নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

প্রবাস জীবন (দুবাই)-ধর্ম-স্বাস্থ্য-টিপস-আমার কথা--

জানার আগ্রহ মানুষের চিরন্তন, বই হলো তার বাহন, আইনের মৃত্যু আছে কিন্তু বইয়ের মৃত্যু নেই।

সিটিজি৪বিডি

আজকের দিনই শেষ দিন মনে করতে হবে..কারন হঠাৎ করেই একদিন মরতে হবে.. কেয়ামত পর্যন্ত কবরে থাকতে হবে.. হাশরের মাঠে আল্লাহর সামনে উপস্থিত হতে হবে.. জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সমস্ত কর্মকান্ডের হিসাব দিতে হবে.. পুলসিরাত পার হতে হবে.. তারপর....... জান্নাত অথবা জাহান্নামই হবে আসল ঠিকানা....

সিটিজি৪বিডি › বিস্তারিত পোস্টঃ

আজ ৩০ সেপ্টেম্বর, জাতীয় কন্যাশিশু দিবসে একটি গল্প শুনুন

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:৩৮



আরব দেশে আবু হামজা নামক এক ব্যক্তি এক মহিলাকে বিবাহ করে। লোকটি পুত্র সন্তানের প্রত্যাশী ছিল। কিন্ত তাদের গৃহে কন্যা সন্তান জন্ম দিল। লোকটি তখন ক্ষোভে-দুঃখে স্ত্রীর নিকট যাতায়াত বন্ধ করে দিল এবং স্ত্রীর থেকে পৃথক হয়ে অন্য একটি বাড়ি ভাড়া করে বসবাস করতে লাগল। দীর্ঘ এক বৎসর অতিবাহিত হওয়ার পর একদিন ঐ লোকটি তার স্ত্রীর গৃহের কাছ দিয়ে অতিক্রম করছিল। তখন তার কর্ণে স্বীয় স্ত্রীর সুপরিচিত মধুর কন্ঠে একটি কবিতার পংক্তি ভেসে এল। স্ত্রী তার কন্যাকে আদর সোহাগ ছলে বললেন-



“আবু হামজার কি হল যে, আমাদের কাছে আসে না?

পাশের বাড়িতে ভাড়া থাকে, তবু আমাদের খোঁজ নেয় না!



অসন্তুষ্ট সে, কেন পুত্র সন্তান জন্ম দিলাম না?

শপথ আল্লাহর, এসব কিছু তো আমার ক্ষমতার অধীনে না।



মহান আল্লাহ যা কিছু দেন, তাইতো মোদের শান্তনা।”



স্ত্রীর কন্ঠের একথা গুলো স্বামীকে দারুনভাবে প্রভাবাম্বিত করে এবং ঈমান, এক্বীন ও আল্লাহর ফয়সালার সম্মুখে মস্তক অবনত করতে বাধ্য করে । তখন আবু হামজা গৃহে প্রবেশ করে স্ত্রী ও কন্যার কপালে কৃতজ্ঞতার চুম্বন একে দিয়ে কন্যা সন্তানরূপে করুনাময় আল্লাহ তায়ালা যে মহান নিয়ামত তাকে দান করেছেন, তার প্রতি সন্তোষ ও আনন্দ প্রকাশ করে । এভাবে তাদের সংসার সুখের সংসারে পরিণত হয়।



এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে, ‘কন্যা মানেই বোঝা নয়, করবে তারা বিশ্ব জয়’।



বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৪৫ শতাংশ ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু আর এর মধ্যে ৪৮% হল কন্যাশিশু। আজকের শিশুরা আগামী দিনের দেশের ভবিষ্যৎ।



কন্যার মাতা-পিতাদের প্রতি কিছু উপদেশঃ



১. অনেক পিতা-মাতা পুত্র সন্তান জন্ম নিলে খূশীতে আত্মহারা হয়ে যায় বটে, কিন্তু কন্যা সন্তান জন্ম নিলে মুখ শুকিয়ে কালো চামচিকে হয়ে যায়, এমনটি হওয়া কোন ক্রমেই উচিত নয়।



২. কত খুশীর খবর যে, আল্লাহ তা’আলা দয়া করে আপনার ঘরের সৌন্দর্যরূপে, সৌভাগ্যের ফুল রূপে, অঢেল ফযীলতের অধিকারিণীরূপে একটি ফুটফুটে পূর্ণিমার চাঁদ (মেয়ে) দান করেছেন।



৩. তাই কন্যা সন্তান জন্ম নিলে অসন্তোষ প্রকাশ না করে আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মাধ্যমে ঈমানের পরিচয় দেয়া কর্তব্য।



৪. মনে রাখবেন- কন্যা সন্তান অপছন্দ করা আল্লাহর সিদ্ধান্তকে অপছন্দ করা একই কথা। আর নিঃসন্দেহে একথা বলা যায় যে, যারা কন্যা সন্তানের কারনে মনঃস্তাপে কিষ্ট হয়, দুঃখিত ও লজ্জিত হয় , তাদের ঈমানে রয়েছে দুর্বলতা; একীন বিশ্বাসে রয়েছে অসচ্ছতা।



৫. তাদের একথা হৃদয়ঙ্গম করা একান্ত প্রয়োজন যে, তারা এবং তাদের পরিবারের, বংশের সমাজের সমগ্র বিশ্ববাসীর শত প্রচেষ্টা সত্তেও আল্লাহর সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারবে না। আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করেন, করবেন। তিনি সর্বশক্তিমান, রাজাধিরাজ , সর্বকর্মবিধায়ক। যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দান করেন, যাকে ইচ্ছা কন্যা সন্তান দান করেন। মহাগ্রন্থ আল কোরআনে ইরশাদ হচ্ছেঃ



“নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের রাজত্ব আল্লাহ তা’আলারই। তিনি যা ইচ্ছা, সৃষ্টি করেন। যাকে ইচ্ছা কন্যা সন্তান দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দেন। অথবা তাদেরকে দান করেন পুত্র ও কন্যা উভয়ই। কিংবা যাকে ইচ্ছ বন্ধ্যা করে দেন। নিশ্চয় তিনি সর্বজ্ঞ, ক্ষমতাশীল।” (সুরা-শুরা ৪৯-৫১)





মন্তব্য ৫ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:৪৩

সাদা রং- বলেছেন: আমার আম্মুটাকে আমি খুবই ভালোবাসি।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:৫৫

সিটিজি৪বিডি বলেছেন: আমারও একটা মেয়ে--------প্রবাস থেকে খুব ভালবাসি।

২| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ দুপুর ২:১৫

মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: যারা কণ্যা সন্তান অপছন্দ করেন, তাদের আমি মানসিক বিকলাংগ ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারি না।

একজন কণ্যা পরিণত বয়সে কত কষ্ট স্বীকার করে সন্তান জন্ম দান করেন। সেই সন্তানকে মা যে ভালবাসা দিয়ে বড় করেন, সেটা কি দুনিয়ার কোন কিছুর সাথে তুলনা করা যায়? একজন স্ত্রী যেভাবে পুরো ঘর সংসার আগলে রাখেন সেটা কি কেউ দেখেনা?

এরপর মানুষ কিভাবে কণ্যা সন্তান অপছন্দ করে? নারী জাতি যে আল্লাহর কত বড় নেয়ামত এটা একটু চোখ বন্ধ করে ভাবলেই বোঝা যাবে।

তবে কথা হল, তারপরও এত অমানুষ দুনিয়ার বুকে কিভাবে তৈরী হয়, যারা নারীদের অবমাননা করে !! এর উত্তর হল, আজকের দুনিয়ায়, পুরুষ এবং নারী বাবা-মা হওয়া না শিখেই সন্তান জন্ম দিয়ে দিচ্ছে এবং সেই সন্তানকে সঠিক মূল্যবোধ দিয়ে বড় করতে পারছে না, দিচ্ছে না তাদের ধর্মীয় শিক্ষা, আল্লাহর হুকুম এবং রাসূল(সঃ) সুন্নাহ মোতাবেক বড় করছে না (বড় করবে কিভাবে, নিজেরাইতো জানে না, কারণ, তাদের বাবা - মা ওতো শেখায়নি তাদের !!)

আমাদের উপলব্ধিকে এই জায়গাটায় না নিয়ে যেতে পারলে আমাদের নিষ্ঠুর আচরণগুলো কখনোই পরিবর্তন হবে না...

৩| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ৯:১৪

এস এইচ খান বলেছেন: আপনার মামনির জন্য দোয়া থাকল। মেহের জাইনের অসাধারণ এ গানটি শুনুন, আশা করি ভাল লাগবে।

৪| ০১ লা অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১:৫৩

আজাইরা পেচাল বলেছেন: একজন পিতা হিসাবে কণ্যা বা পুত্র সন্তান আলাদা করে দেখিনা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.