নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

LAB RAT

People Don’t Change, They Just Evolve

বিপ্লব06

এই ব্লগের সকল লেখার স্বত্ত্ব লেখকের।

বিপ্লব06 › বিস্তারিত পোস্টঃ

আপনার মেমোরি যে আপনার সাথে গেইম খেলতেছে সেইটা জানেন???

০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ সকাল ৮:২৬



মেমোরি বলতে কি বোঝায় সেইটা আমরা মোটামুটি সবাই বুঝি। কিন্তু মেমোরি ব্যাপারটা যে পুরাটাই একটা ইলিউশন এইটা বললে কয়জন বিশ্বাস করবে? আমি নিশ্চিত একজনও না। এই ব্যাপারটা নিয়া আমার কোন মাথাব্যাথাও ছিল না। জিনিসটা আসলে কি এই ব্যাপারটা নিয়া ঘাটাঘাটি শুরু করলাম কিছুদিন আগে নিউ ইয়র্ক টাইমসের একটা আর্টিকেল পইড়া। আর্টিকেলটা পইড়া মাথাটা পুরাই ঘুইরা গেছিল।

সাধারণত মেমোরি বলতে আমরা যেইটা বুঝি সেইটা হইল আমাদের আশেপাশে যেইটা ঘটে, আমরা ব্যাপারটাকে যেইভাবে দেখি, সেই ঘটনাটাই আমাদের ব্রেনে যাইয়া সেইভ হইয়া থাকে। এই আইডিয়ার উপর ভিত্তি করেই আমরা ডেইলি লাইফে ফাংশন করে থাকি। কিন্তু আসলে কি মেমোরি ব্যাপারটা তাই?

এইবার টাইমসের আর্টিকেলটা নিয়া বলি। আর্টিকেলের টপিক হইল, একজন মানুষকে ভরা টাইমস স্কয়ারের মাঝখানে নিউ ইয়র্কের পুলিশ গুলি করছে এইটা নিয়া(এই লোকটা হাতুড়ি দিয়া র‍্যান্ডম লোকজনেরে মাথায় বাড়ি মাইরা বেড়াইত!!!!)। ঘটনার পরপরই দুইজন আই উইটনেস কিরা-কসম কাইটা বলছে যে লোকটার কোন দোষ নাই, পুলিশ তারে গুলি কইরা ভুল করছে। একজন বলছে লোকটা পুলিশের কাছ থেইকা পালাইতেছিল, আর পালাইতে থাকা লোককে পুলিশের গুলি করাটা জাস্টিফাই করা খুব কঠিন। আর একজন বলছে পুলিশ তারে ধইরা হ্যান্ডকাফ লাগাইয়া তারপর ঠাণ্ডা মাথায় গুলি করছে। এইটাতো আরও ভয়াবহ একটা ব্যাপার!!! সাক্ষী দুইজনের কথা শুইনা মনে হইতেছে না যে পুরা দোষটাই পুলিশ ব্যাটাদের। তাই না?

টাইমস স্কয়ার হইল আম্রিকার একটা মেজর ট্যুরিস্ট এট্রাকশন। ওই প্লেসে পুলিশ গিজগিজ করে সবসময়। আর ওইখানকার প্রতি ইঞ্চি যায়গা সিসিটিভি ক্যামেরা দারা সারভেইল্যান্সড। সুতরাং এই গুলির ব্যাপারটাও আগাগোড়া ক্যামেরায় ধরা পরছে। আর ক্যামেরা বলতেছে পুলিশ যখনই এই লোকটারে হাতুড়ি মারা বইলা আইডেন্টিফাই কইরা এপ্রোচ করতে গেছে, এই উন্মাদ ব্যাটা হাতুড়ি বাইর কইরা এক মহিলা পুলিশরে কমপক্ষে তিনবার বাড়ি মারছে। তারপরেই কেবলমাত্র পুলিশ অফিসারেরা তারে চার-চারটা গুলি মারছে। ফলাফল উন্মাদের ভবলীলা সাঙ্গ!

এইখানে মনে হইতে পারে যে সাক্ষী দুইজন মিছা কথা কইছে। এইটা একটা রিয়াল পসিবলিটি। কিন্তু আসলে ব্যাপারটা নাকি তা না। একজন মেমোরি বিশার ব্যাপারটারে অনন্যভাবে ব্যাখ্যা করছেন। উনি বলছেন আমরা আমাদের আশেপাশে ঘইটা যাওয়া ব্যাপারগুলারে পুরাপুরি অবজারভ করি না। আমাদের মাইন্ড সবসময় মাল্টিটাস্কিং করে, এতে কইরা প্রত্যেকটা ঘটনারই অনেক ইম্পরট্যান্ট ডিটেইল মিসিং হইয়া যায়। আর আমাদের ব্রেইন এই মিসিং পিসগুলারে নিজের মত কইরা পুরন কইরা নেয়।

ব্যাপারটারে আর সহজ কইরা বলতে গেলে যেইটা হয় সেইটা হইল, ধরেন আপনারে একটা পেইজে এক থেইকা একশ পর্যন্ত নাম্বারগুলা সিরিয়ালি টাইপ কইরা দেওয়া হইল, কিন্তু কাহিনি হইল এক থেইকা পঞ্চাশের পর থেইকা প্রত্যেক দশটা নাম্বারের থেইকা একটা নাম্বার র‍্যান্ডমলি নাই! আপনি যখন পেইজটা তুইলা চোখে ধরবেন, দেখবেন আপনি এক থেইকা তিরিশ চল্লিশ পর্যন্ত হয়তো ফলো করবেন তারপরে হয়ত লাস্টের একশ এর দিকে হাল্কা নজর দিয়া আপনি সন্তুষ্ট হইয়া বলবেন এইখানে এক থেইকা একশ পর্যন্তই সিরিয়ালি আছে। আপনারে যদি সপ্তাহখানেক পরে বাজি ধরতে বলা হয় আপনি হয়ত বাজিও ধরবেন যে ওইখানে এক থেইকা একশ সিরিয়ালি লেখা ছিল।

এতক্ষণে যেইটা বলতেছিলাম ওইটার সারমর্ম হইল যদি একটা ঘটনা আমাদের চোখের সামনে ঘটেও ঘটনাটারে আমরা ভুলভাবে দেখার পসিবিলিটি বেশ স্ট্রং। আর কানার হাতি দেখার কথা না হয় নাইবা বললাম। মেমরিরে আমরা কিছুটা নিজেদের মত কইরাই বানাইয়া নিজের সুবিধার জন্যই।

কিন্তু আরও আশ্চর্যের ব্যাপার হইল যে ব্যাপারটা লইয়া ঘ্যাঁঘাটাঘাটি করতে যাইয়া যেইটা পাইলাম সেইটা। মেমোরি নিয়া হাল্কা গভেষণা করতে যাইয়া দেখলাম মেমোরি নাকি স্ট্যাটিক না। ব্যাপারটা নাকি কন্টিনিউয়াসলি মডিফাই হইতে থাকে। নরমালি মেমোরিরে আমরা কম্পিউটারের মেমোরির মত মনে করি। যেইটার মানে হইল, ধরেন একটা ঘটনা (ধরেন আপনার ফ্রেন্ড তার ক্রাশেরে পিরিতের অফার দিতে যাইয়া মাইয়ার পেন্সিল/ সাইকেলের স্পোক হিলের বাড়ি খাইয়া আসছে! ) আজকে ঘটল আর আপনি ঘটতে দেখলেন, ব্যাপারটা আপনার মেমোরিতে সেইভ হইয়া গেল। আমাদের ধারনা হইল আপনি কালকে ঘটনাটা মনে করলে যেইটা মনে করবেন দুই মাস পরে মনে করতে দিলেও সেইম কথাটাই মনে করবেন। এইটাই তো স্মৃতি নাকি? অন্তত আমি পারসোনালি এইটাই মনে করতাম।

কিন্তু কাহিনীটা নাকি আসলে পুরাই আলাদা। আপনার মেমোরিতে একটা ঘটনা একটা ঘটনা যেইভাবেই সেইভ হোক না কেন আপনি যখনই সেই মেমোরিরে রিকল করবেন/স্মৃতি হাতড়াবেন মেমোরি ততবারই আপনার মুডের উপর নির্ভর কইরা চেইঞ্জ/মডিফাই হবে। তারমানে হইল একটা ঘটনা যদি আপনি এক বছরে বিশবার মনে করেন তাইলে বিশবার আপনার মেমোরি মডিফাই হবে!!! কতটুকু হবে সেইটা আলাদা ব্যাপার।

ব্যাপারটারে অন্যভাবে বলতে গেলে যেইটা দাড়ায় সেইটা হইল, ধরেন আপনি একটা নতুন টি-শার্ট কিনছেন তারপরে পরা শুরু করছেন। পইড়া আপনি আবার ভাজ কইরা রাখতেছেন, আপনি যতবার পরতেছেন ততবার টি-শার্টের ভাজ চেঞ্জ হইতেছে। যতবার ধুইয়া ভাজ কইরা রাখতেছেন ততবার ভাজ চেঞ্জ হইতেছে। আস্তে আস্তে রং যাইতেছে ইত্যাদি ইত্যাদি। এইটা ঠিক যে আপনার টি-শার্ট টিশার্টই থাক্তেছে কিন্তু নতুন অবস্থায় যেমন ছিল জিনিসটা তেমন আর নাই। মেমোরিও নাকি এইভাবে অলটার হইয়া যায়।

ব্যাপারটার ইমপ্লিকেশন চিন্তা করতে গেলে সব গুবলেট হইয়া যায়। যেমন ধরেন কোন পরিচিত সুন্দরি আপনার দিকে তাকাইয়া একটা নিষ্পাপ হাসি দিছে আর আপনি আপনার ব্যাপারটা মেমোরিতে নিয়া রাখছেন। কিছুদিন পরে আপনেরে পিরিতের বিচ্ছু কুট কুট কইরা কামড়াইতেছে আর এই সময় আপনার ওই সুন্দরির কথা মনে পরছে। আপনার তখন ইজিলি মনে হইতে পারে, আহা!!! সুন্দরির রাডারে আমি নির্ঘাত ধরা পরছি! নাইলে ওইরাম বিটলামি কইরা হাসি দিবে ক্যারে(নিষ্পাপ হাসিরে আপনার মেমোরি বিটলামির হাসি বানাইইয়া দিতে পারে।)? আর এই মডিফাইড মেমোরির উপ্রে এক্ট করতে গেলে আপনার কপালে পেন্সিল/ সাইকেলের স্পোক হিলের বাড়ি থাকার সম্ভাবনা অনেক বেশি!!! আবার এমনটাও হইতে পারে সুন্দরি আপনারে প্রথমে ঠিকই বিটলামির হাসি দিছিল কিন্তু আপনি পিরিতের মুডে ছিলেন না তাই ওইটারে নিষ্পাপ হাসি মনে করছিলেন!!! আসলে কি হইছিল ওইটা আপনি মাথা খাটাইয়া ডিসাইড করা আপনের দায়িত্ব!

এই টপিকটা আমার কাছে বেশ আজিব মনে হইছিল। একটু ভয়ও পাইছিলাম। লাইফের ডিসিশনগুলা মূলত পাস্ট এক্সপেরিয়েন্সের উপরে নির্ভর কইরা নেওয়া হয়। পাস্ট এক্সপেরিয়েন্সের মেমোরি/পারসেপশন যদি নকল হইয়া থাকে তাইলে ব্যাপারটা ক্যামন হইয়া গেল না? কিন্তু বাস্তবতা হইল মেমোরি ফলস আর বানোয়াট যাই হোক না কেন ব্যাপারটা যেহেতু সবারই জন্য প্রযোজ্য সুতরাং টেনশিত হইয়া কুনো লাব নাই! উপ্রের জিনিসগুলা পইড়া কিছুক্ষণ চিন্তাভাবনা কইরা ব্যাপারটারে মাথা থেইকা তাড়াইয়া দেওয়াটাই মনে হয় উত্তম! আর চাইলেও এইটারে নিয়া কিচ্ছু আপনি করতে পারবেন না!


তথ্যসূত্র এবং ছবিঃ ইন্টারনেট।

নিউ ইয়র্ক টাইমস আর্টিকেল, The Human Memory

মন্তব্য ৪৪ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (৪৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ সকাল ৮:৫০

ডট কম ০০৯ বলেছেন: তাহলে আদালতে স্বাক্ষীরা যেই স্বাক্ষী দেয় তা যে ১০০ ভাগ সত্য কেউ গ্যারান্টি দিতে পারবে না।

সুন্দর একটা বিষয় নিয়ে লিখেছেন। পড়ে আনন্দ পেয়েছি। এমন বিষয়গুলি নিয়ে লিখতে থাকুন।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৪:৩২

বিপ্লব06 বলেছেন: আপনার সাথে একমত। সাক্ষীদের সাক্ষী ১০০ ভাগ সঠিক এইটা মনে হয় কেউ বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে না।
আনন্দ পেয়েছেন জেনে ভালো লাগছে।
ধন্যবাদ আপনাকে।
ভালো থাকবেন!

২| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ সকাল ৮:৫৮

শংকর জিৎ বলেছেন: এটা আগে জানতাম নাতো.

০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৪:৩৪

বিপ্লব06 বলেছেন: ব্যাপারটা মনে হয় ১৯৭০ এর দিকে আইডেন্টিফাই করা হইছে। তাছাড়া দরকার না হইলে জানবেন ক্যামনে?

ভালো থাকবেন।

৩| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ সকাল ৯:০৮

আব্দুল্লাহ্ আল আসিফ বলেছেন: হলোগ্রাফিক ইউনিভার্স হাইপোথিসিস আরো ভয়ংকর! মাথা ঘুড়িয়ে দিতে পারে।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৪:৩৫

বিপ্লব06 বলেছেন: আপনার "হলোগ্রাফিক ইউনিভার্স হাইপোথিসিস" জিনিসটা সময় করে দেখা লাগবে। সাজেশনের জন্য অনেক ধন্যবাদ!

ভালো থাকবেন!

৪| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ সকাল ৯:৪০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: বাস্তবতা হইল মেমোরি ফলস আর বানোয়াট যাই হোক না কেন ব্যাপারটা যেহেতু সবারই জন্য প্রযোজ্য সুতরাং টেনশিত হইয়া কুনো লাব নাই! উপ্রের জিনিসগুলা পইড়া কিছুক্ষণ চিন্তাভাবনা কইরা ব্যাপারটারে মাথা থেইকা তাড়াইয়া দেওয়াটাই মনে হয় উত্তম! ;)

আপনি কি কিছু লিখছেন?
আমি কি কিছূ পড়ছি :P

ঠিকাছে ভুইল গেলাম =p~ =p~ =p~

০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৪:৩৮

বিপ্লব06 বলেছেন: আমি জানতাম আপনে এইটা করবেন!!! আপনি ভুইলা যাবেন ক্যারে? ভুলতে গেলে তো আগে পড়া লাগবে নাকি? আপনি তো আজকে ব্লগেই আসেন নাই! আপনার নেটে সমস্যা না কি যেন?

ভালো আছেন আশা করি!!!

৫| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ সকাল ১০:৪০

আলগা কপাল বলেছেন: মাথা আউলাইয়া গ্যালো :(

০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৪:৩৯

বিপ্লব06 বলেছেন: মাথা থাকলে তো আউলাবেই! ঘুম দেন আরাম কইরা! ঊইঠা দেখবেন সব ভুইলা গেছেন!!!

ভালো থাকবেন!

৬| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ সকাল ১০:৫৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: ইন্টারেস্টিং!

অট- আপনি কি শরীফ নাজমুল?

০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৪:৪২

বিপ্লব06 বলেছেন: আমি যখন প্রথম ব্যাপারটা দেকছিলাম তখন আমার কাছেও শকিং ছিল ব্যাপারটা!!! চিন্তা কইরা দেখার মত।


অটঃ নাহ আমি ব্লগে অনন্য কোন নিক ইউজ করি নাহ।

ভালো থাকবেন!

৭| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ সকাল ১১:১৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: হুদাই আমার ইনোসেন্ট মেমোরিরে জঞ্জাল দিয়া ফুল করনের কাম কি, এইটা ও ভুইল্লা গেলাম :)

০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৫

বিপ্লব06 বলেছেন: সবাই নিজেরে ইনোসেন্ট ভাবে ক্যারে? নির্ঘাত আপনার ব্রেইন আপনার সাথে গেইম খেলতেছে!! আপনারে ভুলাইয়াও দিছে দেক্তেছি এরই মধ্যে!

অনেক দিন পর!!! আশা করি ভালো আছেন!
শুভকামনা রইলো।

৮| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ সকাল ১১:১৮

অশ্রুকারিগর বলেছেন: উপ্রের জিনিসগুলা পইড়া কিছুক্ষণ চিন্তাভাবনা কইরা ব্যাপারটারে মাথা থেইকা তাড়াইয়া দেওয়াটাই মনে হয় উত্তম! আর চাইলেও এইটারে নিয়া কিচ্ছু আপনি করতে পারবেন না!
ঠিকাসে। পইড়া তো মাথা আউলাইয়া যাইতে চাইসিলো, তাড়ায়া দিলাম।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৪:৫১

বিপ্লব06 বলেছেন: মাথা নির্ঘাত আউলাইছে আপনার! ব্রেইন আপনারে ভুল বুঝাইতেছে, কিন্তু ব্যাপারটারে ঠিকি মনে রাখছে!!!

ভালো থাকবেন!

৯| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ সকাল ১১:৫৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: * স্যরি, শরীফ আজাদ হবে।

১০| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ দুপুর ১২:০৭

সাহসী সন্তান বলেছেন: বেশ ইন্টারেস্টিাং একটা বিষয় উপস্থাপন করছেন! তবে আমি আপনার পোস্ট থেকে যেটা বুঝতে পারলাম সেটা হলো- ধরুন আমি আপনারে সামনে বসাইয়া আমার কিছু পিরিতের কথা বার্তা কইলাম; এবার ঐ একই কথা বার্তা যদি আপনি অন্যকারো সাথে বলতে যান তাহলে হুবহু ঠিক সেইটা বলতে পারবেন না!

বরং আপনার মেমরি আপনাকে যেটা বলাবে আপনি ঠিক সেটাই বলবেন! অর্থাৎ সেই গল্পটার মধ্যে হয়তো কিছু বাড়িয়ে বলবেন অথবা কিছু কমিয়ে বলবেন! আর এভাবে যতবারই ঐ গল্পটা অন্যকে বলবেন ততবারই কিছুনা কিছু কম/বেশি হবেই!

সত্যিই বিষয়টা বেশ দারুন! শুভ কামনা রইলো!

০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৪:৫৬

বিপ্লব06 বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে!

আপনি যেইটা বলতেছেন ওইটা একটা উদাহরণ হইতে পারে। কিন্তু আপনি যদি শুধুমাত্র আপনার পিরিতের আলাপের(গারলফ্রেন্ডের সাথে) টেক্সটে ফোকাস করেন তাইলে আপনি একটু চেষ্টা করলেই একশ ভাগই হুবহু বলতে পারবেন। কিন্তু আপনার ইমোশনাল এক্সপেরিয়েন্স হয়ত ডিফারেন্ট হবে। কিন্তু যদি আপনি আপনার পিরিতের কাহিনী কোন বন্ধুর সাথে শেয়ার করার কথা মীন করেন তাইলে মনে হয় আপনার উদাহরণটা আমি যেইটা বুঝাইতে চাইছি সেইটার পারফেক্ট একটা উদাহরণ!!!

আপনার প্রতিও শুভকামনা রইলো!

১১| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ দুপুর ১:২৯

নীল_অপরাজিতা বলেছেন: একবার এক মনোরোগ বিশেষজ্ঞ আমাকে বলেছিল, মানুষ যদি অনবরত একটা বিষয় বা ঘটনা নিয়ে সারাক্ষন চিন্তা করতে থাকে তাহলে, এক পর্যায় গিয়ে, কোন দৃশ্যটা যে সত্যিই ঘটেছিলো আর কোনটা যে তার মনের কল্পনা, সেটা সে আর আলাদা করতে পারেনা। তখন যা ঘটেনি তাই ঘটেছে ভেবে সে দুঃখ পেতে পারে।
লেখাটা অনেক তথ্যসমৃদ্ধ, অনেক ভাল লাগলো।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৫:০৩

বিপ্লব06 বলেছেন: বিশেষজ্ঞ ভদ্রলোক একশ ভাগ খাটি কথাই বলেছেন বলে আমি মনে করি। এইটা একটা খুবই কমন ব্যাপার। মোটামুটি সবাই ছ্যাকা খাইয়া এইটা করে।

পিরিত তথা হিউম্যান বিহ্যাভিওর ব্যাপারটা যুগপৎ প্রেডিক্টেবল এবং আনপ্রেডিক্টেবল কিন্তু একইসাথে সব ইন্ডিভিজ্যুয়ালের ইমোশনাল এক্সপেরিয়েন্স ইউনিক। চিন্তা করলেই মাথা খারাপ হইয়া যায়।

থ্যাঙ্ক ইউ! ভালো থাকবেন!!!

১২| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ দুপুর ২:০৪

গেম চেঞ্জার বলেছেন: মীরজাফর মেমোরি!! আমার অনেক কিছুতে মীরজাফরি করেছে, জ্বলন্ত সাক্ষী আমি নিজেই!!!!!!!! :(

০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৫:০৬

বিপ্লব06 বলেছেন: আপনারে দেইখাই মনে হইতেছে মীরজাফরের সাথে আপনার রক্তের সম্পর্ক!!! আপনার মেমোরি আকামটা না করবে তো কারটা করবে?

হোপফুলি সবকিছু ঠিকঠাক আছে! মেমোরির মীরজাফরি আপনারে সিংহাসন থেকে সরায় নাই আশা করতেছি!

ভালো থাকবেন!!!

১৩| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ দুপুর ২:৩২

সুমন কর বলেছেন: চমৎকার একটি বিষয়, খুব মজা করে লিখেছেন। ভালো লাগল। কিন্তু ধোঁয়ার মধ্যে পড়ে গেলাম.........

লেখায় +।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৫:১১

বিপ্লব06 বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
ধোয়ার মধ্যে পড়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক। আমিও পড়ছিলাম। কিন্তু কুনু লাব নাই। আপনি যেমন আকাশের তারা গুইনা শেষ করতে পারবেন না, তেমনি এইটা নিয়া চিন্তা কইরা কোন কুল-কিনারা করতে পারবেন না। ব্যাপারটারে খালি মাথায় রাইখেন, বলা যায়না এই নলেজ কখন কাজে লাইগা যায়!

ব্যাপারটা কঠিন হইয়া যাইতেও পারত। সহজ করার জন্য হিউমার পাম্প করার চেষ্টা করছি হাল্কা! মনে হয় কাজ হইছে!!!

ভালো থাকবেন!

১৪| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ রাত ১০:০৪

দ্যা ফয়েজ ভাই বলেছেন: সেই জন্যই তো বলি,পড়া মুখস্থ কইরা গেলেও পরিক্ষার খাতায় আন্ডা মারি কেনো???!!! ;)
অনেক অজানাই জানলাম।ভালো লাগলো

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৬ রাত ১২:১৮

বিপ্লব06 বলেছেন: আমি জানতাম... নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা!!! ব্লগে আসা বাদ দিয়া পড়াশুনা করেন মিয়া। তাইলে আর আণ্ডা পাওয়া লাগবে না। অবশ্য অজুহাতটা বেশ ভালোই দিছেন। মাগার স্যারেরে এই অজুহাত দিয়েন না, তাইলে আর পাশ করন লাগব না লাইফে!

ধন্যবাদ আপনাকে।
ভালো থাকবেন!!!

১৫| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৬ রাত ১০:৩৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: গেইম খেলে না, আমার ব্রেইন আমারে লাইক করে তাই ভুলাইয়া দেয় ;)
নাইলে কি আর সুখি মানুষ হইতারি ?
আর সুখি মানুষ রা ইনোসেন্ট ই হয় :P

জি আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি, শুভ কামনা আপনার জন্য :)

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৬ রাত ১২:২২

বিপ্লব06 বলেছেন: তার মানে আপনার ব্রেইন আপনারে এই ইলিউশনও দিয়া দিছে যে সে আপনারে লাইক করে!!! আপনি এই গেইমে আগেই হারু পার্টি হইয়া গেছেন!

আর ইনোসেন্স নিয়া কি কইতাম! মি টু ইনোসেন্ট!!! :`> :`> :`>

আপনিও ভালো থাকবেন!

১৬| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৬ রাত ১২:৫৫

মামুন রেজওয়ান বলেছেন: আমি লেখাটা পড়েছি। এটা মেমোরিতে সেভ হইয়া থাকল খুব ভাল মানের লেখা হিসাবে। এখন কিছুদিন পর আমার মেমোরি যদি মোডিফাই হইয়া এই লেখার ইতিহাস হাতরানো শুরু করে তাহলে মনে হয় বিরুপ ধারনাও হইতে পারে। আসলেই গোঁলক ধাধা।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৬ সকাল ৯:৫০

বিপ্লব06 বলেছেন: হ্যাঁ বিরূপ ধারনা হইতেই পারে। আর আমাদের ধারনাগুলাও আসলে সব সময় বদলায়।

থ্যাঙ্ক ইউ!!! ভালো থাকবেন।

১৭| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৬ রাত ১:২৩

মো: হাসানূর রহমান রিজভী বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম,ভাল লাগল।ধন্যবাদ

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৬ সকাল ৯:৫১

বিপ্লব06 বলেছেন: কষ্ট কইরা পরার জন্য ধন্যবাদ!
ভালো থাকবেন।

১৮| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৬ ভোর ৪:২১

শেয়াল বলেছেন: আমার সব তরতাজা থাকে । কিচ্চু ভুলতে পারি না । B:-/

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৬ সকাল ৯:৫৩

বিপ্লব06 বলেছেন: আপনি পণ্ডিত মানুষ!!! আপনের সব তরতাজা থাকবে না তো কি আম পাবলিকের থাকবে??? :P

ভালো থাকবেন।

১৯| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৬ ভোর ৬:৩১

নীলাকাশ ২০১৬ বলেছেন: এই পর্যন্ত জামায়াত নেতাদেরকে যেসব মামলায় ফাসি দেওয়া হৈছে, তার একটাতেও কোন ডকুমেন্টারি এভিডেন্স (পেপার কাটিং, রেকর্ডেড ভয়েস) ব্যবহার করা হয়নাই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সাক্ষীদের ঝোপের আড়াল থেকে দেখা ঘটনাকে এভিডেন্স হিসেবে ব্যবহার করা হইছে। তার উপর সাক্ষী হিসাবে নেওয়া হইছে যত চোর বাটপার, দাগি আসামী - যাদেরকে সাক্ষ্য দেওয়ার পুরস্কার হিসেবে খালাস দেওয়া হইছে। এই আর্টিকেল পইড়া বুঝা গেল, মেমরি আসলেই মুডের উপর চেন্জ হ্য়।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৬ সকাল ৯:৫৭

বিপ্লব06 বলেছেন: আপনার পয়েন্ট বুঝতে পারছি। পোস্টের সাথে আন-রিলেটেড ব্যাপার নিয়া দেওয়া আপনার মতামত একান্তই আপনার।

তবে মন্তব্যের লাস্ট বাক্যের সাথে আমার পোস্ট একমত পোষণ করে।

ধন্যবাদ।

২০| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৬ সকাল ৭:০৯

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: আমাদের মাইন্ড সবসময় মাল্টিটাস্কিং করে, এতে কইরা প্রত্যেকটা ঘটনারই অনেক ইম্পরট্যান্ট ডিটেইল মিসিং হইয়া যায়। আর আমাদের ব্রেইন এই মিসিং পিসগুলারে নিজের মত কইরা পুরন কইরা নেয়।..........পইড়া তো ডর লাগতাছে, আমরা কতো না জানি ভুল সিদ্ধান্ত বিভিন্ন সময়ে নিতাছি।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৬ সকাল ১০:০২

বিপ্লব06 বলেছেন: চিন্তার কুনু কারণ নাই! যদি মেমোরির কারণে ভুল ডিসিশন নিয়াও থাকেন আপনের মেমোরি আর আগের অবস্থায় মডিফাই হবার সম্ভাবনা খুব কম। সেইটা আপনি কুনুদিনো জানতে পারবেন না।

সো নো চিন্তা ডু ফুর্তি। এই পোস্টটা দিবার আরেকটা কারণ হইল, আপনার দুই বন্ধু যদি একই ঘটনার দুই রকম বর্ণনা দেয় তাতে একজনের মিথ্যা বলার পাশাপাশি আরেকটা সম্ভাবনার কথা চিন্তা করতে পারা।

২১| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৬ সকাল ৯:০১

মাদিহা মৌ বলেছেন: ইয়াল্লা! বলেন কী!! এখন থেইকা ইম্পরট্যান্ট বিষয়গুলি, যখন যেটা ঘয়বে, লিখখ্যা রাখতে হইবো! মেমরি কখন ক্যাম্নে পল্টি মারে, কে জানে! (আপনার ইস্টাইলে লিখলাম। পরে ভুইল্যা যাইতে পারি,ক্যান অ্যাম্নে লিখছিলাম! :P )

আপনি বেশ সাজিয়ে লিখেছেন। উদাহরণ গুলিও চমৎকার ছিল। ভালো লেগেছে।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৬ সকাল ১০:০৭

বিপ্লব06 বলেছেন: লিক্ষ্যা রাখতে পারেন। কিন্তু চেঞ্জ গুলা এত অল্প পরিমাণে হয় যে আপনার ধরতে পারার সম্ভাবনা খুব কম। আর প্রথম থেকেই যদি আপনার ফলস মেমোরি হইয়া যায় তাইলে আপনার লেখা এফেক্টেড হবে!!! কুনু লাব নাই বলছিনা?

ধন্যবাদ। ব্যাপারটা মজা কইরা লিখতে না পড়লে সহজে ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করা একটু কঠিন। টাইটেলে নিউরোসায়েন্সের নাম শুনলে ভয়ে অনেকেই পোস্টের ভিত্রেই ঢুকত না!

আপনার ভালো লাগছে শুনে আমারো ভালো লাগছে!

থ্যাঙ্ক ইউ! ভালো থাকবেন।

২২| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৬ সকাল ৯:০৪

জুন বলেছেন: চিন্তার বিষয় :(

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৬ সকাল ১০:০৯

বিপ্লব06 বলেছেন: চিন্তা কইরা মাথা খারাপ করার কুনু কারণ নাই। এইটা আপনার-আমার কন্ট্রোলের বাইরে।
সো নো চিন্তা ডু ফুর্তি!

ভালো থাকবেন!

২৩| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:১৬

মরুচারী বেদুঈন বলেছেন: হুম। নতুন কিছু জানলাম।
এইবার আমাকে কিছু দেন :P ;)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.