নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সৃজনশীল সৌন্দর্যের সাথে চলুন সবাই এক সাথে

শেখ বিবি কাউছার

আমি শেখ বিবি কাউছার, চট্টগ্রাম কলেজ থেকে অনার্স এবং ঢাকা তেজগাঁও কলেজ থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করি।বর্তমানে নোয়াপাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে(রাউজান, চট্টগ্রাম) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত আছি।

শেখ বিবি কাউছার › বিস্তারিত পোস্টঃ

বঙ্গবন্ধুর দেশ ভাবনা ও তা বাস্তবায়ন

২২ শে মার্চ, ২০২১ রাত ১১:৫৫

ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের অসংখ্য মহামূল্যবান বাণী রয়েছে, তার মধ্যে একটি বাণী হলো: “স্বপ্ন পূরণ না হওয়া পর্যন্ত স্বপ্ন দেখে যাও, স্বপ্ন হলো সেটাই যা তোমাকে ঘুমাতে দেয় না”। তাঁর এই মহান বাণীটির অনেক আগেই বঙ্গবন্ধু তাঁর সোনার বাংলা নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা বাস্তবায়ন করতে নিজেকে সপেঁ দিয়েছেন জনগন ও দেশের কল্যাণে। তাঁর স্বপ্ন ছিল দেশটি আতœনিভর্র শীল হবে, দেশের মানুষ মাথা উচুঁকরে দাড়াঁবে, দু’বেলা আহার পাবে, মাথার ওপর চাল থাকবে, শিক্ষিত হবে, সব মানুষের কর্মসংস্থান ও সুস্বাস্থ্যের ব্যবস্থা থাকবে এবং সমাজে সংহতি বিরাজ করবে। বঙ্গবন্ধুর দেশ নিয়ে ভাবনার পরিচয় পাওয়া যায় তার নানা সময়ের ঘটনার মধ্যে দিয়ে। ১৯৫২ সালে চীনে শান্তি সম্মেলনে আমন্ত্রণপ্রাপ্ত হয়ে আরো কয়েজনের সাথে তার চীন ভ্রমণের সুযোগ আসে। সেটাই তাঁর জীবনের প্রথম বিদেশ ভ্রমণ।
সেই ১৯৫২ সালে বঙ্গবন্ধু পিকিং শান্তি সম্মেলনে বাংলা ভাষায় বক্তৃতা করেন। তিনি লিখেছেনঃ আমি বাংলায় বক্তৃতা করলাম। …………কেন বাংলায় বক্তৃতা করব না? ভারত থেকে মনোজ বসু (সাহিত্যিক) বাংলায় বক্তৃতা করেছেন। পূর্ব বাংলার ছাত্ররা জীবন দিয়েছে মাতৃভাষার জন্য বাংলা পাকিস্তানের সংখ্যাগুরু লোকের ভাষা। …..আমি ইংরেজিতে বক্তৃতা করতে পারি। তবু আমার মাতৃৃভাষায় বলা কর্তব্য । তিনি দেশে ফেরার সময় পাঠকদের উদ্দেশ্যে বললেন: বিদেশে না গেলে নিজের দেশকে ভালভাবে চেনা কষ্টকর। বঙ্গবন্ধু শুধু সম্মেলনেই অংশগ্রহণ করেন তাই না তিনি দেশটাকে (চীন) খুব গভীরভাবে দেখেছেন। কৃষকের বাড়ি থেকে শুরু করে তাদের কর্মসংস্থান শিক্ষা, স্বাস্থ্য সবই তিনি দেখেছেন। এমনটি ছোট ছোট শিশু ও ছাত্রছাত্রীদের ও তিনি গভীরভাবে অবলোকন করেন। শিশু বয়স থেকেই দেশপ্রেশ কর্তব্যবোধ জাগ্রত করার যে প্রচেষ্টা এবং এর সফলতা তাও পর্যবেক্ষণ করেছেন।
বঙ্গবন্ধুর মধ্যে একটি আদর্শ রাষ্ট্র কাঠামো দাঁড় করানোর যে সদিচ্ছা ছিল সেটি বোঝাা যায় চীনের স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি স্কুল, মসজিদ, প্যাগোডা,শ্রমকিদের বাসস্থান গভীর মনোযোগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করায়। সদ্য স্বাধীন হওয়া চীন দেশের আমূল বদলে যাওয়া দেখে তিনি সেখান থেকে বাস্তব ধারণা নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। পরবর্তী সময়ে আমরা যখন স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর শাসনমেলে কো-অপারেটিভ সোসাইটি গড়ে তোলার প্রচেষ্টা দেখতে পাই। তখন বুঝতে বাকি থাকে না। নয়া চীন থেকে তিনি তখন আসলে একটি রাষ্ট্র গড়ার বীজ বুনতে শুরু করেছেন। চীনাদের সবকিছু জয় করার মনোভাব বঙ্গবন্ধুকে খুব আলোড়িত করেছিল। নয়া চীনের বিপ্লব সংঘটিত হয় মাওসেতুং এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর মুক্তযিুদ্ধের চেতনায় দেশপ্রেম কভিাবে গঠিত হবে তার রূপরেখা তিনি দিয়ে গেছেন একটি ভাষণে। সেই ভাষণে তিনি বলেন, এই দেশে হিন্দুর না, এই দেশ মুসলমানের না, এই দেশকে যে নিজের বলে ভাববে এই দেশ তার, এই দেশের কল্যাণ দেখে যার মন আনন্দে ভরে উঠবে এই দেশ তার, এবং এই দেশের দুঃখে যে কাঁদবে এই দেশ তার, এ দেশ তাদের, যারা এই দেশের মানুষের স্বাধীনতার জন্য সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েছে এবং ভবিষ্যতে ও দিবে।
বঙ্গবন্ধু এক সময় ছিলেন আওয়ামী লীগের তরুণ প্রজন্মের নেতা পরে হলেন পুরো আওয়ামী লীগের নেতা, আর সব শেষে হয়ে উঠলেন সমগ্র বাঙ্গালির জাতীয় নেতা। জাতীয় নেতা যখন হয়েছেন তখন তাঁর চিন্তা-ভাবনায় পরিবর্তন এসেছে। ১৯৭২ সালের ৭ জানুয়ারি রাতে পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হন বঙ্গবন্ধু। বিমানে চেপে যখন পাকিস্তান থেকে লন্ডন যাচ্ছিলেন, তখন থেকেই শুরু হয়ে গেছে স্বপ্নের সোনার বাংলা নিয়ে তাঁর চিন্তাভাবনা। ৮ তারিখ সন্ধ্যায় বৈঠক করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথের সঙ্গে। দিল্লি হয়ে লন্ডন থেকে দেশে ফিরলেন ১০ জানুয়ারি। দেশের মাটিতে পা রেখেই দেখলেন চারদিক বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অর্থ নেই। এ অবস্থায় কাঁধে তুলে নিতে হলো দেশ ও মানুষের এক গুরুদায়িত্ব। দেশে ফেরার পর যখনই তিনি বক্তব্য দিতেন, তখনই তাতে বারবার থাকত বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর কথা। তারপর আতœপ্রত্যয়ী ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সেই মানুষটি লেগে গেলেন দেশ গড়ার কাজে। যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রের হাল ধরতে গিয়ে তিনি দেশি-বিদেশী চক্রান্তকারীদের এবং তার নিজ দলের মধ্যেই ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকা সা¤্রাজ্যবাদী চক্রদের ষড়যন্ত্রের শিকরে হন। প্রাকৃতিক দুযোর্গ এবং তার নিজ দলের একাংশের দুর্নীতি ও তাঁকে পদে পদে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছিল। তবুও মাত্রে সাড়ে তিন বছরের দেশ পরিচালনায় যে অভাবনীয় সাফল্য দেখিছেন তাই তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন ইতিহাসের
বঙ্গবন্ধু দেশের মানুষের সেই ধারণাটাকইে বাস্তবায়িত করেছেন। বঙ্গবন্ধু মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই পরিকল্পিত উপায়ে দেশ গঠন এবং জনগণের ভাগ্যান্নয়নে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-৭৮) গ্রহণ করতে সক্ষম হন। এটিই বাংলাদেশের প্রথম অর্থনৈতিক দলিল। এ দলিলে শুধু অর্থনীতির বিষয়বস্তুই তুলে ধরা হয়নি, এতে নিঃস্বার্থ রাজনৈতিক অঙ্গীকার, প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসন যন্ত্রের বিশদ ধারণা সরকারকে দেওয়া হয়। কিন্তু বঙ্গবন্ধু সরকারকে এই ঐতিহাসিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পূর্ণ সুযোগ দেওয়া হয়নি। বর্তমানে বিশ্ব যে বাংলাদেশকে চিনে এটার ভিত্তি স্থাপন করে গেছেন বঙ্গবন্ধু নিজেই। ১৯৭২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি সফরে ভারত যান বঙ্গবন্ধু। এরপর ১৭ মার্চ বাংলাদেশ সফরে আসেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, গুরুত্বপূর্ণ এই সফরে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় ২৫ বছর মেয়াদি বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও শান্তি বিষয়ক একটি চুক্তি। তার সফল পররাষ্ট্রনীতির ফলেই এই সম্প্রীতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ যাই এম এফ, আই এলও, আন্তঃসংসদীয় ইউনিয়ন, ইউনেস্কো, কলম্বো প্ল্যান এবং গ্যাটের সদস্যপদ লাভ করে। আগষ্টে জাতিসংঘের সদস্য পদের জন্য আবেদন করে নিরাপত্তা পরিষদের সব সদস্যকে চিঠি লিখলেন বঙ্গবন্ধু। ২৫ মার্চ যুগোস্লাভিয়ান প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে আসেন। বঙ্গবন্ধু ২৬ থেকে ৩১ জুলাই প্রেসিডেন্ট জোসেপ ব্রোজ টিটোর আমন্ত্রণে ফিরতি সফরে যুগোস্লাভিয়ার যান। তিনি আগস্টে কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের সম্মেলনে যোগদান উপলক্ষে কানাডা সফর করেন। সেপ্টেম্বরে আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত চতুর্থ ন্যাম শীর্ঘ সম্মেলনে যোগ দেন। ওই সময় তিনি বাদশাহ ফয়সাল, প্রেসিডেন্ট টিটো, ফিদেল কাস্ত্রো, আনোয়ার সাদাত, প্রেসিডেন্ট ইদি আমিন, প্রেসিডেন্ট গাদ্দাফি, প্রধানমন্ত্রী তাকেদ্দিনসহ আরো অনেকের সঙ্গে দ্বিপাক্ষীয় বৈঠক করেন। এত ব্যস্ততার মাঝেও পাকিস্তনে আটকা পড়া বাংলাদেশিদের কথা ভোলেননি বঙ্গবন্ধু। আটকে পড়া বাঙ্গালিদের নিঃশর্ত প্রত্যাবাসনের জন্য এপ্রিলে জাতিসংঘের মহাসচিবকে বার্তা পাঠান। ১৯ সেপ্টেম্বর ১৬৮ জন বাঙ্গালির প্রথম দলটি বাংলাদেশে ফিরে আসার মাধ্যমে শুরু হয় প্রত্যাবাসন। ওই বছর বাংলাদশে এডিবির সদস্য পদ লাভ করে।
ভারতের চতুর্থ রাষ্ট্রপতি ভি ভি গিরি (বরাহগিরি ভেঙ্কট গিরি) ১৫ জুন পাঁচ দিনের সফরে ঢাকা আসেন। সে মাসেই বাংলাদেশ সফর আসেন পাকিস্তানরে প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো এর মধ্যে সেপ্টেম্বর ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ মাস। কারণ ১৭ সেপ্টেম্বর ১৩৬ তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। কূটনৈতিক সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে চলছিল উন্নয়নকাজ ও নভেম্বরেই জাপান ও বাংলাদেশ যমুনা নদীর ওপর তিন মাইল দীর্ঘ একটি সেতু নিমার্ণের স্থান চূড়ান্ত করে। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ মাত্র সাড়ে তিন বছরে যুদ্ধবিধ্বস্ত সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে ৫০টির মতো রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানদের বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক সফর হয়। অতি স্বল্প সময়ে বাংলাদেশ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সহযোগিতার নানা বিষয়ে ৭০টির বেশি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। এই সময় অনেক দেশ ও সংস্থা বাংলাদেশকে কোটি কোটি ডলারের ঋণ, সাহায্য, সহযোগিতা প্রদান করে।
বলা যায়, বাংলাদেশের বর্তমান বহুমুখী ও শক্তিশালী বিশ্ব সম্পর্কের ভিত্তি বঙ্গবন্ধুরই গড়া। বঙ্গবন্ধু পরমাণু শক্তি কমিশন, বিজ্ঞান গবেষণা পরিষদ, শিল্পঋণ সংস্থা, কৃষি গবেষনা পরিষদ, প্রতিষ্ঠা করেন এই সব প্রতিষ্ঠান বর্তমানে দেশের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছে। বঙ্গবন্ধু সরকার ১৯৭২ সালে পাকিস্তান আমলে প্রতিষ্ঠিত বহু শিল্প প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বীমা প্রভূতি জাতীয়করণ করেন।
বঙ্গবন্ধুর সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব ছিল বাঙ্গালিকে একটি শাসনতন্ত্র বা সংবিধান প্রদান। ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয়। ১৪ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু বাংলাদদেশের প্রথম সংবিধানে স্বাক্ষর করেন। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সাল থেকে সংবিধান কার্যকর হয়। পৃথিবীর যার কোনো দেশে এরকম একটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর এত দ্রুত লিখিত একটি সংবিধান প্রদান করা সম্ভব হয়েছিল বলে আমাদের জানা নেই। সংবিধানের মূলনীতি ছিল চারটি গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদ। তবে সবচেয়ে গুরুতপূর্ণ ছিল ধর্মনিরপেক্ষতা, এশিয়ার আর কোনো দেশে সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। কারণ এ ধরণের ঘোষণা ঐ সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে ছিল একেবারে নতনু।
ধর্মনিরপেক্ষতা বলতে বঙ্গবন্ধু কী বোঝেন সেটি তিনি বলেছিলেন এভাবে, “বাংলাদেশ হবে ধর্মনিরপেক্ষ ধর্ম পালন করবে, হিন্দু তার ধর্ম পালন করবে, খ্রিস্টান তার ধর্ম পালন করবে, বৌদ্ধ তার দর্শ পালন করবে, এ মাটিতে ধর্মহীনতা নাই, ধর্মনিরপেক্ষতা আছে, এর একটা মানে আছে, এখানে ধর্মের নামে ব্যবসা চলবে না, ধর্মের নামে লুট করা চলবে না, ধর্মের নামে রাজনীতি করা চলবে না, রাজাকার-আল বদর পয়দা করা বাংলার বুকে আর চলবে না। সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না”। সে কারণে তিনি সংবিধানে মূলনীতি হিসেবে গণতন্ত্র, বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা ঘোষণা করেছিলেন। শুধু তাই নয়, এর সঙ্গে সামজ্ঞস্য রাখার জন্য ধর্মভিত্তিক রাজনীতি ও নিষিদ্ধ করেছিলেন।

বাংলাদেশে অনেক রাজনীতিবিদ ছিলেন, আরো আসবেন, কিন্তু বঙ্গবন্ধুর মতো কেউ হবেন না। একজন সাধারণ বাঙ্গালির মতোই জীবনর যাপন করেছেন তিনি। কোনো লোভ ছিল না ধনসম্পত্তির প্রতি, আর মানুষের প্রতি ভালোবাসা ছিল অসীম, তিনি বলতেন, আমার শক্তি এই যে, আমি মানুষকে ভালোবাসি, আমার দুবর্লতা এই যে, আমি তাদের খুব ভালোবাসি । লেখকঃ প্রভাষক ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ নোয়াপাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ রাউজান, চট্টগ্রাম

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.