নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

LAB RAT

People Don’t Change, They Just Evolve

বিপ্লব06

এই ব্লগের সকল লেখার স্বত্ত্ব লেখকের।

বিপ্লব06 › বিস্তারিত পোস্টঃ

নিউক্লিয়ার পাকিস্তানঃ ক্যামনে কি??? (দুই/চার)

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:১৬



ছবিঃ আম্রিকান মিলিটারির নিউক্লিয়ার টেস্ট। ২৫ জুলাই, ১৯৪৬।
ছবির সুত্রঃ উইকিপিডিয়া।

নিউক্লিয়ার পাকিস্তানঃ ক্যামনে কি??? (এক/চার)

(আগের পর্বের পর......।)

পাকিস্তানে ফেরত আইসা তার মিটিং ছিল প্রথমে এক আর্মি জেনারেলের সাথে। মিটিং এ যাইয়া কাদির খান দেখে খালি জেনারেল না সেই জেনারেলের সাথে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ভুট্টো আসছে!!! ব্যাপারটার গুরুত্ব বুইঝা ওইখানে কাদির খান একটা সেই লেভেলের প্লান উপস্থাপন করল। ভুট্টো তার প্লান এপ্রুভ কইরা দিল জাগার উপ্রে! সাথে কইল টাকার কোন অভাব হবে না।

তার কাজ শুরু হয় পাকিস্তানি এটমিক এনার্জি কমিশনের আন্ডারে (পি এ ই সি)। পি এ ই সি এঁর তৎকালীন চিফ ছিল মুনির খান নামে এক ভদ্রলোক। ওই ভদ্রলোক অলরেডি এক আলাদা প্রোগ্রামে কাজ করতেছিল। আব্দুল কাদির খান (এ কিউ খান) দেখে যে মুনির খানের খালি একটা মাস্টার্স আছে, আর সে হইল পি এইচ ডি হোল্ডিং রিসার্চার। এই ব্যাপারটা তার ইগোতে লাগছে। সে কোনমতেই মুনির খানের আন্ডারে কাজ করবে না। সোজা যাইয়া ভুট্টোর কাছে নালিশ যে মুনির খান ভাল ম্যানেজার না, সে প্রজেক্টকে আগাইতে দিচ্ছে না!!! শুইনা ভুট্টোর মাথায় সেই লেভেলের একটা আইডিয়া আসলো। এই ধুরন্ধর লোক একজনরে আরেকজনের পিছনে লাগাইয়া দিল।

মুলতঃ তখন বোমা বানাবার দুইটা রাস্তা খোলা ছিল পাকিস্তানের সামনে। একঃ নিউক্লিয়ার রিয়াক্টরের ইউজড ফুয়েল থেকে প্লুটোনিয়াম রিপ্রসেস করে বাইর করা, আর দুইঃ সরাসরি ইউরেনিয়াম এনরিচ কইরা সোজা বোমা বানানো। ভুট্টো কইল, ঠিক আছে তুমি সরাসরি আমার কাছে রিপোর্ট করবা, তোমারে আর মুনির খানের কাছে রিপোর্ট করা লাগবে না। বেসিক্যালি মুনির খান কাজ করবে প্লুটোনিয়াম রিপ্রসেস করে বোমা বানানোর কাজ আর এ কিউ খান করবে ইউরেনিয়াম এনরিচমেন্ট করে। দুইজন একে ওপরের সাথে কম্পিট করবে, তাতে কইরা একজন সাকসেসফুল হইলেই হবে। কম্পিটিশন এদেরকে আগে কাজ ফিনিশ করার মোটিভেশন দিবে।

এখন কথা হইল পাকিস্তান হইল গরিব কান্ট্রি, এরা যদি নিউক্লিয়ার বোমা বানাইতে চায় তাইলে যে খরচ লাগবে সেই খরচ যোগাইতে হইলে তাদেরকে আসলেই “ঘাস” খাইয়া থাকা লাগবে। সো ভুট্টো মুসলিম দেশগুলার লিডারদের সাথে কথা বলা শুরু করল, যে ওরা যাতে প্রজেক্ট ফাইন্যান্স করে। বিনিময়ে পাকিস্তান তাদের প্রজেক্ট শেষ হইলে পরে তাদেরকেও টেকনোলজি সাপ্লাই দিবে যাতে ওরাও বোমা বানাইতে পারে! মজার ব্যাপার হইল যে তখন কোন মুসলিম দেশের হাতে কোন নিউক্লিয়ার বোমাই ছিলনা!!! প্রস্তাবটা শুইনা বেশ কয়েকটা দেশ রাজি হইল। গাদ্দাফি ইমিডিয়েটলি আশি মিলিয়ান ডলার স্যুটকেসে কইরা পাঠাইয়া দিল। সৌদি আরবও পরে টাকা দিছে।

একটা ব্যাপার না বলেই না যে আম্রিকা সহ সারা দুনিয়া মনে করছে যে পাকিস্তানের ইউরেনিয়াম এনরিচ কইরা বোমা বানানোর মত টেকনিক্যাল ক্যাপাবিলিটি নাই। ওরা মনে করছিল যে প্লুটোনিয়াম রিপ্রসেস করেই ওদেরকে বোমা বানাইতে হবে। তখন ফ্রেঞ্চরা একটা প্লুটোনিয়াম রিপ্রসেসিং প্লান্টের চুক্তি করছিল, আর আম্রিকা ওইটা ঠেকাইয়া রাইখা মনে করছিল কাম হইয়া গ্যাছে! এদেরকে আপাতত ঠেকাইয়া দেওয়া গ্যাছে। আর পাকিস্তানও ওইটাই চাইছিল যাতে কইরা সবার চোক ফাকি দিয়া ওরা কামটা সাইরা ফালাইতে পারে।
টাকা পাইয়া এ কিউ খান “কাহুটা” নামক একটা প্লেসে কন্সট্রাকশন প্রজেক্ট শুরু করে। পাকিস্তান সরকার সারা দুনিয়ার বিভিন্ন জায়গায় পাকিস্তানের যত প্রজেক্ট রিলেটেড সায়েন্টিস্ট/টেকনিশিয়ান আছে সবাইকে দেশপ্রেমের দোহাই দিয়া দেশে আইনা প্রজেক্টে লাগাইয়া দিল(যারা টাকার মায়া ছাইড়া আসছিল আরকি!)। কিন্তু সমস্যা হইল কংক্রিটের বিল্ডিং বানানো এক কথা আর আল্ট্রা-প্রিসিসন ইউরেনিয়াম এনরিচিং সেন্ট্রিফিউজ বানানো আরেক কথা। যেই পাকিস্তান একটা সামান্য সুই ঠিকমত বানাইতে পারত না সেই পাকিস্তান ক্যামনে এই মালগুলা বানাবে? উপায় একটাই, কম্পোনেন্টগুলা আমদানি কইরা নিজে অ্যাসেম্বল করা! কিন্তু সমস্যা হইল এই কম্পোনেন্টগুলাএ ম্যানুফাকচারিং আর এক্সপোর্ট হাইলি রেগুলেটেড। চাইলেই কেনা যায় না। বেচতে স্পেশাল পারমিশন লাগে।

এই সমস্যার সমাধান হইল ব্ল্যাক মার্কেটে মালামালগুলা কেনা। যেমন কইরা এ কিউ খান ইউরেঙ্কোতে বিনা সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্সে কাজ করছে, তেমন কইরা অনেকেই আছে যারা কম্পোনেন্টগুলা বিক্রিও করবে। ইউরেঙ্কোতে কাজ করার সুবাদে এ কিউ খান কম্পোনেন্ট সাপ্লাইয়ারদেরকে চেনে/এটলিস্ট জানে। সো পাকিস্তানের আই এস আই এর সহযোগিতায় এ কিউ খান একটা ইন্টারন্যাশনাল চোরাকারবারিদের একটা রিং এস্টাব্লিশ করল। যাদের কাজই হইল বিভিন্ন দেশে ফ্রন্ট কোম্পানি বানাইয়া আইটেমগুলা অর্ডার দেওয়া। কিছু কিছু আইটেম আছে যেইগুলা নিউক্লিয়ার প্লান্টে যেমন ইউজ করা যায় তেমন কইরা অন্যান্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্লান্টেও ইউজ করা যায়। ওইগুলা কেনা কিছুটা সহজ ছিল তাদের জন্য। কিন্তু কিছু কিছু আইটেম ছিল যেইগুলা স্ট্রিক্টলি ইউজ হয় এনরিচমেন্ট প্লান্টে ঐগুলা কসরত কইরা যোগাড় করা লাগছে। নরমালি এরা আইটেমগুলারে কাস্টমসে এগ্রিকালচারাল ইকুইপমেন্ট/টেক্সটাইল প্লান্টের মেশিনারিজ বইলা আমদানি করত।

বিভিন্ন দেশের এক্সপোর্ট আইন বিভিন্ন। এক দেশে একটা আইটেম বিক্রিতে বাধা থাকলে আরেকটা দেশে দেখা যাচ্ছে কোন বাধা নাই। ওইগুলা ওই দেশ থেকে প্রকিউর করা হইছে। আর কোন কোন ক্ষেত্রে সেলাররা জানে যে এই আইটেমগুলা পাকিস্তানে বোমা বানানোর কাজে ব্যাবহার করা হবে। কিনত ওরা প্রিটেন্ড করছে যে ওরা জানে না। আর কোন শেষে কোন আইটেম এক্সপোর্ট কনট্রোলড না হইলে ওই ওই দেশে ওই আইটেম এক্সপোর্ট করলে কোন ক্রাইম হয় না। আর যেহেতু আইটেমগুলা চোরাই পথে কেনা হইতেছে, সো প্রাইস বেশি দিয়া কেনা লাগছে। আর সেলার/স্প্লাইয়ারদের লাভের ভাগটাও বেশি। তারাও চামের উপ্রে বেচছে!

তথ্যসুত্রঃ "The Nuclear Jihadist: The True Story Of The Man Who Sold The World's Most Dangerous Secrets And How We Could Have Stopped Him" - By Douglas Frantz and Catherine Collins



মন্তব্য ৩২ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (৩২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:২৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ প্রয়াস সাধ্য এই মুল্যবান তথ্যবহুল পোস্ট এর জন্য । সাবলিল ভাষায় এই টেকনিকেল বিষয়কে সহজভাবে প্রকাশ করা খুবই কঠীন কাজ । ভাল লাগল অল্প সময়ের মধ্যে এই পর্বটি দেয়ার জন্য । প্রিয়তে নিয়ে গেলাম ।
শুভেচ্ছা রইল

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ১০:৫২

বিপ্লব06 বলেছেন: ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য।
কি যে বলেন না!!! (লজ্জা পাইছি, সাথে হাত কচলানোর ইমো হবে)!

ভালো থাকবেন।

২| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:৩৯

শুভ_ঢাকা বলেছেন: সেই রকম। ভাই আপনে তো ঢাকাইয়া একসেন্টে লেখেন। এতে পড়ার মজার আর বাইরা যার। আপনে কি ঢাকাইয়া। ভাল লিখেছেন। আপনাকে অনুসরণ করছি।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ১০:৫৪

বিপ্লব06 বলেছেন: আমি যে কুন এক্সেন্টে লিখি উপরআলাই জানে। নাহ আমি ঢাকাইয়া না।

ধন্যবাদ।

ভালো থাকবেন।

৩| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ১০:০৯

আশরাফ ও নীল বলেছেন: এতদিন আব্দুল কালাম নামের মালটার উপর বেশ শ্রদ্ধা পোষণ করতাম লোকটার দেশপ্রেম আর সুদুরপ্রসারী চিন্তাভাবনার জন্য। কিন্তু এই কাদির খান লোকটা তো দেখি আরও কয়েক ডিগ্রি সেয়ানা। এইরকম মাল পাকিস্তানের মত একটা বোবাকালা দেশে জন্মাইলো ক্যাম্নে?

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ১১:০৪

বিপ্লব06 বলেছেন: এই লোকের উপর খালি আপনি না বহুত লোক শ্রদ্ধা পোষণ করে। মুল কারণ হইল সে বোমাটারে ইসলামিক বোমা বইলা মার্কেট করছিল যাতে করে মুসলিম বিশ্বের সাপোর্ট পাওয়া যায়। তারে কিছু লোক ইসলামিক বোমার জনক বইলা মনে করে।

এই লোক ডিটারমাইন্ড ছিল বইলা বোমাটা বানাইছে কিন্তু দুই নম্বরি ল্যাঞ্জাটা লুকাইতে পারে নাই। সামনের পোস্টে এই ব্যাপারে আলাপ করার আশা রাখি।

পাকিস্তানরে ওইভাবে হেলাফেলা করা মনে হয় ঠিক হবে না। দেশে এখন পাকিস্তানবিরোধী মনোভাব আছে বইলা তারা বোবাকালা হইয়া যায় নাই, কিংবা আগে পাকিস্তানবিরোধী মনোভাব কম ছিল বইলা তারা বেশি ইস্মাট ছিল তেমনটা না। ওরা স্ট্রাটেজিক্যালি খুবই ইম্পরট্যান্ট পয়েন্টে আছে। আম্রিকার জন্য ইণ্ডিয়া, চাইনা, আফগানিস্তান, ইরানে যাওয়ার রাস্তা এই এক পাকিস্তান। এই জন্য আম্রিকানরা ওদের কিছু দুই নাম্বারি সহ্য কইরা নেয়। আর বিনিময়ে পাকিস্তান পায় ফ্রি সাহায্য।

ভালো থাকবেন!

৪| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ১১:০৭

সত্যের ছায়া (সংস্করণ) বলেছেন: যে সময় পাকিরা নিউক্লিয়ার ফিউশন আবিস্কার করেছে তা সময়ের দাবি ছিল এবং এই মঞ্চ প্রস্তুতও ছিল। কারণ পাশ্র্ববর্তী ভারতের এটমিক এনার্জি শক্তি অর্জন করার ক্রিয়ায় তারা ভীত ছিল। তারা নিউক্লিয়ার ফিউশন আবিস্কার করে নিজেদের ফ্রন্ট লাইনে নিয়ে আসতে পারছে। এবং তা দরকার ছিল। কারণ তাদের প্রতিবেশী এবং প্রতিদ্বন্দী ও শত্রু এটম বোমা নিয়ে ঘুমালে তারা স্বস্তিতে ঘুমাতে পারবেনা। আর তারা ভারতকেও বিশ্বাস করতে পারছিল না। উদাহরণ হিসেবে সিকিমও কাশ্মীর নেয়া যেতে পারে।

আমার মনে হয়, পাকিস্তানীরা যদি জঙ্গিবাদ আশ্রয় না দিয়ে তথ্য প্রযুক্তিকরণের দিকে ধাবিত হত তাহলে বর্তমানের চাইতে আরো ভালো থাকতে পারত।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:০১

বিপ্লব06 বলেছেন: একটা ব্যাপার ক্লিয়ার করে দেওয়া দরকার বলে মনে হইল। পাকিরা নিউক্লিয়ার ফিউশন আবিস্কার করে নাই। ওইটা অলরেডি আবিষ্কার করা ছিল ওরা জাস্ট টেকনোলজি/কম্পোনেন্ট চুরি কইরা আইনা নিজেদের দেশে বোমাগুলা বানাইছে।

আর আপনার বাকি মন্তব্যের সাথে পুরোপুরি একমত। এর আগের পোস্টে আমিও সেইম রিয়েজনিং দিছি।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

ভালো থাকবেন।

৫| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ১১:১৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: সহজ করে লেখার জন্য ধন্যবাদ !

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:০৩

বিপ্লব06 বলেছেন: আপনাকেও মেলা ধন্যবাদ। বুঝাইতে পারছি জানার পর ভাল্লাগতেছে।

ভালো থাকবেন।

৬| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ১১:৩০

জগতারন বলেছেন:
সাথে আছি, আজকের পর্বটাও পড়লাম।
চালিয়ে জান।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:০৪

বিপ্লব06 বলেছেন: উৎসাহ দেবার জন্য ধন্যবাদ! আপনাদের জন্যই লিখা।

ভালো থাকবেন।

৭| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:২৯

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: দ্বিতীয় পর্বে অনেক কিছু জানলাম। পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।

একটা কথা না বলে পারছি না। আমাদের উপমহাদেশে নিউক্লিয়ার প্রতিযোগিতা ভয়াবহ হবার সম্ভাবনা খুব বেশি। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যে দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, তাতে যে কোন দিন যে কোন দেশ পরমানু অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে। সে ক্ষেত্রে অন্য দেশটিও তা' করবে। বিশেষ করে পাকিস্তান ১৯৭১ সালে তার লজ্জাজনক পরাজয়ের কথা ভুলে যায়নি। তারা মাথা গরমই শুধু নয়, মাথা মোটা জাতও বটে।

ধন্যবাদ।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:২৪

বিপ্লব06 বলেছেন: ধন্যবাদ।

আপনার দুশ্চিন্তা নিয়ে আমার মতামত দিচ্ছি......।
আমি মনে করিনা  উপমহাদেশে নিউক্লিয়ার প্রতিযোগিতা হবে। যেইটা ছিল ওইটা শেষ হয়ে গেছে। ভারত চিনের ভয়ে বোমা বানাইছে, আর পাকিস্তান বানাইছে ভারতের ভয়ে। বাকি থাকল বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, আফগানিস্তান আর মায়ানমার। বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, আফগানিস্তান বআদ কারণ কারো এম্বিশনি নাই। আর মায়ানমারের সাথে কারো তেমন শত্রুতা নাই, যদি মায়ানমার হঠাত করে প্রমিনেণ্ট পাওয়ার হইতে না চায় তাইলে ওদের কোন সম্ভাবনা নাই। আর যদি চায় তাইলে নর্থ- কোরিয়ার মত আইসোলেটেড হয়ে যাইতে হবে

আর পারমানবিক অস্ত্র ব্যাবহারের কথা বলছেন, ওইটার সম্ভাবনা খুবই কম। জাপানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কোন পারমানবিক শক্তিধর দুই দেশ মিলে ডাইরেক্ট যুদ্ধে যায় নাই খেয়াল করছেন। আম্রিকা আর সোভিয়েত ইউনিয়ন মিলে প্রক্সি ওয়ার খেলে বেড়াইছে/তেছে কারণ কি? ভারত-পাকিস্তানের বর্ডারে ইদানীং ফুট-ফাট হচ্ছে কিন্তু ফুল স্কেল ওয়ার হচ্ছে না কেন খেয়াল করছেন? 

পারমানবিক বোমার মুল কাজটাই হইল ডিটারেন্ট তৈরি করা আর কিচ্ছু না। কারণ কেউ একজন ব্যাবহার করলে দুই পক্ষই ধ্বংস হয়ে যাবে। কেউ জিততে পারবে না।

কোন ব্যাপারে একমত না হইলে জানাইতে পারেন।

ভালো থাকবেন আবুহেনা ভাই!

৮| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ২:৫২

রিফাত হোসেন বলেছেন: আপনার লেখার ভাষা কেমন যেন পরিচিত কোন ব্লগার এর মনে হচ্ছে । অনেকদিন পর পর ব্লগাইতো তাই ঠিক নিক নাম টা মনে করতে পারছি না ।
হতে পারে... দুই ব্লগারের একই ভাষাশৈলী থাকতে পারে ।
কিন্তু আমি ভালই উপভোগ করি এই লেখ্য বাচন । :)

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:১১

বিপ্লব06 বলেছেন: আপনার আইডিটা আমার কাছেও পরিচিত মনে হচ্ছে, মনে হয় আপনার সাথে ব্লগেই অন্য কোথাও আমার কথা হইছে। কিন্তু আমি মনে করতে পারছি না। আপনার মত আমি অন/অফ থাকি ব্লগে। এমনও হইতে পারে আপনি যার কথা মনে করতে চাচ্ছেন সেই আমি!

ব্লগে এই স্টাইলে আমার আগে লিখতেন চেয়ারম্যান০০৭ নামের এক ফেমাস ব্লগার। উনি এখন আর এইখানে লিখেন না। এছাড়া পরে আমি আর একজনকে দেকছিলাম যার নিক মনে নাই। আর কেউ আছে কিনা জানিনা।

ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

৯| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ ভোর ৪:৩৬

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
লাভ কি?
জংগিরা ক্ষমতা দখল করতে পারলে প্রথম বোমাগুলো আত্নঘাতি হামলা পাকিস্তানেই হবে।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:১৮

বিপ্লব06 বলেছেন: ওদের সাইড থেকে লাভ হইল ভারতের হাতে আব বলাৎকার হইতে হবে না। ছোটখাট ফুটফাটে কেউ ভিক্টরি ডিক্লেয়ার করতে পারবেনা।

হইলে হবে, তাইলে ওরা মুড়ি খাবে...(পড়তে হবে মাটি খাবে কারণ ঘাস বইলা কিছু থাকবে না)।

ভালো থাকবেন।

১০| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ৮:৩৫

সিদ্ধার্থ. বলেছেন: পড়ছি । ভালো লাগছে । ট্রান্স শুনছেন নাকি এখনও ?

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:৩০

বিপ্লব06 বলেছেন: ধন্যবাদ!
ভালো লাগছে শুনে আমারো ভাল লাগছে।

ট্রান্স এর ব্যাপারটা মাথার উপ্রে দিয়া গ্যাছে। খুইলা বলতে পারেন।

ভালো থাকবেন।

১১| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ৮:৪৫

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: পারমানবিক বোমার মুল কাজটাই হইল ডিটারেন্ট তৈরি করা আর কিচ্ছু না। কারণ কেউ একজন ব্যাবহার করলে দুই পক্ষই ধ্বংস হয়ে যাবে। কেউ জিততে পারবে না।


এই কথাটা ১০০% সত্য। কিন্তু আমি আমার মন্তব্যের শেষ বাক্যটির প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী ( মুলত সে দেশের সামরিক গোষ্ঠী ) এ ধরণের হঠকারিতা যে করবে না, তার নিশ্চয়তা নেই। আর কে না জানে যে, পাকিস্তানে বেসামরিক শাসনের আড়ালে বরাবরই সামরিক শক্তির প্রাধান্য বিদ্যমান। আর মাঝে মাঝেই সে দেশে সরাসরি সামরিক শাসন জারি হয়। তারা ভারতের প্রতি এত বেশি প্রতিশোধপরায়ন যে এ ধরনের আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত নেওয়া বিচিত্র নয়।

তবে আমি আশঙ্কার কথা বলছি মাত্র। পরমানু যুদ্ধ হবেই এমনটা বলছি না। ধন্যবাদ।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:৩৯

বিপ্লব06 বলেছেন: আপনার আশঙ্কাটা ভ্যালিড একটা আশঙ্কা। এই জন্যই সুপার পাওয়ারগুলা ছোটখাট দেশগুলাকে নিউক্লিয়ার পাওয়ার হইতে দিতে চায় না। কে কখন কি করে বসে বলা তো যায় না।

ভালো থাকবেন আবুহেনা ভাই।

১২| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ১১:১০

শুভ_ঢাকা বলেছেন: পাটা পুঁতার ঘষাঘষি মরিচের জান শেষ। পাকি আর ভারত এই দুই দেশ পারমাণবিক বোমা ফুটাইলে আমাগো কি হইবো।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:১০

বিপ্লব06 বলেছেন: হ্যারা ঘষাঘষি লাগাইলে পুরা দুনিয়ার কেউই শান্তিতে ঘুমাইতে পারত না। আর আমরা তো প্রতিবেশী!!! আমাদের এইখানে ভূমিকম্প হপে!

১৩| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ১০:১১

কোলড বলেছেন: Some basic flaws in this article:

1. Quadir Khan is an engineer not a scienitst.
2. Pakistan/India have mastered nuclear fission but not fusion. Ask a physicist and they will tell you the difference.
3. Quadir khan was and still is a peripheral figure in Pak Nuclear establishment. He was used as a show boy for PR and it worked.

4. The real brain and power was always Munir Khan and there is not even a picture of Munir Khan in public domain.

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ২:৩৫

বিপ্লব06 বলেছেন: 1. What makes you say that he was not a scientist, only an engineer? He has a PhD Right? If he is a nuclear physicist a metallurgical engineer and did research, what makes him a “not scientist”? He did serve as a "senior scientist" and Director-General in Kahuta Research Laboratories Right? (I do not claim that he is not an engineer)

2. I never discussed about fission or fusion in the post. I even said that Pakistanis didn't invent fusion in a comment.

3. That is something very debatable. You can keep claiming what you believe in. I have the reference included at the end of the post, feel free to check it out if you have any doubt about me assertions.

4. It is possible, But I never found any evidence of it yet. But A. Q. Khan separated from him and his team succeeded at the end, not Munir Khan’s. BTW how is that a flaw?

Why are you claiming that there are flaws without providing any justification. Why don't you provide some CREDIBLE sources before making bold statements about other peoples posts. I will be happy to change my mind if you can convince me with credible materials.

১৪| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ৩:৪১

কোলড বলেছেন: 1. A nuclear engineer can get a PhD but he is still an engineer not a physicist. Heck, an engineer can become a CEO but can never be a nuclear physicist.

2. Stand corrected, issue of fusion came in the comments section but still Pak/India didnt conduct any nuclear fusion test.

3. Him being a show-boy is proved by this article and the book you referenced.

4. Uranium separation is just one aspect of the whole nuclear weapon program. At the time of nuclear explosion, it was Munir Khan proteges (Munir died by then) who conducted the test. AQ Khan was invited to attend out of politeness but that shows who was the real boss. Besides, Pakistan is said to possess a few tactical nuclear warheads which is possible only via Plutonium and AQ Khan has got nothing to do with that.

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ৮:৫৪

বিপ্লব06 বলেছেন: It appears that we have significant disagreements about some aspects of my post. Which is fine. I was hoping you could explain things more so that I could understand your perspective better.

I have to admit that Munir khan and his team did have a greater role in the process then it was discussed in the book, because they led the tests(I did not know that).

But, for Chagai-I test, the devices were Uranium devices. Chagai-II had Plutonium devices. At the same time, trying to belittle A. Q Khan is probably not the best way to judge his contribution in the program. I personally do not hold him in high regards but I do acknowledge his contribution.

Thank You for correcting me about Munir khan’s role. The book portrayed him in a different way.

১৫| ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২২

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া কেমন আছো?

কতদিন বন্দী ছিলে?

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০৯

বিপ্লব06 বলেছেন: ভালোই আছি! আপনি ভালো আছেন তো?
নাহ, বন্দি ছিলাম না আসলে।
লাইফরে প্রায়োরিটি দিছি একটু আরকি।

ব্লগে কিছুদিন পরপর এসে পোস্টগুলার হেডলাইন দেখেই চলে যাই ইদানীং।
ভালো থাকবেন!

১৬| ০৬ ই এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৪:১৫

নীল আকাশ বলেছেন: লেখা পড়ালাম ২টাই। পরের পর্ব কবে পাব?

১০ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৮:২৭

বিপ্লব06 বলেছেন: ম্যালা দিন আগে লিকছিলাম। বাকিগুলা আর লিখা হয় নাই।
ম্যাটেরিয়াল গুলাও ভুইলা গেছি। পরের পর্ব আর আসতেছে না।
দুঃখিত :(

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.