নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সম্পদহীনদের জন্য শিক্ষাই সম্পদ

চাঁদগাজী

শিক্ষা, টেকনোলোজী, সামাজিক অর্থনীতি ও রাজনীতি জাতিকে এগিয়ে নেবে।

চাঁদগাজী › বিস্তারিত পোস্টঃ

তারুণ্যের জয়, ইসলাম ধর্মের সামনের সারিতে তরুণরা

৩০ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৭



আজকে, মুসলিম বিশ্ব ভয়ংকর সামাজিক বিশৃংখলার মাঝ দিয়ে যাচ্ছে; এর অনেক কারণ আছে: সবচেয়ে বড় কারণ হলো শিক্ষার অভাব, মুসলিম দেশের সরকারগুলো মানুষকে কৌশলে শিক্ষা থেকে দুরে রাখছে, নীচু মানের শিক্ষা, অপ্রয়োজনীয় শিক্ষা, অর্থনৈতিক বৈষম্য, প্রশাসনিক বৈষম্য, বেকারত্ব ও ধর্মীয় ব্যাপারে তরুণদের হস্তক্ষেপ; এই সমস্যাগুলো একটা অপরটার সাথে জড়িত, একটা অপরটার সৃষ্টি করছে।

১৯৭০ সাল থেকে আফগানিস্তানে রাজনৈতিক বিশৃংখলা দেখা দেয়; ১৯৭৩ সালে, দেশের মিলিটারী ততকালীন সম্রাটকে ক্ষমতাচ্যুত করে, দেশকে রিপাবলিকে পরিণত করে; আবার ক্যু' হয় ১৯৭৮ সালে; ১৯৭৯ সালে, ততকালীন ক্ষমতাসীন আফগান সরকার, ততকালীন সোভিয়েত সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়ে সোভিয়েত সেনাবাহিনীকে দেশে নিয়ে আসে। শুরুতে সোভিয়েত বাহিনী সরকার বিরোধীদের স্তব্ধ করে দিতে সমর্থ হয়; কিন্তু অল্প সময়ের মাঝে আফগান তরুণরা সোভিয়েত হস্তক্ষেপকে ইসলামের উপর আক্রমণ হিসেবে প্রচারণা চালায় ও আফগানী গোত্রদের ও মুসলিম দেশসমুহ থেকে ভলনটিয়ার যোদ্ধাদের সমর্থন পায়; পাকিস্তান, কাশ্মীর, চেসনিয়া, দাকিস্তান, আরব, বাংলাদেশ থেকে প্রচুর তরুণ মুসলিম ভলনটিয়ার হিসেবে আফগানিস্তানে সোভিয়েত বাহিনীর (নাস্তিকদের) বিপক্ষে যুদ্ধে অংশ নেয়, এই আন্তর্জাতিক বাহিনী নিজদের ইসলামিক মুজাহিদ হিসেবে পরিচয় দেয়; আমেরিকা ও আরবের টাকা, অস্ত্র মুজাহিদদের শক্তিকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। মুজাহিদদের সোভাগ্য যে, সেই সময়ে সোভিয়েতে আভ্যন্তরীণ সমস্যা প্রকট হয়ে সোভিয়েত ভাংগার দিকে; সোভিয়েতের এই করুণ অবস্হাকে মুজাহিদেরা আল্লাহের সরাসরি হস্তক্ষেপ ও সাহায্য হিসেবে বিশ্বাস করে, কিংবা প্রচার হলেও চালায়।

১৯৮৯ সালে, মুজাহিদেরা সোভিয়েত বাহিনীকে পুরোপুরিভাবে পরাজিত করে, সোভিয়েত বাহিনী চলে যায়; দেশ মুজাহিদদের হাতে; এটা ছিল তরুণ মুসলমানদের বিরাট বিজয়, এরাই তখন নতুন এক আফগানিস্তানের মালিক। কিন্তু এদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও আচরণ আফগানিস্তানের জন্য যথেষ্ঠ ছিলো না, এদের থেকেও সাচ্চা মুসলিম তরুণরা সংগঠিত হচ্ছিল আফগানিস্তানেে সঠিক ইসলাম কায়েম করার জন্য: মোল্লা ওমরের নেতৃত্বে মুলত: মক্তব, মাদ্রাসা ও অশিক্ষিত তরুণরা সংগঠিত হয়; তারা ১৯৯৬ সালে মুজাহিদদের থেকে দেশের ক্ষমতা দখল করে নেয়, তারা নিজেদের ইসলামের ছাত্র হিসেবে পরিচয় দেয়; তারা ২০০১ সালের অক্টোবর অবধি আফগানিস্তান চালায়েছে; সারা বিশ্ব, বিশেষ করে ইউরোপ আমেরিকা তাদের আচরণে ক্ষুব্ধ হয়েছে; তালেবানরা সেই সময়ে বলেছে যে, তরুণ মুসলিমদের বিজয়ে পশ্চিম ভীত হয়ে গেছে। যাক, ২০০১ সালে, আমেরিকান সৈন্যরা আফগানিস্তান দখল করে নেয়, ও তাদের তাবেদারদের হাতে দেশের ক্ষমতা তুলে দেয়। তালেবান সদস্যদের বয়স এখন ২২ বছর বেড়েছে, এরা সবাই এখন তরুণ নয়, কিন্তু এদের দলে তরুণদর অভাব নেই, এরা এখনো আফগানিস্তানের ক্ষমতা নেয়ার জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।

মন্তব্য ১৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৫:২৩

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: ভাল বলেছেন।

৩০ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৫:২৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


আমার মনে হচ্ছে, ইসলাম ধর্মের লীডারশীপে তরুণরা এগিয়ে আছে; তরুণরা ইরাক ও সিরিয়া নিয়ে একটা নতুন দেশই গঠন করে ফেলেছে।

২| ৩০ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৬

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: সুন্দরভাবে কারণগুলো উল্লেখ করলেন শ্রদ্ধেয়, ভালো লাগলো পোস্ট পড়ে।

এই অবস্থা থেকে মানুষ বেরুবে কিভাবে...!

৩০ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


শুধু বাচ্চারা ঘরের মালিক হলে, ঘরের মেরামত হয় না, ঘর ভেংগে যায়; ভাংগা ঘর থেকে বের হতে দরজার হয় না।

৩| ৩০ শে মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩০

হাবিব স্যার বলেছেন: সামাজিক বিশৃখলা পারিবারিক বিশৃংখলা থেকে সৃষ্টি। অনেক পরিবারেই গোরামী আছে। বাবা বলে আমি বেশি বুঝি ছেলে বলে তারটাই ঠিক। কিন্তু ইসলামিক স্কলাররা এ ব্যাপারে কাজ করে যাচ্ছেন। অচিরেই এমন সমস্যার সুরাহা হবে।

৩০ শে মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


ইসলামে স্কলারও আছেন? তা'হলে তো ভবিষ্যত উজ্বল। কিছ বিদ্যা আছে, যেগুলো জানলে, মানুষের স্কলার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

৪| ৩০ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: একজন আমাকে প্রশ্ন করলো ইসলাম আপনাকে কি দিয়েছে?
শিক্ষা? চাকরী? টাকা? মানবতা?

৩১ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১২:৩৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


রাজতণ্ত্রের যুগে, রাজতন্ত্রের জ্বালাতনকে সহ্য করার করার মত মনোবল বৃদ্ধিতে সাহায্য করেছিলো কিছুটা ইসলাম; এখন ইসলাম আরবদের জন্য মৃত্যুর ফাঁদ হয়ে দাঁড়ায়েছে।

৫| ৩০ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৪১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আমার ধারণা, সূর্য ধ্বংস হবার আগ পর্যন্ত ধর্ম নিয়ে মানুষ বাড়াবাড়ি করবেই।
সূর্যের আয়ু শেষ হলে কি হবে কে জানে।

৩১ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১২:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


ইউরোপ ও আমেরিকায় ধর্ম এখন সামাজিক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে; এরপর হঠাৎ করে ধর্মের ভুমিকা বন্ধ হয়ে যাবে; হিন্দু ধর্ম ও ইহুদী ধর্ম আরো কয়েক'শ বছর থাকবে হয়তো।

৬| ৩১ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১:১৯

নতুন বলেছেন: ইউরোপ ও আমেরিকায় ধম` এখন সামাজিক সংস্কৃতি...

হিন্দুরা বেশ গোড়ামীতে আছে তাই তারা ধমিয় বই পড়েনা, শুধু ব্রাম্রন ছাড়া কেই পড়তে জানেনা...অন্যকেই শেখেও না ।

বাংলাদেশের মুসলিমদের মাঝে চলছে পুরাই ভন্ডামী.... নামে সবাই মুসলমান... এরা মদ খেতে পারে, সুদ খেতে পারে কিন্তু শুকুরের মাংসের চপ দিয়ে কিন্তু মদ খাবে না... ঐটা হারাম...

ভন্ডামী আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাধি... :)

৩১ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৩:৩০

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলাদেশে ইসলাম সবচেয়ে ভালো পজিশনে আছে; মানুষ ঘুষ খাচ্ছে, নামাজ পড়ছে; অন্যদের সুযোগ কেড়ে নিচ্ছে, সম্পদ দখল করছে, মসজিদের টাকা দান করছে, বউ'কে ঘরে রেখে অন্য মেয়েকে ভালো ভাসছে, এটা ধর্মের বর্তমান স্বাস্হ্য

৭| ৩১ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ২:১৮

রাফা বলেছেন: ইসলামের দোহাই দিয়ে সবকিছু হালাল করার চেষ্টামাত্র । বাস্তবতা ভিন্ন -ইসলামের অনুশাসন মেনে চললে পৃথিবিটা হয়ে যেতো স্বর্গ। অন্য ধর্মের কথা আমি জানিনা।কিন্তু ইসলাম ধর্মের প্রারাম্ভেই বলা হয়েছে পড় তোমার প্রভুর নামে।শিক্ষার জন্য প্রয়োজনে সুদুর চিনে যাও।এটা কিন্তু শুধু আক্ষরিক অর্থে বলা হয় নাই। অর্থাত জ্ঞান অর্জনের জন্য পৃথিবির যেখানে প্রয়োজন সেখানেই যাও এবং তা অর্জন কর।আর বাস্তবতায় আমরা কি দেখি কিছু অর্ধশিক্ষিত মানুষ মাদ্রাসা মক্তবের মাধ্যমে অশিক্ষা ও কুশিক্ষা দিয়ে যাচ্ছে।(বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে) যারা নিজারাই প্রকৃতপক্ষে শিক্ষিত না তারা শিক্ষা দিলে যা হওয়ার কথা ছিলো তাই হোচ্ছে।

কিছুদিন পুর্বেও বাংলাদেশে দোড়রা মারা সহ ,মুখে চুন কালি মেখে গ্রামে ঘোরানো গলায় জুতার মালা পড়িয়ে ঢিল ছুরে মারা এগুলোই ছিলো প্রচলিত।অথচ ইসলামের সবচাইতে বড় শক্তি নিহিত ক্ষমা করার মধ্যে।সংশোধন করে সুস্থ মানুষ হিসেবে সমাজে ফিরিয়ে আনার কথাই বলে ইসলাম।বাস্তবচিত্র সম্পুর্ণ ভিন্ন।ছুরি,কাচি চালাতে জানে বলেই নাপিতকে সার্জারি করার দায়িত্ব দিলে যা হবে।ইসলামের ধারক বাহকরাও ঠিক সেই স্কেলেরই আছে আমাদের দেশে।ফতোয়া দেওয়ার জন্য যে যোগ্যতা প্রয়োজন আদৌ কি তাদের তা আছে ? প্রকৃতপক্ষে আমাদের দেশে এখনও ধর্মের নামে লক্ষকোটি মানুষকে নিয়ে খেলা যায় বলেই এই অবস্থা বিরাজ করছে।

অপ্রাসাঙ্গীক অনেক কথা বলে ফেললাম,দুঃখিত।ধন্যবাদ,চাঁদগাজী।

৩১ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৩:৩৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


এখন মানুষ ইসলাম ধর্মকে বুঝার সুযোগ পাচ্ছেন, এখন বাংগালীরা আরবে চাকুরী করছেন, আরবী বুঝেন, আরবীতে কথা বলতে পারেন; বাংগালী মেয়েরা আরবে চাকুরী করছেন, ইসলামের উৎপত্তির স্হানে থাকায় ইসলামকে বুঝা সহজ হচ্ছে।

৮| ৩১ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:০০

জাহিদ অনিক বলেছেন: সামনের সারিতে থেকে কি করছে তরুণেরা? যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে

৩১ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



তরুণরা ইসলামকে ব্যাখ্যা করছে, এরাই ইরাক ও সিরিয়াকে নিয়ে নতুন ইসলামিক দেশ গঠন করেছে; ইরাক ও সিরিয়ায় নিজেদের হেরেম খুলেছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.