নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

LAB RAT

People Don’t Change, They Just Evolve

বিপ্লব06

এই ব্লগের সকল লেখার স্বত্ত্ব লেখকের।

বিপ্লব06 › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইডিয়টস জার্নি টু আম্রিকা (পনের)

১০ ই জুন, ২০১৬ সকাল ৯:১৫



আগের কাহিনীর পর.........।

তার পরদিন ঘুম থেইকা উইঠা আমার রুমমেট আমারে বাসার কিছু জিনিস দেখাইয়া দিল। আর কইল আমাদের এইখানে আমরা সবাই আপন আপন রান্না কইরা খাই, আপনেরেও খাওয়া লাগবে। আমারে কয়েকটা পাতিল দেখাইয়া দিয়া কইল এখন থেইকা আপনি এইগুলা ইউজ করবেন। আমি চিন্তা করলাম লাইফে ম্যাক্সিমাম রান্না এক্সপেরিয়েন্স হইল খিচুড়ি, তাও শিখছি হাজি দানেশের হলে থাকতে যাইয়া। আর আগের শেখা আর একটা জিনিস পারতাম সেইটা হইল ডিম ভাজা। চিন্তা করলাম আস্তে আস্তে এইগুলা দিয়াই শুরু করা লাগবে।

আর এক বড় ভাই ছিলেন আমাদের সাথে, উনি আমারে বাথরুমে নিয়া গেলেন তারপর কইয়া দিলেন এইটা হইল বাথরুম, এইটার উপ্রে উইঠা কাম সারবা না ভুলেও। বইসা পা ঝুলাইয়া কাম সারবা। নাইলে পইড়া দাত-টাত ভাঙতে পার। যেহেতু দেশে আমারা আলাদা টাইপ বাথরুম ব্যাবহার করি, ব্যাপারটা আমার কাছে একটু ইন্টারেস্টিংই লাগছিল। আমি কইলাম অক্কে। এরপর দুইদিন ঘুমাইয়া ঘুমাইয়া জেট ল্যাগ কাটানোর চেষ্টা করলাম। একদিন আমার রুমমেট আমারে কইল চলেন আপনারে রুমের চাবি বানাই দেই। আমি কইলাম চলেন। একটা দোকানে যাইয়া উনি দোকানদাররে চাবিটা দিলেন আর দোকানদার ব্যাটা দেখি মেশিন দিয়া দুই সেকেন্ডের মধ্যে চাবি বানাইয়া দিল! আমি তো পুরাই টাস্কিত! দেশে থাকতে ঘইষা ঘইষা চাবির নকল বানাইতে দেকছি! এইখানে দেখি চাবি বানানর মেশিন ও আছে!!

সেই মুহূর্তে আমার হাতে কাজকাম বলে কোন জিনিস ছিল না। খালি রান্না করা আর খাওয়া। একদিন আমার রুমমেট কইল, আপনার সোশ্যাল তো এমনিতেই আসার কথা, মাগার ইদানীং দেখছি আইয়ে না। আপনের সোশ্যাল অফিসে যাইয়া এপ্লাই কইরা আসা লাগবে (সোশ্যাল সিনিউরিটি নাম্বার ওয়ালা কার্ডটা ছাড়া কেউ কাজ দেওয়া ইলিগ্যাল। কাজ পাইতে গেলে ওইটা মাস্ট)। আমি কই অক্কে! মাগার সমস্যাটা হইল আমি ওইখানে ক্যামনে যাইতাম। উনি আমারে কইলেন এইখান থেইকা ট্রেইন লইয়া অমুক ইস্টেশনে নামবেন, ইস্টেশন থেইকা বাইর হইয়া দেখবেন, “জাইরো”র দোকান গুলাতে বহুত বাঙ্গালি কাম করতেছে। আপনি ওইখানে যে কুনো বাঙ্গালি ভাইরে জিগাইলে আপনেরে দেখাইয়া দেবে। এরপর উনি আমারে ট্রেনের টিকিট কাটার অটোমেটেড সিস্টেমটা দেখাইয়া দিলেন।

পরের দিন তো আমি পুরাই এক্সাইটেড !!! ঘুম থেইকা তাড়াতাড়ি উঠছি!!! তারপর বাইর হইয়া ট্রেইন স্টেশনে গেলাম। টিকেটও মেশিন থেইকা কাটলাম। এখন টিকেট (মেট্রোকার্ডটা) ঘষা দিয়া ভিটরে যাওয়া লাগবে। আমি তো জানি না ক্যামনে গেঁটে ঘষা দেওয়া লাগবে। দাঁড়াইয়া দেক্তাছি যে লোকজন একের পর এক লোক চইলা যাইতেছে, মাগার আমার আর সাহস হইতেছে না। একবার সাহস কইরা ঘষাটা দিয়াই দিলাম। মাগার কাম হইল না। এরপর কার্ডটা উলটাইয়া পালটাইয়া করেকবার ঘষা দিলাম। একবার ভুলে কামটা হইয়া গেল আর এই বান্দা শিইখা গেল ক্যামনে মেট্রোকার্ডটা ইউজ করা লাগে। এরপর ট্রেইনে উইঠা পরলাম। ট্রেনে উইঠা পরলাম মহা ফাপড়ে! একটু পর পর স্টেশন এনাউন্স করতেছে মাগার আমি কিচ্ছুই বুঝতেছি না। কেরে? আমি না ক্লাস ওয়ান থেইকা ইংলিশ পইড়া বড় হইছি! বুদ্ধি কইরা ট্রেনের লেখাগুলা দেখা শুরু করলাম। ওইখানে দেখায় কুন স্টেশনে আছি, পরের কুনটা, তার পরে কুনটা...।।

একসময় ওই স্টেশনে পৌঁছাইলাম। ট্রেন থেইকা দৌড়াইয়া বাইর হইয়া পরলাম, বলা তো যায় না আগেই যদি দরজা বন্ধ হইয়া যায়!!! বহুত গলি ঘুপচি পার হইয়া একসময় এক্সিট সাইনটা দেইখা মাটির তলা দেইখা বাইর হওয়া পরলাম। দেখতাছি, আসলেই ছোট্ট ছোট্ট লোহার দোকান ঘরের উপ্রে আমাদের অনেক দেশি ভাই “হাট-ডাগ” আর “জাইরো” বেচতাছে। জানে পানি পাইলাম। যাইয়া এক দেশি ভাইয়ের লগে গল্প শুরু কইরা দিলাম আমি নতুন আইছি বইলা...। উনারে একটু পর জিগাইলাম, ভাই কইতে পারেন সোশাল সিকিউরিটি এডমিনিস্ট্রেশন এর অফিসটা কোন দিকে? উনি কইলেন যে উনি জানেন না। ব্যারথ হইয়া আরেক দেশি ভাইরে জিগাইলাম, উনিও জানেন না। কয়েকজনরে জিগাইয়াও জখন পাইলাম না তখন দেখলাম চেয়ারে এক বয়স্ক সাদা ভদ্রলোক বইসা আছে। মনে করলাম এরই জিগান লাগবে। সাহস কইরা তার সামনে খাড়াইলাম।

যাইয়া বহুত কষ্ট কইরা কইলাম, এস্কিউজ মি? লোকটা তারপরে মাথা তুইলা একরকম বিরক্ত হইয়া জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকাইল। এইবার আমার পালা, আমি কি কইতাম। কিসের যেন ভয় চাইপা ধরছে আমারে, মুখ দিয়া কুনু কথাই বাইর হইতেছে না। পড়লাম মহা ফাপড়ে! একটু পরে বহুত জোরাজুরি কইরা মুখ দিয়া কইলাম “সোশ্যাল সিকিউরুটি অফিস?” । লকটা মনে হয় বুঝতে পারছে যে আমি নতুন পাবলিক, আমারে রাস্তার ওইপারে একটা বিল্ডিং দেখাইয়া দিল। আর আমিও থ্যাঙ্কিউ কইয়া বাইছা গেলাম।

রাস্তা পার হইয়া একটা দরজায় দেখি লেখা আছে, সোশ্যাল সিকিউরিটি এডমিনিস্ট্রেশন। আস্তে কইরা ভিত্রে ঢুইকা গেলাম। যাইয়া তো আমি আবার তব্দা খাইলাম। দেখলাম ওরা এইখানেও মানুষের জুতা খুইলা চেক কইরা/স্ক্যান কইরা ভিত্রে ঢুকাইতেছে। আমি তো মনে মনে করছিলাম এইরাম চেক খালি এয়ারপোর্টেই হয়। যাইয়া দেখি, গ্রামীণফোন সেন্টারে যেমন নম্বর লইয়া লাইন দেওয়া লাগত এইখানেও সেইরাম নম্বর দিয়া লাইন নেওয়া লাগতেছে। একটু পর যখন আমার পালা আইল, আমারে এক সুন্দরি মহিলা জিগাইল কি করা লাগবে, আমি ভাঙ্গা ভাঙ্গা গলায় কইলাম, আমি নয়া পাবলিক, কার্ডের জন্য এপ্লাই করতে আইচি। সুন্দরি সব শুইনা আমারে একটা ফরম দিয়া, পূরণ কইরা আবার লাইন ধরতে কইল।

এইবার ফরম পূরণ কইরা আরেক সুন্দরির কাছে গেলাম, সুন্দরি আমারে কয় যে আমি কি প্রাইভেট বাসায় থাকি কি না? আমি কইলাম না তো। তারপরে উনি কইতেছেন, এপয়েন্মেন্ট নম্বর আছে কি না? আমি কই না। আমি কইলাম আমি তো এপইন্মেন্ট কইরা আসি নাই। সুন্দরি কয়েকবার একই প্রশ্ন কইরা বিরক্ত হইয়া কয় আমার নেটিভ ল্যাঙ্গুয়েজ কি? আমি মনে মনে কই ক্যারে? আমার নেটিভ ল্যাঙ্গুয়েজের কথে ক্যারে? সুন্দরির মতলবটা কি? উত্তর দিলাম বাংলা। উনি এরপর ফোনে কথা কওয়া শুরু করলেন। একটু পর উনি রিসিভারটা আমার দিয়ে বাড়াইয়া দিলেন। আমি তো আতংকিত হইয়া আস্তে আস্তে কইরা কইলাম। হ্যালো!
ওইপাশ থেকে মিষ্টি গলায় পরস্কায় বাংলায় এক সুন্দরি কইতেছে আপনার এপার্টমেন্ট নম্বর কি? আমি কইলাম টুট... টুট…। উনি কইলেন আপনি ফরমে এইটা লিখতে ভুলে গেছেন। তারপর উনি কইলেন আমার সামনের সুন্দরিরে ফোনটা দিতে। আর আমি এইদিক মনে মনে শরমে মাথার চুল ছিড়তেছি। সুন্দরি কইতেছিল এপার্টমেন্ট নম্বর আমি খালি শুনতেছিলাম এপয়েন্মেন্ট নম্বর। চুলামার। মান সম্মান বইলা আর কিছু থাকল না। এরপর তাড়াতাড়ি কইরা এপার্টমেন্ট নম্বরটা বসাইয়া দিয়া ফরমটা জমা দিয়া মানে মানে কাইটা পড়লাম। তার আগে সুন্দরি একটা ভুবনভুলানো হাসি দিয়া কইয়া দিল কয়েকদিনের মধ্যে দরকারি জিনিসটা পাইয়া যাইবেন।

আগের পর্বগুলার লিঙ্ক শূন্য, এক, দুই, তিন,চার, পাঁচ, ছয়, সাত,আট,নয়, দশ,এগার, বার, তের, চৌদ্দ।

(চলতে থাকপে......।)

মন্তব্য ৩৬ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৩৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই জুন, ২০১৬ সকাল ৯:৫৬

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হাহা, আমারো প্রথমদিকে উচ্চারন বুঝতে সমস্যা হত। অনেক ফ্রেইজ বুঝতাম না। যেমন একদিন জিম টিচার জিগ্যেস করলেন
"How are you doing?" আমি ভাবলাম কাজের কথা জিগ্যেস করছে না অন্যকিছু? কনফিউসড চেহারা দেখে বললেন, I mean how are you? আমেরিকানরা কেমন জানি না শুনেছি কানাডিয়ানদের মতো অতোটা বিনয়ী না! তবে কানাডায় কেউ বিরক্ত হয় না ইংলিশ না পারলে, বারবার আস্তে আস্তে বলে বুঝিয়ে দেয়। ধৈর্যের অভাব নেই এদের।

বু্দ্ধুকুমার অতি সাধারন গল্পগুলো ডিটেইলের সাথে ঐ একসেন্টে লেখেন বলেই বোধহয় এতো মজা লাগে।

বু্দ্ধুকুমার ভালো থাকুক জমিনি বালার এই কামনা। ;)

১০ ই জুন, ২০১৬ সকাল ১০:২৫

বিপ্লব06 বলেছেন: ভাষার সমস্যাটা প্রত্যেকটা ইমিগ্র্যান্টকে পার করে আস্তে হয়। অনেকের জন্য এইটা অনেক পেইনফুল। আমি লাকি যে অল্পের উপর দিয়ে পার হয়ে যাচ্ছি, অনেকের মত লাইফটাইম স্ট্রাগল করা লাগতেছে না।

আমেরিকানদের ব্যাপারে অনেক স্টেরিওটাইপ প্রচলিত আছে, অধিকাংশই ভুল। সবাই এখানে (এটলিস্ট এই সিটিতে) বেশ স্ট্রেসড থাকে। এই জন্য একটু গ্রাম্পি মনে হইতে পারে। কিন্তু পারসনালি মিশলে দেখা যায় ব্যাপারটা আসলে আলাদা।

আপনাদের ওইদিকে (মন্ট্রিয়ল) এক সামারে যাওয়া হইছিল, বেশ পজিটিভ ধারনা নিয়ে আস্তে পারছি। খুব সুন্দর ছিমছাম শহরগুলা।

মজা লাগে শুনে ভালো লাগছে। আর আপনাকে কিন্তু আমি ওই নাম দেই নাই, কিন্তু আপনি এনিওয়ে নিজে নিজে নামটা নিয়ে লাইক করে ফেলছেন।

ভাল থাকবেন আপনিও।

২| ১০ ই জুন, ২০১৬ সকাল ১০:০০

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: আগেরগুলা পড়া হয় নাই, তবে এটুকুতেও ভালো ভাইটামিন আছে, তয় “জাইরো” মানে কিতা বুঝলাম না :``>>

১০ ই জুন, ২০১৬ সকাল ১০:২৯

বিপ্লব06 বলেছেন: পরে সময় কইরা পইড়া নিয়েন।

“জাইরো” হইল এক ধরনের খাবার, ইন্সট্যান্টলি বানায় দেয়। তেল বেশি কিন্তু আমার ভালোই লাগে। লিঙ্ক দিচ্ছি একটা। “জাইরো”

ভাল থাকবেন #:-S

৩| ১০ ই জুন, ২০১৬ দুপুর ২:৫২

বৈশাখের আমরণ নিদাঘ বলেছেন: ট্রানজিশনের সময়, এই সময়টা খুবই ইন্টারস্টিং। আমিও ভাই অনেক জায়গার ইংরজী উচ্চারণ বুঝিনা। বিশেষ কইরা ব্রিটিশ ইংলিশ। অর্ধেক উচ্চারণ পেটে রাইখা দেয় আর বাকীটা কানে শুনিনা। আমরা দেশে যেই ইংরেজী শিখি সেইটার উচ্চারণের সাথে আমেরিকান আর ব্রিটিশ এক্সেন্টের অনেক পার্থক্য আছে। কিছুদিন আগে আমার এক বইন আসলো আম্রিকা থাইকা। কইলো যে স্টেট গভঃ জবে শিফট করছে। স্টেট গভঃ এর এমআইএস সামলায়। আমি কইলাম ব্যাকএন্ডে কি আর ফ্রন্ট এন্ডে কি। আমারে কয় ফ্রন্ট এন্ডে এই আর ব্যাক এন্ডে এমেসকুয়েল। আমি কইলাম এইডা আবার কি? কয়বার বলার পর কইলো মাইক্রোসফট কুয়েল। আমি বুঝলাম এইটাহইলো সেইটা যারে আমরা কই এমএসকিউএল। |-)

এইরকম কত কাহিনী। দেশের স্ট্যান্ডার্ডে ইংরেজীর অবস্থা খুব খারাপ না হইলেও বিদেশে আমি চুপ থাইতেই পছন্দ করি। কইতে গেলেই কেমন বেক্কল হইয়া যাই। নেক্সট ইয়ারের মধ্যে আপনার প্রতিবেশী হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা। সব ক্লোজ করতেছি এইখানে। দেশ আমি খুব ভালোবাসি, কিন্তু অন্য উপায় নাই। কিছু একটার জন্য বাকীসব কিছু ছাড়তেই হবে।

পোস্টে ভালোলাগা রইলো। :)

১০ ই জুন, ২০১৬ রাত ১০:০৪

বিপ্লব06 বলেছেন: জিনিসগুলা বুঝতে একটু সময় লাগে। ব্রিটিশ আর আম্রিকান যাই হোক না কেন, আস্তে আস্তে শুনতে শুনতে সবাই অভভ্যাস্ত হয়য়ে যায়। আমাদের দেশের ইংলিশটার কথা আর কি বলি!!! এই একি জিনিসরে কেউ এস কিউ এল বলে আবার কেউ বলে সিক্যুয়েল বলে। আমি মনে করি আপনি বুঝাইতে পারলেই হইল।

তবে একটু কমফোর্টেবল হইতে গেলে ইংলিশে লং এক্সপোজার লাগে। আর আপনি একটু বেশি বয়সে ইংলিশ বলতে শিখা শুরু করলে বিদেশি এক্সেন্টটা পিকাপ করা খুব কঠিন হইয়া যায়।

আসেন ক্যানাডায় আসেন, দেশ-বিদেশ ঘুরেন, মনটা বড় হবে। গ্লোবাল কন্টেক্সটে লাইফকে দেখলে মনে হবে আমারা অনেক কিছুই করতেছি যেইগুলা অর্থহীন।

আপনিও ভালো থাকবেন। :)

৪| ১০ ই জুন, ২০১৬ বিকাল ৫:৩৫

শায়মা বলেছেন: একবার সাহস কইরা ঘষাটা দিয়াই দিলাম। মাগার কাম হইল না। এরপর কার্ডটা উলটাইয়া পালটাইয়া করেকবার ঘষা দিলাম। একবার ভুলে কামটা হইয়া গেল আর এই বান্দা শিইখা গেল ক্যামনে মেট্রোকার্ডটা ইউজ করা লাগে। এরপর ট্রেইনে উইঠা পরলাম। ট্রেনে উইঠা পরলাম মহা ফাপড়ে! একটু পর পর স্টেশন এনাউন্স করতেছে মাগার আমি কিচ্ছুই বুঝতেছি না। কেরে? আমি না ক্লাস ওয়ান থেইকা ইংলিশ পইড়া বড় হইছি! বুদ্ধি কইরা ট্রেনের লেখাগুলা দেখা শুরু করলাম। ওইখানে দেখায় কুন স্টেশনে আছি, পরের কুনটা, তার পরে কুনটা...।।


হা হা :P

১০ ই জুন, ২০১৬ রাত ১০:০৬

বিপ্লব06 বলেছেন: অপরের দুঃখে মজা নেওয়াটা খুব খারাপ একটা ব্যাপার!!! ঠাডা পড়তে পারে কইয়া দিলাম!!!

ভালো থাকবেন :)

৫| ১০ ই জুন, ২০১৬ রাত ১০:০৯

শায়মা বলেছেন: ঠাডা!:(


পড়ুক!!!

আর বেঁচে থাকতেই ভালো লাগছে না আমার!

১০ ই জুন, ২০১৬ রাত ১০:১৮

বিপ্লব06 বলেছেন: উল্টা দেখি আমার উপ্রে ঠাডা পইড়া গেছে!!!

লাইফটা একটা আজিব চিড়িয়া! কখন কি চায় কিচ্ছু ঠাহর করা যায় না।

লাইফটা ভালো লাগুক আপনার এইটাই চাই :)

৬| ১০ ই জুন, ২০১৬ রাত ১০:২৪

বৈশাখের আমরণ নিদাঘ বলেছেন: সর্বমোট সাড়ে তিনবছর বাইরে কাটাইছি। দেখার পরিমাণও কম না। আমার বাইরে গেলে দিল ছোটই হইয়া থাকে। সত্যি ভাই, আমি অনেকদিন হোটেলে একা একা কানছিও। আমি আপনের দেশে না, আপনের প্রতিবেশি দেশের অপেক্ষায় আছি। এলএ তে। দেখা যাক, এখনই খারাপ লাগে। আমি মনে হয় গ্লুবাল হইতে পারবো না। শালার খ্যাতই রইয়া যাবো

১০ ই জুন, ২০১৬ রাত ১০:৫৫

বিপ্লব06 বলেছেন: আমি এইখানে আইসা দুইদিন কানছি মাত্র তাও দুইটা সম্পূর্ণ আন-রিলেটেড কারণে। মেন্টালি নিজেরে আইসোলেটেড করা লাগে। কাজটা সবার জন্য সহজ না।

এলএ কিন্তু আমাদের দেশেই(আমি আম্রিকায় ;) )।

একটু সময় লাগবে, আর গ্লুবাল না হওয়া মানে খ্যাত হইয়া থাকা না। মাঝে মাঝে খ্যাত হইয়া থাকতেই ভালো লাগে।

৭| ১০ ই জুন, ২০১৬ রাত ১১:০৩

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: নাম দেননি কিন্তু তাই ইন্ডিকেট করেছেন। হায় ভন্ড, জমিনি বালা আরো কত কি শুনতে হল আমাকে। মন থাকলে ভেংগে যেত কিন্তু যেহেতু মন নেই কোন সমস্যা নেই।

ইস! ওরকম নাম লাইক করব আমি? প্রশ্নই আসেনা। ঐ নাম বাদ, আপনি আমি কেউই মুখে আনবেনা।

অবশ্যই কানাডা এক্সিলেন্ট। কোন প্রশ্নই নেই যে ভালো ধারনা হবে না। কিন্তু আমার কেন যেন মনে হয় আমেরিকা কখনো আমার ভাল লাগবেনা যদি যাই। একধরনের ইনটিউশন বলতে পারেন। ভুলও হতে পারি।

ইস! আগে পরিচয় থাকলে আমাদের প্রভিন্সে এসে দাওয়াত খেয়ে যেতে পারতেন। মিস। যাই হোক দাওয়াত দেওয়া থাকল পরে কখনো হতে পারে।

এখন আমি যাই, বুদ্ধুকুমার ভালো থাকুক।

১১ ই জুন, ২০১৬ রাত ১০:২৫

বিপ্লব06 বলেছেন: আমেরিকা আপনাদের চেয়ে আলাদা হবে এটাই স্বাভাবিক। আর ইন্ট্যুইশনের পেছনের কারণ টা কি?

দাওয়াত পাইয়া ইডিয়ট ধইন্ন। দাওয়াত দিলেন মাগার ডিরেকশন তো পাইলাম না। ক্যামনে যাইতাম?

ভাল থাকবেন আপনি :)

৮| ১০ ই জুন, ২০১৬ রাত ১১:৩৩

প্রবাসী একজন বলেছেন: চমৎকার হইতেছে....এ দেশে সবচেয়ে বড় সমস্যা হল...কথা বলার মানুষ নাই...সবাই ব্যস্ত... ট্রেনে ঢুকার আগে আল্লাহ করি চিপায় মাথাটা হেলান দেওয়ার মত যেন একটা সিট পা্ই...যাতে আগামি ৩০-৪০ মিনিট একটা ঘুম দেওয়া যায়।..আজব দেশে থাকতে আমি বাসে, ট্রেনে কোনদিন ঘুমাই নাই!!!....

আমি প্রথম যেদিন আমাদের অফিস এ ইন্টারভিউ দিতে আসছিলাম অনেক ভয়ে ছিলাম ইংরেজী নিয়া..কি কইতে কি কই...কোন টেন্স কইতে কোন টেন্স কইয়া ফালাই :) ..পরে দেখলাম আমার বস ই টেন্স এর ধার ধারে না..উনার ইংরেজী আমার চেয়ে অত ভাল না...:) ...উনি চাইনা মাল...আর এদেশে অফিস পাড়ায় চাইনিজ মাল এর হেব্বি ডিমান্ড!!!!

১১ ই জুন, ২০১৬ রাত ১০:২৮

বিপ্লব06 বলেছেন: আপনার কেইস্টা বেশ ভালবাবেই বুঝি।

আর টেঁসের কথা শুলে এখনো গাঁইয়া কাঁপুনি দিয়া জোর চইলা আসে। লাইগে কুনুদিনও টেন্স ফলো করি নাই। স্কুলে থাকতে ট্রান্সলেশনের সময় খালি স্যারে মাইর লাগাইত।

আশা করতেছি আপনি, আমাদের দেশি মাল ভালোই আছেন ;)

৯| ১০ ই জুন, ২০১৬ রাত ১১:৪০

বৈশাখের আমরণ নিদাঘ বলেছেন: কমেন্টে আপনিও কানাডা আর সামুপাগলাত ওইদিকে কানাডার প্যাচালে আউলায়া গেছিলাম। আপনি তো সম্ভবত নিউইয়র্ক এ। জেএফকে থিকা এলএর ফ্লাইট যে কয় ঘন্টা ভুইলা হেছি। ভাই, একটা দেশ এত বড় ক্যান? বাঙ্গালীর যদি এমন একটা উপনিবেশ থাকতো!

যাইহোক, প্যাচাল বাদ। নেক্সট পর্ব জলদি আসুক।

১১ ই জুন, ২০১৬ রাত ১০:৩০

বিপ্লব06 বলেছেন: হাহা আমি বুঝতে পারছিলাম, ক্যামনে কি হইছিল।

দেখি পরেরটা কবে আসে।

ভাল থাকবেন।

১০| ১১ ই জুন, ২০১৬ সকাল ৯:৫৭

সাদা মনের মানুষ বলেছেন:

১১ ই জুন, ২০১৬ রাত ১০:৩১

বিপ্লব06 বলেছেন: রোজার দিন খাবারের ছবি দেয়ার জন্য আপনার আইডি একদিনের জন্য কমেন্ট ব্যান ;)

মনে হইতেছে চাইনিজ বুফেতে আইছি!!!!

ভাল থাকবেন!

১১| ১১ ই জুন, ২০১৬ সকাল ১০:০৭

বাংলার জামিনদার বলেছেন: আপ্নার লেখার ষ্টাইলটা পুরাই পাংখা। ভেজাল ক্যামনে গরম করতে হয়, তা মনে হয় ভালোই জানেন।

১১ ই জুন, ২০১৬ রাত ১০:৩৩

বিপ্লব06 বলেছেন: আপনিও পুরাই পাঙ্খা!!! ভ্যাজাল গরম ক্যামনে ধরতে হয় তা মনে হয় আপনিও ভালোই জানেন।

পুরাই মাইরালা কমেন্ট!!!!

ভাল থাকবেন :)

১২| ১১ ই জুন, ২০১৬ রাত ১১:৫২

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হুম আসলে আমি কানাডিয়ান সিটিজেন এবং এখানে অনেক দিন ধরে থাকায় কিছুটা কানাডিয়ান টাইপ হয়ে গিয়েছি। কানাডিয়ানরা সাধারনত এমেরিকা পছন্দ করেনা। ওখানকার মানুষজনকে অবিনয়ী মনে করে। শুধু কি কানাডিয়ান? আমার ব্রাজিলিয়ান, চাইনিজ বন্ধুও মুখ বিগড়িয়ে বলত এমেরিকানরা অহংকারী। এই সেই। তো এখন ব্যাপার হচ্ছে আমার কাছে একটা দেশের দর্শনীয় স্থানের চেয়ে মানুষ খুব ইমপর্ট্যান্ট। মানুষ ভালো না হলে আমার মন টেকেনা। আপনিও বলেছিলেন ব্যস্ততায় মানুষজন গ্রাম্পি হয়ে যায়। কিন্তু কানাডাও তো ব্যস্ত এখানে তো মানুষজন সবসময় বিনয়ী হাসি ঝুলিয়ে রাখে! আসলে কিছু কিছু দেশের মানুষ অতটা ইম্প্রেসিভ নাও হতে পারে।
তাছাড়া কানাডিয়ান প্রবাসিরাও এমেরিকান প্রবাসিদের চেয়ে বেশি ফ্রেন্ডলি, এবং বিনয়ী। চাইলে প্রমান করে দিতে পারি।

যখন আওনের টাইম আইব আমারে কইয়েন। আমি আপনারে ডাইরেকশন পোছাইয়া দিতাম, অহনি চিন্তা কইরা মগজ ঢিলা কইরেন না। (আপনার ভাষা ট্রাই করলাম, প্রথম চান্সে খারাপ না কি বলেন?)

বুদ্ধুকুমারও ভাল থাকুক।

১২ ই জুন, ২০১৬ সকাল ১১:১৮

বিপ্লব06 বলেছেন: তর্কের খাতিরে ধরেই নিলাম যা ক্যানাডিয়ানরা এমেরিকান প্রবাসিদের চেয়ে বেশি ফ্রেন্ডলি, এবং বিনয়ী। হ্যাপি?

ভাল থাকবেন :)

১৩| ১৫ ই জুন, ২০১৬ রাত ১১:১৫

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ট্রেন থেইকা দৌড়াইয়া বাইর হইয়া পরলাম, বলা তো যায় না আগেই যদি দরজা বন্ধ হইয়া যায়!!!


হাহাহাহা =p~

১৬ ই জুন, ২০১৬ ভোর ৫:০৫

বিপ্লব06 বলেছেন: তখন আসলেই হারাইয়া যাওয়ার ভয় ছিল। ঠিক স্টেশনে না বাইর হইতে পারলে ট্রেইন কোথায় নিয়ে যায় বলা যায়? এত বড় শহরে হারায় গেলে কে আমাকে খুঁজে বেড়াবে?

ভালো থাকবেন।

১৪| ১২ ই জুলাই, ২০১৬ সকাল ৯:৫৪

জুন বলেছেন: আপনার এই সিরিজটা খুব ভালোলাগে বিপ্লব ০৬। প্রথম থেকেই পড়ছি। লিখতে থাকুন সাথে আছি।

১২ ই জুলাই, ২০১৬ সকাল ১০:০৩

বিপ্লব06 বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
একটু ব্রেক নিছি। কিছুদিন সময় লাগবে নেক্সটগুলা পোস্ট করতে।

ভালো থাকবেন।

১৫| ২৯ শে জুলাই, ২০১৬ রাত ২:৪১

বাকি বিল্লাহ বলেছেন: ভাইয়ু আমনে কই? আপনে জানেন আমি কয়দিন পর পর খুইজ্জা দেখি ভাইয়ের নতুন পুষ্ট আইয়েনা ক্যারে? আজকা তো সার্চ দিতে পাইয়া গেলাম পনের..।

০১ লা আগস্ট, ২০১৬ সকাল ৮:৫৯

বিপ্লব06 বলেছেন: অনিয়মিত হইয়া গেছি রে ভাই!!! মাঝে মাঝে আইসা পইড়া চইলা যাই! পোস্ট একটু দেরীতে দেরীতে আসবে।

থ্যাঙ্ক ইউ! ভালো থাকবেন।

১৬| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ১১:১৪

আজিব দুনিয়ার মানুষ। বলেছেন: আপনার আমেরিকা ভ্রমণের পুরো গল্পটা পড়ছি। এরকম পোস্ট এতদিন কেন যে চোখে পড়ল না!

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ১০:৩১

বিপ্লব06 বলেছেন: আপনারে অনেক ধন্যবাদ কস্ট কইরা পুরাটা পরছেন বইলা। ভাল্লাগছে ব্যাপারটা। আমি ব্লগে বেশি একটিভ না তো মনে হয় এইটা একটা ফ্যাক্টর হইতে পারে।

ভালো থাকবেন।

১৭| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ১১:৩৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: যাক বেশি মিস করি নাই মন অইতাছে ;)

এয়াপোর্ট পর্যন্ত তো ছিলামই মনে হয় ....

বেটার লেট দেন নেভার!.. আমরা না হয় চাতক হয়েই থাকলাম ;)

+++++

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:০১

বিপ্লব06 বলেছেন: বেশি মিস করেন নাই এইটা সিউর। তারপর ক্যাচাপ তো কইরাই ফালাইলেন!!! মেলাদিন পর আপনারে দেইখা ভাল্লাগছে!


চাতক হইয়া থাকাটাই মনে হয় ভালো। আসল জিনিসটারে এক্সপেরিয়েন্স কইরা ফালাইলে মজা শেষ। তাছাড়া জিনিসটারে জোতটা মজার/হাই-প্রফাইল মনে করা হয় ব্যাপারটার সেরকম না। ডার্ক সাইডও আছে একটা! যদি আবার লিখা শুরু করি তাইলে হয়ত ব্যাপারটা নিয়া আলোচনা করা যাবে!

পিলাচের জইন্ন ধইন্ন!

ভালো থাকবেন!

১৮| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ দুপুর ২:৩৫

আলী বলেছেন: গতকাল ০৬-১২-২০১৬ কামলার শেষ সময় পোস্টটা দেখে বের করে গেসিলাম
আজ ০৭-১২-২০১৬ আইসা কোন কাজ করি নাই টোটাল সিরিজটা পড়লাম
আপনি ভাগ্যবান আপনার নানা ছিলো সকল দুয়ার বন্ধের পর তিনি ছিলেন
পরমকরুনাময় আপনার মঙ্গল করুন
আমার কেউ নেই পার্থনা করবেন যেন কেউ আসে আপনার নানার মতো

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:০৬

বিপ্লব06 বলেছেন: পুরা সিরিজটা কস্ট কইরা পড়ছেন বইলা অনেক অনেক ধন্যবাদ। হ্যাঁ আপনার সাথে আমি একমত, যে আমি ভাগ্যবান যে আমার কপালে আমার নানার মত একটা নানা জুটছিল। নাইলে যে কি ক্যামনে কি হইত উপরআলাই জানে।

আপনারে যেন আমার মত সিচুয়েশনেই না পড়া লাগে এই কামনা করি। আর আসলে যেন আমার নানার মত আপনারও কেউ থাকে সেইটাও দুয়া করি।

ভালো থাকবেন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.