| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমাদের বাসা ছিল কুমিল্লা সেনানিবাসের ভিতরে। এস এস সি পাশ করার পর আমার ইচ্ছা ছিল ঢাকার কোন কলেজে ভর্তি হবো। বাসা থেকে আমাকে ঢাকায় হোস্টেল বা মেসে থেকে পড়তে দিবে না। নবম শ্রেণিতে হোস্টেলে থাকার সময় বিভিন্ন কারনে আমার আর হোস্টলে থাকা হয় নি। কেন হয় নি সে ঘটনা আর এক দিন বলব। সেজন্য আমার আব্বা আর চাননি আমি আর হোস্টেলে থেকে পড়ালেখা করি।
রেজাল্টের পর আমাকে ইস্পাহানীতে পড়তে হবে এরকম বলে দেওয়া হলো। রেজাল্টের কয়েকদিন পর ইস্পাহানীতে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দিল। বিজ্ঞপ্তিতে একটা নির্দিষ্ট জিপিএ পাওয়াদের কোন রকম ভর্তি পরীক্ষা ছারাই ভর্তি হতে পারবে ছিল। আমিও ঐ নির্দিষ্ট জিপিএ পাওয়াদের মধ্যে ছিলাম বলে আমাকে আর ভর্তি পরীক্ষা দিতে হলো না তার মানে সরাসরি ভর্তি হয়ে গেলাম
।
কলেজের প্রথম দিন একটা কারনে এখনও মনে আছে। আমার মুখে খুব বেশি ব্রন উঠত না এক মাস দেড় মাস পরপর একটা উটত যা আমার জন্য ছিল কষ্টকর এবং বিব্রতকর । তার মানে যেই একখান ভ্রন উটত তা ছিল বেশ বড় , তীব্র যন্ত্রণাদায়ক
এবং দৃষ্টিকটু। তো কলেজের প্রথম দিন ইয়া মার্কা একটা ব্রন নিয়ে যেতে হয়েছিল। তো সবার সাথে পরিচয় হওয়ার চেয়ে আমি সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত ছিলাম রুমাল দিয়ে আমার ব্রন
ঢেকে রাখার কাজে
আরেক দিন কলেজের দিন গুলির কথা বলব আজ আর লিখতে ইচ্ছা করছে না। এই ফাঁকে আমার কলেজের ইতিহাস একটু বলে যাই.....
১৯৬২ সালের ২৮শে সেপ্টেম্বর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল নামে এ প্রতিষ্ঠানটি জন্মলাভ করে বর্তমান কুমিল্লা জিলা স্কুল-এ শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। ১৯৬৩ সালে স্কুলটি বর্তমান ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড স্কুলে স্থানান্তরিত করা হয়।সর্বপ্রথম ১৯৬৪ সালে এই স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়া হয়। ১৯৬৫ সালের জুন মাসে ময়নামতি পাবলিক স্কুল হিসাবে নামকরন করা হয়। ১৯৬৬ সালে ন২৮শে সেপ্টেম্বর দানবীর মির্জা আহমেদ ইস্পাহানীর আর্থিক সহায়তায় গ্রহণের পর প্রতিষ্ঠানটির নাম ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল নাম করন করা হয়। পরে ১৯৭৫ সালের ২৮শে অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটিতে কলেজ শাখা করার পর প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ নাম করন করা হয় ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই নভেম্বর, ২০১৩ রাত ৮:৫১
বেকার সব ০০৭ বলেছেন: ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ এর অনেকটি নাম আগে যানতাম না তো