নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অবিশ্বাসে কিছুই মেলে না

এখানে এখন রাত্রি এসেছে নেমে তবু দেখা যায় দুরে বহু দুরে হেরার রাজতোরণ

ডিজিটালভূত

জন্ম সত্তরে এক আলেম পরিবারে। প্রাইমারী শেষ করার আগেই আব্বা জোর করে মাদরাসায় ঢুকিয়ে দিলেন। মাদরাসায় পড়তে মনে চাইছিল না প্রথমে। পরে মাদারাসার দর্শনই নিজের জীবনের রক্ত-মাংসে, সীরাত-সুরতে আর মন-মস্তিস্কে মিশে গেল। এ নিয়ে গর্ব করি। [email protected]

ডিজিটালভূত › বিস্তারিত পোস্টঃ

কওমি মাদ্রাসা নিয়ে আইন মন্ত্রীর বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা: দৈনিক সমকাল

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:১১

কওমি মাদ্রাসা সমঙর্কে আইন মন্ত্রীর ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের বক্তব্যকে ‘পাগলের প্রলাপ’ আখ্যায়িত করে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা আহমাদুল্লাহ আশরাফ বলেছেন, নিকট অতীতেও আলেম সমাজ জঙ্গিবাদের বিরুদেব্দ ভূমিকা রেখেছে। এরপরও যারা কওমি মাদ্রাসাগুলোকে জঙ্গি প্রজনন কেন্দ্র বলেন, তারা হয় অর্বাচীন, না হয় ইসলামী শিক্ষার দুশমন।

গতকাল লালবাগের কেল্লার মোড়ে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সল্ফ্মেলনে মাওলানা আশরাফ বলেন, ‘আইনমন্ত্রী কওমি মাদ্রাসা সম্পর্কে উদ্ভট ও উস্ট্কানিমুলক বক্তব্য দিয়ে আলেম সমাজকে সরকারের মুখোমুখি দাঁড় করানোর ষড়যন্ত্র করছেন।’

কওমি মাদ্রাসার বিরুদেব্দ অপপ্রচার ও মাদ্রাসা তল্ক্নাশির নামে হয়রানি বন্ধ না করলে মাদ্রাসা শিক্ষা সংরক্ষণে তারা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন বলে মন্তব্য করেন আমির। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা জাফরুল্লাহ খান উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যে নিন্দার ঝড় উঠেছে কওমি মাদ্রাসা সংশ্নিষ্ট মহলে। গতকাল পৃথক পৃথক বিবৃতিতে ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মুফতি ফজলুল হক আমিনী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মোঃ রেজাউল করীম, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শায়খ আবদুল মোমিন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান আল্লামা এমএ মান্নান, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব আবদুল লতিফ নেজামী, খেলাফত মজলিসের আমির অধ্যক্ষ মুহাল্ফ্মদ ইসহাক, কওমি মাদ্রাসা সংহতি পরিষদের আল্লামা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ নিন্দা জানিয়েছেন। বিবৃতিতে তারা জানতে চেয়েছেন, সাম্প্রতিককালে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ, রাজশাহীবিশ্ব বিদ্যালয় , জগন্নাথ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ব বিদ্যালয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেসব সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেছে তারা কোন কওমি মাদ্রাসার ছাত্র? তারা বলেন, সুদহৃরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই কওমি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।



কওমী মাদ্রাসা সম্পর্কে আইন মন্ত্রীর বক্তব্য কি যথার্থ হয়েছে? মতামত দিন।

মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +১০/-৫

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৩০

দ্বীপবালক বলেছেন: আইনমন্ত্রী ও তাঁর মত বুদ্ধিজীবীরা চোয়ালে উঠা ইন্টেলেকট দিয়ে চিন্তা করেন। তাই চিন্তা সঠিক হয়না। জঙ্গী/চরমপন্থী প্রকাশ্য আন্দোলন থেকে হয়না। যখন কোন আন্দোলন প্রকাশ্যে কাজ করতে পারেনা, তখনই এর সদস্যরা গোপন চরমপন্থা বেচে নেয়। বঙ্গদেশে গোপন জঙ্গীবাদের জন্মদাতা চীনপন্থী কম্যুনিস্টরা। তারা এখনও দেশে সক্রিয়। এই জঙ্গীদের দমনের নামে সৃষ্টি হইছে তথাকথিত ইসলামী জঙ্গী বাংলা ভাইয়ের।

০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:১২

ডিজিটালভূত বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

২| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৩১

অারমান বলেছেন: সাম্প্রতিককালে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ, রাজশাহীবিশ্ব বিদ্যালয় , জগন্নাথ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ব বিদ্যালয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেসব সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেছে তারা কোন কওমি মাদ্রাসার ছাত্র?

১-২ মাদ্রাসায় কিছু অস্ত্র আর গোলা-বারুদের জন্য যদি কওমি মাদ্রাসা দোষী বলে গন্য হয় তাহলে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ, রাজশাহীবিশ্ব বিদ্যালয় , জগন্নাথ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ব বিদ্যালয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেসব সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেছে আর যত অস্ত্র আর গোলা-বারুদের ভান্ডার ঐসব বিশ্ব বিদ্যালয়ে আছে তার জন্য নিশ্চয় ঐসব বিশ্ব বিদ্যালয় বন্ধ করে দেয়া হবে?
যদিও আমি চাইনা কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হোক,সন্ত্রাসী ঘটনা আর না হোক এটাই কাম্য,

০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:১৩

ডিজিটালভূত বলেছেন: সহমত, ধন্যবাদ

৩| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৫৪

রশীদ বলেছেন:
তার বক্তব্য যথার্থ হয়েছে।

৪| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:১৩

রিয়াজুল ইসলাম বলেছেন: আমার লেখাটি পড়ুন।

Click This Link

৫| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৪০

ধীবর বলেছেন: আমাদের আইনমন্ত্রি যেখান থেকে পড়াশুনা করেছেন, সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিই আসলে জঙ্গি তৈরির কারখানা। সেগুলি অবিলম্বে বন্ধ করে দেয়া হোক। প্লাস

০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:১৩

ডিজিটালভূত বলেছেন: সহমত, ধন্যবাদ

৬| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৪৪

ধানসিঁড়ির ডাহুক বলেছেন: দ্বীপবালক বলেছেন: আইনমন্ত্রী ও তাঁর মত বুদ্ধিজীবীরা চোয়ালে উঠা ইন্টেলেকট দিয়ে চিন্তা করেন। তাই চিন্তা সঠিক হয়না। জঙ্গী/চরমপন্থী প্রকাশ্য আন্দোলন থেকে হয়না। যখন কোন আন্দোলন প্রকাশ্যে কাজ করতে পারেনা, তখনই এর সদস্যরা গোপন চরমপন্থা বেচে নেয়। বঙ্গদেশে গোপন জঙ্গীবাদের জন্মদাতা চীনপন্থী কম্যুনিস্টরা। তারা এখনও দেশে সক্রিয়। এই জঙ্গীদের দমনের নামে সৃষ্টি হইছে তথাকথিত ইসলামী জঙ্গী বাংলা ভাইয়ের।
ধীবর বলেছেন: আমাদের আইনমন্ত্রি যেখান থেকে পড়াশুনা করেছেন, সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিই আসলে জঙ্গি তৈরির কারখানা। সেগুলি অবিলম্বে বন্ধ করে দেয়া হোক।
প্লাস

৭| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৪৭

অণুসন্ধানী বলেছেন: Mr Shafiq is a technocrat minister. so he try to prove himself more AL than other AL leader. for this reason he attacks Islam as he try to established secularism.

my question who is behind the terror attack in different hall? is all university are producing terror then why Koumi Madrasa , while only few r guilty. we never say Madrasa producing as a whole.

৮| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৩২

অলস ছেলে বলেছেন: শফিক হলেন দালাল শ্রেণীর লোক। তার কাছ থেকে এই ধরণের বক্তব্যই আসবে, যা যথার্থভাবে দেশকে আরো ডুবাবে।

০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:১৪

ডিজিটালভূত বলেছেন: ঠিক কথা বলেছেন। ধন্যবাদ

৯| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৫৫

কেল্টূ দা বলেছেন: ডিজিঠালবুত তুমার হিজভুত তেহারী লয়া টান দিব... বয় পাইছোনি ?

কওমী মাদ্রাসার ছাড়া জঙ্গী প্রজনন সেন্টার আর কি হইতে পারে কওতো চান্দু ? ! ! ? NSU, ESU রেটিনা কোচিং এই সব ?

০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:১৯

ডিজিটালভূত বলেছেন: আমার শুধু হিযবুত তাহরীর নয়। সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সকল দলই আমার মনে করি। আর মার্কিন, ভারত ইসরাইলের দালালদের দেখতে পারি না দু চোখে।
তবে কওমী মাদ্রাসাগুলো জাতিকে যে সেবা দিয়ে যাচ্ছে তা যদি অন্য কোন দল বা প্রতিষ্ঠান দিত তবে কয়েকবার তারা নোবেল প্রাইজ লাভ করত। কিন্ত দুর্ভাগ্য তাদের, তারা জন্মলগ্ন থেকেই সকল প্রকার সাম্রাজ্যবাদের জাত শত্রু। এ জন্য তারা কওমী, মানে স্বজাতীয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.