাকা দিয়ে কিনেছি, সেটির ফ্রি পিডিএফ ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করা যায়!
আশি/নব্বুয়ের দশকে নীলক্ষেতের পুরনো বইয়ের টংঘরগুলি আমাদের মতো পড়ুয়াদের জন্য ছিল এক তীর্থস্থান । সকাল-বিকেল পুরনো বইয়ের গলিতে ঘুরতে দিব্যি লাগত আমার । কেমন ঘোর লেগে যেন। আজকের দিনের মতোই তৎকালীন বেশরম সেলসম্যানরা ডাকাডাকি করত। আমার বিরক্ত লাগলেও মজাও পেতাম। টঙের সামনে দাঁড়ালে একগাদা বই ঢেলে দিত। যেন সবই কিনতে হবে। কোনও কোনও বইবিক্রেতা জাহির করত তার পান্ডিত্য। অনায়াসে বলে দিত কোন্ বই ভালো, আর কোন বই রদ্দি। অনেক গ্রন্থবিক্রেতার সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল। তারা আমার আকাঙ্খিত বইটি রেখে দিত। অনেকে আবার খানিকটা ব্ল্যাকমেইলও করত। কি আর করা! নজরুল তো লিখেই গেছেন ...‘ভালোবাসা মোরে ভিখারি করেছে ...’তবে আমি নীলকেক্ষের কাছে আমি যে পরিমাণ ঋণি- সেই তুলনায় বইবিক্রেতাদের এসব হঠকারীতা তুচ্ছ । নীলক্ষেতে Encyclopædia of Western music বইটি না পেলে প্রাশ্চাত্যে ধ্রুপদি সংগীতের উপর জ্ঞান অসম্পূর্ন থেকে যেত । ১৯৯৬ সালে সতের ’শ টাকা তো আর জলে যায়নি।
অন্তত আমার জন্য নীলক্ষেতের প্রধান আকর্ষন ছিল ‘দেশ' পত্রিকা। দেশ পত্রিকার গল্প আর প্রবন্ধ পড়তে আমার ভালো লাগত । আজও লাগে।
দেশ পত্রিকার মারফত কত না শক্তিমান কবি লেখকের লেখার সঙ্গে আমার পরিচয় হয়েছে । মন্দক্রান্তা সেন- এর কবিতা সর্বপ্রথম মনে হয় দেশে-ই পড়ি। নীলক্ষেতের বইবিক্রেতার হাতে ১০০ টাকা ধরিয়ে দিলে অনেক ক’টা দেশ পত্রিকা দিয়ে দিত। আমার তো সস্তাই মনে হত। একশ টাকায় অতগুলি ‘অমূল্য’ পত্রিকা দিয়ে দিচ্ছে। মানে, ক’টা টাকার বিনিময়ে কি বিপুল আনন্দিত সম্ভার দিয়ে দিচ্ছে বোকা দোকানি!
পত্রিকার কথা যখন উঠল তখন আরেকটি পত্রিকার কথা না বললেই না। সেটি হচ্ছে ‘ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক পত্রিকা’।‘ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক পত্রিকা’র ছবি আর ফিচার আমায় মুগ্ধ করত। বিচিত্র বিশ্বের নানা প্রপঞ্চের কথা ও ছবি কী আকর্ষনীয় ভাবেই না পত্রিকাটি উপস্থাপন করত । কখনও বলগা হরিণ জিরাফ কিংবা গঙাফরিঙের জীবনবৃত্তান্ত কখনও দূর আকাশের মহাবিস্ময়কর নক্ষত্রপুঞ্জের অভ্যন্তরীণ হালফিল সংবাদ, কখনও মিশরের কোনও ফারাও এর নবআবিস্কৃত গোপন সমাধি সৌধের ছবি। নব্বুয়ের দশকে টিভিতে ‘ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেল’ সুলভ হলে ওই পত্রিকাটি জোগার করার নেশা কমে আসে। এখন তো মুভি চ্যানেল এইচবিওর আকর্ষনে ‘ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেল’ তেমন দেখাই হয় না! জিরাফ কি গঙাফরিঙের জীবনবৃত্তান্তের বদলে ‘ট্রান্সপোর্টার-৩’ দেখতে ভালো লাগে!
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনেও আমার নিয়মিত নীলক্ষেত যাওয়া অব্যাহত ছিল। তবে সে যাওয়ার ধরণ অনেকটাই গিয়েছিল বদলে । কেবলি বই কিনতে আর যেতাম না। পরীক্ষায় পাস করার জন্য টেক্স বইয়ের খোঁজখবরও নিতে হত । তাছাড়া ফটোকপির জন্যও যেতাম নীলক্ষেত। সিলেবাস অনুযায়ী হিস্ট্রির বই খুঁজতাম। দরকারি এবং দূর্লভ বই পেয়েও যেতাম।যেমন R.C. Majumdar, H.C. Raychaudhuri এবং Kalikinkar Datta -র An Advanced History of India কিংবা Irfan Habib এর The Agrarian System of Mughal India 1556-1707. এ সব বই আজও আমার সংগ্রহে আছে। অথচ Harold Robbins -এর একটি বইও আজ আর আমার সংগ্রহে নেই!
কেবল পুরনো বই- ম্যাগাজিনই নয়। নীলক্ষেত বরাবরই ছিল আনকোড়া খাতাপেন্সিল এবং টেক্সটবইয়ের সরগরম হাট । আশির দশকে ততটা না হলেও নব্বুয়ের দশকে নীলক্ষেতে পাঠ্যপুস্তকের বিক্রির পরিমান বেড়ে যায়। একুশ শতকের প্রারম্ভে যেমন আজিজ মার্কেটের বইপাড়া পাঞ্জাবিওয়ালাদের দখলে চলে যায়- ঠিক তেমনি নব্বুয়ের দশকে নীলক্ষেত পাইরেটেডে টেক্সবই বিক্রেতাদের দখলে চলে যায় । এর উপর একুশ শতকের ছাত্রছাত্রীরা অনেকটা যান্ত্রিক ভাবে নীলক্ষেতে এসে টেক্সবই কিনে ফটোকপি করে চলে যায় । সম্ভবত তারা নীলক্ষেত উপভোগ করে না। আমি নীলক্ষেতের কাছে ঋনি বলেই প্রতি মুহূর্ত উপভোগ করতাম। তবে আজকালকার নতুন প্রজন্মের অনেককেই বাংলা ক্লাসিক সাহিত্যও কিনতে দেখি। শরৎ - মানিক - বিভূতিভূষন। ওইটুকুনই আশা।
নীলক্ষেতের চা- সিঙারা এবং তেহারির কথা উল্লেখ না করলে এ লেখাটি অপূর্ণ থেকে যাবে । নীলক্ষেতের চা- সিঙারা এবং তেহারি স্বাদে এবং গুণে অতুলনীয় । এই কথাটি যত না বৈজ্ঞানিক তার চেয়েও বেশি মনস্তাত্ত্বিক। আমি বই কেনার জন্য যেমন বাজেট রাখতাম তেমনি বাজেট ছিল তেহারির জন্যও । কলেজ জীবনে তেমন না-হলেও নীলক্ষেতের তেহারি খাওয়ার অভ্যেস গড়ে উঠেছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে জীবনে। কলাভবন থেকে রিকশায় উঠে সদলবলে চলে যেতাম দুপুরের দিকে । তারপর ... সেসব স্মৃতি এখনও হানা দেয়। কত কত দিন নীলক্ষেতের রেস্টুরেন্টে বসে থেকেছি। কখনও বৃষ্টির দিনে আটকে গেছি। চা- সিগারেট নিয়ে নীলক্ষেতের কোনও রেঁস্তরায় বসে আছি। দীর্ঘক্ষণ। বাইরে ঝুম বৃষ্টি ... আমার আবার এ শহরের বৃষ্টি তে কেমন ঘোর লাগে ...বিশেষ করে সন্ধ্যার বৃষ্টি ...
আজও পাঠ্যপুস্তকের ব্যাপক চাহিদার পাশাপাশি নীলক্ষেতের পুরনো বইয়ের কোণটুকু স্বমহিমায় টিকে আছে । এবং টিকে থাকবে এই আশাটিও আমার মনের মধ্যে ঠিকই জেগে রয়েছে। আমাদের মতো হিসেবী মধ্যবিত্তের মানসিক আনন্দের অপার উৎস নীলক্ষেতের পুরনো বইয়ের দোকান আমাদের জীবনের সঙ্গে মিশে গিয়েছে। সে কারণে নীলক্ষেতকে পবিত্র গ্রন্থতীর্থ বলতেও দ্বিধা নেই আমাদের কারও কারও । আমাদের মতো যাদের পুরনো বইয়ের গন্ধ শুঁকতে ভালো লাগে-তারা চায় নীলক্ষেত তার পুরনো বইয়ের অমূল্য গ্রন্থসম্পদ নিয়ে চিরকাল এমনই থাকুক । তবে নীলক্ষেতের জমির উপর এ শহরের ভূমিদস্যুর ঠিকই শ্যেনদৃষ্টি পড়ার কথা । হয়ত একদিন রাতারাতি নীলক্ষেতের জমিটুকু গরীব বইবিক্রেতাদের বেহাত হয়ে যাবে। নীলক্ষেতের যেখানে এখন পুরনো বইয়ের টংঘর, সেখানে হয়তো গড়ে উঠবে বহুতল বানিজ্যিক ভবনসহ শপিংকমপ্লেক্স । ঢাকা শহরের রক্তবাহী শিরাউপশিরা শুকিয়ে আরও সঙ্কুচিত হয়ে যাবে। তাইই হবে। কেননা, কড়িলোভী বণিকতন্ত্রের পুরনো বইয়ের ঘ্রাণ শোঁকার তো দায় পড়েনি ?
উৎসর্গ: হাসান শিবলী। যে প্রচুর বই পড়ে এবং নীলক্ষেত থেকে প্রচুর বই কেনে এবং আমাকেও পড়তে দেয় ...
১১ ই জুন, ২০১১ দুপুর ২:৫৫
ইমন জুবায়ের বলেছেন: হা হা হা ...আসলে বই বিক্রেতারা অনেক রসিক। একবার। আমাকে দেখে একজন বললো ৩০ টাকা পাই দিলেন না? আসলে সে কোনও টাকা পেত না। না দিয়ে ঝগড়া করে বেড়িয়ে আসাও সম্ভব না। সুতরাং
২|
১১ ই জুন, ২০১১ দুপুর ২:০৪
নাবিক হ্যাডক বলেছেন: ভালো লাগলো ভাইয়া, আমিও আপনার মতোই বই-পাগলা মানুষ
১১ ই জুন, ২০১১ দুপুর ২:৫৫
ইমন জুবায়ের বলেছেন: বই পাগলা আর গিটার পাগলা
৩|
১১ ই জুন, ২০১১ দুপুর ২:১১
বিবর্তনবাদী বলেছেন: নীলক্ষেত না থাকলে আমাদের মত গরীব পোলাপানের আর উচ্চ শিক্ষা লাগত না। পাইরেসীর অনেক নেগেটিভ ব্যাপার থাকলেও এর পজিটিভ দিকও আছে। বাংলাদেশের ১০০% বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া নিশ্চয়ই পাইরেটস্ অফ নীলক্ষেত।
১১ ই জুন, ২০১১ দুপুর ২:৫৬
ইমন জুবায়ের বলেছেন: পাইরেসীর ভালো দিকগুলি আমরাই বুঝি
৪|
১১ ই জুন, ২০১১ দুপুর ২:১২
শুকনা মরিচ বলেছেন: উফফফ - কি দিন ছিলো সেসময় !!!
নীলক্ষেতে যাওয়াটা ছিল একেবারে নেশার মতো । অনেক দোকানদার বই রেখে দিতো আমার জন্য - বই এর ব্যাপারে কোনও বাছ বিচার ছিলোনা । তবে বেশী কিনতাম নৃবিজ্ঞান এর বইগুলো ( আমার সাবজেক্ট ছিলো Anthropology)
আর তেহারী'র কথা আর কি বলবো - এখন দেশে গেলেই তেহারী আর বইয়ের জন্য আলাদা সময় করে রাখি
অনেক পুরানো দিনের কথা মনে পড়ে গেলো ।
১১ ই জুন, ২০১১ দুপুর ২:৫৭
ইমন জুবায়ের বলেছেন: আসলে আমাদের নীলক্ষেত বিষয়ক অভিজ্ঞতা একইরকম।
ধন্যবাদ।
৫|
১১ ই জুন, ২০১১ দুপুর ২:১৩
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
আমি আপনার ১০ বছর পরের প্রজন্ম! কিন্তু নীলক্ষেত প্রসঙ্গে আপনার, আমার অভিজ্ঞতা মিলে যায়। স্কুল জীবন থেকে শুরু করে অর্থাৎ ৯২ থেকে ২০০০ পর্যন্ত হাতে কিছু টাকা জমলেই নীলক্ষেতে যেতাম পুরনো বই কিনতে। প্রথমদিকে কিনতাম নিজের ও ছোট ভাইবোনের জন্য ভারতীয় কমিক্স বই- যেমন ফ্যান্টম, বিল্লু, পিংকি, চাচা চৌধুরী, চন্নি চাচী ইত্যাদি। কিনতাম আনন্দমেলার পূজাবার্ষিকী সংখ্যা। আনন্দ পাবলিশার্সের শিশুতোষ বইগুলো (যেমন, ফেলুদা,প্রফেসর শঙ্কুর বই, কাকাবাবু, অর্জুনের বই) নীলক্ষেতের ফুটপাতে অনেক কমদামে পাওয়া যেত। আবার সেবা প্রকাশনীর অনেক বই যেগুলোর নতুন প্রিন্ট পাওয়া যেত না সেগুলো দিব্যি নীলক্ষেতের পুরনো বইয়ের তাকে শোভা পেত। বইয়ের প্রতি সে সময় তীব্র একটা আকর্ষণ ছিল। পড়ার বই দিনে যা পড়তাম তার চেয়ে গল্পের বই পড়তাম অনেক বেশি! আর কর্ণারের হোটেলে সিঙ্গাড়া খাওয়ার কথা তো বলেই দিয়েছেন।
ঢাকায় আরেকটা জায়গায় পুরনো বই কিনতাম- সেটা হল পল্টনের ফুটপাতে। পল্টন মোড় থেকে বায়তুল মোকাররমের সামনে পর্যন্ত উত্তর পাশের ফুটপাতে এখনও পুরনো বই পাওয়া যায়। নটরডেম কলেজ থেকে ফেরার পথে কিংবা প্রাইভেট পড়তে যাওয়া-আসার পথে প্রায়ই ঐ জায়গাটিতে দাঁড়িয়ে বই দেখতাম। মনের মত বই পেলে কিনেও নিতাম। বই কিনতে গিয়ে অনেক দিনই টিফিনের টাকা শেষ করে ফেলেছি! কি জীবন ছিল সে সময়!
১১ ই জুন, ২০১১ দুপুর ২:৫৯
ইমন জুবায়ের বলেছেন: পল্টনের ফুটপাত থেকে আমিও অনেক বই কিনেছি। আর বিজয়নগরেও পুরনো ইংরেজি পেপারব্যাক পাওয়া যেত।
৬|
১১ ই জুন, ২০১১ দুপুর ২:৩১
একাকী বালক বলেছেন: ভাইরে পুরান দিনের কথা মনে করায় দিলেন। ক্লাস ৬ এ তিন গোয়েন্দার প্রথম তিনটা ভলিউম কিনছিলাম। ৬০ টাকা করে একেকটা। আমিও অবাক হইতাম এত কম দাম। এত আনন্দ।
১১ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৩:০০
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ক্লাস ৬ এ তিন গোয়েন্দার প্রথম তিনটা ভলিউম কিনছিলাম। ৬০ টাকা করে একেকটা। আমিও অবাক হইতাম এত কম দাম। এত আনন্দ।
৭|
১১ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৩:০৭
ইলুসন বলেছেন: আমি আগে অনেক গল্পের বই পড়তাম তবে এখন ইন্টারনেটে চ্যাট করা, মুভি দেখা নিয়েই বেশি সময় নষ্ট করি। বই পড়তে আর ভাল লাগে না। বই পড়লেও ইবুক পড়ি বেশির ভাগ।
১১ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৩:১৬
ইমন জুবায়ের বলেছেন: এখন অনেকেরই এমনই হচ্ছে।
৮|
১১ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৩:৫০
নীল-দর্পণ বলেছেন: অনার্সে ভর্তি হওয়ার পরেও নীলক্ষেত চিনতাম না। নীল ক্ষেত থেকে বই কিনে নিয়ে এসেছি অথচ জানতান-ই না এটাই যে নীলক্ষেত!
ক্লাস করার সুবাদে প্রায় প্রতিদিনই এখন আসা-যাওয়া হয় নীলক্ষেত দিয়ে।
যতই প্রযুক্তি আসুক আর যতই ডজিটালাইজড হোক, পাতা উল্টে বই পড়ার যে মজা সেটা কি আর স্ক্রল করে পাওয়া যায়....আমি একদমই পছন্দ করিনা ডিজিটাল বই পড়তে।
১১ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৪:৩১
ইমন জুবায়ের বলেছেন: নীল ক্ষেত থেকে বই কিনে নিয়ে এসেছি অথচ জানতান-ই না এটাই যে নীলক্ষেত!
হাঃ হাঃ হাঃ
যতই প্রযুক্তি আসুক আর যতই ডজিটালাইজড হোক, পাতা উল্টে বই পড়ার যে মজা সেটা কি আর স্ক্রল করে পাওয়া যায়
সহমত।
৯|
১১ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৩:৫২
নীল ধ্রুবতারা বলেছেন: আহারে নীলক্ষেত........... ১৯৯৪ থেকে তোমাকে শুকে শুকে আইজ আমি বুইড়া হৈয়া গেলাম্রে.... ![]()
১১ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৪:৩১
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
১০|
১১ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৪:০৩
সাকিন উল আলম ইভান বলেছেন: ![]()
![]()
১১ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৪:৩১
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
১১|
১১ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৫:০৮
বোকা ছেলে বলেছেন: আসল বইয়ের ফটোকপি ভার্সন আর লো প্রাইসড এডিশনের বই পড়েই তো বুয়েট লাইফ পার করলাম।
নীলক্ষেতের ফুটপাথে অনেকসময় অনেক দুর্লভ বই কম দামে পাওয়া যায়। আমি এখনও ওদিকে গেলে ঢু মেরে আসি। ![]()
১১ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৫:৪৫
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ... নীলক্ষেতের ফুটপাথে অনেকসময় অনেক দুর্লভ বই কম দামে পাওয়া যায়।
জিলাপি চা-সিঙারা তেহারি ছাড়াও এটাই নীলক্ষেতের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
আর এই পোস্ট যাকে উৎসর্গ করেছি, সেই হাসান শিবলীও বুয়েটে সিভিলে ছিলেন। এই বিষয়ে তার সঙ্গে আমার অনেক কথা হয়েছে।
ধন্যবাদ।
১২|
১১ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৫:৩৯
দেশপ্রেমী বলেছেন: উফ! এমন কোনো বই নাই যা নীলক্ষেতে পাওয়া যায় না। কতদিন যাওয়া হয় না! (প্রায় ৬ মাস!) এস.এস.সি পরীক্ষার আগে তো আর যেতেও পারব না!
১১ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৫:৪৭
ইমন জুবায়ের বলেছেন: আপনি লিখেছেন, উফ! এমন কোনো বই নাই যা নীলক্ষেতে পাওয়া যায় না। কতদিন যাওয়া হয় না!
তাহলে তো ভাবাই যায় যে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নীলক্ষেতের ভূমিকা কত গভীর!
ধন্যবাদ।
১৩|
১১ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৫:৫৩
রাইসুল জুহালা বলেছেন: আমিও নীলক্ষেত থেকে প্রচুর পুরোনো বই কিনে পড়েছি। তবে নীলক্ষেতের চেয়ে বোধহয় বেশি কিনেছি তোপখানার ফুটপাত থেকে।
১১ ই জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:১১
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ঢাকা শহরের কয়েকটি সিলেকটেড পুরনো বইয়ের স্টলের মধ্যে ওই তোপখানা আর নীলক্ষেত। তবে ঢাকা কলেজ ইডেন কলেজ আর ঢাকা ইউনিভারসিটি কাছাকাছি হওয়ায় নীলক্ষেতের লক্ষ্মী প্রথম থেকেই বড় পয়মন্ত ছিল।
ধন্যবাদ।
১৪|
১১ ই জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২৮
পুবের পাহাড় বলেছেন: আমিও বই পাগলা..তাই নীলক্ষেত আমার খুবই প্রিয় জায়গা ![]()
১১ ই জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৫৮
ইমন জুবায়ের বলেছেন: সম্প্রতি কি কি বই কিনলেন?
১৫|
১১ ই জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:১০
নষ্ট কবি বলেছেন: ++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
সাথে এততগুলা বই পড়ার শুভেচ্ছা
১১ ই জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২৮
ইমন জুবায়ের বলেছেন: আহ্হা
১৬|
১১ ই জুন, ২০১১ রাত ৮:৫৭
কবির চৌধুরী বলেছেন: পুরাতন বই বিক্রি করতে নীলক্ষেত ছিল অদ্বিতীয়। যেখানে সের দরে বই বেচলে ২০/২৫ টাকা করে পেতাম প্রতি কেজিতে। সেখানে চালু টেক্সট বুক এক একটি ৩০/৩৫ টাকা করে ও বিক্রি হতো। সে সময় বাড়তি ৫০/১০০ টাকা হাতে পাওয়া মানে বিশাল কিছু! সে টাকা দিয়ে স্কুলের বই, গল্পের বই, কাজের বই অকাজের বই
কিনে আনতাম। অকাজের বই এর বিশাল কালেকশন ছিল একমাত্র এই নীলক্ষেতে। দেশী, কলিকাতা লেখকের (চটি নামে প্রচলিত নিউজপ্রিন্ট বইগুলোর রসময় গুপ্ত নামের লেখক ছিল ক্লাসিক
), কিংবা ইংরেজি মোটা কাগজের মলাটে বিখ্যাত পর্ণ পত্রিকা পাওয়া যেত এখানে। কম্পিউটার ইন্টারনেটের যুগে এগুলো সহজলভ্যতা/ডাল-ভাত হবার জন্য এই সব উঠে গেছে। তবে নীলক্ষেতে এগুলো ইতিহাসের অংশ।
নীলক্ষেতকে পবিত্র গ্রন্থতীর্থ বলতেও দ্বিধা নেই আমাদের কারও কারও।।
১১ ই জুন, ২০১১ রাত ৯:১৬
ইমন জুবায়ের বলেছেন: কম্পিউটার ইন্টারনেটের যুগে এগুলো সহজলভ্যতা/ডাল-ভাত হবার জন্য এই সব উঠে গেছে।
তবে নীলক্ষেতে এগুলো ইতিহাসের অংশ।
নীলক্ষেতকে পবিত্র গ্রন্থতীর্থ বলতেও দ্বিধা নেই আমাদের কারও কারও।
১৭|
১১ ই জুন, ২০১১ রাত ৯:২০
শায়েরী বলেছেন: Nilkhet chonena dhakate amn kw money hoy nei..
১১ ই জুন, ২০১১ রাত ৯:৩৯
ইমন জুবায়ের বলেছেন: হ্যাঁ।
ধন্যবাদ।
১৮|
১১ ই জুন, ২০১১ রাত ৯:৪৫
মনিরাজ সরকার বলেছেন: আহারে!
আহারে!
আহারে!
কত স্মৃতি,কত স্মৃতি...............প্রিয় নীলক্ষেত
সব মনে পরে গেলরে.............
আহারে!
আহারে!
আহারে!
কতদিন যাই না....................প্রিয় নীলক্ষেতে
১১ ই জুন, ২০১১ রাত ১০:১০
ইমন জুবায়ের বলেছেন: আহারে!
কত স্মৃতি,কত স্মৃতি...............প্রিয় নীলক্ষেত
১৯|
১২ ই জুন, ২০১১ রাত ৩:১৫
নস্টালজিক বলেছেন: কি জিনিষ মনে করিয়ে দিলেন ইমন ভাই!
কোথায়, মাইনাস বাটন টা কোথায়!
(কত কত নস্টালজিয়া নীলক্ষেত এর পুরানো বই আর স্পেশালি ম্যাগাজিন কেনা নিয়ে!)
১২ ই জুন, ২০১১ সকাল ৭:২৫
ইমন জুবায়ের বলেছেন: আহারে!
কত স্মৃতি,কত স্মৃতি...............প্রিয় নীলক্ষেত
২০|
১২ ই জুন, ২০১১ রাত ১০:৫৫
পুবের পাহাড় বলেছেন: ড্যান ব্রাউন কিনলাম ২টা..আর কিছু ডিপার্টমেন্টাল বই..
১৩ ই জুন, ২০১১ সকাল ৭:০৩
ইমন জুবায়ের বলেছেন: হুমম।
২১|
১৩ ই জুন, ২০১১ রাত ১২:২৫
আল মুজাহিদ বলেছেন: নীলক্ষেত আমাদের মনস্তাত্বিক বিবর্তনের ইতিহাস।
১৩ ই জুন, ২০১১ সকাল ৭:০৩
ইমন জুবায়ের বলেছেন: সহমত।
২২|
১৩ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৪:১২
শুভ রহমান বলেছেন: নীলক্ষেতের চাইতে পল্টন ফুটপাথকেই আমার বেশি ভালো লাগে। পল্টন ফুটপাথে বাংলা পুরনো বইয়ের রাজত্ব বলা যায়। নীলক্ষেত আগে কেমন ছিল জানি না, কিন্তু এখন পুরনো বাংলাবইয়ের কালেকশন অতোটা ভালো না।
১৩ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৪:২৪
ইমন জুবায়ের বলেছেন: সহমত।
২৩|
১৩ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৪:৩৫
িনদাল বলেছেন: nilkhet akhono tirthikhetro. Regualr kini willbur smith, jhon grisham, fredrikh forsyth, jefry archer
১৩ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৪:৪০
ইমন জুবায়ের বলেছেন: হ্যাঁ। nilkhet akhono tirthikhetro.
২৪|
১৫ ই জুন, ২০১১ দুপুর ২:০৫
রেজোওয়ানা বলেছেন: নীলক্ষেতের পুরানো বইয়ের দোকান গুলোকে গোল্ড মাইন বলে মনে হয় আমার কাছে। আমরা এখনও সময় পেলে ঢু দেয় এখানে। বেশি কেনা হয় আর্ট আর ইতিহাসের বই। গত সপ্তাহেও গিয়েছিলাম! ভেতরের দিকের একটা দোকানে পেলাম এই বছর ছায়ানট থেকে বের করা "রবীন্দ্র চিত্রকাল" নামে চমৎকার একটা বই (তিনটা আর্টিকেল এবং প্রায় ৮০ টার মতো ছবি)। স্পেশিমেন্ট কপি, কোন কুস্মান্ডকে যে দেয়া হয়েছিল, সাথে সাথে পুরানো বইয়ের দোকানে বিক্রী করে দিয়েছে
১৫ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৩:১৩
ইমন জুবায়ের বলেছেন: আমিও এককালে আর্টের বইটই কিনতাম।
২৫|
১৫ ই জুন, ২০১১ রাত ১০:৩১
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: নীলক্ষেত আমার কাছে এক মহাকাব্যের নাম.....আমি এখনও সময় পেলে মাসে এক-দুইবার ঘুরে আসি। এখন ফটোকপি আর পাইরেটেড বইয়ের জন্জালে ইংরেজী পেপারব্যাককে খুব করুণ মনে হয়।
নীলক্ষেতে প্রথম গিয়েছিলাম সেই ৯৫ সালের দিকে। একগাদা সেবার বই কিনে এনেছিলাম। তখন সেবা'র মাসুদ রানা, ওয়েষ্টার্ন, অনুবাদ এগুলো ছিলো আমার কাছে খনির মতো। আর কিনতাম সিডনী শেলডন.....সিডনীর সব বই আমার নীলক্ষেত থেকে কেনা....এখনও সেলফে সেগুলো আছে। পরে ধীরে ধীরে আরো অনেক পেপারব্যাক কেনা হয়। মারিও পুজো...ফরসাইথ...টম ক্ল্যান্সি...লিওন ইউরিস...কেন ফলেট...রবার্ট লুডলাম...আরো কতো কতো নাম। এখনও আমি ভেতরের দিকের ইংরেজী পেপারব্যাকের দোকানগুলোতে ঢু মেরে আসি।
একসময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ তথা হিটলারের উপর যথেষ্ঠ আগ্রহ ছিলো। (এখনও আছে)...বেশীর ভাগ বইই আমি সংগ্রহ করেছিলাম আমি নীলক্ষেত থেকে। একটা বই খুবই মারাত্বক....Inside the Thrid Reich...Albert Speer (Armament Minister of Hitlers)। আরো অনেক বইই আমার নীলক্ষেত থেকে সংগ্রহ করে পড়া। একবার পেয়েছিলাম একটা অটোমোবাইল এনসাইক্লোপিডিয়া। কি এক বই....আহ!!!
নীলক্ষেত নিয়ে লিখতে গেলে আমার নিজেরও একটি পুরো পোষ্ট লেখা হয়ে যাবে। আলসেমী কাটিয়ে উঠে লিখতে পারলে কোন এক সময় লিখবো....হয়তো কবিতা...হয়তো স্মৃতিচারন...আবার হয়তো কিছুই লিখবোনা...।
১৬ ই জুন, ২০১১ ভোর ৬:৩৬
ইমন জুবায়ের বলেছেন: আসলেই নীলক্ষেত আমার কাছে এক মহাকাব্যের নাম....এবং এখন ফটোকপি আর পাইরেটেড বইয়ের জন্জালে ইংরেজী পেপারব্যাককে খুব করুণ মনে হয়।
যা হোক আপনার স্মৃতিকথার অপেক্ষায় রইলাম।
অনেক ধন্যবাদ।
২৬|
২২ শে জুন, ২০১১ রাত ১১:২০
অন্ধ আগন্তুক বলেছেন: প্রিয় নীলক্ষেত !!!!!
আমি অবশ্য এখনো বইয়ের গন্ধের লোভ ছাড়তে পারি নাই । ঝকঝকা পিডিএফের চেয়ে মলিন পৃষ্ঠাই এখনো ভালোলাগে ।
স্মৃতিচারণ ভালো লাগলো ইমন ভাই । অনেকদিন পর ব্লগে এলাম । নিশ্চয় ভালো ছিলেন । শুভকামনা ।
২৩ শে জুন, ২০১১ ভোর ৬:৫৮
ইমন জুবায়ের বলেছেন: শুভকামনা ।
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই জুন, ২০১১ দুপুর ১:৫৫
১১স্টার বলেছেন: নীলক্ষেতে অনেক সুন্দর সুন্দর বই পাওয়া যায় এটা চরম সত্যি কথা। ভালো লাগছে পুরানো স্মৃতি গুলো মনে পড়ে গেলো।
তবে আমি একবার বিড়ম্বনায় পড়েছিলাম গ্রাফিক্স ডিজাইনের বই খুজছি ১৯৯৪ সালের কথা। যেটা খুজতেছি সেটা পাইতেছিনা একদোকানদার বল্ল বই কিনতে আসছেন না মেয়েদের সাথে ধাক্কা খেতে আইছেন আমি পুরা "থ" ।