নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সম্পদহীনদের জন্য শিক্ষাই সম্পদ

চাঁদগাজী

শিক্ষা, টেকনোলোজী, সামাজিক অর্থনীতি ও রাজনীতি জাতিকে এগিয়ে নেবে।

চাঁদগাজী › বিস্তারিত পোস্টঃ

কালো টাকার কালো ধনীরা ও আমাদের অতিবিজ্ঞ অর্থমন্ত্রীগণ

১৬ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪



কালো টাকার ডেফিনেশন আপনারা জানেন, অসৎ পথে আয় করা টাকা: চাঁদাবাজীর টাকা, টেন্ডার বিক্রয়ের টাকা, ওভার ইনভয়েসের টাকা, আন্ডার ইনভয়েসের টাকা কালোবাজারীর টাকা, সোনা চোরাকারবারীদের টাকা, মাফিয়ার টাকা, মাদক ব্যবসার টাকা, ঘুষের টাকা, কর না-দেয়া টাকা, সরকারী তহবিল থেকে চুরি-করা টাকা, সরকারী সম্পত্তি দখলের টাকা, হুন্ডির টাকা, আদম বেপারীর টাকা, ঋণ খেলাপীর টাকা, ব্যাংক ফেইলের টাকা। কালো টাকার মালিকেরা কালো ধনী; প্রশাসন, অন্য ধনীরা, পুলিশ, দুদক, এমপি, মন্ত্রী, ট্যাক্সের লোকেরা এদের চেনে, জানে, এদের সাথে চলে, এদের সাথে হোটেল সোনার গাঁয়ে খাওয়া-দাওয়া করে, সময় কাটায়, এদের টাকায় বিদেশ ভ্রমণে যায়।

বিএনপি'র সময়, শেখ হাসিনা কি কালো টাকাকে সাদা করার পদ্ধতিকে সাপোর্ট করেছিলেন? আপনি চোখ বন্ধ করে বলতে পারেন যে, উনি উহার বিরোধীরা করেছিলেন।

দেশের বর্তমান জিডিপি আনুমানিক ২৫০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি হতে পারে; তা'হলে, আনুমানিক ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশী হবে কালো টাকা; এই টাকার মালিকদের "বিনিয়োগে উৎসাহিত" করার জন্য আমাদের নতুন অর্থমন্ত্রী কালো টাকাকে সাদা করার অপশন রেখেছেন। ১০০ বিলিয়ন ডলারের কালো টাকা থেকে, আগামী ১ বছরে কি পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ হবে, আপনার মনে হয়; এবং বিনিয়োগ যদি হয়, কোথায় হবে? যারা বাংলাদেশে সোনার চোরা-কারবারী করে, তারা সোনা ব্যতিত অন্য কিছুতে বিনিয়োগ করতে শুনেছেন? বসুন্ধরা জমি ক্রয় ও বিক্রয় করা ব্যতিত গার্মেন্টস ব্যবসায় গেছে? সরকারী আমলারা কেহ শিল্পপতি হতে শুনেছেন? বদি ও বদির বউ টেকনাফে কি কি কারখানা খুলেছে?

সাইফুর রহমান সাহেব প্রথমে বড় আকারের কালো টাকাকে সাদা করতে দেন; বেগম জিয়া ছিলেন লুলু, কোনটা কি টাকা, সেটা উনার ক্যাপিটেল অবধি পৌঁছতো না। সাইফুর রহমান ১২ বার বাজেট দিয়েছিলেন; উনি কালো টাকাকে সাদা করতে দেয়ায়, প্রতি বছর, কালো টাকার পরিমাণ বেড়েছে, নাকি কমেছে? উনার ১২ বছর লেগেছে এটা বুঝতে? উনার মাথায় কি মগজ ছিলো, নাকি গোবর ছিলো? মুহিত সাহেব প্রতিবারেই যুক্তি দেখায়েছিলেন যে, কালো টাকা সাদা না করলে উহা বিদেশে চলে যাবে; এতে কালো টাকার অবসান ঘটেছে? এবার ক্রিকেট কামাল সাহেব নতুন কোন যুক্তি দেখাচ্ছেন, নাকি উনি সাইফুর রহামান ও মুহিতকে অনুসরণ করছেন? উনি এমন কি দক্ষ যে, কালো টাকা উনি বিনিয়োগ করায়েই ছাড়বেন? কত বছর পর, আমাদের প্রধানমন্ত্রী বুঝতে পারবেন যে, আসলে কালো টাকা প্রতি বছরই বেড়ে চলেছে, এবং সাদা করতে দেয়ার যুক্তি কাজ করেনি! কালো টাকা নিয়ে, প্রধানমন্ত্রী সাইফুর রহমান ও মুহিতের ডোডোগিরি দেখেছেন, এখন বাকী আছে নতুন মন্ত্রীর পিগমীগিরি দেখা!

কালো টাকার মালিকদের লিষ্ট করে, তারা কলো টাকা কোথায় কিভাবে জমা করছে, কিভাবে খাটাচ্ছে, কিভাবে বিদেশে পাচার করছে, সেটা বের করে, টাকাটা কেড়ে নিয়ে সরকারীভাবে বিনিয়োগ করলেই টাকাটা আসল মালিকের হাতে চলে আসবে। কি জন্য প্রাইম মিনিষ্টার চুরি না করে, চোরদের সাহায্য করে যাচ্ছেন?

মন্তব্য ৪৮ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৪৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:০৩

মোগল সম্রাট বলেছেন: পুরানো বোতলে নতুন সুধা নাকি নতুন বোতলে পুরানো সুধা ঢালছে সরকার তা বোকা....দা জনগন কোনদিনই বুজবেনা চেষ্টাও করবে না। মিছিলের করবে, পাছার পাচড়া চুলকাবে আর বলবে আহা বেশ বেশ।

১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:০৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



অর্থমন্ত্রীর পোষ্টটার একটা সন্মান আছে; সাইফুর রহমান, মুহিত ও ক্রিকেট কামাল সাহেব পোষ্টটাকেও অপমানিত করেছেন!

২| ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:২০

ঢাবিয়ান বলেছেন: যার মাথায় যত বেশি ক্রিমিনালি বুদ্ধি সে তত বেশি যোগ্য অর্থমন্ত্রীর পদের জন্য।

১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:২৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলাদেশে সেটাই যোগ্যটার মাপকাঠি; ১৯৭৫ সালের হত্যাকান্ডের পর, শিক্ষিত ও বড় ভাবনার লোকদের পথ বন্ধ হয়ে গেছে।

৩| ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:২১

মোগল সম্রাট বলেছেন: গাজী সাব প্রধানমন্ত্রীর পোস্টেই তো কতো ব্লাকবেঙ্ল ছাগল আর বকলম বইসা ছিলো কতোকাল আপনি অর্থ মন্ত্রীর পোস্টটার কথা ভাবতাছেন?

১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৩২

চাঁদগাজী বলেছেন:


ওদের নিয়ে আমার উৎসাহ ছিলো না; ২০০৮ সালের পর, শেখ হাসিনার জন্য বিশাল সুযোগ এসেছিলো, তিনি জাতিকে সাহায্য করতে পারতেন; কিন্তু তিনি প্রমাণ করেছেন যে, তিনি মানুষের অধিকার ও জাতির সুখশান্তি বুঝার মতো বিজ্ঞ নন।

৪| ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৩২

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: গাজিমিয়া, শুভ সন্ধ্যা।

আপ্নার পছন্দের রাজনীতিবিদ কে?
ধরুন, আপ্নাকে মন্ত্রীসভা গঠনের দায়িত্ব দেয়া হল। অর্থমন্ত্রী করবেন কাকে?

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার ধরা হচ্ছে ২৮ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
এবার সুদ পরিশোধে খরচ হবে ৫৭ হাজার ৬৮ কোটি টাকা

১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৩৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


অর্থমন্ত্রী হওয়ার মতো বাংগালী আমার জানা নেই; বাংগালীরা অংক, ফাইন্যান্স, অর্থনীতি বুঝে না।

১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৪৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


২৮ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা সমান হচ্ছে, ৩৩৫ বিলিয়ন ডলার; বাসংলাদেশের জিডিপি এত বড় হওয়ার কথা নয়। মিনিষ্ট্রি অব ফাইন্যান্সে যারা চাকুরী করেন, তাদের মাঝে জ্ঞানী ও সৎ লোক আছেন বলে মনে হয় না।

৫| ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৪০

ঢাবিয়ান বলেছেন: পাঠকের প্রতিক্রিয়া , যোগ্য বাংলাদেশীর অভাব কিন্ত নাই। খালি যদি একবার ক্ষমতাটা দুই দলের হাত থেকে কোন উপায়ে ছিনিয়ে নেয়া যায়, তবে দেশকে পালটে দেয়ার মত বাংলাদেশীর অভাব যে হবে না, তাতে ১০০% গ্যরানটি।

১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৪৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


যোগ্য লোকের অভাব আছে বাংলাদেশে; ব্লগারদের অবসহা থেকেই তা অনুমান করা সম্ভব। ২ দলের হাত থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে নিলে, ডাকসু কি বাংলাদেশ চালাবে?

৬| ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৪২

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার পোষ্টের শেষে আপনি আসল কথা এবং দামী কথা বলে দিয়েছেন।
আফসোস আমার কোনো কালো টাকা নেই।

১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৪৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


কালো টাকা শুধু কালো ধনীদের হাতে থাকে; ওদেরকে আমাদের মিনিষ্টারেরা চিনেন।

৭| ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৫৯

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: অর্থমন্ত্রী হওয়ার মতো উপযুক্ত বাংগালী না থাকলে, ইস্টইন্ডিয়া কম্পানিই কী ভালো ছিল?


@ঢাবিয়ান
আমিও এমনটাই ভাবি। দলকানা মনোভাব না বাদ দিলে দেশ আগাবে না।

১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:১৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলাদেশে অর্থনীতিবিদ ও ফাইন্যান্সের লোক নেই; অর্থমন্ত্রীর পোষ্টটা প্রাইম মিনিষ্টারের অধীনে রেখে, ১০জনের একটি উপদেষ্টা কমিটির মাধ্যমে এটি চালানো দরকার; ১০ জনের মাঝে ৫ জন বিদেশী রাখা দরকার।

৮| ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:৪৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: চাঁদগাজী,




আপনার কথাগুলোর সাথে সহমত।

ক্রিকেটের দামাল ছেলে কামাল সাহেব প্রথম বলেই ছক্কা হাকিয়েছেন। খেলতে নামলে দ্রুত কিছু রান তো তুলতেই হবে!
তেমনি অর্থমন্ত্রী হিসেবে তাকে তো টাকা তুলতেই হবে, না কি ? এই ছক্কা মারায় ভিআইপি গ্যালারীতে বসা কালোটাকার মালিকেরা তো হাততালি দেবেনই, এমন কি বগলও বাজাতে পারেন।
আমি আপনি খোলা গ্যালারীর দর্শক। গাঁটের পয়সা খরচ করে আমরা শুধু খেলাই দেখি আর টিকিট মানি থেকে খেলুড়ে দলগুলো পায় ভাগের টাকা, প্রাইজ মানি, বিনে পয়সায় বিদেশ সফর ইত্যাকার যতো কিছু আছে, তা। :||

যে যাই-ই বলুক, বাজেটের পরে জিনিষের দাম বাড়া ঠেকানোর সাধ্য কারো নেই। আমি ভাবছি, সব জিনিষের দামই যখন বাড়বে তখন আমাদের নিজ নিজ পকেটের টাকা দোষ করলো কি ? আমরাও আমাদের পকেটের সাদা টাকার মানও বাড়িয়ে দেবো। ১০ টাকার নোটের ১০ লেখা কেটে ২০ বানিয়ে দেবো...... :( ;)
মজলুম জনতা এক হও। :P

১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:৫৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাজেট বিরাট ব্যাপার: সাইফুর রহমান সাহেব, মুহিত, বা কামাল সাহেব অর্থনীতিবিদ ও ফাইন্যান্সিয়েলে দক্ষ মানুষ নন; কিন্তূ সাইফুর রহমানের ১২ বছর ও মুহিত সাহেবের ১২ বছর কালো টাকাকে সাদা করতে দেয়ার ফলাফল কি, তাতো সবার কাছে পরিস্কার হওয়ার কথা।

৯| ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:০৯

মোঃ ইকবাল ২৭ বলেছেন: এই বাজেট গরীবদের জন্য কি আছে?

১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:২৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাজেটে গরীবদের জন্য কি আছে, সেটা বের করা সম্ভব নয় এখনো; তবে, ১ বছরে চাকুরী সৃষ্টির পরিমাণ, উৎপাদনে বিনিয়োগ, দেশে ভোগ পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, ইমপোর্ট কমানো, বেকারত্ব কমানোর লক্ষ্য, কৃষি সরন্জামের জন্য ঋণ, ইত্যাদি নিয়ে আলাপ করেনি মন্ত্রী কিংবা প্রাইম মিনিষ্টার।

তবে, কালোদের সাদা করা হবে।

১০| ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:৩১

নতুন বলেছেন: দেশে দূনিতি বন্ধ করা আর দেশে যুদ্ধাবস্থা সৃস্টি করা একই কথা....

আয়ামীলীগের নেতাদের আয়ের বড় উতস টেন্ডারবাজী করে সব সংস্হার কাজ করা ... এখানে দূনিতি না করতে পারলে দলের মানুষই নাখোশ হবে....

ব্যবসায়ীরা দূনিতি না করতে পারলে প্রধানমন্ত্রীর বিরুধ্ধে লাগবে.... এমনকি তাকে সরিয়ে দেবার জন্য পরিকল্পনা শুরু হয়ে যাবে....

দেশের সব স্তরের মানুষই কিন্তু দূনিতির টাকার অংশ পায়... তাই বড় একটা অংশই কিন্তু দূনিতি বন্ধ হয় সেটা চাইবেনা....

নতুন প্রযন্মের মাঝে দূনিতি বন্ধের একটা দাবি আছে যেটা খুবই ভালো কথা.... আশা করি একদিন দেশের দূনিতির বিরুদ্ধে সবাই কাজ করবে....

১৭ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:০৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


সরকারী চাকুরী না পাওয়া অবধি 'নতুন প্রজন্ম' নতুন প্রজন্ম থাকে।

১১| ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:৫৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: বাংলাদেশের ট্যাক্স এর নিয়ম কানুন ও সুবিধাজনক নয়। অনেককেই ট্যাক্স দিতে চায়। কোন কোন ক্ষেত্রে দেখা যায় 5000 টাকা ট্যাক্স দিতে 10 হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। পলাফলে সাধারণ মানুষ কর দিতে নিরুৎসাহিত বোধ করে। এমন ব্যবস্থা করা উচিত যাতে মানুষ ঘরে বসেই অনলাইনে ট্যাক্স পরিশোধ করতে পারে। সেই সাথে এই নিশ্চয়তা বিধান করতে হবে যে, জনগণের ট্যাক্সের প্রতিটি টাকা সদ্ব্যবহার হবে। কোন ঘুষ-দুর্নীতি চুরি চামারি থাকবে না। মানুষ যখন আনন্দের সাথে ট্যাক্স দিতে ঝাঁপিয়ে পড়বে।

১৭ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:০৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলাদেশের ইনকাম ট্যাক্সের লোকদের কেহ মানুষও বলে না, বলে চোর।

১২| ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:০৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: এখানে মন্তব্যে কেউ কেউ বলছেন, বাংলাদেশের যথেষ্ট যোগ্য লোক আছেন। বাস্তবতা দেখে আমার কিন্তু তা মনে হয় না। গার্মেন্টস সেক্টর চালানোর জন্য ভারত ,শ্রীলংকা ও পাকিস্তান থেকে হাজার হাজার লোক আনতে হচ্ছে। এই সেক্টর চালানোর মত বুদ্ধিশুদ্ধি ওয়ালা লোক কি বাংলাদেশের নাই? যদি না থাকে তাহলে আর কি করা। হাজার হাজার বাংলাদেশের মানুষ মালয়েশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে কামলা দিয়ে মরছে। আফসোস।

১৭ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:০১

চাঁদগাজী বলেছেন:


কোথায়ও কোন পদক্ষেপ, মিডিয়ায় লেখা ও বক্তব্য থেকে, আমি কোন অভিজ্ঞা অর্থনীতিবিদ ও ফাইন্যান্সর লোকজন দেখিনি

১৩| ১৭ ই জুন, ২০১৯ রাত ১:৫২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: বেশ সংক্ষেপে তুলে ধরেছেন কালো টাকার উৎস কোথায় এবং টাকা কেন ও কিভাবে কালো হয়। উল্লেখ্য যে প্রায় প্রতিটি বাজেটে্িই গেল ক’বছর ধরে বাংলাদেশে কালো টাকার মালিক ধরতে নানা ধরনের জাল বিস্তার করা হয়েছে। ক্যারট অ্যান্ড স্টিক পলিসি অনুসরণ করা হয়। টাকা সাদা করানোর কত না কসরত! গরিবরা কালো টাকার মালিক নন— টাকাই তো নেই তাদের জন্য সাদা -কালো প্রশ্ন অবান্তর। মধ্যবিত্তের অবস্থা তথৈবচ। একমাত্র ধনিক শ্রেণীর হাতে পুঞ্জীভূত হয় কালো টাকা। এই ধনিক শ্রেণীর মধ্যে আছে সংসদ সদস্য, সামরিক ও বেসামরিক আমলা এবং ব্যবসায়ী-শিল্পপতি । অভিযোগ আছে, কালো টাকার বিরুদ্ধে যারা সবচেয়ে বেশি সোচ্চার, আইন বানায় এবং সেই আইন প্রয়োগ করার ভান করে, তারাই কিন্তু আসল কালো টাকার মালিক! কাক কি কখনো কাকের মাংস খায়? অর্থনৈতিক ‘সুশাসন’ যে আছে, এমনতর ভাব দেখাতেই বোধহয় কিছু নমনীয় শর্তসাপেক্ষে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ করে দেয়া হয়। আনুক্রমিক সরকারগুলো বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কায়দায় এ সুযোগ দিয়ে আসছে যদিও কাজটা নিতান্তই অনৈতিক।

টাকা থাকলে বাঘের চোখ মেলে আর কালো টাকা থাকলে চাইলে গোটা সমাজটাই কেনা যায়। দুঃখের বিষয়, যাদের সাদা টাকা আছে, তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ অথচ এ সমাজে অত্যন্ত দুর্বল শ্রেণী। মাথা নিচু করে আসে আর যায়। এরা বেশি বেশি সাদা থাকতে চায় বলে মাঝে মধ্যে আইন প্রয়োগকারী ও কর সংস্থার দ্বারা হেনস্তার শিকারও হয়। কালো টাকা সাদা করানোর সব চেষ্টাই আপাতত বিফল। গেল ক’বছরে প্রতিটি অর্থবছরে গড়পড়তা ৪০০ হতে ৫০০ কোটি কালো টাকা বৈধ করা হয়েছে এবং এর থেকে রাজস্ব হিসেবে সরকারি কোষাগারে গেছে মাত্র ৪০ হতে ৫০ কোটি টাকা । লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা বাজেটের জন্য এটা একেবরে নস্যি ।

নৈতিকতার কথা বাদ দিয়ে অনেকেই বলে থাকেন কালো টাকা দেশের ভেতর থাকলে উপকারই হয়। আজকের খবরে দেখলাম ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ( ডিএসই) দাবী করছে কাল টাকাকে যেন স্টক মার্কেটে বিনিয়োগ করার সুযোগ দেয়া হয় । বলা হয়েছে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কালো টাকা ফুয়েলের মতো বিনিয়োগের চাকাকে সচল রাখবে!!

আবার নানা কারণেই আমাদের টাকা ঢাকা ছাড়ে , দেশের টাকা দেশে থাকতে চায় না। পত্রিকান্তরে প্রকাশ সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশী নাগরিকদের জমাকৃত অর্থের পরিমাণ নাকি ৩ হাজার কোটি টাকারো বেশী। ভারতসহ মালয়েশিয়া, কানাডা ও নীচের ছবিতে দখানো অন্যান্য জায়গা হচ্ছে নিরাপদ স্বর্গ, যেখানে পাচার করা অর্থ নিয়ে পস্তাতে হয় না।

মালয়েশিয়ার ‘মাই সেকেন্ড হোম’ কর্মসূচিতে কারো দেড় কোটি টাকার সম্পত্তি ও মাসে ২ থেকে ৩ লাখ টাকা আয় দেখালেই নাকি চলে। জানা গেছে, এ কর্মসূচির আওতায় এরই মধ্যে কয়েক হাজার বাংলাদেশী উড়াল দিয়েছে মালয়েশিয়ায়। আবার পাশ্চাত্তের দেশ সমুহের মধ্যে কানাডার কথাই ধরা যাক । ওই দেশের সরকার অর্থের উৎস নিয়ে উচ্চবাচ্য করবে না—ভাবটা এমন যে আপসে আপ জো আতা হ্যায়, ওহি হালাল হ্যায়। এ সুযোগে টরন্টো শহরে বিখ্যাত ‘বেগমপাড়া’ গড়ে উঠেছে, যেখানে বাংলাদেশীদের বেগম সাহেবানদের জন্য ফ্ল্যাট কিনে দেয়া হয়েছে Begums (wives) live with their children there and the husbands run political activities and businesses in Bangladesh ( সুত্র ডেইলী স্টার Click This Link ) । অবশ্য এদের সবাই অবৈধভাবে অর্থ পাচার করেনি, তবে একাংশ যে অবৈধ অর্থে ফ্ল্যাট কিনেছে এতে সন্দেহ থাকার অবকাশ আছে বলে মনে হয় না। সবচেয়ে মজার ঘটনা, বেশির ভাগ অর্থ পাচার হয়ে থাকে জাতীয় নির্বাচনের বছরে, কে জানে ক্ষমতার পালাবদলে যদি গনেশ পালটে যায়।

আাবার অর্থ পাচার করার একটা অতি পুরনো কৌশল হচ্ছে ওভার ও আন্ডার ইনভয়েসিং। ১০০ ডলারের আমদানিকৃত পণ্যের ইনভয়েসে ২০০ ডলার লিখে ১০০ ডলার বিদেশী ব্যাংকে জমা রাখা হয়। অন্যদিকে ২০০ ডলারের রফতানিকৃত পণ্যের ইনভয়েসে ১০০ ডলার দেখিয়ে ১০০ ডলার বিদেশে রেখে দেয়া হয়। দেশের ভেতর বিনিয়োগ পরিবেশ নেই বলেও টাকা দেশ ছাড়ছে। বৈধ অর্থ বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ না পেয়ে টাকা বিদেশে পাড়ি দেয়। অর্থাৎ একটা সময় আসে, যখন সাদা টাকা কালো করা ছাড়া উপায় থাকে না। চরম দুর্নীতি, অপর্যাপ্ত অবকাঠামো এবং অদক্ষ আমলাতন্ত্রের কারণে ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরি করাটা বৈরী হলেই এমনটি ঘটতে পারে। এ দেশের করনীতি, মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন, করের হার এবং অদক্ষ মানবপুঁজি বিনিয়োগকৃত অর্থের সর্বোচ্চ ব্যবহারের পথে প্রধান অন্তরায় বলে অর্থনীতিবিদেরা মনে করেন ।

অধিকতর মজুরির টানে মানুষ যেমন নৌকায় করে জীবনের ঝুকি নিয়ে উত্তাল সাগর পারি দিয়ে অভিবাসন ঘটায় এবং শিকড়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে ভিন দেশে বাস করতে দ্বিধা করে না; পরযায়ী পাখি যেমন সুদূর সাইবেরিয়া থেকে শতিকালে উড়ে আসে বাংলাদেশে, বাংলাদেশের পুঁজিও তেমনি অন্য দেশে আশ্রয় নেবে, এটা অস্বাভাবিক ঘটনা নয়। মানুষের মতো পুঁজিও অধিকতর রিটার্নের আশায় দেশ থেকে দেশ ঘুরে বেড়ায়। যাহোক, বাংলাদেশে কালো টাকার উৎপত্তি কিংবা অব্যাহতভাবে তা পাচারের মূলে আছে আইনি কাঠামোর দুর্বলতা রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির অভাব, রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষেত্র বিশেষে সংস্লিষ্টতা । দেশে আইনের অভাব সম্ভবত নেই, কিন্তু অসংখ্য ফাঁকফোকর থাকায় ওসব কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি বা এজেন্ট পার পেয়ে যায়। মনে রাখতে হবে কালো টাকার মালিক ও অর্থ পাচারকারী দুর্বল ও গরিব শ্রেণীর নয়; এরা ক্ষমতাসীনদের ওপর ভর করে অপকর্ম চালিয়ে যায়। আমাদের উচিত আইনি কাঠামো শক্তিশালী ও দ্রুতকরণ, রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির যথাযথ বাস্তবায়ন , রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত করন এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করা যাতে কালো টাকা ও অর্থ পাচার ক্রমে ক্রমে কমে এসে একসময় তা সমাজ ও দেশ হতে নির্মুল হয় , দেশ কালো টাকার প্রভাব মক্ত হয় ।

ধন্যবাদ পোষ্টটি দিয়ে কিছু প্রাসঙ্গিক আলোচনার সুযোগ করে দেয়ার জন্য ।

১৭ ই জুন, ২০১৯ রাত ২:৩০

চাঁদগাজী বলেছেন:



মন্ত্রীরদের সাথে সাধারণ মানুষের থেকে কালো ধনীদের সাথে সম্পর্ক ও চলাফেরা বেশী; ফলে, কালো টাকা সাদা করে মন্ত্রী নিজের লোকদের সাথেই থাকছেন; এগুলো এই ধরণের অর্থনীতির চরিত্র।

আপনি বাজেট, চাকুরী সৃষ্টি, বেকারত্ব, শিক্ষার প্রসার, ইত্যাদি বিষয় নিয়ে মৌলিক মন্তব্য করে আসছেন দীর্ঘদিন; এবং আগে পোষ্টও দিয়েছেন; আপনার কি মনে হয়, জাতির ভাগ্য ফেরানোর মতো কোন অর্থনীতিবিদ আপনার চোখে পড়েছে বাংলাদেশে?

১৪| ১৭ ই জুন, ২০১৯ রাত ৩:০৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: আমার পোষ্টে ডঃ এম এ আলী ভাইয়ের মন্তব্যে আমি উত্তর করেছি তা আপনার পোষ্টে হুবুহু কপি পেষ্ট করলাম।

***গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৬-১৯৭৭ অর্থবছরে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আমলে বাজেট হয় ১,৯৮৯.৮৭ (এক লক্ষ আটানব্বই হাজার নয়শত সাতাশি) কোটি টাকা !!! ১৯৭২ থেকে ২০১২ পর্যন্ত এত্তোবড় বাজেট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার করতে পারেনি !!! জিয়াউর রহমান যখন এই বাজেট করেন তখন বাংলাদেশের পত্রিকা ও বড় মাথার সমাজের ঘিলুতে ঢুকেনি এত্তোবড় বাজেট দিয়ে সরকার কি করবেন বা কি করেছেন ??? জিয়াউর রহমান সাথে করে অনেক রহস্য নিয়ে গেছেন যার উত্তর আমাদের অজানা থেকে যাবে। ১৯৭৬-১৯৭৭ অর্থবছরের আয় ব্যায় তার মধ্য একটি।


১৭ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৪:০৩

চাঁদগাজী বলেছেন: Fiscal Year Who placed budget Outlay


1972-73 Tajuddin Ahmed Tk 786 crore

1973-74 Tajuddin Ahmed Tk 995 crore

1974-75 Tajuddin Ahmed Tk 1,084.37 crore

1975-76 Dr Azizur Rahman Tk 1,549.19 crore

1976-77 Maj Gen Ziaur Rahman Tk 1,989.87 crore

1977-78 Lt. Gen. Ziaur Rahman Tk 2,184 crore

1978-79 President Ziaur Rahman Tk 2,499 crore

১৭ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৪:১৮

চাঁদগাজী বলেছেন:



আসলে সংখ্যটা হবে, ১৯৯০ কোটী ( রাউন্ড ফিগার); মোটেই বড় সংখ্যা নয়। আপনার সংখ্যায় (১,৯৮৯.৮৭ ) সঠিক স্হানে "দশমিক চিহ্ন" আছে। ভুলে, এক লক্ষ আটানব্বই হাজার নয়শত সাতাশি কোটি টাকা লেখা হয়েছে।

১৫| ১৭ ই জুন, ২০১৯ রাত ৩:১৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: বাংলাদেশর কালো টাকার পাহাড় জমেছে - জমবে “লন্ডন, আমেরিকা, কানাডা আর আদমের দেশ মালয়েশিয়াতে”।

১৭ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৪:১০

চাঁদগাজী বলেছেন:


জিডিপি'র অর্ধেকের সমান কালো টাকা লেনদেন হয় প্রতি বছর; ডাকাতদের দেশ।

১৬| ১৭ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৪:০১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: উপরে আমার মন্তব্যের প্রতিউত্তরে আপনার জিজ্ঞাসিত বিষেয়ে সহজ কোন উত্তর জানা নাই ।
তবে প্রসঙ্গক্রমে জানানো যায় যে একজন অতি দক্ষ অর্থনীতিবিদকে অর্থমন্ত্রী করে দিলেও তার
পক্ষে করার তেমন কিছু থাকবেনা যদিনা দেশে সুসাসন , সঠিক অর্থনৈতিক পলিছি ,
কর্মসুচী বাস্তবায়নের জন্য দক্ষ ও সততাসম্পন্ন জনবল , সর্বোপরী জবাবদিহীতার
কালচার দেশে না থাকে । অর্থমন্ত্রী হওয়ার জন্য কাওকে যে অর্থনীতিবিদই হতে হবে
এমনতো নয় । এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য যে, সত্তর দশকের বিশ্ব বিখ্যাত মার্কিন অর্থনীতিবিদ
প্রফেসর পল স্যামুয়েল সন ( প্রথম আমিরিকান যিনি ১৯৭০ সনে অর্থনীতিতে
নোবেল পুরস্কারে ভুষিত হন , এই সমষ্ঠিক অর্থনীতিবিদকে আধুনিক অর্থনীতির
জনক হিসাবেও অভিহিত করা হয় ) বলেছেন যে একটি তোতা পাখীও একজন
ভাল অর্থনীতিবিদ হতে পারে যদি তাকে শুধুমাত্র চাহিদা ও সরবরাহ এ দুটি
বিষয় শিক্ষা দেয়া যায় । বাংলাদেশের বর্তমান এবংবিদ বিষয়ের প্রেক্ষাপটে
প্রফেসর পল স্যামুয়েলসনের মত কোন অর্থনীতিবিদকেও যদি অর্থমন্ত্রী
বানিয়ে দেয়া হয় তাহলে তাকে আমাদের একমাত্র নোবেল বিজয়ী অর্থনতিবিদ
ড.ইউনেুসের মত ভাগ্যবরন করে নিতে হতে পারে । তাই ভাল এবং দক্ষ
একজন অর্থনীতিবিদের পাশাপাশি আমাদের প্রয়োজন জনবান্ধব ও গনমুখী
অর্থনৈতিক পরিকল্পনা , পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সৎ ও দক্ষ জনবল
সাথে একটি উপযুক্ত সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামো ।

১৭ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৪:১৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



ড: ইউনুস সাহেব একমাত্র বাংলাদেশী, যিনি নোবেল পেয়েছেন, এবং আগামী নোবেল দিগন্তেও নেই; তবে, তিনি "অর্থনীতি"তে পাননি, পেয়েছেন শান্তিতে।

বাজেটের জন্য বিশাল ভাবনার মানুষের দরকার হয়, প্রতিটি নাগরিককে হিসেবে আনতে হয়; অর্থনীতি ও ফাইন্যান্স না জানলে, ১ বছর, ৫ বছর, ১০ বছর, ২০ বছরের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেয়া কঠিন: কারণ, মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদ ও সার্ভিসের সৃষ্টি করতে হবে সময় ও সভ্যতার সাথে তাল মিলিয়ে।

১৭| ১৭ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৪:৪০

বলেছেন: অপসোর কোম্পানি ও সুইস বাংকে দিন দিন বাংলাদেশীর সংখ্যা বাড়ছে তার একমাত্র কারণ হলো সরকারের কালো টাকার মালিকের সাথে আঁতাত।।।
দেশের অর্থনীতি ও ব্যবস্থাপনার প্রতিনিধিত্ব করার জন্যই কোন জাদরেল অর্থনীতিবিদ নয় বরং একজন সৎ নাগরিক দরকার।

১৭ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৬:২৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


সঠিক, ১ জন সৎ চাষী হলেই দেশের বাজেট হয়ে যাবে!

১৮| ১৭ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৫:০৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আমি ডক্টর ইউনুছকে বলেছি আমাদের একমাত্র নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ, অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী বলেনি , তবে হ্যা তিনি শান্তিতেই নোবেল পেয়েছেন । তিনি নোবেল না পেলেও একজন অর্থনীতিবিদ হিসাবেই পরিচিত , এবং তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতির অধ্যাপকও ছিলেন। তিনি যখন প্রথম ক্ষুদ্র ঋন কর্মসুচী নিয়ে কাজ শুরু করেন তখন আমার কর্মজীবনের শুরুতে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষনা প্রতিষ্ঠানের একজন রিসার্চ এসোসিয়েট হিসাবে তাঁর সাথে অল্প কয়েকদিন কাজ করার কিছুটা সুযোগ আমার হয়েছিল । পরে বহুুবারই তাঁর সাথে একান্ত সাক্ষাত হয়েছে ক্ষুদ্রঋন কর্মসুচীর আদলে দেশের আন্যান্য সেকটরে উপযুক্ত প্রকল্প প্রনয়ন ও বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে আলোচনার জন্য , তার সুফলও পেয়েছি , তার প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা দুটোই রয়ে গেছে ।

১৭ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৬:২৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


ড: ইউনুসের শুরু ছিল মহান ও বিশাল; শেষ টুকু হলো প্যাথেটিক

১৯| ১৭ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৫:৫০

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: বাজেটে যে সকল বিশাল বিশাল প্রকল্পের বরাদ্দ ও আশ্বাস প্রদান করা হয় তার উদ্দেশ্য যতটা না সাধারণ জনগণের তার চাইতে অনেক বেশি থাকে এক শ্রেণীর দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদ ও আমলাচক্রকে মোটাতাজা করার জন্য | সাধারণ জনগনের চিকিৎসা, শিক্ষা ও মৌলিক চাহিদাসমূহ দূর করার জন্য কোন সরকারই কখনোই আন্তরিক নয় |

১৭ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৬:২৮

চাঁদগাজী বলেছেন:



বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দেশ চালানো ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর সমান।

২০| ১৭ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১:৪৩

হাসান রাজু বলেছেন: প্রতি বছর কালো টাকা সাদা করার সুযোগ থাকে। এটা এখন নিশ্চিত হয়ে গেছে যে এই অপশন বাজেটে থাকবেই। এতে করে যারই কালো টাকা আয়ের পথ থাকে সে সুযোগটা নিয়ে নেয়। কালো টাকা আয়ের পর মাথায় আসে - একবার কালোটাকা সাদা করতে গেলে লিস্টে নাম উঠে যাবে। এর থেকে ভালো কালো টাকা যেকোন ভাবে মালয়েশিয়া, ইতালি পাঠাই, সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ি।

১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:১২

চাঁদগাজী বলেছেন:


গিডিপি যদি ২৫০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি হয়, ১০০ বিলিয়ন ডলারের উপরে হচ্ছে কালো টাকা! সরকারের অকেরা জনাে কারা এত বড় টাকা আয় করছে, এই টাকা তারা কিভাবে সংরক্ষণ করছে! সরারের সাথে এসব ধনীরা জড়িত

২১| ১৭ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৫৮

গড়ল বলেছেন: বাংলাদেশের রাজনিতী, রাজনৈতিক দল, রাজনৈতিক কর্মকান্ড সবই চলে কালোটাকার উপর নির্ভর করে। বলেনতো ৯১তে প্রচুর জনসমর্থন থাকা সত্তেও নির্বাচনে হেরে যায় কেন? উত্তর হচ্ছে কালো টাকার অভাব, যেটা বিএনপির তখন বেশী ছিল কারণ তখন সবচেয়ে ধনী ব্যাবসায়ীরা বিএনপির পক্ষে ছিল। এটা হাসিনা বুঝতে পেরে পরবর্তিতে হাসিনাও সেই পথ অবলম্বন করে সফল হয়। তাই কালোটাকা আপাতত বন্ধ হচ্ছে না।

১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:১৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


দেশে অর্থনীতি যেভাবে চলছে, ইহা কালো টাকার পরিবেশ; নতুন অর্থমন্ত্রীর দক্ষতা সম্পর্কে ভালো কিছু শুনিনি।

২২| ১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:২৪

হাসান রাজু বলেছেন: আমাদের ঠাকুরমাহমুদ সাহেব প্রচুর পরিমানে চিকন বই, খুব তাড়াতাড়ি পড়া মানুষ। অল্প সময়ে বেশি পড়ার রেকর্ড আছে উনার। উনার তথ্যে এমন ভুল পাওয়া স্বাভাবিক।

১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:০৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


জেনারেল জিয়া নিয়ে অনেকেই ইমোশানেল

২৩| ১৭ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: কালো টাকা সাদা করার অর্থ দুর্নিতিকে উৎসাহিত করা।

১৭ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:১১

চাঁদগাজী বলেছেন:


কালো টাকার মালিকেরা হলো দুষ্ট ধনী; এরা আইন মানে না, জাতীর অর্থনীতিক পদদলিত করে; এদের শাস্তি না দিয়ে অর্থমন্ত্রীরা এদের লালন পালন করছে; কারণ, এরা ধনী

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.