নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

দেবজ্যোতি ভক্ত

ব্যক্তিগত জানলার পর্দার আড়ালে বৃন্দাবন, দুঃখ মুছার ন্যাকড়া, সুখের মাঝে গুঁজে রাখা ন্যাপথালিন। পর্দার সাথে ঘেঁষাঘেঁষি করে দাঁড়িয়ে থাকা আকাশ বহুদিন ধরে অপেক্ষমান জানলার পর্দা সরার, কপাট খোলার। কিন্তু দুর্বাঘাসের হৃদয়ে আঁকা শিশিরের স্বাদ ভুলে গ্যাছে যে আকাশ বাতাসের টেলিফোনে তার কি ঘুম ভাঙ্গে, জানলার পর্দা সরে, কপাট খোলে? তাই এ আকাশের কথা চিত্রগুপ্তের জানা নাই। এ আকাশ রোদ্দুরহীন মেঘের দূরগামী, গোপন তারায় নির্বাসিত।

দেবজ্যোতি ভক্ত › বিস্তারিত পোস্টঃ

নাম নিয়ে যে কতো বিপদ !!!!!!!!!!!!

১৮ ই জুলাই, ২০১৩ সকাল ৭:২১

নাম নিয়ে যে কতো বিপাকে পড়তে হয় আমাকে !

নামের মাঝখানের অংশে 'জ্যোতি' থাকার কারণে মূলত এ ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়। 'জ্যোতি' নামটার ভেতর একটা মেয়েলী ভাব আছে।

ডাচ বাংলা ব্যাংক থেকে প্রতিমাসে মোবাইলে মেসেজ দিয়ে একাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য জানায়। মেসেজের শুরুতে লেখা থাকে, Dear madam................................



নিকুঞ্জ এলাকায় এক ভদ্রলোকের সাথে পরিচয় হওয়ার পর ৩ বছর ধরে তিনি আমাকে 'যতিন' বলে ডাকছেন। তাকে যতো বুঝাই সে ততো 'যতিন' বলে।



তবে কিছু সুফলও পাওয়া যায়। একবার ঢাকা থেকে খুলনা যাওয়ার সময় , ২ দিন আগে টিকিট বুক করে রেখেছিলাম। ভ্রমনের দিন আমার পাশে এক রূপবতী মহিলা বসলেন। আমাদের পাশাপাশি সিট। বাস চলতে শুরু করলো, আমাদেরও কথা শুরু হলো। আমরা দুজন কে কোথায় কি করি, কার জন্ম কোথায়, কোন স্কুলে নিজে পড়েছি, কোন স্কুলে বাচ্চাদের পড়াবো ইত্যাদি সব বিষয় নিয়ে কথা চলতে লাগলো। কথা বলতে বলতে জানতে পারলাম, বাসের টিকিট ভদ্রমহিলার স্বামী বুকিং দিয়েছিলেন। ভদ্রমহিলার স্বামী মানে ভদ্রলোকটি চেয়েছিলেন, তার বউ এর পাশে যাতে নারীসম্প্রদায়ের কেউ বসে। টিকিট কাউন্টারের লোকটা বুকিং নেম চেক করে, আমার নাম দেখে আমাকে নারীসম্প্রদায়ের মনে করে আমার পাশের সিট ভদ্রমহিলার জন্য বরাদ্দ করলো।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.