| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমরা প্রতিদিনের ন্যায় বিকেল বেলা বন্ধুদের নিয়ে হাটতে বেরিয়েছি আজও। আমাদের সাথে আমাদের শৈশবের এক স্যারও ছিল। স্যার বন্ধুর মতই তাদের সাথে। যখন যার সাথে সুবিধা দেখেন তার সাথেই তিনি থাকেন। পথ চলতে চলতে এক জায়গায় শোরগোল শুনে দাড়িয়ে গেলাম আমরা। কি হচ্ছে এখানে? প্রশ্ন করতেই এক মোরব্বি বলে উঠল, আরে সবাই জানে আপনারা জানেন না? এখানেতো প্রতিবছরের মত এবারও মোচওয়ালার মাজারে মেলা বসেছে, সবাই খিচুরি খাচ্ছে। দেখুন, কত খালেস দিলে রাস্তার পাশে বসে সবাই খিচুরি খাচ্ছে। আপনারাও যান। যান, যান। লোটকটি বলতে বলতে চলেগেল। স্যার বলল, দেখ অনেক দিন হয় খিচুরি খাওয়া হয়না, এছাড়া মাজারের খিচুরি, আমার খেতে মন চাইছে, আর ক’দিন বাছি তার ঠিক নাই। চল সবাই মিলে খিচুরী খাই। সবাই আমতা আমতা করতে করতে, আসলে কি বলবে বুঝে উঠতে পারছেনা। আমাদের মধ্যে একজন বলে উঠল, খিচুরী খাওয়া যায়। ভালই হবে। চল স্যার যেহেতু বলছে দেরি করিসনা। মাজারের খিচুরি বরকত আছে। রুবেল বলল না, তা হয় নাকি। আমার বাসায় চল আমি আপনাদের সবাইকে খিচুরি খাওয়াব। সোহেল বলে উঠল তোর বাসায় খিচুরি খেতে হলে একদিন অপেক্ষা করতে হবে। স্যার মোরব্বি মানুষ যদি ততক্ষণ না বাছে তালে আমাদের আপসোস করেই বাকি দিন কাটাতে হবে। যাইহোক ইচ্ছায় হোক আর অনিচ্ছাই হোক সবাই খিচুরি খাবে। কিন্তু তাদের সাথে তো কোন প্লেট নাই তাহলে কি ভাবে খিচুরি খাওয়া যাবে। সামনে এগিয়েই দেখে এক যায়গায় কতগুলো প্লেট; লোকজন খিচুরী খেয়ে রেখে গেছে। টিপু খুব রশিক। তোরা না খাইলে না খা। আমি খাব। স্যারকেও খাওয়বো। এবার লাইনে দাড়াতে হবে। না লাইনে দাড়াইলে ভাগে নাও পরতে পারে। আমার বাবা এই এলাকায় একসময়ে চেয়ারম্যান ছিল আমি খিচুরি ভাগ করব। আমি ছাড়া কেউ ন্যায্য ভাবে তা বন্টন করতেও পারবে না। আশে পাশের দু’একজন মোরব্বি বলল তাই হবে। কিন্তু সবাই তার বাবার কুকির্তির কথা যানত তাই তারা সে বন্টন করলে খাবে না বলে সাফ জানিয়ে দেয়। কিন্তু তার প্রতাপের কাছে গ্রামবাসির কিছু করার ছিলনা, তারা খিচুরি খাওয়া থেকে বিরত থাকল। টিপু তার কয়েকজন বন্ধু মিলে খিচুরি বন্টন করতে লাগল। তার পরিচিত সবাইকে খিচুরি দিল। যারা খেলনা তাদের কে তিরষ্কার করে বলল, যারা আজ খিচুরি খায়নি তাদের পস্তাতে হবে। কারণ আজকের খিচুরি যে টেস্ট হয়েছে তা আর হয়তো কোন দিনই হবে না। কারণ আমার বিজয় দাদু খিচুরি রেধেছে। তিনি আগামী বছর পর্যন্ততো নাও বাচতে পারেন। স্যার খিচুরি নিজে না থেয়ে আদরের স্ত্রীর জন্য নিয়ে গেলেন। বাসায় খিচুরি নিয়ে পৌঁছতেই তার স্ত্রী বাচ্ছাদের নিয়ে পুরোটাই খেয়ে পেলল। পরদিন স্যারের সাথে রাস্তায় দেখা হলে স্যার বললেন খিচুরি খুব টেস্ট হয়েছে তবে আমি ভাগে পাইনি।
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ৮:০৩
ভারসাম্য বলেছেন: প্লট ভালই ছিল তবে আরেকটু কষ্ট করলে মিলানো যেত ভাল করে। যেমন ধরেন, স্যারই(এরশাদ) সবাইকে নিয়ে একসাথে মাজারের খিচুড়ি খাবার বুদ্ধি দেবে এবং সবাই না খেলে সেও খেতে যাবে না বলবে। মুরব্বীর দরকার ছিল না। আর মুরব্বী ক্যারেকটার রাখতে চাইলে ১ জন মাজারের প্রধান খাদেম(ভারত) ও আরো ৩/৪ জন মুরব্বী/সহায়ক খাদেম( আমেরিকা, ইইউ, জাতিসংঘ) আনা যেত। তারপর একটা বাবুর্চী ( ইসি রকিব) ক্যারেকটার দরকার ছিল।
যাই হোক, সব মিলিয়ে খারাপ লাগে নাই। তবে অনেকেমনি মনে হয় বোঝে নাই গল্পটা। আমি প্লাস দিয়া রাখি।