নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সম্পদহীনদের জন্য শিক্ষাই সম্পদ

চাঁদগাজী

শিক্ষা, টেকনোলোজী, সামাজিক অর্থনীতি ও রাজনীতি জাতিকে এগিয়ে নেবে।

চাঁদগাজী › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাকশাল ভালো ছিলো, নাকি মিলিটারী ক্যু\' সঠিক ছিলো।

০৮ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:৫৯



বাকশাল ছিলো, সীমিত আকারের সোস্যালিষ্ট অর্থনীতি প্রবর্তন করার জন্য একটি রাজনৈতিক প্লাটফরম। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর, যেভাবে জাতি গঠনের দরকার ছিলো, সেটা ঘটেনি; ফলে,মানুষের মাঝে ভয়ংকর হতাশা বিরাজ করছিলো; সর্বোপরি, সরকারের অদক্ষতার কারণে দেশে ১৯৭৪ সালে দুর্ভিক্ষ হয়; দুর্ভিক্ষটি ছিল মোটামুটি ষড়যন্ত্রের ফসল। জাতি গঠন ঠিক মতো না হওয়ায়, জাতির আত্মদানের পরও মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের কোন লক্ষণ চোখে পড়ছিলো না; অর্থনীতিতে পরিবর্তনের দরকার ছিলো, শেখ সাহেব সেইদিকে যাও্য়ার জন্য বাকশাল গঠন করেন। ততকালীন পরিস্হিতি অনুসারে, ও বাংগালীদের রাজনৈতিক জ্ঞানের আলোকে, ইহাকে বাকশাল নাম না দিয়ে "সর্বদলীয় প্লাটফরম", বা "সর্বদলীয় সরকার" নাম দেয়ার দরকার ছিলো। বাকশাল আসেনি, মানুষ বাকশাল অর্থনীতির সুফল, কুফল কোনটাই ভোগ করার সুযোগ পায়নি; এসেছিলো সামরিক ক্যু।

আমাদের মানুষ এখন যেই রাজনৈতিক পরিবেশে আছেন, ইহা মিলিটারী ক্যু'এর ফলে সৃষ্ট রাজনৈতিক পরিবেশ। আজকের রাজনৈতিক পরিবেশকে অনেকে "বাকশাল" বলছেন; আসলে, যারা বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশকে "বাকশাল" বলছেন, তারা বাকশাল বুঝেন না; এবং শন্দটাকে খারাপ অর্থে একটি রাজৈতিক বাগধারার মত ব্যবহার করছেন।

জেনারেল জিয়া ক্যু করার পর, কিছু সময় মিলিটারী এডমিনিষ্ট্রেটর হিসেবে দেশ চালান; এরপর, উনি আইয়ুবী কায়দায় দেশের "সিভিল" প্রেসিডেন্ট হয়ে যান; একই মানুষ, একই জেনারেল, পদের নাম বদলে গেছে, কিন্তু উনার ভাবনা কি বদলে গেলো? না, উনার ভাবনাচিন্তা বদলায়নি। আইয়ুব খানের বেলায় না বদলালে, উনার সামরিক শিষ্যের বেলায় বদলাবে কিভাবে? কিন্ত দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ঝরে-পড়া রাজনৈতিক দলগুলোর মুখপাত্ররা জোর গলায় প্রচার চালাতে লাগলো যে, জিয়া "বহুদলীয় গণতন্ত্র" চালু করেছে; এসব রাজনৈতিক ডামীদের বুঝার দরকার ছিলো যে, গণতন্ত্রে সব সময় বহুদল থাকে।

যাক, জেনারেল জিয়া সামরিক শাসনই চালু রেখেছিলেন; কারণ, তিনি সেটাই জানতেন, এবং তিনি জানতেন যে, সামরিক শাসন ব্যতিত উনি টিকবেন না; কারণ, উনার থেকে বড় জেনারেলের চেয়ার বাংগালীরা উল্টায়ে দিয়েছে। উনার মৃত্যুর পর, উনার নিযুক্ত ভাইস প্রেসিডেন্ট বিচারপতি সাত্তার সাহেব একই সিষ্টেম চালু রেখেছিলেন।

এরপর জেনারেল এরশাদ আবার সামরিক ক্যু ঘটায়; পার্থক্য ছিলো, ইহা রক্তপাতহীন, জেনারেল আইয়ুব খানের মতো। তিনি জেনারেল জিয়ার পদ্ধতিতে নিজকে সিভিল প্রেসিডেন্টে রূপান্তরিত করে, জিয়ার মতো একই পদ্ধতি চালু করেন।

১৯৯০ সালে, জেনারেল এরশাদের চেয়ার উল্টায়ে দেয় মানুষ ও ক্যানন্টনমেন্ট মিলে; জেনারেল এরশাদের বিদায়ের পর, ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল জিয়ার মডেলকে কাজে লাগিয়ে বেগম জিয়াকে জিতিয়ে আনতে সমর্থ হয়। জেনারেল জিয়ার "বহুদলীয় গণতন্ত্র" আবার জীবিত হয়ে উঠলো।

এরপর, সেখ হাসিনা ও বেগম জিয়ার সময়গুলোতে ক্ষমতায় দল বদলালো, কিন্তু জিয়ার সিষ্টেম চালু রয়ে গেলো। মানুষ ভাবছিলো, শেখ হাসিনা নিশ্চয় জেনারেল জিয়ার সিষ্টেম বদলায়ে উনার বাবার সিষ্টেম চালু করবেন; কিন্তু তিনি তা করলেন না।



মন্তব্য ৫৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৫৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:০৮

জাহিদ হাসান বলেছেন: অতীতের এইসব কাসুন্দি আর কত ঘাটবেন? সামনে এগুতে দিন।

০৮ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:২৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


ইটিহাসে কি প্রশ্নফাঁসের সুযোগ নিয়েছিলেন? অতীত না জানলে, আপনি বর্তমানকে কিভাবে বুঝবেন? আসলে, আপনি বর্তমানকে আদৌ বুঝেন কিনা?

২| ০৮ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:০৯

জাহিদ হাসান বলেছেন: এইসব অতীতের আলোচনায় কোন ভালো ফল আছে কি?

০৮ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:২৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



আতীত হলো আজকের ধারাবাহিকতা; আপনি নিশ্চয় অতীত ও আজকের মাঝে সে সেতু বন্ধন আছে, উহা বুঝেন না; আপনার মতো নাগরিকদের কারণেই বিএনপি, বা আজকের সরকার সফল হচ্ছে।

৩| ০৮ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:০৬

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: বাকশাল ছাড়াও বঙ্গবন্ধুর জন্য আরও অনেক রাস্তা খোলা ছিল। কিন্তু বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায় এ বিষয়ে ব্লগে আর কিছু বলা ঠিক হবে না বলে মনে করছি। কারণ আলোচনা বাড়ালে অনেক অপ্রিয় বিষয় আসতে পারে। অনেক দেশে সামরিক ও স্বৈরশাসকরা দেশকে সমৃদ্ধশালী করেছেন এ রকম নজির আছে। তবে আমাদের দেশের সামরিক এক নায়করা সেই পর্যায়ের নেতা ছিলেন না।

০৮ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:৪৪

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনি হয়তো লজ্জার কারণে শেক সাহেবকে আপনার "অনেক রাস্তার" কথা জনাননি; উনি আপনার "অনেক রাস্তা"র মাঝে মাত্র একটা রাস্তা বের করেছিলেন; উনার ৬ দফাকেও বাড়ানো কমানো যেতো।

মানুষ যদি জিয়াকে ঠিক ইয়ািয়ার মতো আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করতো, ওরা আজকের এই অবস্হায় আসতো না।

৪| ০৮ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:০৯

শাহ আজিজ বলেছেন: আমি বেশ দুশ্চিন্তায় আছি চারিদিকের রোমিং অবস্থা দেখে । কি আছে ভাগ্যে জানি না । কল্যান হোক সবার ।

০৮ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:৪৮

চাঁদগাজী বলেছেন:



বাংগালী প্রাইভেট কোম্পানী যদি হাসপাতাল চালায় ও ফার্মেসী চালায়, মানুষ ভালো থাকার প্রশ্নই উঠে না; ১০৪ টি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি দেশে থাকলে, গ্রেজুয়েটদের মাঝে ভালো দর্জিও খুঁজে পাওয়া যাবে না; করোনায় যদি ৫০০০ কোটী খরচ করে জুটমিলের শ্রমিকের চাকুরী খেয়ে ফেলে, জাতি ভালো থাকতে পারে না।

৫| ০৮ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:৫২

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আমার বয়স সম্পর্কে মনে হয় আপনার ধারণা নাই তাই বলেছেন যে আমি লজ্জায় শেখ মুজিবকে জানাইনি। আমি সেই সময় তরুন থাকলেও আমার জানানোর সুযোগ হয়তো হত না। কাজেই আপনার কথাটা কোনও অর্থ বহন করে না। আমাকে ব্যক্তিগতভাবে জড়ানোর কোনও প্রয়োজন ছিল না। যে বিষয়ে আলাপ করছেন সেটাতেই থাকতে পারতেন। আপনার সৌজন্যবোধের অভাব আছে আমি আগেও বলেছিলাম। ব্লগে দরকারি কথা বলা উচিত। নিজের সম্মান ধরে রাখার চেষ্টা করেন।

০৮ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:৫৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি বলেছেন, "বাকশাল ছাড়াও বঙ্গবন্ধুর জন্য আরও অনেক রাস্তা খোলা ছিল। "

-আমি এই মন্তব্যের বিপরিতে আপনাকে এাটাসেটা বলেছি, ভয়ংকর কিছু ঘটেনি

৬| ০৮ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:৫২

সত্যপীরবাবা বলেছেন: বাকশাল গঠনের উদ্দেশ্য নিয়ে সেই সময় কি সরকার যথেষ্ঠ প্রচার চালিয়েছিল? কোন কোন সুবিধা বাকশাল প্রবর্তনের মাধ্যমে অর্জিত হত এই ধরনের কিছু? আপনি কি নিশ্চিত বাকশাল গঠনের কারণ আপনি যেভাবে দেখেন এখন, তখনকার সরকারের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরাও ঠিক সেইরকমই ভাবেছিলেন সেই সময়?

বাকশাল গঠনের পরবর্তি সরকারী কার্যকলাপে "সীমিত আকারের সোস্যালিষ্ট অর্থনীতি প্রবর্তন করার" কোন রকম ইচ্ছাই প্রতিফলিত হয় নাই। সোস্যালিষ্ট অর্থনীতি প্রবর্তনের প্রথম ধাপই হল level playing field নিশ্চিত করা, জনসাধারনের ন্যূনতম অর্থনৈতিক সুরক্ষা (minimal economic safety net) নিশ্চিত করা। এই ধরনের কোন কার্যকলাপ কি নেয়া হয়েছিল? কিছু ভাসা ভাসা, মৌখিক প্রতিশ্রতি না, সরকারি নির্দেশ? মোতেই না। কিছু শিল্প/ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান জাতীয়করনকে যারা সোসালিজম ভাবেন, তারা আদৌ সোসালিজম বুঝেন বলে মনে হয় না।

কাজেই এখন যত কিছুই বলা হোক না বাকশাল সম্পর্কে, তখনকার সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে সন্দেহ করার যথেষ্ঠ কারণ আছে -- বিশেষ করে সাধারন জনগনের অর্থনৈতিক উন্নতির পদক্ষেপ অগ্রাধিকার না পেয়ে যখন দল আর দলের নেতাদের অবস্থান সুসংহত করার প্রয়াস অগ্রাধিকার পায়। যারা এখন দাবী করেন যে সেই সময় রাজনৈতিক অস্থিরতার কারনে সরকার বাধ্য হয়েছিল রাজনৈতিক অবস্থানকে অগ্রাধিকার দিতে, তারা ঘুরে ফিরে সেই 'একনায়কতন্ত্রের'ই সমর্থক , সোসালিস্ট হওয়ার মত সামর্থ্য তাদের নাই, যেমন ছিল না স্বাধিনতা পরবর্তি কোন সরকারের।

বাকশাল কোন সৎ উদ্দেশ্যে তাই গঠিত হয় নাই -- শুরু থেকেই এর লক্ষ্য ছিল ক্ষমতা কুক্ষিগত রাখা।

সবশেষে, আপনার তুলনাটাই ভুল। এ যেন হিটলার ভাল না মুসোলিনী ভাল, ট্রাম্প ভালো না পুতিন ভাল সেটার তুলনা।

০৮ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২১

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনি বলেছেন, "সোস্যালিষ্ট অর্থনীতি প্রবর্তনের প্রথম ধাপই হল level playing field নিশ্চিত করা, জনসাধারনের ন্যূনতম অর্থনৈতিক সুরক্ষা (minimal economic safety net) নিশ্চিত করা। "

-level playing field কি জন্য, বাংলাদেশে কি বিশ্বকাপ হওয়ার কথা ছিলো?
-আমার মনে হয় না, আপনি সোস্যালিষ্ট অর্থনীতি, বা সোস্যালিজম বুঝেন। শেখ সাহেবের আর ক্ষমতার দরকার ছিলো না; কারণ, উনাকে বাংগালীরা কোন কিছু করতে মানা করেনি; মানা করেছে সিআইএ ও পরাজিত শক্তি।

আলাপ আলোচনা করে, শেখ সাহেব মানুষকে সাথে নেননি, উনি মনে করছিলেন যে, মানুষ উনার সাথে আছে।

৭| ০৮ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:৫৮

সত্যপীরবাবা বলেছেন: সামরিক শাসন নিয়ে আগেও লিখেছি, নতুন করে বলার কিছু নাই। যে সব মর্কট সামরিক শাসনের 'সুবিধা' দেখতে পায়, তাদের জন্য করুনা, এদের বুদ্ধির স্তর উন্নত করার উপায় নাই।

০৮ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৪

চাঁদগাজী বলেছেন:



বাংগালীদের জন্য সামরিক শাসনের উপকারিতা বুঝার জন্য বার্মাই যথেষ্ঠ।

৮| ০৮ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০২

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আমি আপনার কথা seriously নেই নাই। কিন্তু আপনি আপনার পোস্টে অদরকারি কথা দিয়ে ভরে দিলে আপনার পোস্টটিরই মান কমে যাবে। আমাকে আপনাকে সম্মান করার সুযোগ দিন।

০৮ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



ওকে, সুযোগের পথ খোলা রলো।

৯| ০৮ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
বাংলাদেশের জন্য ভালো হতে পারতো স্বাধীনতার পরপরই মাওলানা ভাসানীকে সভাপতি অথবা রাষ্ট্রপতি করে ২৫ বছরের জন্য একটি সর্বদলীয় সরকার গঠন করা। এরপরে স্বাধীনতার লক্ষ্য সামান্য কিছু অর্জিত হওয়ার পরে স্বাভাবিক সরকার ব্যবস্থায় ফিরে গেলে সেটা একটা ভালো কাজ হতে পারতো বলে মনে হয় ।

অবশ্য এটা একান্তই আমার নিজস্ব ভাবনা। আমার এই ভাবনায় কোন যুক্তি বা সারমর্ম নাও থাকতে পারে।

০৮ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


সেটাই ভালো হতো; মাওলানাকে সরকারে রাখলে, চোরদোরেরা ভয়ে থাকতো; এবং সর্বদলীয় সরকার করলে, জেনারেল জিয়া ক্যু করতে পারতো না।

১০| ০৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৮:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: বাকশাল বঙ্গবন্ধুর মাথায় ঢুকিয়ে ছিলেন খন্দকার মশতাক। কারন তিনি এর থেকে ফায়লা লুটার ধান্ধায় ছিলেন। কিন্তু তখন যদি দলে তাজউদ্দিন আহমেদ থাকতেন তাহলে পুরো পরিস্থিতি পালটে যেত। বাকশাল গঠন মানতে পারেন নি তাজউদ্দিন। তাই তিনি দল থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন।

০৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৯:২১

চাঁদগাজী বলেছেন:



খোন্দকার মোস্তাক অত বুদ্ধিমান ছিলো না, মনে হয়। আওয়ামী লীগের অনেকেই স্বাষীনতা থেকে লাভবান হতে চেয়েছিলো, শেখ সাহেব তাদের জন্য সমস্যা ছিলো।

১১| ০৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৯:০০

সত্যপীরবাবা বলেছেন: ১) -level playing field কি জন্য, বাংলাদেশে কি বিশ্বকাপ হওয়ার কথা ছিলো?
level playing field এর উদ্দেশ্য যদি ঢাকা স্টেডিয়ামে রোলার চালায় সমান করে প্রেসিডেন্ট গোল্ড কাপের আয়োজন বুঝেন তাহলে সোস্যালিস্ট অর্থনীতি তো দূরের কথা, আপনি সাধারন অর্থনীতিই বুঝেন না। অথবা বুঝলেও লোটাস কামাল বা মাল মুহিতের মতো বুঝেন।
২) শেখ সাহেবের আর ক্ষমতার দরকার ছিলো না
আরো ক্ষমতার দরকার ছিলো কিনা সেটা আপেক্ষিক/ব্যক্তি দৃষ্টিভঙ্গি নির্ভর। শেখ সাহেবের মনে হয়েছিল আরো ক্ষমতার দরকার -- তাজউদ্দিনকে সরানো (তিনি শেখ সাহেবের চাইতে অর্থনীতি ভালো বুঝতেন কিনা সেটা আলাদা আলোচনার বিষয়), মাঠ পর্যায়ের মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষমতাবলয়ের বাইরে রাখা, রক্ষীবাহিনি গঠন, প্রাতিষ্ঠানিক বিচার ব্যবস্থা এড়িয়ে রাজনৈতিক হত্যায় মৌন সমর্থন -- এই সব সিদ্ধান্ত তাঁর সেই মানসিকতার দিকেই ইঙ্গিত দেয়।
৩)আলাপ আলোচনা করে, শেখ সাহেব মানুষকে সাথে নেননি, উনি মনে করছিলেন যে, মানুষ উনার সাথে আছে।
জ্বি, আর এই কারনেই তিনি সারা জীবন বাঙালীর গনতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের সংগ্রাম করেও, তাঁর বিরোধীদের তাঁকে 'অগনতান্ত্রিক' আখ্যা দেয়ার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। ইস্কান্দার মীর্যা থেকে শুরু করে হাল আমলের ড: কামাল হোসেনও মনে করেন দেশের মানুষ ওনাদের সাথেই আছে। তেনারা যাই করবেন, জনগন তাতেই সায় দেবে। ওনাদের চিন্তা-ভাবনা মাত্রই সঠিক, আলাপ আলোচনার আর কি দরকার? শাসক থেকে স্বৈরশাসকে পরিনত হওয়ার পিছনে এই মনোবৃত্তি অন্যতম প্রভাবক।

বাকশাল গঠনের পিছনে যে দর্শন (philosophy) সেটা মহৎ হতে পারে, কিন্তু তার প্রয়োগ বা ফলাবল কোনোটাই মঙ্গল আনে নাই।

০৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৯:২৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাকশাল প্রয়োগ করার আগেই ক্যু হয়ে যায়।

১) শেখ সাহেব প্রতিবাদী নেতা ছিলেন, ১৯৭২ level playing field'এর সমস্যা ছিলো না; ভোটে দাঁড়ানোর মত শক্ত দলই ছিলো না; এবং তারপরও সবাই ভোটে অংশ নিতে পেরেছে
২) উনার সাথে ততকালীন সময়ের সব নেতাই ছিলেন; উনি যদি আরো ক্ষমতা চাইতেন, তাও পেতেন। মিলিটারী ও পরাজিতরা ক্ষমতার ব্যাপারে প্রোপাগান্ডা চলায়েছে।
৩) মানুষ যে, উনার উপর বিরক্ত, সেটা উনি বুঝতে পারেননি

১২| ০৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৯:২২

পগলা জগাই বলেছেন: বাকশাল হলেই মনে হয় ভালো হতো। চারপাশের চোরচোট্টদের একটু টাইট দিতে পারলেই আখেরে ভালো কিছু পাওয়া যেতো। ঐ সময়ের পরিস্থিতি বিবেচনায় আমার এটাই মনে হয় সব সময়। অন্যের মতের সাথে নাও মিলতে পারে।

০৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৯:২৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


দরিদ্র দেশে, সবার জন্য শিক্ষা, চাকুরী ও অধিকার সংরক্ষণের জন্য বাকশালই ছিলো উপযুক্ত ভাবনা; কিন্তু সিআইএ ও মিলিটারী তা হতে দেয়নি।

১৩| ০৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৯:২৯

শূন্য সারমর্ম বলেছেন: বাকশাল এখন করে ভালমন্দ বিচার করা দরকার হয়তো।

০৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১০:১৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



এখন বাকশাল করলে, ৫ বছরের মাঝেই জাতি কিছুটা স্বস্তির মুখ দেখতো, ১৫ বছরের মাঝে দেশ নিজ পায়ে দাঁড়াতে পারবে।

১৪| ০৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৯:৪৬

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: বাকশাল আর কাজ করবে না।বাকশাল যদি ৭২ সালে করতো তাহলে ইতিহাস অন্যভাবে লিখা হতো।যা হয়নি তা নিয়ে কথা বলে লাভ নেই।ছাগল দিয়ে যেমন হাল চাষ হয়না তেমনি আওয়ামী লীগ দিয়ে একদলীয় শাসন হয়না।যার জন্মই হয়েছে বহুদলীয় গনতন্ত্রের জন্য,তাকে দিয়ে এক দলীয় শাসন,এ যেন সোনার পাথর বাটি।

০৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১০:২১

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাকশালে যে ১ দল তাকটে হবে, সেটা কোন দরকারী শর্ত নয়; শুধু অর্থনীতিটা বদলাতে হবে, ফাইন্যান্স সিষ্টেম বদলাতে হবে।

১৫| ০৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৩৬

সত্যপীরবাবা বলেছেন: আমি এতক্ষনে বুঝলাম level playing field এর অর্থ আপনি "রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ' বুঝেছেন। নির্বাচনের আগে আগে এই শব্দগুলো বেশি ব্যবহার হয়, তাই প্রথমেই "রাজনৈতিক" প্রসংগ মাথায় আসে।
আমার মন্তব্যে কোন রাজনৈতিক দলের প্রসংগই টানি নাই। আমি level playing field -- সকলের (জনসাধারনের) জন্য 'সমান সুযোগ' এই অর্থে ব্যবহার করেছি। একই বাক্যে "ন্যূনতম অর্থনৈতিক সুরক্ষা" ও আছে। কোনো পাগলেও রাজনৈতিক দলের জন্য এই সুরক্ষা দাবী করবে না।

আর "সকলের জন্য সমান সুযোগ" যদি বাকশালের অন্যতম লক্ষ্য না হয়ে থাকে, তাহলে বাকশাল প্রয়োগ না হয়ে ভালই হয়েছে।

০৯ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১২:০৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


সব নাগরিকের জন্য সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্যই মানুষ মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন; শেখ সাহেব ও তাজুদ্দিন সাহেব উহা অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন।

১৬| ০৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১১:১২

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাকশাল ছিলো, সীমিত আকারের সোস্যালিষ্ট অর্থনীতি
প্রবর্তন করার জন্য একটি রাজনৈতিক প্লাটফরম।

...................................................................................................
দরিদ্র জনগনের কথা চিন্তা করে যা করতে চেয়েছিলেন তা ভালো ছিলো,
কিন্ত উনার আশপাশের লোকজন তার প্রতি সম্মান না দেখায়ে
নিজের সুবিধা গ্রহনে লিপ্ত ছিল ও অপপ্রয়োগ করে জনগনের মাঝে
আতন্ক সৃষ্টি করেছিলো ।

.................................................................................................
তেমনি এবার করোনা মহামারীতে প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক ও সুন্দর উদ্যোগকে
স্বাস্হ্যখাতের দুর্নীতি জনগনকে বিভ্রান্তির মাঝে ঠেলে দিয়েছে ।

০৯ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১২:০০

চাঁদগাজী বলেছেন:


প্রধানমন্ত্রী করোনার জন্য প্রস্তুতি নেননি; উনার দরকার ছিলো, হাসপাতালগুলোতে "মহামারী কমিটি" গঠন করা, যারা াসপাতল চালাতো ও ভলনটিয়ার ডাক্তার-নার্সদের নিয়ে চিকিৎসা করতো; যারা ভয় পায়, তাদেরকে কমিটিতে নেয়ার দরকার হতো না। সবগুলো হাসপাতালের জন্য "সাময়িকভাবে নতুন ম্যানেজমেন্ট"দেয়ার দরকার ছিলো। মার্চ থেকে কঠিন লকডাউন করার দরকার ছিলো; এজন্য উনি বিজিবি ও ৫ লাখ ছাত্রকে ভিনটিয়ার করতে পারতেন।

১৭| ০৯ ই জুলাই, ২০২০ রাত ২:২৬

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: খোন্দকার মোস্তাক অত বুদ্ধিমান ছিলো না, মনে হয়। আওয়ামী লীগের অনেকেই স্বাষীনতা থেকে লাভবান হতে চেয়েছিলো, শেখ সাহেব তাদের জন্য সমস্যা ছিলো।

খন্দকার মোশতাক নিরব ঘাতক ছিলো। মিচকা শয়তান। তাজউদ্দিন আহমেদের সাথে বঙ্গবন্ধুর দূরত্বের কারন হলো- এই মোশতাক।

০৯ ই জুলাই, ২০২০ ভোর ৪:৩৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


মোস্তাক ওজিয়া মিলে জাতিকে যাবাবর বানিয়ে গেছে।

১৮| ০৯ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ৯:৩৬

হাবিব ইমরান বলেছেন:

প্রথমেই বলে রাখি, আপনি যদি বাকশালের সমর্থক হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে এর সুফল বা কুফল বুঝানো অর্থহীন। কারণ, আপনি আগে থেকেই সিদ্ধান্তে পৌঁছে গিয়েছেন। আর যদি নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে অন্যের মতামত জানতে চান বা অন্যের মতামত মেনে নেয়ার সক্ষমতা আপনার মধ্যে থাকে তাহলে বলছি _______ বাকশাল কায়েম হলে এখন আর গণতন্ত্রের স্বাদ নিতে পারতেন না, গণতন্ত্র কাকে বলে বর্তমান প্রজন্ম তা বুঝতও না। (যদিও এখন একদলীয় শাসনের মতই অবস্থা বিরাজ করছে)। গণতন্ত্র না থাকলে মুক্তিযুদ্ধের আর কোন মূল্যও থাকতো না। তখন দেখা যেত বর্বর পাকিস্তান থেকে বাঙাল মুলুকও কম বর্বর নয়। একদলীয় শাসন বলেন আর একনায়কতন্ত্র বলেন এই খেলায় কেউ কারো চেয়ে কম খেলে না। গাদ্দাফি, হুসনি মোবারক, বাশার আল আসাদেরা স্বাধীনতার টুটি কিভাবে চেপে ধরেছে তা তো জানেন। সে হিসেবে মহান মুক্তিযুদ্ধের সাথে একদলীয় শাসন বা একনায়কতন্ত্র কোনভাবেই মিলে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা____ এখানে গণমানুষের স্বাধীনতা, গণমানুষের মুক্তির কথা বলে, তাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী বাকশালকে ঠেকানোর জন্য সামরিক ক্যু তখনকার সময়ের জন্য ১০০ ভাগ প্রয়োজন ছিলো, এবং তা হয়েও গেছে।

০৯ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:৪২

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনার মত মানুষ, গণতন্ত্রের উপর পরীক্ষার খাতায় লেখার মতো ধারণা রাকেন বলে আমার মনে হয় না। আপনি অবশ্যই ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তির অংশ।

১৯| ০৯ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১০:১০

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: যে কোনো রাষ্ট্রতন্ত্রের সাফল্য ও ব্যর্থতা নির্ভর করে এর নেতৃত্বে কে আছেন তার উপর - সেটা গণতন্ত্র হোক, সমাজতন্ত্র হোক, একনায়কতন্ত্র হোক অথবা কোন ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রতন্ত্রই হোক না কেন। যে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সিস্টেম লেনিন বা দেঙ শিয়াও পিংয়ের নেতৃত্বে জনগণের জন্য কল্যানমুলক এবং অনেক মানবিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে বিকশিত হচ্ছিলো, আবার স্ট্যালিন বা মাওয়ের নেতৃত্বে সেই একই রাষ্ট্রযন্ত্রেই জনগণকে নিপীড়ন ও দুর্ভোগের সম্মুখীন হতে হয়েছিল। মধ্যপ্রাচ্য বা বর্তমান ভারতে ধর্মতন্ত্রের কারণে এক ধরণের স্বৈরাচার সৃষ্টি ও জনগণের নিপীড়ণের উদাহরণ বর্তমানে আমরা দেখতে পাই। সুতরাং কোন তন্ত্র জনগণের জন্য ভালো তা একেবারেই মূল্যহীন যদি এর বাস্তবায়নকারী শীর্ষ নেতৃত্ব সৎ এবং আন্তরিক না হন।

তবে প্রকৃত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সুফল হলো যদি ওই নেতৃত্ব জনগণের কল্যানে ব্যর্থ হয় তবে তাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর পথ মসৃন থাকে - সেই নেতৃত্ব যতই কুটিল বা কৌশলীই হোক না কেন। বাংলাদেশে অবশ্য সেই ধরণের গণতন্ত্র কবে আসবে তা উপরওয়ালাই জানেন।

০৯ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:৪৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলাদেশের শুরুতে শেখ সাহেব যতটুকু গণতান্ত্রিক প্রসেস জানতেন, মিলিটারী ততটুকু জানতো না, এটা তো ঠিক আছে?

২০| ০৯ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:৩৩

রাফিন জয় বলেছেন: একটা প্রশ্ন, সোশ্যালিস্ট হতে গেলে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে লেলিনিস্ট পার্টির মডেল প্লে করা আদৌ যৌক্তিক ছিলো কী? এর ফলাফলতো আমার দৃষ্টি খুব একটা ভালো দেখলাম না। বাকশাল আসলে সোশ্যালিস্ট পার্টি হতে চেয়েছিলো নাকি সোশ্যাল-ডেমোক্রেট পার্টি হতে চেয়েছিলো? এমেরিকা কেনো মাঝ রাস্তা (সমুদ্র থেকে আরকি) থেকে তাদের রপ্তানি করা চাল ফেরত নিলো? রাগ কার উপরে? শেখ সাহেব আসলে কেনো সৈয়দ আশ্রাফ সাহেবের বাবা সৈয়দ নজরুল সাহেবের কথা কেনো শুনলোনা? কেনই তাজ উদ্দিন সাহেব শেখ সাহেবের চোখের বালি হয়ে দাঁড়িয়েছিলো? এইগুলা কী প্রমাণ করে?!

০৯ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:৪৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


সোস্যালিষ্ট অর্থনীতির প্রবক্তা ছিলেন কার্ল মার্ক্স, লেনিন ইাকে কাজে লাগায়েছিলো সোভিয়েতে, মাও কাজে লাগায়েছে চীনে; সোভিয়েত ও চীন কি ভালো করেনি?

২১| ০৯ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:৫৪

হাবিব ইমরান বলেছেন:

ব্যক্তিগত আক্রমণ করা কি আপনার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে নাকি?

@চাঁদগাজী সাহেব।
আপনি বলেছেন আপনার মত মানুষ, গণতন্ত্রের উপর পরীক্ষার খাতায় লেখার মতো ধারণা রাকেন বলে আমার মনে হয় না। আপনি অবশ্যই ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তির অংশ।

জগতে কেউ কিচ্ছু বুঝেনা আপনিই একমাত্র সবজান্তা শমসের। আপনিই গণতন্ত্রের ফেরিওয়ালা। আপনার হাত ধরেই গণতন্ত্রের জন্ম। আপনি যে যুক্তিতর্কে না গিয়ে অন্যের মতকে শ্রদ্ধার সাথে না মেনে নিয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেন এটা কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী। পাকিস্তানিরাও সেম কাজ করার কারণেই যুদ্ধটা তরান্বিত হয়েছিলো। আপনার থেকে এরকম আচরণ কেউ আশা করে না, কিন্তু আপনি একই কাজ বারবার করেন, সবার সাথে করেন। আপনি মনে করেন এটা একটা আর্ট।

যাইহোক, আমার মনে হয় গণতন্ত্র আসলে কি সেটা আপনিই ভালোভাবে জানেন না। আপনার মধ্যে অন্যের মতামতকে মেনে নেয়ার গুণটি পর্যাপ্ত নয়। আপনার মতামতের বিরোধী মানে সবাই “বিএনপি, জামাত, রাজাকার, আলবদর, পাকিস্তানি, পরাজিত শক্তি, প্রশ্নফাঁস জেনারেশন সদস্য”। ঢালাওভাবে আপনি সবাইকে আক্রমণ করতে পারেন না। রাজনৈতিক মারপ্যাঁচে ’৭৫ আঃ লীগ ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ার পর থেকে আপনি খুবই ক্ষ্যাপা হয়ে আছেন বিএনপির উপর। এবং সবকিছুতে বিএনপি, জিয়া আর খালেদা জিয়ার ছায়া দেখে বিরক্ত হয়ে যান। আপনি একজন কঠিন আওয়ামী লীগার এটা মানি। তাই বলে আর কোন দলকে আপনি সাইড দিবেন না?

মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আপনাকে শ্রদ্ধা করি। কিন্তু আপনি কিসের জন্য মুক্তিযুদ্ধ করেছেন সেটা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। আপনি ‘বাকশাল আর সামরিক ক্যু’ নিয়ে আপনার মতামত দিয়েছেন, সেটার প্রত্যুত্তরে আমি আমার মতামত দিয়েছি। এটা আমার অধিকার। আর এই অধিকারের জন্যই মূলত একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো। (আপনার মত সরাসরি মুক্তিযোদ্ধাকে এসব বলা আর মায়ের কাছে নানার বাড়ির গল্প করা একই কথা, আমার মনে হচ্ছে আপনার বয়স হয়েছে তাই মাঝেমধ্যে সব গুলিয়ে ফেলছেন। আসলে এই বয়সে এমনটা স্বাভাবিক। শেষ বয়সে অনেকে স্মৃতিভ্রংশ রোগেও ভোগে। স্রষ্টা আপনাকে রক্ষা করুন।) আপনি যুদ্ধ করেছেন, যুদ্ধে জয়ীও হয়েছেন। অভিনন্দন। কিন্তু আপনি নিজেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী। এটা খুবই দুঃখজনক।

বাকশাল নিয়ে আমার কোন মাথাব্যথা নেই। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো আওয়ামী লীগ সফলভাবে মুক্তিযুদ্ধ জয় করে আসার পর বঙ্গবন্ধুর কেন বাকশাল হিসেবে নতুন দল খুলতে গেলেন? কি প্রয়োজন পড়লো?

বাকশাল নিয়ে আমরা যা জানিঃ Click This Link

০৯ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪০

চাঁদগাজী বলেছেন:



স্যরি, আপনাকে একটু কড়া কতা বলা হয়েছে।

আপনি অন্য মন্তব্যে বলেছিলেন, "আর যদি নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে অন্যের মতামত জানতে চান বা অন্যের মতামত মেনে নেয়ার সক্ষমতা আপনার মধ্যে থাকে তাহলে বলছি _______ বাকশাল কায়েম হলে এখন আর গণতন্ত্রের স্বাদ নিতে পারতেন না, গণতন্ত্র কাকে বলে বর্তমান প্রজন্ম তা বুঝতও না। "

-গণতন্ত্র যতটুকু ছিলো, সেটা শেখ সাহেবের সম্যই ছিলো; শেখ সাহেবই বাকশাল করতে চেয়েছিলেন; উনার বাকশালের সময়েই গণতন্ত্র সম্ভব তো।

২২| ১০ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১২:১০

রাফিন জয় বলেছেন: আমার প্রশ্নটা ছিলো, "সোশ্যালিস্ট হতে গেলে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে লেলিনিস্ট পার্টির মডেল প্লে করা আদৌ যৌক্তিক ছিলো কী?" মাও কী বলশেভিক পার্টির মতো কাজ করেছে? রুশ বিপ্লব যে আসলে মিলিটারি কু, সেইটা কেনো জানি কেউ স্বীকারই করতে চায়না। অন্য দিকে যুদ্ধোত্তর, সদ্য স্বাধীনভাবে জন্ম নেয়া একটা দেশে বলশেভিকের মতো ওয়ান পার্টি রুল কতোটা যৌক্তিক?

১০ ই জুলাই, ২০২০ রাত ২:০৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



সোভিয়েত শক্তিশালী ছিলো, নাকি বাংলাদেশ শক্তিশালী?

চীন উন্নত, নাকি বাংলাদেশ উন্নত?

২৩| ১০ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১:০০

ডার্ক ম্যান বলেছেন: বাকশাল ভুল সময়ে ছিল।

১০ ই জুলাই, ২০২০ রাত ২:১০

চাঁদগাজী বলেছেন:



শেখের জন্য সেটাই সঠিক সময় ছিলো

২৪| ১০ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১:৫৫

রাফিন জয় বলেছেন: আপনিই অযথাই প্লাটফর্ম চেঞ্জ করছেন। প্রশ্ন ধরতেই পারেননি নাকি ধরতে চাচ্ছেন না তা আপনিই জানেন। তাই আগের প্রশ্ন বাদ দিয়ে আমার এনালাইসিস বলি। বাকশাল ছিলো বাংলাদেশ এবং আওয়ামীলীগের জন্য অন্যতম একটা ভুল সিদ্ধান্ত। সোভিয়েতের জন্ম রুশ বিপ্লব দিয়ে। যেটা আসলে একটা মিলিটারি কু। তবে অবশ্যই ভ্লাদিমির লেলিনের অনেক বড় একটা রোল ছিলো। তাই পরে সে ওয়ান পার্টি রুল করতে পেরেছে। তবে সোভিয়েত ভাঙ্গার অন্যতম কারণ ছিলো সোভিয়েতের সাম্রাজ্যবাদী আচরণ। ক্রমেই তা হয়ে যাচ্ছিলো একটা ডিক্টেটর রাষ্ট্র। ইন্টার্নেশনাল চক্রান্ত যে ছিলোনা বিষয়টা এমন নয়। তবে পেরেস্ত্রইকা আর গ্লাসনস্তও একটা কারণ। তার চাইতে বড় কারণ তখনকার (১৯১৭-১৯৯২) বুদ্ধিজীবীদের অনেকেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিলো। সোভিয়েত সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলার কারোর রাইট ছিলোনা। তখনকার পলিটিকাল জোক এখনো শোনা যায়। ফলে গণতন্ত্রের স্বাদ জনগণ নিতে পারছিলো না। বরং সরকার ছিলো বড় অপ্রেসিভ। সাম্রাজ্যবাদী মনোভাবের। তাই ইন্টার্নেশনালি পরে কমিউনিস্টদের অফিশালি দুটো ভাগ হয়ে যায়। মস্কোপন্থি আর চিনাপন্থি।

১০ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৪

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে হলে, আমাকে প্রশ্নফাঁস করতে হবে।

আপনার প্রশ্ন আপনি বুঝেন তো?

২৫| ১০ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ২:০৩

রাফিন জয় বলেছেন: Public Administration & Governance Studies ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থি হওয়ায় এনালাইসিস করার মতো আরো একটা বিষয় পেয়েছিলাম। Leader আর Administrator এক কথা নয়। একজন Leader একজন ভালো Administrator নাই হতে পারে। আবার একজন Administrator একজন ভালো Leader নাই হতে পারে। তবে একজন Leader একজন ভালো Administrator হতেই পারে। তবে তার অবশ্যই সে সক্ষমতা থাকতে হবে। শেখ সাহেব যে একজন ভালো Leader ছিলো, তার Charismatic Quality ছিলো, তাতে সন্দেহের অবকাশ নেই। তবে সে একজন ভালো Administrator হতে পারেনি। এখানেই ঝামেলা।

১০ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২১

চাঁদগাজী বলেছেন:


ছাত্র ছিলেন ভালো কথা; এখনো ছাত্রই আছেন।

২৬| ১০ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৮:০৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
একটা জিনিস লক্ষ্য করেছি।
উপমহাদেশে কেবল মাত্র বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সামরিক শাসন আসে।

ভারত ,নেপাল , শ্রীলংকা, ভুটান এই সমস্ত দেশে কখনো মিলিটারি শাসনের কথা শুনি নাই।

১০ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৯:২৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



এই ২ দেশের মিলিটারী অফিসারেরা কাজ করে না।

২৭| ১০ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৮:২৬

রাফিন জয় বলেছেন: আমার প্রশ্ন আমি না বুঝলে ঈশ্বর বুঝবে না। তবে আপনার উত্তর আপনিই একা বুঝেন। ঈশ্বরের বোঝার প্রশ্ন একটা মিস্ট্রি। যদি প্রশ্ন নাই বুঝেন, তো বললেই হতো। আরেকবার বুঝিয়ে প্রশ্ন করার চেষ্টা করতাম। এটাতো আর পরীক্ষার হল না। প্রশ্ন না বুঝে উত্তর দিলে তা ঈশ্বরেরই বোধগম্য হয়না। আমি কী বুঝবো! আর আমি এখনো পাবলিক এ্যাডের স্টুডেন্ট। তাই লিডারশিপ আর ম্যানেজারশিপ ভালো করেই পড়তে হচ্ছে। এনালাইসিস করতেও শিখতে হচ্ছে।

১০ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৯:২৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


পড়েন, শিখেন; পরীক্ষায় নকল করিয়েন না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.