নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বায়োবাংলা

বায়োবাংলা › বিস্তারিত পোস্টঃ

ড্রাই ল্যাব: ভূমিকা

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৩:০৩

ড্রাই ল্যাব ব্যাপারটা নিয়ে আমি অনেক কথা বলেছি । এত বেশি যে এটা দিয়ে একটা ছোটখাট বই লিখে ফেলা যেত । যাই হোক, আবারো লিখা শুরু করলাম, একটাই উদ্দেশ্য : একটা কোথাও সেটেলড হলে গেলে আর হইতো সময়/সুযোগ পাবনা । লেখা শুরু করার আগে একটা কথা বলে নেয়া জরুরী । ছাত্র হিসেবে আমি ভালনা । অনার্সের রেজাল্ট সেকেন্ড ক্লাশ + মাস্টাসে নন থিসিস স্টুডেন্ট । এত কথা বললাম কারণ বাজে স্টুডেন্টের কথা অনেকেরই শুনতে ভাল লাগেনা । তাই লেখাটা পড়ার আগে জেনে নেয়া ভাল ।



ড্রাই ল্যাব হলো মূলত ঘরে বসে বসে করা যায় এমন সকল কাজের সমস্টি । অনেকের ভূল ধারণা হলো ড্রাই ল্যাব বলতে শুধু বায়োইনফরম্যাটিক্স বুঝে । কিন্তু বায়োইনফরম্যাটিক্স ড্রাইল্যাবের একটা অংশ মাত্র । মেটা অ্যনালাইসিস হল ষ্ট্যাটিস্টিক্যাল অ্যানালাইসিস যা কম্পিউটেশনাল বায়োলজিরই একটা পার্ট । মেটা অ্যানালাইসিস Approach ব্যবহার করে বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্টের ভ্যালিডিটি এবং একই ধরণের অনেক গুলো এক্সপেরিমেন্টের সমন্বয় ঘটানো হয় । যেমন ধরা যাক বাংলাদেশের অনেক ল্যাবে লিপিড প্রফাইল নিয়ে কাজ করা হয়েছে । কিন্তু বাংলাদেশের Overall অবস্থাটা কি তা বলা সম্ভব যখন এই সবগুলো এক্সপেরিমেন্টের রেজাল্ট সমন্বয় করা হবে ।



সিস্টেমস বায়োলজি হলো অনেকটা বায়োইনফরম্যাটিক্স এর মতই । কিন্তু এখানে জোর দেয়া হয় বিভিন্ন Process এর সংযোগ ঘটানোর উপর । হতে পারে সেটা Wet Lab থেকে প্রাপ্ত Result কিংবা Bioinformatics এর Analysis অখবা শুধুই বায়োলজিক্যাল Observation ।



ষ্ট্যাটিস্টিক্যাল অ্যানালাইসিস হলো ড্রাই ল্যাবের প্রধান হাতিয়ার । বিভিন্ন সার্ভে অথবা প্রেসক্রিপশন অ্যানালাইসিস কিংবা ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলো হতে প্রাপ্ত ডেটা নিয়ে অ্যানালাইসিস বাংলাদেশে মেডিক্যাল রির্সাচের এক নতুন দুয়ার খুলে দিতে পারে । অবশ্য একটা দিকে খেয়াল রাখতে হবে নিশ্চিত করে : তা হল এই ডেটাগুলো ব্যাবহারের জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুমতি থাকতে হবে।



এবার আসি বায়োইনফরম্যাটিক্স এর কথায় । বায়োলজিক্যাল ইনফরমেশন গুলিকে ম্যাথেমেটিক্যালি প্রসেস করাই হচ্ছে বায়োইনফরম্যাটিক্স । আমি একটা জিনিস খেয়াল করেছি আমাদের দেশে বেশীর ভাগ বায়োলজিক্যাল সায়েন্সের বোদ্ধারা বায়োইনফরমেটিক্সকে কোন সায়েন্স মনে করেননা, ল্যাব তো অনেক পরের কথা । এর মূল কারণ তারা পরিবর্তনকে ভয় পান । সহজ ভাষায় বায়োইনফরম্যাটিক্স কাজ করে দুই পদ্ধতিতে । এক, Homology এবং দুই, Complementarity । সুতরাং নতুন কোন সিকোয়েন্সসিং হলে বায়োইনফরমেটিক্স ছাড়া এই ড্রাই ল্যাব ছাড়া আমরা পিছিয়ে পড়ব শত শত বছর ।



অপ্রাঙ্গিক কিন্তু না বলে পারছিনা । আমাদের দেশে অনেক (সবাই নয় অবশ্যই) ইয়ং রিসার্চাররা ড্রাই ল্যাব ব্যাপারটা স্বীকার করতে চায়না । বুঝতেও চায়না । যারা এটার পক্ষে কথা বলে আড়ালে আবডালে তাদের ন্দিা-মন্দ করে কিন্তু দেশের বাইরে যাবার জন্য যখন পেপার দরকার হয় তখন এরাই আবার পেপার বের করে ডাই ল্যাবের সাহায্য নিয়ে । বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বায়রোজিক্যাল সায়েন্সের পেপার বের হয় ড্রাই ল্যাবের কাজ দিয়ে । তাই যারা এধরনের মানসিকতা পোষন করেন তাদের বলব এই মানসিকতা ছেড়ে বেরিয়ে আসুন । সামনের দিকে এগুতে শিখুন । মৌন সমর্থকের চেয়ে স্পষ্টভাষী বিরোধী ভাল ।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.