নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

গ্লোবালাইজেশনের অভিশাপ

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:০৫

আমাদের শৈশব আর কৈশরে বিনোদন মানে ছিল মাঠে খেলতে যাওয়া, বন্ধুদের সাথে মাঠে বসে আড্ডা দেয়া, সন্ধায় বাড়ি ফিরে পড়া শেষ করে বিটিভি খুলে বসা। সে সময়ে আমরা বিটিভির প্রায় সব কিছুই গোগ্রাসে গিলতাম , এমনকি একঘেয়ে খবর পর্যন্ত । বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হলে বেড়ানো বলতে আত্মীয় স্বজনদের বাড়ী বেড়াতে যাওয়া , সিনেমা হলে সিনেমা দেখতে যাওয়া , পিকনিক করা ইত্যাদি। তবে ছোট ছোট এই আয়োজনের মাঝেই তখন খুজে পেতাম নির্মল আনন্দ।

এই প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা হয়ত শুনলে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যাবে যে, আমার জীবনে আমি প্রথম সমুদ্র ও পাহাড় দেখেছি ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময়। কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানে একটি স্টাডি ট্যূরের আয়োজন করা হয়েছিল । শুধু আমি একাই নই , আমার ব্যাচের সহপাঠীদেরো আমার মতই একই অবস্থা। কেউই আগে সমুদ্র বা সুইচ্চ পাহাড় দেখেনি। জীবনে সেই প্রথম কক্সবাজারে সমুদ্র দর্শন আর রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের পাহাড় আমাকে যতটা মুগ্ধ করেছিল পরবর্তীতে তার তিলমাত্র মুগ্ধ করতে পারেনি বিভিন্ন দেশের অপরুপ দৃষ্যাবলী।

জীবনে প্রথম উড়োজাহাজে চড়ি ভার্সিটির পড়া শেষ করে অন্য দেশে উচ্চশিক্ষাার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়ার সময়। এই যুগের বাচ্চারা এই সব কথা শুনলে অবাক হয়ে তাকায় আমাদের দিকে। গ্লোবালাইজেশনের এই যুগে বাজেট এয়ারলাইন, সস্তায় হোটেল ও এয়ারলাইনের প্যকেেজ , ঘরে বসেই এক্সপিডিয়া, আগোডায় কনফার্ম বুকিং এক কথায় হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে পুরো বিশ্বটাকে। একটু ছুটি পেলেই মানুষ এখন পরিবার নিয়ে চলে যায় বিদেশ ভ্রমনে। ফেসবুক এসে মানুষকে আরো উসকে দিয়েছে ভ্রমনে। শো অফের এই যুগে সবাই শুধু অন্যকে দেখাতে চায় কে কত নিত্য নতুন দেশ ঘুরেছে।ব্যবসা বানিজ্যও এখন আর নিজ দেশের গন্ডীতে সীমাবদ্ধ নয়। সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্ক এখন আন্তর্জাতিক। ব্যবসা ও অফিসের কাজে এখন মানুষ সকাল বিকাল এক দেশ ত্থেকে আরেক দেশে যায়।

এই গ্লোবালাইজেশনের অভিশাপ হচ্ছে আজকের করোনা পরিস্থিতি। চায়নার উহানে যখন এই ভাইরাসের সং্ক্রমন ঘটেছিল , সেটা হয়ত এই উহানেই সীমাবদ্ধ থাকতো যদি সময়টা ২০০০ শতক না হয়ে ১৯০০ শতকে হত। করোনা ভাইরাস সং্ক্রমনের পর পরই উহান থেকে তীরবেগে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে সারা বিশ্বব্যপী। সম্ভবত তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বাধলেও এর তীব্রতা বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমান আজকের মত এতটা মারাত্মক হত না। করোনার এই অয়ার্ল্ড ট্যূরের ভয়াবহতা আর কতদিন জারী থাকবে কেউ জানে না। কবে আবার পৃথীবি ফিরে যাবে সেই আগের রুপে তার উত্তরও জানা নেই কারো। হাজারটা কন্সপিরেসি থিউরি এখন চালু সর্বত্র। অনেকেই বলছে যে গ্লোবালাইজেশনের সুযোগটা কাজে লাগিয়ে চায়না বিশ্বব্যপী ছড়িয়ে দিয়েছে করোনা নামের জীবানু বোমা। অনেকেই ধারনা করছে যে চায়নার হাতে করোনার ভ্যকসিন আছে। তানাহলে সারা বিশ্বে যেখানে কীট পতঙ্গের মত মানুষ মরছে, সেখানে চায়নায় এখন করোনা পরিস্থিতি পুরোপুরি কন্ট্রোলে ! লকডাউন উঠিয়ে দিয়ে চায়নায় এখন বিরাজ করছে পুরোপুরি স্বাভাবিক পরিবেশ!

কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা জানা নেই কারো। তবে জাতি, ধর্ম, বর্ন নির্বিশেষে এই বিশ্বের সকল মানুষের এখন একটাই কামনা যে দ্রুত ভ্যক্সিন আবিস্কার হোক এবং ভ্যকসিনের কাছে পরাজয় ঘটুক এই ঘাতক ভাইরাসের।

মন্তব্য ৩২ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (৩২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:১২

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনি বিদেশে কোন সাবজেন্ট পড়েছেন, এখন কি বিদেশে, নাকি বাংলাদেশে?

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:০৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: এতটা ডিটেইল ইনফরমেশন ব্লগে দেয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখি না।

২| ১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:২০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: পৃথিবীর সবাই মঙ্গল লাভ করুক। এখন অনেকেই দেশের বাইরে যেতে চাইবে না। করোনা মুক্ত নতুন পৃথিবী হয়তো অনেক পরিবর্তিত হবে। আপাতত কামনা পৃথিবীর সকল মানুষ সুস্থ হোক।

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:০৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: একমত আপনার সাথে যে করোনা মুক্ত নতুন পৃথিবী হয়তো অনেক পরিবর্তিত হবে। তীর্থের কাকের মত মানুষ অপেক্ষায় করোনার ভ্যকসিনের।

৩| ১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:৫৬

রাজীব নুর বলেছেন: বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত একটি বিষয় হচ্ছে বিশ্বায়ন।
বিশ্বায়ন তো ভালো। এটায় প্রতিটা দেশ এগিয়ে যাবে।

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:১৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: জীবনে প্রথম পাহাড় ও সমুদ্র দেখেছেন কোন বয়সে?

৪| ১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১৩

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: কলোনিয়ালিজমের কারণে অনেক প্রাণী হারিয়ে গেছে পৃথিবী থেকে। মানুষ প্রকৃতির উপর করা অন্যায়ের মাশুল দিচ্ছে

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:০৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: ঠিকই বলেছ প্রান্ত। প্রকৃতি কিন্ত এখন পুরোপুরি দুষনমুক্ত

৫| ১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৫

জুন বলেছেন: বেশিরভাগ দেশেই এই ভাইরাস ছড়িয়েছে বিদেশ থেকে আসা প্রবাসী বা পর্যটকের মাধ্যমে ।
আল্লাহ জানে কি আছে ভবিষ্যতে ।
নিরাপদে থাকবেন ঢাবিয়ান আর ঘরে থাকুন ।

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:১২

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ আপু। আমার এখানে ফ্রন্টলাইনে থাকা পেশাজীবিরা ছাড়া বাকিরা সবাই এখন ঘর থেকেই ফুল অফিস করছে অনলাইনে।

৬| ১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫২

নতুন বলেছেন: গ্লোবালাইজেশন ভালো একটা পরিবত`ন।

এটা ছোট একটা নেগেটিভ দিক মাত্র। এখন বাংলাদেশে নাস্তা করে দুপুরে দুবাইতে লাচ্ঞ করে রাতের খাবার ইউরোপে খেতে পারে। এই ক্ষমতা মানব সভ্যতায় অনেক গতি যোগ করেছে।

এখন মানুষ এই সমস্যার সমাধানে পদক্ষেপ নেবে এবং এমন সংক্রামন সামনে এড়াতে পারবে।

এই রকমের সমস্যায় দুনিয়ার মানুষও একত্রিত হবে এবং বড় সমস্যার সমাধানে কাজ করবে।

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:১৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: করোনা পরবর্তী পৃথীবি আরো অনেক মানবিক হবে বলেই মনে হয়।তবে এখন সবাই মৃত্যূভয়ে অস্থির। দ্রুত এই পরিস্থিতির অবসান ঘটুক এটাই সবার কামনা।

৭| ১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৪৯

নেওয়াজ আলি বলেছেন: বিশ্বায়নে যুগে রোগও সারা বিশ্বে ছড়াবে এইটাই স্বাভাবিক । কথা হল আমরা কতটুকু প্রস্তুত এইটি মোকাবিলা করার জন্য।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:১৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমাদের প্রস্তুতি কেমন তাতো দেখাই গেল আজকের ব্রামনবাড়িয়ায়

৮| ১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৫৯

সাইন বোর্ড বলেছেন: প্রত্যাশা এখন একটাই, সুদিন ফিরে আসুক আবার, স্বাভাবিক হোক সব কিছু ।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:১৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: প্রতি্টি মুহুর্তের প্রার্থনা এখন এটাই

৯| ১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:৫৮

শের শায়রী বলেছেন: গ্লোবালাইজেশানের এই যুগে প্রতিটা মানুষ কে তার অজান্তে ব্যাবসায়ীরা তাদের পন্যে পরিনত করছে, এটা ভীষন বেদনাদায়ক।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:১৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: একমত,। গ্লোবালাইজেশান পুরো বিশ্বেের সব কিছুকেই পন্য ও কাস্টোমারে পরিনত করেছে।

১০| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৭:৪৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সহমত আপনার সঙ্গে যে গ্লোবালাইজেশনের সবচেয়ে বড় অভিশাপ হচ্ছে আজকের এই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। শুধুমাত্র উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ভর করেই কোর্টেড বা আনকোর্টেড চীনা ভাইরাস অতি দ্রুত গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে গেছে। যে সম্প্রসারণ 100 বছর আগে কল্পনাও করা যেত না।
এখন একটাই চাওয়া যে,যে করেই হোক এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কৃত হোক এবং মানব সভ্যতা এই দুর্যোগ থেকে মুক্তি পাক।
শুভেচ্ছা প্রিয় ঢাবিয়ান ভাইকে।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৫৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ পদাতিকদা সুন্দর কমেন্টের জন্য।

১১| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:১৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



লেখক বলেছেন, " এতটা ডিটেইল ইনফরমেশন ব্লগে দেয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখি না। "

-আপনার উত্তর ও লেখার প্যাটার্ণ থেকে বুঝা যায় যে, আপনি বিদেশে পড়েননি।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:০৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমি ব্লগে আসি আমার মনের কথাগুলো তুলে ধরতে। আমি দেশে পড়েছি না বিদেশে পড়েছি তা এলেবারেই বিবেচ্য নয় এখানে । আপনার মনে যা ইচ্ছা তাই আপনি ভাবতে পারেন যা একান্তই আপনার নিজস্ব মনোভাব। ডিভি লটারি বা আত্মীয় স্বজনের বদৌলতে আমেরিকায় যাওয়া মানুষের সম্ভবত জানা নাই যে এই বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে স্থায়ী হতে গেলে উচ্চশিক্ষা ছাড়া দ্বিতীীয় আর কোন রাস্তা নাই।

১২| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:১১

আল ইফরান বলেছেন: বিশ্বায়ন পুজিবাদী এজেন্ডার আরেক প্রতিমূর্তি।
১। আমাদের স্নাতকোত্তর শ্রেণীতে পড়ার সময় একটা বাধ্যতামুলক পাঠ ছিলো মানবাধিকারের উপর বিশ্বায়নের প্রভাব নিয়ে।
আমার কাছে মনে হয়েছে বিশ্বায়নের সুফল উন্নত বিশ্বের দেশগুলোই নেয়, আবার লেইসে ফেয়ার পলিসির কথা বললে দরিদ্র দেশগুলোর টুটি চেপে ধরা হয়। সামগ্রিকভাবে আমি একচ্ছত্র বিশ্বায়নের বিশ্বাসী নই, কিছু ক্ষেত্রে (পরিবেশ, সুশাসন ইত্যাদি) সার্বভৌম নিয়ন্ত্রন আরোপ জরুরী।

২। আমিও জীবনের প্রথম উড়োজাহাজে চড়ি আপনার মত একই উদ্দেশ্যে। আমার সাদা চামড়ার সহপাঠীরা সেইটা শুনে অবাক। তাদের অনেকের ধারনাতেও নেই যে কেউ তার জীবনের প্রায় অর্ধেক (অথবা পুরোটাই) প্লেনে না চড়ে পাড় করে দিতে পারে। মজার ব্যাপার হচ্ছে তারাই আমাদেরকে আবার গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার শেখাতে আসে আমাদের রাজনৈতিক ব্যর্থতার দায়স্বরুপ।

৩। চাঁদগাজী বলেছেন 'আপনার উত্তর ও লেখার প্যাটার্ণ থেকে বুঝা যায় যে, আপনি বিদেশে পড়েননি'। আমার মনে হয় না এইসব ব্যাপারে চট করে সিদ্ধান্তে আসা উচিত। এই ব্লগে বিশ্বের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ুয়া অনেক মানুষজন আছেন যাদের উত্তর ও লেখার প্যাটার্ণ থেকে বোঝা যায় না যে তারা কোথায় পড়াশুনা করেছেন।

এনিওয়ে, আপনার লেখার ধরনের উন্নতি হচ্ছে ঢাবিয়ান। কিপ ইট আপ। :-B

১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:১০

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার সুন্দর কমেন্টের জন্য।এ কথা অস্বীকার করার কোন উপায় আসলে নাই যে ''গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার '' শব্দগুলোর বাস্তব প্রয়োগ বিদেশে এসেই আমরা দেখেছি। আমাদের দেশে এই শব্দগুলো আমরা শুধুই বই এর পাতায় দেখেছি।

১৩| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: জীবনে প্রথম পাহাড় ও সমুদ্র দেখেছেন কোন বয়সে?

আহ !!
পাহাড় আর সমুদ্র আমার ভীষন প্রিয়।
জ্ঞান হবার আগেও দেখেছি পরে দেখেছি। সামনের দিন গুলোতেও দেখব।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:১২

ঢাবিয়ান বলেছেন: সামনের দিনগুলোতে কি অপেক্ষা করছে তা বড় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

১৪| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৪:৩১

আরোগ্য বলেছেন: আগের সময়টাই ভালো ছিলো। বর্তমান ব্যবস্থাগুলো কেমন জানি যান্ত্রিক। দম বন্ধ হয়ে আসে।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:১৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: আসলেই তাই

১৫| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:০১

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, " এতটা ডিটেইল ইনফরমেশন ব্লগে দেয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখি না। "

-আপনার উত্তর ও লেখার প্যাটার্ণ থেকে বুঝা যায় যে, আপনি ছাত্র রাজনীতি করেছেন; আপনি স্বদেশে কিংবা বিদেশে কোন পড়ালেখা করেননি।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:৩০

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনি এই ব্লগে বিশেষভাবে এক শ্রেনীর ব্লগারদের পেছনে লেগে থেকে যত্র তত্র মাদ্রাসার ছাত্র, শিবির , অশিক্ষিত, প্রশ্নফাশ জেনারেসন ইত্যাদি গালাগাল করে ব্লগ থেকে তাড়াতে অতি তৎপর। আপনার এই টেকনিক সবাই জানে। যাই হোক আপনি বৃ্দ্ধ মানুষ তাই এগুলোকে ইগনর করার চেষ্টা করি। নিউ ইয়র্কের অবস্থা দেখছি খুব খারাপ। ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন।

১৬| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:২২

মা.হাসান বলেছেন: আপনার বিদেশী ডিগ্রী হীনতার তথা শিক্ষাহীনতা খবর জানিয়া হতবাক হইয়া গেলাম।অনলাইনে আমেরিকান ডিগ্রী লইয়াও তো স্যাটেলাইট বানানোর পোস্ট দিতে পারেন, নিদেনপক্ষে টাইমস- ফিনান্সিয়াল টাইমস এর আর্টিকেল বাংলা অনুবাদ করিয়া পোস্ট দিতে পারেন।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:৪৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: হ তাই ভাবতাসি এখন।তবে একটু উল্টাভাবে। এই ব্লগের যত্তসব লিলিপুটিয়ানের জন্য এত কষ্ট না কইরাা বরং এই ব্লগের বিশিষ্ট গুরুজনের পোস্ট ইংরেজীতে ট্রান্সলেট কইরা আম্রিকা, ইংল্যন্ডের পত্রিকায় কিভাবে ছাপান যায় সেইটা নিয়া একটু ভাবেন। কোন সোর্স থাকলে অবস্যই জানাবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.