| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আসসালামুআলাইকুম
একটু সময় নিয়ে পড়বেন প্লিজ।
ভাই ওবোনেরা
গত ১৩/১২/১২ আমি অনেক রাতে মায়ের কাছ থেকে ফোন পাই তখন আমি ঘুমে, ফজরের সময় উঠে দেখি ৩টা মিসকল। খুব সমস্যা না হলে মা আমাকে ডিস্টার্ব করেনা । তাই সাথে সাথে ফোন গুরাতেই ছোট বোন বললো বাবা অসুস্থ । কি হয়েছে জিজ্ঞাস করতে বলে উনার বুকে ব্যাথা সারা রাত ঘুমাতে পারেনাই। সকালে দুলাভাই এসে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেছে। কিন্তু ডাক্তার বলে জেলা শহরে নিয়ে যেতে হবে তাই করা হলো কিন্ত না সেখানেও কোন কিছু করা গেলোনা তারা বললো ঢাকায় নিতেই হবে পরে টাকা পয়সার জোগাড় করে ঢাকায় নেওয়া হলো।
ইব্রাহীম কার্ডিয়াকে টেস্ট করার জন্য ভর্তি করা হলো তারা টেস্ট করে বললো এখনই উনাকে হার্ডে ৩টি রিং পরাতে হবে সেটাই করা হলো।
৩দিন পর উনি রিলিজ পেলো আমার সাথে কথা হলো বলে আমি ভালো অছি ।
২ দিন পর আমাকে বলে উনার প্রচুর কাশি হচ্ছে এবং পা ফুলে গেছে সাথে সাথে ডাক্তার এর সাথে কথা হলো তারা বলে তাদেরকে দেখাতে।
সেখানে নেওয়ার পর ডাক্তার বলে উনার লান্সে পানি জমছে উনাকে আবার ভর্তি করাতে হবে আবার ও তাই করা হলো ৭দিন পর উনি রিলিজ পেলো ।
দুই দিন পর আবারো একই সমস্যা তারপর ডাক্তার এর সাথে কথা বলার পর তারা বলে উনার ঠান্ডার সমস্যা সুতারাং উনাকে সেই জাতীয় কোন ডাক্তার দেখাতে হবে তাই করা হলো। ডাক্তার বললো উনার অবস্থা খু্বই খারাপ উনাকে ক্লিনিকে ভর্তি করাতে হবে এবং সেটা করাহলো।
তারা এবার বলে উনার লান্সে ইনফেকশন, লিভারে সমস্যা সুতারাং উনাকে অক্সিজেন দিয়ে না রাখলে বড় ধরনের সমস্যা হবে। তারপর তাই করা হলো।
আজ ২০ দিন পর উনার সেই সমস্যা থেকেই গেলো ডাক্তার বলে আপনাদের ক্লিনিকের বিল ২লক্ষ টাকা হয়েছে উনাকে আপনার নিয়ে জান এবং উনার হার্ডের একজন ডাক্তার দেখান।
এই ব্লগে অনেক ডাক্তর ও জ্ঞানি লোক আছে বলে আমার বিশ্বাস।
দয়াকরে আমাকে পরামর্শ দিন আমি এখন বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ছি।
কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
আমার কাছে ওনার সমস্ত কাগজ পত্র এবং টেস্টের কপি গুলো আছে যদি কেউ দয়াকরে দেখতে চান তাহলে আমাকে মেইল করলে আমি দিতে পারবো।
[email protected]
২|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৩০
তুন্না বলেছেন: আমাদের দেশের ডাক্তরের কথা বলার মোতো না। ভাই জদি পারেন তাহলে একবার বিদেশ ঘুরে আসেন...
আল্লাহ সবাই কে ভালো রাখুক এই কামোনা করি..
৩|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৪৭
রূপকথার রাজকন্যা বলেছেন: আপনার বাবার অবস্থা শুনে তো মনে হচ্ছে এখন ই কোনো ইমারজেনসি স্টেপ নিতে হবে।
প্রথমে উনার হার্টে ব্লক ছিল তাই তিনটা রিং পড়ানো হয়েছিল।
পরে লাংস এ ইনফেকশন হয় এই জন্য পানি জমে। সেই কারনে চিকিতসা হয়। পরে লিভারের কি সমস্যা বোঝা যাচ্ছেনা।
আসলে রিপোর্ট না দেখে কিছুই বলা যাচ্ছেনা।
আপনার মেইল এড্রেস দিলে আমি আপনার সাথে ব্যক্তিগত ভাবে যোগাযোগ করতে পারি। আমি একজন ডাক্তার। খুব ছোট মাপের ডাক্তার। তবে আপনাকে কোথায় যেতে হবে কাকে দেখাতে হবে সেই গাইড লাইন দিতে পারব।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:০৭
ইউসুফ অালী বলেছেন: [email protected]
৪|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:০১
পাপাই বলেছেন: দোয়া করি আপনার বাবা সুস্থ হয়ে উঠুক। আল্লাহ ভরসা।
৫|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:২৩
মিশুক৩১ বলেছেন: ভাই হার্টে রিং পরালে ডাক্তার অনেক কমিশন পান । সিউর না হলে ধরা খাবার সম্ভাবনা ১০০%. আমার এমন অভিজ্ঞতা আছে ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:২৭
মনে নাই বলেছেন: ব্লগের ডাক্তার ভাইয়া/আপুদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। (ডাক্তার নই, তাই কিছু বলতে পারছি না)। দোয়া করি আপনার বাবা সুস্থ হয়ে উঠুক।